Logo
আজঃ Wednesday ২৬ January ২০২২
শিরোনাম
অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে সহ-শিল্পীদের নগ্ন ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদেশের মাটিতে কৃষিপণ্য সরবরাহ বাড়াণোর লক্ষ্যে : ইরান রাজনৈতিক কঠিন চাপে রয়েছেন মেয়র আরিফুল স্বপ্নের মেট্রোরেল রওনা হলো আগারগাঁওয়ের উদ্দেশে ওমিক্রনের সংক্রমণে ভারতে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত নিয়মিত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ মুরাদ হাসান এমিরেটসের ফ্লাইটে কানাডা গেলেন সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলী মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আগামী বিশ্বকাপে ব্যাটসম্যানদের উন্নতি দেখতে চান করোনাভাইরাসে আরও ছয়জনের মৃত্যু বিশ্বের ৪৩তম ক্ষমতাধর নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

করোনা আক্রান্ত ভারতের ১৩ যাত্রী কোয়ারেন্টিন থেকে পালিয়েছে

প্রকাশিত:Friday ০৭ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১৪১জন দেখেছেন
Image

বুধবার চার্টার্ড ফ্লাইটে ইতালির মিলান থেকে অমৃতসরে ল্যান্ড করার পর শিশু বাদে ১৬০ যাত্রীর কভিড পরীক্ষা করা হয়। এতে ১২৫জনেরই ফল পজেটিভ আসলে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। তাদের মধ্যে অন্তত ১৩জন পালিয়ে গেছে। 

বৃটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, ভারতের অমৃতসরে ল্যান্ড করা ইতালি ফেরত যাত্রীদের মধ্যে কভিড-১৯ পজেটিভ হওয়া অন্তত ১৩ যাত্রী প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন থেকে পালিয়ে গেছেন। তারা কভিড আক্রান্ত ১২৫ জনের তালিকায় ছিলেন, যারা বুধবার বিকালে মিলান থেকে অমৃতসরনে ফেরেন। নগর কর্মকর্তা সারজাং সিং বিবিসি পাঞ্জাবিকে বলেন, পালিয়ে যাওয়া কভিড রোগীদের মধ্যে ৯জন বিমানবন্দর থেকে এবং ৪ জন স্থানীয় হাসপাতাল থেকে পালিয়েছেন।  

পুলিশ অবশ্য বলছে, তাদের সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ শুক্রবার ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, নভেল করোনাভাইরাসের অতিসংক্রামক নতুন ধরন অমিক্রনের কারণেই এক সপ্তাহের ব্যবধানে কভিড আক্রান্ত এত বাড়ছে। গতকাল স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুসারে, আগের ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৯০ হাজার ৯২৮ জন।


আরও খবর



ডেমরায় ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে সন্ত্রাসীরা

ডেমরায় ব্যবসায়ীর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে সন্ত্রাসীরা

প্রকাশিত:Friday ১৪ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১১১জন দেখেছেন
Image


বজলুর রহমানঃ

রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকার একটি সন্ত্রাসী চক্র ড্রেজার ব্যবসায়ী সাইদুর রহমান বাবুলের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।


চাঁদা দাবীর ঘটনায় সাইদুর রহমান বাবুল বাদী হয়ে ডেমরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।ডেমরা থানার মামলা নং-১৫ তারিখ ৯/১১/২০২২ ইং।বাদীর লিখিত এজাহারে বর্নিত বক্তব্যসুত্রে জানাগেছে,ওই ব্যবসায়ীর ম্যানেজার মো. হারুন দাবির চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে চাঁদাবাজরা ড্রেজারের পাইপ ও বিভিন্ন সরঞ্জাম ভাঙচুর করে। ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়। গত ৫ জানুয়ারি ডেমরা এলাকার দুর্গাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।


ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী রোববার রাত ১১টার দিকে অভিযুক্ত ছয়জনসহ অজ্ঞাত ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় মামলা করেন। অভিযুক্তরা হলেন সবুজবাগ থানার বেগুনবাড়ী এলাকার মো. সামসুদ্দিনের ছেলে মো. নিজাম ও তার ছোট ভাই মুসলিম সরদার, একই থানার মানিকদিয়া চেয়ারম্যানবাড়ি এলাকার মো. নাসির, ছদর উদ্দিনের ছেলে ইমাম উদ্দিন, ভাইকদিয়া এলাকার আনিছ মিয়ার ছেলে আজিম মিয়া, একই এলাকার আলমাস আলীর ছেলে নজরুল ইসলাম।


ভাইকদিয়া এলাকার আনিছ মিয়ার ছেলে আজিম মিয়ার নামে বিভিন্ন অভিযোগে সবুজবাগ,রামপুরা,খিলগাঁও থানা সহ বিভিন্ন থানায় মামলা আছে বলে জানায় এলাকাবাসী ।তারা ভুমি জালিয়াত চক্রের সদস্য এবং ঐ এলাকার ভুমিদস্যু বলেও জানায় স্থানীয়রা।


ডেমরা থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, ওই ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন নদীতে ড্রেজার বসিয়ে এ এলাকার নিম্নাঞ্চলে বালু ভরাটের কাজ করে আসছেন। ওই কাজেই ড্রেজারের পাইপ দিয়ে বালু দুর্গাপুর হয়ে সবুজবাগ এলাকায় টানা হয়। আর এ পাইপে বালু টানাকে কেন্দ্র করে সবুজবাগ থানা এলাকার ওই সন্ত্রাসীরা চাঁদা দাবি করে।


আরও খবর



ট্রাফিক-ডেমরা জোনের উদ্যোগে হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধে ও মাদকবিরোধী কর্মসূচি

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ২১ January ২০২২ | ১২১জন দেখেছেন
Image


নাজমুল হাসানঃ

রাজধানী ঢাকায় যানবাহনের হর্ন উচ্চ শব্দ তৈরি করে।ঢাকার বেশির ভাগ যানবাহনে হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করা হয়। যদিও আইনে হর্ন ব্যবহার নিষিদ্ধ।


যথাযথ তদারকির অভাবে হর্ন বাজানোর বিষয়টি কমানো যাচ্ছে না বলে অভিযোগ নাগরিকদের।নগরবাসীর মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে যেখানে-সেখানে যানবাহনের হর্ন বাজানোর ওপর বিধি-নিষেধ জানিয়ে প্রচারনা চালাতে ট্রাফিক-ডেমরা জোনের উদ্যোগে ৪ জানুয়ারি ২০২২ খ্রি. তারিখে পোস্তগোলা ঈগলবক্স এলাকায় যানবাহনে হাইড্রোলিক হর্ন বন্ধে ও মাদকবিরোধী ব্যতিক্রমী সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।


কর্মসুচীতে ব্যান্ডপার্টি নিয়ে সড়কে অবস্থান গ্রহন করে ট্রাফিক পুলিশ।এ সময় উপস্থিত ছিলেন ট্রাফিক-ডেমরা জোন এর সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ ইমরান হোসেন মোল্লা,ট্রাফিক ইন্সপেক্টর মোস্তাক কলিমুল্লাহ সহ ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা।হাইড্রোলিক হর্নের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করতে হলে এটা যে জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, এই বিষয়টি সবাইকে বোঝাতে হবে। বিশেষ করে যানবাহনের মালিক ও চালকদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে।


একই সঙ্গে এর আমদানি, উৎপাদন ও বাজারজাত বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সক্রিয় হতে হবে।তারই অংশ হিসেবে ট্রাফিক পুলিশের এই অভিনব কর্মসুচী।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন রিপন সভাপতি ও রাকেশ সম্পাদক

প্রকাশিত:Thursday ৩০ December ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৫ January ২০২২ | ১৪২জন দেখেছেন
Image


মোঃ আব্দুল হান্নান, 

২৬ সদস্য বিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ফাউন্ডেশনের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটি গঠন  করা হয়েছে। কমিটিতে এডভোকেট আবু শামীম মোঃ রিপনকে সভাপতি ও  এডভোকেট রাকেশ সরকারকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।


২৯ ডিসেম্বর ২০২১ রোজ বুধবার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ নুরুল ইসলাম মজুমদার সবুজ স্বাক্ষরিত এ কমিটির অনুমোদন দিয়েছে। কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে আমীর ফারুক,কাঞ্চন কুমার পাল, মিসেস জাকারিয়া বারী, যুগ্ন সাধারণ পদে ইসতিয়াক আহমেদ রুমেল, মোঃ আব্দুল হান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মাইনুল করিম পাপ্পু , সহ সাংগঠনিক পদে এডভোকেট এমদাদুল হক চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক পদে নয়ন সাহা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মাহাদিয়া শামীম রাইসা ও সাধারণ সদস্য পদে এডঃ কামরুজ্জামান চৌধুরী, এডঃ আব্দুল হক, এডঃ ছাদেকুর রহমান, এডঃ এনামল হক, মোঃ শফিকুল ইসলাম, দিদারুল ইসলাম রিমন, মোঃ পারভেজ মোশারফ, মিসেস নুজাবা খান, এডঃ সুমন রায়, সাইফুল ইসলাম, মোঃ জামান খান, বাহার হাজারী, মনোয়ার হোসেন রানা, শেখ জুবায়ের আহমেদ জুয়েল ও এড: জয়লাল বিশ্বাসকে রাখা হয়েছে।


-খবর প্রতিদিন/ সি.বা 

আরও খবর



দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রকাশিত:Thursday ০৬ January ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ২৬ January ২০২২ | ১১০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক" দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন,‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে উন্নয়ন, প্রযুক্তি জ্ঞান বৃদ্ধি এবং বিশ্ব দরবারে যেন তারা মাথা উঁচু করে চলতে পারে সেইভাবে আওয়ামী লীগ সরকার পদক্ষেপ নেয় এবং বাস্তবায়ন শুরু করে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাতগুলো উন্মুক্ত করে দেই। সরকার জনগণের সেবক; সেটা আমরা প্রমাণ করেছি।’

আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রাজধানীর বিজয় সরণিতে অবস্থিত সামরিক জাদুঘর উদ্বোধনের পর তিনি এসব কথা বলেন।

জাদুঘরটি উদ্বোধন করে নিজেকে ধন্য মনে করেছেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন,‘এটি সশস্ত্র বাহিনীর জন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং আমাদের তিন বাহিনী সম্পর্কে আমাদের তরুণ প্রজন্ম উদ্বুদ্ধ হবে। সম্যক জ্ঞান পাবে। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীসহ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের মধ্যে একটি প্রেরণা আসবে। তারা তৃপ্ত হবেন।’

সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার পেছনে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করে সরকারপ্রধান বলেন,‘স্বাধীনতার পরে তিনি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী গঠন করেন। তাদের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট গড়ে তোলেন। সাড়ে তিন বছর সময়ের মধ্যে রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা ও আর্থ সামাজিক উন্নয়নের জন্য তিনি কাজ করেছেন। যুদ্ধ ক্ষতবিক্ষত দেশকে তিনি শূন্য থেকে দাঁড়িয়ে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রাম পর্যায়ে উন্নয়ন ও তারা যাতে আত্মমর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারেন তার জন্য বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেটা তিনি সম্পন্ন করে যেতে পারেননি। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। একই সঙ্গে আমার মা ও ভাইসহ পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আপনজন হারিয়েছিলাম এটা সত্য কিন্তু বাংলাদেশ কী হারিয়েছিল? একের পর এক ক্যু হয়েছে। শত শত সেনা অফিসারকে জীবন দিতে হয়েছে। অনেক পরিবার এখনো তাদের খোঁজও পায়নি। পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের ওপর চলে অত্যাচার নির্যাতন। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ যে আদর্শ নিয়ে স্বাধীন হয়েছিল তার থেকে বিচ্যুত হয়। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা থেমে যায় যা কখনো হওয়ার কথা নয়।’

বারবার নির্বাচিত করার জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘আমরা দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকার কারণে কেবল দেশের উন্নয়ন নয় বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি। ইশতিহারের ঘোষণা অনুযায়ী, সুনির্দিষ্টভাবে কাজ করার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।’

জাদুঘরের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের যে ইতিহাস রয়েছে-স্বাধীনতার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং সেই সঙ্গে আমাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক সশস্ত্র বাহিনী-দেশের মানুষ যেন সে সম্পর্কে জানতে পারে, উপলব্ধি করতে পারে, আমাদের সামরিক বাহিনী অর্থাৎ সেনা, নৌ, বিমান বাহিনী কী কাজ করে, কিভাবে চলে বা অতীতে তারা কী করেছে সে বিষয়ে মানুষকে জানানো একান্তভাবে দরকার। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা, একই সঙ্গে আমাদের ভবিষ্যৎ কী হতে যাচ্ছে-সে সম্পর্কে জানা দরকার।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আজকে যে সামরিক জাদুঘরটি আমরা দেখছি-এটি প্রথমে নির্মিত হয়েছিল খুব ক্ষুদ্র পরিসরে। বিজয় সরণির পাশের জায়গাটিতে এটি প্রস্তুত করা হয়। আমার খুব আকাঙ্খা ছিল-এটিকে খুব আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলার। তারই পাশে আরেকটি জায়গায় আমি প্রথমবার যখন সরকারে আসি, প্লানেটোরিয়াম করে ফেলি।’

তিনি বলেন, ‘যে কোনো কাজ আমি প্রথমবার যখন করতে গেছি, প্রতিটি ব্যাপারেই কিন্তু পরবর্তী সরকার এসে আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। প্লানেটোরিয়াম যখন আমি করলাম এর জন্য আমার বিরুদ্ধে দুটো মামলা দেওয়া হয়েছিল। কেন দেওয়া হয়-আমি ঠিক জানি না। আমরা যখন প্লানেটোরিয়াম করেছি, তখনই সমস্ত ইউটিলিটি যেন সামরিক জাদুঘর এবং প্লানেটোরিয়াম-উভয়েই শেয়ার করতে পারে সে ব্যবস্থাও নিয়েছিলাম। আর সেই সঙ্গে সরকার প্রধান হিসেবে বিভিন্ন সময় বিদেশে যখন আমরা যাই বা কোনো সরকার প্রধান যখন আমাদের দেশে বেড়াতে আসে তখন যে উপহার দেয়-সেগুলো সংরক্ষণ করা এবং দৃষ্টিনন্দনভাবে রাখা ও মানুষের সামনে তুলে ধরার ব্যবস্থাও করি। আমাদের যে তোষাখানা জাদুঘর আছে বঙ্গভবনে, সেখানে স্টোর রুমের মতো জিনিসপত্রগুলো রাখা। কিন্তু সেগুলো মানুষের সামনে প্রদর্শন করবার ব্যবস্থা আমি নিয়েছি। এজন্য এই জায়গায় আমরা তোষাখানা জাদুঘরও নির্মাণ করি। এবং এটা সামরিক বাহিনীর হাতেই দিয়েছিলাম, একটা কমিটিও আমরা করে দেই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেই সঙ্গে সামরিক জাদুঘরটাকেও অত্যন্ত আধুনিক করে গড়ে তোলা এবং এটা যেন দৃষ্টিনন্দন হয়-সারা বিশ্বের যত সামরিক জাদুঘর হয়েছে, তারমধ্যে যেন শ্রেষ্ঠ জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় সেটাই আমার আকঙ্খা ছিল। আমি এই জাদুঘরটি এখনো সরেজমিনে দেখিনি, প্রাথমিক পর্যায়ে যখন কাজ শুরু হয় তখন কিছুটা দেখেছি, যখন যতটুকু ডেভেলপ হয়েছে আমি ছবিতে দেখেছি, এবং যখন যেটা নির্দেশনা দেওয়ার আমি দিয়েছি, কিন্তু যতটুকু এখন দেখলাম—আমি মনে করি, এটা হবে সর্বশ্রেষ্ঠ, সুন্দর, আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন একটি সামরিক জাদুঘর। কাজেই সেভাবে এটি তৈরি হোক সেটাই আমি চাই।’

তিনি বলেন, ‘জাদুঘর শুধু প্রদর্শনীর জন্য না, এটা দেখে আমাদের তরুণ প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে এবং দেশপ্রেমে জাগ্রত হয়ে তারা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীতে, আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যোগদান করতে আগ্রহী হবে, এগিয়ে আসবে।’


আরও খবর



বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন কাল

প্রকাশিত:Friday ৩১ December ২০২১ | হালনাগাদ:Monday ২৪ January ২০২২ | ১১৪জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিন ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার (ডিআইটিএফ) ২৬তম আসরের পর্দা উঠছে। আগামীকাল শনিবার পূর্বাচল নতুন শহরে নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মাসব্যাপী চলবে এ মেলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মেলার উদ্বোধন করবেন।

আজ শুক্রবার ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২২ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। মেলার এক্সিবিশন সেন্টারে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, রপ্তানি বাণিজ্য উন্নয়নের অন্যতম প্রধান কৌশল হচ্ছে পণ্য উন্নয়ন ও পণ্যের বাজার সৃষ্টি। আর পণ্যের বাজার সৃষ্টির অন্যতম প্রধান কৌশল হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা আয়োজন ও মেলায় অংশগ্রহণ। প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় বাণিজ্যমেলার নবনির্মিত এই স্থায়ী ভেন্যুতে এবারের মেলা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে যুক্ত হতে যাচ্ছে এক নতুন অধ্যায়।

দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিপণন ও উৎপাদনে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে ১৯৯৫ সাল হতে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা আয়োজন করা হচ্ছে। এবারই প্রথমবারের মতো স্থায়ী কমপ্লেক্সে এ মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অন্যান্য বছরের মতো মাসব্যাপী এ মেলা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত)। মেলার প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের ৪০ টাকা, শিশুদের ২০ টাকা।

এবার মেলায় প্রদর্শিত পণ্যের মধ্যে রয়েছে দেশীয় বস্ত্র, মেশিনারিজ, কারপেট, কসমেটিকস অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিকস, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহ-সামগ্রী, চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকর ইত্যাদি।

বাণিজ্যমেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন ক্যাটাগরির মোট ২৩টি প্যাভিলিয়ন, ২৭টি মিনি প্যাভিলিয়ন, ১৬২টি স্টল ও ১৫টি ফুড স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এক্সিবিশন সেন্টারের ১৪ হাজার ৩৬৬ বর্গমিটার (প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার বর্গফুট) আয়তনের দুটি হলে (হল-এ ও হ-বি) সব স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। মেলা কমপ্লেক্সের বাইরে (সম্মুখ ও পেছনে) প্যাভিলিয়ন, মিনি প্যাভিলিয়ন ও ফুড স্টল নির্মাণ করা হয়েছে। মেলা চলাকালীন যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হবে বলেও জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে।


আরও খবর