Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

কেমিক্যাল ছড়িয়ে পড়া রোধে ড্রেনেজব্যবস্থা বন্ধ করলো সেনাবাহিনী

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণে কেমিক্যাল ছড়িয়ে পড়া রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এরই মধ্যে বালুর বস্তা দিয়ে ড্রেনেজব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ ইঞ্জিনিয়ারিং টিম।

সোমবার (৬ জুন) বিকেলে জাগো নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সেনাবাহিনীর ব্যাটালিয়ন-১ এর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনিরা সুলতানা।

army2.jpg

সরেজমিনে দেখা যায়, বিএম কনটেইনার ডিপোর পশ্চিমে একটি ড্রেন রয়েছে। সেই ড্রেন দিয়ে কেমিক্যালযুক্ত পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টিম বালি দিয়ে ড্রেনেজব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে।

এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন লাগার পর রাসায়নিকের কনটেইনারে একের পর এক বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটতে থাকলে বহু দূর পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। অগ্নিকাণ্ড ও ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ জন হয়েছে। তবে জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে মৃতের সংখ্যা ৪৬ জন। দগ্ধ ও আহত ১৬৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাতেই শনাক্ত হওয়া নিহতদের জেলা প্রশাসনের সহায়তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

army2.jpg

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মো. ইলিয়াস হোসেন চৌধুরী জানান, নিহতদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিকদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের ৯ সদস্যও রয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন লাগার প্রায় ৪০ ঘণ্টা পার হলেও তা নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এখনো বেশ কয়েকটি কনটেইনার দাউ দাউ করে জ্বলছে। ধোঁয়া বেরোচ্ছে বেশ কয়েকটি কনটেইনার থেকে।


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্ত্রীর মৃত্যুর এক ঘণ্টা পর মারা গেলেন স্বামীও

প্রকাশিত:Tuesday ০২ August 2০২2 | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্ত্রীর মৃত্যুর এক ঘণ্টা পর স্বামীরও মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্ত্রী নাফিজা (৪৫) মারা যান। এর এক ঘণ্টা পর স্বামী শাহাবুদ্দিনকে (৫৫) জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনিও মৃত্যুবরণ করেন।

শাহাবুদ্দিন জেলা শহরের দাতিয়ার এলাকার অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সদস্য ছিলেন। তাদের দুজনের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

শাহাবুদ্দিনের ছোট ভাই আইনজীবী এম এম শাহাদাৎ হোসেন বলেন, আমার ভাবি বেশ কিছুদিন ধরে কিডনি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাকে নিয়মিত ডায়ালাইসিস করা হচ্ছিল। আমার ভাইও হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। এক সপ্তাহ আগে তার হার্টে রিং পরানো হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্ত্রীর মৃত্যুর এক ঘণ্টা পর মারা গেলেন স্বামীও

তিনি আরও বলেন, দুপুরের পর আমার ভাবি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে ঘাটুরায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডায়ালসিস করা হলে সেখানে তিনি বিকেল ৪টার দিকে মারা যান। ভাবির মৃত্যুর পর আমরা মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। এসময় আমার ভাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে বিকেল ৫টার দিকে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাদের দুজনকে দক্ষিণ মৌড়াইল কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফারুক মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, কিছুক্ষণের ব্যবধানে স্বামী-স্ত্রী মারা গেছেন। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি জানাজা ও দাফনে অংশগ্রহণ করবো।


আরও খবর



বর্ষায় ঘুরে আসুন দেশের বিখ্যাত ৩ হাওরে

প্রকাশিত:Tuesday ১৯ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

বর্ষায় হাওরের সোন্দর্য বহুগুণ বেড়ে যায়। আর সেই সৌন্দর্য উপভোগ করতেই টাঙ্গুয়ার হাওর থেকে শুরু করে নিকলী হাওরে ছুটে যায় ভ্রমণপিপাসুরা। এ সময় হাওরের চারদিকে থৈ থৈ করে পানি। এর মধ্যে প্রমোদতরীতে ভেসে বেড়ানোর সুখ নিতেই সবাই ছোটেন হাওরে।

নদীমাতৃক বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রকার জলাধার ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, যাদের মধ্যে অন্যতম হলো হাওর। বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যানুসারে দেশে মোট ৪১৪টি হাওর আছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাবানুসারে হাওরের সংখ্যা ৪২৩টি। এর মধ্যে ভ্রমণ গন্তব্য হিসেবে উপরের সারিতে আছে ৫ হাওরের নাম। জেনে নিন বর্ষায় কোন কোন হাওরে ঘুরতে যাবেন-

টাঙ্গুয়ার হাওর

বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি হাওর। প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এ হাওর বাংলাদেশর দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি। স্থানীয়দের কাছে হাওরটি নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল নামেও পরিচিত।এটি দেশের দ্বিতীয় রামসার স্থান হিসেবে পরিচিত, আর প্রথমটি হলো সুন্দরবন।

ভারতের মেঘালয়ের খাসিয়া, জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে সারি সারি হিজল-করচ শোভিত, পাখিদের কলকাকলি মুখরিত টাঙ্গুয়ার হাওর মাছ, পাখি এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর এক বিশাল অভয়াশ্রম। বর্ষায় এর পুরোটাই পানিতে ডুবে থাকলেও শীতে পানি কমতে থাকে। এর বড় একটা অংশ তখন শুকিয়ে যায় যায়।

jagonews24

টাংগুয়ার হাওর এর প্রধান দুটি পাখির অভয়ারণ্য হল লেউচ্ছামারা ও বেরবেড়িয়ার বিল। এ হাওর শুধু একটি জলমহাল বা মাছ প্রতিপালন, সংরক্ষণ ও আহরণেরই স্থান নয়। এটি একটি মাদার ফিশারী। হিজল করচের দৃষ্টি নন্দন সারি এ হাওরকে করেছে মোহনীয়।

কীভাবে যাবেন?

প্রথমেই পৌঁছাতে হবে সুনামগঞ্জ জেলা শহরে। সুনামগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে সাহেববাজার ঘাট পর্যন্ত রিকশায় যান। বর্ষাকালে শহরের সাহেব বাড়ি নৌকা ঘাট থেকে ইঞ্জিন বোট বা স্পিড বোটে সরাসরি টাঙ্গুয়া যাওয়া যায়। ইঞ্জিন বোটে ৫ ঘণ্টায় ২৫০০-৩০০০ টাকা ও স্পিড বোটে ২ ঘণ্টা ৭৫০০-৮০০০ টাকা খরচ পড়বে।

রাতে থাকার জন্য নৌকা ভাড়া করলে প্রয়োজনীয় বাজারসদাই করে নেবেন। সেক্ষেত্রে লোকাল ট্রলার বা ইঞ্জিন চালিত নৌকায় ভাড়া পরবে ৫০০০ টাকার মতো। আর বিলাসবহুল ইঞ্জিন চালিত নৌকাগুলোতে হাই কমোডসহ বাথরুম, ছাদে তেরপলসহ অনেক সুবিধা আছে সেগুলোর ভাড়া পড়বে ১০০০০-১৬০০০ টাকার মতো।

হাকালুকি হাওর

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ হাওর। এটি এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি। এর আয়তন ১৮ হাজার ১১৫ হেক্টর। তার মধ্যে শুধু বিলের আয়তন ৪ হাজার ৪০০ হেক্টর। এটি মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা (৪০ শতাংশ), কুলাউড়া (৩০ শতাংশ), সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ (১৫ শতাংশ), গোলাপগঞ্জ (১০ শতাংশ) বিয়ানীবাজার (৫ শতাংশ) জুড়ে বিস্তৃত।

ভূ-তাত্ত্বিকভাবে এর অবস্থান, উত্তরে ভারতের মেঘালয় পাহাড় ও পূর্বে ত্রিপুরা পাহাড়ের পাদদেশে। ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের কারণে উজানে প্রচুর পাহাড় থাকায় হাকালুকি হাওরে প্রায় প্রতিবছরই আকষ্মিক বন্যা হয়। এই হাওরে ৮০-৯০টি ছোট, বড় ও মাঝারি বিল আছে। শীতকালে এসব বিলকে ঘিরে পরিযায়ী পাখিদের বিচরণে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

jagonews24

বর্ষাকালে হাওর এলাকায় পলিমাটি পড়ায় বিলগুলো ক্রমশ ছোট হয়ে যাচ্ছে। বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার পর সেখানে কিছু কিছু জায়গায় ধান চাষ করা হয়। ফসল কাটার পর বিলগুলিতে হাজার হাজার গবাদি পশু বিচরণ করে। হাকালুকি হাওরে প্রচুর পরিমাণ মৎস্য সম্পদ রয়েছে।

এই হাওরের বিলগুলো অনেক প্রজাতির দেশীয় মাছের প্রাকৃতিক আবাস। মৎস্যবিজ্ঞানীদের মতে, এই হাওর হলো মাদার ফিশারী। এখানে বিভিন্ন বিরল প্রজাতির মাছ আছে। হাওর এলাকায় প্রধানত পেশাদার জেলে, মৌসুমি জেলে ও খোরাকি জেলেদের বসবাস আছে।

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে হাকালুকি হাওরে যেতে প্রথমে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া আসতে হবে। কুলাউড়া থেকে অটোরিকশা বা রিকশা ভাড়া করে সরাসরি হাওরে যাওয়া যায়। রাত্রিযাপনের জন্য হাওরে বিল ইজারাদারদের কুটিরগুলোতে বিল মালিকের অনুমতি নিয়ে ২-৪ জন অনায়াসেই থাকা যায়। তবে বিল এলাকায় জোছনা রাতে তাঁবু ফেলে ক্যাম্পিং করার মুহুর্তগুলো ভ্রমণকে স্মৃতিময় করে তোলে।

হাকালুকি হাওর ভ্রমণের সময় নৌকার মাঝির সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় বাজার করে নিলে মাঝিই রান্না করে খাওয়াবে। এছাড়া নৌকায় উঠার সময় বিস্কুট, চা, পাউরুটি, খাবার পানি ইত্যাদি হালকা খাবার নিয়ে ভ্রমণ করা উচিত। হাওরে স্বল্পমূল্যে গরু-মহিষের দুধ পাওয়া যায়।

নিকলী হাওর

বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি হাওর। এর নাম এসেছে নিকলী উপজেলা থেকে, যেখান থেকে হাওরটির উৎপত্তি হয়েছে। নিকলী ছাড়াও এই হাওরের পরিধি পার্শ্ববর্তী মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও ইটনা উপজেলা পর্যন্ত বিস্তৃত। ঢাকা থেকে এর দুরত্ব ১১০ কিলোমিটার।

jagonews24

এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ মিঠাপানির জলাভূমি ও জনপ্রিয় একটি পর্যটন কেন্দ্র। ঢাকার সাথে সহজ সড়ক ও রেল যোগাযোগ এই হাওরের পর্যটন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। নিকলীতে একাধিক আবাসিক হোটেল গড়ে উঠায় পর্যটকরা এখন একাধিক দিন হাওর ভ্রমণের সুবিধা পাচ্ছে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসই হলো নিকল হাওর ভ্রমণের সেরা সময়।

কীভাবে যাবেন?

প্রথমেই পৌঁছাতে হবে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে। এরপর কালিয়াচাপরা সুগার মিল এলাকা থেকে সিএনজি করে নিকলী হাওর চলে যাবেন। সময় লাগবে ঘণ্টাখানেক। আবার পুলের ঘাট নেমেও আধা ঘণ্টার মধ্যেই পৌঁছাতে পারবেন হাওরে।

নিকলীতে থাকার জন্য বেশ কিছু আবাসিক হোটেল আছে। চাইলে সেখানে রাত্রিযাপন করতে পারবেন। তবে অনেকেই সারাদিন হাওর ভ্রমণ করে সন্ধ্যা হতেই ফিরে যান নিজ গন্তব্যে।


আরও খবর



১৬ বছর পর প্রাণ ফিরলো ফেনী ট্রমা সেন্টারে

প্রকাশিত:Wednesday ০৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ১৩জন দেখেছেন
Image

জনবল নিয়োগের পর প্রাণ পেয়েছে ফেনীর ট্রমা সেন্টার। সম্প্রতি হাসপাতালে পাঁচজন চিকিৎসক, পাঁচজন সেবিকা ও একজন ফার্মাসিস্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন সরঞ্জাম ও আরও জনবল দেওয়া হলে এ হাসপাতাল থেকে সেবা নিতে পরবেন এলাকার মানুষ। এতে করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের চাপ কমবে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ২০০৬ সালে মহাসড়কে দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য দুই কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০ শয্যার হাসপাতালটি নির্মাণ করে গণপূর্ত বিভাগ। পরে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ সব সুযোগ-সুবিধা দিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আউটডোর ও ইনডোর চালু করার ঘোষণাও দেয়। কিন্তু সে ঘোষণা দীর্ঘদিন বাস্তবতা পায়নি। হাসপাতালে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়ার পর থেকে প্রতিদিন রোগীরা হাসপাতালে ভিড় করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, তিনতলা ভবনের নিচতলায় করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলছে। দ্বিতীয় তলায় চলছে আউটডোর সেবা কার্যক্রম। সেখানে খাতায় নাম লিপিবদ্ধ করে আগত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে চিকিৎসকগণ। সঙ্গে দিচ্ছেন বরাদ্দকৃত সরকারি ওষুধ। বহির্বিভাগ সেবা পেয়ে খুশি স্থানীয়রা।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. এস এম সাইফুল আলম জানান, এখানে সাধারণত ডায়রিয়া, জ্বর, সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত রোগীরাই আসে। হাড়ভাঙা ও দুর্ঘটনায় আক্রান্ত আশংকাজনক রোগী এলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের সদর হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, বহির্বিভাগের সাধারণ রোগীদের জন্য সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে কিছু ওষুধ দেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে আবাসনের কোনো ব্যবস্থা নেই।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, ২০২২ সালের শুরুতে স্বাস্থ্যবিভাগ নতুন করে জনবল নিয়োগ দেয়। আগে একজন মেডিকেল অফিসার দিয়ে কার্যক্রম চললেও বর্তমানে ট্রমা সেন্টারটিতে একজন অর্থোপেডিক কনসালটেন্ট, একজন অ্যানেস্থেশিয়া কনসালটেন্ট, একজন আবাসিক মেডিকেল অফিসার, দুজন মেডিকেল অফিসার ও একজন ফার্মাসিস্ট কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি আটজনের স্থলে সেবিকা রয়েছেন পাঁচজন।

এছাড়া মেডিকেল টেকনোলজি (ল্যাব), মেডিকেল টেকনোলজি (রেডিওগ্রাফার), অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর, আয়া, গাড়িচালক, সুইপার, কুক, ওয়ার্ড বয় ও নিরাপত্তা প্রহরীর পদে কোনো নিয়োগ নেই।

আবু বক্কর নামের এক রোগীর স্বজন জানান, ট্রমা সেন্টারে পর্যাপ্ত সেবা পেলে সদর হাসপাতালে যেতে হতো না। ওই হাসপাতালে রোগীদের গাদাগাদি প্রচুর। নিরুপায় হয়ে সেখানে যেতে হয়।

আরেক রোগীর স্বজন হেলাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন লোকবল না থাকায় ট্রমা সেন্টারের আইসিউ, সিসিইউ, এক্সরে, ইসিজি, আল্ট্রাসোনগ্রাফি, অপরেশন থিয়েটার ও জেনারেটরসহ প্রায় সব যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে রয়েছে। পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্স ও পানির ব্যবস্থা নেই।

সিভিল সার্জন ডা. রফিক উস সালেহিন বলেন, হাসপাতালটি জনগুরুত্বপূর্ণ। তাই এটি পুরোদমে সচল হওয়া প্রয়োজন। হাসপাতালের ১৯ পদের বিপরীতে ১১ জন নিয়োজিত রয়েছেন। বর্তমানে বিশেষজ্ঞ ধারা বহির্বিভাগ সেবা কার্যক্রম চালু রয়েছে।

এ বিষয়ে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী বলেন, সদর হাসপাতালে প্রচুর রোগীর চাপ থাকে। তাই বহির্বিভাগসহ পর্যায়ক্রমে আন্তঃবিভাগ চালুর বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুরোদমে চালুর চেষ্টা চালানো হবে।


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস

প্রকাশিত:Monday ২৫ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজিবির হাতে জব্দ হওয়া প্রায় ২৪ কোটি টাকারও বেশি মাদক ধ্বংস করা হয়েছে। সোমবার (২৫ জুলাই) ২৫ ও ৬০ ব্যাটালিয়ন যৌথভাবে এ মাদক ধ্বংস করে।

বিজিবি ৬০ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তর সুলতানপুরে মাদকগুলো ধ্বংস করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ২৩ কোটি ৭৪ লাখ ১০ হাজার ৯৩০ টাকার মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে বিজিবি। সরাইল বিজিবি ১১ কোটি ৫৬ লাখ ৫১ হাজার ৬৬০ টাকা ও সুলতানপুর বিজিবি ১২ কোটি ১৭ লাখ ৫৯ হাজার ২৭০ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য জব্দ করে।

২৫ ব্যাটালিয়ন সরাইল বিজিবির জব্দ করা মাদক দ্রব্যের মধ্যে রয়েছে ২৪ হাজার ৩৭০ বোতল ফেনসিডিল, ৮৮ হাজার ১০০ বোতল ইস্কাপ সিরাপ, ১ হাজার ৪৩৯ বোতল বিয়ার ক্যান, ৮ হাজার ২৬৭ বোতল হুইস্কি, ৭ হাজার কেজি ৫৭৫ গ্রাম গাঁজা, ১ লাখ ২৬৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৮৩.২৫ লিটার চোলাই মদ, ৪ লাখ ২৮ হাজার ১৭০ পিস পাতার বিড়ি।

jagonews24

৬০ ব্যাটালিয়ন সুলতানপুর বিজিবি ১৪ হাজার ২৬১ বোতল ফেনসিডিল, ১৯ হাজার ৯৯ বোতল ইস্কাপ সিরাপ, ৪ হাজার ৪৯৪ বোতল বিয়ার ক্যান, ৩২ হাজার ৪৮৯ বোতল হুইস্কি, ৯ হাজার কেজি ৯৩০ গ্রাম গাঁজা, ৭৭ হাজার ৮৪৫ ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫২০ বোতর ফরমুলা সিরাপসহ বিভিন্ন ছোট ছোট মাদকের চালান জব্দ করে।

সূত্র আরও জানায়, পূর্বাঞ্চলের ১২৮ কিলোমিটার সীমান্তে জব্দ করা মাদকগুলোর মধ্যে দামি হচ্ছে ইস্কাপ, ফেনসিডিল, গাঁজা, হুইস্কি ও ইয়াবা। সীমান্ত এলাকাসহ সারাদেশেই এগুলোর চাহিদা বেশি।

মাদকদ্রব্য ধ্বংস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম (শিউলী আজাদ)। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজিবির উত্তর-পূর্ব রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম।

jagonews24

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, কুমিল্লা সদর সপ্তরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. মারুফুল আবেদীন, সুলতানপুর ব্যাটালিয়ান (৬০ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আশিক হাসান উল্লাহ, সরাইল ২৫ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. ফেরদৌস কবীর প্রমুখ।

বিজিবির উত্তর-পূর্ব রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘আজ যে পরিমাণ মাদক ধ্বংস করা হয়েছে তাতে কিন্তু প্রমাণ হয় যে বিজিবির সদস্যরা নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। স্থলপথের পাশাপাশি এখন আকাশপথেও মাদক আসছে। চোরাকারবারিরা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল বদলাচ্ছেন। আমরাও সে অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।’


আরও খবর



ইতিহাসগড়া জয়ে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের দৌড়ে পাকিস্তান

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ইতিহাসগড়া জয়ে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে তিনে উঠে এসেছে পাকিস্তান। এতে ফাইনালে ওঠার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেলো বাবর আজমের দল।

আগে শ্রীলঙ্কার কাছে দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়া বাজেভাবে এক ইনিংস এবং ৩৯ রানে হেরে যাওয়ায়, প্রথমবার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে দুইয়ে নেমে গিয়েছিল। আর শীর্ষস্থানের দখল নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই দুটি জায়গা একই রয়ে গেছে।

এর বাইরে তিনে উঠে এসেছে পাকিস্তান। চারে উঠেছে ভারত। পাঁচে উঠে এসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ছয়ে নেমে গেছে শ্রীলঙ্কা।

শেষের বাকি তিনটি জায়গা আবার একই রয়েছে। অর্থাৎ সাত, আট এবং নয়ে রয়েছে যথাক্রমে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, বাংলাদেশ।


আরও খবর