Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জয়পুরহাটে অটোরিকশা চোর চক্রের ৪ সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৫৫জন দেখেছেন

Image
জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাটে চুরি হওয়া ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় চোর চক্রের চার সদস্যকে আটক করে তারা। রোববার রাতে  ঢাকার জিরানী বাজার এলাকার একটি রিকশার গ্যারেজ   থেকে তাদের আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মঈনুদ্দীন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, জেলার কালাই উপজেলার বেগুনগ্রামের মৃত আফাজ ফকিরের ছেলে আব্দুস সামাদ ফকির (৫৬), তার ছেলে মাহফুজার রহমান সাদ্দাম (২৮), একই উপজেলার মাদারপুর গ্রামের ফারাজ উদ্দিন পোদ্দারের ছেলে আল আমিন পোদ্দার (২২) এবং দেওগ্রাম দক্ষিণ পাড়ার মৃত মোজাম্মেল ফকিরের ছেলে আঞ্জুমান (২৭)।

ওসি এসএম মঈনুদ্দীন জানান, গ্রেফতারকৃতরা জয়পুরহাট জেলাসহ নওগাঁ,বগুড়া ও দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অটোরিকশা চুরি করতো।  গত ২৫ এপ্রিল রাতে জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় চোর চক্রের সদস্যরা যাত্রী বেশে উঠেন। এ সময় চোর চক্রের সদস্যরা  ভাড়ার বাবদ চালককে একটি পাঁচশত টাকার নোট দেন। খুচরা টাকা না থাকায় চালক পাঁচশত টাকার নোট ভাঙ্গাতে পাশে একটি দোকানে যান। এ সময় তারা অটোরিকশাটি নিয়ে চলে যান।

ওসি আরও জানান, ওই ঘটনার সাথে জড়িতদের সনাক্তের পর তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রোববার রাতে ঢাকায় একটি রিকশা গ্যারেজ থেকে ওই চারজন চোরকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ওই গ্যারেজ থেকে চুরি যাওয়া অটোরিকশা ও উদ্ধার করা হয় ।

আরও খবর



৯ কোটি টাকা ঋনের মামলায় মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী আটক

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ১৪৩জন দেখেছেন

Image

রাসেল হোসেন নিরব স্টাফ রিপোর্টার :সোনালী ব্যাংকের প্রায় ৯ কোটি টাকা ঋণ বকেয়া থাকার মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি পটুয়াখালী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জাকিয়া সুলতানা বেবিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১০'জুলাই-২৪ ইং) তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২ টার দিকে পৌর শহরের ৭ নং ওয়ার্ড ফায়ার সার্ভিস রোড এলাকা থেকে তাকে আটক করে থানায় নেয়া হয়েছে।

পটুয়াখালী অর্থ ঋন আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকায় পুলিশ বেবিকে আটকের কথা জানালেও বেবি নিজেকে জামিনে রয়েছেন বলে পুলিশ কে জানান। বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জসিম নিশ্চিত করেছেন।

বিষয়টি নিয়ে পটুয়াখালী সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার মোঃ জিল্লুর রহমান জানান, ১৯৮৫ সালে পটুয়াখালী বিসিক এলাকায় মেসার্স পটুয়াখালী টেক্সটাইল নামে একটি কোম্পানি খুলে সোনালী ব্যাংক থেকে ২ কোটি ২৩ লাখ ২৪ হাজার টাকা ঋন গ্রহণ করেন সিরাজুল ইসলাম খান নামক এক ব্যক্তি। ওই কোম্পানির অর্ধেক শেয়ার নিজ নামে রেখে কোম্পানির পরিচালক পদ দিয়ে ২৫ ভাগ করে শেয়ার দেখানো হয় সিরাজুল এর স্ত্রী জাকিয়া সুলতানা বেবি এবং হামিদুল হক নামে এক ব্যক্তির নামে। টেক্সটাইল টি ১৯৯৩ সালে বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৮৫ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত ব্যাংকের বকেয়া দাঁড়ায় ৮ কোটি ৩৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা। এ সময়ের মধ্যে সিরাজুল ইসলাম এবং হামিদুল হক মারা যান। এরপর ঋনের অর্থ পরিশোধ না করায় ব্যাংক ম্যানেজার বাদী হয়ে পটুয়াখালী অর্থ ঋণ আদালতে জাকিয়া সুলতানা বেবি কে আসামি করে ২০০৪ সালে একটি মামলা দায়ের করেন।ব্যাংক ম্যানেজার আরো জানান, ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত সুদে-আসলে বর্তমান লেজার স্থিতি অনুযায়ী এ পর্যন্ত সুদ মওকুফের পর জাকিয়া সুলতানা বেবির আবেদনের প্রেক্ষিতে তার কাছে ব্যাংকের বকেয়া পাওনা দাড়ায় প্রায় ৯ কোটি টাকা। ২০২৩ সালের ২১ নভেম্বর ঋণ গ্রহিতার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়।  গত মে মাসে জাকিয়া সুলতানা বেবি ১৯ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দিয়েছিলেন। ২০২২ সালের ১২ জানুয়ারি সোনালী ব্যাংক কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের কাছে সুদ মওকুফের আবেদনের প্রেক্ষিতে ভোট সভা তিন কোটি ১৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত দেয়। কিন্তু সে সিদ্ধান্ত না মেনে বেবি প্রতিনিয়ত খিলাপি তালিকার শীর্ষ ওঠেন। পরবর্তীতে ব্যাংকের হস্তক্ষেপে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে সদর থানার তদন্ত অফিসার মোঃ আসাদ জানান, আটককৃত আসামি বেবিকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।


আরও খবর



সিদ্ধিরগঞ্জে আ’লীগের ৭৫’তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শফির উদ্যোগে আনন্দ র‌্যালি

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

রাশেদ উদ্দিন ফয়সাল সিদ্ধিরগঞ্জ:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি পদ প্রার্থী আলহাজ্ব মো. শফিকুল ইসলাম শফির উদ্যোগে আনন্দ র‌্যালি অনুষ্ঠিত। 

গতকাল রোববার দুপুরে নাসিক ২ নং ওয়ার্ডের আব্দুল আলীরপুল থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে নারায়ণগঞ্জ মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আনন্দ র‌্যালিতে যোগদান করে। 

এ সময় র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা  ও নাসির ২ নং ওয়ার্ড সেবক লীগ নেতা হাসান, সৌর, আরিফ, নিশাত, জহিরুল, সেলিম, সুজন, ফকির, রাজু, সালাম, রাহাত, অন্তর, পলাশ, সজীব, মহিন, অন্তর, জিল্লু ও ২ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫’তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি পদ প্রার্থী আলহাজ্ব মো. শফিকুল ইসলাম শফির আনন্দ র‌্যালী অনুষ্ঠিত। গতকাল রোববার বাদ জোহর নাসিক ২ নাং ওয়ার্ড আব্দুল আলীরপুল থেকে আনন্দ র‌্যালীটি ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে মহানগর আওয়ামী লীগের আনন্দ র‌্যালীতে যোগদান করেন। এ সময় আনন্দ র‌্যালীতে উপস্থিত ছিলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা  ও নাসিক ২ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতারা কারা হলেন, হাসান, সৌরভ, আরিফ, নিশাত, জহিরুল, সেলিম, সুজন, সুমন ফকির, রাজু, সালাম, রাহাত, অন্তর, পলাশ, সজীব, মহিন, অন্তর, জিল্লু ও নাসিক ২ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেনসহ আরো অনেকে।


আরও খবর



সরকারি চিনিকলগুলোকে আবার ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের সাথে যৌথ উদ্যোগে এস.আলম অ্যান্ড কো.

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১০৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশের চিনিশিল্পের রুগ্নদশা কাটাতে আখ উৎপাদন ও চিনিকলের আধুনিকায়নে সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রকল্পের মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পগ্রুপ এস.আলম অ্যান্ড কো.। বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন- বিএসএফআইসি এবং শিল্প মন্ত্রণালয়কে সঙ্গে নিয়ে এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। যার মধ্যে রয়েছে- প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত আখ উৎপাদন ও কৃষকদের প্রশিক্ষণ, আধুনিক আখ প্রক্রিয়াকরণ কারখানা গড়ে তোলা, ৬ মেগাওয়াট পাওয়ার কো-জেনারেশন, অ্যাগ্রো-ভোলটিক সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ, বাই-প্রোডাক্ট ভিত্তিক প্ল্যান্ট তৈরি, কোল্ড স্টোরেজ ও অ্যাগ্রো প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ গড়ে তোলা, প্যাকেজিং ফ্যাক্টরি নির্মাণ ইত্যাদি। দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ ও ফরিদপুর এর চিনি কল অঞ্চলে উক্ত প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হবে।

উচ্চ মানসম্পন্ন আখ উৎপাদনে উদ্যোগ নেবে এস.আলম অ্যান্ড কো.। এক্ষেত্রে কোম্পানিটি যৌথভাবে কাজ করবে বিএসএফআইসি, বিএসআরআই এবং আন্তর্জাতিক গবেষকদের সঙ্গে। বিভিন্ন হাইব্রিড জাত উদ্ভাবনে ব্যবহার করা হবে ক্লোনিং, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংসহ আধুনিক প্রযুক্তি। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষিত করার মাধ্যমে সর্বোচ্চ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এছাড়া, এস.আলম অ্যান্ড কো. দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ চিনি কল এ ১২৫০টিসিডি সক্ষমতার একটি আধুনিক আখ প্রক্রিয়াকরণ কারখানা গড়ে তুলবে, যেটির সক্ষমতা সর্বোচ্চ ২৫০০টিসিডি পর্যন্ত বর্ধিতযোগ্য। এবং ফরিদপুরে চিনি কল এ ১০০০টিসিডি সক্ষমতার একটি আধুনিক আখ প্রক্রিয়াকরণ কারখানা গড়ে তুলবে, যেটির সক্ষমতাও সর্বোচ্চ ২৫০০টিসিডি পর্যন্ত বর্ধিতযোগ্য।

এখান থেকে প্রতি বছর ১২ হাজার টন প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ব্রাউন সুগার উৎপাদিত হবে। যা পরে বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি বছর ১৫ থেকে ১৮ হাজার টন হবে। যেহেতু সারা বছর ধরে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু না রাখলে সেখান থেকে মুনাফা অর্জন করা সম্ভব নয়, তাই একটি চিনি শোধনাগার প্রতিষ্ঠা করবে এস.আলম অ্যান্ড কো.। এর মাধ্যমে চাহিদা থাকলে (সিজনে) বছরে প্রায় ৯০০ টিপিডি আমদানিকৃত কাঁচা চিনি এবং কম চাহিদার সময় (অফ সিজনে) ১ হাজার টিপিডি কাঁচা চিনি পরিশোধন করা সম্ভব হবে।

অধিকন্তু, চিনি কারখানার, চিনি রিফাইনারি এবং অন্যান্য প্ল্যান্ট, ফ্যাক্টরির চাহিদা মেটাতে তৈরি করা হবে ৬ মেগাওয়াট বা এর বেশি সক্ষমতার পাওয়ার প্ল্যান্ট। এক্ষেত্রে বয়লার জ্বালানি হিসেবে আখের অবশিষ্ট অংশ বা ছোবড়া ব্যবহার করা হবে। এছাড়া- ডুয়েল ফুয়েল বয়লার ব্যবহার করা হতে পারে, যেখানে জ্বালানি হিসেবে কয়লারও ব্যবহার থাকবে।

পাশাপাশি সেতাবগঞ্জ এ ১০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার এবং ফরিদপুর এ চিনি কল অঞ্চলে ১০ মেগাওয়াট সক্ষমতার অ্যাগ্রো-ভোলটিক সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরি করবে এস.আলম অ্যান্ড কো.। তাতে যথাক্রমে ৪০০ একর ও ৪০ একর ভূমির প্রয়োজন হবে। বিভিন্ন শস্য এই সোলার প্ল্যান্ট প্রকল্পের আওতায় উৎপাদন করা হবে। অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের পর সোলার প্ল্যান্টের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ যুক্ত করা হবে জাতীয় গ্রিডে।

চিনি কলে বিভিন্ন বাই-প্রোডাক্ট থাকে যেমন- মোলাসেস, ফিল্টার প্রেস মাড ও ছাই। মোলাসেস বিক্রি করা হবে কেরু অ্যান্ড কো. এর কাছে। অন্যান্য বাই-প্রোডাক্ট এর জন্য সে অনুযায়ী প্ল্যান্ট নির্মিত হবে। এছাড়া- সোলার প্ল্যান্ট ও দিনাজপুর ও ফরিদপুর এলাকার মৌসুমী শস্যের সংরক্ষণ প্রয়োজন হবে। তাই ২০০০০ মেট্রিক টন সক্ষমতার কোল্ড স্টোরেজ নির্মিত হবে সেতাবগঞ্জ ও ফরিদপুর এর চিনি কল অঞ্চলে।

সেতাবগঞ্জ চিনিকল ও ফরিদপুর চিনিকলকে লাভজনক উদ্যোগে রূপান্তর করতে পণ্য বহুমুখীকরণ অপরিহার্য। দিনাজপুর ও ফরিদপুর অঞ্চলে শাকসবজি ও ফলমূলের প্রাচুর্য রয়েছে, যা কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সুযোগ উপস্থাপন করে। এস.আলম অ্যান্ড কো. এর পরিকল্পনায় হিমায়িত, টিনজাত, ডিহাইড্রেটেড এবং আচারযুক্ত শাকসবজি প্রক্রিয়াকরণ-উত্পাদনে একটি উদ্ভিজ্জ প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়া- টিনজাত ফলের শাঁস, ফলের রস, মিশ্র ফলের রস এবং বিভিন্ন ধরণের ফল থেকে শুকনো ফল উত্পাদন, হিমায়িত ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, আলুর চিপস, স্টার্চ, পাস্তা, নুডলস, স্যুপ, হিমায়িত খাবার, টিনজাত খাবার, আচার, সিরিয়াল এবং অন্যান্য খাদ্য পণ্য উত্পাদন ও প্রক্রিয়াজাতের পরিকল্পনাও রয়েছে এস.আলম অ্যান্ড কো. এর।

প্রস্তাবিত কারখানাগুলোতে পণ্যের জন্য বিভিন্ন ধরনের পিপি ব্যাগ, এলডিপিই প্যাকেট ও বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজিং প্রয়োজন হবে। তাই সেতাবগঞ্জ ও ফরিদপুর দুই জায়গাতেই একটি করে প্যাকেজিং ফ্যাক্টরি স্থাপন করবে এস.আলম অ্যান্ড কো.। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে এসব কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা নির্ধারণ করা হবে।

টেকসই কৃষি-ভিত্তিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি, স্থানীয় অর্থনীতির পালে হাওয়া দিতে ও দেশের অর্থনীতি আরো শক্তিশালী করতে এস.আলম অ্যান্ড কো. এর এসব বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

এই উদ্যোগের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- শিল্প মন্ত্রণালয় এর মাননীয় মন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হূমায়ুন, এমপি; শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা; শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রাষ্ট্রায়ত্ত কর্পোরেশন) এস এম আলম; শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) মো. শামীমুল হক; বিএসএফআইসি এর সচিব চৌধুরী রুহুল আমিন কায়সার এবং বিএসএফআইসি এর চেয়ারম্যান শেখ শোয়েবুল আলম এনডিসি। এছাড়া এস.আলম অ্যান্ড কো. এর

পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন- প্রতিষ্ঠানটির ডিরেক্টর বেলাল আহমেদ, ডিরেক্টর আশরাফুল আলম, নির্বাহী পরিচালক (অর্থ), সুব্রত কুমার ভৌমিক, এফসিএ; উপদেষ্টা মো. আরিফুর রহমান অপু; অ্যাকাউন্টস, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, মো. মনিরুজ্জামান, এফসিএ; অ্যাকাউন্টস, এজিএম মো. নজরুল ইসলাম, এসিএ; এসএস পাওয়ার ১ লিমিটেড এর ম্যানেজার, টেকনিক্যাল সার্ভিস নাগিব মাহফুজ সহ অন্যান্যরা।


আরও খবর



বয়স্কভাতার টাকা মেরে দিল আলহেরার সুমন, তদন্তে মিলল সত্যতা

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image

নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কোলা ইউনিয়নের কোলা গ্রামের ফুল মোহাম্মদ দম্পতি। বাড়িঘরের অবস্থা দেখলেই অনুমান করা যায় তাদের জীবন জীবিকার মান কেমন, অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা কেমন হতে পারে। সরকারি সুবিধাভোগীর আওতায় তিনি বয়স্ক ভাতা পান। মোবাইলের নগদ এ্যাকাউন্টের টাকা তুলতে গিয়েছিল আলহেরা টেলিকম নামক নগদ এজেন্টের দোকানে। অভিযোগ সুকৌশলে তার ভাতার টাকা মেরে দিয়েছে সেই দোকানের মালিক জুয়েল আরমানের ভাই সুমন হোসেন। এক মাস যাবৎ এর প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে গত ২৬ জুন সমাজসেবা অফিসসহ একাধিক জায়গায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর টনক নড়ে সকলের।


গত ২৯ ও ৩০ জুন এলাকায় সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা গত ২৮ মে’র দুটি ট্রানজেকশনে দেখিয়ে বলেন, বিকেল ৫টা ১৮ মিনিটে ১ম বার ফুল মোহাম্মদের নগদ আকাউন্ট থেকে আলহেরার নগদের উদ্দোক্তার নাম্বারে ১৮১৪ টাকা ১৯ পয়সা ক্যাশ আউট করা হয় এবং পরে ৫টা ১৯মিনিটে একই নাম্বারে ১৮০০টাকা ক্যাশ আউট করা হয়। কিন্তু সুমন ১৮০০টাকা ভাতাভোগীর হাতে দেন এবং বাঁকি ১৮১৪ টাকা ১৯ পয়সা সুমন কৌশলে আতœসাৎ করেন। এদিকে ১৮১৪ টাকা ১৯ পয়সা ক্যাশ আউট করা নিয়ে সুমনের ইচ্ছাকৃতভাবে প্রতারণা বলে মনে করছেন তারা।

ফুল মোহাম্মদের জরাজীর্ণ বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় দরজার সামনে বসে আছেন প্রতিবন্ধী স্ত্রী শরিফা। তিনিও সরকারি সুবিধাভোগীর আওতায় প্রতিবন্ধী ভাতা পান। তিনি জানালেন, শেখ হাসিনা টাকা দেয়। ওই সুমন সেই টাকা দেওয়ার সময় খরচ কেটে নেয়।

অভিযোগে জানা যায়, গত ২৮শে মে আলহেরা কসমেটিক্সের একটি আলহেরা টেলিকম নামক নগদ এজেন্ট এর দোকানে ভাতার টাকা উঠাতে যায় ভূক্তভোগী ফুল মোহাম্মদ। সুমন একবারের ভাতার টাকা বের করে দেন ভাতাভোগীকে। কিন্তু দুই বারের প্রাপ্য ভাতার টাকা তার মোবাইলের নগদ এ্যাকাউন্টে জমা ছিল। জানতে গেলে সুমন সেই টাকার কোনো খোঁজ নেই বলে সাফ জানিয়ে দেন। এরপর ভূক্তভোগী বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করে সুমনের বিরুদ্ধে আত্মসাতের অভিযোগ দায়ের করেন। এছাড়া তাদের এমন কর্মকান্ডের কারণে নগদ লেনদেন বন্ধ ছিল। তারপরও সুদরায়নি তারা। তাই তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বিচার হওয়া উচিত।

ফুল মোহাম্মদ বলেন, সুমনের কাছে গেলে সে আমাকে ১ হাজার ৮শ টাকা ধরিয়ে দেয়। কিন্তু আমার মোবাইলে দুই বার ভাতার টাকা এসেছে। তিনি বলেন, বাপো হামার ভাতার ট্যাকা মেরে দিসে দোকানদার। হ্যামি গরীব মানুষ বাপু। হামার সাথে সুমন এমনডা করলো ক্যানো? হ্যামি হামার ভাতার ট্যাকা ফেরত চাই!

আলহেরা মোবাইল টেলিকমে কথা হয় সুমনের সাথে। ভিডিও বক্তব্য দিতে রাজি না। এক পর্যায়ে গর্বের সহিত জানালেন আমি এই সেক্টরে খুব দক্ষ। কারো পিন কোডের সমস্যা হলে আমার কাছেই আসে। ফুল মোহাম্মদের আগের টাকা ছিল, সেটা আমার জানা ছিল না। আমি ইচ্ছে করে করিনি, কোনো কারণে হয়তো আমার ভুল হয়েছে। এদিকে এই প্রতিবেদক তার দোকানে অবস্থাকালে এক ব্যক্তি আসলেন তার মেয়ের উপবৃত্তির টাকা উঠাতে। মোবাইলটা দিয়ে দিলেন সুমনের হাতে। কোনো কিছু না বলাতেই কিছু টাকা বের করে দিলেন।

একইভাবে ভিডিও বক্তব্য দিতে রাজি না জুয়েল আরমান। তবে তিনি এক সময় স্বীকার করলেন পিন না দেওয়া এটা একটা ব্যবসায়িক কৌশল। কারণ পিন না দিলে এই দোকানেই আসবে তারা। এছাড়া এটা একটা অনাকাঙ্খিত ঘটনা বলে জানালেন তিনি। এবং বিষয়টি নিয়ে কিছু করার দরকার নেই বলে অনুরোধ করেন। ১৮০০ টাকার জায়গায় ১৮১৪ টাকা ১৯ পয়সা কিভাবে ক্যাশআউট হয় এই প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। বিষয়টি বারবার এড়িয়ে গেলেন।  

স্থানীয়রা জানান, সুমনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ ওঠার পরপরই পানের দোকান থেকে জুয়েলের অর্থ সম্পদ নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনা চলছে সর্বত্র! তাদের ধারণা বছরের পর বছর এই ভাবে প্রতারণা করে সে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে।

স্থানীয় জনি নামের এক নারী জানালেন, তাদের আগে ছিল পানের দোকান। এখন কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে।

ব্যবসায়ী শামিম জানালেন, আমরা বহুদিন থেকে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ শুনছিলাম। কিন্তু সঠিক কোনো প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছিল না। এবার প্রমাণ পাওয়া গেছে। যেটা সে সুকৌশলে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে।

আরেক ব্যবসায়ী ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী হতদরিদ্রদের জন্য বিভিন্ন ভাতার ব্যবস্থা করে নগদ এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দিচ্ছেন। আর সহজ সরল ওই সব হতদরিদ্রদের পিন কোড নিজের কাছে রেখে বছরের পর বছর কৌশলে টাকা আত্মসাৎ করছে। মেসেজ ডিলিট করে দেওয়া ও পিন নং না দেওয়া তাদের বদঅভ্যাসে পরিণত হয়েছে।

কোলা ইউপি চেয়ারম্যান শাহীনুর ইসলাম স্বপন মুঠোফোনে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে এর আগেও মৌখিক অনেক অভিযোগ ছিল, কিন্তু প্রমাণ ছিলনা। এবার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। আর সুমনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা হওয়া উচিত বলে তিনিও মন্তব্য করেন।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাজীব আহম্মেদ বলেন, ভাতাভোগী ফুল মোহাম্মদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে গিয়ে আমরা প্রাথমিকভাবে তার সত্যতা পেয়েছি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ আমরা পেয়েছি। তিনি বলেন, এরকম হতদরিদ্রদের টাকা যারা মেরে দেয়, তাদের বিচার হওয়া উচিত। আমরা বিষয়টি নগদ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, এখন তারা পদক্ষেপ নিবেন।

আরও খবর



জলঢাকায় পাথরবোঝাই ট্রাকে ফেনসিডিল,আটক ২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ জুলাই 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

শাহজাহান কবির (লেলিন), নীলফামারী,জলঢাকা, প্রতিনিধি:নীলফামারী  জলঢাকায়  পাথরবোঝাই  একটি ট্রাকে  তল্লাশি  চালিয়ে  ৩ শত  ৪৫ বোতল ফেনসিডিল  জব্দ  করেছে  পুলিশ।

(১ জুলাই) সোমবার  গণমাধ্যমে পাঠানো  এক বিজ্ঞপ্তিতে  এ  তথ্য  জানান,  জলঢাকা  থানার অফিসার্স  ইনচার্জ  (ওসি)  নজরুল  ইসলাম মজুমদার। 

এ   ঘটনায়  ট্রাকটি  জব্দ  এবং  গাড়ী  চালক ফারুক হোসেনের  ছেলে  সোহেল রানা  মিঠু (২৭) ও  মাদক  ব্যবসার সাথে  জড়িত  হোসেন  আলীর  ছেলে  হুমায়ন কবির  জসিম (২৫) কে  আটক  করা হয়েছে। আটককৃত দুজনেই লালমনিরহাট  জেলার পাঠগ্রাম উপজেলার বাউরা নবিনগর এলাকার।

পুলিশ জানায়,  গোপন  সংবাদের  ভিত্তিতে (৩০জুন)  রোববার  রাত  ৮ টায়  উপজেলার বালাগ্রাম  মন্হেরডাংঙ্গাঁ  বাজারে  জিয়া টেলিকমের  সামনে  জলঢাকা-ডালিয়া  সড়কে পুলিশের  একটি  চেকপোস্ট  বসানো  হয়। এ-সময় পাথর  বোঝাই  একটি  ট্রাকে  তল্লাশি চালিয়ে  ৩শ ৪৫  বোতল  ফেনসিডিল  সহ দু'জন কে  আটক  করা  হয়।

এ ঘটনায়  মাদকদ্রব্য  নিয়ন্ত্রণ  আইনে  একটি মামলা  রুজু  করা  হয়েছে।  সোমবার অভিযুক্তদের  আদালতে  হাজির  করা  হয়েছে। এদের   সাথে  জড়িত  মাদক  কারবারিদের বিরুদ্ধে  গোপন  অনুসন্ধান  চলছে।


আরও খবর