Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
মা মারা যাওয়ায় এক বছর যেতে না যেতেই মেয়ে পানিতে ডুবে মারা গেলো

মা মরেছে আগুনেপুড়ে মেয়ে মরল পানিতে ডুবে

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১২৪জন দেখেছেন
Image


নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

এক বছর আগে আগুন পোহাতে গিয়ে পুড়ে মারা গিয়েছিলেন মা।ওই নারীর দেড় বছর বয়সী শিশুটির মৃত্যু হয়েছে পানিতে ডুবে ।


বৃহস্পতিবার (১৯ মে) সকালে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দী ইউনিয়নের বাদেপারশী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।


শিশুটির নাম মারিয়া আক্তার। সে গোপালপুর উপজেলার দিঘলআটা গ্রামের মিল্টন মিয়ার মেয়ে। তার মায়ের নাম আছিয়া বেগম।


ঘাটাইল থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মারিয়া জন্মের পর বাবার বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে শীতে আগুন পোহানোর সময় আগুনে পুড়ে মারা যান আছিয়া বেগম। এরপর থেকে নানা-নানির কাছে বড় হচ্ছিল শিশু মারিয়া আক্তার।


বুধবার (১৮ মে) সকালে শিশুটি বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিল। এক পর্যায়ে বাড়ির লোকজন তাকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। খুঁজে না পেয়ে শিশুটির নানা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের ডোবায় শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখেন প্রতিবেশীরা। পরে তারা ডোবা থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন।


শিশু মারিয়া আক্তারের নানা লেবু মিয়া বলেন, ‘মারিয়ার বয়স যখন পাঁচ মাস তখন তার মা আমার বাড়িতে অবস্থানকালেই আগুন পোহাতে গিয়ে পুড়ে মারা যায়। মা মারা যাওয়ায় এক বছর যেতে না যেতেই মেয়েটা পানিতে ডুবে মারা গেলো। এই কষ্ট আমি কোথায় রাখবো?’


এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল হক বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তবে এ ঘটনায় পরিবার থেকে থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি।


আরও খবর



স্টার সিনেপ্লেক্সে জুরাসিক ওয়ার্ল্ড’র নতুন ছবি, চলছে বিশেষ অফার

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৮০জন দেখেছেন
Image

জুরাসিক পার্ক নামটা শুনলেই একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয় সিনেমাপ্রেমীদের। ১৯৯৩ সালের ১১ জুন মুক্তি পেয়েছিল স্টিভেন স্পিলবার্গের ছবি ‘জুরাসিক পার্ক’। একে একে মুক্তি পেয়েছে জুরাসিক সিরিজের আরও ৫টি সিনেমা। আর এবার আসতে চলেছে সিরিজের ৬ষ্ঠ ছবি, ‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড: ডমিনিয়ন’।

কলিন ট্রেভরো পরিচালিত এ ছবিটি আগামী ১০ জুন মুক্তি পেতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের দর্শকরাও আন্তর্জাতিক মুক্তির দিন থেকেই (সেন্সর সাপেক্ষে) ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সে জুরাসিক ওয়ার্ল্ড সিরিজের এই নতুন ছবিটি দেখার সুযোগ পাবেন।

৫ জুন থেকে অনলাইন এবং কাউন্টারে ছবির অগ্রিম টিকিট পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।

পাশাপাশি আরেকটি বিশেষ অফার থাকছে দর্শকদের জন্য। আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত যারা স্টার সিনেপ্লেক্সে যে কোনো ছবির টিকিট কিনবেন তাদের টিকিটের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী একজন কক্সবাজারের হোটেল সায়মনে দুই রাত থাকা এবং বিমানে আসা-যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

‘জুরাসিক ওয়ার্ল্ড: ডমিনিয়ন’-এ রয়েছে গায়ে কাঁটা দেওয়ার মত সব দৃশ্য। ভয় ধরায় আকাশে ডাইনোসরের আক্রমণ বা বাইকের পিছনে ডাইনোসরের তাড়া করার দৃশ্য। জলের নিচে লুকিয়ে থাকা আর ঠিক তার ওপরেই ডাইনোসরের চিৎকার শিরদাঁড়া দিয়ে ঠান্ডা স্রোত বইয়ে দেয়। মহাকাব্যিক এই উপসংহারের ট্রেলার মুক্তির পর রীতিমত ঘুম হারাম সিনেপ্রেমীদের।

প্রায় ৩ মিনিটের ট্রেলারের শুরুতেই দেখা যায় শীতকালীন তন্দ্রায় ঘুরে বেড়াচ্ছে অতিকায় ডায়নোসররা। জলে-জঙ্গলে-আকাশেও তারা ছড়িয়েছে তাদের ত্রাস। তবে তার সাথে মানুষের সহাবস্থানের সংকট নিয়েই যে গোটা গল্পটা ঘুরছে তার আভাস আগাগোড়া স্পষ্ট।

আরও একটি দিক হল এর স্টারকাস্ট। ছবিতে অভিনয় করেছেন ক্রিস প্র্যাট, ব্রিস ডালাস হাওয়ার্ড, স্যাম নিল, লরা ডার্ন এবং জেফ গোল্ডব্লাম প্রমুখ।

পুরনো জুরাসিক পার্কের অনেক চরিত্রই নস্টালজিয়া সঙ্গে নিয়ে ফিরেছে এই শেষ অধ্যায়ে। এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক কলিন ট্রেভোরো বলেছেন, প্রজন্মগত দৃষ্টিকোণ থেকে এই সিনেমাটি গুরুত্বপূর্ণ। ধারণা করা হচ্ছে, আগের ছবিগুলোর মতো এ ছবিও বক্স অফিস মাতাবে।


আরও খবর



ঘরের পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখবেন যেভাবে

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৮৭জন দেখেছেন
Image

একজন নাগরিক হিসেবে ঘর ও বাইরের পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখার দায়িত্ব সবার। পরিবেশ দূষণ বেড়ে যাওয়ার ক্ষতিকর প্রভাব এখন পড়ছে ছোট-বড় সবার শরীরেই।

চাইলে সচেতনতার মাধ্যমে পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে পারেন সবাই। এই অনুশীলন প্রথম ঘর থেকেই শুরু করা জরুরি। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ঘরের পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখবেন কীভাবে-

>> প্রথমেই বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার কমিয়ে দিতে হবে। এটি শক্তি সংরক্ষণের সর্বোত্তম উপায়। আপনি এমন যন্ত্রপাতি কিনতে পারেন যা শুধু পরিবেশবান্ধব নয় বরং শক্তি সাশ্রয়ীও।

বিদ্যুৎ সংরক্ষণের সর্বোত্তম উপায় হলো প্রয়োজন ব্যতীত সব ধরনের আলো ও যন্ত্রপাতি বন্ধ করে দেওয়া। গরম পানির বদলে ঠান্ডা পানি এমনকি ওয়াশিং মেশিনের বদলে হাত দিয়ে কাপড় ধোয়ার অভ্যাস গড়তে পারেন। এভাবে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার কমাতে হবে ধীরে ধীরে।

>> ঠিক একইভাবে বাইরের পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে গাড়ি কম চালান। জানেন কি, বিশ্বে এমনো দেশ আছে যেখানে সবাই গাড়ির বদলে সাইকেল ব্যবহার করেন শুধু পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে।

আর গাড়ি চালালেও এর লিক এয়ার কন্ডিশন মেরামত করুন নিয়মিত। গাড়িতে গ্যাস ভরার সময়ও আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে যাতে তা ছিটকে না যায়। আপনি মোটর তেলও ব্যবহার করতে পারেন।

>> অনেকেই বাড়িতে রান্নার জন্য মাটির চুলা ব্যবহার করেন। তবে এ ধরনের চুলা বাতাসে অতিরিক্ত ধোঁয়া তৈরি করে, যা পুরো পরিবারের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এর পরিবর্তে আপনি শক্তি সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে খাবার রান্না করতে পারেন। এতে খরচও কমবে আবার দ্রুত রাঁধতেও পারবেন।

>> বাড়ির পরিবেশ ভালো রাখতে সবুজ গাছপালা, জীব ও প্রাণীদের সঙ্গে ভালো মিথস্ক্রিয়ার জন্য একটি ইকো সিস্টেমের প্রয়োজন। তবে অত্যধিক বায়ু দূষণ ও গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে সমগ্র ইকো সিস্টেম আজ নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত। চাইলে আপনার দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সামান্য পরিবর্তন মাধ্যমে এই ইকোসিস্টেম বজায় রাখতে পারেন।

>> পরিবেশকে সরাসরি দূষিত করে এমন সর্বাধিক ব্যবহৃত গৃহস্থালি রাসায়নিক ও কীটনাশক ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। তার পরিবর্তে আপনি পাতিত ভিনেগার, লেবু ও বেকিং সোডা ব্যবহার করে বাসনপত্রসহ বিভিন্ন জিনিস পরিষ্কার করতে পারেন। বাজারে অনেক প্রাকৃতিক ক্লিনিং পণ্য পাওয়া যায় যা পরিবেশবান্ধব ক্লিনার।

>> বর্জ্য পণ্য পুনর্ব্যবহার করুন। কাচ, প্লাস্টিক, অ্যালুমিনিয়াম ও কাগজের মতো অনেক বর্জ্য পণ্য ডাস্টবিনে ফেলার পরিবর্তে পুনর্ব্যবহৃত করতে পারেন। নিষ্পত্তিযোগ্য প্লাস্টিক বা ব্যাগ ব্যবহার করার পরিবর্তে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য জিনিস ব্যবহার করুন।

>> অতিরিক্ত বায়ু দূষণের কারণে কার্বন ফুটপ্রিন্ট কমানোর অনেক উপায় আছে। যেমন ওয়াটার হিটার, ডিশওয়াশার, এয়ার কন্ডিশনার ইত্যাদি ব্যবহার কমাতে পারেন। এতে ঘরের পরিবেশ ভালো থাকবে।

>> স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন শাক-সবজি ও ফলমূল চাষ করুন। এসব খাবার শরীরের জন্য ভালো আবার বাড়ি ও পরিবেশের দূষণও রোধ হবে।

>> বাড়ির দূষণ কমাতে বিষাক্ত ও নোংরা পদার্থের ব্যবহার কমাতে হবে। স্বাস্থ্যকর পরিবেশ পেতে ঘর থেকেই অনুশীলন শুরু করুন। এজন্য ঘরের সব বর্জ্য পদার্থ সঠিক উপায়ে নিষ্পত্তি করুন।

>> বাড়ির আশপাশে কোথাও আবর্জনা বা বর্জ্য পদার্থ ফেলবেন না। আপনাকে অবশ্যই বায়োডিগ্রেডেবল ও নন-বায়োডিগ্রেডেবল বর্জ্যগুলোকে সঠিক উপায়ে নিষ্পত্তি করতে হবে।

সূত্র: গ্রিন ডায়েরি


আরও খবর



বিরোধী দল দমনে আরও হিংস্র রূপে সরকার: ফখরুল

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

আওয়ামী দুঃশাসন টিকিয়ে রাখতে বিরোধী দল ও মতকে দমনে সরকার এখন আরও হিংস্র রূপ ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন তিনি।

বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, গতকাল (সোমবার) পুলিশের গুলিতে পঙ্গুত্ব বরণকারী চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফ চট্টগ্রাম আদালতে হাজিরা দিতে যান। এসময় তাকে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। কিন্তু এখনো পর্যন্ত সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নিয়েও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

ফখরুল বলেন, সাইফকে এভাবে আটক ও গুম করে রাখা নির্মম মনুষ্যত্বহীনতা ও ভয়ানক অশুভ সংকেত। এর আগেও তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পুলিশ উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে পায়ে অস্ত্র ঠেকিয়ে দুই রাউন্ড গুলি করে। এতে সাইফ চিরতরে পঙ্গু হয়ে যায়। আবারও তাকে একই কায়দায় আটক ও তার কোনো সন্ধান না পাওয়া গভীর উদ্বেগজনক।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার সব ক্ষেত্রে নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে ও আওয়ামী দুঃশাসন টিকিয়ে রাখতেই বিরোধী দল ও মতকে দমনে সরকার এখন আরও হিংস্র রূপ ধারণ করেছে। এটি সবার কাছে দৃশ্যমান যে, সাইফকে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। সাইফ পুলিশের কাছেই আছে। তাকে এভাবে নিখোঁজ করে রাখায় দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মী ও তার পরিবার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমি অবিলম্বে সাইফকে জনসমক্ষে হাজির করার জোর দাবি জানাচ্ছি।


আরও খবর



ঢাবি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সংস্কৃতি সম্পাদক হলেন ফেরদৌস

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
Image

পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়ক ফেরদৌস। এ মুহুর্তে একটি সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত সিনেমাটিতে তার নায়িকা নিপুণ। তিনি জানান, আগামী ১১ জুন পর্যন্ত এই সিনেমার শুটিং-এ তাকে ব্যস্ত থাকতে হবে।

কিন্তু এরইমধ্যে আজ ৭ জুন তার জন্মদিন। বছরজুড়ে ফেরদৌস যাই করেন না কেন নিজের জন্মদিনের দিনটিকে তিনি নিজে থেকেই কর্ম বিরতিতে থাকেন। এই দিনটি শুধুই পরিবারের সদস্যদের জন্য বরাদ্দকৃত। তাই শূটিং থেকে গতকাল (৬ জুন) রাতেই ফেরদৌস বাসায় ফিরেছেন। দুই মেয়ে’র পরিকল্পনায় সারপ্রাইজ বার্থ ডে’ শুরুও হয়ে গেছে।

এরইমধ্যে ফেরদৌস জানালেন নতুন খবর। গেল ৪ জুন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই এসোসিয়েশন আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তাকে এই অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সংস্কৃতি সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। নিজের জন্মদিনে সেই খবর জানিয়ে বেশ আনন্দিত ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র নায়ক। তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া যে তিনি আমাকে, আমার পরিবারের সবাইকে সুস্থ রেখেছেন, ভালো রেখেছেন।

আমার দুই মেয়ে আমার জন্মদিনকে ঘিরে নানান ধরনের পরিকল্পনা করে। আর এবার আমার ছোট ভাই তৌসিফের মেয়েও সঙ্গে আছে। যে কারণে আনন্দ এবং পরিকল্পনা একটু বেশি। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের খবরটি আমাকে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক ছাত্র। সেই হিসেবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালমনাই এসোসিয়েশনের কালচারাল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় আমি গর্বিত।

শিগগিরই একটি আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে আমার কাছে দায়িত্ব অর্পণ করা হবে। আমি চেষ্টা করব আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার।’

ফেরদৌস জানান, শিগগিরই তিনি নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত ‘গাঙচিল’ সিনেমার গানের শুটিং-এ অংশ নেবেন। তবে তিনি জানান এই সিনেমার ডাবিং-এর কাজ শেষ করেছেন তিনি।

এছাড়াও তার হাতে এই মুহুর্তে সরকারি অনুদানের সাতটি সিনেমা রয়েছে। সিনেমাগুলো হচ্ছে ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’,‘ ক্ষমা নেই’, ‘দামপাড়া’,‘ ১৯৭১ সেইসব দিন’, ‘রাসেলের জন্য অপেক্ষা’, ‘মাইক’, ‘বিউটি সার্কাস’।


আরও খবর



পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্র: কমিশন গঠন প্রশ্নে রুল শুনানি সোমবার

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন প্রশ্নে জারি করা রুল শুনানির জন্য হাইকোর্টে উপস্থাপন করা হয়েছিল আজ। পরে এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামীকাল সোমবার (২৭ জুন) দিন ঠিক করেছেন আদালত।

রোববার (২৬ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পদ্মা সেতু নিয়ে জারি করা রুলের বিষয়টি আদালতে উপস্থাপন করার পর তা শুনানির জন্যে আগামীকাল (সোমবার) নির্ধারণ করেন হাইকোর্ট। আশা করি নির্ধারিত ও ধার্য দিনে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

একটি জাতীয় পত্রিকায় ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ইউনূসের বিচার দাবি: আওয়ামী লীগ ও সমমনা দলগুলো একাট্টা’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরদিন (১৫ ফেব্রুয়ারি) ওই প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন পত্রিকার সংবাদের কথা উল্লেখ করে এ রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

ওই সময় পদ্মা সেতুর দুর্নীতি নিয়ে মিথ্যা গল্প সৃষ্টিকারী কে- তা জানতে চেয়ে এবং প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করার জন্য ‘ইনকোয়ারি অ্যাক্ট ১৯৬৫ (৩ ধারা)’ অনুসারে কমিশন গঠন এবং দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে স্বঃপ্রণোদিত রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে তাদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছিল রুলে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন ও যোগাযোগ সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, যোগাযোগ সচিব ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

পাশাপাশি এ কমিটি বা কমিশন গঠনের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সে ব্যাপারে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরে ওই বছরের ২০ মার্চ রুলের জবাব ও প্রতিবেদন দিতে আট সপ্তাহের সময় চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এ আবেদনের প্রেক্ষিতে একই বছরের ৭ মে পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে দেন হাইকোর্ট। পরে কয়েক দফা সময়ের আবেদন জানায় রাষ্ট্রপক্ষ।

এর মধ্যে কমিশন গঠনের জন্য ২০১৭ সালের ৯ নভেম্বর একজন সদস্যের নাম মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে হাইকোর্টকে জানায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক (কারিগরি) মো. কামরুজ্জামানের নাম প্রস্তাব করা হয়। এরপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ পুনর্গঠন হওয়ায় রুলটি আর শুনানিতে ওঠেনি।

জাতীয় দৈনিকের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পদ্মা সেতু নির্মাণে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত থেকে বিশ্বব্যাংকের সরে যাওয়ার ঘটনা গোটা বিশ্বে তোলপাড় সৃষ্টি করে। আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলোতে ওই ঘটনা ফলাও করে প্রচার করায় বাংলাদেশ এবং বর্তমান সরকারের ভাবমর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। সাড়ে তিন বছর আগের ওই ঘটনার পর বিশ্বব্যাংকের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি কিছু ব্যক্তির দৌড়ঝাঁপ, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের ক্রিয়াকর্ম ও মিডিয়ার অতি উৎসাহ পদ্মা সেতু ইস্যুতে সরকারতে বিপাকে ফেলে দেয়। যা ছিল সরকারের জন্য চরম অবমাননাকর।’

‘কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তায় নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন থেকে সরে যাওয়ার কারণ পর্দার আড়ালে নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস কলকাঠি নাড়ছেন বলে মনে করে সরকার।’

‘কানাডার আদালত পদ্মা সেতু দুর্নীতির মামলা খারিজ করে দেওয়ার পর সরব হয়ে উঠেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তাদের সমমনা দলগুলো। তারা এখন মনে করছেন ওই সময় পদ্মা সেতু ইস্যুতে দুর্নীতির মিথ্যা অভিযোগ তুলে বাংলাদেশের সরকারের ভাবমর্যাদা নষ্ট করায় ড. ইউনূসকে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।’

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘জাসদের নেতা মঈন উদ্দিন খান বাদল ঘোষণা দিয়েছেন সিদ্ধান্ত হলে তিনি এবং মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন যৌথভাবে ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার বাদী হবেন। বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্ব ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. ইউনূসের বিচারের মুখোমুখি করার দাবিতে সংসদে থাকা দলগুলো কার্যত একাট্টা হয়েছে।’

‘কানাডার একটি আদালত পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতি ষড়যন্ত্র মামলা খারিজ করে দিয়ে অভিযুক্তদের বেকসুর খালাস দেওয়ার পর আলোচিত এ ইস্যুতে সামনে নিয়ে এসেছে আওয়ামী লীগ। দলটি জাতীয় সংসদে ও সংসদের বাইরে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ড. ইউনূস ও জার্মানির অর্থে পরিচালিত দুর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক সংস্থা টিআইবির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।’

‘তাদের দাবি, দেশের যারা পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্র করেছে এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষ নিয়ে কথা বলেছেন তাদের সবাইকে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণে বিলম্ব হওয়ায় যে অধিক অর্থ ব্যয় হচ্ছে সে ক্ষতিপূরণ বিশ্বব্যাংককে দিতে হবে। প্রয়োজনে বিশ্বব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করারও দাবি জানানো হচ্ছে।’

‘আওয়ামী লীগ ও তাদের সহযোগী দল জাতীয় পার্টি, জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির নেতারা ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের দাবি করে বলেছেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির গালগপ্পের অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বাতিলের সিদ্ধান্তে ইন্ধন যুগিয়েছেন গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ জন্য ড. ইউনূসকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। শুধু তাই নয় এ ইস্যুতে সব ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারের আওতায় আনারও দাবি জানানো হয়’, বলা হয় জাতীয় দৈনিকের ওই প্রতিবেদনে।


আরও খবর