Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ পরামর্শ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ১৬৮জন দেখেছেন

Image

খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক :জলবায়ু বাস্তুচ্যুতির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভবিষ্যত মানব সঙ্কটের মুখোমুখী হওয়া থেকে তাদের রক্ষায় মানব গতিশীলতার পাঁচটি বিষয়ের ওপর নজর দেওয়া দরকার। বেশিরভাগ জলবায়ু স্থানচ্যুতি জাতীয় সীমানার মধ্যে এবং কিছু ভয়ানক পরিস্থিতিতে সীমান্তের ওপারে ঘটে। এই ধরনের পরিস্থিতি যাতে মানবিক সংকটে পরিণত না হয় সে জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা ও সংহতি প্রয়োজন। এসময় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষের চলাফেরায় যে প্রভাব পড়ছে তা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি পরামর্শও দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম)-এর সদর দফতরে তিন দিনব্যাপী ১১৪তম অধিবেশনে ‘মানব গতিশীলতার ওপর জলবায়ুর প্রভাব: সমাধানের জন্য বৈশ্বিক আহ্বান’ শীর্ষক উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে সম্প্রচারিত একটি ভিডিও বিবৃতিতে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে যারা বাস্তুচ্যুত বা আটকে পড়েছেন তাদের মৌলিক পরিষেবা, সামাজিক সুরক্ষা এবং জীবিকার বিকল্পগুলোতে প্রবেশাধিকার থাকা দরকার। তাদের আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়ের ওপর বিরূপ প্রভাবগুলোও একটি অন্তর্ভূক্তিমূলক পদ্ধতিতে মোকাবিলা করা দরকার।

তিনি বলেন, এটি অনুমান করা হয়েছে যে জলবায়ু পরিবর্তন ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের ২১৬ মিলিয়ন লোককে বাস্তুচ্যুত করতে পারে, এর মধ্যে ৪০ মিলিয়ন একক ভাবে দক্ষিণ এশিয়ার। বাংলাদেশে আমাদের জনসংখ্যার ২০ শতাংশ উপকূলীয় অঞ্চলে বাস করে। সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, ঘন ঘন বন্যা এবং প্রবল ঘূর্ণিঝড় তাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। এই ধরনের স্থানচ্যুতি আমরা যা ভাবি তার চেয়ে দ্রুত গতিতে ঘটছে বলে সতর্ক করেন তিনি ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার এখন মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আগত ১২ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় প্রদান করছে। এই লোকেদের মধ্যে কিছু লোক পাচার নেটওয়ার্কের শিকার হয়, যার সাথে সমগ্র অঞ্চলের নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। এই ধরনের মিশ্র অভিবাসন প্রবাহ জলবায়ু গতিশীলতার সমস্যাটিকে আরও বেশি সমস্যাযুক্ত করে তোলে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে মানব গতিশীলতার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আন্তর্জাতিক আলোচ্যসূচিতে উচ্চ স্থান দেওয়া উচিত। বাংলাদেশ বিষয়টির কার্যকর সমাধানের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরতে আইওএম এবং অন্যান্য অংশীদারদের সাথে একত্রে কাজ করছে।

তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত বোধ করছি যে অনেক ছোট দ্বীপের উন্নয়নশীল দেশগুলোও এতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। আমরা সন্তুষ্ট যে কপ-২৮, জিএফএমডি, এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরাম এটিকে যথাযথ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সরকার সম্পদের সীমাবদ্ধতার মধ্যে জলবায়ু অভিবাসীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ শুরু করেছে। আমার অগ্রাধিকার ভিত্তিক আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে, প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাস্তুচ্যুত ৪,৪০০ পরিবারকে নিরাপদ আবাসন প্রদানের জন্য আমরা কক্সবাজারে ১৩৯টি বহুতল ভবন নির্মাণ করছি।

তিনি আরও বলেন, এই বিশ্বের বৃহত্তম জলবায়ু পুনর্বাসন প্রকল্পটি স্থানীয় মাছ ধরা, পর্যটন এবং বায়ু শক্তি কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মানুষের চলাফেরায় যে প্রভাব পড়ছে তা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি পরামর্শ দিয়েছেন। এগুলো হচ্ছে-

প্রথমত, আমাদের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং নিয়মিত অভিবাসনের জন্য গ্লোবাল কমপ্যাক্টের সাথে সামঞ্জস্য রেখে অধিকার-ভিত্তিক পদ্ধতিতে মানব গতিশীলতার ওপর জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলা করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, জলবায়ু অভিবাসীদের অভিঘাত এবং ক্ষতির প্রসঙ্গে-নির্দিষ্ট সমাধান খুঁজে বের করার জন্য জলবায়ু ন্যায্যতার আলোকে আমাদের পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হবে।

তৃতীয়ত, অভিবাসনকে জলবায়ু অভিযোজন কৌশল হিসাবে দেখার জন্য আমাদের স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে প্রস্তুত হতে হবে যেখানে এটি সর্বোত্তম সম্ভাব্য সমাধান হিসাবে প্রমাণিত হবে।

চতুর্থত, জলবায়ু অভিবাসী, বিশেষ করে নারী, শিশু এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের বিদ্যমান আন্তর্জাতিক সুরক্ষা মান পর্যালোচনা করতে হবে।

এবং পঞ্চমত, সংকীর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনার উর্ধ্বে এটির জন্য একটি গঠনমূলক অবস্থান তৈরিতে মানব গতিশীলতার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিষয়ে আমাদের উন্নত গবেষণা ডেটা এবং প্রমাণের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করা উচিত।


আরও খবর



বাগেরহাটে ৪ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটে ৪ কেজি গাঁজাসহ রানী বেগম (৩৬) নামে এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম। সোমবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট সদর থানায় ওই নারী মাদক কারবারিকে সোপর্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। এর আগে রোববার রাতে বাগেরহাট দড়াটানা সেতুর টোল প্লাজা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় রানী বেগমকে।

বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক স্বপন কুমার রায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতার রানী বেগম মোরেলগঞ্জ উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া গ্রামের মৃত আনোয়ার শেখের মেয়ে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক স্বপন কুমার রায় জানান, গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে পিরোজপুর থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী তিতাস পরিবহনে মাদকের একটি বড় চালান নিয়ে এক নারী মাদক কারবারি বাগেরহাট আসতেছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাট দড়াটানা সেতুর টোল প্লাজার দক্ষিণ পাশে পরিবহনটি চেক করার সময় পরিবহন হতে এক নারী ট্রাভেল ব্যাগ নিয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ওই নারী যাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় পালানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি একেক সময় একেক প্রকার উত্তর দেন। জিজ্ঞাবাদের এক পর্যায়ে তিনি তার নাম ঠিকানা প্রকাশ করেন এবং তার ট্রাভেল ব্যাগের ভিতরে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা আছে স্বীকার করেন।

এ সময় তাদের কাছে থাকা কালো রঙয়ের ট্রাভেল ব্যাগ থেকে আকাশি রঙয়ের পলিথিনের ব্যাগে মোড়ানো বাদামি স্কচটেপ দ্বারা প্যাচানো ২টি প্যাকেটে মোট ৪ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক অবৈধ বাজার মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।


আরও খবর



হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আলু আমদানি বন্ধ রেখেছে আমদানিকারকরা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭০জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:দেশের বাজারে আলুর দাম কমে যাওয়ায় লোকসানের আশঙ্কায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আলু আমদানি বন্ধ রেখেছে আমদানিকারকরা।গত মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারী) ভারতীয় ৫টি ট্রাকে ১২৫ মেট্রিক টন আলু আমদানি হওয়ার পর আর আলু আমদানি হয়নি এই বন্দর দিয়ে। গত বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারী) ও বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) এই দুই দিন বন্দর দিয়ে আলু আমদানি হয়নি। আজ শনিবার ও বন্দর দিয়ে আলু আমদানি হবে না বলেন জানিয়েছেন হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী মাহবুব হোসেন।ব্যবসায়ীরা বলছেন দেশের বাজারে আলুর দাম কমে যাওয়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে তাই শুল্ক প্রত্যহারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

দেশের বাজারে হঠাৎ করে আলুর দাম বেড়ে যাওয়ায় ভরা মৌসুমে আলু আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। এরপর হিলি বন্দরের ৫২ জন আমদানিকারক ৩৫ হাজার মেট্রিক টন আলু আমদানির অনুমতি পায়। গত শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারী ) হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আলু আমদানি শুরু হয়। তবে বন্দরে ক্রেতা সংকট ও দেশীয় বাজারে আলুর দাম কমে যাওয়ায় লোকসানের আশঙ্কায় তিন দিনের মাথায় আলু আমদানি বন্ধ করে দেন আমদানিকারকরা।

হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী মাহবুব হোসেন জানান,দেশের বাজারে আলুর দাম স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে আলু আমদানির অনুমতি পাবার পর আমরা আলু আমদানি শুরু করি। তবে দেশের বাজারেই আলুর দাম কম থাকায় আমাদের লোকসান হচ্ছে। তাই যদি সরকার আলু আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করে নিতো আমাদের জন্য ভালো হতো।

হিলি কাস্টমসের তথ্য মতে, প্রথম দিন শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারী) ভারতীয় ৪ টি ট্রাকে ১০০ মেট্রিকটন, গত রোববার (৪ ফেব্রুয়ারী) ভারতীয় ৮ টি ট্রাকে ২০০ মেট্রিকটন, গত সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারী) ভারতীয় ৯ টি ট্রাকে ২৩১ মেট্রিকটন, গত মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারী) হিলি বন্দর দিয়ে ভারতীয় ৫ টি ট্রাকে ১২৫ মেট্রিকটন। মোট ৬৫৫ মেট্রিক টন আলু আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে। যা বন্দরের পাইকারি বাজারে প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ২০ টাকা কেজি দরে।


আরও খবর



সরকার আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাত নিয়ে সুদূর প্রসারি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে: ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খান

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | ৭১জন দেখেছেন

Image
লিয়াকত হোসাইন লায়ন:ধর্মমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান বলেছেন, সরকার ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ও শিক্ষাখাতকে নিয়ে সুদূরপ্রসারি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই খাতে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারে চূড়ান্ত হয়েছে ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইনের খসড়া। এচিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে গবেষণা কার্যক্রমের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অধীনে একটি ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। এই ল্যাবের মাধ্যমে চিরায়ত ওষুধের গুণগত মান বজায় রেখে ওষুধ প্রস্তুত করে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। 

মন্ত্রী রবিবার(১১ফেব্রুয়ারী) ঢাকার বাংলামটরে রুপায়ন ট্রেড সেন্টারে হামদর্দ কনফারেন্স রুমে বিশ্ব ইউনানি দিবস উপলক্ষ্যে হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্‌ফ) বাংলাদেশ এবং হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন- আমাদের দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে আছে চিরায়ত মেডিসিন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চিরায়ত মেডিসিনের গুরুত্ব উপলব্ধি করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ৫ জুলাই এক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বোর্ড অব ইউনানি অ্যান্ড আয়ুর্বেদিক সিস্টেম অব মেডিসিন স্থাপন করার জন্য ১২ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি ঘোষণা করেন। তিনি আরো বলেন, এদেশে চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক রচিত হয় ১৯৯৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। সে বছর সর্বপ্রথম ৩৩ জন ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ও হোমিও চিকিৎসাকে জেলা সদর হাসপাতাল গুলোতে নিয়োগ দিয়ে এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত করা হয়।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারাদেশে ২শত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৫৮টি জেলা হাসপাতাল ও ১২টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিরায়ত চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ভেষজ ম্যানুয়াল, ফার্মাকোপিয়া এবং ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন তৈরি ও সরবরাহ করা হয়েছে।

চিরায়ত মেডিসিনে ভারতের সাফল্যের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মানসম্পন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, ব্যাপক স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা, অত্যাধুনিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং মানসম্পন্ন ওষুধ উৎপাদন শিল্প এবং বিপুল সংখ্যক লোক তাদের স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনে এটি ব্যবহারের কারণে ইউনানি মেডিসিন সিস্টেমে ভারত বিশ্বব্যাপী নেতৃত্বের ভূমিকায় আবির্ভূত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে ২০১৪ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়া, WHO Global Medicine Centre এর সাথে যৌথভাবে গবেষণার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে প্রস্তাব দিয়েছেন সেটি ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে ভারত সরকারকে অনুরোধ জানান।
 
চিরায়ত চিকিৎসা পদ্ধতির উন্নয়নে হামদর্দ বাংলাদেশের ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সময়ের পরিক্রমায় হামদর্দ ইউনানি-আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাখাতে বিপ্লব ঘটিয়েছে; গড়ে তুলেছে ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়। একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশে চিরায়ত চিকিৎসা ব্যবস্থায় হামদর্দের অবদান অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি হামদর্দের অব্যাহত অগযাত্রা কামনা করেন।
 
হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্‌ফ) বাংলাদেশের ‍চিফ মোতাওয়াল্লী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. হাকীম মোঃ ইউছুফ হারুন ভূইয়ার সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। মূল প্রবন্ধ  হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনানি চেয়ার অধ্যাপক ডা. এম এ কাজমি উপস্থাপনায় অন্যান্যের মধ্যে জাতীয় সংসদ সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, জাতীয় অধ্যাপক ডা. এ কে আজাদ খান, ওয়াকফ প্রশাসক আবু সালেহ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, হামদর্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী প্রমূখ বক্তব্য করেন।

আরও খবর



নওগাঁয় গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে নববিবাহিত দম্পতির আত্মহত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৬জন দেখেছেন

Image

নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর মহাদেবপুরে পারিবারিক দ্বন্দ্বে গ্যাসবড়ি সেবনে আত্মহত্যা করেছেন এক নবদম্পতি। বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। এর আগে রাত ৯ টার দিকে তারা গ্যাসবড়ি সেবন করেন। নিহতরা হলেন, উপজেলার চেরাগপুর ইউনিয়নের বরাইল গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে সুমন (৪০) ও তার স্ত্রী গোলাপি (৩০)।

নিহতের পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, সুমনের প্রথম স্ত্রী খাতিজাকে না জানিয়ে গোপনে গত এক সপ্তাহ আগে গোলাপিকে বিয়ে করেন। গত মঙ্গলবার খাদিজা তার বাবার বাড়ি গেলে এ সুযোগে ছোট স্ত্রী গোলাপিকে বাড়িতে নিয়ে আসেন। বুধবার বিকেলে খাদিজা বাড়ি আসার পর থেকেই তাদের মাঝে ঝগড়া চলছিল। রাতেই তারা এক সাথে খাবার খাওয়ার পর সে দ্বন্দ্বে রাত ৯টার দিকে সুমন ও গোলাপি গ্যাসবড়ি সেবন করেন। প্রতিবেশীরা জানতে পেরে তাদের উদ্ধার করে রাত ১১টার দিকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২টার দিকে গোলাপি ও রাত ২ টার দিকে সুমন মারা যায়।

নওগাঁ হাসপাতালের ডাঃ আবু আনসারি বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দুজনের অবস্থা খুবই গুরুতর ছিলো। তাদের অবস্থা আশংকা জনক হলে হাসপাতাল থেকে রেফার্ড করার প্রক্রিয়া করা হলেও রোগীর স্বজনরা অন্যত্র নিতে অপরগতা জানায়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তারা মারা যায়।

মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পারিবারিক দ্বন্দ্বে গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। ময়নাতদন্তের পর আইনানুক প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও খবর



রাণীশংকৈলে এমপি হাফিজ 'কে বর্ণিল সংবর্ধনায় সিক্ত করেছেন দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল সিডি উচ্চ বিদ্যালয় ও গাজিরহাট ডিগ্রি কলেজের আয়োজনে শনিবার ১০ (ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের নব নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় পাটির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাফিজউদ্দিন আহমেদকে বর্ণিল সংবর্ধনায় সিক্ত করেছেন দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।অনুষ্ঠানের শুরুতেই সংসদ সদস্যকে শিক্ষার্থীরা ফুলের মালা দিয়ে বরণ এবং কলেজ গর্ভনিং বোর্ডির সদস্যরা সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন। 

কলেজ অধ্যক্ষ আব্দুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজউদ্দিন আহমেদ। 

বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না, ইউএনও রকিবুল হাসান, ওসি সোহেল রানা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওসমান গনি, জাতীয় পাটির যুগ্ন আহবায়ক আবু তাহের, সাবেক ইউপি সদস্য আজহারুল ইসলাম,সাবেক জেলা পরিষদের সদস্য আব্দুল কাদের, কলেজ পরিচালনা কমিটির সদস্য আ.লীগ নেতা শাহনেওয়াজ শানু প্রমুখ। 

অপরদিকে সিডি উচ্চ বিদ্যালয় মসজিদের ছাঁদ ঢালাই কাজের উদ্বোধন শেষে সংবর্ধনার আয়োজন করেন। এসময় বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজউদ্দিন আহমেদ। আ’লীগ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহম্মেদ,প্রধান শিক্ষক রুহুল আমিন।

এছাড়াও কলেজের শিক্ষক- কর্মচারী, ছাত্র-ছাত্রী, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য, অভিভাবক ও গণমাধ্যম কর্মিরাা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সংসদ সদস্যকে ওই কলেজের নব নির্মিত মসজিদের ছাদ ঢালা ও বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারের  উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে মানপত্র পাঠ করেন কলেজ শিক্ষক বেল্লাল হোসেন এবং সঞ্চালন করেন প্রভাষক সিরাজুল ইসলাম বুলু।

আরও খবর