Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম
মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধানের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ভূয়া সৈনিক পরিচয়ে বিয়ে করে শশুড় বাড়ী শিকলবন্দী জামাই! খাগড়াছড়িতে পুনাক কমপ্লেক্স এর উদ্বোধন করলেন: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল এিপুরা হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র হজ চলাকালীন ১৩০১ জন হজযাত্রীর মৃত্যু: সৌদি আরব সেতু ভেঙ্গে নয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন, মাইক্রোবাস উদ্ধার বর ও কনের বাড়ীতে শোকের মাতম রাশিয়ায় বন্দুকধারীদের ভয়াবহ হামলায় ১৫ পুলিশ সদস্য নিহত

হোমনায় ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যারা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

শাজু, হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ চতুর্থ ধাপের সাধারণ নির্বাচনে হোমনা উপজেলা পরিদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নব নির্বাচিত প্রার্থীদের ফলাফল বেসরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ক্ষেমালিকা চাকমা বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে নয়টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থাপিত তথ্য কেন্দ্র থেকে সরাসরি এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

বেসরকারিভাবে নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেহানা বেগম (আনারস) পেয়েছেন ৪০ হাজার ২৭৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একেএম সিদ্দিকুর রহমান আবুল (মোটর সাইকেল) পেয়েছেন ১৫ হাজার ২৩০ ভোট ও মো. শহীদ উল্লাহ (ঘোড়া) পেয়েছেন ৬৪৯ ভোট। রেহানা বেগম ২৫ হাজার ২৩০ ভোট বেশি পেয়ে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন মো. মকবুল হোসেন পাঠান (তালা) তার প্রাপ্ত ভোট ৩৯ হাজার ৩৯৮ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান (টিয়া পাখি) পেয়েছেন ১৫ হাজার ৯১৬ ভোট ও মো. নাসির উদ্দিন পাঠান (উড়োজাহাজ) পেয়েছেন ৮৮২ ভোট এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন নাজমা আক্তার (ফুটবল), তার প্রাপ্ত ভোট ২১ হাজার ৪৪। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাড. খন্দকার হালিমা বেগম পেয়েছেন ১৮ হাজার ১১৩ ভোট।

উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, হোমনা উপজেলার মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৭৯ হাজার ২৪৩ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ৯৪ হাজার ২৭৪ জন এবং মহিলা ৮৫ হাজার ৬৯ ভোট। নির্বাচনে শতকরা ৩২ শতাংশ ভোট পড়েছে।


আরও খবর



সারাদেশে মে মাসে ধর্ষণের শিকার ৬২ জন

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:মে মাসে সারাদেশে ২৪৩ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৬২ জন। এমন তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

রোববার (২ জুন) সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

দেশের বহুল প্রচারিত ১৩টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকা বিশ্লেষণের মাধ্যমে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদ প্রতি মাসে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাসে নারী ও কন্যাশিশুসহ মোট ২৪৩ জন নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৪০ কন্যাসহ ৬২ জন। তার মধ্যে ১২ কন্যাসহ ২০ জন হয়েছে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার। ২ কন্যাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। ১ জন ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছে এবং ৩ কন্যাসহ ৭ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে ২২ কন্যাসহ ২৩ জন। উত্ত্যক্তকরণের শিকার হয়েছে ৬ কন্যাসহ ৭ জন। এর মধ্যে ১ কন্যা উত্ত্যক্তকরণের কারণে আত্মহত্যাও করেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, এই সময়ে নারী ও কন্যা পাচারের ঘটনা ঘটেছে ২টি। অগ্নিদগ্ধের শিকার হয়েছে ২ জন, এর মধ্যে ১ জনের অগ্নিদগ্ধের কারণে মৃত্যু হয়েছে। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৫ জন, এর মধ্যে ২ জনকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১১ জন, এরমধ্যে ২ জন কন্যা। পারিবারিক সহিংতায় শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৩টি। ১ কন্যা গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিভিন্ন কারণে ৭ কন্যাসহ ৪৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও ৪ জনকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ৩ কন্যাসহ ২২ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ৫ কন্যাসহ ২০ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ১ কন্যা আত্মহত্যার প্ররোচনার শিকার হয়েছে। ৩ কন্যাসহ ৪ জন অপহরণের শিকার এবং ১ কন্যাকে অপহরণের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। ৩ কন্যাসহ ৪ জন সাইবার ক্রাইমের শিকার হয়েছে। বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটেছে ২টি। বাল্যবিবাহের ঘটনা প্রতিরোধ করা হয়েছে ৫টি।

এ ছাড়া ৫ কন্যাসহ ১২ জন নারী বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।


আরও খবর



মধুপুরে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলীর দায়িত্ব গ্রহন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৪৬জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:- টাঙ্গাইলের মধুপুরে গত ৮মে ১ম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়ে শপথ গ্রহনের পর গতকাল  মঙ্গলবার(৪জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহন করলেন নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এডভোকেট ইয়াকুব আলী। এছাড়াও দায়িত্ব গ্রহন করেছেন, ভাইস চেয়ারম্যান সজীব আহমেদ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নিগার সুলতানা রুবি।


এসময় তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.জুবায়ের হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভুমি) জাকির হোসাইন, পৌরসভার মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, মির্জাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাদিকুল ইসলাম সাদিক, মহিষমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহির উদ্দিন সহ আরও অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগন, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


মোহাম্মদ এডভোকেট ইয়াকুব আলী এম এ ডবল, এল এল বি পাশ করেও জনগণের সেবার লক্ষ্যে এলাকায় উন্নয়ন মুলক কাজ করে গেছেন। তিনি শোলাকুড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং আনন্দ মোহন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাথেও যুক্ত ছিলেন। তিনি মাত্র ২৫ বছর বয়সে বৃহত্তর অরণখোলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যা বর্তমানে চারটি ইউনিয়নে বিভক্ত হয়েছে। 


তার সাংগঠনিক যোগ্যতা ও মেধার কারনে পরবর্তী বছরেই মাত্র ২৬ বছর বয়সে মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্যপদ লাভ করেন। এরপর তাকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি পর্যায়ক্রমে তিনি অবিভক্ত মধুপুর-ধনবাড়ি উপজেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত হন।


১৯৯৬ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অত্যান্ত নিষ্ঠার সাথে মধুপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি এবং বর্তমানে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করে আসছেন।


তিনি এম এ ডবল, এল এল বি পাশ করেও সে পেশায় না গিয়ে পাহাড়ি অঞ্চলের অজপাড়াগাঁয়ের ছেলে মেয়েদের উচ্চ শিক্ষাদানের লক্ষ্যে শোলাকুড়ি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেন।


শিক্ষকতার পাশাপাশি শোলাকুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তিন তিনবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।


শোলাকুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্ব গ্রহণের পর তার বড় চ্যালেন্জ ছিলো জনবিচ্ছিন্ন শোলাকুড়ি হতে দোখলা রাস্তা পাকা করে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা।


সেই রাস্তা উন্নয়নে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় বন বিভাগ, কারন বনের রাস্তা পাকা হলে বনের গাছ চুরি রোধ করা যাবেনা। বনের গাছ চুরি হবেনা এমন দায়ভার নিজের উপর নিয়ে অঙ্গিকার নামা দিয়ে তিনি রাস্তা পাকা করণের কাজ শুরু করেন।


আজ অবহেলিত শোলাকুড়ির মানুষ বাসে করে শহরে যাচ্ছে। ছেলে মেয়েরা উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। তিনি ইতিমধ্যে নিজ উদ্যোগে আরও কয়েকটি স্কুল গড়ে তুলেছেন। এরমধ্যে কালিয়াকুড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শোলাকুড়ি ইউনিয়নটি মধুপুর উপজেলার শেষ প্রান্তে থাকায় ছেলে-মেয়েরা এসএসসি পাস করে কলেজে পড়ালেখা করতে চাইলে যেতে হয় ৪০-৪৫ কিলোমিটার দূরে। এছাড়া পাহাড়ি এলাকার সল্প আয়ের মানুষেরা সে ব্যায়ভার বহনও করতে পারেন না। তাদের কথা ভেবে তিনি নিজেই গড়ে তুললেন একটি কলেজ।


এক বিশাল আদিবাসী গোষ্ঠী তার এলাকায় রয়েছে, তাদের সংস্কৃতি রক্ষায়, জীবন-মান উন্নয়নে এবং জাতিগত সংঘাত রোধে তিনি এক অতন্দ্র প্রহরি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, যার ফলশ্রুতিতে দলমত নির্বিশেষে প্রায় ৭৪ হাজার মানুষের ভালোবাসায় আজ তিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে অধিষ্ঠিত হতে পেড়েছেন।

   -খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



উন্নয়নের গতি থামিয়ে রাখার সুযোগ নেই: তাজুল ইসলাম

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বায়ু দূষণ শুধু আমাদের নিজস্ব ভৌগলিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। আমরা যদি আমাদের নিজ ভৌগলিক সীমানা দূষণ মুক্ত করি তবুও আমাদের বায়ু দূষণমুক্ত হবে না। কারণ সারাবিশ্বে যেভাবে যুদ্ধ হচ্ছে, প্রতিনিয়ত দূষণ হচ্ছে সেগুলো বিভিন্ন উপায়ে আমাদের পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে,বলেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। 

তিনি আরও বলেন, আমাদের অনেক ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। প্রারম্ভে আমাদের আর্থিক অবস্থা দুর্বল ছিল। উন্নয়নের মূল স্রোতে নিয়ে আসতে আমাদের শিল্পায়ন করতে হয়েছে, গড়ে তোলা হয়েছে শিল্প কারখানা। উন্নয়নের এই গতি থামিয়ে রাখার সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে গ্রান্ড বলরুমে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে বহু অংশীজনের পরামর্শ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, শিল্পোন্নত দেশগুলো কোনরকম জবাবদিহিতা ছাড়াই অতিমাত্রায় শিল্পায়ন করে পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। পুরো বিশ্বকেই উন্নত দেশগুলো দূষিত করে তাদের উন্নত অবস্থা সৃষ্টি করেছে। এখন তারা উপলব্ধি করছে তাদের শিল্পায়নের ফলে পরিবেশের ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে তা মোকাবিলা করতে হবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে স্বপ্ন আমরা দেখছি তার জন্য আমরা সবাই কাজ করছি। কৃষিক্ষেত্রে নিত্যনতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে, শতভাগ বিদ্যুতায়ন অর্জিত হয়েছে, নিত্যনতুন প্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি হচ্ছে।

উন্নয়নের গতির সাথে পরিবেশ তথা বায়ু দূষণ রোধ জরুরি উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, এজন্য নানা রকম আইন, বিধিমালা আছে। এসব আইনের যথাযথ ব্যবহার ও বাস্তবায়ন খুবই জরুরি। আমাদের মনে রাখতে হবে বায়ু দূষণ রোধ করতে না পারলে আমরা সবাই ভুক্তভোগী হবো। এজন্য সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। ঠিকমতো আইন মেনে চলে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে সবার মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হলে বায়ু দূষণ রোধে আমরা অনেকটাই এগিয়ে যাবো।

পরিশেষে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণে তিনি মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি উপস্থিত সুধীদের প্রতি ব্যক্তিগত পর্যায়ের উদ্যোগ গ্রহণের উদাত্ত আহ্বান জানান এবং কর্মশালার আয়োজক স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং বিশ্বব্যাংককে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের ইম্প্রুভমেন্ট অব আরবান পাবলিক হেলথ্ প্রিভেন্টিভ সার্ভিসেস্ (আইইউপিএইচপিএস) প্রজেক্টের আয়োজনে উক্ত কর্মশালায় সভাপতিত্বে করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইবরাহিম।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. রেজাউল করিম, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী, গাজীপুর সিটি করপোরেশন মেয়র জায়েদা খাতুন।


আরও খবর



যশোরের শার্শায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ১০

প্রকাশিত:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৫৩জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের শার্শার বাগআঁচড়ার বেলতলায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে শিশু সহ ১০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সুত্র জানান। বৃহস্পতিবার (২০ জুন) বিকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, খুলনার ৬ জন, ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের ১ জন, দেউলি গ্রামের ২ জন, ও শার্শা উপজেলার বাগুড়ী গ্রামের ১ জন, মোট ১০ জন।

স্থানীয়রা জানায়, সাতক্ষীরা থেকে ছেড়ে আসা সাতক্ষীরা জ-০৪-০০-৭৪ নাং একটি যাত্রীবাহী বাস মিস্ত্রির মোড় নামক স্থানে আসলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায়। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বাগআঁচড়ায় একটি বেসরকারি ক্লিনিক জনসভায় ভর্তি করেন। এসময় ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কজনক হওয়ায় সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই ৩ জনকে যশোরে রেফার্ড করেন।

কলারোয়া থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে, এবং দুর্ঘটনার কবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



নবীনগর ব্রাহ্মণহাতা গ্রামে মৌখিক অভিযোগের তদন্তে এসে পুলিশের হয়রানি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২৬৭জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ  নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধিঃ-

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়ন নারুই (ব্রাহ্মণহাতা) গ্রামে মৌখিক অভিযোগের তদন্ত করতে মো. সাব্বির ও সজিব মিয়ার বাড়িতে এসে অকথ্য ভাষায় গালাগালিসহ অর্থ লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে নবীনগর থানার ওসি তদন্ত সজল কান্তি দাসসহ পাঁচ পুলিশের বিরুদ্ধে।সরেজমিনে গিয়ে জানাযায়, নারুই ব্রাহ্মণহাতা গ্রামের মো. অলি মুন্সী মিথ্যা মৌখিক অভিযোগ করেন শিল্পপতি রিপন মুন্সীসহ সাব্বির ও সজিব এর বিরুদ্ধে।


মঙ্গলবার সকালে সেই মৌখিক অভিযোগের তদন্ত করতে আসেন নবীনগর থানার ওসি তদন্ত সজল কান্তি দাসসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য। ঐই সময় সাব্বির মিয়ার বাড়িতে গিয়ে বাড়ির গেইট ভেঙ্গে প্রবেশ করে সাব্বির কে বাড়িতে না পেয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালিসহ ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে অর্থ লুটপাট করেন এবং সজিব মিয়ার বাড়িতে গিয়েও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন।সাব্বির মিয়ার ভাই মো. শাহিন মিয়া বলেন, আমি সকালে ঘুমিয়ে ছিলাম। এমন সময় ৬ জন পুলিশ বাড়ির গেইট ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে আমার ভাইকে খোঁজাখুঁজি করেন৷


তাকে না পেয়ে আমার ভাইকে নিয়ে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেন এবং ঘরে থাকা ৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়।সজিবের আম্মা বলেন, সকালে নাস্তা করার সময় ২ জন পুলিশ ঘরে প্রবেশ করে আমার ছেলে সজিব কে খুঁজেন। তাকে না পেয়ে আমার ছেলেকে নিয়ে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেন। আমার পরিবার পুলিশের এ কথা বলার পরও তারা আমাকে ও আমার মৃত স্বামীকে নিয়ে অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেন। আমরা কোন অপরাধ না করার পরও পুলিশ বাড়িতে এসে কেন হয়রানি করলো এর সঠিক বিচার চাই।


দোকানদারের ছেলে বাইজিদ বলেন, আমার বাবা দোকানে ছিল না, ঐ সময় ৬ জন পুলিশ আমাদের দোকানে ঢুকে ৬ প্যাকেট বেন্সন সিগারেট ও ৬ টি স্পিড কেন নিলে আমি টাকা চাওয়াতে তারা আমার বাবাকে হাত পা ভাঙ্গার হুমকি প্রধান করেন।গ্রাম পুলিশ একরামুল বলেন, সকালে নবীনগর থানা থেকে ৬ জন পুলিশ এসে আমাকে ফোন করলে আমি সাব্বির মিয়ার বাড়ির সামনে আসি। আমাকে নিয়ে সাব্বির ও সজিব মিয়ার বাড়িতে যায়। তাদের কে না পেয়ে পুলিশ সদস্যরা অশ্লিল ভাষায় গালাগালি করেছে, কেন করেছে তা আমি জানি না।


সাব্বির ও সজিব বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়ছে তা মিথ্যে বানুয়াট। আমরা কেন তাদের কোরবানি দিতে বাধা দিব। এই মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আমাদের বাড়িতে এসে সকলকে গালাগালিসহ ও লুটপাট করেছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।অভিযোগকারী অলি মুন্সী বলেন, আমার ভাগ্নে মোরশেদ আমার সাথে কোরবানি দিতে চাইলে তাকে বাঁধা প্রদান করেন সজিব ও সাব্বির।


তাই আমি থানায় মৌখিক অভিযোগ করেছি, তবে লিখিত কোন অভিযোগ করি নাই। তবে মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে কোরবানি দিয়েছি।নবীনগর থানার ওসি তদন্ত সজল কান্তি দাস বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ গুলো আনা হয়ছে সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা বানুয়াট। যারা এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করেছে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর