Logo
আজঃ বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
শিরোনাম

কমতেই আছে ধানের দাম লোকসানে কৃষক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ২৩২জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর প্রতিনিধি:রাজশাহীর তানোরে সিন্ডিকেটে দিনের দিন ধানের দাম ব্যাপকহারে কমতেই আছে বলে নিশ্চিত করেন কৃষকরা। বাজারে প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়লেও রহস্য জনক কারনে কমছে ধানের দাম। প্রতি কেজি ধান বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১৯ টাকা বা এক মন ধানের দাম ৭৫০ টাকা, আবার ২ কেজি করে ঢলন, মনে ৭ টাকা করে খাজনা আদায়। এতে করে কৃষকরা চরম হতাশ হয়ে পড়েছেন। ফলে উঠছেনা খরচ, বিঘায় ৩-৪ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে। তবে নিজস্ব জমিতে ১৫০০-২০০০ টাকা লোকসান। অথচ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিপনন বিভাগ একেবারেই নিরব।উপজেলার কৃঞ্চপুর গ্রামের কৃষক মিজান জানান, আলু উত্তোলন করে ২২ বিঘা জমিতে ৭৬ জাতের ধান রোপন করেছিলাম। এর মধ্যে ২০ বিঘা জমি টেন্ডারে আর ২ বিঘা নিজের। প্রায় ১৫ বিঘা জমির ধান কাটা মাড়ায় হয়েছে। এক বস্তা ধান বিক্রি হচ্ছে ১৪০০-১৪৫০ টাকায়। বিঘায় লোকসান গুনতে হচ্ছে।  টেন্ডারের এক বিঘা জমি রোপন থেকে উত্তোলন পর্যন্ত ১৪-১৫ হাজার টাকা খরচ। আর বিঘায় ১৮ মন করে ফলন হলে মনে ৭৫০ টাকা দাম হলে ১৩ হাজার ৫০০ টাকা আসে। উর্ধ্বে বিঘায় ২০ মন হলে ১৫ হাজার টাকা হয়।একই এলাকার কৃষক মশিউর জানান, কোন জিনিসের দাম কমছে না। ধানের দাম কমলেও চালের দাম তো কমছেনা। আলু তোলার পর ৩২ বিঘা জমিতে ধান লাগিয়ে ২০ বিঘা কাটা মাড়াই হয়েছে, এক বস্তায় ২ মন ধান বিক্রি হচ্ছে ১৪৫০ টাকায়।

ব্যবসায়ী হাজী সেলিম জানান, গত সোমবার ও রবিবারে প্রতি বস্তা ধান কিনেছি ১৪৫০ টাকায়। কিন্তু মঙ্গলবারে দাম কমে নেমেছে প্রকার ভেদে ১৪০০ থেকে ১৪৫০ টাকা করে। কিন্তু চালের বাজর কমেনি।কৃষক চিমনা গ্রামের লুৎফর রহমান জানান, আলুর জমিতে যারাই ধান করেছেন তাদেরকেই লোকসান গুনতে হচ্ছে। প্রচন্ড খরতাপ তারপরও কৃষকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ধান উৎপাদন করে খাদ্য ঘাটতি মিটাচ্ছেন। সে অনুযায়ী কৃষকের পরিশ্রমের কোন মূল্য নেই। প্রতি দিন কমছে ধানের দাম, অথচ চালের দাম কমছে না। চাষের জন্য সার কীটনশকের দাম বাড়তি। আমি টেন্ডারে ৪৫ বিঘা জমিতে ধান চাষ করে ১৭ বিঘা জমির ধান কাটা মাড়াই করেছি। এক বস্তায় ২ মন ধান গত পাঁচ দিন আগে ১৬০০ টাকায় বিক্রি করেছি। গত সোমবারে ১৫৫০-১৬০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। হঠাৎ করে মঙ্গলবারে বস্তা প্রতি ১০০-১৫০ ও ২০০ টাকা করে কমে গেল। কোন কারন ছাড়ায় মিলার ও আড়তদারদের মহা সিন্ডিকেটেই কমছে দাম। কারা এই সিন্ডিকেট করছে,প্রতি নিয়ত বাজার মনিটরিং করলে সিন্ডিকেট ধরতে পারত। কৃষি দপ্তরের বিপনন বিভাগও নিরব। কিন্তু তাদেরকে প্রতি দিন বাজার ধর কেন কমছে, কি কারনে বাড়ছে সে রিপোর্ট দিতে হয়। তারা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ঘরে থেকে ইচ্ছেমত রিপোর্ট দিচ্ছেন। যদি হাট বাজারে এসে কৃষকের সাথে কথা বলত তাহলে সঠিক রিপোর্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানতে পারত। এক মন ধান বিক্রি করে এক কেজি গরুর মাংস কোন রকমে মিলছে। তিনি আরো জানান, সাবেক মেম্বার পলাশের ১৫ বিঘা, সাহাপুর গ্রামের আবু তাহেরের ৩৫ বিঘা, মাজহারুলের ২০ বিঘা ও নোনাপুকুর গ্রামের কাদেরের ৫০ বিঘা, সাবেক মেম্বার বনকেশর গ্রামের জয়নালের ২০ বিঘা ধান কাটা মড়াই করে লোকসান হয়েছে, এদের  দু চার বিঘা জমি নিজের, বাকি সব টেন্ডারে। আর রফিকুল নামের কৃষকের ২০ বিঘা নিজস্ব জমি।

স্বর্ন পদকপ্রাপ্ত নুর মোহাম্মাদ বলেন, প্রতিদিন ধানের দাম কমছে। ধানের দাম নিয়ে মহা সিন্ডিকেট চলছে। আবার সরকারি ভাবে ৩০ টাকা কেজি ধরে ধান সংগ্রহ করছেন। কিন্তু প্রচুর হয়রানির জন্য গুদামে ধান দিতে চায় না কৃষকরা। এসিন্ডিকেট দূর করতে না পারলে কৃষকদের পথে বসতে হবে। কারন আলু তোলার পর ধান চাষ হয় সেচ নির্ভরে। সেখানেও অরাজকতা, বিঘায় নানা অজুহাতে নিম্মে ১৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত  সেচ হার আদায় করা হয়। আর মটরে ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করা হয়েছে। অথচ সেচ কার্ডের মাধ্যমে হলে নির্ধারিত হারের অর্ধেকের কম খরচ হবে। এসব নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোন মাথা ব্যাথা নেই।সম্প্রতি বাজার মনিটরিং বিষয়ে সভা করেন বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের যুগ্ন সচিব ওয়াদুদ হোসেন, ধানের দাম কেন কমছে কারা সিন্ডিকেট করছে তাদের বিরুদ্ধে বাজার মনিটরিং কমিটিকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এমন নির্দেশনার পরও বাজার মনিটরিং কমিটির দেখা মিলছেনা বলেও কৃষকদের অহরহ অভিযোগ।

আরও খবর



জয়ে দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু করল পাকিস্তান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩১ আগস্ট ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১১৬জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই মুখোমুখি স্বাগতিক পাকিস্তান ও নেপাল। একে তো দুই দলের মধ্যে আকাশ-পাতাল ব্যবধান, তার উপর বড় মঞ্চের চাপ। কোনোটাই ঠিকঠাক সামাল দিতে পারল না নেপাল। ২৩৮ রানের বিশাল ব্যবধানে পাকিস্তানের বিপক্ষে হার দেখল তারা। প্রথমে ব্যাট করা পাকিস্তানের দেওয়া ৩৪৩ রানের পাহাড়সম লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১০৪ রানেই অলআউট হয়ে যায় নেপাল।

বড় লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শাহীন আফ্রিদির করা প্রথম ওভারের প্রথম ২ বলে জোড়া বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন নেপালের ওপেনার কুশল ব্রুটেল। তবে ওই ওভারের পঞ্চম বলেই ফেরেন তিনি। পরের বলে তিনে নামা অধিনায়ক রোহিত পাউডেলকেও ফেরান তিনি। নাসিম শাহর করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে আরও এক উইকেটের পতন। ফেরেন চারে নামা আরিফ শেখ।

চতুর্থ উইকেটে ঘুরে দাঁড়ায় নেপাল। ৫৯ রানের জুটি গড়েন আরিফ শেখ ও সোমপাল কামি। তবে ৭৩ রানে আরিফ (২৬) ও ৮২ রানে সোমপাল (২৮) ফিরলে আবারও বিপর্যয়ে পড়ে পাহাড়ঘেষা দেশটির ক্রিকেট। সেই বিপর্যয় আর কাটিয়ে উঠতে পারেনি তারা। আর ২২ রান তুলতেই আউট হয়ে যান বাকি ৫ ব্যাটার।

পাকিস্তানের হয়ে ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করেন শাহীন ও নাসিম। প্রথম ৩ উইকেটে দুইটি শাহীনের একটি নাসিমের। মাঝে ২ উইকেট নেন হারিস রউফ। নেপাল ইনিংসের লেজ গুটিয়ে দেন শাদাব খান। ৬ ওভার ৪ বলে ২৭ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। ১টি উইকেট নন নওয়াজ।

এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৪২ রানের বিশাল সংগ্রহ তোলে পাকিস্তান। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং বেছে নেন বাবর আজম। দলীয় ২১ রানের মাথায় করন কেসির বলে ফেরেন ফখর (১৪)। তার চার রানের মাথায় রান আউটে কাটা পড়েন ইমাম। তৃতীয় উইকেটে রিজওয়ানকে নিয়ে পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন বাবর। তবে দলীয় ১১১ রানে আবরও সেই রান আউট দুর্ভাগ্যে ফেরেন রিজওয়ান। বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আগা সালমানও। ১২৪ রানের মাথায় সন্দ্বীপ লামিচানের বলে আউট হন তিনি।

৪ উইকেট হারানো পাকিস্তানের রানের গতি যখন স্লথ, তখনই ঘুরে দাঁড়ায় বাবর-ইফতিখার জুটি। এই দুজন নিজেদের প্রথম ৫০ রানের জুটি গড়েন মাত্র ৩৯ বলে। দলীয় ২০০ রান পূরণ হয় ২২৮ বলে। এরপর যেন আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠেন তারা। পরের ৫০ রান আসে মাত্র ২৪ বলে। এরই মধ্যে নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৯তম সেঞ্চুরি করেন ১ নম্বর র‌্যাঙ্কিংয়ের বাবর। ৪৭তম ওভারে পাকিস্তান তাদের ৩০০ রান পূর্ণ করে। শেষ ৩ ওভারে ৪২ রান করলে পাকিস্তানের মোট রান দাঁড়ায় ৩৪২। ইফতিখার তার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মাত্র ৬৭ বলে। পঞ্চম উইকেটে মাত্র ১৩৪ বলে দুজনে গড়েন ২১৪ রানের জুটি। তাতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৪২ রানের বিশাল সংগ্রহ তোলে দলটি।

তিনে নেমে ১৩১ বলে ১৫১ রান করে আউট হন বাবর। ১৪ চার ও ৪ ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংস। ছয়ে নামা ইফতিখার ছিলেন আরও আগ্রাসী। স্ট্রাইকরেট দেড়শর ওপরে রেখে তিনি অপরাজিত থাকেন ১০৯ রানে। তার ৭১ বলের ইনিংসটি সাজানো ছিল ১১ চার ও ৪ ছক্কায়। বাবর-ইফতিখারের ২১৪ রানের জুটি পঞ্চম উইকেটে পাকিস্তানের সবের্োচ্চ আর বিশ্বে ষষ্ঠ।

নেপালের বোলারদের মধ্যে ২টি উইকেট পান সোমপাল কামি। ১টি করে উইকেট পান করন কেসি ও সন্দীপ লামিচানে। তবে কোনো উইকেট না পেলেও বেধরক মার খাওয়ার দিনে ১০ ওভার বল করে মাত্র ৪৮ রান দেন ললিত রাজবংশী।

বিশ্বকাপের এটি ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচ। ৬ দলের টুর্নামেন্টে দুই ভাগ হয়ে খেলা হচ্ছে। গ্রুপের অন্য দলটি ভারত। এই গ্রুপের শীর্ষ ২টি দল খেলবে সেমিফাইনালে।


আরও খবর

বাংলাদেশ সিরিজ হারল নিউজিল্যান্ডের কাছে

মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩




ফুলবাড়ীতে সামাজিক ফান্ডের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে সামাজিক ফান্ডের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় ফুলবাড়ী সুজাপুর মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হলরুমে সামাজিক ফান্ডের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সুজাপুর মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সঞ্জয় কুমার, চাঁদপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রেজাউল আলম, ফুলবাড়ী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফেরদৌস আলী বাবুল। উক্ত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সুজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল কুদ্দুস আকন্দ, অত্র বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক বাবু অবিনাশ চন্দ্র রায়।

সামাজিক ফান্ড ফুলবাড়ীর পক্ষে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্যবসায়ী মোঃ রুবেল হোসেন, এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সাইক্রেটিস বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোঃ নাজমুল হোসেন শাহ্ধসঢ়;, সামাজিক ফান্ড ফুলবাড়ীর অন্যতম সদস্য মোঃ সাদরুল ইসলাম শিমুল। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন সুজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোছাঃ শামীমা সুমি। অনুষ্ঠান শেষে সংগঠনের পক্ষ থেকে একজনকে হুইল চেয়ার প্রদান করেন, শিক্ষা খাতে একজনকে ও চিকিৎসা খাতে একজনকে নগদ অর্থ প্রদান করেন। উল্লেখ্য যে, এসএসসি ব্যাচ ২০০৩ এর শিক্ষার্থীবৃন্দর অক্লান্ত প্রচেষ্টায় সামাজিক ফান্ড ফুলবাড়ী ২০২১ সালে স্থাপিত হওয়ার পর থেকে ১৪ জন সদস্য নিয়ে পদযাত্রা শুরু হয়। যা বর্তমানে সংগঠনে এখন ৫৩ জন সদস্য। তারা সকলে এই সংগঠনে নিজের অর্থায়নে সাধারণ অসহায় মানুষদের পাশে থেকে বিভিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতেও এই সংগঠন সমাজে বিশেষ অবদান রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন সামাজিক ফান্ড ফুলবাড়ীর সকল সদস্যবৃন্দ।


আরও খবর



বিয়ে না করেই মা হচ্ছেন ঋতাভরী চক্রবর্তী!

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৮১জন দেখেছেন

Image

বিনোদন ডেস্ক:মা হতে চলেছেন ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটক ‘ওগো বধূ সুন্দরী’খ্যাত অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। সামাজিক মাধ্যমে নিজেই তথ্যটি জানিয়ে তিনি লিখেছেন আমি এবং আমার স্বামী যৌথভাবে ঘোষণা করছি যে, আমি মা হতে চলেছি। আপনাদের আশীর্বাদ ও ভালোবাসা একান্ত কাম্য।

ঋতাভরীর এই ঘোষণায় তাজ্জব নেটাগরিকরা! কারণ, এই অভিনেত্রীর যে এখনও বিয়ে হয়নি।  সবার প্রশ্ন, কখন-কাকে বিয়ে করেছেন তিনি? 

শোনা গিয়েছিল, চিকিৎসক তথাগত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রেম করছিলেন ঋতাভরী। সেই সম্পর্ক আদৌ আছে কি না সেটা নিয়েও প্রশ্ন আছে। কয়েকদিন আগে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছিল, সম্পর্কের ইতি টেনেছেন তারা।

তবে নায়িকাদের ব্যাপার-স্যাপার আলাদা। সম্পর্ক এই আছে, এই নেই। তথাগতর সঙ্গে যদি সম্পর্ক না থাকে, তাহলে কার সন্তানের মা হতে যাচ্ছেন ঋতাভরী? নাকি তাকে গোপনে বিয়ে করেছেন? এসব তো টলিউডে স্বাভাবিক বিষয়। এ রকম নানা প্রশ্ন ঘুরছে অনুরাগীদের মাথার ভেতর। 

যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও মুখ খোলেননি। হতে পারে, নতুন কোনো ছবির প্রচারণার কৌশল এটা। আবার সত্যিও হতে পারে। 


আরও খবর

পরীমণি-বুবলী একসঙ্গে খেলবেন!

বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩




কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রিফুয়েলিং সিস্টেম চালু

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৩৬জন দেখেছেন

Image

কক্সবাজার প্রতিনিধি:আমান উল্লাহ, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার আগেই রিফুয়েলিং সিস্টেম চালু করে নতুন মাইল ফলক অর্জন করলো কক্সবাজার বিমান বন্দর। গত রোববার ঢাকা থেকে আসা একটি উড়োজাহাজে জ্বালানি তেল সরবরাহের মাধ্যমে শুরু হলো এই যাত্রা।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামীতে রিফুয়েলিংয়ের হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে কক্সবাজার বিমান বন্দরকে। বড় পরিসরে যার প্রথম গত রোববার থেকে শুরু হল।গত রোববার (০৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় দেখা যায়, কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিকমানে উন্নীতকরণের কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। একদিকে সাগর ছুঁয়ে দেশের দীর্ঘতম রানওয়ে বাস্তবে রূপ পাচ্ছে, ঠিক তেমনি এগিয়ে চলছে টার্মিনাল নির্মাণের কাজ। যার কারণে এই বিমান বন্দরের ব্যস্ততা বেড়েছে বহুগুণে।দুপুর ২টা না বাজতে দেখা যায়, কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়েতে একের পর এক নামছে উড়োজাহাজ। কর্তৃপক্ষ বলছে, বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ৭৮৭ ফ্লাইট থেকে শুরু করে বেসরকারি বিমান সংস্থার প্রতিদিন ৪০টি ফ্লাইট ওঠানামা করছে কক্সবাজার বিমান বন্দরে।এদিকে দুপুর দেড়টার দিকে প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে কক্সবাজার বিমান বন্দরে উদ্বোধন করা হয়েছে উড়োজাহাজে রিফুয়েলিং কার্যক্রম। পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃক কক্সবাজার বিমানবন্দরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজে ১২’শ লিটার জ্বালানি তেল সরবরাহের মাধ্যমে রিফুয়েলিং কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ।এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি কক্সবাজারের অধিনায়ক (পরিচালন শাখা) এয়ার কমডোর মোঃ আসিফ ইকবাল, পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ মাসুদুর রহমান, মহাব্যবস্থাপক (বিপণন), মহাব্যবস্থাপক (পরিচালন ও পরিকল্পনা) এবং উপ-মহাব্যবস্থাপক (এভিয়েশন) সহ পদ্মা অয়েল কোম্পানীর কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ, বেসরকারী বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন বেসরকারি এয়ারলাইন্সের প্রতিনিধিবৃন্দ এ উদ্বোধনী রিফুয়েলিং কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন।পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্বোধনী দিনে কক্সবাজার বিমান বন্দরে সিলেট ও ঢাকাগামী ৩টি ফ্লাইটে সরবরাহ করা হয়েছে ৬ হাজার ৪০০ লিটার জ্বালানি। এখন প্রতিদিনই কক্সবাজার বিমান বন্দরে এ কার্যক্রম চালু থাকবে।এদিকে আগামীতে এ অঞ্চল রিফুয়েলিংয়ের হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে এমনটিই জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ।তিনি জানান, কক্সবাজার হচ্ছে পর্যটনের হাব। এই পর্যটনের সঙ্গে বিমান বন্দরের যোগাযোগ এটি সারাবিশ্বে স্বীকৃত। সে লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ সরকার কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হিসেবে ঘোষণা করেছে। উন্নীতকরণের কাজও চলমান রয়েছে। আর আগামী বড় বড় বিমান আসবে কক্সবাজার বিমান বন্দরে। যে কারণে এখানকার চাহিদা আগামী অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে; বিশেষ করে উড়োজাহাজের জ্বালানি। সেই দৃষ্টি মাথায় রেখে উড়োজাহাজের রিফুয়েলিংয়ের একটি নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ জানান, পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড বহু বছর ধরে রিফুয়েলিং কার্যক্রম জড়িত রয়েছে। তাদের দক্ষতা নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। তাই কক্সবাজার বিমান বন্দরে উড়োজাহাজের রিফুয়েলিং ম্যানেজমেন্ট কার্যক্রমের দায়িত্বটা তাদের কে দেয়া হয়েছে। সে দায়িত্বটা গত রোববার পূর্ণাঙ্গভাবে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি কক্সবাজারের অর্থনৈতিক যে হাব বা বলতে পারি পর্যটনের হাব অথবা উন্নয়নের যে যাত্রাটা আগামীতে হতে যাচ্ছে সেটাকে কাভারেজ করতে গেলে এটা খুবই প্রয়োজন।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ আরও জানান , কক্সবাজার বিমানবন্দর বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় রিফুয়েলিং হাব হিসেবে গড়ে উঠবে। পাশ্চাত্য থেকে প্রাচ্যে বা প্রাচ্য থেকে পাশ্চাত্যে যত প্লেন যাবে তাদের রিফুয়েলিংয়ের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক জায়গা হবে কক্সবাজার। কারণ একেক সময় পৃথিবীর একেকটি জায়গা উঠে আসে। এক সময় হংকং তারপর সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক এখন দুবাই। কিন্তু বলতে পারি যে, ভবিষ্যতে কক্সবাজারই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। কেননা খুব স্বল্প সময়ে এখানে বিমান এসে নামতে, রিফুয়েলিং করতে এবং যেতে পারবে।এদিকে দীর্ঘদিনের দাবি হিসেবে কক্সবাজার বিমান বন্দরে রিফুয়েলিং সিস্টেম চালু হওয়ায় দারুণ খুশি বেসরকারি বিমান সংস্থার কর্মকর্তারা। তারা জানান, সময় ও অর্থ দুটির অপচয় রোধ হবে।বেসরকারি বিমান সংস্থা এয়ার অ্যাস্ট্রা’র কক্সবাজারস্থ সহকারি স্টেশন ম্যানেজার শহিদুল আলম চৌধুরী জানান, উড়োজাহাজে ঢাকা থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি নিলে অনেক সময় সেটা সমস্যা হয়ে যায়। কিন্তু এখন ঢাকা থেকে কম জ্বালানি নিয়ে কক্সবাজার বিমান বন্দরে এসে রিফুয়েলিংটা করলে অনেক সুবিধা হবে। আবার অনেক সময় বৈরী আবহাওয়া থাকলে উড়োজাহাজে জ্বালানির সংকট হয়। আগে এই বিমানবন্দরে যা রিফুয়েলিং করা যেত না। কিন্তু এখন রিফুয়েলিংয়ে কার্যক্রম চালু হওয়ায় জ্বালানির সমস্যাটা দূর হবে।বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস বাংলার কক্সবাজারস্থ স্টেশন ইনচার্জ মুসা আহমেদ জানান, কক্সবাজার বিমান বন্দরে উড়োজাহাজ রিফুয়েলিং কার্যক্রম চালু হওয়ায় সময় ও অর্থ দুটির অপচয় রোধ হবে। একই সঙ্গে যাত্রী সেবার মানটাও বাড়বে। 


আরও খবর



বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরেকটা নির্বাচন আর হবে না: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১২৩জন দেখেছেন


আরও খবর