Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা
ছেলে বন্ধুদের সাথে অতিরিক্ত মদ্যপানে তরুণীর মৃত্যু

কক্সবাজার বেড়াতে এসে অতিরিক্ত মদ্যপানে তরুণীর মৃত্যু

প্রকাশিত:Thursday ১৯ May ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ১৪০জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

ছেলেবন্ধুদের সাথে কক্সবাজার বেড়াতে এসে অতিরিক্ত মদ্যপানে লাবণী আকতার(১৯) নামের এক পর্যটক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।


গত ১৪ মে অসুস্থ অবস্থায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বুধবার (১৮ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি মারা যান। এই ঘটনায় তার দুই ছেলে বন্ধুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


নিহত লাবণী আকতার বরগুনার মনির হোসেনের কন্যা। তারা ঢাকার যাত্রাবাড়িতে বসবাস করেন।


এই ঘটনায় গ্রেফতার তার দুই ছেলেবন্ধু হলেন ঢাকার যাত্রাবাড়ি এলাকার মো. জাহাঙ্গীরের ছেলে কামরুল আলম (২০) ও আবদুর রহমানের ছেলে আরিফ রহমান নিলু (২১)।


 তাদেরকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করার পর আদালত তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেয় বলে জানান কক্সবাজার সদর থানার ওসি (তদন্ত) সেলিমউদ্দিন।


তিনি জানান, গত ১১ মে ঢাকার যাত্রাবাড়ি এলাকা থেকে লাবণী আকতার তার বন্ধুদের নিয়ে কক্সবাজারে বেড়াতে আসেন। তারা উঠেন শহরের কলাতলীর বীচ হলি ডে নামের একটি আবাসিক হোটেলে। 


গত ১৪ মে হোটেল কক্ষে বসে তারা মদ্যপান করার সময় অতিরিক্ত মদ্যপানে অসুস্থ হয়ে পড়ে লাবণী আকতার। পরে তাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত ১৬ মে তাকে হাসপাতালের আইসিইউ-তে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।


এই ঘটনায় আটক ২ যুবক অতিরিক্ত মদ্যপানের কথা স্বীকার করেছে।


তিনি আরো জানান, নিহত পর্যটক তরুণীর মৃতদেহ ময়নাতদন্ত শেষে তার পিতা মনির হোসেনসহ অন্যান্য অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় তারা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।



আরও খবর



নদী সচল রাখুন বন্যা থেকে মুক্তি মিলবে

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

আষাঢ়ের শুরুতে আকাশটা ঘন কালো মেঘে ছেয়ে গিয়েছিল। মাসের দু’দিন না পেরুতেই সারাদেশে অবিরাম বজ্রবৃষ্টি নিয়ে হাজির যেন বর্ষা রানী। অবশ্য গত সপ্তাহে দার্জিলিং, মেঘালয়, আসাম প্রভৃতি অঞ্চলে প্রবল বর্ষণ হয়েছে। একটানা অতিবর্ষণ পাহাড়ি ঢল সাজিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে আমাদের সবুজ-শ্যামলিমাকে ডুবিয়ে দিয়েছে।

থৈ থৈ বন্যার পানিতে সয়লাব বৃহত্তর সিলেট। তার সাথে উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, এবং বাদ যায়নি গাইবান্ধা, শেরপুর, নেত্রকোনা, সিরাজগঞ্জ প্রভৃতি জেলাও। এবছর দ্বিতীয়বার বন্যা ধেয়ে এসেছে ঢলের পানির তোড়ের সাথে। নিয়ে এসেছে ভয়ংকর এক আগ্রাসী মাতম। জুন মাসের ১৭ তারিখে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি শুরু হয়েছে সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলায়।

এবছর একমাসের ব্যবধানে আবারো সিলেটে বন্যা দেখা দিয়েছে। এবারের বন্যা শুধু হাওড়ে নয়- শহর গ্রাম সব জায়গায়। হঠাৎ পাহাড়ি ঢলে হু হু শব্দ করে উজান থেকে ধেয়ে এসে বাড়িতে ঢুকছে পানি, থৈ থৈ করছে চারদিক। বাদ যায়নি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গোটা ক্যাম্পাস। সাস্ট ক্যাম্পাসের ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসিক হলেও পানি উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি ক্লাস, পরীক্ষা সবকিছু বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে বহুবার বন্যা হয়েছে।

কিন্তু এবারের মত এত দ্রুত এত বিপুল জলরাশি ধেয়ে আসেনি কখনও। এই এলাকায় এত ভয়াবহ অবস্থা কোনদিন কেউ ঘটতে দেখেনি। সাস্টের শিক্ষকরা নিজেদের বাসায় পানিবন্দী হয়ে ঘরের মধ্যে আটকা পড়ে আছেন। রাস্তা, টিনশেড ও একতলা বাড়ির ঘরে পানি, গ্যারেজে পানি, প্রায় সকল বহুতল বাড়ির নিচতলার মধ্যে পানি ঢুকে পড়েছে। জুন ১৬ তারিখ থেকে একটু একটু করে পানি বেড়ে ১৭ তারিখের বিকেল চারটার মধ্যে গোটা সাস্ট ক্যাম্পাস পানিতে ডুবে গেছে।

এবারের সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ রূপ নিয়েছে যে এর প্রভাবে গোটা দেশের আসন্ন এসএসসি ও সমমানের সকল পাবলিক পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। এজন্য প্রস্তুতি নিয়েও লাখ লাখ পরীক্ষার্থী বিপাকে পড়েছেন। এছাড়া ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে পানি ঢোকায় বিমান ওঠানামা বন্ধ রয়েছে। ঢাকাগামী রাস্তাসহ ছোট-বড় সকল রাস্তা উপচে পানির স্রোত বইতে থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পানি ঢুকে পড়ায় গোটা অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। ইতোমধ্যে সুনামগঞ্জের সাব-স্টেশনগুলোতে পানি ঢুকে পড়ায় গোটা সুনামগঞ্জ জেলা অন্ধকারে ডুবে আছে।

সুনামগঞ্জের শহর-গ্রাম সব এলাকায় ভয়ংকর অবস্থা বিরাজমান। একতলা বাড়িঘরের নিশানা নেই। কোথাও কোথাও ঘরের চালের উপর দিয়ে বইছে বন্যার পানির স্রোত। অল্পসংখ্যক দোতলা তিনতলা বাড়িতে বহু মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। তারা মানবিকভাবে উঠে গিজ গিজ করে আছেন। সবাই বড়ির মালামাল, আসবাব, টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বাঁচানোর আশা ছেড়ে দিয়ে জীবন বাাঁচানোর তাগিদে আশ্রয়ের খোঁজে হন্যে হয়ে পড়েছেন। দোয়ারাবাজার, ছাতক ও সুনামগঞ্জে বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল ফোনের ব্যাটারি চার্জের অভাবে জরুরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন অনেক রিমোট এলাকার মানুষ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১ জন শিক্ষার্থী সেখানে সফরে গিয়ে পানিতে আটকা পড়ে আছেন বলে সংবাদ হয়েছে।

সিলেট রেল স্টেশনে পানি উঠে ১, ২নং প্লাটফর্মের লাইন ডুবে যাওয়ায় ছাতক, সুনামগঞ্জের ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। যে কোন মুহূর্তে ঢাকার সাথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হতে পারে। সুনামগঞ্জে বন্যার পানির এত ভয়াবহ অবস্থা যে স্থানীয় মানুষ নিজেরা উদ্ধারকাজ করতে অপারগ। তাই সেখানকার জনপ্রতিনিধিরা সেনাবাহিনীর উদ্ধারকারী দলকে নৌকা, স্পিডবোট নিয়ে জলবন্দী মানুষ ও গবাদিপশু উদ্ধারের জন্য ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। তারা হেলিকপ্টারে করে পানির বোতল, স্যালাইন ও শুকনো খাবার সরবরাহের আবেদন জানিয়েছেন।

অনেকে অভিযোগ করেছেন যে তারা এত কষ্টের মধ্যে জীবন বাজি রেখে পানির সাথে সংগ্রাম করে যাচ্ছেন তাদের এই আকুতি টিভি বা গণমাধ্যমে তেমন করে প্রচারিত হচ্ছে না। এমনকি কেউ তাদেরকে উদ্ধার বা সাহায্য করতে এখনও এগিয়ে আসছে না। দেশের এত টিভি চ্যানেল ও মিডিয়ার লোকজন কোথায়? তারা এখনও নীরব কেন, ইত্যাদি।

টানা বর্ষণে শুধু সিলেট নয়- দেশের ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, তিস্তা, ধরলা, সোমেশ্বরী নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামী দু-তিন দিন পর দেশের মধ্যাঞ্চলে বন্যার প্রকোপ শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে। দ্বিতীয় ধাপের এই বন্যায় এত ভয়ংকর চেহারা আগে কেউ কখনও দেখেননি। বন্যার পানির স্রোতের এত বেগ হবে তা কেউ কখনও কল্পনাও করেননি। এত পানি উজানের কোত্থেকে ধেয়ে আসছে তা নিয়ে অনেকের বিস্ময়।

সুরমা, কুশিয়ারা, মনু খোয়াই নদীগুলো নাব্য হারিয়েছে অনেক আগেই। এসব নদী উজানের এত বিপুল জলরাশির চাপ সহ্য করতে অপারগ। অনেকে বলছেন, অপরিকল্পিত উন্নয়ন কাজের জন্য নদীগুলোতে পানি প্রবেশের দ্বারগুলো সংকুচিত হয়ে পড়েছে। তাই পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে রাস্তা উপচিয়ে শহর ও গ্রামের জনবসতি ভাসিয়ে দিচ্ছে।

কেউ আবার করুণ স্বরে বলছেন, এটা আমাদের শুধু নিয়তি বললে ভুল হবে। এটা যতটা না নিয়তি ততটা আমাদের প্রতিবেশীদের প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত তথ্যপ্রদানে অসহযোগিতার নমুনা। বার বার হঠাৎ হু হু করে ধেয়ে আসা বন্যার লক্ষণ খুই অশুভ। এটা আমাদের সার্বিক উন্নয়ন প্রচেষ্টার পথে সবচেয়ে বড় বাধা।

তবে ক্রমাগত বিপর্যয়ের মুখে পড়ে যে যাই বলুন না কেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন- নদীভাঙন, অকাল বন্যা, ফ্লাশ ফ্লাড, বার বার বন্যা, ভূমিধস ইত্যাদি যেহেতু আমাদের পাহাড়ি ও সমতল সব এলাকার মানুষের চরম নিয়তি সেহেতু এসব বিপর্যয় ঠেকাতে হলে আমাদেরকে নতুন করে ভাবতে হবে। প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে সকল নদীর সব মৌসুমের পানিপ্রবাহ নিয়ে আলোচনা করতে হবে এবং কার্যকর চুক্তি করতে হবে।

খরা মৌসুমে অভ্যন্তরীণ সব নদীতে ড্রেজিং করে পানি প্রবেশের সংকুচিত দ্বারগুলো প্রশস্ত ও সাগরে যাওয়ার পথকে উন্মুক্ত করে দিতে হবে। প্রতিবছর বন্যা শুরু হবার পর বালির বস্তা নিয়েদৌড়াদৌড়ি করে তটস্থ হলে বন্যার করাল গ্রাস থেকে আমরা কখনও মুক্তি পাব না।

লেখক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন।

[email protected]


আরও খবর



খাদ্যের দাম বাড়ায় ভোলায় কমেছে গরু মোটাতাজাকরণ

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোলার খামারিরা। তবে বাজারে গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় গরু মোটাতাজাকরণে খরচ গুনতে হচ্ছে আগের চেয়ে অধিক। তাই এ বছর অনেক খামারি গরু মোটাতাজাকরণ সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছেন।

করোনা পরিস্থিতিতে গত দুবছর কোরবানির হাটে গরু বিক্রি করে লোকসান গুনেছেন অনেক খামারি। কিন্তু এ বছর খাদ্যে দাম বেশি হলেও হাটে বিদেশি গরু না উঠলে লোকসান পুষিয়ে উঠতে পারবেন বলে দাবি তাদের।

jagonews24

ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া, দক্ষিণ দিঘলদী, ভেদুরিয়া, ভেলুমিয়া ও দৌলতখান উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি খামারে গিয়ে দেখা গেছে, কোরবানির হাটে গরু বিক্রির জন্য দেশীয় পদ্ধতিতে কাঁচা ঘাস, ভুট্টার গুঁড়া, সয়াবিন মিল, গমের ভুসি, চালের খুদ, চালের কুড়া, খৈল ও খেশারি খাইয়ে মোটাতাজাকরণ করছেন খামারিরা। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে অনেকটাই ব্যস্ত সময় পারছেন তারা। কিন্তু দেশীয় গো-খাদ্যের দাম গত বছরের চেয়ে বেড়ে যাওয়ায় গরু মোটাতাজাকরণের সংখ্যা কিছুটা কমিয়ে দিয়েছেন।

ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের তুলাতুলি গ্রামের খামারি মো. ইব্রাহীম ও আরজু বেগম বলেন, ‘কোরবানির দু-তিন মাস আগে ভোলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু কিনে দেশীয় পদ্ধতিতে খাবার খাইয়ে মোটাতাজাকরণ করি। গত দুবছর করোনার কারণে ভালো লাভ করতে পারেনি। এ বছর করোনা না থাকায় আশা করছি কোরবানির হাটে গরু বিক্রি করে ভালো দাম পাবো।’

jagonews24

দৌলতখান উপজেলায় উত্তর জয়নগর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইয়াসিন লিটন বলেন, ‘গো-খাদ্যের দাম অনেক বেড়ে গেছে। বাধ্য হয়ে বেশি দামে কিনে গরু মোটাতাজাকরণ করছি। এতে এক একটি গরু মোটাতাজাকরণে অধিক পরিমাণ খরচ গুনতে হয়েছে। তবে কোরবানির হাটে আমরা বেশি টাকায় গরু বিক্রি করতে পারবো কি না তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যদি কোরবানির হাটে বিদেশি গরু না আসে, তাহলে খরচ বাদ দিয়ে লাভ করতে পারবো।’

jagonews24

ভোলা জেলা ডেইরি ফার্মস অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের খামারি মো. কামরুল হাসান খোকন বলেন, ‘ভোলার সাত উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে ২ হাজার ৪৪৫টি খামার রয়েছে। প্রতি বছর এসব খামারিরা কোরবানির আগে দেশীও পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজাকরণ করে কোরবানির হাটে বিক্রি করেন। কিন্তু এ বছর গো-খাদ্যের দাম অনেক বেড়ে গেছে। তাই গত বছরের চেয়ে এ বছর ১০ হাজার গরু মোটাতাজাকরণ কম হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দু-তিন মাস আগে গরু কিনেছি। বেশি দামে খাবার খাওয়ানো এবং শ্রমিকের বেতনসহ যে খরচ হয়েছে তাতে কোরবানির হাটে বেশি দামে বিক্রি করতে পারবো কি না চিন্তায় আছি।’

jagonews24

ভোলা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মন্ডল জানান, ‘ভোলার সাত উপজেলায় ২১টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম খামারে গিয়ে অবৈধভাবে গরু মোটাতাজাকরণ হচ্ছে কি না, তা মনিটরিং করছে। এবছর ভোলার সাত উপজেলায় গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার চাহিদা ৯৭ হাজার ১৮০টি থাকলেও মজুত রয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৭৯০টি। তবে এ বছর গো-খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় ১০ হাজার গরু মোটাতাজাকরণ কম হয়েছে।


আরও খবর



জুম মিটিংয়ে ৫০১ টাকা কাবিনে গায়িকা মৌসুমীর বিয়ে

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

প্রতিনিয়তই আপডেট হচ্ছে মানুষের জীবনযাত্রা। ডিজিটাল যুগে প্রায়ই দেখা যায় ভিডিও কলে বিয়ে করছেন অনেকে। চোখের দেখা ও কাছাকাছি থাকার যে বাসনা তা ধামাচাপা দিয়ে তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে এমন বিয়ের নজির কম নয়।

এবার জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে বিয়ে করতে দেখা গেল কণ্ঠশিল্পী আয়েশা মৌসুমীকে। গতকাল শুক্রবার (১৭ জুন) নিজের জন্মদিনে ব্যতিক্রম উপায়ে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন তিনি। নিজেই জানালেন জীবনের নতুন ইনিংস শুরুর খবরটি।

মৌসুমীর বরের নাম তসলিম মজুমদার। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এই ব্যক্তি চাকরি করেন সেখানকার জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে।

গায়িকা জানান, ঢাকা টু নিউইয়র্ক জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে যুক্ত হন তার ও তার বরের পরিবারের সদস্যরা। এরপর সেখানেই কবুল বলেন দুজনে।

মৌসুমী জানান, মাত্র ৫০১ টাকা কাবিনে বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে!

আয়েশা মৌসুমী গণমাধ্যমকে এই অভিনব উপায়ে বিয়ে প্রসঙ্গে জানান, ‘তসলিমের সঙ্গে আমার পরিচয় দীর্ঘ ৭ বছরের। পরিকল্পনা ছিল অনলাইনে বিয়ে করবো আমরা। অবশেষে আমার জন্মদিনকে বেছে নিয়ে বিশেষ দিনটির হন্য। আমরা দুজনেই বেশ খুশি। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

তিনি জানালেন, মাস কয়েক পরই দেশে ফিরবেন তার বর তসলিম। তখন বড় আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা করবেন।


আরও খবর



উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় কর ছাড় দিয়ে আসছে প্রত্যাবর্তনের বাজেট

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৮১জন দেখেছেন
Image

২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট নিয়ে আসছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এবার বাজেটের স্লোগান ‘কভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’।

এ বাজেট তৈরিতে মহামারি পরবর্তী বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটকে সামনে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবিলায় ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব কর নীতি, কর আইনের যথাযথ প্রয়োগ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসমতা দূরীকরণ এবং তথ্যপ্রযুক্তিবান্ধব নীতি গ্রহণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পাশাপাশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উন্নত বিশ্বের কাতারে পৌঁছানের লক্ষ্যে বেসরকারি বিনিয়োগ ও দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) অনুপাত বাড়ানোর। বর্তমানে বেসরকারি বিনিয়োগ ও জিডিপির অনুপাত ২৩ শতাংশ।

এদিকে করপোরেট কর হার কমিয়ে বেসরকারি বিনিয়োগ ও জিডিপির অনুপাত বাড়ানোর ছক কষছেন অর্থমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে এ বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন তিনি। এটা হবে দেশের ৫১তম বাজেট।

এবারের বাজেটের আকার যেমন বড়, তেমনি এর ঘাটতিও ধরা হচ্ছে বড়। অনুদান ছাড়া বাজেটের ঘাটতি দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির সাড়ে ৫ শতাংশের সমান। আর অনুদানসহ বাজেট ঘাটতির পরিমাণ হবে ২ লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫ দশমিক ৪০ শতাংশের সমান।

এ ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা। আর বৈদেশিক ঋণ নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা, যার মধ্য থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হবে। ফলে প্রকৃত বৈদেশিক ঋণ দাঁড়াবে ৯৫ হাজার ৪৫৮ কোটি টাকা।

অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে যে ঋণ নেওয়া হবে তার মধ্যে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা নেওয়া হবে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে। এর মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ ৬৮ হাজার ১৯২ কোটি টাকা। আর স্বল্প মেয়াদি ঋণ ৩৮ হাজার ১৪২ কোটি টাকা। আর ব্যাংক বহির্ভূত ঋণ ধরা হচ্ছে ৪০ হাজার ১ কোটি টাকা। যার মধ্যে জাতীয় সঞ্চয় প্রকল্প থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা এবং ৫ হাজার ১ কোটি টাকা অন্যান্য খাত থেকে নেওয়া হবে।

নতুন অর্থবছরের বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৪ লাখ ১১ হাজার ৪০৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে আবর্তক ব্যয় ৩ লাখ ৭৩ হাজার ২৪২ কোটি টাকা, অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ ৭৩ হাজার ১৭৫ কোটি এবং বৈদেশিক ঋণের সুদ ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। মূলধন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৩৮ হাজার ১৬৪ কোটি টাকা। খাদ্য হিসাবে ৫৪০ কোটি টাকা এবং ঋণ ও অগ্রিম ব্যয় ৬ হাজার ৫০১ কোটি টাকা ধরা হচ্ছে।

অপরদিকে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে, ২ লাখ ৫৯ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) জন্য বরাদ্দ রাখা হচ্ছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। এডিপি বহির্ভূত বিশেষ প্রকল্পের জন্য ৭ হাজার ৭২১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। এছাড়া বিভিন্ন স্কিম বাবদ ৩ হাজার ১৫৫ কোটি টাকা এবং কাজের বিনিময়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির জন্য ২ হাজার ৬৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

এসব ব্যয়ের বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক অনুদান ৩ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। রাজস্ব সংগ্রহের গুরু দায়িত্ব পালন করতে হবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর)।

রাজস্বের যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে তার মধ্যে কর ৩ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত কর ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বহির্ভূত কর ১৮ হাজার কোটি টাকা। আর কর ব্যতীত আয় ধরা হচ্ছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা।

এবারের বাজেটে অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হার ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ২৭ শতাংশ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে এক ব্যক্তি কোম্পানির কর হার ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ২২ শতাংশ হচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো এ ধরনের কোম্পানি প্রতিষ্ঠায় উৎসাহিত করা।

আর পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার আইপিও’র মাধ্যমে হস্তান্তর হলে তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হার সাড়ে ২২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশ হচ্ছে। তবে আইপিও’র মাধ্যমে ১০ শতাংশের কম শেয়ার হস্তান্তর হলে কর হার সাড়ে ২২ শতাংশই থাকবে।

এছাড়া তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর হার আগের মতোই সাড়ে ৩৭ শতাংশ রাখা হচ্ছে। অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার হারেও আনা হচ্ছে না কোনো পরিবর্তন। আগের মতো এসব প্রতিষ্ঠানকে ৪০ শতাংশ কর দিতে হবে। মার্চেন্ট ব্যাংকের কর হারও অপরিবর্তিত রেখে সাড়ে ৩৭ শতাংশ করা হচ্ছে।

এদিকে বিড়ি, সিগারেট, জর্দা, গুলসহ সব প্রকার তামাকজাত পণ্য প্রস্তুতকারী কোম্পানির কর হার ধরা হচ্ছে ৪৫ শতাংশ ও আড়াই শতাংশ সারচার্জ। এ ক্ষেত্রেও কর হারে পরিবর্তন আসছে না। অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে মোবাইল ফোন কোম্পানির কর হার। চলমান অর্থবছরের মতো আগামী অর্থবছরের জন্য তালিকাভুক্ত মোবাইল ফোন কোম্পানির কর হার ৪০ শতাংশ এবং অ-তালিকাভুক্ত মোবাইল ফোন কোম্পানির কর হার ৪৫ শতাংশ করা হচ্ছে।

তবে ব্যক্তি সংঘের কর হার ৩০ শতাংশ থেকে কমে হচ্ছে সাড়ে ২৭ শতাংশ। কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা ও অন্যান্য করযোগ্য সত্তার কর হারও ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে সাড়ে ২৭ শতাংশ করা হচ্ছে। আর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজ, বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বা কেবলমাত্র তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষায় নিয়োজিত বেসরকারি কলেজের কর হার চলমান অর্থবছরের মতো ১৫ শতাংশই রাখা হচ্ছে।

ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত ও সহজ করতে ট্রেডিং পণ্য সরবরাহের ওপর উৎসে কর হার ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হচ্ছে। এছাড়া সরকারি সরবরাহ ছাড়া বই সরবরাহের উৎসে কর হার ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে করা হচ্ছে ৩ শতাংশ। আর শিল্প কারখানায় উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে ম্যানুফ্যাকচারের নিকট কাঁচামাল সরবরাহের ওপর উৎসে কর হার ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪ শতাংশ করা হচ্ছে।

এদিকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর ছাড় দেওয়া হলেও কর নেট সম্প্রসারণে হোটেল, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার এবং ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিকে উৎসে কর কর্তনকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হবে আগামী অর্থবছরের বাজেটে। পাশাপাশি রপ্তানি পণ্যের উৎসে কর দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১ শতাংশ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে হাঁস-মুরগির খামার এবং সব হ্যাচারি ও মাছ চাষ থেকে আয়ের ওপর অভিন্ন কর হার আরোপ করা হবে।

নতুন অর্থবছরের বাজেটে দিতে গিয়ে বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মন্দার পূর্বাভাস মাথায় রাখতে হচ্ছে অর্থমন্ত্রীকে। এজন্য বিদেশে অর্জিত স্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশে আনা না হলে তার ওপর ১৫ শতাংশ, বিদেশে থাকা অস্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশে আনা না হলে তার ওপর ১০ শতাংশ এবং বাংলাদেশে রেমিটকৃত নগদ অর্থের উপর ৭ শতাংশ হারে কর ধার্য হচ্ছে। ফলে অর্থনীতির মূল স্রোতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়বে, বাড়বে রাজস্ব আহরণ এবং করদাতারা বিদেশে অর্জিত তাদের অর্থ-সম্পদ আয়কর রিটার্নে প্রদর্শনের সুযোগ পেয়ে স্বস্তিবোধ করবেন।

প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষকে অর্থনীতির মূলধারায় অন্তর্ভুক্তির জন্য এবারের বাজেটেও বিশেষ প্রণোদনা থাকছে। কোনো প্রতিষ্ঠান তার মোট কর্মচারীর ১০ শতাংশ বা ২৫ জনের অধিক প্রতিবন্ধী বা তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের নিয়োগ দিলে ওই কর্মচারীদের পরিশোধিত বেতনের ৭৫ শতাংশ বা প্রদেয় করের ৫ শতাংশ যেটি কম তা নিয়োগকারীকে কর রেয়াত হিসেবে দেওয়া হবে।

পণ্য ও সেবা রপ্তানি উৎসাহিত করার জন্য গার্মেন্টসের মতো অন্যান্য পণ্য ও সেবা রপ্তানি খাতের কর হার ১২ শতাংশ হচ্ছে। আর ১০ শতাংশ করা হচ্ছে গ্রিন শিল্পের কর হার। বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ দিয়ে বহির্বিশ্বে সেবা প্রদানের বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংকিং চ্যানেলে আনা আয়কে ২০৩০ সাল পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে নতুন অর্থবছরের বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতকে। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্নকে বহুমাত্রিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে স্টার্টআপ উদ্যোগকে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হবে। এ খাতের উদ্যোক্তাদের আয়কর রিটার্ন দাখিল বাদে অন্যান্য সব প্রকার রিপোর্টিংয়ের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে স্টার্টআপ কোম্পানির লোকসান ৯ বছর পর্যন্ত সমন্বয়ের সুযোগ দেওয়া হবে। এছাড়া স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে ব্যয় সংক্রান্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার ও টার্নওভার কর হার দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ১০ শতাংশ করা হচ্ছে।

ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ ও সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন সহজ এবং মূল্য সাশ্রয়ীর লক্ষ্যে গ্যালভানাইজড আয়রণ শিট বা স্টিলজাত পণ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত এইচআর কয়েল এবং জিংক জাতীয় কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে করহার ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করা হচ্ছে। আর স্বর্ণ আমদানিতে বিলোপ করা হচ্ছে বিদ্যমান অগ্রিম কর। এর উদ্দেশ্য দেশে বৈধ পথে স্বর্ণ আমদানিতে উৎসাহ এবং স্বর্ণ চোরাচালান বন্ধ করা।


আরও খবর



কচা নদীতে হাত-পা বাঁধা তরুণীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় কচা নদীর তীর থেকে হাত-পা বাঁধা এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের পূর্ব চরবলেশ্বর এলাকায় কচা নদীর তীরে মরদেহটি ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়।

ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

তবে উদ্ধার তরুণীর পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তার বয়স আনুমানিক ২৫ থেকে ২৭ বছর।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, দুপুরে অর্ধগলিত মরদেহটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন। পরে ইন্দুরকানী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

ওসি এনামুল হক জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।


আরও খবর