Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

মাগুরায় হত্যা মামলার আসামীসহ ২৪ জন গ্রেফতার

প্রকাশিত:সোমবার ১১ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৭১জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরায় হত্যা মামলার প্রধান আসামী এবং  মহম্মদপুর ও শালিখা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২ জন সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ ওয়ারেন্টভুক্ত ২৪ জন আসামী গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মাগুরার  পুলিশ সুপার  মোঃ মশিউদ্দৌলা রেজা, পিপিএম (বার), এর নির্দেশনায়  মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান সহকারী পুলিশ সুপার(শালিখা সার্কেল) এর  নেতৃত্বে একাধিক টিম গত রাতে থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর থানার হত্যা মামলার প্রধান আসামী  শিমুল সাহা ওরফে গোপাল সাহা (৩২), পিতা-শক্তি নাথ সাহা , সাং-রাজপাট, থানা- মহম্মদপুর, জেলা -মাগুরাকে গ্রেফতার করা হয়। 

সাজা ওয়ারেন্টভুক্ত দুই বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানার সাজাপ্রাপ্ত আসামী  রুবেল হোসেন, পিতা-আলতাফ হোসেন, সাং-ছান্দড়া এবং সাজাপ্রাপ্ত এক বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড  মোঃ খায়রুল ইসলাম, পিতা-মৃত আলাউদ্দিন মোল্যা, সাং-হরিশপুর (হুগলাডাঙ্গা পাড়া) সর্ব থানা-শালিখা জেলা-মাগুরাকে গ্রেফতার করা হয়। 

এছাড়াও মহম্মদপুর ও শালিখা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জিআর ও সিআর পরোয়ানাভুক্ত ২১ জন আসামী মোট ২৪ জনকে  গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিধি মোতাবেক  আদালতে সোপর্দ করা হয়।

আরও খবর



চট্টগ্রামের সংরক্ষিত মহিলা এমপির চুড়ান্ত আলোচনায় রয়েছে জিনাত সোহানা

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:জঙ্গিবাদমুক্ত আধুনিক, স্মার্ট ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অভিপ্রায়ে চট্টগ্রামে অনন্য নজির গড়ে তুলেছেন সংগঠক জিনাত সোহানা চৌধুরী। সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরীর উদ্যোগে চট্টগ্রামে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চলছে সমাজকে বদলে দেয়ার অভিনব প্রচেষ্টা। চট্টগ্রামে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বিপথগামিতা থেকে রক্ষা এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে কাজ করছেন তিনি। দীর্ঘদিরন ধরে চট্টগ্রাম শহর এবং বিভিন্ন উপজেলার কওমি ও অন্যান্য মাদ্রাসায় আয়োজন করছেন ‘জঙ্গিবাদ বিরোধী আলেম ওলামা শিক্ষার্থী সমাবেশ’।  মুক্তিযুদ্ধের গল্প এবং জয় বাংলা স্লোগানসহ সমবেত জাতীয় সংগীত পরিবেশনায় অংশ নেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা। মুষ্ঠিবদ্ধ হাতে নেওয়া হয় দেশবিরোধী সহিংসতা কিংবা উগ্রবাদে না জড়ানোর শপথ। 

চট্টগ্রামের সংগঠক জিনাত সোহানা চৌধুরী এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। মোবাইলে, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে হরদম হুমকির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তারপরও দমে যাননি তিনি। অদম্য সাহস আর কিছু সৃষ্টিশীল মানুষদের সহযোগিতায় এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে চলেছেন জিনাত সোহানা। 

জিনাত সোহানার মানবিক কর্মযজ্ঞ বিস্তৃত হয়েছে করোনাকালের কঠিন সময়েও। চট্টগ্রামে কিছু স্বপ্নবাজ তরুণদের সঙ্গে নিয়ে ১০ দিনের মাথায় গড়ে তোলেন ১০০ শয্যার করোনা আইসোলেশন সেন্টার। করোনার কঠিন দুঃসময়ে ৮০০ করোনা আক্রান্ত রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিয়েছে এই সেন্টার।  জিনাত সোহানা জানান, চট্টগ্রাম নগর এবং উপজেলায় শতাধিক কওমি ও অন্যান্য মাদ্রসার প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী শুনেছেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। যেখানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনে ছিল অলিখিত নিষেধাজ্ঞা, সেখানে শিক্ষার্থীদের সমবেত কণ্ঠে উচ্চারিত হয় জাতীয় সংগীত, জয় বাংলা স্লোগান । এতে অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, দেশের প্রখ্যাত আলেম ওলামা এবং জঙ্গিবাদ নির্মূলে কাজ করা সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।  তিনি বলেন, ‘মাদ্রাসার বৃহৎসংখ্যক শিক্ষার্থী এই দেশেরই উন্নয়ন অগ্রগতির অংশীদার। তারা যদি মূলধারায় যুক্ত হন, বাংলাদেশ অনেকখানি এগিয়ে যাবে। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ধর্মীয়, নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তির শিক্ষায় শিক্ষিত হলে দেশের উন্নয়নে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সমান্তরালে নিজেদের অবস্থান গড়ে নিতে পারবেন। পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা- যারা অজ্ঞতা, কুসংস্কারবোধ ধর্মীয় গোঁড়ামির জালে আবদ্ধ আমরা তাদের আলোর পথ দেখাতে চাই।’

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী বলেন, ‘দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির চর্চা হয়। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মগজধোলাই করে উগ্রবাদের দিকে ধাবিত করে একটি গোষ্ঠী। পবিত্র ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ করার অপচেষ্টা রুখে দেওয়া এই কর্মসূচীর প্রধান লক্ষ। চট্টগ্রাম বিভাগে শুধুমাত্র মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে এই কর্মসূচী পালন করা হলেও পরবর্তীকালে স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়েও চালু করা হবে।’

কেন নিজেকে এই কর্মসূচীতে যুক্ত হলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে জিনাত সোহানা বলেন, “দেশের প্রধামন্ত্রী ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে ঘোষণা দেন দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল করার। একজন নারী হিসেবে দেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত করার ঘোষণা আমাকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের সারথী হতে ‘সুচিন্ত বাংলাদেশ’-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ আরাফাতের নির্দেশনায় নিরন্তর কাজ করে চলেছি।”

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও নৌকার পক্ষে ছিলো তার নানা রকম উদ্যোগ। চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে নৌকার প্রার্থীদের সমর্থনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভিজুয়্যালি বিএনপি-জামায়াতের ১০০ দিনের হরতালের বর্বরতার চিত্র এবং বিভিন্ন এলাকায় সংখ্যালঘু নির্যাতনের চিত্র এবং দিন বদলের উন্নয়নের চিত্র, প্রতিটি মানুষের কাছে তুলে ধরেন। নৌকার পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে ব্যাপক ভ‚মিকা রাখে তার এসব উদ্যোগ। ফলে আওয়ামী লীগের গ্রামগঞ্জ, শহর ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী। 

এবার একাদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সোহানাকে দেখতে চাইছেন এলাকার মানুষ। যদিও আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব সিদ্ধান্তে মনোনয়ন দেবেন। চ‚ড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী জিনাত সোহানা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে নগরজুড়ে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে সবার দৃষ্টি কাড়েন। 

চট্টগ্রামের রাউজানে জন্ম নেওয়া জিনাত সোহানা বেড়ে উঠেছেন চট্টগ্রামে। তার বড় বোন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী।সোহানা বলেন, ‘সবাই যার যার অবস্থান থেকে দেশের উন্নয়নে কাজ করবে। নারীদের কাজ করার কর্মপরিবেশ তৈরি হয়েছে। নারীকে নারী হিসেবে না দেখে তাদের যদি মানুষ হিসেবে দেখে, তাহলে কাজ করা সহজ হবে।’

সোহানা চট্টগ্রাম আদালতে অতিরিক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে কাজ করছেন। ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সেক্সুয়াল হেরেসমেন্ট কমিটির একজন সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। টানা তৃতীয়বারের মতো যুক্ত আছেন বেসরকারি কারা পরিদর্শক হিসেবে।

আরও খবর

বিনামূল্যে বই পেল ২৬৬ কলেজ শিক্ষার্থী

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




কুড়িগ্রামের রৌমারী সিএনজি অটো ও ভটভটির চাদা বন্দের নির্দেশ দিলেন এমপি পলাশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃরৌমারীতে সকল সিএনজি, অটোবাইক ও ভটভটি নছিমন করিমন থেকে অবৈধ চাঁদা আদায় বন্ধের ঘোষনা দিলেন এমপি পলাশ। দির্ঘদিন ধরে সারা দেশের ন্যায় রৌমারী উপজেলার দাঁতবাঙ্গা বড়াইকান্দি কত্তিমারী সায়দাবাদে সরকার দলীয় আর্শিবাদ পুষ্ট সিন্ডিকেট ও প্রশাসনের সুক্ষ কৌশলে মাসিক চুক্তির ভিত্তিতে অটোবাইক, ভ্যানগাড়ি, সিএনজি ও নছিমন করিমন ভটভটির ড্রাইভারদের নিকট হতে মাসোহারা বা দৈনিক চাঁদা আদায় করা হতো।

বেকার অসহায় খেটে খাওয়া দিনমজুর অটো সিএনজি ও ভটভটি চালক নিরুপায় হয়ে নিয়মিত চাদা দিয়ে আসছিল। চাদা আদায়ের বিরুদ্ধে পরিবহন চালকরা দির্ঘদিন ধরে রাস্তায় চাদা বন্দের দাবি জানিয়ে আসলেও ক্ষমতা ধরদের পেষী শক্তির কাছে হাড় মানতে হয়েছে। এসব দূনীতি দমনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থি বিপ্লব হাসান পলাশ তার নির্বাচনী মঞ্চে দাঁতভাঙ্গা হতে রাজিবপুর পর্যন্ত সড়ক পথে যানবাহন মালিকদের কোন প্রকার চাঁদা দিতে হবেনা বলে প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ৪ ফেব্রুয়ারী সকাল ১১ ঘটিকায় ২৮ কুড়িগ্রাম ৪ আসনের সংসদ সদস্য বিপ্লব হাসান পলাশের প্রতিনিধি হিসাবে রৌমারী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাইদুল ইসলাম রৌমারী অটো ও সিএনজি চালকদের একত্রিত করে তাদের উদ্দেশ্যে বলেন , সংসদ সদস্য বিপ্লব হাসান পলাশের নির্বাচনী ইসতেহার অনুযায়ী তার প্রতিশ্রুতি মোতাবেক আজ থেকে দাঁতভঙ্গা হতে রাজিবপুর পর্যন্ত তার নির্বাচনী এলাকায় যানবাহনে কোন প্রকার চাদা আদায় করা বা চাঁদা দেওয়া যাবেনা বলে নির্দেশ প্রদান করেন।

এব্যাপারে সিএনজি চালক আব্দুর রহিম, জহর উদ্দিন, করিম শহিদ খোকন, হুমায়ুন বলেন, আমরা গরীব অসহায় সিএনজি চালক, দীর্ঘদিন ধরে চাদাবাজদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলাম। আজ নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য আমাদের অভিযোগ আমলে নিয়ে চাদাবজি থেকে রক্ষা করলেন, আমরা তার মহতি উদ্দ্যোগের প্রশংসা করছি।


আরও খবর



বাংলাদেশের জনগণ সীমান্তে বিজিবি এবং নাগরিক হত্যা মেনে নিবে না: কর্নেল অলি

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২৯জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, ভারত সব সময় বলে আসছে, আমরা বাংলাদেশের পাশে আছি। অথচ সীমান্তে বিজিবি এবং বাংলাদেশের নাগরিক হত্যা নিত্য দিনের ঘটনা। তাহলে প্রশ্ন বাংলাদেশের জনগণ ও বিজিবির প্রতি তাদের এই বিদ্বেষ কেন?

তিনি সোমবার এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন। 
কর্নেল অলি বলেন, বর্তমান ভোট চোর সরকার এই হত্যাকাণ্ডের ন্যূনতম কার্যকরি প্রতিবাদ করছে না। জাতির জন্য যা খবই দুঃখজনক। আমি এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি স্পষ্ট ভাষায় বলছি, বাংলাদেশের জনগণ এই হত্যাকাণ্ড নিরবে মেনে নিবে না। দেশের জনগণ এখন সোচ্চার। বিচার একদিন হবেই।

এদিকে, অবৈধ ডামি সংসদ বাতিল ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবীতে মহানগরের থানায় থানায়, জেলা-উপজেলা এবং পৌরসভায় আগামী ৩০ জানুয়ারি কালো পতাকা মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপির প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল অলি আহমদ বীরবিক্রম।

আরও খবর



লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় ইজতেমায়

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:তিন দিনের বিশ্ব ইজতেমায় দ্বিতীয় পর্বে দেশ বিদেশের লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লির উপস্থিতিতে শুক্রবার বাদ ফজর শুরু হয়েছে। শুরুর দিনেই ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় বৃহত্তম জুমার নামাজ। এ নামাজকে ঘিরে ভোর থেকেই তুরাগ তীরে মুসল্লিদের ঢল নামে।

শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ২টায় অনুষ্ঠিত বিশাল জুমার নামাজের ইমামতি করেন দিল্লীর মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ কান্ধলভী।

ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে অংশগ্রহণকারীরা ছাড়াও জুমার নামাজে অংশ নিতে ভোর থেকেই রাজধানীসহ আশপাশের এলাকা থেকে ইজতেমা মাঠে সমবেত হতে থাকে মুসল্লিরা। দুপুর ১২টার দিকে ইজতেমা মাঠ উপচে আশপাশের খোলা জায়গাসহ সব স্থান পরিপূর্ণ হয়ে যায়। এছাড়া টঙ্গীর বিভিন্ন উঁচু ভবনের ছাদ থেকেও মুসল্লিরা জুমার নামাজে অংশ নেয়।

বুধবার রাত থেকে বিভিন্ন জেলার মুসল্লিরা ইজতেমায় ময়দানে আসতে শুরু করে। এ পর্বে শুক্রবার পর্যন্ত ছয় হাজারের বেশি বিদেশি মেহমান এসেছে।

বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সমন্বয়কারী মোহাম্মদ সায়েম জানিয়েছেন, প্রায় ৫৬টি দেশ থেকে ছয় হাজারের বেশি বিদেশি মেহমান ইজতেমায় যোগ দিয়েছেন।

দ্বিতীয় পর্বেও ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তায় আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গড়ে তুলেছেন নিরাপত্তা বলয়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুব আলম বলেন, বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বেও ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই পুরো ইজতেমা এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে।


আরও খবর



নবীরগরের বিটঘরে দিঘী থেকে দেহবিহীন বিচ্ছিন্ন দুই পা উদ্ধার

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৭২জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মাদ হেদায়েতুল্লাহ্ নবীনগর ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রতিনিধিঃব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরে একটি দিঘীতে ভেসে উঠলো দেহবিহীন দুই পা। রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে উপজেলা বিটঘর উত্তর পাড়া মৃত আবুল হাসেম মিয়ার বাড়ির পাশের দিঘী থেকে দুটি পা উদ্ধার করেন দমকল বাহিনীর সদস্যরা।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. অনিক মিয়া বলেন,রবিবার সকালে আনুমানিক ৭ টায় আমার চাচাতো ভাই পুকুরে দুটি পা দেখে আমাকে অবগত করলে আমি ঘটনা স্থলে আসি, এসে পা দুটি দেখে বুঝতে পারলাম মানুষের পা। পরে ৯৯৯ নাইনে কল করলে আধাঘন্টা পর পুলিশ ও ফায়ার সার্বিসের লোকজন আসে উদ্ধার করতে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) সিরাজুল ইসলাম জানান, সকালে দীঘিতে পা দুটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। দমকল বাহিনীর সদস্যরা খবর পেয়ে উপস্থিত হয়ে পা দুটি উদ্ধার করে৷ দুটি পা অর্ধগলিত। দমকল বাহিনীর সদস্যরা দেখছে দেহের বাকি অংশ এই দীঘিতে পাওয়া যায় কিনা। তিনি আরও জানান, সম্প্রতি সদর উপজেলায় লাগেজে মাথা ও দুই পা ছাড়া এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই পা দুটি ওই মরদেহের কিনা তা এখনই বলা যাচ্ছে না। পা দুটি ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠানো হচ্ছে।

এরআগে, গত ৩১ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সেন্দ গ্রামের একটি পুকুর পাড়ে লাগেজ উদ্ধার করে পুলিশ। সেই লাগেজে ছিল মাথা ও দুই পা বিচ্ছিন্ন থাকা একটি মরদেহ। ওই মরদেহের পরিচয় সনাক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর