Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম

ইউক্রেনে বিধ্বস্ত সেই বাংলাদেশি জাহাজ ক্ষতিপূরণ পেল ২৩৭ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ মার্চ 20২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৩৪৭জন দেখেছেন

Image

অনলাইন ডেস্ক: গত বছর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে পরিত্যক্ত করা হয় বাংলাদেশি জাহাজ ‘বাংলার সমৃদ্ধি’। এবার সেই জাহাজের ক্ষতিপূরণ মিলেছে। সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) মালিকানাধীন এ জাহাজটির ক্ষতিপূরণ বাবদ বিমা কোম্পানির কাছ থেকে প্রায় ২৩৭ কোটি টাকা পাওয়া গেছে।

জানা যায়, গত বছরের ২ মার্চ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকারের পর বিএসসি ক্ষতিপূরণ পেতে বিমা কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে। সেই সময় ক্ষতিপূরণ বাবদ বিদেশি বিমা কোম্পানির কাছ থেকে ২ কোটি ২৪ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়। বিএসসি সম্প্রতি সেই ক্ষতিপূরণের অর্থ সম্প্রতি পেয়েছে।

সংস্থাটির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, তারা ক্ষতিপূরণ বাবদ যে অর্থ দাবি করেছিল তাই পেয়েছে।

এই নিয়ে বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মো. জিয়াউল হক আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে বলেন, রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজটির বিমা দাবির ২ কোটি ২৪ লাখ ডলার দেশে এসেছে। সরকারি বিমা কোম্পানি সাধারণ বীমা করপোরেশন হয়ে এ অর্থ বিএসসির হিসাবে জমা হচ্ছে।


আরও খবর



রাজধানীর ডেমরায় ২৯৬ লিটার অনুমোদনবিহীন হোমিও ওষুধ জব্দ

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:সোমবার (১০ জুন) বেলা ২টার দিকে রাজধানীর ডেমরা থানার ইটখোলা এলাকার একটি গোডাউন থেকে ২৯৬ লিটার অনুমোদনহীন হোমিওপ্যাথি ওষুধ জব্দ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভেজাল ওষুধ সংরক্ষণের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের মালিক আব্দুল আলীমের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

র‍্যাব-৩ এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।

সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাব-৩ এর স্টাফ অফিসার (মিডিয়া) মো. শামীম হোসেন।

র‍্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এদিন দুপুরে ডেমরা থানাধীন ইটখোলা এলাকায় অবস্থিত ঢাকা হোমিও হলের গোডাউনে যৌথভাবে অভিযান চালায় র‍্যাব-৩ এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এসময় গোডাউনে সংরক্ষিত ২৪ প্রকারের হোমিও ঔষধের মধ্যে নয় প্রকারের মোট ২৯৬ লিটার অনুমোদনবিহীন ভেজাল তরল জাতীয় হোমিও ওষুধ জব্দ করা হয়।

এছাড়া অনুমোদনহীন ভেজাল ঔষধ গোডাউনে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে গুদামজাত করে রাখার অপরাধে প্রতিষ্ঠানের মালিক আব্দুল আলীমের বিরুদ্ধে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর কর্তৃক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

এসব অবৈধ ও অনুমোদনবিহীন ভেজাল ঔষধ গুদামজাতকারীদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যহত থাকবে বলেও জানায় র‍্যাব।


আরও খবর



কাঠের সেতুতে স্কুলগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকাবাসীর স্বস্তি

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

রিয়াদ হোসাইন,গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর গলাচিপায় কাঠের সেতুতে স্কুলগামী ছাত্রছাত্রীসহ এলাকাবাসীর স্বস্তি। গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রাম আর সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চর মইশাদি গ্রামে হাজারো মানুষের বাস। এসব মানুষের আত্মিক বন্ধন শত বছরের। কিন্তু দুই গ্রামের মাঝ দিয়ে উত্তর দক্ষিণে প্রবাহিত হচ্ছে ১৫০ মিটার প্রশস্ত নদী। যা পারাপারের একমাত্র উপায় ছিলো নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো কিংবা ডিঙ্গি নৌকা। যা ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ। এখানে সেতু নির্মাণের জন্য সরকারি দপ্তরে একাধিক আবেদনেও সাড়া মেলেনি। অবশেষে উপজেলা প্রশাসনের পরামর্শ ও পৃষ্ঠপোষকতায় এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় ১৫০ মিটার দীর্ঘ একটি কাঠের সেতু নির্মিত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গলাচিপা উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রাম ও সদর উপজেলার কমলাপুর ইউনিয়নের চর মইশাদি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে ধরান্দি খাল। খালের পূর্ব পাড়ে দুইটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলাগাছিয়া  ইউনিয়ন পরিষদ, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র, একিিট দাখিল মাদ্রাসা, একিিট কলেজ রয়েছে। খালের পশ্চিম পাড়ের শত শত শিক্ষার্থী ও মানুষকে প্রতিদিন এই খাল পার হতে হতো। ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো কিংবা ডিঙ্গি নৌকা ছিলো একান্ত সম্বল। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৩ মাইল ঘুরে আসতে হতো। খরচ হতো কমপক্ষে ৫০ টাকা।

দুই গ্রামের মানুষের যোগাযোগ সহজ করতে এলাকাবাসী ধরান্দি খালের ওপর প্রথম একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসী মিলেই মেরামত করে সাঁকোটির ওপর দিয়ে চলাচলের উপযোগী করে রাখছিলেন। বিশেষ করে নারী ও বয়স্কদের এই নড়বড়ে সাঁকো পার হওয়া বেশ কষ্টকর ছিল। কালক্রমে এটাও বিলীন হয়ে যায়।

কয়েক মাস আগে নড়বড়ে সাঁকোটি খালে হেলে পড়ে গেলে চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নজরে আনলে তিনি একটি কাঠের সেতু স্থাপনের পরামর্শ দেন এবং কিছু অর্থ বরাদ্দ দেন। ইউপি চেয়ারম্যান প্রায় দুই মাস চেষ্টা করে ৩০০ ফুট দীর্ঘ এবং ৪ ফুট প্রস্থের একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করে ফেলেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, গাছের গুঁড়ি পুঁতে তার ওপরে কাঠের পাটাতন বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেতুর রেলিং দেওয়া হয়েছে কাঠ দিয়ে। সেতুর মাঝখানে করা হয়েছে সুদৃশ্য নৌকার প্রতিকৃতি। উদ্বোধন উপলক্ষে সাজানো হয়েছে বেলুন ও ফেস্টুন দিয়ে।

অবশেষে সেই দুর্ভোগ লাঘব হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) নির্মিত সেতুটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। লাল ফিতা কেটে সেতুটির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল। সে সময় থেকেই সেতু দিয়ে লোকজনের চলাচল শুরু হয়।

তাদের মধ্যে বই-খাতা নিয়ে সেতু পার হচ্ছিলেন চর মইশাদি গ্রামের সিনথিয়া। সে কলাগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সিনথিয়া বলেন, ‘আগে তিন কিলোমিটার ঘুরে স্কুলে যেতাম। এখন এই সেতু হওয়ায় মাত্র ১৫ মিনিটে কলেজে যেতে পারবো। আমাদের কষ্ট দূর হয়েছে।’

কলাগাছিয়া বাজারের মুদি ব্যবসায়ী ইব্রাহিম বলেন, ‘নতুন কাঠের সেতু হওয়ার কারণে আমরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত। এই সেতু না থাকলে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।’

কলাগাছিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাঈনুল শিকদার বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানে এই কাঠের সেতু নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় চার লাখ টাকা। এছাড়া স্বেচ্ছা শ্রম ও গাছের মাধ্যমে সহায়তা করেছেন এলাকাবাসী। দুই মাস সময় লেগেছে সেতুটি নির্মাণে।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল বলেন, ‘এ খাল পারাপার ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। এই দুর্ভোগ লাঘবে উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ কাজ করেছে। আশা করছি, ওখানে স্থায়ী সেতুও নির্মাণ করা হবে। সে বিষয়ে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’


আরও খবর



ঢাকায় ফিরছেন কর্মজীবী মানুষ

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি উদযাপন শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন কর্মজীবী মানুষ।

বুধবার (১৯ জুন) ঈদের তৃতীয় দিন সকাল থেকেই রাজধানীর কমলাপুরের ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষজনকে ফিরতে দেখা যায়। আবার ঢাকা ছেড়ে বিভিন্ন এলাকায় যাওয়ার জন্যও মানুষজনকে প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।

মূলত, ঈদ উপলক্ষে ১৬, ১৭ ও ১৮ জুন (রোব, সোম ও মঙ্গলবার) তিনদিন ছিল সরকারি ছুটি। এর আগে ১৪ ও ১৫ জুন (শুক্র ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটি ছিল। এ কার‌ণে এবারের ঈদের ছুটি পড়েছে পাঁচদিন। ফ‌লে টানা পাঁচদিন ঈদের ছুটি শেষে আজ অফিসপাড়ায় যোগ দিচ্ছেন কর্মজীবীরা। তবে, এখনো ট্রেনে তেমন ভিড় দেখা যায়নি। বিশেষত চাকরিজীবী অনেকেই পরিবার পরিজনদের গ্রামের বাড়িতে রেখে একাই ঢাকা ফিরে এসেছেন।


আরও খবর



রাণীশংকৈলে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুর্ধ-১৭'র প্রস্তুতিসভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image
মাহাবুব আলম রাণীশংকৈল( ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে উপজেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪ খ্রিঃ অনুর্ধ-১৭ অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিকাল সাড়ে ৪ টায় ইউএনও অফিসকক্ষে প্রস্তুতিসভার আয়োজন করা হয়। ইউএনও রকিবুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন নব নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আহাম্মদ হোসেন বিপ্লব। 

সহকারী কমিশনার (ভূমি)আর্নিকা আক্তার, পৌর আ'লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, আবুল কাশেম ও শরৎ চন্দ্র রায়,বীর মুক্তিযোদ্ধা হবিবর রহমান ও সিরাজুল ইসলাম, অধ্যক্ষ মহাদেব বসাক, প্রেসক্লাব (পুরাতন) সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম। 

এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক  ,সামাজিক ব্যাক্তিবর্গ খেলা পরিচালকবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ এ উপজেলায় পৌরসভা ও ৮ টি ইউনিয়ন মিলে মোট ৯ টিমের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। লটারির মাধ্যমে প্রতিটি খেলার প্রতিযোগী নির্ধারণ করা হয়। আগামী ২৪ জুন উদ্বোধনী ম্যাচে পৌরসভা ও লেহেম্বা ইউনিয়ন এ দুটি দলের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

আরও খবর



ঈদের দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:১৭ জুন পবিত্র ঈদুল আজহা। গত এক সপ্তাহের বেশি সময় থেকে সারাদেশে বৃষ্টির আভাস দিয়ে আসছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সে অনুযায়ী, ঈদের দিনও দেশের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সারাদেশে কমবেশি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ঈদের দিনও বৃষ্টি হবে এটা স্বাভাবিক। তবে অঞ্চলভেদে বৃষ্টির পরিমাণ কমবেশি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রামে বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। এই অঞ্চলগুলোতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টি হতে পারে। ঢাকা বিভাগের কয়েকটা জেলায় সামান্য পরিমাণে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, রাজশাহী খুলনা ও বরিশালে খুবই সামান্য বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।ঈদের পর থেকে সারাদেশে বৃষ্টির প্রবণতা বাড়বে বলে জানান আবহাওয়াবিদ শাহিনুল ইসলাম। ঈদের দিন তাপমাত্রা নিয়ে তিনি বলেন, যে অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম সে জায়গায় তাপপ্রবাহ থাকবে। সে অনুযায়ী খুলনা, বরিশাল, রাজশাহীতে তাপপ্রবাহ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।


আরও খবর