Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ২৮

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২৭৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীতে বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বিভিন্ন বিভাগ। মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ মঙ্গলবার (৬ জুন) ডিএমপির জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার সকাল ৬টা থেকে পরের ২৪ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে ৯৯২ পিস ইয়াবা, চার কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা ও ৯০ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২১টি মামলা করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।


আরও খবর



চারঘাট সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৫০ লক্ষাধিক টাকার ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার হয়

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১২৯জন দেখেছেন

Image
সাজেদুর রহমান পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি:রাজশাহীর চারঘাট সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন ৫০ লক্ষাধিক টাকার ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার হয়ে আসছে। চারঘাটের নন্দনগাছি হয়ে পুঠিয়ায় শাহবাজপুর, কান্দ্রা, দুদুরমোড় কলনী(গুচ্ছ গ্রাম) এখন ফেনসিডিল পাচারেরর নিরাপদ রুট। ভারতীয় মাদক দ্রব্য ফেনসিডিল, ইয়াবায় ছেড়েগেছে সমগ্র রাজশাহীর শহর- বন্দর,এমন কোন গ্রাম নেই যে  এই সর্বনাশি নেশা নেই। যুব ও তরুন সমাজই নয় মধ্যবয়সী ছেলে ও মেয়েরাও প্রতি নিয়ত ঝুকে পড়েছে এই নেশায়। সকল বাধা নিষেধ অপেক্ষা করে চারঘাটের সীমা›ত ঘাটগুলো দিয়ে ছুটে আসছে এদেশের আনাচে কানাচে। সীমাšত দিয়ে রাতা রাতি ছুটে আসছে পুঠিয়া থানার জামিরিয়া,শিবপুর, মাহেন্দ্রা,বেলপুকুর, ঝলমলিয়া, পুঠিয়া বাজার, বিড়ালদহ,বানেশ^ও এলাকায়। এসব গ্রাম গুলিতে রয়েছে শতশত মহাজন। এসব মহাজনরা এখান থেকে ঢাকাসহ এদেশের বিভিন্ন্ স্থানে পাচার করে থাকে । সীমাšত দিয়ে অভিনব সব উপায় অবলম্বন করে গড়ে তুলছে ফেনসিডিলের পাহাড় এবং এখান থেকে সমগ্র রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পাচার করছে। পদ্মা নদীর চর দিয়ে আশা প্রতিদিন হাজার-হাজার বোতল ফেনসিডিল ও ইয়াবা রাজশাহীতে আসছে। এসব ফেনসিডিল কখনো নৌকায় আবার কখনো বিশেষ প্রক্রিয়ায় বালিশ বানিয়ে ভেসে ভেসে ওপাশ থেকে এ পাশে আসছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ফেন্সিডিল ব্যবসাীয় জানান, ভারত থেকে ফেন্সিডিল আনতে খরচ হয় প্রতি বোতল ফেনসিডিল ৬৫-৭০ টাকা। পদ্মার পাড় ঘেষে যাদের বাড়ি, তারা ঘাটের লেবার থেকে এখন হয়েছে বড় বড় মহাজন। এরা কুড়ে ঘর থেকে তৈরী করছে ইট, পাথরের বাড়ি। রাজশাহীসহ এদেশের বিভিন্ন স্থানে শাহর, বন্দর,গ্রামে ফেনসিডিল বিক্রি করে প্রতি পিস ৫০০ থেকে ৭০০ টাকায়। এসব মহাজনরা সবাই বর্তমান সরকার দলকে সমর্থন করেন কিন্তু এরা কেউ নেতা নন।পুলিশ প্রশাসন প্রতি মাসেই মোটা অংকের মাসোহারা নিয়ে কিছু কিছু ফেনসিডিল আটক করে থানায় নিয়ে আসে কিন্তু কোন ফেনসিডিল পাচার কারীদের আটক করেন না। এরা এখান থেকে ঢাকা যোগাযোগ করে সুযোগ মতো ঢাকায় প্রেরন করেন এবং তাদের সঙ্গে চুক্তি করেন।  প্রথমত তাদের নিরাপদ রুট গুলি বেছেনেন। তারপর বাস, মাইক্রো বাস, ট্রাক, পিকআপ ভ্যানে যাত্রী বেশে রাত দিন ফেনসিডিল ও ইয়াবা পাচার করে থাকেন। তবে রাতের বেলাই মাদক বেশি পাচার হয়ে থাকে বলে জানান। এখন ফেনসিডিল পাচার হচেছ এক অভিনব কায়দায় পাষ্টিক জারের তলা কেটে ৩০০-৪৩০ বোতল দিয়ে চিটাগুড় দিয়ে ভরে তারপর তলা লাগিয়ে তলা লাগিয়ে মুুখ দিয়ে আবার চিটাগুড় ঢেলে ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে নিজেস্ব ড্রাইভার দিয়ে চালান হয় সে সব গাড়ি। যদি পথে পুলিশ  আটকায় তখন টোকেন ও নাম্বার দিয়ে কিছু সেলামি দিলেই ঢাকায় পৌছে যায়। এক্ষেত্রে কোন মহাজন চালানের সাথে থাকে না।  এরা সবায় অšতরালে থেকেই সব কিছু নিয়ন্ত্রন করেন। এভাবেই দিনের পর দিন চলছে এদের রমরমা মাদক ব্যবসা।

আরও খবর



সরাইলে ভূমিহীন পরিবার ভূমির দাবীতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image

রুবেল মিয়া সরাইল:ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলায় ৪২টি ভূমিহীন পরিবার  ভূমির দাবীতে মানববন্ধন করেছেন। 

শনিবার ( ৮ জুন) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের অরুয়াইল ব্রিজের উওর পাশে সড়কে মোহন লাল মন্দিরের সামনে ৪২টি ভূমিহীন পরিবারের এ মানববন্ধন করেন। উক্ত মানববন্ধনে অংশ নেন  ভূমিহীন পরিবারের বিভিন্ন পেশার নারী- পুরুষ ও শিশুরা। 

শ্রী শ্রী মোহন লাল আখড়া মন্দিরের সভাপতি বেনী মাধব রায়ের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জাতীয় হিন্দু মহাজোট জেলার সভাপতি জয় শংকর চক্রবর্তী, সরাইল উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দেব দাস সিংহ রায়, সাধারণ সম্পাদক ঠাকুর ধন বিশ্বাস, গোপাল চন্দ্র ঘোষ, বীর মুক্তিযোদ্ধা পরশ ঘোষ, ক্ষীরুদ চন্দ্র ঘোষ, জনি আচার্য, শুভা সূত্রধর, সোনতী সূত্রধর প্রমুখ। 

এ সময় বক্তারা বলেন, আমাদের ভূমি নাই, বাড়ী ঘর নাই, ছেলে মেয়েদের নিয়ে অনেক কষ্টে জীবন যাপন করে আসছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছে আমাদের আবেদন ঘর চাই বাড়ি চাই, মাথা গোজার ঠাই চাই।

       -খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর



সিরাজগঞ্জে লিচু ব্যাবসায়ি হত্যার রহস্য উন্মোচন, গ্রেফতার ছয়

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ১০৯জন দেখেছেন

Image
রাকিব সিরাজগঞ্জ থেকে:সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় লিচু ব্যাবসায়ি হত্যার রহস্য উন্মোচন ও ছয় হত্যাকারিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১২ সদস্যরা। শুক্রবার বেলা সাড়ে এগারটার দিকে জেলার সলঙ্গায় র‌্যাব-১২ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান র‌্যাব-১২ অধিনায়ক মো: মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, নাটোরের সাইদুর রহমান, আজিজুল হক, মোজাম্মেল হক, মতিউর রহমান, টাঙ্গাইলের উজ্জল হোসেন ও সুজন মিয়া।প্রেস ব্রিফিংয়ে র‌্যাব-১২ অধিনায়ক মো: মারুফ হোসেন বিপিএম, পিপিএম জানান, গত ৩রা জুন রাতে পাবনা থেকে লিচু কিনে ট্রাকে উঠে সিরাজগঞ্জ আসছিলেন লিচু ব্যপারি হেলাল শেখ। ঐ ট্রাকে থাকা গরু ব্যাবসায়ি পরিচয়দানকারি ছয় ঘাতক পথিমধ্যে হেলাল ও অপর এক লিচু ব্যাবসায়ির কাছে থাকা নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গুরুতরভাবে জখম করে উল্লাপাড়া উপজেলার বোয়ালিয়া বাজার এলাকায় ট্রাক থেকে ফেলে দিয়ে চলে যায়। এতে হেলাল শেখ মারা যায়। পরদিন পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে। 

এই অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক আরও জানান, পরে গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম গোলচত্বর থেকে ছয় হত্যাকারিকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও খবর



যাত্রা শুরু বেনাপোল-মোংলা রুটে যাত্রীবাহী ট্রেন

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৫০জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:আজ শনিবার (১ জুন) স্থলবন্দর বেনাপোল জংশন থেকে বেতনা এক্সপ্রেস নামের ট্রেনটি সমুদ্র বন্দর মোংলার উদ্দেশ্যে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গেল। এর মধ্য দিয়ে নতুন রেল পথে যাত্রার দুয়ার খুলে গেলো।

বেনাপোল রেলস্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান বলেন, বেতনা কমিউটার ট্রেনটির বগি ও ইঞ্জিন দিয়ে চলবে মোংলা কমিউটার ট্রেন। বেতনা কমিউটার ট্রেনটি আগে খুলনা থেকে বেনাপোল দুইবার চলাচল করতো। শনিবার সকালে ট্রেনটি খুলনা থেকে ছেড়ে ৯টা ২৫ মিনিটে বেনাপোল জংশনে এসে পৌঁছায়। এরপর সেখান থেকে সকাল ১০টায় যাত্রী ভর্তি করে মোংলার উদ্দেশ্যে রওনা হয় ট্রেনটি। খুলনার ফুলতলা পর্যন্ত ট্রেনটি বেতনা এক্সপ্রেস নামে যাওয়ার পর সেখান থেকে মোংলা কমিউটার নামে চলবে। ১৩৮ কিলোমিটার রুটে মোট ৮টি স্টেশনে দাঁড়াবে। খুলনার ফুলতলা পর্যন্ত এর সর্বোচ্চ গতি থাকবে ঘণ্টা ৫০ কিলোমিটার, এরপর ফুলতলা থেকে মোংলা নতুন রেলপথে এ ট্রেনের সর্বোচ্চ ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার গতি থাকবে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল। এ পথে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রেল ও সড়কপথে রয়েছে যাত্রী ও বাণিজ্যসেবা।দর্শনীয় স্থান ঘুরতে ও বাণিজ্যের কারণে অনেকে বেনাপোল রুট ব্যবহার করে থাকে। এই রুটে যাত্রীসেবা বাড়াতে ব্যবসায়ী ও পাসপোর্টধারীদের দাবির মুখে রেল কর্তৃপক্ষ বেনাপোল-খুলনা-মোংলা রুটে চালু করেছে যাত্রীসেবা।

ট্রেন চলাচলের জন্য ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত নতুন রেলপথ এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। নতুন এই রুটে বেতনা এক্সপ্রেস নামে লোকাল ট্রেনটি খুলনা থেকে বেনাপোল গিয়ে নাম বদলে ‘মোংলা কমিউটার’ নামে বেনাপোল-মোংলা রুটে চলাচল করবে। বেনাপোল থেকে মোংলা রেলপথে মাত্র ৮৫ টাকা ভাড়া নির্ধারণ হয়েছে।

রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের সহকারী চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল আওয়াল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ১ জুন সকাল সোয়া ৯টায় বেনাপোল থেকে ট্রেনটি ছেড়ে যাবে মোংলার উদ্দেশ্যে। ট্রেনটি পৌঁছাবে দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে। এরপর মোংলা থেকে ট্রেনটি ছাড়বে দুপুর ১টায় এবং বেনাপোলে পৌঁছাবে বিকেল সাড়ে ৪টায়। মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন এই রুটে একই সময়ে ট্রেন চলাচল করবে। এই রুটের দূরত্ব ১৩৮ দশমিক ৬৪ কিলোমিটার।

বেনাপোল থেকে ট্রেন ছাড়ার পর নাভারণ, ঝিকরগাছা, যশোর জংশন, রূপদিয়া, সিঙ্গিয়া, চেঙ্গুটিয়া, নওয়াপাড়া, বেজেরডাঙ্গা, ফুলতলা, আড়ংঘাটা,মোহাম্মদনগর, কাটাখালি, চুলকাটি বাজার, ভাগা, দিগরাজ হয়ে মোংলায় যাবে।তবে খুলনা থেকে মোংলা অংশে যাত্রাবিরতি থাকবে ফুলতলা, মোহাম্মদনগর, কাটাখালি ও চুলকাটি বাজার স্টেশনে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ৯৬/৯৫ বেতনা কমিউটার ট্রেনটি ফুলতলা-খুলনা-ফুলতলা সেকশনে চলাচল করবে না। ট্রেনটি মোংলা কমিউটার নামে পরিচালিত হবে।ট্রেনটিতে দ্বিতীয় আসন ব্যবস্থা থাকবে। ট্রেনের আসন সংখ্যা ৬৭৬টি।

রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার অসীম কুমার তালকুদার বলেন, আপাতত বেতনা কমিউটার ট্রেনটি বেনাপোল থেকে মোংলা কমিউটার ট্রেন হয়ে বেনাপোল-মোংলা রুটে চলাচল করবে। পরবর্তীতে আরেকটি রেক দিয়ে এই রুটে ট্রেন চলাচলের পরিকল্পনা রয়েছে।

সূচি অনুযায়ী, খুলনা-বেনাপোল-মোংলা-বেনাপোল-খুলনা রুটে বেতনা কমিউটার ট্রেনটি খুলনা থেকে সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে বেনাপোল পৌঁছাবে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে।

একই ট্রেন নাম বদলে ‘মোংলা কমিউটার’ নামে বেনাপোল থেকে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ছেড়ে মোংলা পৌঁছাবে ১২টা ৩৫ মিনিটে। এর মধ্যে নতুন এই রুটে যাত্রাবিরতি নাভারণে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে, ঝিকরগাছায় ৯টা ৫০ মিনিটে, যশোরে ১০টা ১১ মিনিটে, সিঙ্গিয়ায় ১০টা ৩০ মিনিটে, নোয়াপাড়ায় ১০টা ৪৬ মিনিটে,ফুলতলায় বেলা ১১টা ৪ মিনিটে, মোহাম্মদগর স্টেশনে ১১টা ৩১ মিনিটে, কাটাখালী স্টেশনে ১১টা ৫০ মিনিটে, চুলকাটি বাজারে ১২টা এবং মোংলায় পৌঁছাবে ১২টা ৩৫ মিনিটে।

ট্রেনটি মোংলা থেকে দুপুর ১টায় ছেড়ে বেনাপোল পৌঁছাবে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে। এর মধ্যে চুলকাটি বাজারে ১টা ২২ মিনিটে, কাটাখারীতে ১টা ৪০ মিনিটে, খুলনার মোহাম্মদনগরে ১টা ৫৯ মিনিটে, ফুলতলায় ২টা ২৫ মিনিটে যাত্রাবিরতি করে নোয়াপাড়ায় ২টা ৩২মিনিটে, চেঙ্গুটিয়ায় ২টা ৫২ মিনিটে, সিঙ্গিয়ায় বিকেল ৩টা ১১ মিনিটে, যশোরে ৩টা ৩০ মিনিটে, ঝিকরগাছা ৩টা ৫২ মিনিটে, নাভারণে বিকেল ৪টা ১১ মিনিটে এবং বেনাপোলে পৌঁছাবে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে। ট্রেনটি আবার বেতনা কমিউটার হয়ে বেনাপোল থেকে বিকেল ৫টায় ছেড়ে খুলনায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে।


আরও খবর



জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের সন্যাসতলীতে ঐতিহ্যবাহী ঘুরির মেলা

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image

এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার তুলশীগঙ্গা নদী তীরবর্তী সন্যাসতলী মন্দিরের পাশে  বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ঘুড়ির মেলা শুরু হয়েছে। গ্রামীণ এ মেলাকে ঘিরে আশপাশের গ্রামগুলোতে চলছে উৎসবের আমেজ।

প্রতি বছর জৈষ্ঠ্যমাসের শেষ শুক্রবারে এ মেলা বসে। সেই মোতাবেক শুক্রবারও (১৬ জুন)  বসেছে ঘুড়ির মেলা। মেলার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের প্রস্ততি গ্রহন করেছিলেন মেলার আয়োজক।

এ মেলার সঠিক ইতিহাস জানা যায় না। তবে সন্যাসী পূজাকে ঘিরে চার- পাঁচশ বছরেরও আগে এ মেলার উৎপত্তি হয়েছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে সন্যাসতলীর এ ঘুড়ির মেলায় আশপাশের গ্রাম ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ

আসেন। এ দিন সনাতন ধর্মের লোকজন মন্দিরে সন্যাসীকে পূজা দিয়ে দিনটি উৎযাপন করলেও এটি মুলত হিন্দু মুসলমানের মিলন মেলা।

মেলায় প্রবেশ করলেই প্রথমে নজরে পড়বে তুলশীগঙ্গা নদীর তীরে অনেকের হাতে নাটাই ও কারো কাছে  ঘুড়ি। চেষ্টা চলছে কার ঘুড়ি কত উপরে উঠতে পারে। আর বিভিন্ন ধরণের  রঙ বেরঙের ঘুড়ি দেখিয়ে ক্রেতাদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন বিক্রেতারা। ঘুড়ি ছাড়াও গ্রামীন তৈজষপত্র ও সংসারের কাজের জিনিষপত্র, মিঠাই- মিষ্টান্ত দেখতে  মেলায় ঢল নামে সব বয়সী মানুষের। সেই সেই সাথে  মেলাকে ঘির আশপাশের গ্রামগুলোতে ধুম পড়ে যাঢ উৎসবের। মেলায় নজর  কেড়েছে বিভিন্ন জেলা থেকে আসা দর্শনার্থীদের।

মেলার পাশে আমিড়া গ্রামের গোলাম রব্বানী বলেন,মেলার বয়স তার জানা নাই। বাপ দাদার সাথে তিনি মেলায় আসতেন। এখন তার বয়স ৭০ বছর পার হয়েছে। এবারও তিনি মেলায় এসেছেন। এসময় তিনি আবেগ কন্ঠে বলেন,

মাঠ জুড়ে এসব ঘুরি ওড়ানো হয়। ঘুরি আর লাটাই কিনতে দোকানে ভিড় করেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। মেলাকে ঘিরে স্বজনদের আপ্যায়ন চলে মেলা সংলগ্ন আশপাশের গ্রামগুলোতে। 

রং বেরংয়ের ঘুড়ি মেলার মূল আকর্ষণ হলেও মেলায়  মিঠাই-মিষ্টান্ন, প্রসাধনী, মাটির হাড়ি পাতিল, হাতপাখা, লোহার জিনিষপত্র ও শিশুদের খেলনা সামগ্রীসহ গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী নাগরদোলা নজর কেড়েছে মানুষের।

জিয়াপুর গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম  বলেন, প্রচলিত রেওয়াজ অনুযায়ী মেলা উপলক্ষে  মেয়ে জামাই এবং স্বজনদের আপ্যায়ন চলে কয়েক গ্রামেজুড়ে। আর মেলাকে ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করে সকল ধর্মের মানুষের।

বগুড়ার ঘোড়াধাপ গ্রামের ঘুড়ি বিক্রেতা আব্দুর রশিদ বলেন,  তিসি পঞ্চাশ বছর ধরে প্রতি বছর জৈষ্ঠ্যমাসের শেষ শুক্রবারে সন্যাসতলী মেলায় ঘুড়ি বিক্রি করতে এসেছেন। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ঘুড়িরও প্রকার বদলে গেছে। ঘুড়ি ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে নানা রঙের ঘুড়ি ও নাটাই মেলায় এনে বিক্রি করছেন। একটি ঘুড়ি পঞ্চাশ টাকা থেকে শুরু করে  দেড় হাজার টাকাতে বিক্রি করছেন। এবছর মেলার দিন আবহাওয়া  ভাল থাকাতে বেচাকেনা ভাল হওয়াতে খুশি তিনি।

বগুড়া বিয়াম মডেল স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রাফান নিশায বলেন, আমার দাদার বাড়ি আক্কেলপুরে। এখন আমরা বগুড়াতেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছি। আমি শুনেছি সন্যাসতলীতে ঘুড়ির মেলা বসে কখনও যাওয়া হয়নি। আজ বাপ্পির সাথে মেলায় এসে হরেক রকমের ঘুড়ি দেখলাম। হাজার হাজার মানুষ তাদের পছন্দমত ঘুড়ি কেনার আগে ঘুড়ি উড়িয়ে দেখে কিনছেন। আমিও একটি ঘুড়ি ও সুতাসহ নাটাই কিনলাম। মেলায় এসে খুব ভাল লেগেছে।সন্যাসতলী মেলা কমিটির সভাপতি শাজাহান আলী ভুট্রু বলেন, 

প্রতি বছরের মত এবারেও সন্যাসতলী মেলা বসেছে। প্রায় চারশ  বছরের অধিক পুরাতন এ মেলায় আমরা হিন্দু মুসলিম সবাই মিলে পরিচালনা করি। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্রেতা বিক্রেতা,  ব্যবসায়ীসহ সব বয়সী মানুষের পদচারণায় মেলা প্রাঙ্গন ও আশে পাশের গ্রামে উৎসবে মেতে উঠেন।

মেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি থাকাই শান্তিপূর্ণ ভাবে মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।


আরও খবর