Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

মধুপুরে ৪ জনকে গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় আদালতে মামলা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৫৩জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা,বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইলঃটাঙ্গাইলের  মধুপুর পৌরসভাধীন বোয়ালী (পুন্ডুরা) এলাকার বৃদ্ধা মা, তাঁর দুই ছেলে ও এক ছেলের স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের আলোচিত ঘটনায় আদালতে মামলা করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৭ডিসেম্বর) টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মধুপুর আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেন নির্যাতনের শিকার আব্দুল জব্বার মিয়া (৩৪)।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী কবীর হোসেন উজ্জল। মো. বাদল মিয়া, হাবিবুর রহমান, গেন্দি বেগম, রফিকুল ইসলাম, আজগর আলীসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আইনজীবী কবীর হোসেন উজ্জল জানান, আলমগীর ও জব্বার মিয়াদের সঙ্গে প্রতিবেশী কালু মিয়া শেখ ও তাঁর ভাই আজগর আলী, সামাদ মিয়াদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল দীর্ঘ দিনের। ২০০০ সালে দায়ের করা বাঁটোয়ারা মামলায় ২৩ বছর পর আলমগীর ও জুব্বারদের পক্ষে রায় দেন আদালত। পরে কালু মিয়া শেখ, তাঁর ভাই আজগর আলী ও সামাদ মিয়া মালিকানা দাবি করে ১৪৪ ধারা চেয়ে আবেদন করেন। তদন্ত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন ওই জমির ওপর। পরবর্তীতে আলমগীর ও জুব্বার মিয়া গং আদালতে আপিল করেন। যা এখনো বিচারাধীন।

বিবাদী কালু গং ১৪৪ ধারা করিয়ে আবার সেই জমিতে তাঁরাই আদালতের নির্দেশ অমান্য করে গত মঙ্গলবার(৫ ডিসেম্বর)সকালে কালু মিয়া শেখ, তাঁর ভাই আজগর আলী গং জোর পূর্বক ঘর তুলতে গেলে আলমগীর বাধা দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষরা তাঁকে পিটিয়ে আহত করেন। তাকে বাঁচাতে তাঁর ভাই জব্বার মিয়া, তাদের মা শাফিয়া বেগম ও তাঁর পুত্রবধূ জোৎনাকেও গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেন।

এ ঘটনায় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করার পর পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। আহত আলমগীরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং মা ও পুত্রবধূকে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট মধুপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

মামলার আইনজীবী কবীর হোসেন উজ্জল বলেন, টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক বাদল চন্দ্র দাস মামলাটি আমলে নিয়ে দ্রুত টাঙ্গাইলের গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি উত্তর) তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বলেছেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



বাগেরহাটে ছিন্নমূল তরুনীকে আশ্র্রয় দেওয়ার কথা বলে গণধর্ষণ, আটক ১

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১০জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ এলাকায় ৩৫ বছর বয়সী এক ছিন্নমূল তরুনীকে আশ্র্রয় দেওয়ার কথা বলে ঘেরের বাসায় নিয়ে ধর্ষন করেছে তিন যুবক। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে ষাটগম্বুজ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো: রবিউল ইসলাম(৩৫) নামের ওই যুবককে আটক করা হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে ধর্ষনের স্বীকার তরুনীকে উদ্ধার করে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে মডেল থানা পুলিশ।

আটক  মো: রবিউল ইসলাম বাগেরহাট সদর উপজেলার সুন্দরঘোনা গ্রামের শেখ আকবর আলীর ছেলে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী বলেন, বাবা মারা গেছে, মায়ের সাথেও দীর্ঘদিন যোগাযোগ নেই। একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতাম, এখন চাকরি নেই। আশ্রয়ের আশায় দেড় মাস আগে খান জাহান আলী (রহ) এর মাজারে এসেছিলাম। কখনও মাজারের পাশে, কখনও মাজার মসজিদের বারান্দায় থেকেছি। রবিবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজার এলাকায় ছিলাম, কিন্তু কিছু লোক আমাকে তাড়িয়ে দেয়। আশ্রয়ের আশায় ষাটগম্বুজ মসজিদের সামনে যাই। সেখানে কিছু লোক আমাকে জলিল নামের একজন মানুষের বাসায় পাঠায়। সেখানে আকবর নামের একব্যক্তি কু প্রস্তাব দিলে বিরক্ত হয়ে রাস্তায় চলে আসি। তখন রবো নামের এক অটো চালক আমাকে আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে অটোতে উঠিয়ে নির্জন একটি ঘেরের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে তিনজন মিলে আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে নানা আকুতি মিনতির পরে তারা আমাকে খুলনা-বাগেরহাট মহাসড়কের একটি নির্জন জায়গায় ছেড়ে দিয়ে যায়। পরবর্তীতে কাকে কিভাবে বলব জানাবো বুঝতে পারিনি। এক পর্যায়ে বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ আমাকে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে। ধর্ষণকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অসহায় এই তরুণী।

বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সাদিয়া তাসনিম মুনমুন বলেন, পুলিশ ওই তরুণীকে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ওই তরুনির অভিযোগ তাকে তিনজন মিলে ধর্ষণ করেছেন। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তরুণীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি এখন শঙ্কামুক্ত।

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, নির্যাতনের শিকার তরুনীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মো: রবিউল ইসলাম(৩৫) এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।


আরও খবর



সুখসাগর পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকছেন মেহেরপুরের চাষিরা

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৮জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃঅনুকুল আবহাওয়া আর দাম ভাল পাওয়ায় উচ্চ ফলনশীল জাতের সুখসাগর পেঁয়াজ চাষে ঝুকে পড়েছেন মেহেরপুরের চাষিরা। বিগত ১৮ বছর ধরে এ জাতের পেয়াজ চাষ করছেন তারা। চাষিরা বলছেন- অন্যান্য জাতের পেয়াজের চেয়ে সুখসাগর জাতের পেয়াজে ফলন বেশি ও উৎপাদন খরচ কম। কৃষি বিভাগ বলছে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, জেলায় পেঁয়াজের চাষ হয়েছে ৩ হাজার ৫শ ৩৬ হেক্টর জমিতে। যার অধিকাংশই সুখসাগর পেঁয়াজ। প্রতি বিঘা জমির পেঁয়াজ চাষে খরচ ৮০-৯০ হাজার টাকা। এক বিঘা জমিতে সুখসাগর পেঁয়াজ উৎপাদন হয় ১০০ -১৫০ মণ পর্যন্ত। গেল বছর সুখসাগর পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুমে বিক্রি হয়েছে ৫ থেকে ৬শ টাকা মণ দরে।

এবছর এখন বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা মণ দরে। এলসির মাধ্যমে দেশে পেঁয়াজ আমদানি না করা হলে এই দাম অক্ষুন্ন থাকবে। সুখসাগর পেঁয়াজ উত্তলনের ভরা মৌসুমে এর দাম কমে যায়। তার পরেও এক হাজার থেকে ১২শ টাকা মণ দরে বিক্রি করতে পারলেও দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকার পেঁয়াজ বিক্রি করা সম্ভব হবে বলে মনে করে চাষী।

মুজিবনগর উপজেলার শিবপুরের পেঁয়াজ চাষী সালাম জানান, তিনি গত ৫ বছর যাবত পেয়াজ চাষ করছেন। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া পেয়াজ চাষের জন্য উপযোগি। এবার দুই বিঘা পেয়াজ চাষ করেছেন। পেঁয়াজ চাষে বিঘা প্রতি প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা খরচ হয়। এলসি পেয়াজ আমদানী না হলে দ্বিগুণ লাভ হয়। আগামীতে আরো দুই বিঘা পেয়াজ আবাদ করবেন বলেও জানান তিনি।

গাংনীর সাহারবাটি গ্রামের পেয়াজ চাষি সাইফুল জানান, সুখসাগর পেঁয়াজ চাষে লোকসান পুষিয়ে নিতে অনেক চাষী এখন সাথী ফসল হিসেবে পোঁয়াজের সাথে কলার চাষ করে আসছে। তারপরেও পেঁয়াজ উত্তোলনের ভরা মৌসুমে এলসির মাধ্যমে দেশে পেঁয়াজ আমদানি না করার দাবী জানায় চাষিরা।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ হালদার জানান, সুখ সাগর পেঁয়াজের জাত উন্নত মানের। ফলনও বেশ ভাল। চাষিদেরকে এ জাতের পেঁয়াজ চাষে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও বেশ কয়েকটি উন্নত জাতের পেঁয়াজ চাষের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। উৎপাদনও ভাল এতে চাষিরা লাভবান হচ্ছেন।


আরও খবর

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আমরা বইমেলায় যাব: মুশতাক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আলোচিত দম্পতি খন্দকার মুশতাক আহমেদ ও সিনথিয়া ইসলাম তিশা,গত কয়েকদিন বইমেলায় গিয়ে কিছু তরুণের রোষানলে পড়েছেন। এরপরও বইমেলায় যাওয়া বন্ধ রাখবেন না বলে জানিয়েছেন তারা।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ডিবি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলাপ করেন এই দম্পতি।

মুশতাক বলেন, আমার দুটি বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম দিকে পাঠকের উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল। দূরদূরান্ত থেকে শতশত লোক এসেছে, আমাদের সঙ্গে ছবিও তুলেছে। কিন্তু ৯ ফেব্রুয়ারি হঠাৎ কিছু সংখ্যক ছেলে আজেবাজে কথা বলা শুরু করল। আমার স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করতে থাকে। মেলায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ায় আমরা স্বেচ্ছায় সেখান থেকে চলে যাই।

তিনি আরও বলেন, আমরা আবার মেলায় গেলে আমাদের গুলি করে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়। ১০ ফেব্রুয়ারি আমি শাহবাগ থানায় জিডি করেছি। অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদের হেয় প্রতিপন্ন করতেই তারা মেলায় এসেছে। মেলা থেকে আমাদের কেউ বের করেনি। পরিবেশ নষ্ট হবে, এই ভেবে আমরা স্বেচ্ছায় বেরিয়ে যাই।

ডিবি প্রধানের কাছে আসার বিষয়ে মুশতাক বলেন, ডিবি প্রধান হারুন সাহেব খুবই ভালো মানুষ। মিডিয়ায় দেখেছি তার কাছে যেই এসেছে সাহায্য পেয়েছেন। তাই আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করি। দুইজনকে হয়রানির বিষয়ে লিখিত অভিযোগও দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, তিশা আমার বিবাহিত স্ত্রী। মুসিলম আইন মেনেই বিয়ে করেছি। সে সাবালিকা, তার নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রয়েছে। আমি বলছি ভালো আছি, সেও বলছে ভালো আছে।


আরও খবর



পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্সের বীমা দাবীর ৪ কোটি ২৫ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৫জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম, জয়পুরহাট ঃপপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের ঢাকা অঞ্চলের বীমা গ্রাহকের মধ্যে  ৪ কোটি ২৫ লাখ টাকার বিমা দাবীর চেক হস্তান্তর ও নতুন বীমা কর্মীদের প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারী) সকালে ঢাকায়  ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে এ বীমা দাবীর চেক হস্তান্তর ও নতুন বীমা কর্মীদের প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক বি এম শওকত আলীর সভাপতিত্বে মেয়াদ উত্তীর্ণ বীমাদাবীর চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী সদস্য  বি এম ইউসুফ আলী। 


বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  সাবেক সচিব ও পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের কোম্পানীর সিনিয়র কনসালট্যান্ট মোঃ আনিস উদ্দিন মিঞা, সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও কোম্পানীর সিনিয়র কনসালট্যান্ট মোঃ সিরাজুল হায়দার এনডিসি, সাবেক প্রধান বীমা নিয়ন্ত্রক (ইনচার্জ) ও কোম্পানীর সিনিয়র কনসালট্যান্ট রায় দেবদাস, পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেডের একক বীমা প্রকল্পের  উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ব্রাঞ্চ কন্ট্রোল) সৈয়দ মোতাহার হোসেন, উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক নওশের আলী নাঈম, উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুর রহমান, আল আমিন বীমা প্রকল্পের উর্দ্ধতন  উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু তাহের, জনপ্রিয় বীমা প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল হোসেন মহসিন,  ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খলিলুর রহমান সিকদার। 

এ সময়ে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আল বারাকাহ ইসলামী ডিপিএস প্রকল্পের উর্দ্ধতন নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প  পরিচালক সেলিম মিয়া, পপুলার ডিপিএস  প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক আবু মঈদ শাহীন, আল আমিন বীমা প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মোখলেছুর রহমান, আল বারাকা ইসলামী একক বীমা প্রকল্পের নির্বাহী পরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক মাহাবুবুর রহমান সহ প্রকল্প পরিচালক ও প্রকল্প ইনচার্জবৃন্দ এবং কোম্পানীর অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

সভা শেষে  বীমা গ্রাহকের হাতে  ৪ কোটি ২৫ লাখ টাকার বিমা দাবীর চেক তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বি এম ইউসুফ আলী।


আরও খবর



বাংলাদেশে ফ্লাইট চলাচল সীমিত করল ওমান এয়ার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ওমানের জাতীয় বিমান সংস্থা ওমান এয়ার,অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাতে ফ্লাইটের সংখ্যা এবং গন্তব্য কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে। যার অংশ হিসেবে এখন থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম থেকে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ রাখবে সংস্থাটি, তবে ঢাকা থেকে নিয়মিত চলাচল করবে।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) ওমান এয়ারের বিবৃতির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে খালিজ টাইমস। এতে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ, লাহোর, কলম্বো এবং চট্টগ্রামে ফ্লাইট পরিচালনা কার্যক্রম বাতিল করেছে ওমান এয়ার। তবে তাদের নেটওয়ার্কে নতুন করে পাকিস্তানের শিয়ালকোট শহর যুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ওমান এয়ার।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ভারতীয় রুটেও নির্দিষ্ট কিছু গন্তব্যে ফ্লাইটের সংখ্যা হ্রাস করা হবে। তবে বর্তমানে চালু থাকা ভারতীয় দুই গন্তব্য- লক্ষ্ণৌ এবং থিরুবনন্তপুরমে ফ্লাইট বৃদ্ধি করা হবে।

এর আগে, গত বছরের নভেম্বরে ওমানের সালামএয়ার পাঁচটি ভারতীয় প্রধান শহর- হায়দ্রাবাদ, কালিকট, জয়পুর, ত্রিবান্দ্রম এবং লক্ষ্ণৌতে ফ্লাইট পুনরায় চালু করার ঘোষণা দিয়েছিল। ভারতে ফ্লাইট পরিচালনার অধিকার সংক্রান্ত বরাদ্দের সীমাবদ্ধতার কারণে এসব শহরে কার্যক্রম বন্ধ করেছিল সালামএয়ার।

কম দূরত্বের কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ এবং ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্যে চালু থাকা বিমানের রুটগুলো বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত। এ ছাড়া আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে প্রচুর সংখ্যক দক্ষিণ এশীয় প্রবাসী কর্মরত আছেন।

ওমান এয়ার বলেছে, তিনটি গন্তব্যে মৌসুম ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। চাহিদা অনুযায়ী গ্রীষ্মকালে উত্তর-পূর্ব তুরস্কের কৃষ্ণসাগর উপকূলের ট্রাবজোন, শীতকালে সুইজারল্যান্ডের জুরিখ এবং মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে যাত্রী পরিবহন করা হবে।


আরও খবর