Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম
মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধানের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ভূয়া সৈনিক পরিচয়ে বিয়ে করে শশুড় বাড়ী শিকলবন্দী জামাই! খাগড়াছড়িতে পুনাক কমপ্লেক্স এর উদ্বোধন করলেন: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল এিপুরা হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র হজ চলাকালীন ১৩০১ জন হজযাত্রীর মৃত্যু: সৌদি আরব সেতু ভেঙ্গে নয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন, মাইক্রোবাস উদ্ধার বর ও কনের বাড়ীতে শোকের মাতম রাশিয়ায় বন্দুকধারীদের ভয়াবহ হামলায় ১৫ পুলিশ সদস্য নিহত

হুয়াওয়ের ‘উইমেন ইন টেক’ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৭৭জন দেখেছেন

Image

প্রযুক্তি ডেস্ক:‘উইমেন ইন টেক’ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে হুয়াওয়ে। এই প্রতিযোগিতা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়, যার প্রতিপাদ্য ছিল ‘টেক ফর হার, টেক বাই হার, টেক উইথ হার’। এই উদ্যোগে হুয়াওয়ের কৌশলগত সহযোগী হিসেবে কাজ করছে ইউনেস্কো। প্রতিযোগিতাটির লক্ষ্য স্থানীয় আইসিটি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ ও প্রতিভা বিকাশ।

এই প্রতিযোগিতায় ৭৫০ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্য থেকে চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৮ জনকে বাছাই করা হয়। এই পর্যায়ে একক ও দলীয় – দুই রকম প্রতিযোগিতা ছিল। আইসিটি-কে কাজে লাগিয়ে কীভাবে নতুন সমাধান সম্ভব এবং এর ব্যবসায়িক সফলতার সম্ভাবনার উপর ভিত্তি করে দলভিত্তিক আইডিয়াগুলোকে নির্বাচিত করা হয়। বিজয়ী দলগুলিকে একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে সমস্যার যুক্তিসঙ্গত মূল্যায়ন, ব্যবসা পরিকল্পনার অভিনবত্ব, বিজনেস কেস ও অ্যাসাইনমেন্ট স্কোর। প্রতিযোগিতা চলাকালে একাধিক ইন্টারভিউ, পরীক্ষা এবং মূল্যায়নের ভিত্তিতে আলাদাভাবে বিজয়ীদের বেছে নেওয়া হয়েছে।

শীর্ষ আইডিয়া হিসেবে নির্বাচিত হয় 'ধারা'। কীভাবে সৌর শক্তি ও অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সবার জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে কাজ করেছে 'ধারা'। প্রথম রানার আপ হিসেবে বিজয়ী হয়েছে 'টেরা বিন', যাদের বিজনেস আইডিয়া ছিল সোলার কম্পোষ্টার ও অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করা যায়। দ্বিতীয় রানার আপ হিসেবে নির্বাচিত হয় 'সোলনেট'। এই দলটি ক্লাউড প্রযুক্তি ও অ্যাপের ব্যবহার করে কীভাবে সহজে ও কম খরচে সোলার প্ল্যান্ট তৈরি ও ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে কাজ করেছে। চ্যাম্পিয়ন, ১ম ও ২য় রানার আপ দল যথাক্রমে তিন লাখ টাকা, দুই লাখ টাকা এবং এক লাখ টাকা মূল্যের প্রাইজমানি পেয়েছে। এই অর্থ তাঁরা তাঁদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবহার করতে পারবে।

এছাড়া চারজন প্রতিযোগী তাঁদের বিশেষ পারফরমেন্সের কারণে ব্যক্তিগতভাবে বিজয়ী হয়েছেন। বিজয়ীরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের ছাত্রী কায়সারী ফেরদৌস, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির গ্রাজুয়েট মাহমুদা নাঈম, এসবিআইটি লিমিটেডের ডিজাইন ভেরিফিকেশন ইঞ্জিনিয়ার সুমাইয়া তারিক লাবিবা এবং ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির ইইই বিভাগের ছাত্রী সাফরিনা কবির। এই বিজয়ীরা চীনে সফর করে দেশটির স্টার্ট-আপ ইকোসিস্টেম সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

৪ জুন রাতে অনুষ্ঠিত গালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, পররাষ্ট্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য জারা জাবীন মাহবুব, এমপি, এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. মহিউদ্দিন আহমেদ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ইউনেস্কোর অফিস প্রধান ও প্রতিনিধি ড. সুজান ভাইজ, আইইউটি-এর ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও প্যান জুনফেং।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক, এমপি, বলেন, “আমি 'উইমেন ইন টেক'-এর মূল প্রতিপাদ্য “টেক ফর হার, টেক বাই হার, টেক উইথ হার”দেখে সত্যিই আনন্দিত। এই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারী নারীরা যে কর্মক্ষমতা ও দক্ষতা দেখিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। আমি হুয়াওয়েকে এই ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখার জন্য সাধুবাদ জানাই।”

বাংলাদেশে নিযুক্ত গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের রাষ্ট্রদূত জনাব ইয়াও ওয়েন বলেন, “ডিজিটাল ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারীদের উন্নয়ন এবং চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে দৃঢ় করার ক্ষেত্রে অবদানের জন্য আমি হুয়াওয়েকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আজকের প্রোগ্রামের মাধ্যমে আমরা দেখেছি, বাংলাদেশের আইসিটি সেক্টরে নারীদের অবদান কতোটা সম্ভাবনাময় হতে পারে।”

হুয়াওয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও প্যান জুনফেং বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২৬ সালের মধ্যে আইসিটি খাতে নারীর অংশগ্রহণ ২৫%-এ উন্নীত করার উপর জোর দিয়েছেন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে এই খাতে ৫০% নারী পেশাজীবীর অংশগ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা বাংলাদেশে নারীদের প্রতিভা ও দক্ষতা বিকাশ, ইন্টার্নশিপ ও চাকরির উপর গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রতিভা ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নারীরা যাতে পেশাক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যায়, সে বিষয়টিকে আমরা বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। আমাদের ‘উইমেন ইন টেক’ প্রতিযোগিতায় নারী শিক্ষার্থী এবং কর্মীদের জ্ঞান এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়িক এবং প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আমরা নারীদের আইসিটি মেধার বিকাশে আমাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো।”

২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী হুয়াওয়ে ‘উইমেন ইন টেক’ প্রোগ্রামটি চালু করে। এই প্রতিযোগিতার পাশাপাশি হুয়াওয়ে তরুণদের সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে এবং দেশকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত ভবিষ্যতের দিকে চালিত করতে ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ ও ‘হুয়াওয়ে আইসিটি কম্পিটিশন’-এর মত নানান উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে।


আরও খবর



ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র স্বীকৃতি দিয়েছে, স্পেন, নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ১৬২জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে স্পেন, নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ড। আজ মঙ্গলবার পৃথকভাবে দেশ তিনটি এই স্বীকৃতি দেয়।

সবার প্রথমে স্পেন এই স্বীকৃতি দেয়। দেশটির সরকারের মুখপাত্র পিলার আলজেরিয়া বলেন, মন্ত্রিসভা আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির বিষয়টি অনুমোদন করে। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।

এরপর নরওয়ে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্যী এসপেন বার্থ আইডে বলেন, ’৩০ বছরের বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সমর্থনে কথা বলে আসছে নরওয়ে।

সবশেষ আয়ারল্যান্ড ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়ে জানায়, সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং ডাবলিন ও রামাল্লাহর ভেতরে কূটনৈতিক সম্পর্ক তৈরি করতে যাচ্ছে।

এর আগে গত বুধবার নরওয়ে, স্পেন ও আয়ারল্যান্ডের শীর্ষনেতারা পৃথকভাবে ঘোষণা দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনকে তাদের স্বীকৃতি ২৮ মে থেকে কার্যকর হবে। পাশাপাশি তারা আরও দেশকে এ ঘোষণায় যুক্ত হতে আহ্বান জানায়।


আরও খবর



খাগড়াছড়িতে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৪৬জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:পবিত্র ঈদ-উল-আযহাকে সামনে রেখে খাগড়াছড়িতে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন)  সকালের দিকে খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শেখ হাসিনা অডিটোরিয়ামে  বাংলাদেশ ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র উদ্যোগে জাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালায খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম অঞ্চলের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার)।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন সোনালী ব্যাংক খাগড়াছড়ি শাখা’র সহকারি মহা ব্যবস্থাপক সমর কান্তি ত্রিপুরা। 

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক  মো. সহিদুজ্জামান বলেন, কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে একটি চক্র জাল টাকার নোটের লেনদেনের চেষ্টা চালায়। কোরবানী ঈদ আসলেই জাল নোট চক্রকারীরা বেপরোয়া হয়ে উঠে। জাল নোট না চেনার কারণে অনেকেই বিপদে পড়ে। পথে বসতে হয়। আমাদেরকে জাল নোট কিভাবে শনাক্ত করতে হবে।  সেটা অবশ্যই জানতে হবে। আমাদেরকে আরও বেশি সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। জাল টাকা জীবনের জন্য অপ্রয়োজনীয় জটিলতা।

এ সময় খাগড়াছড়ি অতিরিক্তি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো.নজরুল ইসলাম  খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা ইসলাম,  সোনালী ব্যাংক পিএলসি প্রিন্সিপাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. সাইফুর রহমান, খাগড়াছড়ি কৃষি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক দেবাশীষ ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি পূবালী ব্যাংক পিএলসি এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক অভিজিত ভট্টাচার্য্য সহ  বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তাগন উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



বিএনপির কারণে সাম্প্রদায়িক শক্তি এখনও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৪৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের মন্তব্য করেছেন বিএনপির কারণে সাম্প্রদায়িক শক্তি এখনও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে বলে।

শনিবার (২৫ মে) সকালে সাড়ে ৭টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়েছি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে। কিন্তু সেই বিজয়কে সংহত করার এখনও অনেক কাজ বাকি। আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সাম্প্রদায়িক বিষবৃক্ষকে সমূলে উৎপাটিত করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ব। সেটিই হবে নজরুলের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের সার্থকতা।

বিএনপি নেতাকর্মীকে জেলে পাঠানো হচ্ছে দলের সিনিয়র নেতাদের এমন দাবি অস্বীকার করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীকে জেলে পাঠানোর এজেন্ডা আমাদের নেই। যারা অপরাধে জড়িত তারা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী নন। তারা দুর্বৃত্ত। এদের শায়েস্তা করতে হবে জাতীয় স্বার্থেই।


আরও খবর



যশোরে চামড়ার প্রতি পিস তিন টাকা ৮৫ পয়সা

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২৩জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোরের রাজারহাট দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ চামড়ার বাজার। ঈদ পরবর্তী প্রথম বাজার ছিল আজ শনিবার (২২জুন)। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রতি বছরের মতই আগের রাতেই চামড়া নিয়ে হাজির হন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন হোটেল-মোটেলে বাইরে থেকে আসা ব্যাপারীরাও আগের রাতে এসে অবস্থান নেন।

সকাল সাতটা থেকে শুরু হয় এ হাটের চামড়ার কেনাবেচা। তবে, এই বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে কোনো চামড়া কেনাবেচা হয়নি। অধিকাংশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লোকসানে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। গরুর চামড়া বিক্রি হলেও বিপাকে পড়েন ছাগলের চামড়া বিক্রেতারা। প্রতি পিস ছাগলের চামড়া তিন টাকা ৮৫ পয়সাও বিক্রি করতে দেখা গেছে।

আবার ছাগল ও ভেড়ার চামড়ার দাম বলেনি কোনো কোনো ব্যাপারী-এমন ঘটনাও ঘটেছে। এমন কোনো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী পাওয়া যায়নি যে তার গরুর চামড়ায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা লোকসান হয়নি। সব মিলিয়ে এ বাজারে বড় দরপতন হয়েছে।

জেলার নাভারন থেকে চামড়া নিয়ে আসা আবদুল জলিল জানান, সিন্ডিকেটের কারণে বাধ্য হয়ে ৪০ টাকা ফুটের চামড়া মাত্র ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। হাটে ফুট হিসেবে চামড়া বিক্রি হয়নি, হয়েছে পিস হিসেবে। তিনি আরো বলেন, এবার দুই-আড়াই লাখ টাকা লোকসান গুনতে হবে। এবার হাটে কিছু ট্যানারি দালাল এসেছে। তাদের এ সিন্ডিকেটের হাতেই জিম্মি ঐতিহ্যবাহী বিশাল এ চামড়ার হাট।

অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে, কেশবপুর থেকে আসা কালীদাস নামে এক বিক্রেতা ইমরান হোসেন পাপ্পু নামে এক আড়তদারকে তার ৫২ পিস ছাগলের চামড়া পাঁচ টাকা করে কেনার জন্য তোষামোদ করতে থাকেন। পাপ্পু ৫২ পিস চামড়া নিয়ে পাঁচ টাকা হিসেবে ৪০ পিসের দাম দেয়ার শর্ত দেন। কালীদাস উপায় না পেয়ে তাতেই রাজি হন। সেই হিসেবে কালীদাস এক পিস ছাগলের চামড়া বিক্রি করেন তিন টাকা ৮৫ পয়সায়।

নওয়াপাড়া থেকে ৪৫০ পিস চামড়া নিয়ে আসা অশ্বিনী জানান, তিনি ৫০ থেকে আট শ’ টাকায় গরুর চামড়া বিক্রি করেছেন। তার প্রতি চামড়ায় দুই শ’ থেকে চার শ’ টাকা পর্যন্ত লোকসান হয়েছে। প্রতি বছর লোকসান হওয়ার পরও কেন চামড়ার ব্যবসা করছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি পেশা হিসেবে নিয়েছি। এ কারণে ব্যবসা না করে পারি না।

বৃহত্তর যশোর চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মুকুল বলেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর বলে লোকসান হচ্ছে। এবার দাম ভালো। বাজারে ৩৫ হাজারের মতো চামড়া এসেছে।


আরও খবর



বাংলাদেশকে সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা দিল বিশ্বব্যাংক

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৪৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে ৯০ কোটি ডলার বা প্রায় সাড়ে ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন দিয়েছে। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক বোর্ড এ অনুমোদন দিয়েছে। টেকসই জলবায়ু-সহনশীল প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে রাজস্ব ও আর্থিক খাতের নীতি শক্তিশালী করণ এবং শহরের অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার উন্নতি করতে ঋণের এ অর্থ ব্যয় করা হবে।

শনিবার (২২ জুন) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো বাংলাদেশকে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে এবং জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে। নতুন অর্থায়ন বাংলাদেশকে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহায়তা করবে একটি হচ্ছে আর্থিক খাত ও নগর ব্যবস্থাপনা এবং অন্যটি উচ্চ মধ্যম-আয়ের দেশের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন।

এতে আরও বলা হয়, দুই কিস্তি ঋণের শেষ কিস্তি হিসেবে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সংষ্কারের পাশাপাশি টেকসই উন্নয়নের গতি বাড়াবে। এ ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনসহ ভবিষ্যতে যেকোনো দুযোর্গ মোকাবিলায় সহায়তা করবে

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র ইকোনমিস্ট এবং এই প্রোগ্রামের টাস্ক টিম লিডার বার্নার্ড হ্যাভেন বার্তায় বলেন, বিনিয়োগ বাড়াতে এবং আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে বাদ পড়াদের জন্য অর্থের অ্যাক্সেস উন্নত করতে বাংলাদেশের জন্য একটি ভালো কার্যকরী আর্থিক খাত গুরুত্বপূর্ণ।

সরকার বাহ্যিক ভারসাম্যহীনতা মোকাবিলায় শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংস্কার এবং আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করার জন্য একটি নতুন আইনি কাঠামো গ্রহণ করেছে। যা ব্যাংক পুনরুদ্ধার কাঠামোকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। কম মূলধনী ব্যাংকগুলোকে সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য একটি দ্রুত সংশোধনমূলক কর্মকাঠামো বাস্তবায়ন করতে সহায়তা করবে। এটি অর্থনৈতিক মন্দা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণদের রক্ষা করে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকেও শক্তিশালী করবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর