Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

মাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা ! পুকুরে বিষ প্রয়োগে ১০ লাখ টাকার মাছ নিধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ মে 2০২3 | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২৪৬জন দেখেছেন

Image

আব্দুল হান্নানন:ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার  নাসিরনগর উপজলায় পুকুরে বিষ  প্রয়োগ করে প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

২৮ এপ্রিল ২০২৩ রোজ শুক্রবার রাতে উপজেলার পূর্বভাগ  ইউনিয়নের কিপাতনগর  এলাকায় এ ঘটনা    ঘটেছে।  জানা  যায়, কিপাতনগর গ্রামের সাখাওয়াত সেলিমের ৫ বিঘা একটি পুকুরে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতিকারীরা বিষ ঢেলে মাছ নিধন করে ফেলে। এতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মেরে ফেলার কারনে আর্থিক ভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয় সেলিম। 

মোঃ সাখাওয়াত সেলিম  বলেন,বাড়িতে ছোট বোনের বিয়ে নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।ব্যস্ততার সূযোগে দুষ্কৃতকারীরা রাতে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে এ অপকর্ম করে।এতে আমার  প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সেলিম আরো  জানায়, সকালে থানা পুলিশ, স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্ভার সহ গন্যমান্য ব্যাক্তি ও স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বিয়ে নিয়র ব্যাস্ত থাকার কারনে দেরীতে হলেও আমরা মামলার প্রস্তুতি গ্রহণ নিয়েছি।কে বা কারা এমন জগন্য কাজ করতে পারে আমাদের  প্রাথমিক ভাবে একটা ধারনা হয়ে গেছে।সেলিম বলেন হয়তোবা ছোট বোনের বিয়ের দাওয়াত কে কেন্দ্র করে কেউ এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



তানোরে গরু মোটাতাজা করণে নিষিদ্ধ ওষুধের রমরমা বাণিজ্যে

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে প্রতিনিধিঃরাজশাহীর তানোরে কথিত প্রাণী চিকিৎসক আশরাফুল আলমের দৌরাত্ম্য বেপরোয়া । তিনি সাধারণ মানুষের সরলতার সুযোগে গরু মোটাতাজা করণে নিষিদ্ধ ওষুধ (স্টেরয়েড) ব্যবস্থাপত্রে লিখছেন এবং এসব ওষুধ ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে উৎসাহিত করছেন। এতে করে সাধারণ গরু পালন কারীদের পকেট হচ্ছে ফাঁকা এবং চিকিৎসকের পকেট হচ্ছে ভারী।ফলে এসব চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি সাধারণ মানুষের।

জানা গেছে, স্বীকৃত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাণী চিকিৎসার ওপর তার  কোনো ডিগ্রী নেই। তবুও তিনি অভিজ্ঞ প্রাণী চিকিৎসক। উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লী এলাকার আনাচে-কানাচে তিনি দিয়ে যাচ্ছেন অনুমান নির্ভর প্রাণি চিকিৎসা। তিনি অনুমান নির্ভর প্রাণী চিকিৎসা দিয়ে কৃষকের পকেট কাটছেন।এমনকি গরু মোটাতাজাকরণ নিষিদ্ধ স্টেরয়েড ওষুধের যতেচ্ছ ব্যবহার করছেন ও ব্যবস্থাপত্রে নিষিদ্ধ স্টেরয়েড ওষুধ লিখছেন। অথচ রেজিস্টার্ড প্রাণী চিকিৎসক ব্যতিত ব্যবস্থাপত্রে স্টেরযেড ওষুধ লিখার কোনো সুযোগ নাই। কেউ লিখলে সেটা দন্ডনীয অপরাধ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বাসিন্দা জানান, তার চিকিৎসায় অনেকের গরু অসুস্থ এমনকি মারাও গেছে।  কিন্ত্ত তার  বিরুদ্ধে অভিযোগ করেও কোনো লাভ হয়নি। তাদের অভিযোগ উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ের কতিপয় কর্মকর্তার নেপথ্যে মদদে আশরাফুল এসব অপকর্ম করে চলেছেন। যেকারণে একাধিকবার আশরাফুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বন্ধ হয়নি তার চিকিৎসা বাণিজ্যে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, গরু মোটা তাজা করতে স্টেরয়েড  ওষুধ সেবন করানো হলে, গরুর কিডনি ও শরীরে পানি জমে শরীর ফুলে যায়। কোনো কোনোক্ষেত্রে গরু মারাও যায়। দেখে মনে হয় গরু মোটাতাজা হয়েছে। কিন্ত্ত আসলে গরুর শরীরে ক্ষতিকারক পানি জমে শরীর ফুলে থাকে। এসব গরুর মাংস মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এমনকি ছোট শিশুরা এসব মাংস খেলে অসুস্থ হয়ে মারা যেতেও পারে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে আশরাফুল আলম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি প্রাণী চিকিৎসার  প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রাণী চিকিৎসা দিতে দিতে তার অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে। তিনি যেকোনো প্রাণীর দেহ নাড়া চাড়া করলেই বলে দিতে পারবেন রোগের ধরণ। তিনি বলেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে (মোটাতাজাকরণ) ব্যবস্থাপত্রে
স্টেরয়েড ওষুধ লিখেন। এবিষয়ে 

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা, ওয়াজেদ আলী বলেন,রেজিস্টার্ড প্রাণী চিকিৎসক ব্যতিত কেউ স্টেরয়েড ওষুধ ব্যবস্থাপত্রে লিখতে পারবেন না। তিনি বলেন, এবিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আরও খবর



ইসলামপুরে পূর্ব শত্রুতায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৩

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৬৪জন দেখেছেন

Image
লিয়াকত হোসাইন লায়ন,ইসলামপুর(জামালপুর) প্রতিনিধি:জামালপুরের ইসলামপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে আসাদ উল্লাহ ওরফে নিদু কাজী (৪৯) নামে এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায়  ৩ জনকে আটক করে আদালত প্রেরণ করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের শিকার নিদু কাজী উপজেলার নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের ব্রহ্মত্তোর গ্রামের মৃত আবুল কাসেম কাজীর ছেলে। 

হত্যাকাণ্ডের শিকার নিদু কাজীর বড় ভাই জামাল উদ্দিন কাজী বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে।  থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুমন তালুকদারের নেতৃত্বে র্যাবের সহায়তায় রাতে অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকায় ওই তিন জনকে আটক করে।

আটককৃতরা হলো, একই ইউনিয়নের তারতাপাড়া গ্রামের মো. আব্দুল হাকিম মণ্ডলের ছেলে কবির হাসান চায়না (৪৫), তার বড় ভাই জিয়াউল (৪৮) এবং তার  ভাতিজা মোখলেস (৩০)। 

মামলা সূত্রে জানা গেছে,পূর্ব থেকে হত্যাকাণ্ডের শিকার কৃষক নিদু কাজীর সঙ্গে কবির হাসান চায়নার মধ্যে পারিবারিক ও সামাজিক বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ঈদের দিন বিকেলে তারতাপাড়া গ্রামের জায়েদা মোড় এলাকায় ধারালো দা দিয়ে নিদু কাজীকে কুপিয়ে জখম করে চায়নাসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে গুরুতর আহত অবস্থায় নিদু কাজীকে জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। 

মামলা বাদী জামাল উদ্দিন কাজী বলেন, 'পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পাশ্ববর্তী মাহমুদপুর বাজারে যাওয়ার পথে তারতাপাড়ার জায়েদা মোড় এলাকায় আমার ছোটো ভাই নিদু কাজীকে দারালো দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে চায়নাগংরা। 

ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুমন তালুকদার বলেন, 'হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত  ৩ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও খবর



ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঈদুল আজহা উদযাপিত

প্রকাশিত:রবিবার ১৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮২জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীর পান্থপথেও সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে এবার। আজ রবিবার পান্থপথের একটি কনভেনশন সেন্টারে এই জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল সাড়ে ৭টায় কনভেনশন সেন্টারে শিশু ও নারীসহ মুসল্লিরা জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শেষে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ভাগাভাগি করে নেন ঈদ আনন্দ। এ ঈদ উদযাপনে অংশ নেন দেশে অবস্থানরত বিদেশি মুসলিমরাও।

নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিরা জানান, সারা পৃথিবীতে ঈদ হচ্ছে সে হিসেবে আমরাও পালন করছি। এর আগেও ঈদ পালন করেছি।

এদিকে আজ চাঁদপুর, দিনাজপুর, মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম, ঝিনাইদহ ও বরিশালের বেশ কয়েকটি স্থানে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের একটি অংশের মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

প্রতিবারের মত এ বছরও মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছে চাঁদপুরের ৫০টি গ্রামের মানুষ। আজ সকালে পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত আদায়ের মাধ্যমে এ উদযাপন করছেন।

আজ সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে হাজীগঞ্জে ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সাদ্রা দরবার শরীফের পীরজাদা আরিফ চৌধুরী সাদ্রাভী নামাজ ও দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন।

বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে ঈদুল আজহা আগামীকাল সোমবার নির্ধারিত হলেও দেশের কিছু জায়গায় আজ উদযাপিত হচ্ছে ঈদ। বহু বছর ধরে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ইসলামিক দেশের সঙ্গে মিল রেখে দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি অংশ ঈদ জামাতে অংশ নেন।


আরও খবর



রৌমারী জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট যায়গা সংকটে ভোগান্তিতে ক্রেতাবিক্রেতারা

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৪৮জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃকোরবানির সময় যত ঘুনিয়ে আসছে ততোই ক্রেতা-বিক্রেতারা তৎপর হয়ে বিভিন্ন হাটে পশু ক্রয়বিক্রয়ের চেষ্টা করছেন।

গরুর সাইজ ও দামে পছন্দ হলে, ক্রয় করে ফিরছেন বাড়িতে। অপরদিকে কাঙ্খিত দামের অপেক্ষা করছেন এঅঞ্চলের  খামারি ও ব্যবসায়ীরা। রৌমারী  প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় স্থায়ী ২ টি পশুর হাট রয়েছে। এর মধ্যে সব থেকে বড় পশুর হাট দেশের উত্তর অঞ্চল কুড়িগ্রামের সীমান্ত ঘেষা রৌমারী সদর হাট। সপ্তাহে পশুর হাট বসে শুক্রবার এবং সোমবারসহ দুদিন। সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার পশু ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাক-ডাকে সরগরম হয়ে উঠে রৌমারীর পশুর হাট। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বৃদ্ধি পেতে থাকে পশু ও ক্রেতা-বিক্রেতার সংখ্যা। বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে আসা খামারি হামির উদ্দীন, মুছা মিয়া, জমের উদ্দীন বলেন, ৬ টি গরু নিয়ে আসছিলাম। ২টি বিক্রি করেছি দামেও ভাল পেয়েছেন বলে জানান তিনি। জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলা থেকে রৌমারী হাটে গরু কিনতে এসে বলেন, গরুর দাম এবার অনেক বেশি। দেখতেছি, কিন্তু দামে হচ্ছে না। দামে হলেই কিনব। তিনি আরও বলেন খাবার ও অন্যান্য আনুসঙ্গিক পণ্যের দাম বাড়ায় গরুর দামও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা। যে ভুষি কিনেছি ৩৫ টাকায় সেই ভুষি এখন ৬০ টাকা। ভুট্টার গুড়ি, খৈল, পালিশ সবকিছুরই দাম বেশি। যার ফলে গরুর দামও অনেক বেশি। দাম বেশি থাকায় গৃহস্থরা গরু ক্রয়ের ক্ষেত্রে অনেক হিসাব নিকাশ করছেন। শুধু হাট নয় খামারিরা নিজ বাড়িতে বসেও কোরবানির পশু বিক্রি করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেও অনেকেই গরু-ছাগল বিক্রি করছেন। তারপরও সরকারের হাট উন্নয়নে কাজ করছেন না কেন সেটি আমার এবং ক্রেতা বিক্রেতাদের প্রশ্ন,  উত্তর দেবেন কে। অপরদিকে বিশেষ সুত্রে জানা গেছে  ১৪৩০ বাংলা সনের হাটবাজারা ইজারা চুক্তি দলিলে রৌমারী হাটে রৌমারী মৌজায় ৬ একর ৯০ শতাংশ জমি ইজারাদারের অনুকুলে চুক্তিতে  দলিল প্রদান হয়েছিল। কিন্তু অদ্যাবধি তফশিল ভুক্ত ৬ একর-৯০ শতক জমি ইজারাদারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। যায়গার অভাবে ক্রেতা বিক্রেতাদের ব্যবসা বানিজ্যে  সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। হাটের সুষ্ঠ পরিবেশনে বিঘœন ঘটছে বলেও জানা গেছে। প্রায় সাত একর জমির উপর পশুর হাটটি থাকার কথা, কিন্তু সাত একরতো দূরের কথা দের একরের উপর দাড়িয়ে আছে সাড়ে তিন কোটি টাকার হাট। বাকি প্রায় সাড়ে পাচ একর ভূমি এখন কার দেয়ালের ভেতরে লুকিয়ে আছে জানতে চায় প্রবীনরা। 

এদিকে বর্তমান হাট ইজারাদার সাফায়াত বীন জাকির সৌরভ অভিযোগ করে বলেন রৌমারী এই হাটটিতে দূরদূরান্ত থেকে খামারিরা গরু মহিষ ক্রয় বিক্রয়ের জন্য এসে দাঁড়ানোর যায়গা পাচ্ছেন না ফলে হাটের ক্রেতা বিক্রতারা হাটে আসতে অনিহা প্রকাশ করছেন। তিনি আরও বলেন এভাবে হাট চলতে থাকলে একসময় এ হাটের রাজস্ব হারাবেন সরকার। হাটের জমি বিভিন্নভাবে  জবরদখলে নিয়ে স্থাপনা করে রাখলেও নজরে নিচ্ছেন না প্রশাসন, ফলে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে হাটের যায়গা উদ্ধারের জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি। এবিষয় হাট ইজারাদার সৌরভ অভিযোগ করে বলেন রৌমারী পশুর হাটে যায়গা যেটি থাকার কথা সেটি বিভিন্নভাবে দখলে নিয়েছেন দখলদাররা ফলে পশু ক্রয় বিক্রয়ে ব্যঘাত ঘটছে। হাট ইজারাদার আরও বলেন হাটের যায়গা ছিলো প্রায় ৭ একর জমিতে, সেখানে পশুর হাট অবস্থান করছে মাত্র দের একর ভূমিতে। বাকি সাড়ে পাচ একর সরকারি পশুর হাটের যায়গা কোথায়। আমি প্রশাসনে দৃষ্টি এ্যাকশন করছি পশুর হাটের ৭ একর ভূমি উদ্ধারের জোর দাবী জানাচ্ছি। রৌমারী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, কোরবানি উপলক্ষে উপজেলায় ২টি হাট রয়েছে। প্রতিটি হাটে আমাদের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিম রয়েছে। এছাড়া কোন অসাধু ব্যবসায়ী যাতে হরমন বা অন্য কোন খারাপ রাসয়নিক দিয়ে গরু বিক্রয় করতে না পারে সেজন্য প্রাণিসম্পদ বিভাগের নজরদারি রয়েছে বলে জানান তিনি।


আরও খবর



চলে গেলেন জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা হিরাম কেস্টেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৭৯জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিবেদক:ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা হিরাম কেস্টেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রস্টেট ক্যানসারে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

দীর্ঘ ৭ বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন এই কৌতুক অভিনেতা। নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

কৌতুক অভিনেতা হিরাম কেস্টেনের মৃত্যুর সংবাদটি মেনে নিতে পারছেন না ভক্তরা। তার চলে যাওয়ায় বিনোদন জগতে শোকের ছায়া নেমেছে ৷

কৌতুক অভিনেতা হিসেবে হিরাম কেস্টেন দর্শকদের মন খুব তাড়াতাড়ি জয় করে নিয়েছিলেন। একাধিক চরিত্রে অভিনয় করে খুব সহজেই সবার মনে তিনি স্থায়ী আসন করে নিয়েছিলেন।


আরও খবর