Logo
আজঃ শনিবার ১০ জুন ২০২৩
শিরোনাম

মাছে ক্ষতিকর রং দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে জরিমানা

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | ১৬৪জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটে সামুদ্রিক মাছে ক্ষতিকর রং দেওয়ার অপরাধে মো. আকবর সর্দার নামের এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রোববার সকালে বাগেরহাট শহরের কেবি বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অধিদপ্তরের বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল ইমরান ওই জরিমানা করেন।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বাগেরহাট কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান বলেন, অভিযানকালে রাসায়নিক ক্ষতিকর রং মিশিয়ে সাদা রঙের জাভা, ভোলা ও তুলার ডাটি মাছ রঙ্গিন করার সময় এক মাছ ব্যবসায়ী হাতে নাতে ধরা পড়েন। ক্ষতিকর রং মিশিয়ে সাদা মাছ রঙিন করার অপরাধে ওই মাছ ব্যবসায়ীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪২ ধারায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। পরে তার কাছে থাকা ক্ষতিকর রং মেশানো মাছ ধবংস করা হয়।

এসময় উপস্থিত ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মাঝে সচেতনমূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। 



আরও খবর



দৌলতপুর চিলমারী ২০০ বিঘা পাকা ধান পদ্মায় বিলীন হতে চলছে

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

খন্দকার জালাল উদ্দীন : কুষ্টিয়ার দৌলতপুর চিলমারী মাঠের ২০০ বিঘা পাকা ধান পদ্মায় বিলীন হতে চলেছে। আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে ত্রিপাক্ষিক সংঘর্ষের মাশুল দিচ্ছেন সাধারন কৃষক। ধান গোলায় না উঠলে, মুখে ভাত জুটবেনা তাদের। আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী ইউনিয়নের পূর্ব আমদানি ঘাট এলাকার জনজীবন এখনো স্বাভাবিক হয়নি। শতাধিক বাড়ি জনমানবশূন্য। মাত্র ১৬ ফিট রাস্তার সীমানা সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের জের ধরে ৫/৬ মাস যাবৎ স্থানীয় মন্ডল, খাঁ ও শিকদার বংশের আন্তঃকোন্দল ও দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় বলি হচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রামকৃষ্ণপুর মৌজার অধীনে চিলমারী মাঠে প্রায় ২০০ বিঘা পাকা ধান পড়ে আছে। প্রতিপক্ষের দায়েরকৃত মামলায় আদালত থেকে জামিন পেয়েও ঘরে ফিরতে পারছেন না বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম খাঁনসহ শতাধিক নিরীহ কৃষক। স্থানীয়দের দাবী, অতি সত্বর ধান মাড়াইয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। নতুবা পাকা ধান নষ্ট হয়ে যাবে। ঘূর্ণিঝড় ্য়ঁড়ঃ;মোখা ্য়ঁড়ঃ; পরবর্তী আবহাওয়া স্বাভাবিক হলেও ২/৩ পশলা বৃষ্টি হওয়ায় পদ্মা নদীতে পানি বেড়েছে। বৃষ্টি হলেই ধান তলিয়ে যাবে পানির নিচে। যে সকল কৃষক ধান কাটতে পারছেন না- আজিজ খাঁ ৫ বিঘা,রাজ্জাক খাঁ ৩ বিঘা,নুরু খাঁ ৩ বিঘা,কুদ্দুস শেখ ৫ বিঘা,মোশারফ শেখ ৩ বিঘা,রহিম মেম্বার ২ বিঘা,বশির খাঁ ৩ বিঘা,লুৎফর রহমান ২ বিঘা,আবু তালেব খা ৩ বিঘা,আয়নালসহ শতাধিক কৃষক। চরাঞ্চলে আইন-শৃংখলার চরম অবনতি হওয়ায় গরু খামারী,দুধ বিক্রেতা,দিন মজুর,মৌসুমি ধান,গম ব্যবসায়ীসহ নি¤œ আয়ের জনগোষ্ঠী চরম বিপাকে পড়েছেন। পাকা ধান কাটা ও মাড়াইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে ক জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।


আরও খবর



নির্বাচনের আগে ১৩৫০ মামলায় সাজা দেওয়া হবে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ জুন ২০২৩ | ১৩৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:নির্বাচনের আগে প্রায় ১ হাজার ৩৫০ মামলায় সাজা দেওয়া হবে, এমন তথ্য কানে এসেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই অভিযোগ করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক আয়বর্হিভূত মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার সহধর্মিনী জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে মামলার শুনানি এবং দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সদস্য আমান উল্লাহ আমান ও তার সহধর্মিনী সাবেরা আমানকে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদ জানাতে এই সংবাদ সম্মেলন ডাকেন বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘মৃত্যু যখন ঘনিয়ে আসে, যখন আর কোনো আশা থাকে না। তখন অনেকেই চেষ্টা করেন- কোনো রকমের কোনো কিছু ধরে যদি টিকে থাকা যায়। আজকে বিরোধীদলের নেতাদের সাজা দেওয়ার এই যে রায়, এই রায় হচ্ছে তাদের সেই পরিকল্পনা, যে পরিকল্পনায় বাংলাদেশের রাজনীতিকে একেবারে তিরোহিত করা, বিরাজনীতিকরণ করা, রাজনীতিবিদদের রাজনীতির মাঠ থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া, সরিয়ে আবার যদি এককভাবে পার হওয়া।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এই যে ভয়াবহ পরিকল্পনা নিয়ে তারা (সরকার) মাঠে নেমেছে কিছুদিন আগেও আমরা বলেছি এই কথাগুলো। আমাদের কানে এসেছে, প্রায় সাড়ে ১ হাজার ৩৫০ মামলা চিহ্নিত করা হয়েছে, যে মামলাগুলো নির্বাচনের আগেই তারা শুনানি করে সব শেষ করে সাজা দিয়ে দেবে। তার সবগুলো হচ্ছে রাজনৈতিক মামলা মামলা। প্রত্যেকটি মামলার আসামি হচ্ছেন বিএনপিসহ বিরোধীদলের শীর্ষ নেতারা।

তিনি বলেন, ‘এটা তাদের (সরকার) অত্যন্ত চমৎকার উদ্দেশ্য। এদেরকে (বিরোধীদলের নেতাদের) যদি আটক করে ফেলা যায়, সাজা দিয়ে দেওয়া যায় তাহলে তাদের কথা মতো এরা তো নির্বাচন করতে পারবে না। সব সময় সেই সংবিধানের উল্লেখই তারা করছে যে সংবিধান তারা তৈরি করেছে, ১৯৭২ সালে সেই সংবিধান পরবর্তীকালে জনগণের যেটুকু অ্যামেন্ডমেন্ট হয়েছে সেগুলো বাদ দিয়ে তারা নিজেরা শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য যে সংবিধানকে কাটা-ছেঁড়া করে তাদের মতো করে নিয়েছে সেই সংবিধান অনুযায়ী তারা একদম একা খেলার মাঠে খেলবেন আর গোল দিয়ে যাবেন। যেটাকে আমরা বলি যে, প্রতিপক্ষ কেউ থাকবে না। ওই লক্ষ্যে তারা যাচ্ছে, এগুচ্ছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘গতকাল আদালতে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে, যেটা আমি মনে করি এদেশের বিচার ব্যবস্থার কফিনে একটা পেরেক ঠুকে দেওয়া হয়েছে। সেটা হচ্ছে যে, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয় ২০০৭ সালে, এতদিন ধরে এই মামলা চলে নাই।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘হঠাৎ করে দেখা গেলো যে, দ্রুত মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি। এখন অতি দ্রুত প্রতিদিন একজন-দুইজন-তিনজন সাক্ষী হাজির করা হচ্ছে এবং তাদের রাত পর্যন্ত সাক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে।

 মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই বিষয়গুলো নিয়ে যখন আমাদের আইনজীবীরা ঢাকার কথা বলতে চেয়েছিলেন বিশেষ আদালতে তখন তাদেরকে সেখানে কথা শুধু বলতেই দেওয়া হয়নি তা নয়, তাদেরকে সরকারি দলের আইনজীবীরা আক্রমণ  করেছে, তাদেরকে আহত করেছে এবং কি পুলিশ সেখানে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে তাদেরকে নির্যাতন করেছে।

তিনি বলেন, ‘এরপরে আমরা কীভাবে বলব, এই দেশে একটা গণতান্ত্রিক নির্বাচন হওয়ার সুযোগ আছে? এদেশে কীভাবে বলব যে, বিরোধীদলের এখানে রাজনীতি করার, মানুষের ভোট দেওয়ার অধিকার, সাংবাদিকদের লেখার অধিকার আছে?’

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং আমান উল্লাহ আমান ও তার স্ত্রী সাবেরা আমানের বিরুদ্ধে দেওয়া রায়ের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘উদ্দেশ্য একটাই সাজা দিয়ে আমাদের নেতাদেরকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখা।’ একই ধরনের মামলায় আওয়ামী লীগের নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, মহিউদ্দিন খান আলমগীর ও মোহাম্মদ নাসিমের (প্রয়াত) মামলায় তাদেরকে আদালত খালাস দেওয়ার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

 বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপি নেতা আবদুস সালাম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মহানগর দক্ষিণের সদস্য রফিকুল আলম মজনু, ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, চট্টগ্রামে ডা. শাহাদাত হোসেনসহ সারা দেশের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনার পরিসংখ্যান তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘এভাবে তারা (সরকার) মিথ্যা মামলা দায়ের করে গোটা দেশে ভয়-ত্রাস এবং একটা নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চায়। এই নৈরাজ্য সৃষ্টি করার মধ্য দিয়ে তারা একই কায়দায় এককভাবে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চায় যেটা এদেশের মানুষ এটা হতে দেবে না। এদেশের মানুষ তাদের বিতারণ করেই নির্বাচন করবে।

তিনি বলেন, ‘জগনের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবার যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করবার যে আন্দোলন শুরু হয়েছে- এই আন্দোলনকে মামলা-মোকাদ্দমা দিয়ে বন্ধ করা যাবে না’।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘জনগণ জেগে উঠেছে, জনগণের উত্থানের মধ্য দিয়ে তাদেরকে সরে যেতে হবে। পরাজিত হতে হবে এবং পরিষ্কার ভাষায় আবারও বলতে চাই, একটি নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ তত্ত্ববধায়ক সরকার ছাড়া এদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়। সেই কারণেই আমরা বলতে চাই যে, এখনো সময় আছে। এই সমস্ত খেলাধুলা বাদ দেন, এই সমস্ত মানুষকে প্রতারণা করবার পথ থেকে সরে গিয়ে, মানুষকে নির্যাতন করবার পথ থেকে সরে এসে সোজা পথ ধরেন, একটা নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন এবং দেশে সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচনের ব্যবস্থা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, শামসুজ্জামান দুদু, নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, কেন্দ্রীয় নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, আবদুস সালাম আজাদ, মীর সরাফত আলী সপু, কায়সার কামাল, মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।


আরও খবর



নবীনগরে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে নিহত ১

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | ১৩৫জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মাদ হেদায়েতুল্লাহ্ ,নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরে বজ্রপাতে শ্রাবণ (১৭) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে।আজ রবিবার দুপুরে উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামের ফুটবল খেলার মাঠে এই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।নিহত শ্রাবণ বিদ্যাকুট দক্ষিণ পাড়া মোঃ সোহরাব মিয়ার ছেলে।জানাযায়, আজ দুপুরে বিদ্যাকুট বাজার থেকে মাথার চুল কেটে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে বিদ্যাকুট উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে একদল কিশোর ফুটবল খেলছিল।

তাদের পাশ দিয়ে যাওয়ার পথেই বিকট শব্দে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে।এ সময় শ্রাবণ মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখে অন্যরা চিৎকার করতে থাকে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বিদ্যাকুট যোগাযোগ ডায়াগনেষ্টিক ক্লিনিক সেন্টারে নিয়ে গেলে কর্তব্য চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।বিদ্যাকুট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকারুল হক বিষয় টি নিশ্চিত করে বলেন, শ্রাবণ দুপুরে চুল কেটে বিদ্যাকুট বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে, স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করলেন সাময়িক বরখাস্তকৃত মাদরাসা শিক্ষক হারুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা নওগাঁ:ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করলেন নওগাঁর রাণীনগরের আল আমিন দাখিল মাদরাসার শরীর চর্চা বিষয়ক শিক্ষক হারুন অর রশিদ (৫০)। সম্প্রতি বিভিন্ন অনিয়মের মিথ্যা অভিযোগে মাদরাসা সুপার সাময়িক ভাবে তাকে বরখাস্ত করেন । তিনি উপজেলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের আজাহার আলী শেখের ছেলে। এ ঘটনায় মৃত ভিকটিমের পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।  


বৃহস্পতিবার সকালে সান্তাহার রেলওয়ে থানার ছাতিয়ানগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের দক্ষিণে কলাবাড়িয়া নামক স্থানে চিলাহাটি হতে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী নতুন ডাউন চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ মে তারিখে তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে প্রতিষ্ঠান প্রধান। এরপর থেকেই তিনি মানসিক ভাবে হতাশাগ্রস্থ ছিলেন। আজ সকালে তিনি কোলাবাড়িয়া নামক স্থানে একটি চা-স্টলে পানি পান করছিলেন। এসময় ট্রেন আসা মাত্রই হাতে থাকা পানির গ্লাস নিয়েই চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এতে ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। হতাশার কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে অনেকে ধারণা করছেন। এদিকে এই ট্রেনটি উদ্বোধনের আজ প্রথম দিনে বাণিজ্যিক ভাবে চিলাহাটি থেকে সান্তাহার স্টেশন হয়ে ঢাকায় চলাচল শুরু করেছে। 
                                                                   শিক্ষকের পরিবারের দাবি, তিনি ছিলেন একজন শান্ত স্বভাবের মানুষ।  কিন্তু মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার এ অপমান সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন। এ-র দায়ভার মাদরাসা কমিটি, সুপারিন্টেন্ডেন্ট সহ এ-র সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টরা কেউ এড়াতে পারেন না। তারা এ-র সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগ করে বিচার দাবি করেছেন। 
                                                                    সান্তাহার রেলওয়ে থানার ওসি মোক্তার হোসেন বলেন, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ  উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো  হয়েছে। তার মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে  হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর

এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

বৃহস্পতিবার ০৮ জুন ২০২৩




মুখ খুললেন বুবলী, অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | ১৪৮জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিবেদক: ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান। প্রেম, বিয়ে, বিচ্ছেদ ও ঢালিউডে নিজের অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। অপু বিশ্বাস থেকে শুরু করে পূজা চেরি- নানা ইস্যুতে সরগরম ছিল মিডিয়া পাড়া। সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে দেশে টক অব দ্য কান্ট্রিতে রূপ নিয়েছে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীর ইস্যু।

সম্প্রতি গণমাধ্যমের সামনে এসে শাকিব খান স্পষ্ট বলেছেন, ‘বুবলীর সঙ্গে আমি আর কোনো ছবিতে কাজ করব না, এটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। বুবলীকে আমার সঙ্গে আর অনস্ক্রিন-অফস্ক্রিন কোথাও দেখা যাবে না।’

তবে গতকাল রোববার সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চিত্রনায়িকা বুবলীর বিরুদ্ধে আরও কিছু প্রশ্ন তুলেছেন শাকিব খান। এবার শাকিবের সেই প্রশ্নের জবাব দিলেন চিত্রনায়িকা বুবলী। তার কিছু প্রশ্নের মধ্যে একটা ছিল অবৈধ সর্ম্পক নিয়ে।

সেই প্রশ্নের জবাবে বুবলী বলে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এটা খুবই হাস্যকর আর কমন একটা কথা। কারণ কোনো পুরুষ কোনো মেয়েকে অপমান করতে চাইলে বা হেয় করতে চাইলে সবার আগে মেয়েটিকে তার চরিত্র নিয়ে আঘাত করে। কারণ, এটার কোনো প্রমাণ দরকার হয় না জাস্ট বলে দিলেই হয় যেটা খুব বাজে মানসিকতার পরিচয়। আর আপনাদের শাকিব খান তাই করেছেন।

তার ভাষ্য মতে, ‘শেহজাদকে জন্ম দেওয়ার পর আমেরিকা থেকে দেশে এসে সে নানা স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে পড়েছি। নানা জনের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলেছি।

আমি অনেক বছর ধরে ফিল্মে কাজ করি, তার আগে নিউজ প্রেজেন্টার ছিলাম। কেউ কখনো আমাকে নিয়ে বাজে রিউমার পায়নি। কোথাও কোনো আড্ডাতেও আমাকে দেখেনি। কারণ আমি ওভাবেই আমার জীবন ধারণ করি। তাছাড়া সবাই এটা খুব ভালোভাবেই জানে কাকে কে কাঁদা ছুড়ে মারছে।


আরও খবর