Logo
আজঃ বুধবার ১৯ জুন ২০২৪
শিরোনাম

হোমনায় হাফেজ শিক্ষার্থীকে ইস্ত্রির ছ্যাঁকা, শিক্ষক গ্রেফতার

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১৯৩জন দেখেছেন

Image

হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:কুমিল্লার হোমনায় মাদ্রাসার মুহতামিমের বিরুদ্ধে গরম ইস্ত্রির ছ্যাঁকা দিয়ে হেফজ বিভাগের এক শিক্ষার্থীর দুই নিতম্ব এবং পায়ের তলা পুড়িয়ে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্যাতনে সহযোগিতার অপরাধে মাদ্রাসার এক শিক্ষককে গ্রেফতার করছে পুলিশ। মুহতামিম হাফেজ মো. সাইফুল ইসলাম হাবিব, গ্রেফতার শিক্ষক মো. আতিকুল ইসলামসহ আরও তিন শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় ২৭ পারা হেফজ করা আবদুল কাইয়ুমকে গরম ইস্ত্রি দিয়ে দীর্ঘক্ষণ ধরে ছ্যাঁকা দিয়ে শাস্তি দেয়। এতে তার দুই নিতম্ব এবং পায়ের তলা ঝলসে যায়। গত ১৬ সেপ্টেম্বর শনিবার রাত সাড়ে এগারোটার দিকে উপজেলার নয়াকান্দি মমতাজিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ রোমহর্ষক ঘটনা ঘটে। হেফজ বিভাগের নির্যাতিত শিশু আব্দুল কাইয়ুমের (১৮) মা সোমবার বিকেলে ছেলের জন্য খাবার নিয়ে মাদ্রাসায় গেলে ঘটনা প্রকাশ পায়। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্ষেমালিকা চাকমা, হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন ওই মাদ্রাসা পরিদর্শন করে ছাত্র- শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। এ ঘটনায় সোমবার রাতে মা হাফেজা বেগম মূল অভিযুক্ত মাদ্রাসার মুহতামিম হাফেজ মো. সাইফুল ইসলাম হাবিব, সহযোগী শিক্ষক আতিকুল ইসলামসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে হোমনা থানায় মামলা করেন। মূল অভিযুক্ত মুহতামিম ও আসামী তিন শিক্ষাথী পালিয়ে গেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুছ ছালাম সিকদার বলেন, দেখে মনে হয়েছে, দশ-বারো দিন আগেই পুড়েছে। পোড়া দুই নিতম্বেই গভীর ঘাঁ হয়ে যাওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য গতকাল মঙ্গলবার তাকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে। সূত্রে জানা যায়, ওই মাদ্রাসাটি ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠালাভ করে। কোনো নিবন্ধন ছাড়াই ১৩ বছর ধরে এ মাদ্রাসায় রিভিশন বিভাগ, হেফজ বিভাগ, নাজেরা বিভাগ ও নূরানী বিভাগসহ চারটি বিভাগে ছাত্রদের শিক্ষাদান চলছে। হেফজ বিভাগের ছাত্র আব্দুল কাইয়ুম উপজেলার চান্দেরচর গ্রামের বাহরাইন প্রবাসী আ. কাদির ও হাফেজা বেগমের সন্তান। এ ঘটনায় মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির এক বিশেষ সভায় গতকাল মঙ্গলবার মুহতামিমকে চাকুরী থেকে বরখাস্ত করেছে।

স্থানীয় এবং শিশুটির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সহপাঠীদের সঙ্গে দুষ্টুমি করার সময় পরনের লুঙ্গি খুলে যায় আবদুল কাইয়ুরেম। এ কথাটিই তারা মুহতামিমকে জানালে তিনি রাতের বেলা গ্রেফতার শিক্ষক আতিকুল ইসলামসহ আরও তিন শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় শিশু আবদুল কাইয়ুমকে গরম ইস্ত্রির ছ্যাঁকা দিয়ে পাশবিক নির্যাতন করেন। গত দশ দিন শিশু আবদুল কাইয়ুমকে একটি বদ্ধ রুমে একাকী আটকে রেখে মুহতামিম সাইফুল ইসলাম চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে রাখার কারণে কেউ এতদিন মুখ খুলেনি। এখনও ভয়ে কেউ কিছু বলছে না। গভীর পোড়া ক্ষতের কারণে ঠিকমতো সে চলাফেরাও করতে পারছিল না। সোমবার বিকেলে কাইয়ুমের মা হাফেজা বেগম ছেলের জন্য খাবার নিয়ে মাদ্রাসায় গেলে প্রথমে তাকে সাক্ষাত করতে দেয়নি। পরে অনেক চেষ্টার পরে তাকে দেখতে দেওয়া হয়। অভিযুক্ত মুহতামিম হাফেজ মো. সাইফুল ইসলাম (২৮) উপজেলার নয়াকন্দি গ্রামের রেনু মিয়ার ছেলে এবং গ্রেফতার শিক্ষক আতিকুল ইসলাম (২৮) মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার শ্রীকাইল গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে। নির্যাতিত শিশু আবদুল কাইয়ুম জানান, ওই দিন সে তার অন্য সহপাঠীদের সঙ্গে খেলাচ্ছলে দুষ্টুমি করছিলেন। এক ফাঁকে তার পরনের লুঙ্গি খুলে যায়। এ ঘটনাটিই তারা তাদের মুহতামিমকে জানায়। এর শাস্তি হিসেবে ওই (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে মুতামিম অফিসে নিয়ে শিক্ষক আতিকুল এবং তিন শিক্ষার্থীর সহযোগিতায় তার নিতম্ব এবং পায়ের তলায় গরম ইস্ত্রি লাগিয়ে ছ্যাঁকা দিয়ে ঝলসে দেয়। অসহ্য যন্ত্রণায় চিৎকার করলেও সবাই ঘুমিয়ে থাকায় কেউ শুনতে পায়নি। পরে তার এমন শাস্তির বিষয়টি কাউকে জানালে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। মা হাফেজা বেগম বলেন, সোমবার সকালে আমার ছেলের জন্য খাবার নিয়া মাদ্রাসায় গেলে সে আমাকে দেখে কাঁদতে থাকে এবং বাড়িতে যাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে যায়। ছেলের মানসিক অবস্থা বুঝে তাক বাড়ি নিয়া যাই। বাড়িতে গিয়ে আমাকে সে তাহার জখমের জায়গা দেখিয়ে পুরো ঘটনা বলে। ছেলে ইস্ত্রির ছ্যাঁকায় গুরুতর জখম হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিক হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি। তারা আমার ছেলের প্রতি নিষ্ঠুর ও অমানবিক আচরণ করেছে। বিষয়টি আমার প্রবাসী স্বামী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে হোমনা থানায় অভিযোগ করি। ইউএনও ক্ষেমালিকা চাকমা বলেন, সোমবার বিকেলেই খবর পাই যে, নয়াকান্দি মমতাজিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার ‘বড় হুজুর’ এক শিক্ষার্থীর পেছনে (নিতম্বে) ইস্ত্রি গরম করে ছ্যাঁকা দিয়ে ঝলসে দিয়েছে। সন্ধ্যায় সেখানে গিয়ে খোঁজখবর নিয়েছি। শিশুটিকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। ইস্ত্রি এবং মাদ্রাসার সিসি টিভির হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে আসা হয়েছে। এগুলো থানায় জমা আছে। পাশাপাশি এলাকাবাসীকে বলেছি, এ ঘটনায় তারা আতঙ্কিত কিনা। তাদের কাছে জেনে মাদ্রাসা কমিটিকেও বলেছি বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে। প্রয়োজনে বরখাস্ত করা যেতে পারে। রাতে থানায় মামলা হয়েছে। আমরা নজর রাখছি।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, শিশু আবদুল কাইয়ুমকে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক গরম ইস্ত্রির ছ্যাঁকা দিয়ে পোড়ার ঘটনায় মুহতামিম হাফেজ সাইফুল ইসলাম, শিক্ষক আতিকুল ইসলামহ আরও তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে রাতে মা হাফেজা বেগম বাদি হয়ে মামলা করেছেন। আতিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়লেও তবুও দামে উর্ধ্বগতি

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ১৩৪জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বেড়েছে কাঁচা মরিচ আমদানি।এখন প্রতিদিনই বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি হচ্ছে। তবে বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়ালেও কমছে না দেশীয় কাঁচা মরিচের দাম।আমদানিকারকরা বলছেন,দাম বাড়ার কোন প্রশ্নই আসে না,ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কাঁচা মরিচের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। 

এদিকে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন,প্রচন্ড গরম ও কৃষকেরা বোরো ধান কাটা মাড়াই নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ক্ষেত থেকে কাঁচা  মরিচ তুলছেন না,তাই বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ কমছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় মোকামগুলোতেই দাম বেশি। 

আজ বুধবার বেলা ১১ টায় হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়,দুই দিন আগে মানভেদে কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ বুধবার সেই কাঁচা মরিচ কেজিতে ৬০ টাকা বেড়ে এখন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর বন্দরে আমদানিকৃত কাঁচা মরিচ মানভেদে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

তবে বাজারে কাঁচা মরিচের দাম স্বাভাবিক রাখতে গত মাসের (২৩ মে) ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু করেন আমদানিকারকরা। পেঁয়াজের মত কাঁচা মচিরে দামও ওঠা নামা করছে। প্রতিকেজিতে শুল্ক দিতে হবে ৩৫ টাকা আর প্রতি মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে ২০০ মার্কিন ডলারে।

হিলি বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে আসা ব্যাটারি চালিত অটো চালক ফিজু বলেন,আমি দুই দিন আগে ৯০ টাকা কেজি দরে কাঁচা মরিচ কিনেছি।আজ সেই কাঁচা মরিচ কিনলাম ১৫০ টাকা কেজি দরে। এভাবে প্রতিটি জিনিস দাম বাড়লেও আমাদের অটো ভাড়া বাড়ে না। 

হিলি বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রেতা শেখ বিল্পব বলেন,প্রচন্ড গরম ও ধান কাটা মাড়ায় নিয়ে কৃষকেরা ব্যস্ত।তাই কৃষকেরা ক্ষেত থেকে কাঁচা মরিচ তুলতে না পারায় বাজারে সরবরাহ কমে যাচ্ছে। একারণে দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি বৃদ্ধি পেলেও কমছে না দাম। আজ বুধবার সকালে আমি পাঁচবিবি হাট থেকে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে কিনে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। কাঁচা পণ্য প্রতি মনে ১ থেকে ২ কেজি কাঁচা মরিচ নষ্ট হয়ে যায়। এতে আমাদেরও লোকশানগুনতে হয়। পরিবহন খরচ বাদ দিয়ে ৩ থেকে ৪ টাকা লাভ রেখে আমরা বিক্রি করে থাকি। আমরা কম দামে কিনতে পারলে কম দামেই বিক্রি করে থাকি। 

হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক শাহীনুর রেজা শাহিন বলেন,বন্দর দিয়ে প্রচুর পরিমান কাঁচা মরিচ আমদানি হচ্ছে। আশেপাশের উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাচ্ছে আমদানিকৃত কাঁচা মরিচ। তবে কাঁচা মরিচের দাম বাড়ার কোন প্রশ্নই আসেনা। বিভিন্ন হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে কাঁচা মরিচের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। বন্দর দিয়ে আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। কাঁচা মরিচের দাম কমে আসবে।   

পানামা হিলি পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক প্রতাব জানান,অনুমতি পাওয়ার পর গত ২৩ মে থেকে বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু হয়। এখন প্রতিদিনই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ একটি পচন শিল পণ্য তাই কাস্টমসের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত ছাড়করণ করা হচ্ছে এসব কাঁচা মরিচ। এতে বন্দর থেকে সরকারের রাজস্ব আয় যেমন বেড়েছে, তেমনি বন্দর কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের দৈনন্দিন আয়ও বেড়েছে। 

হিলি কাষ্টমস সূত্রে জানা গেছে, গত মাসের ২৩ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত ভারতীয় ৬১ টি ট্রাকে ৫২৮ মেট্রিক টন ৮৭৬ কেজি কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪




আ.লীগ গাছ লাগায়, বিএনপি-জামায়াত তা ধ্বংস করে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ৯৩জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আওয়ামী লীগ গাছ লাগায় কিন্তু বিএনপি-জামায়াত তা ধ্বংস করে,বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (৫ জুন) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র বৃক্ষমেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ রক্ষায় আওয়ামী লীগ সারাদেশে গাছ লাগায় আর বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামে হাজার হাজার বৃক্ষ ধ্বংস করে। এ সময় একটি গাছ কাটলে তিনটি গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, এ দেশের মানুষকে রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য। জলবায়ু পরিবর্তনের যে বিরূপ প্রভাব, তা থেকে দেশকে আমরা মুক্ত করতে চাই। সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। যে পদক্ষেপগুলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু নিয়েছিলেন।

সরকারপ্রধান বলেন, যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকার সবার আগে পরিবেশের বিষয়টি গুরুত্ব দেয়। এসময় ফলজ ও বনজ বৃক্ষ রোপণের পাশাপাশি ছাদ বাগানের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।


আরও খবর



পটুয়াখালীতে মটর সাইকেল থেকে পড়ে তরুনীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২২ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃপটুয়াখালী কুয়াকাটা মহা সড়কের শাখারিয়ায় নামক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় সেফা মনি (২০) নামের এক কলেজ ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী জানান, পটুয়াখালী থেকে যাওয়ার পথে শাখারিয়ায় মটর সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে আহত হয়। পরে এলাকাবাসী উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টায় তার মৃত্যু ঘটে। 

নিহত সেফা মনি পটুয়াখালী গাজী মনিবুর রহমান নাসিং ইউনিষ্টিটের ২য় বর্ষের ছাত্রী। সে শহরের ছোট চৌরাস্তায় ভাড়াবাসায় সহপাঠির সাথে থাকত। তার বাড়ী পটুয়াখালীর মৌকরন গ্রামে।


আরও খবর



হিলিতে আবু বক্কর সিদ্দিক টুকু স্মৃতি ফুটবল টুনার্মেন্টের উদ্বোধন

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

মাসুদুল হক রুবেল হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:“ক্রীড়াই শক্তি ক্রীড়াই বল,মাদক ছেড়ে খেলতে চল” এই প্রতিবাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের হিলিতে আবু বক্কর সিদ্দিক (টুকু) স্মৃতি ফুটবল টুনার্মেন্ট এর উদ্বোধন করা হয়েছে। 

শুক্রবার সকাল ১০ টায় পৌর শহরের মধ্যবাসুদেবপুর মাঠপাড়া যুব সমাজ ক্লাব ও পাঠাগারে আয়োজনে মাঠপাড়া মসজিদ এর সামনের মাঠে আবু বক্কর সিদ্দিক (টুকু) স্মৃতি ফুটবল টুনার্মেন্ট এর উদ্বোধন করেন হাকিমপুর পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত।

মধ্যবাসুদেবপুর মাঠপাড়া যুব সমাজ ক্লাব ও পাঠাগারে সভাপতি মহব্বত আলীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হারুন উর রশীদ হারুন। এসময় সেখানে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহীনুর রেজা শাহিন,পৌর কাউন্সিলর ইমরান হোসেন দুলালসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। 

খেলায় ৮ টি দল অংশ গ্রহন করবেন। উদ্বোধনী খেলায় অংশ গ্রহন করেন খাট্টাউচনা শাকিল একাদশ বনাম মাঠপাড়া বন্ধন একাদশ ক্লাব। ট্রাইব্রেকারে খাট্টাউচনা শাকিল একাদশ জয়লাভ করেন।


আরও খবর



চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে বসত ঘরে কুপিয়ে দাদী নতিকে হত্যা করেছে দুর্বত্তরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জুন ২০২৪ | ৯৯জন দেখেছেন

Image

চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম,  চাঁদপুর থেকে:রাহেলার প্রচন্ড ঝড়বৃষ্টির মধ্যে গভীর রাতে দুর্বত্তরা বসত ঘরে ডুকে  দাদি, নাতি ও নাতিনকে কুপিয়েছে।

পরে লোকজন খবর পেযে ওই ঘরে উপস্থিত হয়ে দাদি হামিদুনেছা  (৭০) মৃত ও নাতি আরাফাত (১২) ও নাতনি  হালিমা (১৫) গুরুতর আহত অবস্থায় দেখতে পায়। তবে ঘটনাস্থলে প্রান হারান দাদী।

এ ঘটনায়  মঙ্গলবার  সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে পিবিআই তদন্ত টিম ঘটনাস্থলে পোঁছেছে। এর পরেই হামিদুনেচার লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হবে।

এসময় আহতদের উদ্ধার করে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে নাতি আরাফাত হোসেনকে (১২) মৃত ঘোষণা করেন এবং নাতিন হালিমাকে (১৫) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে রেপার করেন। হালিমার শারিরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

২৭ মে  দিবাগত রাতে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার বাকিলা ইউনিয়ন পশ্চিম রাধাসার বকাউল বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে।

হত্যার শিকার হামিদুনেছা ঐ বাড়ির সিরাজ বকাউলের স্ত্রী  নিহত আরাফাত ও আহত হালিমা ওই বাড়ির প্রবাসী ইউসুফের সন্তান। আরাফাত শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং হালিমা একই বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং নিহত হামিদা বেগম হলেন ইউসুফের মা।

পাশের খাঁন বাড়ির ইউসুফ জানান, রাত সাড়ে ১২টার দিকে নিহত আরাফাতের মা শাহিন আমাকে ফোন করে তাদের বাড়ীতে ডাকাত ডুকছে, অনেককে কুপিয়েছে বলে ফোন করে। পরে স্থানীয় মসজিদের মাইকে বকাউল বাড়ীর ডাকাত ডুকেছে বলে প্রচার করা হয়। পরে আমিসহ কয়েকজন ওই বাড়ীতে যাই।

তিনি  আরো বলেন ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি প্রবাসি ইউসুফের মায়ের মৃতদেহ খাটের উপর পড়ে আছে। তার ছেলে আরাফাত ও মেয়ে হালিমা নিচে আহত অবস্থায় নিচে পড়ে আছে।

পরে মসজিদের ইমাম ও অন্যদের সহযোগিতায় আহতদের কাঁধে করে রাস্তায় এনে পাশের বাড়ী থেকে অটো নিয়ে হাসপাতালে আসি।

তিনি জানান, হাসপাতালে আসার পথেই আরাফাত মারা যায়। পরে হাসপাতাল এলে ডাক্তার আরাফাতকে মৃত ঘোষণা করেন এবং হালিমাকে কুমিল্লায় রেফার করা হয়। শুনেছি সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে। তার পিঠে ও বুকে কোপ দেয়া হয়েছে।

আহতদের বহনকারী অটো চালক জহির জানান, রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল। তখন রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার পরে হবে। আমার বাড়ীতে আহত আরাফাত ও তার বোন হালিমাকে নিয়ে আসে স্থানীয়রা। পরে আমার ব্যাটারী চালিত অটোরিকশায় করে তাদেরকে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি।

একই বাড়ীর সাহাবুদ্দিন জানান, ডাকাতির ঘটনায় ফোন পেয়ে আমরা ওই বাড়ীতে যাই। আমার বড় ভাইয়ের স্ত্রী ফাতেমা জানান, ঘরের তালা ভেঙ্গে তার ঘরেও ডাকাত দল প্রবেশ করেছে। সে অন্য রুমের দরজা আটকিয়ে বিভিন্ন জনকে ফোন করে বাড়ীতে ডাকাতির খবর জানাচ্ছিল। ডাকাত দল কালো বোরকা পড়া ছিলো।

স্থানীয়রা জানান, বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও ৩টি বিল্ডিং রেখে কেন ডাকাত দল টিনের ঘরে ডুকলো ? ডাকাত দল ডাকাতির উদ্দেশ্য ওই ঘরে প্রবেশ করলে, ঘর থেকে কোন স্বর্ণালংকার খোয়া যায়নি। এমনকি নিহত বৃদ্ধ মহিলা হামিদা বেগমের গলায়ও স্বর্ণের চেইন ও কানে স্বর্ণের দুল আছে। হামিদুনেছাকে জবাই করা হয়েছে আর আরাফাতকে গলায় কাটা দাগ রযেছে।

খবর পেয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আবদুর রশিদসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে প্রচণ্ড ঝড় বৃষ্টিতে ডাকাতির খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।


আরও খবর

ভোলায় "রাসেল ভাইপার" আতঙ্ক

বুধবার ১৯ জুন ২০২৪