Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

কুমিল্লায় মানবজমিন পত্রিকার প্রতিনিধিসহ সারাদেশের সাংবাদিকদের ওপর হামলা-মামলা ও নির্যাতনের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৩৪জন দেখেছেন
Image

বজলুর রহমানঃ

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী সাংবাদিক ক্লাবের আয়োজনে মানববন্ধন ও সভা অনুষ্ঠিত হয়। এনটিভির সিনিয়র নিউজ রুম এডিটর ও যাত্রাবাড়ী সাংবাদিক ক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শাকিলের সঞ্চালনায় দৈনিক দিন প্রতিদিনের সম্পাদক ও যাত্রাবাড়ী সাংবাদিক ক্লাব এর সভাপতি মো: শফিকুল ইসলাম সাদ্দামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর।


বক্তব্য রাখেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজের দপ্তর সম্পদক আমিরুল ইসলাম ওমর, খোরশেদ আলম সিকদার (যুগান্তর) যাত্রাবাড়ী সাংবাদিক ক্লাব এর সাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন আজাদ (ভোরের সময়), দপ্তর সম্পাদক মুন্সী আল ইমরান (চ্যানেল23), প্রচার সম্পাদক অমর মজুমদার (আলোকিত সকাল), সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো.শরীফুল হক (তথ্যবাণী), মহিলা সম্পাদিকা আফিফা নওশীন, বজলুর রহমান (দৈনিক আমাদের কণ্ঠ) মোগল সম্রাট, এম জে কিবরিয়া (দিন প্রতিদিন), শ্যামপুর থানা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: জনি, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন, মশিউর রহমান সুজন, সাইফুল ইসলাম পারভেজ প্রমূখ।


এসময় সাংবাদিক নেতারা বলেন সারাদেশে সাংবাদিকদের ওপর যে বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটছে এর কোন প্রতিকার নেই। এধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা থেকে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধের বিকল্প নেই। এবং সাংবাদিকদের নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে রাষ্ট্রের কাছে যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের দাবি জানান।


আরও খবর



একটাই পৃথিবী তাকে রক্ষা করতে হবে

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে‘ বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ প্রতি বছর ৫ জুন সারা বিশ্বে পালিত হয়। ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম (UNEP) এর নেতৃত্বে ১৯৭৩ সাল থেকে প্রতি বছর এই দিবসটি অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। দিবসটি পরিবেশ নিয়ে প্রচারের জন্য বৃহত্তম বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২২ এর আয়োজক দেশ সুইডেন। দিবসটির এবারের প্রচারাভিযানের স্লোগান “Only one Earth” বা "একটিই মাত্র পৃথিবী" যার ফোকাস “Living Sustainably in Harmony with Nature”. বা "প্রকৃতির সাথে সাদৃশ্যে টেকসই জীবনযাপন"। ইউএনইপি বলছে, মহাবিশ্বে রয়েছে কোটি কোটি ছায়াপথ, আর ছায়াপথে রয়েছে কোটি কোটি গ্রহ কিন্তু পৃথিবী আছে মাত্র একটিই। আর এই পৃথিবী ও তার পরিবেশের সংরক্ষণ বা যত্নের দায়িত্ব আমাদেরই।

আজ থেকে ৫০ বছর আগে একই স্লোগান অর্থাৎ “Only one Earth” বা "একটিই মাত্র পৃথিবী" নিয়ে প্রথম বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়েছিল। পাঁচ দশক পরে, এটি এখনও সত্য কারণ পৃথিবী এখনও আমাদের একমাত্র বাসযোগ্য স্থান এবং মানবজাতিকে অবশ্যই এর সীমাবদ্ধ সম্পদগুলিকে রক্ষা করতে হবে। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২২ এর বিশ্বব্যাপী প্রচারাভিযান থিম #OnlyOneEarth ব্যবহার করে প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিচ্ছন্ন, সবুজ এবং টেকসই জীবনযাপন করতে নীতি এবং পছন্দগুলিতে রূপান্তরমূলক পরিবর্তনের আহ্বান জাানাচ্ছে।

জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি-জেনারেল এবং ইউএন এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক ইনগার অ্যান্ডারসেন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২২-এর একটি বার্তায় বলেছেন "বিশ্ব পরিবেশ দিবসের ধারণাটি ৫০ বছর আগে ১৯৭২ সালে স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশের সম্মেলনে জন্ম হয়েছিল। এটি এই উপলব্ধি থেকে জন্মগ্রহণ করেছিল যে আমাদের বায়ু, স্থল এবং পানি রক্ষার জন্য এক হয়ে দাঁড়াতে হবে, যার উপর নির্ভর করে আমরা সবাই বেঁচে আছি," ।

“বিশ্ব পরিবেশ দিবস ” টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলোর পরিবেশগত মাত্রার অগ্রগতি প্রচারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে। ইউএনইপির নেতৃত্বে, ১৫০ টিরও বেশি দেশ প্রতি বছর বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করে। বিশ্বজুড়ে বড় বড় কর্পোরেশন, বেসরকারি সংস্থা, সম্প্রদায়, সরকার এবং সেলিব্রিটিরা পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে একই ব্যানারে একত্রিত হয়”।

প্রতি বছর এককটি দেশ বিশ্ব পরিবেশ দিবস আয়োজন ও উদযাপন করে। এ বছর আয়োজক দেশ সুইডেন। ইউএনইপি এবং অংশীদারদের সহায়তায় এই বছর একটি উচ্চ-পর্যায়ের আন্তর্জাতিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল গত ২ ও ৩ রা জুন। সভার নাম দেওয়া হয়েছিল "স্টকহোম+৫০: সকলের সমৃদ্ধির জন্য একটি সুস্থ গ্রহ - আমাদের দায়িত্ব, আমাদের সুযোগ"। বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে সবচেয়ে জরুরি পরিবেশগত সমস্যাগুলি সেখানে হাইলাইট করা হয়।

"১৯৭২ সালে শুরু হওয়া এই আন্দোলনটি আজ একটি অতি প্রয়োজনীয় অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। অবস্থা এমন যে হয় এখনই বা কখনই নয়। কারণ আমরা একই মানব প্রজাতি এবং আমাদের একটাই মাত্র পৃথিবী আছে। আমাদের একটিই বাড়ি আছে এবং সেইজন্যই এর সুরক্ষা অতি জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে," অ্যান্ডারসেন তার বার্তায় এভা্বেই উল্লেখ করেছেন।

পরিবেশের সুরক্ষা ও টেকসইতা নিয়ে নিঃসন্দেহে আজ আমরা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির মুখোমুখি। জীবনের মূল প্রয়োজনীয়তাগুলি সবই মাতৃসম প্রকৃতি থেকে আমরা পূরণ করি এবং দুর্ভাগ্যবশত, এটিকিই এখন আমরা বিপদজ্জনক করে তুলেছি। গত বছর জলবায়ু সম্মেলনে জাতিসংঘ মহাসচিব মি. অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেছিলেন, ‘আমরাই নিজেদের কবর খুঁড়ছি এবং প্রকৃতিকে একটা টয়লেট হিসেবে ব্যবহার করছি।’ কাজেই প্রকৃতিকে টয়লেট হিসেবে ব্যবহার থেকে বিরত থাকা ও এই গ্রহটিকে বাঁচিয়ে রাখা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য করা সবারই জন্য একান্ত বাধ্যবাধকতা হয়ে দেখা দিয়েছে।

এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, প্রতি বছর পৃথিবী থেকে আহরিত সম্পদের পরিমাণ ৯০ বিলিয়ন টন। পৃথিবীর জনসংখ্যার পরিমাণ ৭.৮ বিলিয়ন । বিশ্বের ভোক্তার সংখ্যা ৪.১ বিলিয়ন । ২০৩০ সালের মধ্যে প্রত্যাশিত ভোক্তার সংখ্যা হবে ৫.৬ বিলিয়ন । বিশ্বের মোট সম্পদের অতিরিক্ত ৭০ শতাংশ বর্তমানে অতিরিক্ত ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতি বছর ডাম্প করা বর্জ্যের পরিমাণ ২.১২ বিলিয়ন টন। প্রতি বছর উত্পাদিত ই-বর্জ্যের পরিমাণ ৫০ মিলিয়ন টন । বিশ্বব্যাপী উৎপাদিত রাসায়নিক সিন্থেটিক পণ্যের বাজার মূল্য ৭.৮ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের সব জনসংখ্যার জন্য খাদ্য যোগানো কঠিন হয়ে যাবে। ২০৭০ সাল নাগাদ প্রবাল প্রাচীরগুলি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে।

প্রকৃতির ওপর অতিরিক্ত অত্যাচারের ফলে আমরা ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করছি। জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘের আন্তঃসরকার প্যানেল (আইপিসিসি) তাদের সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলেছে, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এখনই কমানো না গেলে খুব শিগগিরই বিশ্ববাসীকে গুরুতর পরিণতি ভোগ করতে হবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে—অবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে বিশ্বে খরা, বন্যা ও তাপপ্রবাহের মতো বিপর্যয় বাড়তেই থাকবে। এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এখন অত্যন্ত অনুভূত হচ্ছে। মানুষ এবং প্রকৃতিকে ২০ বছর আগের তুলনায় আরও চরম আবহাওয়া মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তাপমাত্রার পরিবর্তন বা ভারী বৃষ্টিপাতের মতো ঘটনাগুলো প্রায়শই ঘটছে। পশুপাখি, কৃষি ও মানুষের মধ্যে ক্রমশ প্রাণঘাতী রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। জাতিসংঘ বলছে যে এই ধরনের প্রবণতা রোধ করতে একটি সুস্থ বাস্তুতন্ত্র এবং সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে হবে। এটা সম্ভব হলে জনগণের কল্যাণ ও জীবনযাত্রার পথ টিকবে।

বাংলাদেশ ১৭০ মিলিয়ন জনসংখ্যার দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব যেমন, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, জলোচ্ছ্বাস, সাইক্লোন, ভূমিকম্প, নদী ভাঙন, এবং জলাবদ্ধতা, মাটির লবণাক্ততা ইত্যাদির কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থিত দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। এই জলবায়ু পরিবর্তন দেশের কৃষি, অবকাঠামো এবং জীবনযাত্রার উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। ইতোমধ্যেই আমরা সিলেট ও সুনামগঞ্জ অঞ্চলে অকাল বন্যা হতে দেখেছি। যাতে হাওড় অঞ্চলের ফসল বিশেষ করে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অস্বাভাবিক তাপমাত্রার কারণে এ বছর কলেরার প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। ডেঙ্গুসহ অন্যান্য সংক্রামক রোগও বেড়েছে।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেও বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বাংলাদেশ একটি সমতল ও নিচু ভূমি এলাকা নিয়ে গঠিত। জলবায়ু পরিবর্তন বাংলাদেশের নাগরিক এবং সরকারের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠছে। দেশের ৮০ শতাংশেরও বেশি জমি বন্যা প্রবণ। বাংলাদেশের জনসংখ্যার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ কৃষিকাজে নিয়োজিত, তাই জলবায়ু পরিবর্তন এই কৃষকদের খারাপভাবে প্রভাবিত করবে।

বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ২১০০ সালের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার হবে। প্রতিবেদনে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়বে বলে অনুমান করা হয়েছে। এতে দেশে ব্যাপক বন্যা হবে এবং ফসলহানি ঘটবে। এতে দারিদ্র্য ও মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে “বিশ্ব পরিবেশ দিবস” পালন নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করি। কারণ এই দিনটি আমাদেরকে প্রকৃতির সাথে পুনরায় সংযোগ স্থাপন করার কথা মনে করিয়ে দেয়। কখনও কখনও আমরা ভুলে যাই যে প্রাকৃতিক ব্যবস্থা আমাদের জীবন যাত্রার কল্যাণে কিভাবে ভূমিকা রাখে। যেহেতু আমরা প্রকৃতির অংশ, এবং আমরা এটির উপর নির্ভরশীল এটিকে রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধিতে এই দিবসটি উদযাপন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি আমাদের মাঝে সচেতনতা যেমন বাড়ায় তেমনি এটির রক্ষায় আমাদেরকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করে। আমাদের একটাই পৃথিবী কাজেই এই সুন্দর পৃথিবীটিকে রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হবে।

লেখক: গবেষক ও উন্নয়নকর্মী।


আরও খবর



পদ্মা সেতু: ভোলার তাজা ইলিশের স্বাদ পাবে সারাদেশের মানুষ

প্রকাশিত:Saturday ২৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

গবেষকদের মতে সারাদেশের বিভিন্ন নদীতে যে পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যায় তার প্রায় ৩০ ভাগই ভোলা জেলার। বিভিন্ন দিক থেকে ভোলার ইলিশ সুস্বাদু হওয়ার কারণও ব্যাখ্যা দিয়েছেন তারা। কিন্তু যাতায়াতের সহজ ব্যবস্থা না থাকায় শিকারের বেশ কয়েকদিন পর ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় ইলিশ যেত। ফলে ভোলার তাজা ইলিশ ও আসল স্বাদ থেকে যুগের পর যুগ বঞ্চিত হয়েছেন ক্রেতারা।

অবশেষে ইলিশ ক্রেতাদের এ আক্ষেপ দূর হচ্ছে। পদ্মা সেতু হওয়ায় দিনাদিন ভোলা থেকে সরাসরি ঢাকায় পৌঁছে যাবে ইলিশ। আর তাজা ইলিশের স্বাদ পাবেন রাজধানীবাসীসহ সারাদেশের মানুষ। একইসঙ্গে শিকার করা তাজা ইলিশ বিভিন্ন হাত বদল ছাড়াই সরাসরি পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকার বাজারে বিক্রি করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন ভোলার মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ীরা।

ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি গ্রামের জেলে মো. মিজান মাঝি ও ইউসুফ মাঝি জানান, তারা নদীতে মাছ ধরে সংসার পরিচালনা করেন। প্রতিদিনই তারা নদীতে ইলিশ শিকার করতে যান। জালে আটকা পড়া ইলিশ দ্রুত ঘাটে নিয়ে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে দেন।

jagonews24

তুলাতুলি মৎস্য ঘাটের আড়তদার মো. মঞ্জু ইসলাম বলেন, ‘জেলেরা ঘাটে আনার পরও ইলিশ লাফালাফি ও নড়াচড়া করে। আমরা দ্রুত সেগুলো নিলাম ডেকে কিনে নিই। এরপর ঝুড়িতে ভরে বরফ দিয়ে ভেদুরিয়া নিয়ে লঞ্চ, ফেরি বা ট্রলারে করে বরিশাল পাঠাই। বরিশাল থেকে কয়েক হাত বদল হয়ে ঢাকার পাইকারি বাজারের যায়। এতে দু-তিনদিন সময় লেগে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরাসরি ঢাকায় পাঠাতে সাহস পাই না। কারণ, ফেরিতে কদিন অপেক্ষা করতে হয়। সময় বেশি হলে ইলিশ পচে যাওয়ার ভয় থাকে। এবার পদ্মা সেতু হওয়ায় আমরা সরাসরি দিনাদিন ঢাকায় ইলিশ পাঠানোর চিন্তা করছি।’

ভোলা জেলা মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি মো. এরশাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘ভোলার ইলিশ আগে ঢাকাতে পাঠাতে আমার অনেক সমস্যা হতো। সময় বেশি লাগার কারণে পচনের ভয়ে বেশিরভাগ মৎস্য ব্যবসায়ীরা বরিশাল আড়তদের বিক্রি করে দিতেন। বরিশাল থেকে আবার বিভিন্ন হাত বদল হয়ে দু-তিন দিন পর ঢাকায় গিয়ে পৌঁছাতো। ফলে তাজা ইলিশের স্বাদ ঠিকমত পেত না ঢাকার মানুষ। কিন্তু এখন স্বপ্নের পদ্মা সেতু হওয়ায় আমরা ভোলার মৎস্য ব্যবসায়ীরা চার-পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকায় তাজা ইলিশ পাঠাতে পারবো। রাজধানীসহ সারাদেশের মানুষ তাজা ইলিশের স্বাদটা পাবেন।’

ভোলার সচেতন নাগরিক মশিউর রহমান পিংক জাগো নিউজকে বলেন, ‘দেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলা। এখানে রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন মানুষ ঘুরতে ও বেড়াতে আসেন। কিন্তু তারা ভোলা এসে ইলিশ খেয়ে অবাক হয়ে যান। কারণ, তারা তাজা ইলিশ ঢাকার বাজার থেকে কিনে খেতে পারছেন না। আর যা পাচ্ছেন তার স্বাদ খুবই কম।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন পদ্মা সেতু হয়েছে। ভোলার মৎস্য ব্যবসায়ীরা যদি রাজধানীতে প্রতিদিন তাজা ইলিশ পাঠান তাহলে স্বাদ পাওয়া যাবে।’

jagonews24

ময়মনসিংহয়ের ইলিশ গবেষক ড. মো. আনিসুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, সারাদেশের বিভিন্ন নদীতে যে পরিমাণ ইলিশ পাওয়া যায় তার প্রায় ৩০ ভাগই ভোলায় ধরা পড়ে। ইলিশ মূলত সাগর থেকে ভোলার নদীতে আসে। যখন ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মিঠা পানিতে আসে তখন তারা ভালো একটি পরিবেশ ও কাঙ্ক্ষিত খাবার প্রচুর পরিমাণে পেয়ে থাকে। এ কারণে তাদের শারীরিক উন্নতি হতে থাকে। ইলিশগুলো যত সময় ভোলার নদীতে অবস্থান করে ততই তাদের পরিবর্তন হতে থাকে। ফলে ভোলার ইলিশ সবচেয়ে বেশি সুস্বাদু হয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, ইলিশ শিকারের পর বরফ দেওয়া ভালো রাখার জন্য। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে বরফে মাছ রাখতে হবে তা অবশ্যই তাজা থাকতে হবে। এছাড়া একবার বরফ দিয়ে প্যাক করে রাখার পর সেই প্যাক খুলে আবারও প্যাক করা হলে মাছের গুণাগুণ নষ্ট হবেই। এতে স্বাদের পরিমাণও কমবে।


আরও খবর



‘দেশে শ্রম পরিস্থিতির উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার’

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান বলেছেন, সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেশের শ্রম পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ করছে। যেকোনো মূল্যে কর্মক্ষেত্রে শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

সোমবার সন্ধ্যায় জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের ১১০তম অধিবেশনের প্ল্যানারি সেশনে বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সফলতার সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়োজিত শতভাগ শ্রমিককে করোনা ভ্যাকসিন প্রদান করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃঢ় নেতৃত্ব এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে করোনা মহামারিকে সফলতার সঙ্গে মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।

দেশের শ্রমজীবী মানুষের সার্বিক জীবনমান উন্নয়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রতি আলোকপাত করে প্রতিমন্ত্রী তার বক্তৃতায় শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষা, শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শ্রমিকের পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে সরকার মালিক-শ্রমিকের ত্রিপক্ষীয় প্রচেষ্টাসমূহ গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করেন।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী আইএলও’র নতুন মহাপরিচালক গিলবার্ট ফসুন হাংবো-কে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান।

এসময় সংসদ সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন হেলাল, বেগম শামসুন্নাহার, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহী, সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং জেনেভার বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদ মামুন চৌধুরী, বাংলাদেশ এমপ্লোয়ারস ফেডারেশনের সভাপতি আরদাশির কবির, বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি নূর কুতুব আলম মান্নানসহ শ্রম মন্ত্রণালয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে একাধিক চাকরি

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ০৩টি পদে ০৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৭ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, গুরুদাসপুর

পদের বিবরণ
jagonews24

চাকরির ধরন: স্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
কর্মস্থল: গুরুদাসপুর

বয়স: ০৭ জুলাই ২০২২ তারিখে ১৮-৩০ বছর। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর।

আবেদনের ঠিকানা: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, গুরুদাসপুর, নাটোর।

আবেদনের শেষ সময়: ০৭ জুলাই ২০২২

সূত্র: যুগান্তর, ১৪ জুন ২০২২


আরও খবর



জিভে জল আনা দই চিকেনের রেসিপি

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬৯জন দেখেছেন
Image

মুরগির মাংস দিয়ে মুখরোচক সব পদ তৈরি করা যায়। চিকেন ফ্রাই থেকে শুরু করে চিকেন ঝাল ফ্রাই, চিকেন তান্দুরি, রোস্ট, চিকেন মালাইকারি, গ্রিল চিকেনসিহ বিভিন্ন পদ সবাই কমবেশি খেয়ে থাকেন প্রায়ই।

চাইলে স্বাদ পাল্টাতে তৈরি করতে পারেন দই চিকেন। গরমে এই পদ খেলে একদিকে যেমন পেট ঠান্ডা থাকবে তেমনই ভরপেট মাংস খাওয়ার আনন্দও উপভোগ করতে পারবেন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক রেসিপি-

উপকরণ

১. মুরগির মাংস আধা কেজি
২. টকদই ১ কাপ
৩. পেঁয়াজ কুচি ৩টি
৪. আদার টুকরো এক ইঞ্চি
৫. রসুন ১০ কোয়া
৬. কাজুবাদাম ৬-৭টি
৭. বাদাম ৬-৭টি
৮. লবঙ্গ ৩টি
৯. এলাচ ১টি বড়
১০. সবুজ এলাচ ৪টি
১১. গোলমরিচ ৭-৮টি
১২. দারুচিনি ২ টুকরো
১৩. মরিচের গুঁড়া ২ টুকরা
১৪. হলুদ ১ চা চামচ
১৫. ধনে গুঁড়ো ১ চা চামচ
১৬. গরম মসলার গুঁড়া ১ চা চামচ
১৭. লবণ স্বাদ অনুযায়ী
১৮. তেল পরিমাণমতো ও
১৯. ধনেপাতা ১ টেবিল চামচ।

jagonews24

পদ্ধতি

প্রথমে একটি পাত্রে টকদই নিয়ে তাতে এক চা চামচ মরিচের গুঁড়া, হলুদ, আধা চা চামচ গরম মসলার গুঁড়া, আধা চা চামচ ধনে গুঁড়া ও লবণ দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিন। এবার দইয়ের মিশ্রণে মুরগির মাংস মিডিশয়ে ৩ ঘণ্টা মেরিনেট করার জন্য ফ্রিজে রেখে দিন।

অন্যদিকে একটি প্যানে তেল নিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করুন। তেল গরম হওয়ার পর মেরিনেট করা মাংস দিয়ে ৭-৮ মিনিট ধরে নাড়ুন। এরপর মাংসের টুকরোগুলো একটি প্লেটে উঠিয়ে নিন।

মাঝারি আঁচে অন্য একটি প্যানে তেল গরম করে। পেঁয়াজ ভেজে নিন। তারপর তা নামিয়ে বেটে নিন। একে একে মিক্সারে রসুন, আদা, বড় ও সবুজ এলাচ, দারুচিনি, কালো গোলমরিচ ও লবঙ্গ দিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন।

চাইলে সব উপকরণ পাটায় পিষে নিতেও পারেন। এরপর পোস্ত, বাদাম ও কাজু পেস্ট করে নিন। এবার একটি প্যানে মাঝারি আঁচে তেল গরম করে রসুন-আদার পেস্ট, লাল মরিচ গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, গরম মসলার গুঁড়া ও লবল মিশিয়ে কিছুক্ষণ নাড়ুন।

তারপর পেঁয়াজের পেস্ট ও দই মিশিয়ে ৫ মিনিট ধরে নাড়ুন। তারপর এই গ্রেভিতে পোস্ত বাটা মিশিয়ে কম আঁচে আরও ৫ মিনিট নেড়ে চিকেন দিয়ে দিন।

২ কাপ পানি দিয়ে মাংস ১০ মিনিট ঢেকে রেখে সেদ্ধ করুন। মাংস ভালভাবে সেদ্ধ হয়ে গেলে ঢাকনা খুলে আঁচ বাড়িয়ে আরও ২ মিনিট ধরে আরও রান্না করুন।

ব্যাস তৈরি হয়ে গেল জিভে জল আনা দই চিকেন। রুটি, পরোটা, নান কিংবা পোলাও সব উপকরণের সঙ্গেই দারুন মানিয়ে যায় এই পদ।


আরও খবর