Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি

কৌতুক অভিনেতা টাঙ্গাইলের আহসান আলী ভাদাইমা আর নেই

প্রকাশিত:Sunday ২২ May 20২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৩৯১জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের কৌতুক অভিনেতা ‘ভাদাইমাখ্যাত’ আহসান আলী (৫০) মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজিউন)। রোববার (২২ মে) দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 


আহসান আলীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন। 


মারা যাওয়ার সময় আহসান আলী দুই স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের দাইন্যা রামপাল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। 


কৌতুক এ অভিনেতার শ্যালক জজ আলী জানান, ‘দীর্ঘদিন যাবত ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন আহসান আলী। এছাড়া তার লিভারেও পানি জমা ছিল। রোববার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে থেকে পরে আহসান আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা যান আহসান আলী।


ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন জানান, লাশ হাসপাতালে আছে। বাড়িতে আনার প্রক্রিয়া চলছে।


মরহুমের পারিবার সূত্র জানা গেছে, আহসান আলী এক সময়ে কৃষি কাজ করে সংসার চালাতেন। প্রায় দুই বছর আগে তিনি কৌতুক অভিনয় শুরু করেন। ২০ বছর আগে ক্যাসেটের মাধ্যমে তিনি ‘ভাদাইমা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।’



আরও খবর



অষ্টম শ্রেণি পাসে খুলনা শিপইয়ার্ডে চাকরি

প্রকাশিত:Tuesday ০৭ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে ০৩টি পদে ০৪ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২০ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড
বিভাগের নাম: যানবাহন, মৎস্য ঘের, ডেইরি ফার্ম

পদের বিবরণ
jagonews24

চাকরির ধরন: অস্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
কর্মস্থল: খুলনা

বয়স: ২০ জুন ২০২২ তারিখ ১৮-৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে শিথিলযোগ্য

আবেদন ফরম: আগ্রহীরা প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট www.khulnashipyard.com থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে পারবেন।

যার বরাবর আবেদন করবেন: ব্যবস্থাপনা পরিচালক, খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড, বাংলাদেশ নৌ বাহিনী, খুলনা।

আবেদন পাঠানোর ঠিকানা: হিউম্যান রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট সেকশন, খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড, খুলনা।

আবেদন ফি: ১নং পদের জন্য ১০০ টাকা ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার করতে হবে। ২ ও ৩ নং পদের জন্য ৫০ টাকা ক্যাশ জমা দিতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২০ জুন ২০২২ তারিখ বিকেল ০৫টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন, ০৭ জুন ২০২২


আরও খবর



পতনের মধ্যেই শেয়ারবাজার

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

নতুন অর্থবছরের (২০২২-২৩) প্রস্তাবিত বাজেটের পর শেয়ারবাজারে টানা দরপতন দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে (মঙ্গলবার) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সবকটি মূল্য সূচকের পতন হয়েছে। একই চিত্র দেখা গেছে অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। সেই সঙ্গে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুর পাঁচ মিনিটের মাথায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ২০ পয়েন্ট বেড়ে যায়।

লেনদেনের শুরুতে সূচকের এমন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকেনি। এর মাধ্যমে প্রস্তাবিত বাজেটের পর লেনদেন হওয়া তিন কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে দরপতন হল। বাজেট প্রস্তাবের দিনও শেয়ারবাজারে দরপতন হয়। ফলে বাজেটের আগে ও পরে মিলে টানা চার কার্যদিবস পতনের মধ্যে থাকল দেশের শেয়ারবাজার।

এ দিন দুপুর ১২টার পর থেকে দরপতনের তালিকায় নাম লেখাতে থাকে একের পর এক প্রতিষ্ঠান। লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বড় হতে থাকে পতনের হার। ফলে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে ৮৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার তালিকায় নাম লেখাতে পেরেছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২৩৬টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৫৭টির দাম।

এতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩০ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৩৬১ পয়েন্টে নেমে গেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৩০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ্ আগের দিনের তুলনায় ৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৩৮৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

সবকটি মূল্যসূচক কমলেও বাজারটিতে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৮৭৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৭৯৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ৭৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা।

ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে শাইনপুকুর সিরামিকের শেয়ার। এ দিন কোম্পানিটির ৭০ কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ৪৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ২৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- বেক্সিমকো, মুন্নু ফেব্রিক্স, প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, নাহি অ্যালুমিনিয়াম, পিপলস ইন্স্যুরেন্স এবং স্যালভো কেমিক্যালস।

অপর শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ৭৮ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৫৫ কোটি ৫৪ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ২৯২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৪টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৯টির এবং ৩৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।


আরও খবর



ধুনটে শ্রমিকদল নেতাসহ গ্রেফতার ৩

প্রকাশিত:Wednesday ১৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

বগুড়ার ধুনটে মদ্যপ অবস্থায় ঘোরাঘুরির সময় উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি বনি আমিনসহ (৫০) তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বনি আমিন উপজেলার উল্লাপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। এছাড়া অপর দুজন হলেন- একই গ্রামের মমতাজুর রহমানের ছেলে আব্দুল মান্নান (৩৫) ও মাটিকোড়া গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে রুবেল মাহমুদ (৩৮)।

বুধবার (১৫ জুন) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে ধুনট শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মদ্যপ অবস্থায় তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে গ্রেফতার দেখানো হয়।

পুলিশ জানায়, পুলিশের একটি দল শহর এলাকায় রাত্রিকালীন টহল দিচ্ছিল। এসময় রাত সাড়ে তিনটার দিকে শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বনি আমিন, আব্দুল মান্নান ও রুবেল মদ্যপ অবস্থায় ঘোরাফেরা করছিলেন। অস্বাভাবিক আচরণ করায় তাদের আটক করে পুলিশ। বুধবার সকালে পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য সেবন করে মাতলামির করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



এক গ্রামেই বাস করেন ৬০ দেশের মানুষ

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

এক গ্রামে বাস একসঙ্গে বাস করছেন ৬০টি দেশের প্রায় ৩০০০ এরও বেশি মানুষ। বিষয়টি চমকপ্রদ হলেও অনেকেই হয়তো জানেন না গ্রামটি সম্পর্কে।

বৈশ্বিক গ্রাম এমনকি এক্সপেরিমেন্টাল সিটি হিসেবেও পরিচিত গ্রামটি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষকে নিয়েই গড়ে উঠেছে ‘অরোভিল’ গ্রাম।

সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এই গ্রামে কোনো ধর্ম, গোত্র, রাজনীতি, দেশ ও জাতীয়তা নেই। এমনকি এই গ্রামের মানুষের মধ্যে বিলাসিতার জন্য অর্থ উপার্জনের প্রতিযোগিতাও নেই।

শান্তি ও সুরক্ষার প্রতীক হয়ে উঠেছে গ্রামটি। এই গ্রামের একমাত্র আদর্শ হিউম্যানিটি বা মানবতা! গ্রামটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সেখানে ঘটে না কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড।

দক্ষিণ ভারতের পন্ডিচেরিতে এই গ্রামের অবস্থান। পন্ডিচেরি থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার উত্তরে ও উপকূল থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার অনুর্বর বর্জ্যভূমিতে গড়ে তোলা হয় গ্রামটি।

তামিলনাড়ু রাজ্যের ভিলুপুরম জেলাধীন অরোভিল গ্রাম এখন পর্যটকদের কাছে সেরা এক গন্তব্য। সেখানকার প্রকৃতিক সৌন্দর্যও মুগ্ধ করে সবাইকে।

জানা যায়, ১৯৬৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি এই গ্রাম প্রতিষ্ঠা পায়। ১২৪ দেশের মানুষেরা নিজ নিজ দেশের এক মুঠো মাটি একটি মার্বেলের কলসে রেখে প্রতিষ্ঠা করেন গ্রাম। ৪টি মূলনীতিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে অরোভিল গ্রাম।

অরোভিল গ্রামের প্রতিষ্ঠাতা মিরা আলফাসা। তিনি একজন ফরাসি নারী। তিনি জানান, অরোভিল একটি সর্বজনীন শহর। যেখানে সব দেশের নারী-পুরুষ শান্তিতে ও প্রগতিশীল সম্প্রীতি সহকারে বসবাস করতে পারেন।

এই গ্রাম সব ধর্ম, জাতিয়তা ও রাজনীতির উর্ধ্বে। অরোভিলের উদ্দেশ্য হলো মানুষের ঐক্য উপলব্ধি করা। অরোভিল গড়ে তোলার স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরে দেখতেন মিরা। এজন্য বেশ পরিশ্রমও করেছেন তিনি।

১৯৬৫ সালে মিরা এই গ্রামের স্কেচ তৈরি করেন। ঠিক সেভাবেই গ্রামটি তৈরি হয়েছে। উপর থেকে দেখলেই এই গ্রামের নকশা বেশ ভালোভাবে টের পাওয়া যায়। অরোভিলে বাস করা মানুষেরা কারও মুখাপেক্ষী নন। সবাই স্বাধীনভাবে বাস করতে পারেন গ্রামটিতে।

সেখানকার মানুষেরা নিজ দক্ষতা অনুসারে কাজ করতে পারেন। অর্থাৎ যিনি শিক্ষক তিনি শিক্ষাদান করেন আর যিনি ডাক্তার তিনি চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন। এই গ্রামে ডাক্তারের বেতন আর সুইপারের বেতন একই। সবাই স্ব-রক্ষণাবেক্ষণের মাধ্যমে গ্রামটি পরিচর্যা করেন।

একসঙ্গে ৫০ হাজার মানুষ বসবাস করতে পারেন এই গ্রামে। প্রথম ২০ বছরে ২০ দেশের মাত্র ৪০০ জন ব্যক্তি গ্রামটিতে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তী ২০ বছরে, এই সংখ্যা ৪০টি দেশের ২০০০ জনে উন্নীত হয়েছে।

২০০৮ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারত, ফ্রান্স ও জার্মানির দুই-তৃতীয়াংশসহ ৫৪ দেশের প্রায় ২৮১৪ জনের বসবাস ছিল সেখানে। বর্তমানে প্রায় ৬০ দেশের ৩০০০ এরও বেশি মানুষ বাস করছেন এই বৈশ্বিক গ্রামে।

শহরটি ভারত সরকার, ইউনেস্কো ও বিশ্বের শুভানুধ্যায়ীদের সমর্থনে তৈরি হয়। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি আরও বেশি স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠছে।

অরোভিলে জমি, আবাসন বা ব্যবসার কোনো ব্যক্তিগত মালিকানা নেই। প্রত্যেককে একটি মৌলিক জীবনযাত্রার ‘রক্ষণাবেক্ষণ’ দেওয়া হয়। তারা সেকানকার দোকানে গিয়ে নিজেদের প্রয়োজনীয় জিনিস সংগ্রহ করেন।

দোকানদারকে তাদের অ্যাকাউন্ট নম্বর দিলে ওই পণ্যের অর্থ কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে কেটে নেওয়া হয়। এভাবেই চলছে অরোভিলবাসীদের জীবনযাত্রা।

সূত্র: মিথিক্যাল ইন্ডিয়া


আরও খবর



ফায়ার ফাইটার রনির মরদেহ শেরপুরে আসছে রাতে

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
Image

অভাবের তাড়নায় পড়াশোনা বাদ দিয়ে দেড় বছর আগে ফায়ার সার্ভিসে ফায়ার ফাইটার হিসেবে যোগ দেন শেরপুর সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের বালুঘাটা গ্রামের রমজানুল ইসলাম রনি (২৫)। প্রশিক্ষণ শেষে আট মাস আগে বিয়ে করেন।

শনিবার (৪ জুন) রাতে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে গেঞ্জি পরেই বের হন রনি। অন্যান্য সহকর্মীদের সঙ্গে তিনিও আগুন নেভানো কাজে যোগ দেন।

রোববার (৫ জুন) সকাল ১০টা পর্যন্ত তার মোবাইল ফোন বন্ধ পান পরিবারের লোকজন। পরে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া বিকৃত মরদেহের মধ্যে গেঞ্জি দেখে রনিকে শনাক্ত করেন স্ত্রী রূপা।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ১০ ফায়ার সার্ভিসকর্মীর একজন রমজানুল ইসলাম রনি। তিনি চরশেরপুর ইউনিয়নের বালুঘাটা গ্রামের দলিল লেখক আকরাম হোসেন আঙুরের দুই ছেলের মধ্যে বড়। তিনি সীতাকুণ্ড ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ার ফাইটার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তার এ অকাল মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউই। বড় সন্তানের মৃত্যুর খবর শুনে শেরপুর জেলা কারাগারেই স্ট্রোক করে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রনির বাবা আকরাম হোসেন আঙুর। মা কামরুন্নাহার রত্না ও চাচা আবুল কাশেম মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ছুটে গেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

রনির ছোট ভাই তারিকুল ইসলাম রকিব ময়মনসিংহের একটি কলেজে ডিগ্রিতে পড়াশোনা করেন।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রনির দাদা ইউনুস আলী (৭০) জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার বড় নাতি রনি। তার টাকায় তাদের সংসার চলতো। ছোট নাতিদের পড়াশোনার খরচসহ সবকিছু সে দেখতো। সেই রনিই এখন নেই। আগুনে পুড়ে মারা গেছে। আমার ছেলেটাও মিথ্যা মামলায় জেলে। কীভাবে কী করবো বুঝতে পারছি না।’

রনির চাচি বলেন, ‘বড় পুলাডার কামাই দিয়েই সংসারডা চলতো। বাপটাও মিথ্যা মামলায় জেলে। এহন আমগোর পুলাডা আগুনে পুইড়া মরে গেছে। তার লাশ আনতে গেছে। রাতে আইবো।’ বলেই হাউমাউ করে কান্না শুরু করেন তিনি।


আরও খবর