Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে বোরো আবাদে এবার ধানের বাম্পার ফলন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৩৭২জন দেখেছেন

Image

আবু মোতালেব হোসেন (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীতে সোনালী ধানে ছেয়ে গেছে চারিদিক। মাঠের পর মাঠ শুধুই ধান আর ধান। জেলার ছয় উপজেলায় এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে বোরো আবাদ। সেই সঙ্গে ফলন হয়েছে বাম্পার। ফলন ভালো হওয়ায় খুশি স্থানীয় কৃষক। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুত্রে জানায়, জেলায় চলতি বোরো মৌসুমে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৮১ হাজার ৭০০ হেক্টর। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছে ৮১ হাজার ৭১০ হেক্টর। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৭৮০

মেট্রিক টন। তবে বেশি জমি আবাদ হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। অর্জিত জমির মধ্যে সদরে ২৩ হাজার ৭০২ হেক্টর, সৈয়দপুরে সাত হাজার ৭০০ হেক্টর, ডোমারে ১৩ হাজার ২১৫ হেক্টর, ডিমলায় ১১ হাজার ২৬০ হেক্টর, জলঢাকায় ১৪ হাজার ৬৬৮ হেক্টর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ১১ হাজার ১৬৫ হেক্টর বোরোর আবাদ হয়েছে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় জানায়, এবার বোরো মৌসুমে সরকার কতৃক প্রতি কেজি ধানের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা । সে হিসাবে প্রতি মণ ধানের মূল্য হয় এক হাজার ২০০ টাকা। এদিকে, সদরের রামনগর ইউনিয়নের বাহালীপাড়া গ্রামের বোরো চাষি আশরাফ আলী জানান, চলতি মৌসুমে ৬৫ শতক (দুই বিঘা পাঁচ শতাংশ) জমিতে ব্রি ধান-২৮ ও ৫৮ জাতের ধান চাষ করেছেন। বীজতলা, জমি চাষ, রোপণ, স্যার, কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিক বাবদ খরচ হয়েছে ২৮ হাজার ৩১২ টাকা।

জমির ধান কেটে ঘরে তুলেছেন ৪১ মণ। প্রতিমন এক হাজার ২০০ টাকা হিসাবে মূল্য দাঁড়ায় ৪৯ হাজার ২০০ টাকা। এতে খরচ বাদে লাভ হয়েছে ২১ হাজার টাকা। একই গ্রামের কৃষক আইয়ব আলী বলেন, ‘এবার সাড়ে তিন বিঘা জমিতে বোরো চাষ করেছি। ধানের ফলন ভাল হয়েছে। তবে প্রচুর বৃষ্টিপাত হলে আরও বেশি ফলন হতো। লাভের পরিমাণটা আরও বাড়তো। সরকার বাজার দর এ রকম দিলে আগামীতে আরও বেশি জমিতে বোরো আবাদ করবো।’ সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের দিঘলটারী গ্রামের কৃষক আবুল কালাম জানান, ‘এবার বোরোর তাক লাগানো ফলন হয়েছে। তিন বিঘায় আমার খরচ হয়েছে ৩৬ হাজার টাকা। আর ধান পেয়েছি ৫৪ মন। প্রতিমন এক হাজার ৩০০ টাকা করে বিক্রি করে টাকা পেয়েছি ৭০ হাজার ২০০ টাকা। এতে আমার লাভ হয়েছে ৩৪ হাজার ২০০ টাকা। তিনি বলেন, বাজার দর এরকম থাকলে আগামীতে বোরোর আবাদ বাড়াবো। শুধু আশরাফ আলী, আইয়ব আলী, আবু কালাম নন বোরোর বাম্পার ফলন পেয়ে খুশি জেলার কৃষকরা।’

জেলার জলঢাকা উপজেলার শিমুলবাড়ী ইউনিয়নের বালারপুকুর গ্রামের কৃষক রশিদুল ইসলাম বলেন, ‘এবার সেচের সুবিধা পেয়ে চার বিঘা জমিতে বোরোর আবাদ করেছি। ফলনও হয়েছে বাম্পার। তবে ইরি আবাদে কিছু ধারদেনা করেছি। তাই কাঁচা ধান বিক্রি করে (সরকারী রেট) খুব একটা লাভ করতে পারিনি। অর্ধেকেরও বেশী জমির ধান কেটে ঘরে তুলেছি। বাকি ধান তিন চারদিনের মধ্যে কেটে ঘরে তুলা যাবে। সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আতিক আহমেদ জানান, ‘এবার সদরে ২৩ হাজার ৭০২ হেক্টর জমিতে বোরোর চাষ হয়েছে। বাম্পার ফলনে কৃষক বেজায় খুশি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অর্জন বেড়ে যাওয়ায় আবাদ বেশী হয়েছে। আশা করি, আবহাওয়া ও বাজার দর অনুকুলে থাকলে কৃষকরা এবার লাভবান হবে।’ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. এসএম আবু বকর সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর জমি বেশী আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ফলনও হয়েছে বাম্পার। এখন পর্যন্ত শতকরা ২০ ভাগ জমির ধান কাটা হয়েছে। আশা করছি, বাজারে ভাল দাম পেলে বিক্রি করে লাভবান হবেন তারা।


আরও খবর



আম্বানি পুত্রের বিয়েতে গাইবেন শাকিরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৮৪জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানীর ছোট ছেলের বিয়ের তারিখ জুলাই মাসে। তবে প্রাক‌্‌-বিবাহ অনুষ্ঠান শুরু হয় মার্চ মাস থেকেই। এ বার দ্বিতীয় প্রাক্‌-বিবাহ অনুষ্ঠানের পালা। একটি মাত্র প্রাক্-বিবাহ অনুষ্ঠানেই যে আয়োজন শেষ হবে না, সেটাই তো স্বাভাবিক। অনন্ত আম্বানী ও তার হবু বউ রাধিকা মার্চেন্টের প্রাক্-বিবাহ অনুষ্ঠান এ বার ভারতে নয়, হবে অন্য দেশে। ইতালিকেই বেছে নিয়েছেন আম্বানীরা।

আম্বানিবাড়ির ছোট ছেলের প্রথম প্রাক্‌-বিয়ের আয়োজনে খরচ হয়েছে হাজার কোটি টাকার বেশি। ভারতের গণমাধ্যম বলছে, সেটিই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিয়ে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভারতের গুজরাটের জামনগরে হাজির হয়েছিলেন ধনকুবের আর তারকারা। বাদ যাননি এম এস ধোনি, ডোয়াইন ব্রাভো, শচীন টেন্ডুলকার বা রহিত শর্মার মতো ক্রিকেটাররাও। ছিলেন মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, মার্কিন ব্যবসায়ী ইভাঙ্কা ট্রাম্প, ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গ, গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইও।

রিহানার মতো পপ তারকা এসেছিলেন অনন্ত-রাধিকার প্রথম প্রাক্‌-বিবাহ অনুষ্ঠানে। তিনি মঞ্চ কাপাতে নিয়েছিলেন ৭৪ কোটি রুপি। আম্বারি পুত্রের দ্বিতীয় প্রাক বিয়ের অনুষ্ঠানেও থাকছে নানা চমক। তাদের দ্বিতীয় প্রাক্‌-বিবাহ অনুষ্ঠানের পার্টিতে মঞ্চ কাঁপাতে পারেন কলম্বিয়ার পপ গায়িকা শাকিরা। ডেসটিনেশন প্রি-ওয়েডিংয়ে এবার আগের থেকেও বেশি অর্থ ব্যায় করবে আম্বানিরা তা বলাই বাহুল্য।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ২৯ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত চলা এই অনুষ্ঠানে শাকিরা ছাড়াও মঞ্চ মাতাতে পারেন ডুয়া লিপা ও এআর রহমান। এখন অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠছে কয়েক ঘণ্টার জন্য গাইতে কত টাকা পারিশ্রমিক নিচ্ছেন শাকিরা? খবর অনুযায়ী, শাকিরা অনুষ্ঠানের জন্য পারিশ্রমিক হিসেবে নিচ্ছেন ১০ থেকে ১৫ কোটি রুপি।

জানা গেছে, অতিথিদের সঙ্গে বিলাসবহুল ক্রুজ শিপে চড়ে দ্বিতীয় প্রাক্‌–বিবাহ অনুষ্ঠান উপভোগ করবেন অনন্ত-রাধিকা। ইতালি থেকে ফ্রান্সের দক্ষিণ প্রান্ত; সমুদ্রপথে প্রায় সাড়ে চার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দেবে বিলাসবহুল ক্রুজটি। এ অনুষ্ঠানের অতিথি তালিকায় ৮০০ জনের বেশি মানুষের নাম রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ক্রুজে থাকবেন প্রায় ৬০০ জন কর্মী।

এই অনুষ্ঠানে সপরিবার শাহরুখ খানকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে। আমন্ত্রিতদের তালিকায় থাকবেন সালমান খানও। এ ছাড়া রণবীর-আলিয়া, রণবীর-দীপিকা, নিক-প্রিয়াঙ্কা, সিদ্ধার্থ-কিয়ারা জুটি হাজির থাকবেন এই অনুষ্ঠানে।

তবে নিক জোনাস ছাড়া আর কোনো বিদেশি তারকা হাজির থাকবেন, তা এখনো জানা যায়নি। ইতিমধ্যেই লন্ডনে এই ক্রুজের আয়োজন শুরু করে ফেলেছে আম্বানি পরিবার। জুলাই মাসের প্রথম দিকেই অনন্ত-রাধিকার চার হাত এক হওয়ার কথা। বিদেশে প্রি-ওয়েডিং সেরে মুম্বাইতে বিয়ের আসর বসবে।

এদিকে, রোববার মধ্যরাত থেকেই মুম্বাই বিমানবন্দরে একের পর বলিতারকাদের আগমন ঘটে। প্রথমেই দেখা যায় আলিয়া ভাট ও মেয়ে রাহা কাপূরকে কোলে নিয়ে বিমানবন্দরে ঢোকেন রণবীর কাপুর। তারপর স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ছবিশিকারিদের ক্যামেরাবন্দি হন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। এরপর মুম্বাই বিমানবন্দরে হালকা নীল রংয়ের শার্ট ও জিন্স পরে দেখা যায় সালমান খানকে। তাদের গন্তব্য অনন্ত আম্বানি-রাধিকা মার্চেন্টের দ্বিতীয় প্রাক বিবাহ অনুষ্ঠানে।

অন্যদিকে, বলিউড অন্দরের খবর অনুযায়ী রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাট নাকি অনন্ত ও রাধিকার দ্বিতীয় প্রাক্-বিবাহ অনুষ্ঠানে মঞ্চ কাপাতে পারেন। এছাড়াও নিমন্ত্রিত থাকছেন বলিউডের তিন খানের পরিবার।

আগামী ১২ জুলাই সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন অনন্ত ও রাধিকা। গেল মার্চে প্রথম প্রাক্‌ বিবাহ অনুষ্ঠানে এলাহি কাণ্ড করেছিল আম্বানিরা। তবে অনন্ত-রাধিকার দ্বিতীয় প্রাক্‌-বিবাহ অনুষ্ঠান যে প্রথমবারের অনুষ্ঠানকে ছাপিয়ে যাবে তা বলাই বাহুল্য।


আরও খবর



আফতাবনগরে বসানো যাবে না গরুর হাট

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীর আফতাবনগরে গরুর হাট পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে বসানোর সিটি করপোরেশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে আসন্ন ঈদে আফতাবনগরে গরুর হাট বসানো যাবে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

সোমবার (৩ জুন) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক ও অ্যাডভোকেট এস এম শামীম হোসাইন। হাটের ইজারাদার নুরুল ইসলামের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি।

পরে আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক ও অ্যাডভোকেট এস এম শামীম হোসাইন বলেন, আফতাবনগর পরিকল্পিত আবাসিক নগরী। এ বিবেচনায় আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন।

এর আগে গত ৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে রাজধানীর আফতাবনগরে গরুর হাট বসানোর ইজারার বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।

আফতাবনগর আবাসিক এলাকায় হওয়ায় আদালত এ আদেশ দেন। পরে এ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন হাটের ইজারাদার নুরুল ইসলাম।

এর আগে আফতাবনগরে গরুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন জহুরুল ইসলাম সিটি সোসাইটির সভাপতি মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন ঢালী ও সাধারণ সম্পাদক এস এম কামাল।

গত ৪ এপ্রিল ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ঈদুল আজহা ২০২৪ উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর হাট বসানোর জন্য ইজারা বিজ্ঞপ্তি দেন। ওই বিজ্ঞপ্তি চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়।

রিটে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

স্থানীয় সরকার (সিটি করপেরেশন) ২০০৯ আইনের ধারা ৩ (২) ও ১ম তফসিল অনুযায়ী আফতাবনগর (ইস্টার্ন হাউজিং) বাড্ডা থানার ৩৭ নং ওয়ার্ড অধীন, যা ঢাকা নর্থ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) অন্তর্ভুক্ত।


আরও খবর



নিটার কম্পিউটার ক্লাবের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি,নিটার:সাভারের নয়ারহাটে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ  (নিটার) এ গত ৪মে, ২০২৪ ইং রোজ মঙ্গলবার দুপুর ১:৩০ ঘটিকায় নিটারের কনফারেন্স রুমে নিটার কম্পিউটার ক্লাব (এনসিসি) এর নতুন সদস্যদের জন্য ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।

আয়োজিত এই ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুনাইবুর রশীদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডিপার্টমেন্ট অব কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) এর লেকচারার মোহাম্মদ সাইদুজ্জামান, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর জনাব আনিসুর রহমান, লেকচারার শাকিলা শফিক, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর সাদিয়া সাজ্জাদ, লেকচারার জারিন তাসনিম তামান্না সহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ডিপার্টমেন্ট অফ্ কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান মেজবাহ্ ও তাহমিনা খুরশেদ রিমঝিম।

ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের শুরুতে নিটার কম্পিউটার ক্লাব সম্পর্কে একে একে বিস্তারিত আলোচনার করেন ক্লাবটির বর্তমান সদস্যরা। পরবর্তীতে নিটার কম্পিউটার ক্লাবের (এনসিসি) এর বিভিন্ন টিম ও সেগমেন্ট সম্পর্কে নবীনদের অবগত করা হয়। এরমধ্যে রয়েছে কম্পিটিটিভ প্রোগ্রামিং টিম, হ্যাকিং টিম, গেমিং টিম, রোবটিক্স, গ্রাফিক্স ডিজাইন ইত্যাদি। নবীনদের মধ্যে বিষয়গুলো নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা দেখা যায়। পরবর্তীতে  অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী পর্ব। পূর্বে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সেগমেন্ট যেমন: লোগো ডিজাইন, ডিগ দ্যা ডাটা ২.০, প্রোগ্রামিং এ অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কৃত করা হয়।

প্রোগ্রামের মাঝে অনুষ্ঠিত হয় "সারপ্রাইজ কুইজ" প্রতিযোগিতা। এক এক করে কুইজে অংশ নিয়ে পুরস্কৃত হয় শিক্ষার্থীরা এবং র‍্যাফেল ড্র এর মাধ্যমেও শিক্ষাথীরা পুরষ্কার লাভ করে। দারুন এক প্রতিযোগীতা মুখর পরিবেশের মাধ্য দিয়র অনুষ্ঠিত হয় ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামটি।

সবশেষে, প্রধান অতিথি প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুনাইবুর রশীদ সকল পুরষ্কার প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সাথে একই ফ্রেমে ক্যামেরা বন্দী করে দিনটি স্মরনীয় করে রাখেন এবং  ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে আগত সকল নবীনদের ক্লাবে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানোর মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয় ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামটি।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঘরমুখো মানুষের আসন্ন ঈদুল আজহায় যাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখা, সড়ক-নৌ-রেলপথে দুর্ঘটনা হ্রাস, রেলে শিডিউল বিপর্যয় রোধ, সহজ টিকিট প্রাপ্তিসহ সব ধরনের ভোগান্তি ও হয়রানি বন্ধে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (জুন ১২) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এসব সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এর আগে মঙ্গলবার (১১ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঈদুল আজহার প্রস্তুতিমূলক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, বিজিএমইএর প্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তর/সংস্থার প্রধান ও প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো হলো:

১. সড়কপথে ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহ নিজেদের মধ্যে আন্তঃসমন্বয়ের মাধ্যমে সব কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

২. পুলিশ মহাপরিদর্শক যানজটমুক্ত ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে হটস্পট চিহ্নিতকরণ, হটস্পটসমূহে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহের দায়িত্বশীল জনবলের উপস্থিতি ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় নিশ্চিত করবে।

৩. মহাসড়কের পাশে কিংবা যত্রতত্র কোরবানির পশুর হাট স্থাপনের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে আন্তঃদপ্তর সমন্বয়ে নিশ্চিত করতে হবে।

৪. এফবিসিসিআই ও বিজেএমইএ তাদের কর্মীদের একসঙ্গে ছুটি না দিয়ে করে ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

৫. ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন ও যানজটমুক্ত রাখতে হটস্পট চিহ্নিতকরণ, হটস্পটসমূহে অতিরিক্ত জনবল নিয়োগ, দুর্ঘটনায় পতিত কিংবা বিকল যানবাহন তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণে নিবিড় সমন্বয় ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

৬. ঈদে রেলযাত্রা, রেলের টিকিটপ্রাপ্তি এবং শিডিউল রক্ষার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে টিকিটপ্রাপ্তিতে যেকোনো ধরনের ভোগান্তি, হয়রানি, প্রতারণারোধে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৭. অনলাইন প্ল্যাটফর্মে টিকিট বিক্রয়ের বিষয়টি নিবিড়ভাবে মনিটরিংসহ সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে নজরদারি করতে হবে।

৮. শিডিউল বিপর্যয় রোধে বিকল্প ট্রেন, রিলিফ ট্রেনের ব্যবস্থা এবং বিকল্প অতিরিক্ত বগি রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

৯. ঈদে ঘরমুখী ও ফিরতি মানুষের নৌযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

১০. নৌযানসমূহে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন রোধ করতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নৌযানসমূহের ফিটনেস নিশ্চিত করতে হবে।

১১. লঞ্চ, ফেরি ও নৌঘাটসমূহের নিরাপত্তা, যাত্রীবান্ধব ঘাট ব্যবস্থাপনা এবং টিকিটপ্রাপ্তির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

১২. ঈদে বিমানযাত্রায় সরকারি-বেসরকারি বিমান পরিচালনাকারী সংস্থাসমূহ বিশেষ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তাদের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলাচল বৃদ্ধি করে যাত্রীসেবা সুনিশ্চিত করতে হবে।

১৩. ঢাকা থেকে সৈয়দপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম এবং সিলেটে বিমানের ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বড় বিমানের ব্যবস্থা করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

১৪. বিমানভাড়া যৌক্তিক পর্যায়ে রাখার জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এছাড়াও এ সভায় আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর সহজলভ্যতা, পরিবহন, হাট ব্যবস্থাপনা, অনলাইন মার্কেট মনিটরিং, ঈদযাত্রা, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, চামড়া সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, ঈদ ফিরতি যাত্রাসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি, কার্যক্রম ও আন্তঃদপ্তর নিবিড় সমন্বয়, ঈদপূর্ব সময়ে নিত্যপণ্যের সরবরাহ, মজুত ও মূল্য নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়।


আরও খবর



জয়পুরহাটের পাঁচবিবি সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃপবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে জয়পুরহাটের পাঁচবিবির হাটখোলা সীমান্তে মিষ্টি উপহার দিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছে বর্ডার গাড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)।সোমবার  দুপুরে সীমান্তের ২৮১ মেইন পিলারের সাব ৫ পিলারের শূন্য রেখায় বিজিবি’র হাটখোলা ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার অসীম মারাকা  বিএসএফের ভারতীয় গয়েশপুর ক্যাম্প কমান্ডার এস আই ভীম  সিংকে মিষ্টি উপহার দিয়ে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।  পরে  একই জায়গায়  ভারতের চকগোপাল ক্যাম্প কমান্ডার এস আই ডি নিতাই নান্দাকে মিষ্টি উপহার দেওয়া হয়। এসময় বিজিবি-বিএসএফ উভয় বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

হাটখোলা বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার অসীম মারাকা  বলেন, সীমান্তে দুই বাহিনীর মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখতে দুই দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় উৎসবে আমরা পরস্পর মিষ্টি ও ফুল উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে থাকি। এতে করে সীমান্তে দ্বায়িত্ব পালনে উভয় বাহিনীর মাঝে সুসম্পর্ক বজায় থাকে।  

এসময় গয়েশপুর ক্যাম্প কমান্ডার এস আই ভীম  সিংক ও চকগোপাল ক্যাম্প কমান্ডার এস আই ডি নিতাই নান্দা ভারতীয় বিএসএফের পক্ষ থেকে সকল বাংলাদেশিকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।

আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪