Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৮২জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image

দেশে করোনা সংক্রমণের উর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। আজ রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে এক হাজার ৬৮০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ সময় করোনায় মৃত্যু হয়েছে দুইজনের।

আগের দিন করোনা শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ২৮০ জনের। আর করোনায় মৃত্যু হয়েছিল তিনজনের।

টানা ২০ দিন দেশে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। গত ২০ জুন করোনায় একজনের মৃত্যুর কথা জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর টানা চার দিন করোনায় একজন করে মৃত্যু হয়। মাঝে এক দিন কারও মৃত্যু হয়নি। সর্বশেষ দুই দিনে তিনজন ও দুইজনের প্রাণ গেল এই ভাইরাসে।


আরও খবর



এক্সিকিউটিভ নেবে এনআরবি ব্যাংক সিকিউরিটিজ

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

এনআরবি ব্যাংক সিকিউরিটিজ পিএলসি ‘অ্যাকাউন্টস এক্সিকিউটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১৬ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: এনআরবি ব্যাংক সিকিউরিটিজ পিএলসি

পদের নাম: অ্যাকাউন্টস এক্সিকিউটিভ
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর
অভিজ্ঞতা: ০৫ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: ৩৫ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১৬ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



তাজিনের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে প্রথম হওয়ার গল্প

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

নূর ইসরাত জাহান তাজিন ৪০তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে (সুপারিশপ্রাপ্ত) প্রথম হয়েছেন। তাজিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স পাস করেছেন। সম্প্রতি তার ক্যাডার হওয়ার গল্প, পরীক্ষার প্রস্তুতি ও নতুনদের পরামর্শ নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন জাগো নিউজকে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আনিসুল ইসলাম নাঈম—

জাগো নিউজ: আপনার পড়াশোনা সম্পর্কে বলুন—
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: আমি ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস সেভেন পর্যন্ত পড়েছি আদমজী গার্লস হাই স্কুলে। এরপর এসএসসি পাস করি সিদ্ধিরগঞ্জ রেবতী মোহন পাইলট হাই স্কুল থেকে। আমি ইন্টারমিডিয়েট, অনার্স ও মাস্টার্স সব দিয়েছি বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে। আমার আম্মুও এ কলেজেই পড়তেন।

জাগো নিউজ: আপনার শৈশব কেমন কেটেছে?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: আমার শৈশব কেটেছে নারায়ণগঞ্জের আদমজীতে। আমার নানা ভাই আদমজী হাই স্কুলের গণিতের শিক্ষক ছিলেন। আমার জীবনের ভিত গড়েছেন আমার নানা ভাই ও নানু।

জাগো নিউজ: পড়াশোনায় কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল কি?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: না। পড়াশোনায় কোনো প্রতিবন্ধকতা ছিল না। তবে মেডিকেল চান্স না পেয়ে প্রচণ্ড হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ি। এমনও ভেবেছি যে, আর পড়াশোনাই করব না। এমনকি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য চেষ্টাও করিনি। ওই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসাটা আমার জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল।

জাগো নিউজ: বিসিএসের স্বপ্ন দেখেছিলেন কখন থেকে?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: আমি যখন কলেজে অনার্সে ভর্তি হই; তখন আমার ডিপার্টমেন্টের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরা আমাকে অনেক অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। নতুন করে শুরু করার জন্য এবং মূলত তখন থেকেই বিসিএসের স্বপ্ন দেখা শুরু। আর পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রত্যাশা তো ছিলই।

জাগো নিউজ: বিসিএস যাত্রার গল্প শুনতে চাই, পাশাপাশি প্রস্তুতি কীভাবে নিয়েছেন?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: অনার্স তৃতীয় বর্ষ থেকে ফ্রিল্যান্সিংয়ে জড়িয়ে পড়ার কারণে বিসিএসের জন্য সিরিয়াসলি প্রিপারেশন নিতে আমার অনেক দেরি হয়। ৩৮তম প্রিলিমিনারি ফেল করার পর আমি বুঝতে পারি, আমাকে পড়াশোনায় আরও বেশি সময় দিতে হবে। সে সময়ই টিউশনি, ফ্রিল্যান্সিং বাদ দিয়ে বাসায় বসে প্রিপারেশন নেওয়া শুরু করি। ৪০তমের প্রিলিমিনারির আগের ছয় মাস থেকে লিখিত পরীক্ষা পর্যন্ত আমি কেবল তিনটি কাজই করেছি—খাওয়া, ঘুম আর পড়াশোনা।

জাগো নিউজ: পর্দার আড়াল থেকে কেউ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: বিসিএস একটি দীর্ঘ যাত্রা। এ সময় পরিবারের সাপোর্ট খুবই জরুরি। আমার পরিবারের আম্মু-আব্বু, মনি-তাতা, ভাই-বোনরা, বন্ধু-বান্ধব, কলিগ, বিশেষ করে আমার বান্ধবী ডিনু ও আমার স্বামী সব সময় আমার পাশে ছিল।

জাগো নিউজ: নতুনরা বিসিএস প্রিলির জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নেবেন?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: নতুনদের বলবো, সবার আগে মাইন্ড সেট করতে হবে। আমি কি সত্যিই সিভিল সার্ভিসে যেতে চাই কি না। কেননা একটা দীর্ঘ সময় ধৈর্য সহকারে নিয়মিত পড়াশোনা করতে হয়। প্রিলিমিনারির জন্য সিলেবাস ধরে প্রতিটি টপিকের ওপর স্বচ্ছ ধারণা নিতে হবে। নিজের স্ট্রং জোনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এ ছাড়া যেসব টপিক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন হয়, সেগুলো বারবার পড়তে হবে। যাতে কোনো কনফিউশন না থাকে। কমন প্রশ্নের উত্তর ভুল করা যাবে না। যেহেতু নেগেটিভ মার্ক আছে। বেশি বেশি এমসিকিউ সলভ করতে হবে ও মডেল টেস্ট দিতে হবে।

জাগো নিউজ: প্রিলি শেষ করার পর বিসিএস লিখিত প্রস্তুতি নিয়ে আপনার পরামর্শ কী?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: লিখিত পরীক্ষার সিলেবাসের ব্যাপকতা অনেক। লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তাই যেমন অনেক পড়তে হবে, তেমনই সেগুলো খাতায় যথাযথভাবে উপস্থাপন করার কৌশলও রপ্ত করতে হবে। এ জন্য পয়েন্ট ধরে লেখা, প্রয়োজনীয় সংজ্ঞা, উক্তি, ম্যাপ, চিত্র, তথ্য-উপাত্ত সংযোজন, দ্রুত ও স্পষ্ট লেখা জরুরি। লিখিত পরীক্ষার নম্বর যেহেতু যোগ হয়, তাই সব প্রশ্নের উত্তর করে আসার মানসিকতা থাকতে হবে। আর অবশ্যই নিয়মিত পত্রিকা পড়তে হবে এবং খবর শুনতে হবে।

জাগো নিউজ: বিসিএস ভাইবার প্রস্তুতি কেমন হতে হয়?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: ভাইভার জন্য সামগ্রিক প্রস্তুতি প্রয়োজন। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেকে অন্যের সামনে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে জানতে হবে। মার্জিত পোশাক, স্পষ্ট উচ্চারণে সাবলীলভাবে কথা বলা, নম্র আচরণ, সৎ চিন্তা ও যে বিষয় নিয়ে কথা বলবো সে বিষয় নিয়ে স্বচ্ছ ধারণা—এসব কিছুর সম্মিলনেই একজন প্রার্থী নিজেকে ভাইভার জন্য প্রস্তুত করতে পারে। এ ছাড়া নিজের সম্পর্কে, নিজের পঠিত বিষয়, মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, চলমান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।

জাগো নিউজ: প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কঠিন বিষয়ে করণীয় কী?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: আমি বলবো, কঠিন বিষয়গুলো ভয় পেয়ে এড়িয়ে না গিয়ে সেগুলো সম্পর্কে কিছুটা হলেও ধারণা রাখা উচিত। এ জন্য কারো সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। তবে কোনো কিছু একেবারেই আয়ত্তে আনতে না পারলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। সে ক্ষেত্রে প্রার্থী তার স্ট্রং জোনের ওপর ফোকাস করবে, যাতে তিনি ওই বিষয়গুলোয় সর্বোচ্চ নম্বর পান।

জাগো নিউজ: পুরো প্রস্তুতিতে যেসব বিষয় এড়িয়ে চলা উচিত?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: পুরো প্রস্তুতির সময়টাতে একাগ্রতা জরুরি। ধৈর্যহারা হলে চলবে না। দুদিন খুব পড়লাম তারপর আবার দুদিন পড়লাম না, এমন যেন না হয়। ভালো না লাগলেও পত্রিকা পড়তে হবে, খবর শুনতে হবে। অপ্রয়োজনীয় আড্ডা পরিহার করতে হবে। মোবাইলে আসক্তি কোনোভাবেই কাম্য নয়। দরকার হলে স্মার্ট ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। সর্বোপরি শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে। অতি আত্মবিশ্বাসী হওয়া যাবে না। এটা কখনোই ভাবা যাবে না যে, বিসিএস না হলে আমার জীবন শেষ হয়ে যাবে।

জাগো নিউজ: বিসিএস যাত্রায় সোশ্যাল মিডিয়া কি কোনো ভাবে কাজে এসেছে?
নূর ইসরাত জাহান তাজিন: আমরা এখন ডিজিটাল যুগে বাস করছি। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কাছে আমাদের যেতেই হয়। আমিও চাকরির প্রস্তুতির বিভিন্ন গ্রুপ থেকে অনেক সাহায্য পেয়েছি। তবে সময়ের দিকটাও খেয়াল রাখতে হবে, যাতে তা প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত না ঘটায়। সবশেষে এটাই বলবো, আল্লাহর ওপর এবং রিজিকের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। একজন প্রার্থীর কাজ হলো লক্ষ্য ঠিক রেখে, ধৈর্য সহকারে নিয়মিত পড়াশোনা করা ও সুস্থ থাকা। তাহলে সফলতা আসবেই।


আরও খবর



বুরো বাংলাদেশের সঞ্চয় ও কিস্তি পরিশোধ করা যাচ্ছে ‘নগদ’-এ

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

সাধারণ গ্রাহকদের সঞ্চয় ও ঋণের কিস্তি পরিশোধের ঝামেলা দূর করতে অনলাইন পেমেন্ট সুবিধা চালু করেছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বুরো বাংলাদেশ। ফলে বুরো বাংলাদেশের গ্রাহকরা সহজেই ‘নগদ’-এর মাধ্যমে তাদের সঞ্চয় ও ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারবেন।

সম্প্রতি বুরো বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চলমান চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। এসময় ‘নগদ’-এর নির্বাহী পরিচালক মারুফুল ইসলাম ঝলক, হেড অফ বিজনেস সেলস মো. সাইদুর রহমান দিপু, হেড অব এমএফআই ও গভর্নমেন্ট সেলস অপারেশন তানভীর চৌধুরী এবং বুরো বাংলাদেশের ডিরেক্টও অপারেশনস ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ফারমিনা হোসেন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রাণেশ চন্দ্র বণিক, বিশেষ কর্মসূচি পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলামসহ দুই প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সেবার ফলে বুরো বাংলাদেশের গ্রাহকরা খুব সহজেই মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর মাধ্যমে যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে তাদের সঞ্চয় ও ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারবেন। এছাড়া ‘নগদ’-এর ডিজিটাল সেবা ব্যবহারের মাধ্যমে বেসরকারি এই উন্নয়ন সংস্থার গ্রাহকদের অতিরিক্ত খরচের পাশাপাশি বাঁচবে মূল্যবান সময়ও।

যাত্রার পর থেকেই ‘নগদ’ ব্যাংক কিংবা আর্থিক অন্তর্ভুক্তির বাইরে থাকা সাধারণ মানুষদের নিয়ে কাজ করছে। এরইমধ্যে পিছিয়ে পড়া জনগণকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির আওতায় এনে দেশে বিপ্লব ঘটিয়েছে ডাক বিভাগের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’। বুরো বাংলাদেশের সঙ্গে এই সম্পৃক্ততার ফলে ‘নগদ’ বিপুল পরিমাণ সাধারণ মানুষকে ডিজিটাল আর্থিক সেবার আওতায় আনতে পারবে।

এ বিষয়ে ‘নগদ’-এর নির্বাহী পরিচালক মারুফুল ইসলাম ঝলক বলেন, যাত্রার শুরু থেকেই ‘নগদ’ গ্রাহকদের ঘরে বসে যেকোনো ধরণের লেনদেনের সুবিধা দিতে বিভিন্ন রকম প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনী সেবা চালু রেখেছে। এখন থেকে নগদ এবং বুরো বাংলাদেশের গ্রাহকরা তাদের সঞ্চয় ও ঋণের কিস্তি ঘরে বসেই পরিশোধ করতে পারবেন যা ক্যাশলেস সমাজ প্রতিষ্ঠায় নগদ-এর জন্য আরেকটি মাইলফলক।


আরও খবর



আজকের কৌতুক: হাতি ও ঘোড়ার মধ্যে পার্থক্য

প্রকাশিত:Sunday ৩১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

হাতি ও ঘোড়ার মধ্যে পার্থক্য
শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক প্রাণিজগত সম্পর্কে পড়াচ্ছেন—
শিক্ষক: বলো তো, হাতি ও ঘোড়ার মধ্যে পার্থক্য কী?
ছাত্র: ঘোড়ার লেজ থাকে পেছনে আর হাতির লেজ থাকে সামনের দিকে!

****

স্ত্রীর অ্যাপেন্ডিক্স অপারেশন
এক ব্যক্তি ছুটতে ছুটতে ডাক্তারের কাছে গেল। তাকে বলছে—
ব্যক্তি: ডাক্তার বাবু, তাড়াতাড়ি আমার বাড়ি চলুন, আমার স্ত্রীর অ্যাপেন্ডিক্সে প্রচুর ব্যথা হচ্ছে।
ডাক্তার: তোমার স্ত্রীর অ্যাপেন্ডিক্স আমি একবছর আগেই অপারেশন করে বাদ দিয়ে দিয়েছি। পৃথিবীতে এরকম কোনো মানুষ নেই যার দুটি অ্যাপেন্ডিক্স আছে।
ব্যক্তি: রিলাক্স ডাক্তার বাবু, রিলাক্স। পৃথিবীতে এরকম কোনো মানুষ নেই, যার দুটি অ্যাপেন্ডিক্স থাকতে পারে, কিন্তু এরকম মানুষতো আছে যার দুটি বউ থাকতে পারে।

****

নিউটনের জীবনী
শিক্ষক: পল্টু, নিউটন সম্পর্কে কিছু জানো?
পল্টু: জানি স্যার!
শিক্ষক: বলো, কী জানো?
পল্টু: বিজ্ঞানীর নাম নিউটন। কাজ রহস্য উদঘাটন। বাড়ি ওয়াশিংটন। বাপের নাম কটন। ভাইয়ের নাম ছোটন। ছেলের নাম প্রোটন। প্রিয় হোটেল শেরাটন। প্রিয় খাবার মাটন। প্রিয় বন্ধুর নাম রতন। প্রিয় খেলার নাম ম্যারাথন। স্যার, আর কিছু?
শিক্ষক: আমার জন্য পানি আনো এক টন।


আরও খবর



‘সারের মূল্যবৃদ্ধি কৃষকের বিপদ আরও বাড়াবে’

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

ইউরিয়া সারের দাম একবারেই বাড়ানো হয়েছে কেজিপ্রতি ৬ টাকা। কৃষককে এখন ১৬ টাকার পরিবর্তে ২২ টাকা খুচরামূল্যে প্রতিকেজি ইউরিয়া কিনতে হবে। একবারে সারের ৩৮ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি বাংলাদেশের ইতিহাসে বিরল ঘটনা।

‘সারের মূল্যবৃদ্ধি এবং কৃষির ওপর এর প্রভাব কী পড়তে পারে’ এ বিষয়ে কথা হয় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং বাংলাদেশের কমিনিউস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমের সঙ্গে।

রাশেদ খান মেনন তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘বিশ্ববাজারে যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে, এতে সারের মূল্যবৃদ্ধি একেবারে আকস্মিক নয়। ইউরিয়া সারের দাম বাড়ানো হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে জমিতে অধিক পরিমাণে ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হচ্ছে। ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমিয়ে আনার স্বার্থে দাম কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।’

‘তবে আমি মনে করি, খাদ্য উৎপাদনে যেন প্রভাব না পড়ে, তার জন্য বিকল্প ভাবনায় গুরুত্ব দিতে হবে। যদি বিকল্পভাবে উৎপাদন না বাড়ানো যায়, তাহলে খাদ্যদ্রব্যের মূল্য আরও অনেক বেড়ে যাবে।’

খাদ্যদ্রব্যের বাজার অস্থির। কৃষক ন্যায্যমূল্য পায় না। এমন পরিস্থিতিতে সারের দাম বৃদ্ধি বাজার আরও বেসামাল করে তুলবে কি না? জবাবে সরকারের সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘সারের দাম বাড়লে কৃষিমূল্য বাড়বেই। কৃষিমূল্য কমিয়ে রাখাই হচ্ছে আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এটি সরকার আসলে কীভাবে মোকাবিলা করে, তা দেখা দরকার। এখানে চট করে হ্যাঁ বা না বলার মতো কিছু নেই। আমি বলছি, কৃষক যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে প্রথমে নজর রাখতে হবে।’

বিকল্প পন্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সারের বণ্টনটা সরকার যথাযথভাবে করে না। এখানে ভর্তুকি দেওয়া হয়। এই ভর্তুকি আসলে কারা পায়, প্রকৃত কৃষক লাভবান হয় কি না, তা আগে ভাবতে হবে। প্রকৃত কৃষক লাভবান হলেই খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হবে, কৃষির উপকার হবে। জৈব সারের উপরেও গুরুত্বরোপ করা যায়। ডিজেল ও রাসায়নিক সারের দাম বাড়াতে হলে আমাদের আরও সতর্ক থাকতে হবে। আরও গভীরভাবে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

সারের মূল্যবৃদ্ধি কৃষকের সর্বনাশ ডেকে আনবে উল্লেখ করে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘সরকার ইউরিয়া সারের ৩৮ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত নয়। কৃষক খুবই বিপদে আছে। সারের মূল্যবৃদ্ধি কৃষকের বিপদ আরও বাড়াবে। সরকারের এমন সিদ্ধান্ত অন্যায্য, অন্যায় ও জুলুম বলে মনে করি। কৃষকের সর্বনাশ ডেকে আনতেই সারের দাম বাড়ানো। কৃষিব্যবস্থা ও কৃষি উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

‘আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম বাড়ছে। সরকার এমন যুক্তি দেখিয়ে দাম বাড়ানোর কথা বলছে।’ জবাবে সেলিম বলেন, ‘সরকার তো ধনীদের জন্য লাখ লাখ টাকা ভর্তুকি দেয়, ঋণ সুবিধা দেয়, কর রেয়াত দেয়। সরকারের উচিত হচ্ছে, ধনীক শ্রেণির জন্য যে ভর্তুকি, তা বন্ধ করে কৃষকের জন্য বরাদ্দ দেওয়া। কৃষক না বাঁচলে কেউ রক্ষা পাবো না। ’

‘সরকার বলে আমরা প্রাইভেট সেক্টরের পক্ষে। ভালো কথা। বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় প্রাইভেট সেক্টর হচ্ছে কৃষি। অথচ, কৃষির উপর বাড়তি ব্যয় চাপিয়ে দিচ্ছে। গার্মেন্ট মালিকদের কর রেয়াত দিচ্ছে, ব্যাংক সুবিধা দিচ্ছে, প্রণোদনা দিচ্ছে। কিন্তু শ্রমিকরা সুবিধার বাইরেই থেকে যাচ্ছে।’

সরকারের আসলে পাবলিক বা প্রাইভেট সেক্টর নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই। আমরা কৃষকের অধিকার নিয়ে কাজ করছি এবং সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছি।’- উল্লেখ করেন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম।


আরও খবর