Logo
আজঃ সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

মালাবিতে ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড, নিহত ৯৯

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৮৭জন দেখেছেন

Image

অনলাইন ডেস্ক: আফ্রিকার দেশ মালাবিতে ঘূর্ণিঝড় ফ্রেডির আঘাতে কমপক্ষে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে এই ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাবিষয়ক কমিশনার চার্লস কালেম্বা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ে ব্লানটায়ার শহরে সবচেয়ে বেশি ৮৫ জন মারা গেছেন। এই শহরে ১৩৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে ‘দুর্যোগময় অবস্থা’ ঘোষণা করেছে সরকার।

ঘূণিঝড়ে হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট লাজারাস চাকভেরা।

এর আগে সোমবার মালাবি পুলিশের মুখপাত্র পিটার কালায়া সিএনএনকে বলেন, ‘ঝড়ের কারণে রাস্তাঘাট প্লাবিত হয়েছে এবং সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে ব্ল্যাকআউট শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিশনার চার্লস কালেম্বা বলেছেন, ‘উদ্ধার প্রচেষ্টা কঠিন হয়ে গেছে। আমাদের এখানে প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। আমরা এখন ভূমিধস, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড় বেয়ে পাথর গড়িয়ে পড়ার মতো অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছি।

দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ঘূর্ণিঝড় ফ্রেডির আঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ১০টি জেলায় বুধবার পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকবে।


আরও খবর



জয়ার সিনেমা ইরানের জাতীয় পুরস্কার জিতেছে

প্রকাশিত:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৩৭জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:জয়া আহসানের সিনেমা ইরান জয় করল। বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ-প্রযোজনায় নির্মিত ‘ফেরেশতে’ সিনেমাটি ইরানের জাতীয় পুরস্কার জিতেছে।

মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে জয়া আহসান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে খবরটি নিশ্চিত করেছেন। চলচ্চিত্রটি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য ইরানের জাতীয় পুরস্কার জিতেছে।

জয়ার ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা যায়, প্রতি বছর ফজর চলচ্চিত্র উৎসবের পর, মানবাধিকার, শিক্ষা, পরিবেশ, দাতব্য কাজ ইত্যাদি বিভাগে ‘জাতীয় ইচ্ছার প্রতিফলন/বহিঃপ্রকাশ’ নামে সমাজের জন্য অনুকরণীয় চলচ্চিত্রগুলোকে জাতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এই পুরস্কারটি ‘খয়র-ই-মান্দেগার’ নামক একটি প্রতিষ্ঠান দ্বারা প্রদান করা হয়, যা ইরানের সমস্ত দাতব্য প্রতিষ্ঠান, দাতা, এনজিওর প্রতিনিধিত্ব করে এবং প্রতিষ্ঠানটি ইরানে ইউনিসেফের মতো সক্রিয়। এই পুরস্কারের পাশাপাশি ‘ফেরেশতে’ চলচ্চিত্রের প্রধান দুই অভিনেতা জয়া আহসান ও সুমন ফারুককে ‘খয়র-ই-মান্দেগার’ স্মারক প্রদান করে সম্মানিত করা হয়।

সিনেমাটির পরিচালক মুর্তজা অতাশ জমজম। চিত্রনাট্য লিখেছেন, বাংলাদেশের মুমিত আল-রশিদ। ফারসি ও বাংলা অনুবাদ করেছেন মুমিত আল-রশিদ ও ফয়সাল ইফরান। যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘ফেরেশতে’ সিনেমাতে সহপ্রযোজক হিসেবে আছে ইমেজ সিনেমা, সি তে সিনেমা এবং ম্যাক্সিমাম এন্টারপ্রাইজ বাংলাদেশ।

এ চলচ্চিত্রে জয়া আহসান ও সুমন ফারুক ছাড়াও বাংলাদেশের আরও বেশ কজন শিল্পী রিকিতা নন্দিনী শিমু, শহীদুজ্জামান সেলিম, শাহেদ আলী, শাহীন মৃধা, শিশুশিল্পী সাথী অভিনয় করেছেন।


আরও খবর

ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ৭ম বর্ষপূর্তি

শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪




নাসিরনগরের মাদক সম্রাজ্ঞী ঋতু নিয়ন্ত্রন করছে কুন্ডা ও ভলাকুটের মাদকের হাট

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

আব্দুল হান্নান:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ও ভলাকুট ইউনিয়নের মাদকের হাট নিয়ন্ত্রনে রয়েছে কাহেতুরা গ্রামের কুখ্যাত মাদক সম্রাজ্ঞী ঋতু (৩০) ও তার মা হেনা বেগম (৫৫) এর হাতে। তাছাড়া কুন্ডা মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন করছেন তরিব হোসেনের ছেলে রাজিব হোসেন। এক অনুসন্ধানে জানাগেছে প্রতিদিন তাদের বাড়ি থেকে কয়েক হাজার টাকার মরণ নেশা ইয়াবা, গাঁজা ও চোরাই মোবাইল বেচাকেনা হচ্ছে।

আর এ সমস্ত মরণ নেশা হাতের কাছে পেয়ে যুব সমাজ নষ্টের দিকে দাবিত হচ্ছে। মাঝে মাঝে পুলিশ তাদের বাড়িতে হানা দিলেও তারা থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাহিরে। হেনার স্বামী কুখ্যাক ডাকাত পলাশ মিয়া হলেও বর্তমানে হেনা ঘর সংসার করছে ডাকাত বাবুলের সাথে। ঋতুর স্বামী সুমন মিয়া ও তার ছোট ভাই নয়ন মিয়া (২৫) কুখ্যাত ডাকাত নামে এলাকায় ব্যাপক পরিচিত। ঋতু ও হেনা ছাড়াও আলী নোয়াজ, লফু মিয়ার ছেলে শফিকুল, বেরুইন গ্রামের হুমায়ুন মিয়া ও তার ভাই আলামিন, মাজার সংলগ্ন ব্যবসায়ী আলামিন, ভলাকুটের রুবেল চেয়ারম্যানের চাচাত ভাই বাক্কি মিয়া, জালাল মিয়া, সারফান মিয়ার ছেলে আলামিন, বেরুইন গ্রামের অমরচান দাসের ছেলে নিত্যলাল দাস প্রতিনিয়তই চালিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসা ও চুরি ডাকাতি।

তাদের অত্যাচারে অত্র এলাকার লোকজন শান্তিতে চলাফেরা করতে পারছে না। স্থানীয় ভূক্ত ভোগিরা জানায়, ঋতুর বাড়িতে মাদক, চোরাই মোবাইল ক্রয় বিক্রয় করতে পার্শ্ববর্তী বেরুইন, ভলাকুট, বাঘী, কান্দি, বিটুই, আন্দ্রাবহ, তুল্লাপাড়া, কুন্ডা, গুচ্ছগ্রাম সহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে প্রতিদিন শত শত লোক যাতায়াত করছে। এলকার স্থানীয় ও ভোক্ত ভোগিরা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে। 

 -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



জেলেনস্কিসহ ৭ দেশের নেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জার্মানিতে আয়োজিত মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছেন। সেখানে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিসহ সাত দেশের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক করবেন তিনি।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর মিউনিখ সফরের বিভিন্ন কর্মসূচির তথ্য তুলে ধরেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ৬০তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুওয়ারি) জার্মানির উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন।

মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের সভাপতি রাষ্ট্রদূত ড. ক্রিস্টোফ হিউজেনের আমন্ত্রণে এ সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অন্তত সাতটি দেশ ও তিনটি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষনেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মিউনিখ সম্মেলনে প্রায় ৬০টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, মিডিয়া, সুশীল সমাজ, সরকারি এবং বেসরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রায় ৫শ’ প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করবেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সম্মেলনের উদ্বোধনী আয়োজনে এবং ক্লাইমেট ফিন্যান্স সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় অংশ নেবেন।জার্মান প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত একটি নাগরিক সংবর্ধনায়ও অংশ নেবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তার সফরসঙ্গী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণসহ আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ বিমানের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ৪ দিনের সরকারি সফরে যাত্রা করবেন। পরে একইদিন সন্ধ্যায় মিউনিখ পৌঁছাবেন তারা।

সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার উদ্দেশ্যে মিউনিখ ত্যাগ করে ১৯ ফেব্রুয়ারি পৌঁছার কথা রয়েছে।

হাছান মাহমুদ জানান, জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শোলজ, নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রাটা, ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেতে ফ্রেডেরিকসেন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

পাশাপাশি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন, জার্মানির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী ভেনজা শুলজ, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এক্সেল ভ্যান ট্রটসেনবার্গ এবং মেটা’র গ্লোবাল এফেয়ার্স প্রেসিডেন্ট স্যার নিক ক্লেগের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

সংলাপের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি আনয়নের মূলমন্ত্র নিয়ে বিগত ১৯৬৩ সাল থেকে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হয়ে আসা এ সম্মেলনের ২০১৭ ও ২০১৯ সালের আসরে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জার্মানি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্যতম প্রভাবশালী দেশ। সেইসঙ্গে একক দেশ হিসেবে জার্মানি বিশ্বে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং ইউরোপে সর্ববৃহৎ রপ্তানি বাজার।

তিনি আরও জানান, তারা বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী। রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবিলায় জার্মানি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক এবং মানবিক সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছে।


আরও খবর



খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ কর্তৃক ৩৩ টি হারানো মোবাইল উদ্ধার ও প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৬জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:চট্টগ্রাম রেঞ্জের  ডিআইজি  নুরেআলম মিনা বিপিএম (বার), পিপিএম মহোদয় ছিনতাই হওয়া মোবাইল, হারানো মোবাইল ও চোরাই মোবাইল উদ্ধারে চট্টগ্রাম রেঞ্জের প্রতিটি ইউনিটকে জোর নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ডিআইজি মহোদয়ের প্রদত্ত নির্দেশনাকে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খাগড়াছড়ি  জেলার  পুলিশ সুপার মুুক্তা ধর, পিপিএম (বার) এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে খাগড়াছড়ি জেলার ৯  টি থানা থেকে মোবাইল ফোন সংক্রান্ত জিডি ও অভিযোগগুলি সংগ্রহ করে খাগড়াছড়ি সাইবার ইনটেলিজেন্স এন্ড ইনভেস্টিগেশন ইউনিট তথ্য প্রযুক্তির বিশ্লেষণ ও ব্যবহার করে মাত্র  দিনের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন মডেলের ৩৩ (তেত্রিশ) টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেন পুলিশ।

রোববার (১১ই ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে  খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে খাগড়াছড়ি জেলার  পুলিশ সুপার  মুক্তা ধর পিপিএম (বার) উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনগুলি প্রকৃত মালিকদের নিকট  হস্তান্তর করেন।

হারানো মোবাইল ফোনগুলি হাতে পেয়ে খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন থানা থেকে আগত মোবাইল মালিকগণ আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। তাদের মধ্য থেকে পানছড়ি থানা থেকে আগত মো. হালিম (২৫) বলেন, “আমি পেশায় একজন শ্রমিক। আমি পানছড়ি সীমান্তগামী মহাসড়কে নির্মাণ শ্রমিক হিসাবে কাজ করছি। গত  মাস পূর্বে আমার মোবাইল ফোনটি চুরি হয়ে যায়। আমি অনেক কষ্ট করে টাকা জমিয়ে মোবাইল ফোনটি কিনে ছিলাম। শখের মোবাইল ফোনটি হারিয়ে আমি মনে প্রচন্ড কষ্ট পাই। কোন উপায় না পেয়ে আমি পানছড়ি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করি। আমি ভেবেছিলাম হারানো মোবাইল ফোনটি আর কখনোই ফিরে পাবো না। আজ যখন খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার স্যার আমার হাতে আমার হারানো মোবাইল টি তুলে দিলেন তখন আমার কাছে স্বপ্ন মনে হচ্ছিল। আমি পুলিশ সুপার মহোদয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করি এবং বাংলাদেশ পুলিশ কে ধন্যবাদ জানাই।

একই ভাবে খাগড়াছড়ি জেলার দূর্গম এলাকা তাইন্দং থেকে আগত জনৈক আব্দুল সবুর (৫৫) তার মেয়ের হারানো মোবাইল ফোনটি পুলিশ সুপার মহোদয়ের হাত থেকে গ্রহণ করে কান্নাবিজড়িত কন্ঠে বলেন যে, “আমি একজন দিনমজুর। আমার মেয়ে কলেজে পড়াশোনা করে। কলেজের পড়াশোনার কাজের জন্য আমার মেয়েকে আমি কষ্ট করে ধারদেনা করে একটি টাচ্ মোবাইল কিনে দেই। বাড়ীতে চার্জ দেওয়ার সময় আমার মেয়ের মোবাইল ফোনটি চুরি হয়ে যায়। আমার মেয়ে মোবাইল ফোনটি হারিয়ে প্রচন্ড কান্নাকাটি করে। আমি আল্লাহর নিকট বিচার দেই। আজ আল্লাহ আমার ডাক  শুনেছে। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপারের মত যদি স্যার থাকতো তাহলে আমার মত গরিব দুঃখি মানুষের অনেক উপকার হতো। আল্লাহ স্যারের মঙ্গল করুন। স্যার অনেক দিন বেঁচে থাকুক।”

উদ্ধারকৃত হারানো মোবাইল ফোনগুলি প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর করে খাগড়াছড়ি জেলার  পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার) বলেন যে “হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারের আমাদের এই কার্যক্রম ও তৎপরতা অব্যাহত থাকবে। আমি ইতোমধ্যে খাগড়াছড়ি জেলার প্রতিটি থানা ও ইউনিটকে এই বিষয়ে জোর তাগিদ প্রদান করেছি। খাগড়াছড়ি জেলাবাসীদের প্রতি আমার আহবান থাকবে আপনাদের শখের মোবাইল ফোন হারিয়ে গেলে আপনারা সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করবেন। আমরা আমাদের সাধ্যমত চেষ্টা করব আপনাদের শখের মোবাইলটি আপনাদের নিকট ফিরিয়ে দেওয়ার। আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং পাশে থাকব। আমাদের খাগড়াছড়ি সাইবার ইনটেলিজেন্স এন্ড ইনভেস্টিগেশন ইউনিট আপনাদের সার্বক্ষণিক সকল প্রকার সাইবার সংক্রান্ত সেবা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

আরও খবর

বিনামূল্যে বই পেল ২৬৬ কলেজ শিক্ষার্থী

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বগুড়ায় এনআরবিসি ব্যাংকের সিন্দুক ভেঙে টাকা চুরি করলো দুর্বৃত্তরা

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image
বগুড়া বিশেষ প্রতিনিধিঃবগুড়ায় সদরে এনআরবিসি ব্যাংকের একটি উপশাখার সিন্দুক কেটে ৯ লক্ষাধিক টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতের উপজেলার শাখারিয়া পল্লীমঙ্গল হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া পল্লীমঙ্গল হাট এলাকায় দুইতলা বিশিষ্ট একটি বাড়ির নিচে বাম পাশে এনআরবিসি ব্যাংকের উপশাখার কার্যক্রম চলে। এর ডান পাশে এসকেএস এনজিও এবং এর সোজা বাড়ীওয়ালা থাকেন। সকালে ব্যাংকের কক্ষ খোলা দেখে বাড়ীওয়ালা ৯৯৯ কল দিয়ে পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছায়।

এনআরবিসি ব্যাংকের ওই উপশাখার ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার ব্যাংকিং সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় ৯ লক্ষাধিক টাকা সিন্দুকে রেখেই চলে যাই। এরপর শুনি সিন্দুক কেটে সব টাকা চুরি করেছে দুর্বৃত্তরা।

এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইহান ওলিউল্লাহ জানান, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা ছাদ দিয়ে প্রবেশ করে ব্যাংকের সিন্দুক ভেঙে টাকা চুরি করেছে। এই উপশাখায় নিরাপত্তা কর্মী এবং পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরাও নেই। যে ক্যামেরা আছে তার ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে আমাদের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে।’

আরও খবর