Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

মাতুয়াইলের নাইয়ুম মিয়া রাজনৈতিক জীবনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন বলিষ্ঠ সৈনিক

প্রকাশিত:Sunday ০৯ January ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৪৯২জন দেখেছেন
Image


বজলুর রহমানঃ

ত্যাগী নেতা-কর্মীদের জন্যই টিকে আছে আওয়ামী লীগ।আওয়ামী লীগ অনেক ত্যাগী ও অঙ্গীকারবদ্ধ নেতা তৈরি করেছে তার মধ্যে মাতুয়াইলের মোঃ নাইয়ুম মিয়া অন্যতম, রাজনৈতিক জীবনে তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন বলিষ্ঠ সৈনিক ও জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে সকলের নিকট পরিচিত।তিনি ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগের পরীক্ষীত একজন নেতা।


মাতুয়াইল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক।এছারাও মোঃ নাইয়ুম মিয়া ছিলেন বৃহত্তর মাতুয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামীযুবলীগ এর সাবেক সাধারন সম্পাদক,সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ঢাকা-মহানগর দক্ষিন।বর্তমানে মোঃ নাইয়ুম মিয়া ৬৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিন এর সক্রিয় একজন কর্মী।


তার নেতৃত্বের গুনাবলী তাকে অনন্য এক উচ্চতায় পৌছে দিয়েছে।তিনি জয় করতে পেরেছেন নেতা-কর্মীদের মন।ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামীলীগ নেতাদের কাছে নাইয়ুম মিয়া একজন আস্থাভাজন কর্মী হিসেবে পরিচিত।আওয়ামীলীগ কে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে এবং জনসমর্থনও বাড়াতে তিনি এলাকায় নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন।


তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতেও  তিনি দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন।নাইয়ুম মিয়ার বিষয়ে জানতে এলাকাবাসী অনেকের সাথেই কথা বলে জানা যায়,বিগত সময়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য, ঘরে ঘরে গিয়ে সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তিনি ভোটারদের নানা ভাবে অনুপ্রনীত করেছেন।


তৃণমূলের এই নেতা যেভাবে এলাকায় আওয়ামীলীগের ভাবমুর্তি উজ্জল করতে কাজ করে চলেছেন সত্যিই তা প্রশংসার দাবী রাখে।



আরও খবর



ছুটির দিনে ঘুরে আসুন ঢাকার কাছেই ঐতিহাসিক ৪ স্থানে

প্রকাশিত:Friday ১৯ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ১৪জন দেখেছেন
Image

ইসতিয়াক আহমেদ

ঢাকার আশপাশে এমন অনেক ঐতিহাসিক পর্যটন স্থান আছে যা হয়তো সময় করে অনেকেই ঘুরতে যেতে পারেন না। যারা একদিনেই বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে চান তারা চাইলে ঢাকার খুব কাছেই ৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন দেখতে যেতে পারেন। ছুটির দিনে সময় করে ঘুরে আসুন দেশের ঐতিহাসিক ৪ দর্শনীয় স্থানে-

পানাম নগর, প্রবেশমূল্য ১৫ টাকা

ওয়ার্ল্ড মনুমেন্ট ফান্ড ২০০৬ সালে বিশ্বের ধ্বংসপ্রায় ১০০টি ঐতিহাসিক নগরের তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকায় স্থান করে নেয় বাংলার এক নগর। যাকে আমরা সবাই চিনি পানাম নগর নামে। ঢাকার খুব কাছেই, মাত্র ২৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে নারায়ণগঞ্জের খুব কাছে সোনারগাঁতে অবস্থিত এই নগর।

ঐতিহাসিক স্থানে ভ্রমণ করতে ভালবাসেন তাদের জন্য পানাম নগর হতে পারে সেরা এক স্থান। ঢাকার নিকটবর্তী হওয়ায় ভ্রমণপিপাসুদের কাছে বেশ জনপ্রিয় স্থানটি। শুধু ভৌগোলিক অবস্থা নয়, এর জনপ্রিয়তার পেছনে আছে শত বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য।

jagonews24

এককালের জৌলুষ আজ না থাকলেও, হারানো নগরী হিসেবে পরিচিত এই পানাম নগরে এখনো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন স্থাপনা। পানাম নগর পৃথিবীর ১০০টি ধ্বংসপ্রায় ঐতিহাসিক শহরের একটি। পানাম বাংলার প্রাচীনতম শহর। এক সময় ধনী হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের বসবাস ছিল এখানে।

ছিল মসলিনের জমজমাট ব্যবসা। প্রাচীন সেই নগরীর তেমন কিছু আর অবশিষ্ট নেই। এখন আছে শুধু ঘুরে দেখার মতো ঐতিহাসিক পুরনো বাড়িগুলো। ১৫ শতকে ঈসা খাঁ বাংলার প্রথম রাজধানী স্থাপন করেছিলেন সোনাগাঁওয়ে।

পূর্বে মেঘনা আর পশ্চিমে শীতলক্ষ্যা নদীপথে বিলেত থেকে আসতো বিলাতি থান কাপড়, দেশ থেকে যেত মসলিন। শীতলক্ষ্যা আর মেঘনার ঘাটে প্রতিদিনই ভিড়তো পালতোলা নৌকা।

jagonews24

ওই সময়ই ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে ইউরোপীয় অনুপ্রেরণায় নতুন ঔপনিবেশিক স্থাপত্যরীতিতে গড়ে উঠে পানাম নগরী। পরবর্তিতে এই পোশাক বাণিজ্যের স্থান দখল করে নেয় নীল বাণিজ্য। ইংরেজরা এখানে বসিয়েছিলেন নীলের বাণিজ্যকেন্দ্র।

ঈসা খাঁ’র আমলের বাংলার রাজধানী পানাম নগর। বড় নগর, খাস নগর, পানাম নগর -প্রাচীন সোনারগাঁর এই তিন নগরের মধ্যে পানাম ছিল সবচেয়ে আকর্ষণীয়। এখানে কয়েক শতাব্দী পুরোনো অনেক ভবন আছে, যা বাংলার বার ভূইয়াঁদের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত।

সোনারগাঁও এর ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই নগরী গড়ে ওঠে। ঐতিহাসিকভাবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর। জানা যায়, ১৪০০ শতাব্দীতে এখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। যেখানে পৃথিবীর নামি-দামি শিক্ষকরা পড়াতে আসতেন। এখানে একটি ভৃত্য বাজার ছিল বলে জানা যায়।

jagonews24

পানাম নগরী এর দুই ধারে ঔপনিবেশিক আমলের মোট ৫২টি স্থাপনা আছে। এর উত্তরদিকে ৩১টি ও দক্ষিণদিকে ২১টি স্থাপনা অবস্থিত। স্থাপনাগুলোর স্থাপত্যে ইউরোপীয় শিল্পরীতির সঙ্গে মোঘল শিল্পরীতির মিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়। পানাম নগরী নিখুঁত নকশার মাধ্যমে নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই কূপসহ আবাস উপযোগী নিদর্শন রয়েছে। নগরীর পানি সরবরাহের জন্য দু’পাশে খাল ও পুকুর আছে। এখানে আবাসিক ভবন ছাড়াও উপাসনালয়, গোসলখানা, পান্থশালা, দরবার কক্ষ ইত্যাদি রয়েছে।
পানাম নগরের আশে পাশে আরো কিছু স্থাপনা আছে যেমন- ছোট সর্দার বাড়ি, ঈশা খাঁর তোরণ, নীলকুঠি, বণিক বসতি, ঠাকুর বাড়ি, পানাম নগর সেতু ইত্যাদি।

jagonews24

লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর, প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা

পানাম নগর ঘুরে চলে যেতে পারেন লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরে পথে। আবহমান গ্রাম বাংলার লোক সাংস্কৃতিক ধারাকে বিকশিত করার উদ্যোগে ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁয়ের ঐতিহাসিক পানাম নগরীর একটি পুরনো বাড়িতে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন।

পরে ১৯৮১ সালে ১৫০ বিঘা আয়তনের কমপ্লেক্সে খোলা আকাশের নিচে বাংলার প্রকৃতি ও পরিবেশে গ্রামীণ রূপকেন্দ্রিক বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের শৈল্পিক কর্মকান্ডের পরিচয় তুলে ধরতে শিল্পী জয়নুল আবেদিন এই জাদুঘর উন্মুক্ত পরিবেশে গড়ে তোলার প্রয়াস নেন।

jagonews24

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্সটি প্রায় ১০০ বছর পুরাতন সর্দার বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়। মোট ১০টি গ্যালারি আছে এতে। গ্যালারিগুলোতে কাঠ খোদাই, কারুশিল্প, পটচিত্র ও মুখোশ, আদিবাসী জীবনভিত্তিক নিদর্শন, গ্রামীণ লোকজীবনের পরিবেশ, লোকজ বাদ্যযন্ত্র ও পোড়ামাটির নিদর্শন, তামা-কাসা-পিতলের নিদর্শন, লোহার তৈরি নিদর্শন, লোকজ অলংকারসহ আছে বহু কিছু।

ভবনটির সামান্য পূর্বে দেখবেন লোকজ স্থাপত্যকলায় সমৃদ্ধ আধুনিক এক ইমারতে প্রতিষ্ঠিত জয়নুল আবেদিন স্মৃতি জাদুঘর। এই ভবননে আছে মাত্র দুটি গ্যালারি। একটি গ্যালারি কাঠের তৈরি, যা প্রাচীন ও আধুনিক কালের নিদর্শনসমৃদ্ধ। তাছাড়া বাংলাদেশের প্রাকৃতিক, বৈশিষ্ট্য কাঠ ও কাঠ থেকে বিভিন্ন কারুপণ্য তৈরি এমনকি সর্বশেষ বিক্রির সামগ্রিক প্রক্রিয়া, অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে সুন্দর মডেল দিয়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরে, দুটি ভবনের বাইরে আছে পাঠাগার, ডকুমেন্টেশন সেন্টার, সেমিনার হল, ক্যান্টিন, কারুমঞ্চ, গ্রামীণ উদ্যান ও বিভিন্ন রকমের বৃক্ষ, মনোরম লেক, লেকের মাঝে ঘুরে বেড়ানোর জন্য নৌ বিহার, মৎস্য শিকারের সুন্দর ব্যবস্থা ও নৌকা। চাইলেই মাত্র ১৫০ টাকার বিনিময়ে ৩০ মিনিটে জন্য চালাতে পারবেন এখানে নৌকা।

jagonews24

পানাম নগরী থেকে মাত্র এক কিলোমিটার দুরত্বে আছে লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর। ৫০ টাকা টিকেট কেটে ঢুকেই হাতের বামে পাবেন, বিশাল দীঘি। আর সেই চিরচেনা ভবন বড় সর্দার বাড়ি।

বড় সর্দার বাড়ি, প্রবেশ মূল্য ১০০ টাকা

সোনারগাঁওয়ের এই বড় সর্দার বাড়ির ইটের ফাঁকে ফাঁকে ইতিহাস, বাতাসের অনুরনণে দুর্বোধ্যতা আর মেঝে জুড়ে রহস্য ও রোমাঞ্চ। খাজাঞ্চিখানা, দরবার কক্ষ, ঠাকুরঘর, গোসলখানা, কূপ, নাচঘর আর গুপ্তপথ নিয়ে বড় সর্দার বাড়ি। অবয়বে পুরনো বৈভব নেই কিন্তু বৈভবের চলে যাবার দাগ রয়েছে।

বাড়ির সামনে দেখবেন দীঘি। ঝলমল রাতে প্রাসাদের লাল, নীল, সবুজ চিনামাটির ভাঙা প্লেটের উপর চাদের আলো পরে আর তার ছায়া চিকমিক করে দীঘির পানিতে পড়ে অপরূপ ছায়াবাজির সৃষ্টি করে।

প্রচলিত আছে যে সোনারগাঁওয়ের এই দ্বিতল বড় সর্দার বাড়িটি ঈসা খাঁ তৈরি করেছিলেন কিন্তু আসলে তা নয়। ঈসা খাঁর সময় এই জায়গায় একটি ইমারত ছিল কিন্তু এখন যেই বাড়িটি দাঁড়িয়ে আছে সেটা কোন এক বাঙালি ধনী বনিক ১৯ শতকের শেষদিকে তৈরি করেছিলেন।

jagonews24

ঈসা খাঁর সময়ের ইমারতটি এখনকার বাড়ির মধ্যভাগে লাল রঙের বর্গাকৃতির একটি জায়গা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আর দালানের সামনের অংশটি ১৯০২ সালে নির্মাণ করা হয়। দালানের সামনে ইটের তৈরি বাঁধানো ঘাটের দুই দিকে দুজন ইংরেজ অশ্বারোহীর মূর্তি আছে।

মোট ২৭ হাজার ৪০০ বর্গফুটের দালানটির নিচতলায় ৪৭টি ও দোতলায় ৩৮টি ঘর আছে। আশির দশকের গোড়ার দিকে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক উদ্ধার ও আংশিক সংস্কার করার পর এটিকে ন্যাশনাল ফোক আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট মিউজিয়াম হিসেবে গড়ে তোলে।

২০১২ সালে কোরিয়ান ইয়াংওয়ান করপোরেশন ২০ কোটি টাকা দেয় দালানটির আদিরূপ ফিরিয়ে আনার জন্য। আদিরূপে ফিরিয়ে আনতে কারিগরেরা চীনামাটির ভাঙা প্লেট, চিটাগুড় ও তেঁতুলের বিচির প্রলেপ দিয়েছেন এখানে সেখানে, ভবনের মেঝেতে ব্যবহার করেছেন সুদ্রিস সুদৃশ্য টাইলস ও মার্বেল পাথর।

বাংলার তাজমহল, প্রবেশ মূল্য ১৫০ টাকা

এবার বাংলার তাজমহল এর পথ ধরুন। সোনারগাঁওতেই অবস্থিত এই তাজমহল মূলত ভারতের আগ্রায় অবস্থিত তাজমহলের একটি হুবহু নকল বা অবিকল প্রতিরূপ। ১৫০ টাকার এক টিকিটে দুই মুভির মতন, বাংলার তাজমহলের সঙ্গে বাংলার পিরামিড দর্শন করতে পারবেন সেখানে।

jagonews24

বাংলার তাজমহলের মালিক আহসানুল্লাহ মনি একজন ধনবান চলচ্চিত্র নির্মাতা। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে তার ‘তাজমহলের কপিক্যাট সংস্করণ’ প্রকল্পের ঘোষণা করেন। এটি রাজধানী ঢাকা ২০ মাইল উত্তর পূর্বে সোনারগাঁওয়ের পেরাবে নির্মিত হয়।

এই তাজমহল নির্মাণের কারণ হিসেবে তিনি জানান, দেশের দরিদ্র মানুষ যাদের ভারত গিয়ে প্রকৃত নিদর্শন দেখার সামর্থ্য নেই তারা যেন তাজমহল দেখার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন এজন্য দেশে তিনি তৈরি করেছেন তাজমহলের রেপ্লিকা। হাতে সময় থাকলে সোনারগাঁও গেলে ঘুরে আসতে পারেন বাংলার তাজমহলেও।


আরও খবর



ফেনীতে ছাত্রদল-যুবদলের ২২৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:Saturday ১৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

ফেনীতে ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে ছাত্রদল-যুবদলের ২২৪ নেতাকর্মীর নামে মামলা দিয়েছে পুলিশ। শনিবার (১৩ আগস্ট) সকালে ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সিরাজ মিয়া বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

মামলায় জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বেলাল হোসেন, ছাত্রদল সভাপতি সালাহ উদ্দিন মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ, ছাত্রদল নেতা রিয়াদ পাটোয়ারী, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, এসএম কায়সার এলিন ও নঈম উল্যাহ চৌধুরী বরাত, স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা সভাপতি সাইদুর রহমান জুয়েল, ছাত্রদল নেতা নজরুল ইসলাম দুলাল, ফেনী পৌর সদস্য সচিব ইব্রাহিম হোসেন, যুবদল নেতা নিজাম উদ্দিন মাস্টার, রাহাত হোসেন, দিদারুল আলমসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০ জনকে আসামি করা হয়।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, জ্বালানি তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে শহরের ইসলামপুর রোডে মিলিত হয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কের ইসলামপুর রোডের মাথায় ছাত্রদল-যুবদলের দুই থেকে আড়াইশ নেতাকর্মী ছাত্রলীগের মিছিলে হামলা করে। এতে তিন ছাত্রলীগকর্মী আহত হন। এক পর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ রাবার বুলেট ও সিসা বুলেটসহ ২৭ রাউন্ড ফাঁকাগুলি নিক্ষেপ করে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ সময় ছাত্রদল যুবদল নেতাকর্মীদের ইটপাটকেলে আশপাশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের গ্লাস-সাইনবোর্ড ভেঙে যায়।

এ ঘটনায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার ও সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা হয়রানি ও নির্যাতনমূলক এ মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।


আরও খবর



শেষ টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক হচ্ছেন কে?

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১৭ August ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

এমনিতেই সিনিয়র কেউ নেই। পরীক্ষা-নীরিক্ষার জন্য জিম্বাবুয়ে সফরে পুরোপুরি নতুন একটি দল টি-টোয়েন্টি খেলার জন্য পাঠিয়েছে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। যদিও খেলোয়াড়রা নতুন নন, অধিকাংশ ক্রিকেটারই মোটামুটি অভিজ্ঞতায় ভরপুর।

এমন দলটিকে নেতৃত্বের জন্য বাছাই করা হয়েছে নুরুল হাসান সোহানকে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। সে সঙ্গে একটি দুঃসংবাদও শুনতে হলো টাইগারদের।

আঙ্গুলের ইনজুরির কারণে তিন সপ্তাহের জন্য দল থেকে ছিটকে পড়েছেন সোহান। রাতেই সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে বিসিবি।

তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজ এখন ১-১ এ সমতায়। এমন এক মুহূর্তে অধিনায়কের ছিটকে পড়া অবশ্যই দলের জন্য সুখকর নয়। সে সঙ্গে একটি প্রশ্নও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সেটা হলো, শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তাহলে বাংলাদেশের অধিনায়ক হচ্ছেন কে?

উত্তর খুঁজতে যদিও খুব একটা কষ্ট করতে হবে না। কারণ, মূল অধিনায়কের পরিবর্তে তার ডেপুটিই নেতৃত্বের দায়িত্ব সামলান। যদিও টি-টোয়েন্টিতে নুরুল হাসান সোহানের সহকারী হিসেবে কারো নাম আগে থেকে ঘোষণা করেনি বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট।

সুতরাং, যে কারো ওপরই দায়িত্ব দেয়া হতে পারে টিম ম্যানেজমেন্টের পক্ষ থেকে। ওপেনার লিটন দাসেরই নেতৃত্বে আসার সম্ভাবনা বেশি। গতবছর নিউজিল্যান্ড সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচেও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ইনজুরিতে ক্যাপ্টেন্সি করছিলেন লিটন। সুতরাং, লিটনের কাঁধে চাপতে পারে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব।

এছাড়া ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আবাহনীকে নেতৃত্ব দেয়া মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত আছেন, অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সাবেক অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজকেও দায়িত্ব দিতে পারে ম্যানেজমেন্ট। 


আরও খবর



সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ গুনতে খরচ পৌনে ১৬শ কোটি টাকা

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

 

দেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ এবং নারী ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন। বহুল প্রতীক্ষিত জনশুমারি ও গৃহগণনায় এ ফল মিলেছে। আর দেশের সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ গুনতে খরচ হয়েছে এক হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা।

দেশের প্রথম ডিজিটাল এ জনশুমারিতে তথ্য সংগ্রহের জন্য তিন লাখ ৯৫ হাজার ট্যাব কেনা হয়। এতে ব্যয় হয়েছে ৪৪৭ কোটি ৭৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৭০ টাকা। এছাড়া প্রায় ৪ লাখ গণনাকারী ও সুপারভাইজারদের সম্মানি বাবদ ৪৫৭ কোটি টাকা খরচ হয়। এসব টাকা বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সূত্রে জানা গেছে, আইন অনুযায়ী প্রতি ১০ বছর পরপর দেশের প্রতিটি মানুষকে গণনার আওতায় আনা হয়। এজন্য ২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ প্রকল্প জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে অনুমোদন করা হয়। শুরুতে এ প্রকল্পের খরচ ধরা হয় এক হাজার ৭৬১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। এরমধ্যে বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১৮৩ কোটি ১১ লাখ টাকা খরচ করা হচ্ছে। পরে প্রকল্পের সংশোধনীতে ব্যয় কিছুটা কমে দাঁড়ায় এক হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা।

bbs-2

বুধবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রাথমিক প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরা হয়। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় বিবিএসের মাধ্যমে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। প্রাথমিক প্রতিবেদনবিষয়ক উপস্থাপনা করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।

অনুষ্ঠানে প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন জানান, স্বাধীন বাংলাদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে যথাক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা করা হয়।

পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ‘আদমশুমারি’-কে ‘জনশুমারি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ১০ বছর পর্যাবৃত্তি অনুসরণ করে ষষ্ঠ ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ করা হয়। গত ১৫ থেকে ২১ জুন দেশব্যাপী এ শুমারি পরিচালিত হয়।

প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারিতে ডিজিটাল ডিভাইস ট্যাবলেট ব্যবহার করে কম্পিউটার অ্যাসিটেড পার্সনাল ইন্টারভিউইং পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সহজে ও সুনির্দিষ্টভাবে শুমারির গণনা এলাকা চিহ্নিত করা হয়। কোনো খানা (হোল্ডিং) গণনা থেকে বাদ না পড়া বা একাধিকবার গণনা না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিতের লক্ষ্যে জিও গ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম সমন্বয় করে ডিজিটাল ম্যাপ প্রস্তুত ও শুমারিতে ব্যবহার করা হয়েছে।

bbs-2

ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে গণনাকারীরা নির্ধারিত এলাকার প্রতিটি বাসগৃহ, খানা ও ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করেছেন। ডিজিটাল এ শুমারি বাস্তবায়নে সারাদেশে একযোগে তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহার হয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ট্যাব। মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে ব্যবহৃত ট্যাবসমূহ মোবাইল ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার ব্যবহার করে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

এছাড়া মাঠপর্যায় থেকে সংগৃহীত তথ্য সংরক্ষণ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে গাজীপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে স্থাপিত বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেডের (বিডিসিসিএল) সমৃদ্ধ ডাটা সেন্টার ব্যবহার করা হয়েছে।

মাঠপর্যায়ের তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম রিয়েল টাইম মনিটরিংয়ের পাশাপাশি তথ্যের গতিবিধি সরাসরি পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে নেটওয়ার্ক অপারেশনস সেন্টার স্থাপন করা হয়েছিল, যা তথ্যের গুণগত মান নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

সার্বিকভাবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ফলে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সহজতর হয়েছে। স্বল্পসময়ে তথা মূল শুমারি সম্পাদনের মাত্র একমাসের মধ্যে শুমারির প্রতিবেদন প্রকাশও সম্ভব হয়েছে। এটি বিবিএসের সফলতা ও সক্ষমতার প্রমাণ।


আরও খবর



আইআরসিতে ১ লাখ ১১ হাজার টাকা বেতনে চাকরি

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটিতে (আইআরসি) ‘প্রোটেকশন ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি (আইআরসি)

পদের নাম: প্রোটেকশন ম্যানেজার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর
অভিজ্ঞতা: ০৫ বছর
বেতন: ১,১১,২০০ টাকা

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: কক্সবাজার (উখিয়া)

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা rescue.csod.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১০ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর