Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে কাজ করছে সরকার

প্রকাশিত:Monday ২৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৮২জন দেখেছেন
Image

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সুষ্ঠু বিকাশে আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন ব্যবসাবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।’

সোমবার (২৭ জুন) এমএসএমই দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন (এসএমই ফাউন্ডেশন) প্রতি বছরের মতো ২৭ জুন এমএসএমই দিবস পালন করছে জেনে আমি আনন্দিত। দিবসটি উপলক্ষে আমি এসএমই উদ্যোক্তাদের শুভেচ্ছা জানাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা শিল্পনীতি-২০১৬ ও এসএমই নীতিমালা-২০১৯ প্রণয়ন করেছি। এসডিজি-২০৩০, রূপকল্প-২০৪১, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী, বিভিন্ন নীতিমালা ও কৌশলপত্রে এসএমই খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। করোনা মহামারির প্রভাব মোকাবিলায় সরকার এসএমই শিল্পে আর্থিক প্রণোদন ও রপ্তানিখাতে অবদানের জন্য নগদ সহায়তা দিয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে ক্লাস্টারভিত্তিক শিল্প বিকাশের ফলে অধিক জনবল শ্রমখাতে নিযুক্ত হচ্ছে এবং নারী উদ্যোক্তা ও কর্মীর সংখ্যা বাড়ছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর জন্য দেশের এসএমই খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসএমই খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

শেখ হাসিনা বলেন, এমএসএমই খাত সংশ্লিষ্ট সবাই দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে, এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি ‘এমএসএমই দিবস ২০২২’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।


আরও খবর



বাস্তবায়ন হয় ২৫-৩০ শতাংশ, তবু ‘উচ্চাভিলাষী’ বাজেট ডিএসসিসির

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

#২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬ হাজার ৭৪১ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন।
#২০২১-২২ অর্থবছরে বাজেট বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ২৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
#২০২০-২১ অর্থবছরে বাজেট বাস্তবায়ন হয় এক-চতুর্থাংশ।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) মেয়র পদে দায়িত্ব নেওয়ার পর এখন পর্যন্ত দুটি অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছেন শেখ ফজলে নূর তাপস। সম্প্রতি করপোরেশনের তৃতীয় বাজেট অনুমোদন হয়েছে। আগামীকাল (৪ আগস্ট) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই বাজেট ঘোষণা করবেন তিনি। তবে গত দুই অর্থবছর অর্থাৎ ২০২০-২১ ও ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, আগের দুটি বাজেটের বাস্তবায়ন হয়েছে ৩০ শতাংশেরও কম। এর মধ্যে এবার (২০২২-২৩ অর্থবছর) ৬ হাজার ৭৪১ কোটি ২৮ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি।

সাধারণত সরকারি কোনো সংস্থা, প্রতিষ্ঠান গড়ে বাজেটের ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ বাস্তবায়ন করে। তবে গত দুটি অর্থবছরই ডিএসসিসির বাজেট বাস্তবায়ন ছিল তলানিতে।

স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ও নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, বাজেটের আকার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস্তবায়নের হার বাড়ানো একটি আদর্শ সংস্থার কাজ। কিন্তু ডিএসসিসি প্রতি বছর পাল্লা দিয়ে যে হারে বাজেট বাড়াচ্ছে, সে অনুপাতে বাস্তবায়নের হার খুবই নগণ্য। এটি উচ্চাভিলাষী বাজেট আর শুভংকরের ফাঁকি ছাড়া কিছুই নয়। এই বাজেটে ঢাকার মানুষের জন্য তেমন কিছুই নেই।

এ বিষয়ে স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিব জাগো নিউজকে বলেন, সিটি করপোরেশনের বাজেট অনেকগুলো উচ্চ আকাঙ্ক্ষা থেকে করা হয়েছে। কিন্তু করোনা ও পরবর্তীকালে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরকারি বরাদ্দ থেকে প্রকল্প করার বিষয়ে সম্পূর্ণ নিরুৎসাহিত করেছে সরকার। এছাড়া সিটি করপোরেশনকে নিজস্ব অর্থায়নে চলতে বলা হয়েছে। এখন দেখা যাচ্ছে, বাজেটের বড় একটা অংশ সরকারি অনুদান। অথচ নিজস্ব অর্থায়নের মাধ্যমে তারা বাজেট করলে সেটা টেকসই ও কার্যকর বাজেট হতো।

তিনি বলেন, এবার বাজেটেও যদি সরকারি বরাদ্দের আশা করা হয়, সেটা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে। কারণ, বাজেটের ওপর ভিত্তি করে জনগণের মধ্যে এক ধরনের আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়। সেটা যদি না হয় তাহলে জনগণ প্রতারিত হবে। মেয়রকে জনগণের মুখোমুখি হতে হবে। তখন জনগণ প্রশ্ন করবে, ‘আপনি তো বাজেট দিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে পারেননি।’ মেয়র তখন এই প্রশ্নের কী জবাব দেবেন? তাই বাজেটের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনকে আরও অভিনব হতে হবে।

jagonews24ডিএসসিসি মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস

স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, সিটি করপোরেশনের মূল দায়িত্ব হচ্ছে সেবা দেওয়া, বড় বড় প্রজেক্ট করা নয়। বিশেষ করে ডেভেলপার (প্রকল্প বাস্তবায়ন অর্থে) হওয়া নয়। কিন্তু ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কামরাঙ্গীরচর থেকে শুরু করে নদীর পাড় ধরে বিভিন্ন রকম পরিকল্পনা তৈরি করছে। যেগুলো মূলত প্রাইভেট সেক্টর বা সরকারের অন্যান্য সংস্থা করার কথা। এখানেও সিটি করপোরেশন ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি নয়, এটা সার্ভিস এজেন্সি। অতএব এই ধারণা নিয়ে মেয়র হওয়া বা মেয়রগিরি করা ঠিক নয়। কেউ যদি সবকিছু ব্যবসার মানসিকতা নিয়ে করে, তাহলে তার জন্য মেয়র পদটা উপযুক্ত জায়গা নয়।

গত ২৬ জুলাই ডিএসসিসির নগর ভবনের মেয়র হানিফ মিলনায়তনে দ্বিতীয় পরিষদের পঞ্চদশ করপোরেশন সভায় সর্বসম্মতভাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরের ৬ হাজার ৭৪১ হাজার ২৮ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়। একই সভায় ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট ১ হাজার ৯২৩ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়। অথচ ২০২১-২২ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল ৬ হাজার ৭৩১ কোটি ৫২ লাখ টাকা, যা বাস্তবায়নের হার মাত্র ২৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থবছরে ৬ হাজার ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল। এই বাজেটের এক-চতুর্থাংশও বাস্তবায়ন করতে পারেনি ডিএসসিসি।

যে কারণে বাজেট বাস্তবায়ন করতো না ডিএসসিসি
ডিএসসিসির বাজেট তৈরির কাজটি সমন্বয় করে সংস্থাটির হিসাব বিভাগ। এই বিভাগ থেকে বিগত চার অর্থবছরের বাজেটের তথ্য সংগ্রহ করে জাগো নিউজ। এসব তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি ও বৈদেশিক উৎস থেকে ২ হাজার ৫৫৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। তখন আয় হয়েছিল ১ হাজার ১৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট ছিল ৩ হাজার ৬৩১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি ও বৈদেশিক উৎস থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৪৪৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। আয় হয়েছিল ১ হাজার ৮৭১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

এর মধ্যে ২০২০ সালের ১৬ মে ডিএসসিসিতে মেয়র হিসেবে যোগ দেন শেখ ফজলে নূর তাপস। এর কিছুদিন পরই তিনি ২০২০-২১ অর্থবছরে ৬ হাজার ১১৯ কোটি ৫৯ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা করেন। এর মধ্যে সরকারি ও বৈদেশিক উৎস থেকে ৪ হাজার ৯১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আয় ধরা হয়। এতে বাজেটের পরিমাণও প্রায় দ্বিগুণ বাড়ে। কিন্তু এই খাত থেকে আয় হয়েছিল মাত্র ৬৪১ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারি ও বৈদেশিক উৎস থেকে ৪ হাজার ৮২৯ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্র ধরা হয়েছিল, যা মোট বাজেটের ৭১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। কিন্তু তারা এবছর ওই খাত থেকে আয় করছে মাত্র ৫২৭ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১১ শতাংশ। এছাড়া ২০২২-২৩ অর্থবছরে সরকারি ও বৈদেশিক উৎস থেকে ৪ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অথচ গত ১৯ এপ্রিল জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনকে নিজের আয়ে চলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সিটি করপোরেশনগুলো প্রায় অনুদাননির্ভর। প্রধানমন্ত্রী তাদের নিজেদের আয়ে চলতে ও আয় বুঝে ব্যয় করতে বলেছেন। আমরা আর সিটি করপোরেশনগুলোকে টানবো না।

jagonews24২০২২-২৩ অর্থবছরে ডিএসসিসির ৬৭৪১ কোটি ২৮ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএসসিসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে বলেন, সরকার প্রধানের এমন নির্দেশনার পরও ২০২২-২৩ অর্থবছরে উচ্চাভিলাষী বাজেট অনুমোদন দিয়েছে ডিএসসিসি। অথচ গত দুই অর্থবছর এই খাতে লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছিও পৌঁছাতে পারেনি সংস্থাটি। যে কারণে বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারছে না তারা।

ডিএসসিসির রাজস্ব আয় বাড়ছে
হোল্ডিং ট্যাক্স, বাজার সালামি, ট্রেড লাইসেন্স, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর কর, বাজার ভাড়া, কোরবানির পশুরহাট ইজারা, রাস্তা খোঁড়া ফি, গাড়ি পার্কিং, কমিউনিটি সেন্টার ভাড়াসহ বিভিন্ন খাত থেকে রাজস্ব আদায় করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। এছাড়া সরকারের অন্যান্য খাত থেকেও করপোরেশনের রাজস্ব আয় হয়। সব মিলিয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২০৮ কোটি টাকা।

এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরে বাজেটে এক হাজার ২১১ কোটি রাজস্ব আয় ও ৩১ কোটি টাকা অন্যান্য আয় লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। এর মধ্যে রাজস্ব আয় হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, অন্যান্য আয় ৪৬ কোটি। সব মিলিয়ে রাজস্ব আয় হয়েছে ৮৭৯ কোটি টাকার বেশি। তবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৬৩ কোটি টাকা কম। তবে বিগত বছরের তুলনায় রাজস্ব আয়ের এটি একটি বড় রেকর্ড বা অর্জন। এর আগে ২০২০-২১ অর্থবছরেও ৭০৩ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে, যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় ১৮৯ কোটি টাকা বেশি।

গত ২৬ জুলাই নগর ভবনে করপোরেশন সভায় সভাপতিত্ব করেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। এসময় তিনি ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রসঙ্গে বলেন, সর্বকালের ইতিহাস ভঙ্গ করে বিগত অর্থবছরে আমরা ৮৭৯ কোটিরও বেশি রাজস্ব আহরণ করেছি। আমরা মাত্র দুই বছরের মধ্যে একটি ভঙ্গুর করপোরেশনকে ঢাকাবাসীর আস্থার করপোরেশনে পরিণত করেছি।

২০২০-২১ ও ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নে ব্যর্থতার কারণ সম্পর্কে তিনি কিছুই বলেননি। করপোরেশন সভায় এ নিয়ে কোনো কাউন্সিলরও প্রশ্ন তোলেননি বলে জানা গেছে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের জাগো নিউজকে বলেন, ৪ আগস্ট নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করবেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। ওই সংবাদ সম্মেলনে বিগত বছরের বাজেট নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে পারবেন।


আরও খবর



ছয় বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণ, মাদরাসার শিক্ষিকার স্বামী গ্রেফতার

প্রকাশিত:Friday ২৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে ছয় বছর বয়সী মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মো. আবদুল মঞ্জুকে (৪০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০। মঞ্জু ওই মাদরাসার শিক্ষিকার স্বামী।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর কাফরুল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এনায়েত কবির সোয়েব।

তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জ এলাকায় ভুক্তভোগী শিশুটি একটি ভাড়া বাসায় মা-বাবার সঙ্গে থাকতো। শিশুটির মা-বাবা তাকে স্থানীয় একটি মহিলা মাদরাসায় কেজি শ্রেণিতে ভর্তি করেন। গত ১৬ জুলাই সকাল ৮টায় প্রতিদিনের মতো শিশুটির মা তাকে মাদরাসায় দিয়ে বাসায় চলে আসেন। সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে টিফিন খাওয়ানোর জন্য তিনি আবার মাদরাসায় যান। ওই সময় শিশুটির মা মাদরাসায় গিয়ে দেখেন ক্লাসের শিক্ষিকা ও সব ছাত্রীরা টিফিনের জন্য বাসায় চলে গেছে এবং তার মেয়ে ক্লাসে নেই। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে মেয়ের চিৎকার শুনে মাদরাসার কেবিনে সামনে গিয়ে তিনি দেখতে পান তার মেয়েকে ধর্ষণ করছে মাদরাসার শিক্ষিকার স্বামী মো. আবদুল মঞ্জু।

এনায়েত কবির বলেন, মাকে দেখে মঞ্জু শিশুটিকে ছেড়ে দৌড়ে পালিয়ে যান। পরে শিশুটির মা ভিকটিমকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মো. আবদুল মঞ্জুর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

সহকারী পুলিশ সুপার আরও বলেন, এ ঘটনায় র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় রাজধানী কাফরুল থানার মিরপুর-১৩ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবদুল মঞ্জুকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, মঞ্জু ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



নাসিরনগরে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী সহ ৮ আসামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

প্রকাশিত:Friday ২৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৬০৫জন দেখেছেন
Image


মোঃ আব্দুল হান্নানঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর থানা পুলিশ ২৮ জুলাই ২০২২ তারিখ রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মাদক মামলার ১০ বছরের সাজা প্রাপ্ত পলাতক আসামী সহ ৮ গ্রেপ্তারী পরোয়ানাভুক্ত আসামীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছেন।


গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন,জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের  জিলু মেম্ভারের ছেলে আরজান মিয়া।তার বিরোদ্ধে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানার জি,আর ৯০/১৮ মাদক মামলার ১০ বছরের সাজা রয়েছে।


আরজান এতদিন পলাতক ছিলেন।তাছাড়াও বুড়িশ্বর ইউনিয়নের প্যাচা বাড়ির মৃত ফালান ফকিরের ছেলে সিআর-৮১/২২ মামলার আসামী লিয়াকত আলী, ও সাদ্দাম মিয়া, সিআর২৩৯/২২ মামলার আসামী হালিমা বেগম, স্বামী-মইন উদ্দিন, সাং-ধরমন্ডল, সিআর-৬৫/২২ মামলার আসামী মোশারফ হোসেন, পিতা-মৃত রইছ আলী, মাসুক মিয়া, পিতা-মৃত রমজ আলী,হুসনা বেগম, স্বামী-মর্তুজ আলী, মগবুলপুর,ও সিআর ৩২২/২০ মামলার আসামী নাসিমা বেগম, স্বামী-রাজিব মিয়া, সাং-নুরপুরকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে নাসিরনগর থানা পুলিশ।


আরও খবর



সাপের কামড়ে সংকটাপন্ন, সুস্থ হয়ে চিকিৎসকদের শুভেচ্ছা বৃদ্ধের

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

মাঠের জমিতে সাপের কামড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ৬০ বছরের জুরু মিয়া। পরিবারের সদস্যরা তার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা দুদিন চিকিৎসা দিয়ে তাকে সুস্থ করে তোলেন।

নতুন জীবন ফিরে পেয়ে মঙ্গলবার (২ আগস্ট) দুপুরে হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের কৃতজ্ঞতাস্বরূপ ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বৃদ্ধ জুরু মিয়া।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তবর্তী উপজেলা বিজয়নগরের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের দুলালপুরের নুরু মিয়ার ছেলে মো. জুরু মিয়া (৬০)। রোববার (৩১ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে মাঠের জমি দেখতে যান। এ সময় পেছন থেকে বিষাক্ত কিছু তার পায়ে কামড় দেয়। ক্ষতস্থান দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। এই অবস্থায় তিনি বাড়িতে চলে যান।

এ ঘটনার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পড়েন জুরু মিয়া। তখন পরিবারের সদস্যরা ধারণা করেন তাকে বিষাক্ত সাপ কামড় দিয়েছে। এ অবস্থায় তার পায়ের ওপরে রশি দিয়ে বেঁধে দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে যখন পৌঁছেন তখন প্রায় বিকেল ৫টা। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক ওষুধ দিয়ে দ্রুত ভর্তি করেন নেন।

তারপরও সাপের বিষক্রিয়ায় জুরু মিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখেন চিকিৎসকরা। পরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ কয়েকজন চিকিৎসক পরামর্শ করে সাপের কামড়ের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন দিয়ে পর্যবেক্ষণে রাখেন। দুদিন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠেন জুরু মিয়া।

সুস্থ হওয়ার পর মঙ্গলবার দুপুরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে চিকিৎসক ও নার্সদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জুরু মিয়া। এ সময় চিকিৎসকরাও তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

জুরু মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রথমে আমি কিছু বুঝে উঠতে পারিনি। শরীর যখন দুর্বল হয়ে ওঠে, তখন বুঝতে পারি বিষাক্ত কিছু আমাকে কামড় দিয়েছে। আমি জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তাদের চিকিৎসাসেবায় আমি নতুন জীবন ফিরে পেয়েছি।’

২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ওয়াহীদুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে ওই ব্যক্তি আমাদের হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। অবশেষে আমাদের চিকিৎসক ও নার্সদের আন্তরিক চিকিৎসায় তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আশা করছি, ভবিষ্যতেও যদিও সাপে কাটা কোনো রোগী আসেন তাহলে আমরা অ্যান্টিভেনমের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারবো।’


আরও খবর



গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৩

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ১৫ শিশু ও চারজন নারী রয়েছেন। কয়েক দিনের ভয়াবহ হামলায় আহত হয়েছেন তিন শতাধিক ফিলিস্তিনি। সোমবার (৮ আগস্ট) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বেসামরিক বাহিনী ও উদ্ধারকর্মীরা সীমিত সরঞ্জাম থাকা সত্ত্বেও শরণার্থী শিবিরের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মরদেহ ও আহতদের উদ্ধার করছে। শিবিরের সরু গলিপথ উদ্ধার প্রক্রিয়াকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

এদিকে ইসরায়েলের এমন ভয়াবহ হামলার নিন্দা জানিয়ে বিশ্বের নীরবতাকে দুঃখজনক বলে আখ্যায়িত করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানানি।

এক টুইটার বার্তায় ইসরায়েলি হামলার কিছু ছবি প্রকাশ করে নাসের কানানি বলেন, এগুলো হলো ইহুদিবাদী- বর্ণবাদী শাসকগোষ্ঠীর গাজায় সাম্প্রতিক হামলার লক্ষ্যবস্তুর উদাহরণ। গাজায় ইহুদিবাদীদের অপরাধের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মানবাধিকার সংস্থার নীরবতা শোচনীয় ও দুঃখজনক।

ইসরায়েলের দাবি ইসলামিক জিহাদের ‘তাৎক্ষণিক হুমকির’ কারণে তারা এই অভিযান শুরু করেছে। ২০২১ সালের মে মাসে ১১ দিন ধরে চলা সংঘর্ষের পর এটাই ইসরায়েল ও গাজার মধ্যে সবচেয়ে বড় সংঘাতের ঘটনা।


আরও খবর