Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে প্রধানমন্ত্রী, আবদুল হামিদ সেনানিবাস উদ্বোধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৬৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক; দুই যুগেরও বেশি সময় পর আজ মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জের হাওর অধ্যুষিত মিঠামইনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা থেকে মিঠামইনে পৌঁছান তিনি। পরে নবনির্মিত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুল হামিদ সেনানিবাস উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

মিঠামইন সদরের ঘোড়াউত্রা নদীর তীরে ২৭৫ একর জায়গায় নবনির্মিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাসে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন শেখ হাসিনা। পরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে তার পৈতৃক বাড়িতে যাবেন সরকারপ্রধান। সেখানে জোহরের নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সফরসঙ্গীরা।

বিকেল ৩টায় মিঠামইন সদরের হেলিপ্যাড মাঠে আয়োজিত সুধী সমাবেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সমাবেশ শেষে  হেলিকপ্টারযোগে ঢাকার উদ্দেশে মিঠামইন ছাড়বেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।


আরও খবর



জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য করে ফের বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য সমন্বয় করছে সরকার। এ দফায় অকটেনের দাম ১৩১ টাকা, পেট্রলের দাম ১২৭ টাকা ও ডিজেলের দাম ১০৭ টাকা ৭৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) নতুন মূল্যের প্রজ্ঞাপন জারি করে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়েছে, প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল ও কেরোসিনের বিদ্যমান মূল্য ১০৭ টাকা থেকে ০.৭৫ টাকা বৃদ্ধি করে ১০৭.৭৫ টাকা, পেট্রলের বিদ্যমান মূল্য ১২৪.৫০ টাকা থেকে ২.৫০ টাকা বাড়িয়ে ১২৭ টাকা এবং অকটেনের বিদ্যমান মূল্য ১২৮.৫০ টাকা থেকে ২.৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ১৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সমন্বয়কৃত এ মূল্য ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, মূল্য সমন্বয়ের পরেও ভারতের কলকাতায় বর্তমানে ডিজেল লিটার প্রতি ৯০.৭৬ রুপী বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২৫.৭০ টাকায় এবং পেট্রল ১০৩.৯৪ রুপী বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪৩.৯৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফলে ভারতের থেকে বাংলাদেশে লিটার প্রতি জ্বালানি তেলের দাম যথাক্রমে প্রায় ১৭.৯৫ টাকা ও ১৬.৯৬ টাকা বেশি।

এর আগে ৩০ এপ্রিল জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়। ওই সময়ে ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেল ও কেরোসিনের বিদ্যমান মূল্য লিটার প্রতি ১০৬ টাকা থেকে এক টাকা বৃদ্ধি করে ১০৭ টাকা, পেট্রলের বিদ্যমান মূল্য লিটার প্রতি ১২২ টাকা থেকে ২.৫০ টাকা বেড়ে ১২৪.৫০ টাকা এবং অকটেনের বিদ্যমান মূল্য ১২৬.০০ টাকা থেকে ২.৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ১২৮.৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

উল্লেখ্য, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কিছুটা হ্রাস পেলেও মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়নের কারণে এ মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের যা কিছু প্রয়োজন সব করে দেব: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়িঘরসহ যার যা কিছু প্রয়োজন তা দেওয়ার দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরে সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ মাঠে ত্রাণ বিতরণের পরে এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। এর আগে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, বাঁধ দ্রুত মেরামতে আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে যে সমস্ত রাস্তাঘাট ও বাঁধ ভেঙ্গে ভেঙে গেছে সেগুলোও মেরামতের কাজ শুরু করে দিয়েছি। যাতে বর্ষার আগেই আমরা বাঁধগুলো নির্মাণ করে জলোচ্ছ্বাস বা পানির হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে পারি।

সরকারপ্রধান বলেন, যাদের ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে ইতোমধ্যে আমরা খোঁজ নিতে বসেছি। তাছাড়া আমি আবার সবার সঙ্গে বসবো। যেখানে যেখানে যাদের বাড়িঘর ভেঙেছে, তাদের ঘরবাড়ি করে দেবো, এইটুকু ভরসা আপনারা রাখবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলোচ্ছ্বাসের কারণে অনেক পুকুরের পানি নোনতা হয়ে গেছে। অনেক জায়গায় মাছের ঘের ভেসে গেছে। আমাদের ভাগ্য ভালো যে, ধানকাটা শেষ হয়ে গিয়েছিল। তারপরেও তরিতরকারি যা নষ্ট হয়েছে, কৃষক যাতে আবার সেগুলো বপন করতে পারে, সেজন্য বীজ, সার, যা যা লাগে সেগুলোর ব্যবস্থা ইনশাল্লাহ আমি করে দেবো। নতুন উদ্যমে আপনারা যাতে চাষ করতে পারেন, আমি চাই আমাদের এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদী থাকবে না। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা পদক্ষেপ নিই। আর সেই ব্যবস্থা আমরা করে দেবো।

ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোয় দলীয় নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।


আরও খবর



দেশের ‘কুইন আইল্যান্ড’ ভোলার ঐতিহ্য মহিষের দই

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন, ভোলা বিশেষ প্রতিনিধি:দেশের বৃহত্তম দ্বীপজেলা ভোলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রাচুর্যের কারণে এই জেলাকে ডাকা হয় ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে। জেলার পূর্ব দিকে মেঘনা নদী, পশ্চিমে তেঁতুলিয়া, উত্তরে ইলিশা আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। জলবেষ্টিত জেলা ভোলার প্রায় ২০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী খাবার মহিষের দই। স্থানীয়ভাবে এটি ‘বৈষা দই’ নামে পরিচিত। উৎসব-পার্বণে এর চাহিদা অনেক বেশি। দই তৈরিতে দুধ আসে জেলার বিভিন্ন চরের মহিষের বাথান থেকে। এ উত্তাল জলরাশির মধ্যে জেগে ওঠা চরে সবুজ ঘাসের বুকে বিচরণ করে বেড়ায় মহিষ। সরকারি হিসাবে এর সংখ্যা এক লাখ ২৪ হাজার। তবে বেসরকারি হিসাব মতে তা দুই লাখের কাছাকাছি।

ভোলা জেলার ইতিহাস থেকে জানা যায়, ১২২০ সালের দিকে ভোলায় প্রথম চর জাগতে শুরু করে। প্রায় ১০০ বছর পর, ১৩০০ সালের দিকে এখানে চাষাবাদ শুরু হয়। ১৩৩৫ সাল নাগাদ দক্ষিণ শাহবাজপুরে (ভোলার আদি নাম) বসতি স্থাপন শুরু হয়।

শাহবাজপুর ছাড়াও আশপাশের নদীতে জেগে ওঠে নতুন নতুন অসংখ্য চর। তখন থেকে শুরু হয় মহিষ লালন-পালন। সেখান থেকেই মহিষের দুধের কাঁচা টক দধির প্রচলন। তা ধীরে ধীরে নাম যশে বাড়তে থাকে এর চাহিদা। বর্তমানে সারাবছরই কাঁচা বৈষা দইয়ের চাহিদা থাকে। এখানকার অতিথি আপ্যায়নের অন্যতম উপাদান এটি। এ টক দধি গুড়, মিষ্টি অথবা চিনি দিয়ে খাওয়া যায়। এ ছাড়াও এ দুধের ছানার রসগোল্লা, রসমালাইয়ের স্বাদও অতুলনীয়। এ টক দধি সব সামাজিক, পারিবারিক ও ঘরোয়া অনুষ্ঠানে থাকতেই হবে। এ যেন এক ঐতিহাসিক রীতিনীতি। খাবার হজমে, ডায়াবেটিস ও হার্টের সমস্যায় কাঁচা দুধের দধি উপকারিতা রয়েছে। এ ছাড়াও, এই দই অধিক পরিমাণ প্রোটিন সমৃদ্ধ। এটি রক্তচাপ কমায় ও হাড়ের মজবুত গঠনেও ভূমিকা রাখে। অর্থাৎ পুষ্টিমান বিবেচনায়ও এটি মানবদেহের জন্য একটি উপকারী খাবার হিসেবে বিবেচ্য।

এ এলাকার মানুষ খাবারের শেষে ভাতের সঙ্গে দই খেয়ে থাকে। দই, চিড়ার সঙ্গে হালকা মুড়ি ও চিনি মিশিয়ে মজা করে খাওয়া যায়। গরমের মৌসুমে দইয়ের সঙ্গে হালকা পানি ও চিনি মিশিয়ে ঘোল তৈরি করা হয়। এ ঘোল গরমের দিনে মানবদেহকে ঠান্ডা রাখে। অনেকে কুটুম বাড়িসহ পছন্দের মানুষের উপহার কিংবা দেশের বাইরেও প্রিয়জনদের কাছে এখানকার দধি পাঠিয়ে থাকে। কোনো বিয়ের অনুষ্ঠান হলে দধি দিয়ে আপ্যায়ন করা প্রায় বাধ্যতামূলক। শীতে হাঁসের মাংসের সঙ্গে টক দই আর খেজুরের গুড় ভোজনরসিকদের কাছে খুবই জনপ্রিয় খাবার। 

আরো জানা গেছে, ভোলায় বছরে গরু ও মহিষের দুধ উৎপাদন হয় প্রায় ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৭ টন। এর মধ্যে প্রায় ১৮ হাজার টন মহিষের দুধ। উৎপাদন অনুযায়ী দুধের চাহিদা রয়েছে দ্বিগুণ। বর্তমানে প্রতি দেড় লিটারের টালী দই বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৫০ টাকায় এবং দুই মিটারের বড় টালী ৩৫০-৪০০ টাকায় বিক্রি হয়। ঈদকে কেন্দ্র করে দাম আরও বেড়ে যায়। ঈদ শুরুর অন্তত দুই সপ্তাহ আগ থেকে দুধ সংগ্রহে রাখেন বিক্রেতারা। ঈদের পরও বেশ কিছুদিন এর চাহিদা থাকে তুঙ্গে।

উপকূলীয় অঞ্চলের এই টক দইয়ের চাহিদা দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে খামারিরা জানান, আজকাল ঢাকার লালমাটিয়া, মোহম্মদপুর, দারুস সালাম ও মিরপুরের অরগানিক খাবারের দোকানগুলো ভোলা থেকে ভৈষা দই কিনে নিয়ে বিক্রি করছে এবং চাহিদাও রয়েছে প্রচুর। ঢাকার দোকানগুলোতে প্রতি দেড় লিটারের টালী দই বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা থেকে ২৮০ টাকা এবং ২ লিটারের বড় টালী বিক্রি করা হয় ৪০০-৫০০ টাকা পর্যন্ত।

প্রায় ৪০ বছর ধরে বাথানভিত্তিক মহিষের আবাদ ও দইয়ের ব্যবসা করছেন ভোলার শাহিন আলম। তিনি জানান, মহিষের দুধ ঘন। এতে পানির পরিমাণ কম থাকায় মাটির পাতিলে দই পাতলে সে পানিটুকুও শুষে নেয়। ফলে নির্ধারিত সময়ের পর দইয়ের ওপর ঘন মাখন জমে। প্রথমে একটি মাটির পাত্র (টালি) পরিষ্কার করে নিতে হবে। এরপর দুধগুলোকে ভালোভাবে ছেকে মাটির পাত্রে স্থির জায়গায় রেখে দিলে হয়ে যাবে মুখরোচক টক দই। গরমের দিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা এবং শীতের দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগে দই তৈরিতে। তিনি আরও জানান, চরাঞ্চলে পর্যাপ্ত কিল্লা (দুর্যোগে মহিষের আশ্রয় নেওয়ার জায়গা) না থাকায় ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের সময় নিখোঁজ হয় অনেক মহিষ। তাই খামারিরা মহিষ পালনে দিন দিন আগ্রহ হারাচ্ছেন। ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষের দুধের ‘টক দই’ ধরে রাখতে হলে সরকারি-বেসরকারি কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। 

ভোলা শহরের আদর্শ দধি ভা-ারের মালিক মো. আব্দুল হাই জানান, ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তার বাবা চরে মহিষ পালন করতেন। সেই মহিষের দুধের ওপর নির্ভর করেই তিনি দইয়ের দোকান দিয়েছেন। বর্তমানে বাবার পরিবর্তে নিজে ব্যবসার হাল ধরেছেন। এখন দইয়ের বেশ চাহিদা থাকলেও দুধের সরবরাহ কম থাকায় চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ করতে পারছেন না। খাদ্যসংকটসহ নানা কারণে চরাঞ্চলে মহিষ পালন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে বলে জানান আব্দুল হাই। 

এদিকে, ভৈষা দইয়ের বাজার সম্প্রসারণে কাজ করছে সরকারের পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের সাসটেইনেবল এন্টারপ্রাইজ প্রজেক্ট (এসইপি)। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভোলা জেলা কেন্দ্রিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা পরিবার উন্নয়ন সংস্থা (এফডিএ) চরফ্যাশনে উৎপাদিত ভৈষা দইকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত ও বাজারজাতকরণে কাজ করছে। সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পর্যায়ে পরিবেশবান্ধব খামার তৈরি, নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তিতে পণ্য প্রক্রিয়া এবং বাজারজাতকরণে প্রান্তিক খামারি ও সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সংস্থাটি। পাশাপাশি দেওয়া হচ্ছে আর্থিক ও সব ধরনের কারিগরি সহায়তা।

এফডিএ জানায়, তাদের সহায়তায় এই এলাকার দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য আগের চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদভাবে বাজারে আসছে। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। ভৈষা দই এখন একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত সরবরাহ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ঢাকার বাজারে পরিচিতি পাচ্ছে। অচিরেই এই পদ্ধতিতে অনেক স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের উৎপাদিত দুগ্ধপণ্য জাতীয় বাজারে নেওয়ার সুযোগ পাবেন বলে আশা করা যায়।

প্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার এসইপি প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার ডা. তরুণ কুমার পাল জানান, কেবল মহিষ ও মহিষ বাথানিয়াদের কথা চিন্তা করে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। সঙ্গে রয়েছে বিনামূল্যে মহিষের চিকিৎসাসেবা। পল্লীকর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের এসইপি প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা ভোলার ভেদুরিয়ার চর চটকি মারা, ভেলুমিয়া ইউনিয়নের চর চন্দ্র প্রসাদ ও চরমুন্সিতে মোট তিনটি আধুনিক কিল্লা নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন। যা ভোলাতেই প্রথম বলে জানান গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন। গুরুত্ব বিবেচনায় আরও কিল্লা নির্মাণ কাজটি চলমান থাকবে বলে জানান তিনি। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ভোলায় জনবসতি গড়ে ওঠার সাথে সাথে মানুষ উপার্জনের জন্য মহিষ, গরু-ছাগল পালন শুরু করেন। বিশেষ করে অবস্থাসম্পন্ন গৃহস্থ পরিবারগুলো শত শত মহিষ পালন করে। যুগ যুগ ধরে বহু পরিবার এখানে মহিষ ও দই বিক্রির পেশায় নিয়োজিত রয়েছে। দুধ-দই ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন চরে গড়ে উঠেছে শত শত মহিষ বাথান। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব বাথান থেকে গোয়ালরা টনে টনে দুধ নিয়ে আসে শহরের বাজারগুলোতে। গোয়ালদের কাছ থেকে প্রয়োজন মতো দুধ কিনে নেয় দই ব্যবসায়ীরা। এরপর বিভিন্ন ধরনের টালিতে দুধ বসিয়ে প্রস্তুত করা হয় দই।

ভোলা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু বলেন, ইলিশ আর মহিষের দুধের কাঁচা দধি ভোলার ব্র্যান্ড। উপকূলের মহিষের দুধে আছে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা। দেশের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো মহিষের দুধভিত্তিক কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে। এর মাধ্যমে বহু মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। ঐতিহ্যবাহী এ পণ্যের সুনাম ছড়াতে পারে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও।


আরও খবর



মধুপুরে ভিজিএফ এর চাল বিতরণে বাঁধা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে লাঞ্চিত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩৪জন দেখেছেন

Image

বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইল:টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাধীন শোলাকুড়ি ইউনিয়ন পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফএর চাল বিতরণকালে বহিরাগতদের বাঁধা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর  করার অভিযোগ করেছেন উক্ত পরিষদের সকল ইউপি সদস্যগন।

গত বৃহস্পতিবার (১৩জুন) দুপুরে শোলাকুড়ি ইউনিয়ন পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর নিজ তহবিল থেকে ঈদ উপহার হিসেবে দুস্থ ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে চাল বিতরণ কালে এ ঘটনাটি ঘটে বলে তারা জানান। 

ভুক্তভোগী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো.রোস্তম আলী জানান, তিনি ১৩৫৪  জনের নামের তালিকা অনুযায়ী সাড়ে তের টন চাল পরিষদে নিয়ে আসেন এবং ওয়ার্ড ভিত্তিক তালিকা অনুযায়ী ইউপি সদস্যদের মাঝে বন্টন করে দেন।

ইউপি সদস্যগন চাল বিতরণ শুরু করলে শহিদুল ইসলাম শহিদ ফকির এবং পিয়াস মোহাম্মদ শামীম ফকির তাদের লোকজন নিয়ে এসে চাল বিতরণের মাস্টার রোলের তালিকা জোরপূর্বক কেড়ে নিয়ে তারা নিজেরাই চাল দেওয়া শুরু করেন। 

১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুস সামাদ, ২নং ওয়ার্ডের সাইম সরকার, ৪নং ওয়ার্ডের আঃ কাদের, ৭নং ওয়ার্ডের তুহিন নকরেক, ৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নাজির এবং ১,২,৩, নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য শ্যামা, ৪,৫,৬,নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য শেফালী বেগম ও ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনের ইউপি সদস্য কনা এ ঘটনার

সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা সবাই মাস্টার রোলের তালিকা অনুযায়ী চাল বিতরণ শুরু করলে অভিযুক্তরা লোকজন নিয়ে এসে আমাদের তালিকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় এবং তারা তাদের ইচ্ছে মতো চাল দেওয়া শুরু করে। আমরা বাঁধা দিলে তারা আমাদের হুমকি ধামকি দিয়া সরিয়ে দেয়। 

তারা আরও জানান, চেয়ারম্যান এসে প্রতিবাদ করলে তারা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারধর করে। 

পরবর্তীতে ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুবায়ের হোসেনের নিকট জানালে তিনি চাল বিতরণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন এবং পরের দিন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট ইয়াকুব আলীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট ইয়াকুব আলী দুঃখ প্রকাশ করেন এবং দু'পক্ষের সাথে  আলোচনা করে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মিমাংসা করেন। নিয়মানুযায়ী ইউপি সদস্যদের মাধ্যমেই চাল বিতরণ হবে বলেও তিনি জানান।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩৫জন দেখেছেন

Image
সাব্বির খান,ইবি প্রতিনিধি:৩০ মে রোজ বৃহস্পতিবার ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শেখ রাসেল হলস্ত ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটি শেখ রাসেল হলের সামনে শেখ রাসেল স্মৃতি মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে শেখ রাসেল হলের ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সকল শিক্ষার্থীরা৷ শেখ রাসেল হল থেকে প্রথম বারের মতো কোনো বিভাগ, ঐ বিভাগের প্রবীণ শিক্ষার্থীদের জন্য বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে৷ 

অনুষ্ঠানটি শুরু হয় বিকাল ৪ টায়। অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,  সোলাইমান হোসাইন, আকাশ শেখ, সবুজ মন্ডল, মো:খাদেমুল ইসলাম, মো:শিমুল হোসাইন, মো:মুন্না আলী, মো:কাওসার, আনিসুর রহমান চৌধুরী, অং থিন মঙ মারমা, মো:তৌহিদুল ইসলাম, কে.এম.আশিকুজ্জামান, সুমন ইসলাম, মো:আরিফুল ইসলাম, মো:মোসাদ্দিকুল ইসলাম রিসাম এবং সম্পূর্ণ অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন তানভির শরীফ রিপন। 

বিদায়ী শিক্ষার্থী সোলাইমান হোসাইন বলেন, ল এন্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগের জুনিয়রা এই বিদায়ী সংবর্ধনার আয়োজন করেছেন এজন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ। শেখ রাসেল হল থেকে এটাই প্রথম বারের মতো কোনো বিভাগের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে৷ হলের জুনিয়র শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানের প্রতিটি কার্যক্রম এত সুন্দর ভাবে পরিচালনা করেছ, তাদের এই আয়োজনে আমরা সবাই মুগ্ধ হয়েছি। তাদের সবার প্রতি অশেষ ভালোবাসা জানাচ্ছি এবং তাদের সবার কাছে আমাদের জন্য দোয়া ও ভালোবাসা প্রত্যাশা করছি। 

ঐ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তানভীর শরীফ রিপন বলেন, গত তিনটি বছর আমাদের ১ম ব্যাচের সিনিয়রদের সাথে অতিবাহিত করলাম। আমি ভাইদের সাথে কাটানো প্রতিটি মুহুর্তকে জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার বলবো। তাঁদের প্রতিটি দিকনির্দেশনা ছিল আমাদের মসৃণ পথের পাথেয়। তাদের দেখানো পথে আমরা আমাদের আগামী দিনগুলো অতিবাহিত করতে চাই। ভাইদের জন্য শুভ কামনা রইলো। ভাইদের অনাগত ভবিষ্যত জীবন আরও সুন্দর ও সাফল্যমণ্ডিত হয়ে উঠুক এই প্রত্যাশা করছি।

আরও খবর