Logo
আজঃ রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিরা পাবে? কর্মীদের দক্ষ করে বিদেশে পাঠাতে হবে : প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশকে কত বিলিয়ন অনুদান-ঋণ দেবে চীন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী নাসিরনগরে খুনের মামলার বাদীর এখন দিন কাটছে আতংকে মধুপুরে ক্লিনিং স্যাটারডে কার্যক্রম অনুষ্ঠিত এবার কোটা আন্দোলনের পক্ষে কথা বললেন আয়মান সাদিক ভারতে পাচার হওয়া ৫ বাংলাদেশি সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরেছে শিক্ষার্থীরাই হবে আগামী বাংলাদেশের কর্ণধার: ধর্মমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি এখন যথেষ্ট শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ সামন্ত লাল সেন

কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশেই বিএনপির কর্মীরা তাণ্ডব চালিয়েছে: ডিবি প্রধান

প্রকাশিত:সোমবার ২০ নভেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ২৮০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিএনপির ডাকা সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে বিএনপির কর্মীরা তাণ্ডব চালিয়েছে  বলেছেন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ ।

রোববার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

হারুন অর রশীদ জানান, রাজধানীর পল্টনে গত ২৮ বিএনপির ডাকা সমাবেশে হামলা ভাঙচুর ও পুলিশকে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজন ও গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজন বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের মতিঝিল বিভাগ।

গ্রেপ্তাররা হলেন- বিএনপিকর্মী ইসমাঈল পাটোয়ারী (৬৫), শ্যামপুর থানার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল সাঈদ রনি, শ্যামপুর থানার ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্যসচিব এসএম মুরাদ হোসেন মামু এবং যুবদলকর্মী মাকসুদুর রহমান মাসুদ, মোস্তফা কামাল সুমন। স্বেচ্ছাসেবক দল কর্মী আল আমিন (২৯)।

ডিবি প্রধান বলেন, রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশ কেন্দ্রিক হরতাল ও অবরোধে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও পুলিশের সরকারি কাজে বাধা দেয় নেতাকর্মীরা। এমনকি বিভিন্ন জায়গায় যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগের ফলে জনমনে ভীতির সৃষ্টি হয়।

হারুন বলেন, শাহজাহানপুর থানার কমলাপুর রেলওয়ে অফিসার্স কোয়ার্টারের সামনে বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মীরা গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও পুলিশকে মারধর করে। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা যায় ইসমাঈল পাটোয়ারী দুটি সবুজ রংয়ের প্লাস্টিকের লাঠি নিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ওপর হামলা করে। এছাড়া বিএনপি নেতা আবদুস সামাদের কর্মী সাঈদ রনি, মুরাদ ও মাসুদ। তারা প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশ বক্সে আগুন দেওয়ার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এছাড়া বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজেও তাদের দেখা গেছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার মোস্তফা কামাল সুমন ২৮ অক্টোবর সমাবেশের দিন পুলিশের ওপর হামলা করে এক পুলিশ সদস্যের দাঁত ভেঙে ফেলে। এমনকি এই ঘটনার ছবি প্রকাশ করে ফেসবুকে লিখেছেন ‘দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছি’। এছাড়া নিহত পুলিশ সদস্যের শিশু মেয়ে ‘বাবা, বাবা বলে কাঁদছে’ এমন এক ফেসবুক পোস্টে গিয়ে কমেন্ট করেছে ‘উই আর নট আনহ্যাপি’। গ্রেপ্তারের পর সবকিছু স্বীকার করেছে। এমনকি তার সঙ্গে যারা ছিল তাদের পরিচয় স্বীকার করেছে। পৃথক আরেক ঘটনায় গত ৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর বংশাল এলাকায় আকাশ পরিবহনে যাত্রীবেশে উঠে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আল-আমিন নামে এক বিএনপিকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

হারুন আরও বলেন, সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জ থেকে গাজীপুর রুটে চলাচল করা আকাশ পরিবহনের একটি গাড়ি বংশাল থানার নবাব ইউসুফ রোডের ট্রাফিক সিগন্যালে থামলে যাত্রীবেশে কয়েকজন উঠে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নেমে যায়। এ ঘটনায় জড়িত আল-আমিনকে কেরানীগঞ্জ থানার চুনকটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।


আরও খবর



ড. ইউনূসের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ৯৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ড. ইউনূসের ছয় মাসের সাজা ও দণ্ড শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে স্থগিতের আদেশ বাতিল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে।মামলার রায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের করা আপিল দ্রুত নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। প্রকাশিত ৫০ পৃষ্ঠার রায়ে আদালত আরও বলেছেন, সাজা কখনো স্থগিত হয় না।

বুধবার (৩ জুলাই) সকালে রায় প্রকাশের বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের আইনজীবী মো.খুরশীদ আলম খান। তবে রায়ের অনুলিপি হাতে পাননি বলে জানিয়েছেন ড. ইউনূসের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এর আগে, শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে করা মামলায় ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড পাওয়া গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনের দণ্ডের রায় ও আদেশ স্থগিত করে দেওয়া শ্রম আপিলের ট্রাইব্যুনালের আদেশ অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট। ফলে ড. ইউনূসের ৬ মাসের সাজা চলমান থাকে।

চারজনের দণ্ড স্থগিতের বৈধতা প্রশ্নে কলকারখানা প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুলের শুনানি নিষ্পত্তি করে গত ১৮ মার্চ হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে ওইদিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। ড. ইউনূসের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার তানভীর শিহাব খান।

এর আগে তৃতীয় শ্রম আদালতের ১ জানুয়ারি দেওয়া রায় ও আদেশের কার্যক্রম স্থগিত করে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের ২৮ জানুয়ারি দেওয়া আদেশ কেন বাতিল হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ড. ইউনূসসহ চারজন ও রাষ্ট্রের পক্ষে ঢাকার জেলা প্রশাসকসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

একই সঙ্গে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় সাজার রায় থেকে অব্যাহতি পাওয়া গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। এ মামলার বাকি তিন আসামিকেও বিদেশযাত্রার ক্ষেত্রে একই আদেশ প্রতিপালন করতে হবে।


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে ভুয়া নিয়োগে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাত

প্রকাশিত:শনিবার ২৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১৩৯জন দেখেছেন

Image

জসীমউদ্দীন ইতি ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ভুয়া নি‌য়ো‌গে ঠাকুরগাঁওয়ে ‌তিন‌টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬ সহকারী শিক্ষিকা প্রায় চার বছর ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থেকেও নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন। এ ঘটনায় ৬ সহকারী শিক্ষিকাসহ তৎকালীন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের অ‌ফিস সহকারীকে অভিযুক্ত ক‌রে আদাল‌তে অভিযোগ দিয়ে‌ছে দুদক।

গত মঙ্গলবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে এ অ‌ভিযোগপত্র জমা দেন ঠাকুরগাঁও দুর্নীতি দমন কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় সহকারী পরিচালক আজমির শরিফ মারজী।

অ‌ভিযুক্তরা হ‌লেন, তৎকালীন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও বর্তমানে নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ এম শাহজাহান সিদ্দিক ও সদ‌র উপজেলা শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী সলিম উদ্দিন।

অ‌বৈধ নি‌য়োগপ্রাপ্ত ৬ শিক্ষিকা হ‌লেন, সদর উপজেলার দেহন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক কৌশলা রানী ও ভারতী রানী রায়। কৌশলা রানী বর্তমা‌নে ৮নং আখানগর আর্দশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং ভারতী রানী রায় সদ‌র উপজেলার কাশিডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করছেন। এছাড়াও ভুয়া কাগ‌জে নিয়োগ নিয়েছেন আখানগর ধনীপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়য়ের সাবেক সহকারী শিক্ষিকা মোছা. নাহিদ পারভীন ও লতা বালা। মোছা. নাহিদ পারভীন বর্তমা‌নে গাইবান্ধা সদ‌রের চাপাদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং লতা বালা সদর উপজেলার মাধবপুর যোতপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। একইভাবে নিয়োগ নিয়েছেন সদর উপজেলার সেনিহারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষিকা লিলি রানী রায় ও সুইটি রানী রায়। লিলি রানী রায় বর্তমানে কালীতলা কান্দরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এবং সুইটি রানী রায় একই স্কুলে কর্মরত আছেন।

আদাল‌তে দেওয়া অ‌ভি‌যোগ প‌ত্রে জানা যায়, তৎকালীন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এ এম শাহজাহান সিদ্দিক সদ‌র উপজেলা শিক্ষা অফিসের অ‌ফিস সহকারী মো. সলিম উদ্দিন পরস্পর যোগসাজসে তথ্য গোপন ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যেমে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কা‌ছে ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে মোট ৬ জন শিক্ষককে অবৈধভাবে নিয়োগ দেন। একই স‌ঙ্গে তা‌দের জাতীয়করণ এবং অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হয় ৬ ভুয়া শিক্ষক।

নি‌য়োগপ্রাপ্তরা ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি চাক‌রি‌তে যোগদা‌নের তা‌রিখ দে‌খি‌য়ে ৩০ জুন ২০১৭ সা‌লে জাতীয়করণ হয় তা‌দের চাক‌রি। বিদ্যাল‌য়ের শিক্ষক হাজিরা খাতায় এ চার বছ‌র পর্যন্ত তাদের কোনো সই পাওয়া যায়নি। বিদ্যাল‌য়ে অনুপ‌স্থিত থে‌কেও উপজেলা অফিস সহকারী সলিম উদ্দিন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পরস্পরের সঙ্গে যোগসাজসে অবৈধভাবে বেতন ভাতা ও উৎসব ভাতা বাবদ ৪০ লাখ ৪২ হাজার ৯২০ টাকা বকেয়া বিল রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে উত্তোলণ ক‌রে আত্মসাৎ করেন। যা দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে ব‌লে দুদক আদালতের অ‌ভি‌যোগ পত্রে উ‌ল্লেখ ক‌রা হয়।

এ বিষ‌য়ে সদ‌র উপজেলার আখানগর ধনীপাড়া সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক উম্মে কুলসুম ব‌লেন, তার বিদ্যাল‌য়ে দুই শি‌ক্ষিকা ২০১৩ সা‌লে নি‌য়ো‌গের বিষয়‌টি তারা কেউ জান‌তেন না। প‌রে ২০১৭ সা‌লে তা‌দের চাক‌রি জাতীয়করণ হ‌লে তারা নিয়‌মিত বিদ্যাল‌য়ে আ‌সে। এর ম‌ধ্যে ওই দুই শি‌ক্ষিকা বি‌ভিন্ন সময় তা‌দের যোগদা‌নের তা‌রিখ‌ পি‌ছি‌য়ে


আরও খবর



বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির এলাকায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image

আফজাল হোসেন, ফুলবাড়ী, দিনাজপুর প্রতিনিধি:দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার হামিদপুর ইউনিয়নের চৌহাটি বাজারে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কয়লা উত্তোলনের কারণে চৌহাটি এলাকায় প্রায় ১ হাজার বাসাবাড়ি কম্পনে ফেটে যাওয়ায় জীবন ও বসত ভিটা রক্ষা কমিটির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় পার্বতীপুর উপজেলার চৌহাটি বাজারে জীবন ও বসত ভিটা রক্ষা কমিটির সভাপতি মোঃ মতিয়ার রহমানের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পাতিগ্রাম ও পাঁচঘরিয়ার প্রায় ৪ হাজার নারী পুরুষ ও স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধন শেষে দুপুর ১২টায় চৌহাটি বাজারে সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে জীবন ও বসত ভিটা রক্ষা কমিটির সভাপতি মতিয়ার রহমান বলেন, আমরা ৮ দফা মেনে নেওয়ার জন্য খনি কর্তৃপক্ষকে বারবার তাগাদা দিয়েছি। কিন্তু আমাদের কোন কথা কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দিচ্ছেনা। ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের মধ্যে রয়েছে; ফাটা বাড়ির ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, বসবাসের পুন:নিশ্চয়তা দিবে হবে, সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ঘর ঘর চাকুরী দিতে হবে, বিশুদ্ধ পানির সু-ব্যবস্থা করে দিতে হবে, আবাদি জমিতে পানি থাকছে না যার ফলে ফসলের ক্ষতি হচ্ছে তার সুব্যবস্থা করে দিতে হবে, কয়লাখনির গেইট হতে চৌহাটি গ্রামের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত রাস্তাটি সংস্কার করে দিতে হবে, মসজিদ-মন্দির, ঈদগাহ মাঠ এবং কবরস্থান গুলির উন্নয়নের ব্যবস্থা করে দিতে হবে, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বা বসবারের অযোগ্য বসতবাড়ি ও স্থাপনা স্থায়ী সমাধান করে দিতে হবে।  

আমাদের ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নে খনি কর্তৃপক্ষ ও পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সংসদ সদস্যকে অবগত করলেও আজ পর্যন্ত কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছেনা। আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে আর কতদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই গ্রামে বসবাস করব? এই এলাকার ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা তোলার কারণে প্রতিনিয়ত দেবে যাচ্ছে। 

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কর্মকর্তা কর্মচারীরা লাভবান হলেও এলাকার গ্রাম ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আমরা অতি দ্রুত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন জানাচ্ছি আমাদেরকে বাঁচান, তা না হলে এই যন্ত্রণা থেকে মৃত্যু অনেক ভালো। সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন স্কুল কলেজ মাদ্রাসা কবরস্থান রাস্তাঘাট সবই ধ্বংস হয়ে গেছে। বাকি কিছু নেই। কিন্তু আমরা এখান থেকে অসুস্থ রোগীকে নিয়ে হাসপাতালে যাব, রাস্তার বেহাল অবস্থা থাকায় অ্যাম্বুলেন্স্ও এই গ্রাম আসতে চায় না। তাহলে আপনারা বোঝেন আমরা কিভাবে জীবনযাপন করছি? একাধিক ব্যক্তি জানান, নলকুপে পানি উঠছে না, এ এলাকায় তাপমাত্রা বেড়ে গেছে, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে, স্কুল কলেজ মাদ্রাসাগুলিতে যাওয়ার রাস্তা থাকলেও বর্ষাকালে চলাচল করা সম্ভব হয়না। আমরা এর প্রতিকার চাই ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জীবন ও বসত ভিটা রক্ষা কমিটি চৌহাটির সংগঠনের উপদেষ্টা শাহ্ এনামুল মাস্টার, প্রফেসর শাহ্ ইনতেজামুল হক, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান আতাউর রহমান, সাইদুর রহমান প্রমুখ। চৌহাটি গ্রামের আনছার ফকির, হরিদাস, কালু মন্ডল জানান উত্তর দিকে নতুন করে কয়লা তোলা হলে এলাকা ধ্বংস হয়ে যাবে। মানববন্ধনে যারা আজ অংশগ্রহণ করেছেন তাদের ৮ দফা দাবি মেনে নেওয়া উচিত খনি কর্তৃপক্ষকে।   

এই বিষয়ে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল গ্রহণ করেননি। চৌহাটি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার নারী-পুরুষ স্কুল কলেজ মাদ্রাসার ছাত্র ছাত্রী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মানবন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। পরিশেষে সভাপতি বলেন, আমাদের আজকের এই সমাবেশে ৮দফা দাবী মেনে না নিলে আগামীতে কঠোর থেকে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। ঘেরাও করা হবে কয়লা খনি।


আরও খবর



খাগড়াছড়িতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গাঁজা সহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১০২জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:খাগড়াছড়ি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে  খাগড়াছড়ি শান্তি কাউন্টার এর সামনে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা সহ মো: সুলতান(৭০)নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাত ৯টার দিকে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস আভিযানিক দল খাগড়াছড়ি সদর থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান ডিউটিতে নিয়োজিত থাকা অবস্থায় শাপলা চত্তর নামক এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, খাগড়াছড়ি সদর থানাধীন  খাগড়াছড়ি পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের শান্তি কাউন্টার এর সামনে থেকে মো.সুলতান ( ৭০)এর কাছে থাকা পলিথিনে মোড়ানো  প্লাস্টিকের বস্তা  তল্লাশী ছালিয়ে বস্তার ভিতরে থাকা লাল সুতা দ্বারা বাধা ২৭টি লম্বা গাঁজার রোল যাহার প্রতিটির ওজন ৫৬০ গ্রাম করিয়া সর্ব মোট পরিমান ১৫.১২০ কেজি সহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামী  মো:সুলতান(৭০) দিঘীনালা উপজেলার  মেরুং ইউপি,র ৭নং ওয়াডের মৃত.এরশাদ আলীর ছেলে।পলাতক আসামী আসাদুল হক(৪৩), দিঘীনালা উপজেলার মেরুং ইউপি,র  ছোট মেরুং বাজার এলাকার  মোঃ আফাজ মুন্সী, ছেলে।এর নিকট থেকে পাইকারী দামে ক্রয় করিয়া গ্রেফতারকৃত আসামী অবৈধ মাদক দ্রব্য (গাঁজা) ঢাকা বিত্রুয়ের উদেশ্যে নিয়ে যায়।  গ্রেফতারকৃত আসামী ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামীকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইবে।

আরও খবর



খাগড়াছড়িতে মাদকবিরোধী সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্টিত

প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | ১৫৪জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:খাগড়াছড়িতে ঐতিহ্যবাহী বাউল, ধামাইল ও স্থানীয় লোকসংগীতের সমম্বয়ে সাংস্কৃতিক উৎসব ও মাদকবিরোধী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৯ জুন) বিকালে  খাগড়াছড়ি টাউনহল মিলনায়তনে ঐতিহ্যবাহী বাউল,ধামাইল ও স্থানীয় লোকসংগীতের সমন্বয়ে জেলা পর্যায়ের সাংস্কৃতিক উৎসবে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো.সহিদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী  কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, এমপি,।

খাগড়াছড়ি জেলার  পুলিশ সুপার  মুক্তা ধর পিপিএম(বার) বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন 
দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখার উদ্দেশ্যে ঐতিহ্যবাহী বাউল, ধামাইল, লোকসংগীতের সমন্বয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে রয়েছে বাউল, ধামাইল ও এই লোকসংগীত। গ্রামবাংলার মানুষের জীবন, সুখ-দুঃখের কথা বলে এই সঙ্গীত। এর আবার অনেকগুলি অংশ আছে। এটি একটি দেশ বা দেশের যেকোনো অঞ্চলের সংস্কৃতিকে তুলে ধরে।জানিয়ে তিনি আরো বলেন মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি ক্যান্সার, এটিকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলে মাদককে নির্মূল করতে হবে। এর অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার প্রতিরোধ করতে হবে। মাদকের ভয়ানক আসক্তি সমাজ, দেশ ও রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে দীর্ঘ মেয়াদে নৈতিক অবক্ষয় ঘটাচ্ছে কিংবা ভবিষ্যতেও ঘটাবে।’তাই এর বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে।

এসময় খাগড়াছড়ি পৌর মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান  মো: দিদারুল আলম, সহ জেলা পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর