Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কারওয়ানবাজার থেকে অবশেষে সরানো হচ্ছে মার্কেট

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৩০০জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :রাজধানীর কারওয়ানবাজার থেকে মাছ, সবজি বাজারসহ অন্যান্য মার্কেট স্থানান্তরের কথা চলছে অনেক দিন ধরে। অবশেষে তা স্থানান্তর করা হচ্ছে। এখানে থাকা ব্যবসায়ীদের জায়গা দেওয়া হবে যাত্রাবাড়ি, মহাখালী ও আমিনবাজারে।

গতকাল বৃহস্পতিবার কারওয়ানবাজারের টিসিবি মিলনায়তনে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে সরকার। এ সভায় কারওয়ানবাজার থেকে কাঁচা বাজার স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় করে ১১ সদস্য কমিটি এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন উত্তরের মেয়রের কাছে জমা দেবে দুই সপ্তাহের মধ্যে।

কাঁচা বাজার স্থানান্তর করা হলেও ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না বলে আশ্বাস দেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। একই রকম আশ্বাস দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। তবে তাদের  আশ্বাসেও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান ব্যবসায়ীরা।

এ সময় এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘যাত্রাবাড়িতে তো মার্কেট আছে। কেউ যাবে না, আমাদের ওখানে যাবে না। ক্রেতা যাবে না। তার মানে আপনারা আমাদের মেরে ফেলতে চাইছেন। এই আপনাদের পরিকল্পনা।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই মার্কেট ঝুঁকিপূর্ণ। কারওয়ানবাজার মার্কেট যে কোনো সময় ভেঙে যেতে পারে, এই দায়িত্ব তখন আপনাদের (ব্যবসায়ীদের) নিতে হবে।’  এ সময় ব্যবসায়ীরা মেয়রের বক্তব্যের বিরোধিতা করেন।

এলজিআরডিমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ‘আপনারা যদি মনে করেন আমি এখানকার দোকানদার, আমি এখান থেকে সরব না। পৃথিবীর সব পরিবর্তনের সময় কিছু ভাঙচুর, নির্মাণ হয়েছে। এ বিষয়টি আপনাদের মাথায় রাখতে হবে।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘যা কিছু হবে, আমরা সবাই একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেব। আমরা সবাই যেন উইন উইন পজিশনে থাকতে পারি। সেটা থাকতে পারলে আমরা সন্তুষ্ট থাকব।


আরও খবর



ওবায়দুল কাদের শিক্ষক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা বললেন

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সর্জনীন পেনশন স্কিম ‘প্রত্যয়’ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধি দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ।

শনিবার (১৩ জুলাই) বেলা ১১টায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় বৈঠক শুরু হয়। দুপুর ১টায় বৈঠকটি শেষ হয়।

বৈঠক শেষে ওবায়দুল কাদের বলেন, কর্মবিরতির বিষয়ে সাংগঠনিকভাবে আলোচনার পর শিক্ষকরা তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন।

সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিমের কার্যকারিতা ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হবে। এ বিষয়ে ২০২৪ সালে যে তথ্য দেওয়া হয়েছিল তা সঠিক নয়। এটা তাদের পরিষ্কারভাবে বলেছি।

শিক্ষকদের সুপার গ্রেড প্রদানের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মর্যাদা ও লিখিত দাবিনামা সরকারের উচ্চ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর সমীপে উত্থাপন করবো। পরবর্তী সিদ্ধান্ত আমরা আলাপ করে নেব। আলাপ আলোচনা করে আশা করি সমাধান আসবে।

শিক্ষকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করার অনুরোধ করেছেন বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

-খবর প্রতিদিন/ সি.


আরও খবর



ফেসবুকে প্রেম করে ভারতীয় তরুণী বাংলাদেশে এসে প্রতারনার শিকার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:ফেসবুকে বাংলাদেশি যুবক সমর সরকারের সঙ্গে ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দা পিংকি সরকার পরিচয় থেকে প্রেম হয়। প্রেমের দু'বছর পর।গত ২৯ জুন অবৈধভাবে চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে প্রেমিক সমর সরকারের কাছে ছুটে আসেন পিংকি সরকার। প্রমিক-প্রেমিকা তিনদিন একসঙ্গেও থাকেন।

বুধবার (৩ জুলাই) বিকেলে ওই তরুণীকে সমর সরকার এক বন্ধুর মাধ্যমে বেনাপোল বর্ডারে পাঠিয়ে দেন সমর। এরপরই তাদের দুজনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায় যোগাযোগ। এতে প্রমিক নামের প্রতারকের প্রতারনায় বিপাকে পড়েন ঐ তরুণী।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকাল ৮টায় বেনাপোল-পেট্রাপোল নো-ম্যান্সল্যান্ডে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বেনাপোল চেকপোস্ট আইসিপি ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা বিএসএফের কাছে তরুণীকে হস্তান্তর করেন।

বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার মিজানুর রহমান জানান, ২৯ জুন ভারত থেকে চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে পালিয়ে বাংলাদেশে আসেন পিংকি। তিনদিন ধরে চুয়াডাঙ্গায় সমরের সঙ্গে অবস্থান করছিলেন তিনি। একপর্যায়ে সমর তার বন্ধুকে দিয়ে বুধবার বিকেলে পিংকিকে বেনাপোল বর্ডারে পাঠানে। সেখানে তাকে ফেলে পালিয়ে যান সমরের বন্ধু।

এসময় মেয়েটির কান্নাকাটি দেখে স্থানীয় ও বিজিবি সদস্যরা রাতে একটি বাড়িতে রাখেন তাকে। এরপর বিজিবি সব ঘটনা জানালে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ওই মেয়েকে ফেরত নিতে রাজি হয় বিএসএফ।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে দিনের বেলা টাকা নিয়ে পাললো চোরেরা - চলছে পুলিশ তদন্ত

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল পৌরশহরে দিনে দুপুরে জাপা নেতার ২০ লক্ষ টাকা নিয়ে পালিয়েছে চোরেরা। ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ।জানাযায়, রবিবার (২৩ জুন) পৌরশহরে শাহাজান মার্কেটে ইলেট্রিক্যাল মালামালের দোকান করতো জাতীয় পাটির নেতা আলম ব্যাটারি। প্রতিদিনের ন্যায় সে সকালে দোকান খুলতে আসেন । রবিবারে সে বিভিন্ন কোম্পানিকে টাকা পরিশোধ করবেন মর্মে প্রায় ২০লক্ষ টাকা মোটরসাইকেলযোগে ব্যাগে করে দোকানে নিয়ে আসেন এবং দোকানের তালা খুলতে যান। তালা খুলতে গিয়ে মোটরসাইকেলে থাকা টাকার ব্যাগটি ওৎ পেতে থাকা হেলমেট পরিহিত দুই যুবক নিয়ে চম্পট দেয়।

ঘটনাটি মুহুতের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা চেয়ারম্যান আহাম্মেদ হোসেন বিপ্লব,মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান ও জাতীয় পাটির যুগ্নআহবায়ক আবু তাহের আলমের ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এসে তাকে সান্তনা দেন এবং পুলিশকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করতে বলেন।

এব্যাপরে সহকারি পুলিশ সুপার রাণীশংকৈল সার্কেল ফারুক আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার সাহা মুঠোফোনে বলেন, এব্যাপারে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি তবে সিসিটিভির ফুটেজের সুত্র ধরে তদন্ত চলছে ।

আরও খবর



জাল-নৌকা-ই ঠিকানা ভোলার জেলে পল্লীর শিশুদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

শরীফ হোসাইন, ভোলা বিশেষ প্রতিনিধি:ভোলার মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা ভোলারচর, মাঝেরচর, মদনপুর চর, চটকিমারা চর, রামদাসপুর এবং মেঘনার কুলের বিভিন্ন বেরি বাঁধ এলাকার জেলেপাড়া। সেখানে হাজার হাজার জেলেদের বসবাস। নদী ভাঙ্গনে দিশেহারা ঐ জনপদের বসতি ছাড়া আর কিছু নেই। নদীতে মাছ শিকার ও কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করা ছাড়া তাদের আর কোনো উপায় নেই। পৈত্রিক পেশাকে ধরে জীবিকা নির্বাহ করছে হাজার হাজার পরিবার। এসব অঞ্চলে প্রাথমিক বা কিছু জায়গায় মাধ্যমিকের আলো পৌঁছালেও যেন শিক্ষা গ্রহণ না করেই জেলে বা কৃষক হিসেবে গড়ে উঠছে তাদের শিশুরা। দারিদ্র্যের সংসারে একটু আয়ের আশায় এখানকার শিশুরা খুব কম বয়সেই বেছে নিতে বাধ্য হয় জেলে অথবা কৃষি জীবন। যেখানে তাদের এই বয়সে হাসি-খুশি ও আনন্দ-উল্লাসে বেড়ে ওঠার কথা, সেখানে শুধুই দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত। যে বয়সে  শিশুটির হাতে থাকার কথা ছিল বই-খাতা, সেই শিশুটির হাতে আজ মাছ ধরার জাল। দিন কাটে তার নদীর বুকে। সন্তানদের পড়ালেখা করানোর প্রতি আগ্রহ নেই তাদের বাবা মায়ের। আধুনিক সভ্যতা থেকে পিছিয়ে পড়া এই জনপদের অভিভাবকদের অসচেতনতা ও নদী ভাঙ্গনের কারণে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে না এখানকার শিশুরা। চরাঞ্চল ও  জেলে পল্লীর অধিকাংশ শিশুদের জীবনের গল্প এমন।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলে নৌকায় কাজ করা অধিকাংশের বয়স ৮ থেকে ১৫ বছর। জীবনের প্রয়োজনে তারা এই বয়সে হয়ে ওঠে দক্ষ মাঝি বা জেলে। এই শিশুদের কেউ বাবার সঙ্গে জাল টানে, কেউ নৌকার বৈঠা ধরে, কেউবা জাল থেকে মাছ ছাড়িয়ে ঝুড়িতে তোলে। আকৃতি অনুযায়ী মাছ বাছাই করার কাজও তারা করে। এভাবেই নিচ্ছে তারা দক্ষ জেলেতে পরিণত হওয়ার শিক্ষা। মাঝে মাঝে বাবার কাজের দায়ভারও তাদের বইতে হয়। ধরা মাছ নিয়ে বাবা হাটে গেলে বাবার অনুপস্থিতিতে উত্তাল নদীতে নৌকা নিয়ে চলে যায় শিশুটি। জোয়ার ভাটা ওদের মুখস্থ। দিন শেষে এই মাছ বিক্রি করে যা পায় তা দিয়ে কিছুটা হলেও উপকৃত হয় তাদের পরিবারের মানুষগুলো।

ভোলার খাল, ইলিশা বেরিবাঁধ, মাঝেরচর, মদনপুরসহ এসব অঞ্চলের জেলে পরিবারগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে প্রতিনিয়ত অনিশ্চতায় বিবর্ণ হয়ে ওঠে জেলে পল্লীর হাজারো শিশুর শৈশব। শিশুশ্রমের বেড়াজালে বন্দিজীবন আর বাবার কষ্টের সঙ্গী হতে ষষ্ঠ শ্রেণিতে আর পড়া হয় না অধিকাংশ শিশুর। ফলে কোমলমতি সব শিশুর কাঁধে ওঠে সংসারের বোঝা। বাবা-মা ছোট ভাইবোন নিয়ে বেঁচে থাকাই তখন তাদের জীবনের মূলমন্ত্র। চর অঞ্চলের  অনেক শিশুর স্কুলে যাওয়ার ইচ্ছা থাকলেও সম্ভব হয়ে ওঠে না যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায়।

ইলিশা তেমাথা ঘাটের কাছেই বাবার মাছ ধরার সঙ্গী হিসেবে ছিলেন ১০ বছরের শিশু হাসিব। হাসিবের  ভাষ্য ‘স্কুলে যাইতে তো ইচ্ছা করে তয় কামের লাইগ্যা যাইতে পারি না। জোয়ার আওয়ার আগেই জাল পাতি, আর ভাটায় পানি টানলে মাছ লইয়া আইতে আইতে স্কুল ছুটি হইয়া যায়।

এ ঘাটেই কথা হয় আরো কিছু জেলে শিশুর সঙ্গে। মনির, আব্বাস ও রুবেল নামের এই শিশুরাও বলছে, বাবার কাজের সঙ্গী হতে হয় বলেই তারা স্কুলে যেতে পারে না। মদনপুরের কয়েকজন জেলের সাথে কথা বললে তারা জানান, মাছ ধরা আমাদের পৈত্রিক পেশা। এই পেশাকে ধরে রেখেছি এখনো। আমাদের সন্তানরা সেই পেশা ধরে রাখবে। ইচ্ছা থাকলেও ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা করানোর খরচ নেই। তাই মাছ ধরার কাজ শিখাচ্ছি। 

ছেলে বেলা থেকে কাজ শিখলে বড় হয়ে একজন দক্ষ মাঝি হিসাবে নিজেদের গড়তে পারবে ওরা। রাজাপুরের জেলে ইউসুফ (৪৫) বলেন, সব পরিবারই এখন বোঝে যে, তাদের পোলাপাইনগুলারে পড়ানো উচিৎ। কিন্তু পেটের তাগিদে সবাই তো পড়াইতে পারে না। 

ভোলার খালের মাছ ব্যবসায়ী আরিফ জানান, নৌকায় একজন জেলের পক্ষে জাল টেনে মাছ ধরা কষ্টকর। মাছ ধরতে হলে আরো লোকের দরকার হয়। দরিদ্র জেলেরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার পরিবারের মানুষগুলোকে সহকারী হিসেবে ব্যবহার করে। মূলত এই কারণে শিশুগুলোকে স্কুল ছাড়তে হয়।

স্থানীয় দৈনিক ভোলার বাণী’র সম্পাদক মাকসুদ রহমান বলেন, জেলে পল্লীর শিশুদের শিক্ষিত করতে হবে এমন প্রবণতা কম। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, দরিদ্র ও অভাবী মানুষের বিচরণ বেশি। শিশুদের শিক্ষিত করার প্রবণতা তখন বৃদ্ধি পাবে যখন সমাজ থেকে অভাব দূর করা যাবে। প্রতিটি শিশুর জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পরিবারকে সচেতন করতে পারলে কমে আসবে শিক্ষাবঞ্চিত শিশুর সংখ্যা।


আরও খবর

আমতলীতে ৩দিন ব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪




মাগুরায় জমি নিয়ে দাঙ্গা যুবক খুন বাড়িঘর ভাংচুর লুটপাট

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরা সদর উপজেলার বেঙ্গাবেরইল গ্রামে জমিজমা দাঙ্গায়  জাহিদ মোল্যা (৪৪) নামে এক যুবক খুন হয়েছে। নিহত জাহিদ ওই গ্রামের আবদুল কুদ্দুস মোল্যার ছেলে।

এলাকাবাসি জানায়, উপজেলার বেঙ্গাবেরইল গ্রামের আনারুল মোল্যার সাথে বড় ভাই জয়নাল মোল্যার ছেলে আশরাফ মোল্যার মধ্যে  জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার বিকালে আনারুল মোল্যা বাড়ির সামনে বিরোধপূর্ণ একটি জমিতে মাটি ভরাটের কাজ করছিলো। এ সময় তার ভাতিজা আশরাফ এতে বাঁধা দিলে উভয় পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। উভয় পরিবারের সমর্থনে একই গোষ্ঠির লোকজন ঢাল সড়কি নিয়ে দাঙ্গায় লিপ্ত হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন কমবেশি আহত হয়। আহতদের মধ্যে আলতাফ মোল্যা (৫৩), আলমগীর (৪৫), জাহিদ বিশ্বাস (৪৪), জাহিদ মোল্যা (৪৪), মোশারফ মোল্যা (৫৬), উজ্জ্বল মোল্যা (২৪), পিকুল মোল্যা (৪২), মনিরুল (৩২), নাসিরুল রফিক মোল্যা (৩৮), রবিউল মোল্যা (৪০), শমসের মোল্যা, হাসানুর মোল্যা (৪০) ও সায়েদ মোল্যা (৩৫) কে মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত জাহিদ মোল্যাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মধুখালী পৌছালে তার মৃত্যু হয়।

এদিকে জাহিদ মোল্যার মৃত্যুর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার সমর্থিতরা প্রতিপক্ষের অন্তত ১০টি বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে।

মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী রাসেল বলেন, খবর পেয়ে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


আরও খবর