Logo
আজঃ মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

জয়পুরহাটে হুমকি পাওয়া সেই বিচারক প্রত্যাহার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১০৬জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃহুমকি পাওয়া জয়পুরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মো. আব্বাস উদ্দীনকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে আইন মন্ত্রনালয়ের আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে।গত মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকাল এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ। সেখানে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব (প্রশাসন-১) মোহাম্মদ ওসমান হায়দার স্বাক্ষর করেছেন। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ করে এটি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে জেলা ও দায়রা জজের মনোনীত কর্মকর্তার কাছে আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাকে বর্তমান কর্মস্থলের পদে থাকা দায়িত্বভার অর্পণ করে অবিলম্বে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদানের কথা বলা হয়েছে।

জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন জানান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. আব্বাস উদ্দীনকে বদলি করে আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে মর্মে প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। পত্রটি আমরা পেয়েছি মঙ্গলবার বিকালে।

উল্লেখ্য, ৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে জয়পুরহাট জেলা শহরের হাউজিং এস্টেট এলাকায় বিচারক মো. আব্বাস উদ্দীনের ভাড়াবাসায় ঢুকে দুষ্কৃতকারীরা চুরি করার পাশাপাশি তাকে ফাঁসি দেওয়ার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বিচারক আব্বাস উদ্দীন বাদী হয়ে চুরি ও হুমকির অভিযোগে থানায় মামলা করেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৩টার দিকে হাউজিং এস্টেট এলাকায় মো. আব্বাস উদ্দীনের ভাড়াবাসায় কেউ প্রবেশ করে ঘরের দরজার লক খোলার চেষ্টা করে। এ সময় ভেতর থেকে বিচারক ও তার স্ত্রী চিৎকার করে পাশের বাসায় ভাড়া থাকা পুলিশের এক সদস্যকে ডাকেন। এ সময় একজন বিচারককে বলে- ‘তুই বেদীন ও আমার লোকদের ফাঁসি দিয়েছিস, এখন তোরে ফাঁসি দেব’।

এ সময় পুলিশ সদস্য আরিফুলের উপস্থিতিতে দুষ্কৃতকারীরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে বাসার মালিকসহ আরও কয়েকজন দেখতে পান, একটি রুমে জানালার গ্রিল কাটা এবং ড্রয়িং রুমে রাখা একটি ব্রিফকেসের মালামাল ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় রয়েছে। ওই ব্রিফকেসের মধ্যে দুই ভরি ওজনের দুটি স্বর্ণের চুড়ি, দুই ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ও এক ভরি ওজনের দুটি কানের দুল ছিল। এসব স্বর্ণ ও নগদ ৫০ হাজার টাকা ওই দুষ্কৃতকারীরা চুরি করে নিয়ে গেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ৩১ জানুয়ারি একটি হত্যা মামলায় রায় দেন বিচারক মো. আব্বাস উদ্দীন। ওই মামলার আসামি ছিলেন বেদারুল ইসলাম বেদীন, সরোয়ার রওশন, মশিউর রহমান, মনোয়ার হোসেন, নজরুল ইসলাম, রানা, শাহী, টুটুল, সুজন, রহিম ও ডাবলু। রায়ে এই ১১ জন আসামির মৃত্যুদণ্ডসহ প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। বিচারক মো. আব্বাস উদ্দীনের ধারণা, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিরা নিজেরা বা দলীয় লোকজনকে দিয়ে তাকে হত্যা করার জন্য এমনটি ঘটিয়েছে।

ওই ঘটনায় বিচারকের করা মামলায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে  সাগর হোসেন ও সুমন চক্রবর্তী নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুজনের কাছ থেকে পুলিশ উল্লেখযোগ্য তথ্য পায়নি। পরে সুমনকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তার কাছ থেকেও কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিউল আলম।

আরও খবর



অগ্নি নিরাপত্তা নিয়ে রেস্টুরেন্ট ও দোকান মালিক সমিতির সাথে ফায়ার সার্ভিসের মতবিনিময়

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃ 

অগ্নিঝুঁকি হ্রাস ও অগ্নি নিরাপত্তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে করণীয় নির্ধারণে রেস্টুরেন্ট ও দোকান মালিক সমিতির সাথে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩ এপ্রিল বুধবার সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন, বিএসপি (বার), এনডিসি, পিএসসি, জি, এম ফিল; পরিচালকবৃন্দসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাগণ এবং দোকান মালিক সমিতির সভাপতি জনাব হেলাল উদ্দিন, মহাসচিব জনাব মোঃ জহিরুল হক ভূঁইয়া; রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির সভাপতি জনাব মোঃ ওসমান গণি, মহাসচিব জনাব ইমরান হাসানসহ সমিতির অন্য প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  


মতবিনিময় সভায় সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক জনাব মোঃ ছালেহ উদ্দিন। এরপর উপপরিচালক (অপাঃ ও মেইনঃ) জনাব মোঃ কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া দোকান ও রেস্টুরেন্টের অগ্নিঝুঁকি এবং তা নিরসনে করণীয় বিষয়ে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। প্রেজেন্টেশন শেষে সকলের কাছে উন্মুক্ত মতামত ও বক্তব্য আহ্বান করা হয়। এ সময় বক্তারা বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত উপস্থাপন করেন। দোকান ও রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সকল স্টেকহোল্ডারের সমন্বয়ে রেস্টুরেন্ট, মার্কেট ও দোকানসমূহে অগ্নিনিরাপত্তা বৃদ্ধিতে আন্তরিকতার সাথে কাজ করার বিষয়ে সদিচ্ছা পোষণ করা হয়। রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বিভিন্ন বিষয়ে সরকারি অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার এবং সেফটি ইকুইপমেন্টের ট্যাক্স কমানোর বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।


ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ মাইন উদ্দিন অগ্নিঝুঁকি নিরসণে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন এবং ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে নেতৃবৃন্দকে আশ্বস্ত করেন। তিনি বলেন, “আমরা নিরাপদ দেশের পক্ষে। কেউ আমাদের প্রতিপক্ষ নয়। আমরা সকলকে সাথে নিয়ে দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চাই।”


আরও খবর



নবীনগরে অবৈধ বালু উত্তোলন: ৫ লাখ টাকা জরিমানা, ৩ জনের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ  নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধিঃ-

নবীনগরে অবৈধভাবে অতিরিক্ত ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ইজারাদারের প্রতিনিধিকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা এবং ৩ জনকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।সোমবার (১ এপ্রিল, ২০২৪) সকালে উপজেলার জাফরাবাদ বালুমহালে অতিরিক্ত ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর ফরহাদ শামীম।


অভিযানে জাফরাবাদ বালু মহাল পয়েন্টে নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করার অপরাধে ইজারাদারের প্রতিনিধি মো: সাদেক মিয়াকে ৫ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন ইউএনও।এছাড়াও, চর মানিকনগরে মেঘনা নদীর পাড়ে অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করার সময় ৩ জনকে ঘটনাস্থল থেকে হাতে নাতে আটক করা হয়। আটককৃত ৩ জনকে ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।এ সময় ইউএনও তানভীর ফরহাদ শামীম বলেন, "অতিরিক্ত ড্রেজার বসিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"মোবাইল কোর্টে সহযোগিতা করেন নবীনগর থানা পুলিশ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে হিলি সীমান্তে বিএসএফকে মিষ্টি উপহার দিয়েছে বিজিবি

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৪২জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষিবাহিনী (বিএসএফ) কে মিষ্টি উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন বার্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) সদস্যরা।

রোববার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১ টায় হিলি সীমান্তের ২৮৫ নম্বর মেইন পিলারের ১১ সাব-পিলার সংলগ্ন চেকপোস্ট গেটের শুন্য রেখায় মিষ্টি উপহার দিয়ে দুই বাহিনীর মাঝে এই শুভেচ্ছা বিনিময় হয়।

বিজিবি হিলি চেকপোস্ট কমান্ডার নায়েক সুবেদার দোলোয়ার হোসেন বিএসএফের ভারত হিলি চেকপোস্ট কমান্ডার বেনার্শি দাসের হাতে ৩ প্যাকেট মিষ্টি তুলে দিয়ে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। এসময় উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষি বাহিনীর নারী ও পুরুষ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজিবি হিলি চেকপোস্ট কমান্ডার নায়েক সুবেদার দেলোয়ার হোসেন জানান,উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষিবাহিনী সদস্যরা যাতে সুসম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে পারে সে লক্ষে প্রতিটি দিবস ও ধর্মীয় উৎসবগুলোতে উভয়ে মিষ্টি উপহার দিয়ে থাকি। আজকেও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে তাদের ৩ প্যাকেট মিষ্টি উপহার দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়েছে।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে ইউপি চেয়ারম্যানের আঘাতে মাথা ফাটাল সচিবের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image
আলম,রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার সোমবার (২৫ মার্চ) ৮ নং নন্দুয়ার ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ম বহির্ভূতভাবে সরকারি রাজস্ব আদায় (চকিদারি টেক্স) এর চেক না দেওয়ায় ইউপি সচিব দবিরুল ইসলাম (৩৮) কে মোবাইল দিয়ে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারী। এ দিন ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।

জানাগেছে, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারী ওই সচিবের কাছে সরকারি রাজস্ব আদায়ের টাকা চান। সচিব দবিরুল ইসলাম একাউন্ট পে চেক দিতে চান কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান বিআরআর অর্থাৎ নিয়ম বহির্ভূতভাবে টাকা চান সচিবের কাছে। এ নিয়ে কথাকাটাকাটি এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান তার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে সচিবের মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মাথা ফেটে যায়। ইউপি সচিব বর্তমানে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

ইউনিয়ন পরিষদ সচিব দবিরুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যান আমার কাছে নিয়ম বহির্ভূতভাবে চেক চায়। আমি সরকারি নিয়মের মধ্যে একাউন্ট পে চেক দিতে চাইলে চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে তার হাতে থাকা মোবাইল দিয়ে আমার মাথায় আঘাত করে। এতে আমার মাথা ফেটে যায়। আমার মাথায় ৩টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

এ নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল বারীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।

থানা অফিসার ইনচার্জ সোহেল রানা জানান, আমি বিষয়টি শুনেছি। থানায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইন আনুক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইউএনও রকিবুল হাসান বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি, ওনি থানায় অভিযোগ করেছেন,আমি ওসিকে বলছি প্রয়োজনে আইন আনুক ব্যাবস্তা নেওয়া হবে। 

আরও খবর



ডোমারে চাকুরী দেয়ার নামকরে ২৫ লক্ষটাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারক দুলাল পলাতক, থানায় মামলা

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি:নীলফামারীর ডোমার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রাম এলাকার মৃত-আঃ কাদের এর ছেলে দুলাল হোসেন (৫২) এলাকার বেকার যুবককে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিভিন্ন পদে চাকুরী দেয়ার নাম করে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পলাতক রয়েছে। এ বিষয়ে এক ভুক্তভুগি দুলালের বিরুদ্ধে ডোমার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা সুত্রে জানাযায় ডোমার ডিমলার সাবেক এমপি ইঞ্জিঃ শাহরিন ইসলাম তুহিন সাহেবের গাড়ী চালক ছিলেন দুলাল। বিএনপি ক্ষমতা চলে যাওয়ার পরথেকে দুলাল তার ৬ষ্ঠ তম স্ত্রী রানু বেগমকে নিয়ে ঢাকায় অবস্থান করে। চলাফেরার ভাব ছিলো রাজকীয়, এলাকায় আসতেন বিভিন্ন ধরণের দামী গাড়ী নিয়ে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোগো স্টিকার লাগিয়ে মানুষের সাথে সক্ষ্যতা তৈরী করে। নিজেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি মহোদয়ের গাড়ী চালকের পরিচয় দিয়ে নিয়োগপত্র দেখিয়ে এলাকার

বেকার অনেক যুবককে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিভিন্ন পদে চাকুরী দেয়ার নাম করে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। টাকা নেয়ার পরথেকে ফোন থেকে শুরু করে সবধরণের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় প্রতারক দুলাল। বিষয়টি সন্দেহ হলে ভুক্তভুগিরা ঢাকায় খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারে তারা কোন চাকুরী করে না, দুই স্বামী স্ত্রী এবং দুলালের ছেলে ইমরান খান (২৪) তারা একটি ঐক্যবদ্ধ চক্র ঢাকা তুরাগ থানা এলাকার ভাবনার টেক মাতবর বাড়ীতে হাজী আঃ রশিদের ৩ তলা ভবনে ভাড়া থেকে বিভিন্ন এলাকায় এধরণের প্রতারণা কর্মকান্ড চালায়। গত ৬মার্চ ২৪ তুরাগ থানা এলাকার মাতবর বাড়ী হাজী আঃ রশিদের বাড়ীতে গিয়ে বাসা ওয়ালার কাছ থেকে জানাযায়, তার বন্ধু হাজী জাফর আলীর ছেলেকে চাকুরী দেয়ার নাম করে ২ জনের কাছে ৯ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারী ৪ মাসের ঘড় ভাড়া না দিয়ে রাতে অন্ধকারে মালামাল রেখে স্বামী ও স্ত্রী ছেলে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে হাজী জাফর আলী জানান, আমি গতবার হজে¦ যাওয়ার আগে মিস্টি মিস্টি কথা বলে সক্ষ্যতা তৈরী করে। এক পর্যায়ে বলে আপনি হজ¦ থেকে এসে দেখবেন আপনার ছেলে চাকুরীতে জয়েন্ট করেছে। এমনি ভাবে ৮লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। এক সময় তার মা রংপুর মেডিকেলে ভর্তির কথা বলে এবং শেষে মা মারাগেছে লাশ বাড়ীতে নেয়ার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা নেয় দুলাল। অথচ পরে জানতে পারি তার মা বেঁচে আছে, এমন প্রতারকের নামে

মামলা করবে বলে তিনি জানান। দুলালের ফুপা কেতকীবাড়ী চান্দখানা ইন্দিরার পাড় এলাকার আশরাফ আলী মুন্সি বলেন, দুলাল আমার ভাতীজা হয়,আমার ছেলে রবিউলের চাকুরী দেয়ার নামে প্রথমে বিশ^াস স্থাপন করার জন্য সামান্য কিছু। পরে ধাপে ধাপে ডিও লেটার, ভুয়া নিয়োগ পত্র দেখীয়ে মোট ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে ফোন নম্বর বন্ধ করে রাখে। সে কতটা খারাপ লোক নিজ গ্রামে, ফুপা, বোনের শশুর এমন কি মেয়েকে উকিল দিয়ে সেই নতুন জামাইকেও ছাড় দেয়নি প্রতারক দুলাল। চিলাহাটি আদর্শ পাড়ার ওছমান গনির ছেলে নাজমুল ইসলাম বলেন তার কাছ থেকে ভুয়া নিয়োগপত্র দেখিয়ে মোট ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার, সিরাজুল ইসলামের ছেলে গোলাম হোসেনের কাছে ২ লক্ষ ৮০ হাজার হাতিয়ে নিয়ে পলাতক রয়েছে ঐ প্রতারক চক্রটি। এ বিষয়ে একজন ভুক্তভুগির অভিভাবক আনিছুর রহমান মানিক বাদী হয়ে গত ১৬ মার্চ ডোমার থানায় দুলাল ও তার স্ত্রী রানু বেগম এবং ছেলে ইমরানের নামে একটি মামলা দায়ের করেন। ডোমার থানা অফিসার ইনচার্জ আবু সাঈদ চৌধুরী জানান, তদন্ত সাপেক্ষে প্রতিবেদন দাখিল করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। চক্রের মুল হোতা দুলালসহ সহযোগিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী জানান ভুক্তভুগি পবিাররের সদস্যগণ।


আরও খবর