Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

ইউক্রেন যুদ্ধের ধাক্কা পড়েছে পণ্যের বাজারে

প্রকাশিত:Thursday ২৮ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২০২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে ইতোমধ্যেই বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সামনের দিনগুলোতে পণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে বিশ্ব ব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে গত ৫০ বছরের মধ্যে বিশ্বের পণ্য বাজারে সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসতে যাচ্ছে। অর্থাৎ ১৯৭০ সালের পর প্রথম বারের মতো এমন সংকট তৈরি হতে পারে।


নতুন এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সংঘাতের কারণে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে শুরু করে গম ও তুলা পর্যন্ত বিভিন্ন পণ্যের দাম ইতোমধ্যেই বেড়ে গেছে। সামনের দিনগুলোতে এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।


বিশ্ব ব্যাংকের নতুন এই প্রতিবেদনের সহ-লেখক পিটার ন্যাগল বলেন, পণ্যের দামের এই ঊর্ধ্বগতি এরইমধ্যে বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও মানবিক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে জীবনযাত্রার খরচ মেটাতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ছে মানুষ।


বিশ্ব ব্যাংকের এই শীর্ষ অর্থনীতিবিদ বলেন, গরীব পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে এই সংকট আরও ভয়াবহ। কারণ তাদের আয়ের সিংহভাগ খাবার ও জ্বালানির পেছনে ব্যয় হয়ে যায়। পণ্যের দাম বাড়ার প্রভাব তাদের ওপরই সবচেয়ে বেশি পড়বে।


বিশ্ব ব্যাংক বলছে, জ্বালানির দাম ৫০ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে। ফলে সংসারের ব্যয় এবং ব্যবসায়ের খরচ অনেক বেড়ে যাবে।



বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপে সবচেয়ে বেশি বাড়বে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম, যা দ্বিগুণের বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী বছর পণ্যের দাম কিছুটা কমতে পারে এবং ২০২৪ সালের পূর্বাভাসে দেখা যাচ্ছে, গত বছরের তুলনায় ২০২৪ সালে গ্যাসের দাম ১৫ শতাংশ বেশি থাকবে।


বিশ্ব ব্যাংক বলছে, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত বিশ্ব টানা ২৩ মাস জ্বালানির দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার কারণে ১৯৭৩ সালে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির পর এটাই দীর্ঘতম সময় ধরে জ্বালানির দাম যাওয়ার ঘটনা।


একইভাবে জ্বালানি তেলের দামও ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাড়তি থাকবে এবং চলতি বছরজুড়ে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গড়ে ১০০ ডলারে বিক্রি হবে, যা বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির হার বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে ভূমিকা রাখবে।



বিশ্বের ১১ শতাংশ তেল উৎপাদন করে রাশিয়া, যা তৃতীয় সর্বোচ্চ। বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনে যুদ্ধের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটা এবং পশ্চিমা অবরোধের ফলে একটি দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব দেখা দেবে। অবরোধের কারণে পশ্চিমা কোম্পানিগুলো রাশিয়া ছেড়ে যাবে এবং দেশটির নতুন প্রযুক্তি পাওয়ার সুযোগ কমে আসবে।


রাশিয়া বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের চাহিদার ৪০ শতাংশ গ্যাস ও ২৭ শতাংশ তেল সরবরাহ করে। কিন্তু ইইউ রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি চাহিদা পূরণের চেষ্টা করছে, যা বিশ্বজুড়ে তেল এবং গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। মূলত চাহিদা ও সরবরাহ ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে।


অনেক খাদ্য পণ্যের দাম হঠাৎ করেই লাফিয়ে বেড়ে গেছে এবং আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গমের দাম ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ বাড়তে পারে। খাদ্য পণ্যের মধ্যে বার্লি ৩৩ দশমিক ৩ শতাংশ, সয়াবিন ২০ শতাংশ, ভোজ্য তেল ২৯ দশমিক ৮ শতাংশ ও মুরগির দাম ৪১ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়তে পারে। রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে এসব পণ্যের রপ্তানি কমে যাওয়ার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।


যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট সয়াবিনের ৬০ শতাংশ এবং গম রপ্তানির ২৮ দশমিক ৯ শতাংশ এ দুই দেশ থেকেই আসতো। সার, বিভিন্ন ধাতু ও খনিজ দ্রব্যের মতো কাঁচামালের দামও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। তবে কাঠ, চা ও চালের মত কয়েকটি পণ্যের দাম কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আরও খবর



ন্যাটো নয়, দরকার মানুষের জোট

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Sunday ২৬ June ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

প্রাচীনকাল থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ বিস্ময়কর বস্তুর তালিকা তৈরি করে চলেছে। ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান, আর্টেমিসের মন্দির, অলিম্পিয়ার গ্রিক দেবতা জিউসের মূর্তি, আলেক্সান্দ্রিয়ার বাতিঘর, গ্রেট পিরামিড ইত্যাদি। এই ঐতিহাসিক সপ্তাশ্চর্যগুলোর কথা আমরা সবাই জানি।

প্রথম তালিকাটি প্রকাশ পেয়েছিল বহু বছর আগে। প্রাচীন পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে একমাত্র গিজা গ্রেট পিরামিড (সম্মানসূচক স্থিতি, গিজা নেকোপোলিস, মিশর) কেউ সম্মানিক স্থান দেওয়া হয়েছে। এরপর ২০০৭ সালে সেভেন ওয়ান্ডার্স (seven wonders) এর নতুন একটি তালিকা প্রকাশ করা হয় (New Seven Wonders of the World)।

এর মধ্যে পড়েছে চীনের মহাপ্রাচীর, পেত্রা (Petra) জর্ডান, দ্য রোমান কলোসিয়াম (The Roman Colosseum) রোম, চাচেন ইত্জা (Chichen Itza) য়ুকাতান উপদ্বীপ মেক্সিকো, মাচু পিচু পেরু, তাজমহল আগ্রা ভারত এবং ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার মূর্তি (Christ the Redeemer Statue) রিও ডি জেনেইরো ব্রাজিল।

এছাড়াও অন্যান্য ১৩টি চূড়ান্ত প্রতিযোগী বিস্ময়কর বস্তুর তালিকা যেমন এথেন্সের অ্যাক্রোপলিস গ্রিস, আলহাম্বরা প্যালেস গ্রানাডা স্পেন, Angkor Wat কাম্বোডিয়া, আইফেল টাওয়ার প্যারিস, হাগিয়া সোফিয়া ইস্তাম্বুল তুরস্ক, কিওমিজু-দেরা কিয়োটো জাপান, মোয়াই ইস্টার আইল্যান্ড চিলি, নিউসভেনস্টাইন ফুসেন জার্মানি, রেড স্কয়ার মস্কো রাশিয়া, স্ট্যাচু অব লিবার্টি নিউ ইয়র্ক সিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, স্টোনহেঞ্জ অ্যামসবারি যুক্তরাজ্য, সিডনি অপেরা হাউস অস্ট্রেলিয়া এবং তিব্বতুতু টিম্বুচুতু মালি উল্লেখযোগ্য। তাজমহল বিখ্যাত পারসিক ও মুঘল স্থাপত্যকলার একটি অনিন্দ্য সুন্দর নিদর্শন।

ছোটবেলায় তাজমহলের সৌন্দর্য্যের কথা শুনে কল্পনায় তাকে চিত্রায়িত করেছি। যৌবনে প্রেমিকার চোখে দেখতে পেয়েছি তাজমহল সদৃশ সৌন্দর্য্য। আজ তাজমহলকে বাস্তবে দেখি। তাজমহলের স্রষ্টা মুঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম প্রধান-পুরুষ সম্রাট শাহজাহান। সম্রাট শাহজাহানের প্রিয় স্ত্রী ছিলেন আর্জুমান্দ বানু বেগম। সম্রাট তার এই প্রিয়তমা স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ১৬১২ খ্রিষ্টাব্দে। ১৬৩১ সালে মমতাজ মারা যান।

তাদের দাম্পত্য জীবন ছিল ১৯ বছর। সম্রাট প্রিয়তমা স্ত্রীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েন ও প্রচণ্ড শোকাহত হন। এই শোককে প্রেমের জগতে অমর ও স্মরণীয় করতে কল্পনায় চিত্রায়িত করেন তাজমহল। আজ থেকে ৭০ বছর আগে ন্যাটো জোট গঠন করা হয়। যে দেশগুলো এই ন্যাটো জোট গঠনে সবচেয়ে বেশি আগ্রহ দেখিয়েছিল এবং নেত্রীত্ব দিয়েছিল তার মধ্যে আমেরিকার নাম তালিকার প্রথমে রাখলে ভুল হবে না। অন্যদিকে গঠন করা হয় ওয়ারশ চুক্তি।

উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটো (North Atlantic Treaty Organisation বা NATO)। ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিলে। ন্যাটো একটি সামরিক সহযোগিতার জোট এবং এই জোটের দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতায় অঙ্গীকারবদ্ধ।

আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়ে অবস্থিত উত্তর আমেরিকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা এবং ইউরোপের অধিকাংশ দেশ এই জোটের সদস্য। ন্যাটোর সম্মিলিত সামরিক বাহিনীর খরচ পৃথিবীর সব দেশের সামরিক খরচের প্রায় ৭০ ভাগ। অন্যদিকে ওয়ারশ চুক্তি বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তার চুক্তি হিসেবে পরিচিত।

এই ওয়ারশো চুক্তি বা ওয়ারশপ্যাক ন্যাটোর গঠনের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাদৃশ্যপূর্ণরূপে এবং ন্যাটোর প্রতিদ্বন্দ্বীরূপে গঠন করা হয়। এই জোটে যুক্ত করা হয় স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন কেন্দ্রীয় ও পূর্ব ইউরোপের আটটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জোট দুটি গঠন করা হয়। ওয়েস্ট ইউরোপের বেশির ভাগ দেশগুলো বেশ দুঃশ্চিতার মাঝে ছিলো সোভিয়েত ইউনিয়নের ভয়ে। না জানি কখন কোথায় আক্রমণ করে! এমন একটি সময় আমেরিকা সুযোগের সৎ ব্যবহার করতে কৃপণতা করেনি।

যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দল বেঁধেছিল তারা একবারও কি ভাবেনি আমেরিকা আটলান্টিক মহাসাগরের অন্য পারে, কেন তারা আমাদের বন্ধু হতে চায়? কারণ ছিল একটাই তা হলো সুপার পাওয়ার। সোভিয়েত ইউনিয়ন পুরো ইউরোপ এবং এশিয়া ডোমিনেট করবে তা আমেরিকা কখনও মেনে নিতে পারেনি। তাইতো উঠেপড়ে লেগেছে সব সময় পৃথিবীতে শান্তির চেয়ে অশান্তি ডেকে আনতে।

আমাদের এশিয়া মহাদেশে পাকিস্তানকে অনেকবার কাজে লাগিয়ে নানা কুকর্মের ব্যবস্থা করেছে আমেরিকা। যাই হোক না কেনো পশ্চিমা ইউরোপ ও আমেরিকা শেষ পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নকে ভেঙেচুরে তছনছ করেছে। প্রথমে মিখাইল গর্ভাচভ, পরে বরিস নিকোলায়েভিচ য়েলৎসিন এবং শেষে পুতিন। সব চলে গেলেও রাশিয়া রয়েছে এখনও।

যারা সোভিয়েত ছেড়েছে তারা যোগ দিয়েছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে। আবার অনেকে যোগ দিয়েছে শেনজেন দেশগুলোর সঙ্গে। ন্যাটো জোটের মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত বা বর্তমান রাশিয়াকে দাবিয়ে রাখতে চেষ্টা করা। অথচ ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন রাশিয়ার সঙ্গে বেশ ভালো ভাব হয়েছিল, বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম এবং পুতিনের মধ্যে, বলতে গেলে তাদের মাঝে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এক্ষেত্রে কি মনে হয়? ন্যাটো সদ্যদের বুঝতে কিছুটা দেরি হলেও তারা এখন সচেতন।

সচেতন জাতি খোঁজে সমাধান। তাই গতবারের ন্যাটো জোট সেলিব্রেশন তেমন আনন্দময় মুহূর্ত দিতে পারেনি ট্রাম্পকে। ন্যাটো মেম্বাররা তাকে মাথায় তুলে নিতে পারেনি যার কারণে সবকিছু ফেলে, কাউকে না জানিয়ে ট্রাম্প ন্যাটো জোট থেকে গোপনে লন্ডন ছেড়েছিল। ইতিহাসের পাতা খুঁজলে এমন ধরনের ঘটনা খুঁজে পাওয়া যাবে না। যাইহোক ট্রাম্প অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের পরাজয় হলো, বাইডেন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নতুন করে গণতন্ত্রের বাণী বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরলো নতুন করে।

পৃথিবীর রাজনীতি কলুষতায় পরিপূর্ণ। নতুন করে ঢালাই করতে হবে বিশ্ব রাজনীতিকে। ন্যাটোকে জোরদার করতে উঠেপড়ে লেগে গেলো। শুরু হলো যুদ্ধ ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার। মরছে মানুষ, মারছে দানব, দেখছে অমানুষ! প্রাচীনকাল থেকে আজ পর্যন্ত মানুষ বিস্ময়কর বস্তু তৈরি করে আসছে এবং তার পেছনে তাজমহলের মতো স্মরণীয় ঘটনা জড়িত। প্রেমের জগতকে অমর ও স্মরণীয় করতে তৈরি করেন তাজমহল।

ভালো কথা, নারীর প্রতি ভালোবাসা ও স্মরণীয় স্মৃতি তৈরি করা নিঃসন্দেহে এক অপূর্ব ঘটনা। সম্রাটের আরও অনেক রমণী ছিল কি হয়েছিল তাদের বা কিভাবে তাদের প্রতি সম্মান দেখানো হয়েছিল সে বিষয়ের উপর আমরা কিন্তু আলোচনা করি না। আবার বর্তমানে যে সমস্ত বাংলাদেশি রমণীরা আরব দেশে কর্মরত রয়েছে তাদের প্রতি যে পাষণ্ড অত্যাচার, অবিচার এবং ধর্ষণ চলছে তার ওপরও তেমন কথা বলি না। আমরা ভালোবাসার স্মৃতি গড়তে পছন্দ করি। ভালোবাসার গল্প শুনতে পছন্দ করি।

আমরা রমণীকে ভালবাসতে পছন্দ করি। তাহলে ধর্ষণ কেন? যেসব দেশে ধর্ম নিয়ে বেশি কথা বলা হয় সেখানেই ধর্ষণের পরিমাণ বেশি। জানি না কেন! ধর্মে বলা হয়েছে নর-নারীর প্রতি পারস্পরিক সম্মান, লাভ, আন্ডারস্ট্যান্ডিং, কো-অপারেশন এবং প্যাশন দেখাতে হবে। তা যদি মেনে না চলি বা অন্তরে যদি ভালোবাসা না থাকে তবে ইট পাথরের তাজমহল গড়ে কি হবে?

পৃথিবীর ইতিহাসে প্রেমের ও ইতিহাসের উদাহরণ হয়ে স্ব-গৌরবে দাঁড়িয়ে আছে তাজমহল, চমৎকার। সময় এসেছে বিশ্বে নোংরামিতে না জড়িয়ে নিজ নিজ দেশের সমস্যা সমাধানের। পৃথিবীর মানুষ স্বাধীনভাবে বসবাস করতে চায়। হোক না সে বাংলাদেশি বা আমেরিকান তাতে কিছু যায় আসে না। কিন্তু কীভাবে সম্ভব ভালোবাসার স্মৃতি সৌধ তৈরি করা? হে রহমানির রাহিম তুমি আমাদের মনের গভীরে ভালোবাসার তাজমহল বিরাজ করে দাও, আমরা যেন মানুষ হতে পারি।

রহমান মৃধা, সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন। [email protected]


আরও খবর



রংপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাব্বির, সম্পাদক চপল

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬৪জন দেখেছেন
Image

নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সাত বছর পর এস এম সাব্বির আহমেদকে সভাপতি ও তানিম আহসান চপলকে সাধারণ সম্পাদক করে রংপুর জেলা ছাত্রলীগের ২৪ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠিত হয়েছে।

শনিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন।

নবগঠিত কমিটির অন্যরা হলেন, সহ-সভাপতি মোহাইমিনুল রহমান চৌধুরী মিথুন, মেহেদী আল-হাসান আকাশ, ইয়াসির আরাফাত শুভ, হাসানুল ইসলাম হাসিব, নবীনুর ইসলাম নয়ন, জিল্লুর রহমান অনিক, মেহেদী হাসান জিম, বেলাল হোসেন আপেল, আল-আমিন ইসলাম জয়, মাজহারুল ইসলাম রাকিব, শাকিল মিয়া, সাব্বিরুল ইসলাম সাব্বির, রেজওয়ানুল রহমান হৃদয় ও মুর্শেল হক চৌধুরী রক্তিম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহজাহানুর ইসলাম সৌরভ, আক্তারুজ্জামান আপেল, শহিদ সরকার ও আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অভিনাশ কুমার, সাদমান সাকিব রিদম, মতিউর রহমান মাহিদ ও রোহান মাহমুদ।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হয়েছেন রাব্বি হাসান এবং সোহেল রানা সনি।

নবগঠিত কমিটির সভাপতি এস এম সাব্বির আহমেদ বিগত জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মমিনপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদিকে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক তানিম আহসান চপল বিগত জেলা ছাত্রলীগ কমিটিতে তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দীর্ঘ সাত বছর দুইমাস পর গত ৮ ফেব্রুয়ারি রংপুর জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।


আরও খবর



নেত্রকোনায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেলো কিশোরীর

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

নেত্রকোনা পৌরশহরে রেল কলোনী এলাকায় পুকুরে ডুবে সনজিতা রানী (১৪) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৪ জুন) সকাল ৯টার দিকে জেলা সদরের পৌরশহরে সাতপাই রেললাইন সংলগ্ন পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত সনজিতা রানী রেল কলোনীর বাসিন্দা সুধারঞ্জন সরকারের মেয়ে। সে মৃগী রোগী ছিল জানিয়েছে তার পরিবার।

স্থানীয়রা জানান, সনজিতা সকাল ৮টার দিকে ঘর থেকে বের হয়। সকাল ৯টার দিকে মৃতের ছোটবোন তমা রানী কলোনীর পুকুরে বড় বোনকে ভাসতে দেখে বাড়িতে খবর দেয়। পরে বাবা সুধারঞ্জন পুকুর থেকে মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করেন।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. শাকের আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


আরও খবর



ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ, আসনপ্রতি লড়বেন ৩৩ শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:Friday ০৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ। গত বছরের মতো এবারও দেশের আট বিভাগে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে একযোগে এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে৷

শুক্রবার (৩ জুন) বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে দেড় ঘণ্টার এ পরীক্ষা চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

এবারও ঢাকা বিভাগের পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র থাকছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে৷ পরীক্ষা শুরুর পরপরই বেলা সোয়া ১১টায় ক্যাম্পাসের বাণিজ্য অনুষদ ভবনে পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান৷

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষার মধ্য দিয়েই শুরু হচ্ছে এবারের ভর্তিযুদ্ধ। এ বছর ইউনিটটিতে ৯৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৩০ হাজার ৭০৪ জন ভর্তিচ্ছু৷ সে হিসাবে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়ছেন ৩৩ জন শিক্ষার্থী৷ গত বছর আসনপ্রতি গড়ে পরীক্ষার্থী ছিল ২১ জন।

গত বছরের মতো এবারও ‘গ’ ইউনিটে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষায় ৬০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। এমসিকিউ পরীক্ষা ৪৫ মিনিট আর লিখিত পরীক্ষা হবে ৪৫ মিনিট। এ পরীক্ষায় প্রাপ্ত ফলাফলের সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের ফলাফলের (জিপিএ) ওপর ২০ নম্বর যোগ করে মেধাতালিকা প্রস্তুত করা হবে।

আগামীকাল শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিট, ১০ জুন বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিট, ১১ জুন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিট আর ১৭ জুন চারুকলা অনুষদভুক্ত ‘চ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে৷ ‘চ’ ইউনিট ছাড়া অন্য সব পরীক্ষা হবে বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত৷ তবে ‘চ’ ইউনিটে চারুকলার সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষাটি হবে বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত৷

এ বছর ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ৩৪০ শিক্ষার্থী। যেখানে মোট আসন সংখ্যা ৬ হাজার ৩৫টি। এর মধ্যে ‘ক’ ইউনিটের ১ হাজার ৮৫১ আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭১০ জন। এছাড়া ‘খ’ ইউনিটের ১ হাজার ৭৮৮ আসনের বিপরীতে ৫৮ হাজার ৫৫১ জন, ‘গ’ ইউনিটে ৯৩০ আসনের বিপরীতে ৩০ হাজার ৬৯৩ জন, ‘ঘ’ ইউনিটে ১ হাজার ৩৩৬ আসনের বিপরীতে ৭৮ হাজার ২৯ জন এবং ‘চ’ ইউনিটে ১৩০ আসনের বিপরীতে ৭ হাজার ৩৫৭ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।


আরও খবর



সবার ভালো প্রস্তুতি হয়েছে, মনে করছেন এবাদত

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

টেস্ট সিরিজের আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচ। কুলিজ ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোর্ড প্রেসিডেন্ট একাদশের বিপক্ষে কেমন করলো বাংলাদেশ? তিনদিনের প্রস্তুতির সুবিধা কি সবটুকু নিতে পেরেছে টাইগাররা?

জাতীয় দলের তারকা পেসার এবাদত হোসেন মনে করছেন, ব্যাটে-বলে প্রস্তুতিটা বেশ ভালোই হয়েছে দলের। ম্যাচ শেষে ডানহাতি এই পেসার বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আমরা তিনদিনের একটা প্র্যাকটিস ম্যাচ খেললাম। প্রস্তুতি হিসেবে খুব ভালো প্রস্তুতি হয়েছে। আমাদের ব্যাটাররা খুব ভালো করেছে। তামিম ভাই দেড়শ করেছেন, শান্ত পঞ্চাশ রান করেছে। আমাদের ব্যাটিং অর্ডারে সবাই ভালো করেছে।’

প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ৩১০ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেটে ৪৭ রান করে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ নিজেদের প্রথম ইনিংসে করে ৮ উইকেটে ৩৫৯ রান।

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লড়েছেন তামিম। ইনিংস ঘোষণার সময় ২৮৭ বলে ২১ চার ও এক ছয়ের মারে ১৬২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। এছাড়া নাজমুল শান্ত ৫৪ ও নুরুল হাসান সোহানের ব্যাট থেকে আসে ৩৫ রানের ইনিংস।

বোলিংটাও খারপপ হয়নি। ম্যাচের প্রথম দুই দিন নামেননি মোস্তাফিজুর রহমান। রোববার শেষ দিন বোলিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন তিনি। সবমিলিয়ে ৬ ওভারে নেন তিনটি উইকেট। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান দলের সঙ্গে যোগ দিলেও নামেননি প্রস্তুতি ম্যাচে। তবে আলাদাভাবে নেটে ব্যাটিং করে ব্যক্তিগত অনুশীলন সেরেছেন তিনি।

মোস্তাফিজের তিন উইকেট ছাড়াও এবাদত হোসেন নিয়েছেন তিন উইকেট। অন্য দুই পেসার খালেদ আহমেদ ও রেজাউর রহমান রাজা ১টি করে উইকেট শিকার করেন। স্পিনার তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেনরা ছিলেন উইকেটশূন্য।

সবমিলিয়ে নিজেদের বোলিংয়ে খুশি এবাদত। তিনি বলেন, ‘বোলিংয়ে আমরা সবাই ভালো করেছি। ভালো স্টার্ট হয়েছে। মোস্তাফিজ আজ (রোববার) জয়েন করেছে। প্রথম ওভারে দুই উইকেট, পাঁচ ওভারে (প্রকৃতপক্ষে ৬ ওভারে) ৩ উইকেট পেয়েছে। এই তিনদিনের ম্যাচটা আমরা খুব এনজয় করেছি।’


আরও খবর