Logo
আজঃ শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪
শিরোনাম

ইসমাঈল বংশীয় একজন দাস মুক্ত করার সমান সওয়াব হবে

প্রকাশিত:শনিবার ২১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ ফেব্রুয়ারী 20২৪ | ২০৪জন দেখেছেন

Image

অনলাইন ডেস্ক : সহজ ও শ্রুতি মধুর একটি দোয়া। যাতে রয়েছে একত্ববাদের সাক্ষ্য ও তাঁর প্রশংসা। এর ফজিলতও বেশি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সকালে উঠে উক্ত দোয়া পড়বে তার জন্য ইসমাঈল বংশীয় একজন দাস মুক্ত করার সমান সওয়াব হবে। তার জন্য দশটি পুণ্য লেখা হবে, দশটি পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হবে। এবং সে শয়তান থেকে হিফাজত থাকবে।

لا إلهَ إلاَّ اللَّه وحْدهُ لاَ شَرِيكَ لهُ، لَهُ المُلْكُ، ولَهُ الحمْدُ، وَهُو عَلَى كُلِّ شَيءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণ : ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল্ হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদির।’ (আবু দাউদ, তিরমিজি, মিশকাত)

অর্থ : ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং তিনি একক তাঁর কোনো শরিক নেই, তাঁরই রাজত্ব, সমস্ত প্রশংসা তাঁরই। তিনি সকল বিষয়ের উপর ক্ষমতাবান।’

সুতরাং মুসলিম উম্মাহর উচিত এ ছোট দোয়াটি প্রতিদিন পড়ার মাধ্যমে উক্ত সওয়াব ও কল্যাণ লাভ করা। আল্লাহ তাআলা এ সকল কল্যাণ লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



বাগেরহাটে ১২ কেজি গাজাসহ মাদক কারবারি আটক

প্রকাশিত:শুক্রবার ০২ ফেব্রুয়ারী 2০২4 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের মোল্লাহাটে ১২ কেজি গাঁজাসহ মো: আকাশ খান (২২) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জেলার মোল্লাহাট উপজেলার গারফা এলাকার মেসার্স মা ফিলিং স্টেশনের বিপরীত পাশে শিকদার প্লাজা নামক মার্কেটের সামনে থেকে আটক করা হয়। 

আটককৃতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের পূর্বক আদালতে সোপর্দ করা হবে। আটক আকাশ খান মোরেলগঞ্জ উপজেলার বারইখালী গ্রামের সুলতান খানের ছেলে।

বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক স্বপন কুমার রায় বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে  আকাশ খানকে আটক করা হয়। তার কাছে থাকা একটি বস্তা থেকে  ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য ৩ লক্ষ ৬০হাজার টাকা। মাদক বিক্রেতাদের কাছে গাজা হস্তান্তরের জন্য অপেক্ষা করছিলেন আকাশ। এছাড়া আকাশ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট বাজারে গাঁজা বিক্রি করে আসছিল। আকাশের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।


আরও খবর



মির্জাপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় দাখিল পরীক্ষার্থী নিহত, বাবা আহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৭জন দেখেছেন

Image

লুৎফর অরেঞ্জ মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পোস্টকামরি চরপাড়া নামক স্থানে ঢাকা টাঙ্গাইল মেইন রোডে পিকআপ ভ্যানের নিচে পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী হাফেজ রায়হান মিয়া (১৭) নামে এক দাখিল পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। মোটরসাইকেলের চালক নিহতের বাবা স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান (৫০) কে গুরুতর আহত অবস্থায় মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে। নিহত রায়হান মির্জাপুর আফাজ উদ্দিন দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার ছাত্র। ২২ ফেব্রুয়ারি মির্জাপুর সদরে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় সকাল ৮ টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রথমে একটি অটো রিক্সা মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে আরোহীরা ছিটকে পড়ে যায়। তখন পিছন থেকে আসা গরু বোঝাই একটি পিকআপ ভ্যান রায়হানকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়।

মির্জাপুর থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, নিহতের লাশ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবার এবং গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


আরও খবর



পোরশায় ডাকাত সদস্য গ্রেফতার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

ডিএম রাশেদ,পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি :নওগাঁর পোরশায় মামুনুর রশিদ(৪০) নামের এক ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পোরশা থানা পুলিশ। সে উপজেলার নিতপুর ইউপির চকবিষ্ণুপুর গ্রামের আব্দুল গাফফারের ছেলে। মামুনুর রশিদ দীর্ঘদিন ধরে একটি ডাকাত দলের সাথে বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি করে আসছিল। পূর্বেই তার বিরুদ্ধে পোরশা থানায় মামলা থাকায় পুলিশ তাকে খুজছিল। ডাকাত মামুনুর রশিদ দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল।

পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ আতিয়ার রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশ গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার নিতপুর ইউপির চকবিষ্ণুপুর ব্র্যাক অফিসের নিকট থেকে তাকে আটক করে। মামুনুর রশিদ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ডাকাতিসহ বড় বড় অপরাধের সাথে জড়িত। তার বিরুদ্ধে পোরশা থানায় একাধীক মামলা রয়েছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



মিথ্যা ধর্ষণ মামলা থেকে খালাস পেলেন তাতী লীগ নেতা আইনজীবী রানা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৫জন দেখেছেন

Image

বাগেরহাট প্রতিনিধি:অপরাধ প্রমানিত না হওয়ায় মিথ্যা মামলা থেকে বেখসুর খালাস পেয়েছেন বাগেরহাট জেলা তাতীলীগের সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী ফকির ইফতেখারুল ইসলাম রানা। সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নারী ও শিশু নিরর্যাতন ট্রাইবুনাল আদালত-১-এর বিচারক এস এম সাইফুল ইসলাম এই রায় ঘোষনা করেন।

জানাযায়, ২০২২ সালের ০১ এপ্রিল আইনজীবী ফকির ইফতেখারুল ইসলাম রানার নামে ধর্ষণ মামলা করেন রুমা বেগম নামের এক নারী। পরের দিন ২ এপ্রিল বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে পুলিশ। তবে প্রথম থেকেই মামলাটিকে পরিকল্পিত ও মিথ্যা দাবি করে আসছিলেন এই আইনজীবী।

বেখসুর খালাস পাওয়া আইনজীবী ফকির ইফতেখারুল ইসলাম রানা বলেন, পুলিশ হেফাজতে আসামী নির্যাতনের অভিযোগ এনে বাগেরহাট মডেল থানার তৎকালীন সদস্য এস আই শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে শহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি মামলা করেন। ওই মামলার আইনজীবী ছিলাম আমি। মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য এস আই শরিফুল ইসলাম আমাকে নানা ভাবে চাপ দিচ্ছিলেন। রাজি না হওয়ায় তিনি আমাকে অন্যায়ভাবে আটক করেন। তাতেও আমি রাজি না হওয়ায়, রুমা বেগম নামের এক নারীকে বাদী করে আমার নামে ধর্ষণ মামলা দেয়। পরে ওই ধর্ষণ মামলায় আামাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

ফকির ইফতেখারুল ইসলাম রানা আরও বলেন, আমাকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই এসআই শরিফুল ইসলাম এই মামলাটি করিয়েছেন। অপরাধ প্রমানিত না হওয়ায় আদালত আমাকে বেখসুর খালাস দিয়েছেন। আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি, আসলে সত্যের জয় সব সময় হয়। মিথ্যা মামলার বাদী ও ষড়যন্ত্রক্রাীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি।

এদিকে মিথ্যা মামলায় বেখসুর খালাস পাওয়ায় জেলা তাতীলীগের সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী ফকির ইফতেখারুল ইসলাম রানাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাতী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, আইনজীবী ও সুভান্যুধায়ীরা।

বাগেরহাট জেলা তাতী লীগের সভাপতি তালুকদার আব্দুল বাকি বলেন, তাতী লীগ নেতা আইনজীবী ফকির ইফতেখারুল ইসলাম রানাকে মিথ্যা মামলায় ফাসানোর ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। তাকে দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানাই। যারা তাকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ফাসিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন এই রাজনীতিবীদ।


আরও খবর



চট্টগ্রামের সংরক্ষিত মহিলা এমপির চুড়ান্ত আলোচনায় রয়েছে জিনাত সোহানা

প্রকাশিত:শনিবার ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image
মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার:জঙ্গিবাদমুক্ত আধুনিক, স্মার্ট ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার অভিপ্রায়ে চট্টগ্রামে অনন্য নজির গড়ে তুলেছেন সংগঠক জিনাত সোহানা চৌধুরী। সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরীর উদ্যোগে চট্টগ্রামে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চলছে সমাজকে বদলে দেয়ার অভিনব প্রচেষ্টা। চট্টগ্রামে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের বিপথগামিতা থেকে রক্ষা এবং তাদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে কাজ করছেন তিনি। দীর্ঘদিরন ধরে চট্টগ্রাম শহর এবং বিভিন্ন উপজেলার কওমি ও অন্যান্য মাদ্রাসায় আয়োজন করছেন ‘জঙ্গিবাদ বিরোধী আলেম ওলামা শিক্ষার্থী সমাবেশ’।  মুক্তিযুদ্ধের গল্প এবং জয় বাংলা স্লোগানসহ সমবেত জাতীয় সংগীত পরিবেশনায় অংশ নেন মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা। মুষ্ঠিবদ্ধ হাতে নেওয়া হয় দেশবিরোধী সহিংসতা কিংবা উগ্রবাদে না জড়ানোর শপথ। 

চট্টগ্রামের সংগঠক জিনাত সোহানা চৌধুরী এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। মোবাইলে, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে হরদম হুমকির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তারপরও দমে যাননি তিনি। অদম্য সাহস আর কিছু সৃষ্টিশীল মানুষদের সহযোগিতায় এই কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে চলেছেন জিনাত সোহানা। 

জিনাত সোহানার মানবিক কর্মযজ্ঞ বিস্তৃত হয়েছে করোনাকালের কঠিন সময়েও। চট্টগ্রামে কিছু স্বপ্নবাজ তরুণদের সঙ্গে নিয়ে ১০ দিনের মাথায় গড়ে তোলেন ১০০ শয্যার করোনা আইসোলেশন সেন্টার। করোনার কঠিন দুঃসময়ে ৮০০ করোনা আক্রান্ত রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিয়েছে এই সেন্টার।  জিনাত সোহানা জানান, চট্টগ্রাম নগর এবং উপজেলায় শতাধিক কওমি ও অন্যান্য মাদ্রসার প্রায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী শুনেছেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। যেখানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনে ছিল অলিখিত নিষেধাজ্ঞা, সেখানে শিক্ষার্থীদের সমবেত কণ্ঠে উচ্চারিত হয় জাতীয় সংগীত, জয় বাংলা স্লোগান । এতে অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, দেশের প্রখ্যাত আলেম ওলামা এবং জঙ্গিবাদ নির্মূলে কাজ করা সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।  তিনি বলেন, ‘মাদ্রাসার বৃহৎসংখ্যক শিক্ষার্থী এই দেশেরই উন্নয়ন অগ্রগতির অংশীদার। তারা যদি মূলধারায় যুক্ত হন, বাংলাদেশ অনেকখানি এগিয়ে যাবে। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ধর্মীয়, নৈতিক শিক্ষার পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তির শিক্ষায় শিক্ষিত হলে দেশের উন্নয়নে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সমান্তরালে নিজেদের অবস্থান গড়ে নিতে পারবেন। পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা- যারা অজ্ঞতা, কুসংস্কারবোধ ধর্মীয় গোঁড়ামির জালে আবদ্ধ আমরা তাদের আলোর পথ দেখাতে চাই।’

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী বলেন, ‘দেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির চর্চা হয়। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মগজধোলাই করে উগ্রবাদের দিকে ধাবিত করে একটি গোষ্ঠী। পবিত্র ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের উগ্রবাদে উদ্বুদ্ধ করার অপচেষ্টা রুখে দেওয়া এই কর্মসূচীর প্রধান লক্ষ। চট্টগ্রাম বিভাগে শুধুমাত্র মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে এই কর্মসূচী পালন করা হলেও পরবর্তীকালে স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়েও চালু করা হবে।’

কেন নিজেকে এই কর্মসূচীতে যুক্ত হলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে জিনাত সোহানা বলেন, “দেশের প্রধামন্ত্রী ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে ঘোষণা দেন দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল করার। একজন নারী হিসেবে দেশকে জঙ্গিবাদমুক্ত করার ঘোষণা আমাকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগের সারথী হতে ‘সুচিন্ত বাংলাদেশ’-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ আরাফাতের নির্দেশনায় নিরন্তর কাজ করে চলেছি।”

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও নৌকার পক্ষে ছিলো তার নানা রকম উদ্যোগ। চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে নৌকার প্রার্থীদের সমর্থনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভিজুয়্যালি বিএনপি-জামায়াতের ১০০ দিনের হরতালের বর্বরতার চিত্র এবং বিভিন্ন এলাকায় সংখ্যালঘু নির্যাতনের চিত্র এবং দিন বদলের উন্নয়নের চিত্র, প্রতিটি মানুষের কাছে তুলে ধরেন। নৌকার পক্ষে জনমত সৃষ্টিতে ব্যাপক ভ‚মিকা রাখে তার এসব উদ্যোগ। ফলে আওয়ামী লীগের গ্রামগঞ্জ, শহর ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী। 

এবার একাদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সোহানাকে দেখতে চাইছেন এলাকার মানুষ। যদিও আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব সিদ্ধান্তে মনোনয়ন দেবেন। চ‚ড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী জিনাত সোহানা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে নগরজুড়ে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে সবার দৃষ্টি কাড়েন। 

চট্টগ্রামের রাউজানে জন্ম নেওয়া জিনাত সোহানা বেড়ে উঠেছেন চট্টগ্রামে। তার বড় বোন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী।সোহানা বলেন, ‘সবাই যার যার অবস্থান থেকে দেশের উন্নয়নে কাজ করবে। নারীদের কাজ করার কর্মপরিবেশ তৈরি হয়েছে। নারীকে নারী হিসেবে না দেখে তাদের যদি মানুষ হিসেবে দেখে, তাহলে কাজ করা সহজ হবে।’

সোহানা চট্টগ্রাম আদালতে অতিরিক্তি পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে কাজ করছেন। ২০১৫ সালে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সেক্সুয়াল হেরেসমেন্ট কমিটির একজন সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। টানা তৃতীয়বারের মতো যুক্ত আছেন বেসরকারি কারা পরিদর্শক হিসেবে।

আরও খবর

বিনামূল্যে বই পেল ২৬৬ কলেজ শিক্ষার্থী

শনিবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪