Logo
আজঃ Tuesday ২৪ May ২০২২
শিরোনাম

কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে চেয়ারে বসায় ৩ সেবা গ্রহীতা লাঞ্ছিত

প্রকাশিত:Monday ১৮ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১৭৮জন দেখেছেন
Image

কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ

সেবা নিতে এসে  ক্লান্ত হয়ে চেয়ারে বসায় তিন সেবা গ্রহীতাকে চেয়ার দিয়ে পিটিয়েছেন কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক (ডিডি)। সোমবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে  কুমিল্লা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে এ ঘটনা ঘটে।


এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করতে গেলে দুই সংবাদকর্মীর সঙ্গে অসদাচরণ করে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়।


সূত্র জানায়, ওই তিন সেবা গ্রহীতার একজন মো. সাকিব। তার বাড়ি কুমিল্লার হোমনায়। সোমবার সকালে গিয়েছিলেন পাসপোর্ট নেওয়ার জন্য। এসময় সাকিব পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিলেন অফিসের নিচতলায়। চার ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর ক্লান্ত সাকিব পাশে থাকা একটি চেয়ারে বসে পড়েন। এসময় তার সঙ্গে আরও অন্তত তিন-চারজন সেবা গ্রহীতাও বসেন। এগুলো মূলত এক কর্মকর্তার টেবিলের পাশে রাখা চেয়ার ছিল। 


এসময় পাসপোর্ট অফিসের ডিডি মো. নুরুল হুদা নিচে নেমে এসে প্লাস্টিকের চেয়ার দিয়ে সেবা গ্রহীতাদের পেটাতে থাকেন। চেয়ার ভেঙে গেলে ওই সেবা গ্রহীতাদের চড়-থাপ্পড় দিতে থাকেন।


মো. সাকিব বলেন, ডিডি স্যার চেয়ারে বসার অপরাধে আমাদের চেয়ার দিয়ে পিটিয়েছেন। আমার সঙ্গে থাকা আরও দু’জন ভয়ে অফিস থেকে চলে গেছেন। এ ঘটনার ছবি তুলতে গেলে সংবাদকর্মী রকিবুল ইসলাম রানা ও মো. সাফির সঙ্গে ডিডি অসদাচরণ করেন। তিনি ওই সংবাদকর্মীদের মোবাইল ফোন নিয়ে যান।  


এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে পাসপোর্ট অফিসে যান কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুর ও পরিদর্শক (তদন্ত) কমল কৃষ্ণ ধর।


এ বিষয়ে ওসি সহিদুর রহমান বলেন, শুনেছি, ডিডির সঙ্গে সেবা গ্রহীতাদের কথা কাটাকাটি হয়েছে। আর বেশি কিছু জানি না।  


অপরদিকে ঘটনার তিন ঘণ্টা পর ওসি সহিদুর রহমান এবং থানার তদন্ত কর্মকর্তা কমল দের উপস্থিতিতে ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ফোন সাংবাদিকদের ফেরত দেওয়া হয়।


সংবাদকর্মী মো. রকিবুল ইসলাম রানা বলেন, আমার পাসপোর্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলাম। ওই সময় দেখি, পাসপোর্ট অফিসের ডিডি আমার কিছুটা সামনে তিন-চারজন সেবা গ্রহীতাকে চেয়ার দিয়ে পেটাচ্ছেন।


 জানতে চাইলে, ভুক্তভোগীরা জানান, তারা ভুল করে অফিসের কর্মকর্তাদের চেয়ারে বসেছিলেন। এজন্য তাদের পেটানো হয়। ঘটনার বিষয়ে পাসপোর্টের ডিডির কাছে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে আমাদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন।


বিষয়টি নিয়ে পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক (ডিডি) মো. নুরুল হুদা জানান, তিনি কাউকে মারধর করেননি।  


ভুক্তভোগীর অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি কারো কাছে বক্তব্য দিতে বাধ্য নই।


আরও খবর



ট্রেনের সাথে পিকআপের সংঘর্ষ

গাজীপুরে ট্রেনের সাথে পিকআপের সংঘর্ষে তিনজন নিহত

প্রকাশিত:Saturday ২১ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১২৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের কালিগঞ্জ উপজেলায় ট্রেনের সঙ্গে পিকআপের সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আড়িখোলা রেল স্টেশনের অদূরে নলছাটা এলাকায় এ দুর্ঘটনায় ঘটে।


এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপে থাকা তিনজন আরোহী মারা যান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।



আড়িখোলা রেল স্টেশনের মাস্টার কামরুল ইসলাম এ দুর্ঘটনা ও হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



আরও খবর



বাংলাদেশের নাগরিকদের মাথাপিছু আয় আরও বেড়েছে

প্রকাশিত:Tuesday ১০ May ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৩ May ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের নাগরিকদের মাথাপিছু আয় আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার (১০ মের রেট অনুযায়ী ২ লাখ ৪৪ হাজার ৬০০ টাকা)। ২০২১-২২ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ৭.২৫ শতাংশ।


মঙ্গলবার (১০ মে) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।


প্রধানমন্ত্রী এবং একনেকের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়।


পরিকল্পনা মন্ত্রী জানান, সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে শতকরা ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল শতকরা ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশ। ২০২১-২২ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮২৪ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৩৮ টাকা বা ২ হাজার ৫৯১ মার্কিন ডলার।


প্রাপ্যতার সাপেক্ষে ৬/৭ মাসের তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২১-২২ অর্থবছরের জিডিপির সাময়িক হিসাব প্রস্তুত করা হয়েছে।  


আরও খবর



রান্না করা মাংস ও সালাদের দোকানে কাজ করতেন টাইটানিক ছবির নায়িকা

প্রকাশিত:Monday ২৩ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
Image

 বিনোদন ডেস্ক।

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কেট উইন্সলেট। ‘টাইটানিক’ সিনেমায় রোজের চরিত্রে অভিনয় করে জয় করে নিয়েছেন অস্কার। হয়েছেন কালজয়ী সিনেমার অংশ।


দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের মতে, একজন অভিনেত্রী হিসেবে উইন্সলেটের নমনীয়তা স্পষ্ট। তিনি ‘টাইটানিক’ এবং দার্শনিক ‘রেব্যুলোশনারি রোড’- এর মতো ব্লকবাস্টার সিনেমায় অভিনয় করার পাশাপাশি। এইচবিওর ‘মিলড্রেড পিয়ার্স’ এবং ‘মেয়ার অফ ইস্টটাউন’- এর মতো ড্রামাতেও অভিনয় করেছেন। হয়েছেন বিখ্যাত।



তবে কেট উইন্সলেট বিখ্যাত এবং মিলিয়ন ডলার উপার্জন শুরু করার আগে বাকিদের মতো সাধারণ কাজ করতেন।


বার্কশায়ার লাইভ অনুসারে, উইন্সলেট বার্কশায়ারের রিডিং শহরে বেড়ে উঠেন। অভিনেত্রী হওয়ার আগে রান্না করা মাংস এবং তৈরি করা সালাদ ইত্যাদির দোকানে কাজ করতেন।



তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তার প্রথম সিনেমা ‘হেভেনলি ক্রিয়েচার’- এ অভিনয় করার সময় অভিনয়ের ক্যারিয়ারকে সুরক্ষিত করার আশায় পার্শ্ব কাজ হিসেবে তিনি ডেলিতে কাজ চালিয়ে যান। কেননা একজন অভিনেত্রী হিসেবে জীবিকা নির্বাহ করা বেশ কঠিন। বিশেষ করে যখন কেউ সবেমাত্র কাজ শুরু করে।


তিনি বলেন, ‘অবশ্য যখন আমি বিখ্যাত সিনেমাগুলোতে প্রধান চরিত্রে সুযোগ পেতে শুরু তখন সময়ের সঙ্গে সবকিছু বদলে যায়।’

১৯৯৪ সালে শোবিজ দুনিয়ায় আত্মপ্রকাশের পর উইন্সলেটের পরবর্তী দুর্দান্ত হিট ছিল ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সেন্স অ্যান্ড সেন্সিবিলিটি’ ছবিটি। এরপর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। অনেক দূর এগিয়ে শক্ত করে নিয়েছেন নিজের স্থান।


আরও খবর



ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কা পড়েছে পণ্যের বাজারে

প্রকাশিত:Thursday ২৮ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ১২৮জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সামনের দিনগুলোতে পণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে বিশ্ব ব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে গত ৫০ বছরের মধ্যে বিশ্বের পণ্য বাজারে সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসতে যাচ্ছে। অর্থাৎ ১৯৭০ সালের পর প্রথম বারের মতো এমন সংকট তৈরি হতে পারে।


নতুন এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সংঘাতের কারণে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে শুরু করে গম ও তুলা পর্যন্ত বিভিন্ন পণ্যের দাম ইতোমধ্যেই বেড়ে গেছে। সামনের দিনগুলোতে এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।


বিশ্ব ব্যাংকের নতুন এই প্রতিবেদনের সহ-লেখক পিটার ন্যাগল বলেন, পণ্যের দামের এই ঊর্ধ্বগতি এরইমধ্যে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও মানবিক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে জীবনযাত্রার খরচ মেটাতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ছে মানুষ।


বিশ্ব ব্যাংকের এই শীর্ষ অর্থনীতিবিদ বলেন, গরীব পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে এই সংকট আরও ভয়াবহ। কারণ তাদের আয়ের সিংহভাগ খাবার ও জ্বালানির পেছনে ব্যয় হয়ে যায়। পণ্যের দাম বাড়ার প্রভাব তাদের ওপরই সবচেয়ে বেশি পড়বে।


বিশ্ব ব্যাংক বলছে, জ্বালানির দাম ৫০ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে। ফলে সংসারের ব্যয় এবং ব্যবসায়ের খরচ অনেক বেড়ে যাবে।



বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপে সবচেয়ে বেশি বাড়বে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম, যা দ্বিগুণের বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বছর পণ্যের দাম কিছুটা কমতে পারে এবং ২০২৪ সালের পূর্বাভাসে দেখা যাচ্ছে, গত বছরের তুলনায় ২০২৪ সালে গ্যাসের দাম ১৫ শতাংশ বেশি থাকবে।


বিশ্ব ব্যাংক বলছে, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত বিশ্ব টানা ২৩ মাস জ্বালানির দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার কারণে ১৯৭৩ সালে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির পর এটাই দীর্ঘতম সময় ধরে জ্বালানির দাম যাওয়ার ঘটনা।


একইভাবে জ্বালানি তেলের দামও ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাড়তি থাকবে এবং চলতি বছরজুড়ে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গড়ে ১০০ ডলারে বিক্রি হবে, যা বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির হার বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে ভূমিকা রাখবে।



বিশ্বের ১১ শতাংশ তেল উৎপাদন করে রাশিয়া, যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে যুদ্ধের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটা এবং পশ্চিমা অবরোধের ফলে একটি দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব দেখা দেবে। অবরোধের কারণে পশ্চিমা কোম্পানিগুলো রাশিয়া ছেড়ে যাবে এবং দেশটির নতুন প্রযুক্তি পাওয়ার সুযোগ কমে আসবে।


রাশিয়া বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাহিদার ৪০ শতাংশ গ্যাস ও ২৭ শতাংশ তেল সরবরাহ করে। কিন্তু ইইউ রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি চাহিদা পূরণের চেষ্টা করছে, যা বিশ্বজুড়ে তেল এবং গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। মূলত চাহিদা ও সরবরাহ ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।


অনেক খাদ্য পণ্যের দাম হঠাৎ করেই লাফিয়ে বেড়ে গেছে এবং আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গমের দাম ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ বাড়তে পারে। খাদ্য পণ্যের মধ্যে বার্লি ৩৩ দশমিক ৩ শতাংশ, সয়াবিন ২০ শতাংশ, ভোজ্য তেল ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ ও মুরগির দাম ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়তে পারে। রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে এসব পণ্যের রপ্তানি কমে যাওয়ার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।


যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট সয়াবিনের ৬০ শতাংশ এবং গম রপ্তানির ২৮ দশমিক ৯ শতাংশ এ দুই দেশ থেকেই আসতো। সার, বিভিন্ন ধাতু ও খনিজ দ্রব্যের মতো কাঁচামালের দামও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। তবে কাঠ, চা ও চালের মত কয়েকটি পণ্যের দাম কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আরও খবর



পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে

রুপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনৈতিক লাভ এনে দেবে

প্রকাশিত:Friday ২০ May ২০22 | হালনাগাদ:Tuesday ২৪ May ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রূপপুরে চলছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ। ২০২৩ থেকে এখানকার প্রথম ইউনিট উৎপাদনে যেতে পারে, সেই লক্ষ্যে চলছে কার্যক্রম। সংশ্লিষ্টদের আশা এটি একদিকে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করবে অন্যদিকে দ্বিগুণের বেশি অভ্যন্তরীণ রিটার্ন দেবে সরকারকে।২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন এ প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা এক লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা।

প্রকল্পটিতে ৯০ শতাংশ রাশিয়ার ঋণ, বাকি ১০ শতাংশ ব্যয় করবে বাংলাদেশ সরকার।

উৎপাদনে গেলে রাশিয়াকে প্রতি বছর ঋণ শোধ করতে হবে ৫৬৫ মিলিয়ন বা সাড়ে ৫৬ কোটি ডলার। এত বড় অংক দেখে কেউ কেউ এটিকে সাদা হাতির প্রকল্প বলছেন। কিন্তু এমন অভিযোগ নাকচ করে সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটা শ্বেত হস্তীর প্রকল্প নয়, বরং উন্নয়নের মাইলফলক।



বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রকল্পের দুটি রিঅ্যাক্টর চালুর পর প্রতি বছর কিস্তি পরিশোধ করতে হবে (৫৬ কোটি ডলার)। প্রকল্পের রিটার্ন থেকে কিস্তির অর্থ উঠে এলে ভর্তুকির দরকার পড়বে না।

পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প প্রসঙ্গে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমম বলেন, প্রতি বছর অভ্যন্তরীণভাবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে রিটার্ন আসবে সাড়ে ৯ শতাংশ। প্রকল্প ঋণের সুদ ১ থেকে ২ শতাংশের বেশি হবে না। তার মানে বাংলাদেশ এই প্রকল্পের মাধ্যমে অনেক লাভবান হবে।

তাছাড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বিদ্যুতের জন্য রূপপুরের কোনো বিকল্প নেই।


প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, প্রকল্পের দুটি রিঅ্যাক্টর থেকে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট, যার সমান ২৪ লাখ কিলোওয়াট বা ইউনিট।

এক ইউনিট বিদ্যুৎ যদি পাঁচ টাকায় বিক্রি করা হয়, তাহলে এক ঘণ্টায় আয় হবে এক কোটি ২০ লাখ টাকা। একদিনে ২৪ ঘণ্টা হিসেবে দৈনিক আয় আসবে ২৮ কোটি ৮০ লাখ। বছরে ১০ হাজার ৫১২ কোটি আয় হবে। যদি ডলার হিসাব করা হয়, তাহলে বার্ষিক আয় দাঁড়াবে এক হাজার ২৩৬ মিলিয়ন ডলার, যেখানে ঋণ শোধ করতে হবে ৫৬৫ মিলিয়ন ডলার।


অন্যদিকে প্রতি মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি ব্যয় হবে সাড়ে ৪ থেকে ১১ দশমিক ২ মার্কিন ডলার এবং মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড অপারেশন ব্যয় হবে প্রতি মেগাওয়াটে ৮ থেকে ১৪ ডলার। এই দুই ধরনের ব্যয় মিলিয়ে প্রতি মেগাওয়াটে গড় খরচ হবে ১৬ থেকে ১৮ ডলার।


দুই হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদনে না গিয়ে যদি ৯০ শতাংশও উৎপাদন হয়, তাহলে এর ব্যয় কমে দাঁড়াবে ৩৪০ মিলিয়ন ডলারে। পাশাপাশি আয়ও কমে দাঁড়াবে এক হাজার ১১২ মিলিয়ন ডলারে। এ হিসাবে বছরে প্রকল্প থেকে মোট আয় হবে এক হাজার ১১২ ডলার এবং ব্যয় হবে ৩৪০ মিলিয়ন ডলার। আয় থেকে ব্যয় বাদ দিয়ে বছরে ৭৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় থাকবে প্রকল্প থেকে।


কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতি বছর কমপক্ষে ৭৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার লাভ হলে



আরও খবর