Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম
গ্রীষ্মের রুক্ষ প্রকৃতিতে শোভা ছড়াচ্ছে সোনালু ফুল ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২৬২ জন নিহত মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধানের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ভূয়া সৈনিক পরিচয়ে বিয়ে করে শশুড় বাড়ী শিকলবন্দী জামাই! খাগড়াছড়িতে পুনাক কমপ্লেক্স এর উদ্বোধন করলেন: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল এিপুরা হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র হজ চলাকালীন ১৩০১ জন হজযাত্রীর মৃত্যু: সৌদি আরব সেতু ভেঙ্গে নয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন, মাইক্রোবাস উদ্ধার

ইসলামপুরে বন্যা কবলিত মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে নির্মিত হচ্ছে মুজিবকিল্লা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৩৫৯জন দেখেছেন

Image

লিয়াকত হোসাইন লায়ন,ইসলামপুর(জামালপুর)প্রতিনিধি:দূর্গম যমুনার নদীর বন্যা কবলিত মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে, জানমাল রক্ষার্থে জামালপুরের ইসলামপুরে নির্মিত হচ্ছে মাটির কিল্লা। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে থেকেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে সারা দেশে কিল্লাগুলো নির্মিত হয়। সে সময় এগুলো ‘মুজিব কিল্লা’ নামে পরিচিতি পায়। 

সম্প্রতি এসব কিল্লার সংস্কার ও উন্নয়ন শুরু করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। তারই অংশ হিসেবে জামালপুরের ইসলামপুরে কুলকান্দি হেদায়েতিয়া  আলিম মাদরাসা ও চিনাডুলী আফরোজা ফরিদ সুরুজ্জামান টেকনিক্যাল কলেজ নামে নির্মিত হচ্ছে দুটি মুজিব কিল্লা।

জানাগেছে, প্রতি বছর যমুনার ভয়াবহ বন্যায় উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের ৬টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষকে দীর্ঘদিন পানিবন্দি থেকে জীবনধারণ করতে হয়। বর্ষা মৌসুমে ওই লক্ষাধিক মানুষকে বন্যার পানিবন্দি দশা থেকে বাঁচানোর বড় চ্যালেঞ্জ। অকাল বন্যার পানি থেকে বাঁচার রক্ষা কবজ হরিণধার বাঁধটি ভাঙনে বিলিন হওয়ায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই যমুনা নদী থেকে বাঁধাহীন ভাবে নেমে আসা বন্যায় তলিয়ে যায় উপজেলার সদর ইউনিয়ন, পাথর্শী, কুলকান্দি, বেলগাছা, চিনাডুুলি ও নোয়ারপাড়া ইউনিয়ন সমুহের নিম্নাঞ্চলের হাজার হাজার একর ফসলি জমি। আবার যমুনা নদীতে বন্যার পানি বিপদ সীমা অতিক্রম করতেই ওই ৬টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ে। ওই সময় পানিবন্দিদের ঘরে ঘরে বিশুদ্ধ পানি ও রান্নাকরা খাদ্যের তীব্র সঙ্কটসহ গো-খাদ্যেরও অভাব দেখা দেয়। পানিবন্দি অনেক শিশুদের পানিতে ডুবে মরার ঘটনা ঘটে। অনেকের মাঝেই পানিতে ডুবে মরার আতঙ্ক বিরাজ করে। 

এছাড়াও বিগত দিনে যমুনার তীব্র ভাঙ্গনের ফলে উপজেলার কুলকান্দি,বেলগাছা,চিনাডুলী ও সাপধরী ও পার্থশী ইউনিয়নের বিরাট অংশ নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে হাজার হাজার পরিবার ভিটা বাড়ি হারিয়ে ভূমিহীন হয়ে পড়েছে। এসব মানুষ মোরাদাবাদ বাঁধ,কুলকান্দি,ছড়াবাতা ও গুঠাইলে  বিচ্ছিন্ন ভাবে বসবাস করে আসছেন। পাশাপাশি গরু ছাগল মহিষ ও হাঁস মুরগি কবুতরসহ বসবাস করতে প্রতিনিয়তই দূর্ভোগ পেহাতে হয়। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছস ও প্রাকৃতিক দূর্যোগে বিচ্ছিন্ন এসব মানুষের জান-মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। 

বন্যা কবলিত মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরিদুল হক খান এমপির ঐক্লান্তিক প্রচেষ্টায় নির্মিত হচ্ছে উপজেলায় দুটি মুজিবকিল্লা। মুজিব কিল্লায় বন্যা কবলিত মানুষ আশ্রয় সহ গরু,ছাগল,হাস মুরগি নিয়ে দুর্ভোগ লাঘব সহ আতঙ্ক বিহীন সাচ্ছন্দে আশ্রয় নিতে পারবে। কুলকান্দি বাঁধে আশ্রিতরা জানান-কিল্লাডা হয়তাছে,এহন আশ্রয় নেওয়ার জায়গা হব। ঝড়-বইন্যা হইলে এই কিল্লার ওপরেই গরু-বাছুর লইয়া আশ্রয় নিবের পামু। তারাতারি বিল্ডিং গুলে হইলে আমরা থাকপের পামু।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান টিটু বলেন, ‘চলমান মুজিবকিল্লার কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন হচ্ছে। মুজিবকিল্লায় প্রাকৃতিক দূর্যোগে মানুষের জীবন বাঁচাতে ও গবাদি পশু-পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে ভরসা পাবে নির্মানাধীন মুজিব কিল্লায়। 

ধর্মমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরিদুল হক খান এমপি বলেন- আমার এলাকার যমুনা পাড়ের  বন্যা কবলিত মানুষের জান-মালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে কয়েকটি ফ্লাল্ড সেল্টার ও মুজিব কিল্লা নির্মাণ বরাদ্ধ দিয়েছেন। ফ্লাল্ড সেল্টার ইতমধ্য শেষ হয়ে স্কুলের পাশাপাশি বন্যা কবলিতরা আশ্রয় নিতে পারছে। মুজিবকিল্লার কাজ চলমান রয়েছে। বন্যায় দূর্গম চরের মানুষ,গবাদি পশু পাখি সহ মুজিব কিল্লা শতভাগ ব্যবহার করবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ পাবে।


আরও খবর



কঙ্গোতে নৌকা ডুবে ৮০ জনের বেশি নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআরসি) একটি নৌকাডুবির ঘটনায় ৮০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি এক ঘোষণায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মাই-এনডোম্বে প্রদেশের মুশি শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার (৪৩ মাইল) দূরের কোয়া নদীতে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে বুধবার (১২ জুন) ।

প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের বিপর্যয় আর না ঘটে সেজন্য এসব ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ তদন্তের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স।

ভুক্তভোগীদের পরিবার এবং প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স।

রাতে যাত্রার সময় ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ধারণা করা হচ্ছে, অন্ধকারে কিছু দেখা না যাওয়ায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে। মাই-এনডম্বে প্রদেশের গভর্নর রিটা বোলা দুলা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, এই দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

কঙ্গোতে নৌকাডুবির ঘটনা যেন সাধারণ হয়ে উঠেছে। সেখানে ছোটবড় নৌকা এবং জাহাজে ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী বহন করার কারণেই বিভিন্ন সময় দুর্ঘটনা ঘটে। মধ্য আফ্রিকার দেশটির বিস্তীর্ণ বনাঞ্চলজুড়ে অল্প কিছু পাকা রাস্তা রয়েছে। সেখানে বেশিরভাগ মানুষ নদীপথেই যাতায়াত করে থাকে।

খবর আল জাজিরার।


আরও খবর



হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৩২জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:মুসলিম সম্প্রদায়ের পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে টানা ৮ দিন ছুটি শেষে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দরের সকল কার্যক্রম চালু হয়েছে। এদিকে ফিরেছে বন্দরে কর্মচাঞ্চল্যতা। তবে স্বাভাবিক ছিল হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় বিষয়টি জানিয়েছেন হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি জানান,পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ১৪ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। আজ শনিবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে হিলি বন্দরে আমদানি-রপ্তানি পুনরায় চালু হয়েছে।

এদিকে হিলি ইমিগ্রেশনের ওসি শেখ আশরাফুল ইসলাম জানান, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকলেও হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক ছিল।


আরও খবর



হুমকিতে পরিবারের কাছে যেতে বাধ্য করেছেন সেই অনশনে বসা শিক্ষার্থীকে

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১০জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসা সেই ছাত্রীর উপর লাগাতার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর কারনে পরিবারের কাছে যেতে বাধ্য করেছেন ক্ষমতাসীন দলের চেয়ারম্যান ও নেতারা বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। উপজেলার কৃষক লীগ সভাপতি ও পরিশো দূর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহার পুত্র জয়ন্ত সাহার সাথে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন অনার্স পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির পারিশো দূর্গাপুর গ্রামে রাম কমল সাহার বাড়িতে ঘটে এমন ঘটনা। গত ১৬ জুন রোববার অনশনে বসেন ওই শিক্ষার্থী। কিন্তু ক্ষমতা সীন দলের  চেয়ারম্যান ও উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের অমানবিক চাপে পরিবারের কাছে যেতে বাধ্য করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে যাবার সময় ওই শিক্ষার্থী জয়ন্ত সাহাকে বিয়ে করতে না পারলে আত্মহননের হুমকিও দিয়ে গেছেন। 
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে রাম কমল সাহার পুত্র জয়ন্ত সাহার সাথে মোবাইল ও ফেসবুকের মাধ্যমে অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্ক হলেও বিয়ের কথা বললেই জয়ন্ত সাহা তালবাহানা করে। এক প্রকার বাধ্য হয়ে ওই শিক্ষার্থী চলতি মাসের ১৬ জুন রোববার জয়ন্ত সাহার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন। এখবর জানতে পেরে জয়ন্ত সাহা পালিয়ে যায়। 

এদিকে কৃষক লীগের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহার বাড়িতে ওই শিক্ষার্থী অনশনে থাকা অবস্থায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি,   সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতারা বেপরোয়া হুমকি দেয়া শুরু করেন এবং সাবেক মেম্বার বকুল হোসেনের বাড়িতে জোরপূর্বক গত মঙ্গলবারে  নিয়ে আসেন। সেখানেই ওই শিক্ষার্থীর পরিবারকে ডেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামের বেশকিছু ব্যক্তিরা জানান, প্রায় দিন ওই শিক্ষার্থীকে নেতারা এসে নানা ভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে সাবেক মেম্বার বকুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। ওই শিক্ষার্থী বকুলের বাড়িতে যেতে চায়নি। কিন্তু বিয়ে দেয়ার কথা বলে জোরপূর্বক বকুল মেম্বারের বাড়িতে নিয়ে যায়। এই ঘটনা যদি কোন সাধারণ ব্যক্তির বাড়িতে হত তাহলে সবাই মিলে বিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করতেন। কিন্তু রাম কমল ক্ষমতা সীন দলের নেতা হওয়ার কারনে সবাই মিলে এক প্রকার মানুষিক নির্যাতন করে এমন ঘটনার জন্ম দিলেন। তবে ওই শিক্ষার্থী টানা পাঁচদিন অনশনে ছিলেন, সে যাওয়ার সময় বলে গেছে জয়ন্ত সাহাকে বিয়ে করতে না পারলে আত্মহনন করব। কোন বিচার পায়নি। যারা বিচার করবে তারা সবাই রাম কমল সাহার পক্ষ নিয়েছেন। বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন রাম কমল সাহার বাড়িতে, কিন্তু তার বাড়ি থেকে জোরপূর্বক সাবেক মেম্বার বকুলের বাড়িয়ে দুদিন রাখে ওই শিক্ষার্থীকে। গ্রামের লোকজন বকুলের বাড়িতে কেন ওই শিক্ষার্থী, কেনই বা বকুল দুদিন ধরে ওই শিক্ষার্থীকে রাখল এমন নানা প্রশ্ন তুলেন। বকুলের বাড়ির খৈলানে বসে সালিশ বিচার। সালিশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থেকে এমন কাল্পনিক বিচার করে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন। এমন এক তরফা সালিশ বিচারে হতবাক স্থানীয়রা। রাম কমলের ছেলেকে বিয়ে না করা পর্যন্ত বাড়ি থেকে যাবেনা এমন কথা বলে অনশনে ছিলেন ওই শিক্ষার্থী। যদি প্রেমের সম্পর্ক না থাকত তাহলে পঞ্চগড়ের মেয়ে রাম কমলের বাড়িতে আসবে কেন।

সাবেক মেম্বার বকুল হোসেনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার বাড়িতে দুদিন ছিল। গত বৃহস্পতিবার সালিশ বিচার হয়েছে আর শুক্রবার  শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজনের সাথে চলে যান।   আপনার বাড়িতে কেন ওই শিক্ষার্থী জানতে চাইলে কোন সদ উত্তর না দিয়ে আপোষে ওই মেয়ে চলে গেছেন বলে দায় সারেন তিনি।বকুলের বাড়িতে বসেছিল সালিশ বিচার। বিচারে উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ  শীর্ষ নেতারা ছিলেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। 

তবে জয়ন্ত সাহার সাথে কোনভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। খোঁজ করেও তার কোন সন্ধান দেয় নি পরিবারের লোকজন।  জয়ন্ত সাহার পিতা কৃষক লীগের সভাপতি রাম কমল সাহা জানান, সবার প্রচেষ্টায় ওই শিক্ষার্থীকে পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বকুলের বাড়িতে দুদিন রেখে ভয়ভীতি ও হুমকি দেখিয়ে পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান, কোন হুমকি বা ভয়ভীতি দেখানো হয়নি। আমার ছেলের সাথে প্রেম আছে এমন কোন প্রমানও দিতে পারে নি। আমার সম্মান নষ্ট করার জন্য এধরণের ঘটনার সুত্রপাত করা হয়েছে।তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার আপোষ মিমাংসা করা হয়েছিল, আর শুক্রবার ওই মেয়ে নিজের ভূল বুঝতে পেরে পরিবারের লোকজনের সাথে  সেচ্ছায় চলে গেছে। থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, এঘটনায় কোন অভিযোগ পাওয়া যায় নি। পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হত।

আরও খবর



শিশুকুঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৩৯জন দেখেছেন

Image

ঝিনাইদহ কামরুজ্জামান:জাকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্যদিয়ে ঝিনাইদহ শিশুকুঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজ প্রাঙ্গনে এ পুনর্মিলনী আয়োজন করে এক্স স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন অব শিশুকুঞ্জ। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মুহুল। আরোও উপস্থিত ছিলেন- কর্নেল এসএম রাকিব ইবনে রেজওয়ান, ঝিনাইদহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান জাকারিয়া, ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী হিজল, শিশুকুঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কাশেম। অনুষ্ঠানের পূর্বে এক বর্নাঢ্য র‌্যালী প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গন থেকে শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ পর পুনরায় কলেজ প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়। বিকালে স্থানীয় শিল্পী ও সন্ধ্যার পর ঢাকা থেকে আগত শিল্পদের সমন্বয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শেষ হয়।  


আরও খবর



নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ মারা গেছেন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | ৯৭জন দেখেছেন

Image
অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আব্দুর রশীদ (ফাইল ছবি)

নিজস্ব প্রতিবেদক:শুক্রবার (১৪ জুন) ভোরে ঢাকা সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায়, নিরাপত্তা বিশ্লেষক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আব্দুর রশীদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গিয়েছেন। আজ বাদ জুমা মিরপুর ডিওএইচএস কেন্দ্রীয় মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে আর্মি কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।

পরিবারের সদস্যরা জানায়, গত দুমাস ধরে মেজর জেনারেল আব্দুর রশীদ সিএমএইচে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর আগে তিনি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান। সেখান থেকে দেশে ফেরার পর তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে সিএমএইচে ভর্তি করা হয়।

উল্লেখ্য, সেনাবাহিনীতে চাকরির সময় অতি মেধাবী অফিসার হিসেবে পরিচিত মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ। বিভিন্ন টকশোতে একজন স্পষ্টভাষী ও নির্ভীক বক্তা হিসেবে অংশ নেন এবং তার লেখা কলাম বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হয়।


আরও খবর