Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

হেলমেটধারীদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে ডিবি

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ April ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২০২জন দেখেছেন
Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষকালে হেলমেট পরে সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়া সবাই সন্ত্রাসী। তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। এসব হেলমেটধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক টিম অভিযান চালাচ্ছে।


বুধবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ) পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মাহবুব আলম।


সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিউমার্কেটের সংঘর্ষের ঘটনায় দুজন তরুণ নিহত হয়। এ ঘটনায় পৃথখ দুটি মামলা গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তাধীন। একটি নাহিদ হত্যায় এবং অপর মামলাটি হয়েছে মোরসালিন হত্যার ঘটনায়।


গোয়েন্দা পুলিশের এ কর্মকর্তা আরও জানান, নাহিদ হত্যাকাণ্ডের যে ফুটেজ রয়েছে সেই ফুটেজের চুলচেরা বিশ্লেষণ করে জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। চিহ্নিতকরণের কাজটি অনেক দূর এগিয়েছে।


তিনি বলেন, ঢাকা কলেজের হোস্টেল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই বাড়ি চলে গেছে অথবা আত্মগোপনে আছে। তবে ডিবির একাধিক টিম তাদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে। শিগগির এ বিষয়ে ভালো ফল জানানো হবে।



ডেলিভারিম্যান নাহিদের নিহতের ঘটনায় বাবা মো. নাদিম হোসেন বাদী হয়ে নিউমার্কেট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মুরসালিনের ভাই বাদী হয়ে আরো একটি হত্যা মামলা করেছেন।


এদিকে এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে। একটি মামলা বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে এবং অন্যটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে। দুই মামলাতে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী-কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ মোট ১২০০ জনকে আসামি করা হয়।


আরও খবর



লা মেরিডিয়ানে আইএসডি’র আর্ট প্রদর্শনী

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
Image

লা মেরিডিয়ান ঢাকায় ‘হিরোজ অব আওয়ার টাইম’ শিরোনামে ট্র্যাভেলিং আর্ট প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেছে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি)। করোনার বৈশ্বিক মহামারির কঠিন সময়ে মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে সম্মুখসারির কর্মীরা সহমর্মিতা ও সাহসিকতার যে উদাহরণ স্থাপন করেছেন, আইএসডি ও লা মেরিডিয়ানে অংশীদারিত্বে আয়োজিত এই প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে তা তুলে ধরা হয়েছে।

মূলত বৈশ্বিক সঙ্কটের মধ্যেও যারা সকল কার্যক্রম সচল থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, তাদের সম্মানেই আইএসডি এই ট্র্যাভেলিং আর্ট প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।

আইএসডির পরিচালক টমাস ভ্যান ডের উইলেন বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারি আমাদের জীবনে আমূল পরিবর্তন এনেছে। স্বাস্থ্যসেবা ও হসপিটালিটি শিল্পের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এ সঙ্কটপূর্ণ সময়ে মানুষের সেবায় কাজ করে গিয়েছেন, যেন অন্যান্যরা ঘরের ভিতরে নিরাপদে থাকতে পারে।

বর্তমান সময়ের এই সাহসী যোদ্ধাদের সম্মানে এই ট্রাভেলিং আর্ট প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়েছে। আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সাহস ও সহমর্মিতা জাগাতে এমন চিন্তা উদ্দীপক শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন।’

লা মেরিডিয়ান ঢাকা’র জেনারেল ম্যানেজার কনস্টান্টিনোস এস. গ্যাভ্রিয়েল বলেন, ‘আমরা আমাদের হোটেল প্রাঙ্গণে আইএসডি’র চমৎকার শিল্পকর্মগুলো প্রদর্শন করতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। করোনার কঠিন সময়ে সকল সম্মুখসারির যোদ্ধাদের নিরলস প্রচেষ্টা শিল্পকর্মগুলোর মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। এ প্রদর্শনী উপভোগের মধ্য দিয়ে মানুষ বিষয়টি অনুধাবন করতে পারবেন এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

আইএসডি’র তৃতীয় থেকে দশম গ্রেডের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা সম্মিলিতভাবে অনুপ্রেরণাদায়ক এসব শিল্পকর্ম তৈরি করেন। প্রতিটি শিল্পকর্মে সহানুভূতি, মানবিকতা এবং সাহসিকতার মতো বিষয়গুলো ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

আরও বেশি মানুষ যাতে এসব শিল্পকর্ম উপভোগ করতে পারেন, তাই অতি শিগগিরই আইএসডি বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের প্রদর্শনীর আয়োজন করবে।

আগামী ১১ জুন পর্যন্ত হোটেলের লবি ও সুইমিং এরিয়ায় (স্কাই লাউঞ্জ) চলবে এই প্রদর্শনী।


আরও খবর



পদ্মা সেতু অপমানের প্রতিশোধের প্রতীক: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিত:Sunday ১২ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতু এখন আর কোনো স্বপ্ন নয়, এটি দৃশ্যমান বাস্তব। এই সেতু শেখ হাসিনার স্বপ্নের সেতু। এই সেতু আমাদের সামর্থ্য-সক্ষমতার সেতু। এই সেতু একদিকে সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক, অন্যদিকে আমাদের যে অপমান করা হয়েছিল, সেই অপমানের প্রতিশোধের প্রতীক।

রোববার (১২ জুন) বিকেলে মুন্সিগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মা সেতুর সার্ভিস এরিয়া পরিদর্শনে এসে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘কানাডার আদালত রায় দিলো পদ্মা সেতুতে কোনো দুর্নীতি হয়নি। নির্দোষ বলে কানাডার আদালত রায় দিলো। বিশ্বব্যাংক ২০১২ সালে পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে সরে যায়। প্রধানমন্ত্রী সেতু ঘোষণার পর এই সেতু করতে কত যে ঝুঁকি আমাদের নিতে হয়েছে...সবচেয়ে বেশি ত্যাগ শিকার করেছে উভয় পাড়ের জনগণ। তাদের প্রতি ধন্যবাদ-কৃতজ্ঞতা জানাই। যতই সমালোচনা হয়েছে আমাদের মনোবল আরও দৃঢ় হয়েছে।’

এ সময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতুর অনুষ্ঠানে সবাইকে ইনভাইট করবো। বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট, প্রফেসর ইউনূস থেকে শুরু করে খালেদা জিয়া সবাইকে ইনভাইট করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, সক্রিয় ও ম্যানুয়ালি দুই প্রক্রিয়ায় টোল আদায় করা হবে। এছাড়া সেতুর স্থায়িত্বকাল ১০০ বছর বলেও জানান তিনি।

সেতু চালু হলে রাজধানীতে যানবাহনের চাপ পড়বে। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে সংশয় ছিল। সেটা যখন আমরা করতে পেরেছি এসব চাপও সহ্য করতে পারবো। ২৬ তারিখ (২৬ জুন) ভোর ৬টা থেকে গাড়ি চলাচল করবে।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, সেতু বিভাগের সচিব মো. মঞ্জুর হোসেন, পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু ও বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র এবং আজকের প্রযুক্তি

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

১৪ জুন বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র উদ্বোধনের ৪৭ বছরপূর্ণ হলো। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতিতে বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়– এই তিন দেশপ্রেমিকের অবদান সবচেয়ে বেশি। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালে বেতবুনিয়ায় যে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেছিলেন তারই পথপরিক্রমায় শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করে বাংলাদেশের যোগাযোগ মাধ্যমকে বিশ্ববাসীর কাছে পরিচিত করিয়ে দিয়েছেন। সজীব ওয়াজেদ জয় এদেশকে ডিজিটাল সংস্কৃতিতে উত্তীর্ণ করার সব প্রক্রিয়া দেখিয়ে ও পরামর্শ দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিপ্লব সাধন করেছেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ২০১৮ সালে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে। এর মাধ্যমে মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ থাকা দেশগুলোর তালিকায় যোগ হয় বাংলাদেশের নাম। এর আগে বিশ্বের ৫৬টি দেশ মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে। তবে বাংলাদেশকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন স্বয়ং বঙ্গবন্ধু।

১৯৭৫ সালের ১৪ জুন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজ হাতে উদ্বোধন করেছিলেন বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি। গ্রীষ্মের গরমে কিন্তু প্রকৃতির সুশীতল স্নিগ্ধ ছায়াময় বাগানে বসেই বঙ্গবন্ধু চা-পান করেছিলেন। অদূরে শুয়ে থাকা একটি কুকুরকে দেখে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘তুইও আমার মতো ভুখা? হাতের বিস্কুট ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘নে খা’। সেসময় চারপাশে ছিল ছোট ছোট পাহাড়। জনমানবহীন পাহাড়গুলো ছিল সবুজের গালিচা।

১৯৭৫ সালের ১৪ জুন বেলা ১১টায় বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্রের প্রথম গেটে একটি হাতি বঙ্গবন্ধুকে অভ্যর্থনা জানায় এবং তাকে ফুলের মালা পরিয়ে দেয়। তিনি খুব খুশি হয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত এই ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি আজ আবার গুরুত্ব পেয়ে দেশ-বিদেশে পরিচিতি পাচ্ছে। বেতবুনিয়া কেন্দ্র শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযুক্ত। দেশে সাবমেরিন ক্যাবল যুক্ত হওয়ায় এর ব্যবহার আপাতত সীমিত হয়ে পড়েছে। তবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পর এ কেন্দ্রের কার্যকারিতা আরও বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মিত্র শক্তি ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী জাতির পিতাকে ভারতের ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ব্যবহারের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তির কাজ সম্পাদনের কথা বললেও সেই সময় বঙ্গবন্ধু এই আহ্বান বিনয়ের সাথে প্রত্যাখ্যান করে নিজ দেশে স্বাধীনভাবে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের সুদূরপ্রসারী চিন্তা ভাবনার মাধ্যমেই স্বাধীন দেশে এই ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি চালু করেন।

প্রায় ১২৮ একরের জায়গার ওপর স্থাপিত কেন্দ্রটি, ঊর্ধ্বাকাশে স্থাপিত কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষার ব্যবস্থা সচল হয়েছিল। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে ১১টি দেশের সঙ্গে টেলিফোন ডাটা কমিউনিকেশন, ফ্যাক্স, টেলেক্স ইত্যাদি আদান-প্রদান শুরু করা হয়। প্রায় ৩৫ হাজার ৯০০ কিলোমিটার ঊর্ধ্বাকাশে অবস্থিত কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে শক্তিশালী অ্যান্টেনা দিয়ে বার্তা/তথ্য আদান-প্রদানের কাজ সম্পাদিত হয়েছে ২০১৮ সালের আগ অবধি। তবে দীর্ঘ সময়ে এর উন্নয়নের আর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হ নি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারের নৃশংসভাবে হত্যার পর ক্ষমতায় আসীন পরবর্তী স্বৈরাচারী সরকার এবং ১৯৯০-এর পরে দু’দফায় দেশ পরিচালনায় এসে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিবিজড়িত এই ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটিকে কার্যত অচল করে দেয়। ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশের নিজস্ব ভূ-উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু কৃত্রিম উপগ্রহ ঊর্ধ্বাকাশে স্থাপনের পর, বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রকে দ্বিতীয় স্টেশন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের আমলেই ভূ-উপগ্রহটি নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া ইউনিয়নে স্থাপিত বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এজন্য বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি দ্বারা ঢেলে সাজানো হয়। কয়েকশ গজ ব্যবধানে দুটি ফটক পার করে যেতে হয় মূল কেন্দ্রে। পুরোটাই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। অর্ধ শতাব্দী ধরে মূল ভবনের জৌলুস যেন অমলিন রয়েছে। পাশেই বঙ্গবন্ধুর উদ্বোধনী মঞ্চ আর বিশালাকার এন্টেনা (ডিশ)। ডান পাশের দেয়ালজুড়ে আছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামাঙ্কিত ফলক।

তিনি এর উদ্বোধন করেন ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন। এদিন একটি ডাকটিকিটও অবমুক্ত করেন বঙ্গবন্ধু। একটু ভেতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন জাতির পিতা যে স্থানে দাঁড়িয়ে এ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেছিলেন সেই স্থানটি। যেটিকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ফলক উন্মোচনী পাথরটি বসানো হয়েছে মূল কার্যালয়ের সম্মুখভাগে। কেন্দ্রের উদ্বোধন শেষে যে জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধু হেলিকপ্টারযোগে উড্ডয়ন করেছিলেন সেই জায়গাটিকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

পাহাড়বেষ্টিত ১২৮ একর সমতল জমিতে স্থাপন করা দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও গত শতাব্দীর আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যয়বহুল স্থাপনাটি মূলত কৃত্রিম উপগ্রহের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে শক্তিশালী এন্টেনার মাধ্যমে ওভারসিস সিগন্যাল গ্রহণ করে বহির্বিশ্বের সঙ্গে টেলিফোন ডাটা কমিউনিকেশন, ফ্যাক্স, টেলেক্স আদান-প্রদান করে আসছে। বর্তমানে এ ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের মাধ্যমে সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, হংকং, ওমান, পাকিস্তান, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, জাপান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মুম্বাই অর্থাৎ মোট ১১টি দেশের সঙ্গে টেলিফোন ডাটা কমিউনিকেশন, ফ্যাক্স, টেলেক্স ইত্যাদি আদান-প্রদান করা হয়।

অর্থাৎ বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি এখন গুরুত্ববহ হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধু-১ কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহের সুবিধা অনেক। সাধারণত টিভি চ্যানেলগুলো তাদের সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এতকাল বিদেশি স্যাটেলাইট ভাড়া করা হতো। এক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট চ্যানেলের মাধ্যমে এই ভাড়া বাংলাদেশ সংগ্রহ করছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হচ্ছে।

এছাড়া অন্য দেশের টিভি চ্যানেলর কাছে ভাড়া দিতে পারছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে। এই কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে মাধ্যমে ডিটিএইচ বা ডিরেক্ট টু হোম ডিশ সার্ভিস চালু করা সম্ভব হয়েছে। এই কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহের ৪০টি ট্রান্সপন্ডারের মোট ফ্রিকোয়েন্সি ক্ষমতা হলো ১ হাজার ৬০০ মেগাহার্টজ। এর ব্যান্ডউইডথ ও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে ইন্টারনেট থেকে বঞ্চিত দূরবর্তী অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়া যাচ্ছে। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ইন্টারনেট ও ব্যাংকিংসেবা, টেলিমেডিসিন ও দূরনিয়ন্ত্রিত শিক্ষাব্যবস্থা প্রসারেও ব্যবহৃত হচ্ছে। বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় মোবাইল নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়লে-এর মাধ্যমে ওই সব অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখা সম্ভব হবে। এদিকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন পর আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে পাহাড়ের অবহেলিত জেলার প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটিতে। এলাকার বেকারত্ব লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আসলে ২০২০ থেকে ২০২১ সালে করোনা মহামারিতে লকডাউনের মধ্যে অনলাইন প্লাটফরম বেশি গুরুত্ব পাওয়া শুরু করলে ইন্টারনেট নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়। তখন ভূ-উপগ্রহের মর্ম আমরা উপলব্ধি করতে সক্ষম হই।বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রে এখনও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে দেশের টেলিযোগাযোগের প্রথম এন্টেনাটি। কৃত্রিম উপগ্রহের সঙ্গে এটি যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্রুততার সাথে তথ্য আদান-প্রদানের কাজ পরিচালিত হচ্ছে।

একসময় সমগ্র বাংলাদেশে বৈদেশিক কল গ্রহণ ও পাঠানোর একমাত্র মাধ্যম ছিল রাঙ্গামাটির এ কেন্দ্র। সরকার তথা রাষ্ট্র, বিদেশি কূটনীতিক কিংবা ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বহির্বিশ্বের সব যোগাযোগ হতো এর মাধ্যমে। স্বাধীনতা-উত্তর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ গঠনে এ কেন্দ্রের অবদান ছিল অপরিসীম। আশির দশকের বিশ্বকাপ ফুটবলে ম্যারাডোনার খেলা আর মুষ্টিযুদ্ধে সারা দুনিয়ার সেরা মোহাম্মদ আলীর খেলা হলে এ কেন্দ্রের মাধ্যমেই সমগ্র বাংলাদেশে তা দেখানো হতো। এমনকি বাইরের সব অনুষ্ঠান সম্প্রচার হতো এর মাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উদ্বোধনের পর দেশ ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতিতে আরও একধাপ এগিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সময় ফোর-জি বা চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রচলনের মধ্য দিয়ে আমাদের ডিজিটাল যুগের আরও উন্নতি সম্পন্ন হয়েছে। এর আগের প্রজন্মের প্রযুক্তি ছিল টু-জি এবং থ্রি-জি। টু-জিতে কেবল ফোন কল করা এবং টেক্সট মেসেজ পাঠানো যেতো। থ্রি-জি প্রযুক্তিতে মোবাইল ফোন থেকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও কল করা এবং মিউজিক ও ভিডিও ডাউনলোড করার সুযোগ তৈরি হয়। থ্রি-জিতে যা যা করা সম্ভব, তার সবকিছু ফোর-জিতেও করা যায়, তবে দ্রুতগতিতে এবং ভালোভাবে। অর্থাৎ সুবিধাগুলো পরিষ্কার— থ্রিজিতে ইন্টারনেট ডাউনলোড বা আপলোডে যে সময় লাগত, ফোর-জিতে সে সময় কম লাগে।

কেবল ইন্টারনেটই নয়, ভয়েস কলেও অগ্রগতি হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ফোর-জি হ্যান্ডসেটের চাহিদা মেটাতে সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন। কারণ ফোর-জি হ্যান্ডসেট মাত্র ২০ শতাংশ গ্রাহকের হাতে রয়েছে। সেবা নির্বিঘ্ন করতে একইসঙ্গে অবকাঠামোগত উন্নয়নও দরকার। ফোর-জির দ্রুতগতি প্রান্তিক মানুষকে নানা কাজে উৎসাহী করেছে। ফলে তাদের শহরমুখী হতে হচ্ছে না। ই-কমার্স, আউটসোর্সিংসহ ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবসার প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূল মানুষের ডিজিটালসেবা নিশ্চিত হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে তথ্য-প্রযুক্তিবান্ধব রাষ্ট্র হিসেবে গণ্য হচ্ছে।

বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক সমাজের সাংস্কৃতিক মানকে ডিজিটাল যুগের স্তরে উন্নীত করা একটি কঠিন কাজ। তার জন্য সঠিক নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা দরকার ছিল। শেখ হাসিনা সেই কাজটি সুনিপুণ পরিকল্পনায় বাস্তবায়ন করে চলেছেন। মনে রাখতে হবে যে, এদেশে আমরা সর্বপ্রথম তাঁর মুখেই ডিজিটাল বাংলাদেশ ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির কথা শুনেছি। তাঁর নেতৃত্বেই সম্পন্ন হয়েছে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপান্তরের ইতিহাস। ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে বোঝায় দেশের সব নাগরিককে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারার সক্ষমতা তৈরি করা। উপরন্তু তার চারপাশে এমন একটি পরিবেশ গড়ে তোলা যাতে তার জীবনধারাটি যন্ত্র-প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশের অনন্য নিদর্শন হিসেবে প্রতিভাত হয়। শিক্ষাসহ সরকারি-বেসরকারি ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কল-কারখানা ও সেবাকে ডিজিটাল করা হচ্ছে। এতে দেশের মানুষের জীবনধারা ডিজিটাল যুগে পদার্পণ করেছে। শিগগির বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ। এর মধ্য দিয়ে ধনী-গরিব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত নির্বিশেষে প্রযুক্তি বিভেদমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম উন্নত দেশ।

ডিজিটাল প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। এজন্য বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের উন্নয়নে দক্ষ জনবলের প্রয়োজন মেটাতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। টেন্ডারবাজি ও দুর্নীতি কমাতে ইতোমধ্যে সরকারি অফিসে ই-টেন্ডার পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। সারাদেশে তৈরি করা হয়েছে এক লাখ ওয়াই-ফাই জোন। মূলত দেশে থ্রি-জি সেবার জায়গায় ফোর-জি আনা হয়েছে। অবশ্য তার আগেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় ওয়েব পোর্টাল করেছি আমরা। সেখান থেকে যেকোনো তথ্যসেবা আমরা দিতে সক্ষম।

আইটি সেক্টরে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি এবং আরও এগিয়ে যাবো। ১৩ বছর আগে দেশে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্প বলে কিছু ছিল না। তখন আইটি খাত থেকে রপ্তানি আয় ছিল ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা এখন ৫০০ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ করে বেকারত্ব দূর করাকে অন্যতম এজেন্ডা হিসেবে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এজন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে আইটি পার্ক, পাশাপাশি আইটি ইনস্টিটিউট, আইটি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নিরলস প্রচেষ্টায় আইটি খাত ইতোমধ্যে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এসবই সম্ভব হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে হাঁটার ফলে।

একটি সদ্য স্বাধীনপ্রাপ্ত দেশের তথ্যপ্রযুক্তি উন্নয়ন এবং স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নত যোগাযোগ স্থাপনের জন্যই চালু করা হয় বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি। ১৯৭০ সালে এই কেন্দ্রের নির্মাণকাজ শুরু হলেও কেন্দ্রটিকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার এবং কেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নানান চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু জাতির পিতার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে কেন্দ্রটির কাজ অব্যাহত থাকে।

কেবল বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রণ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে দ্রুততার সাথে তথ্য আদান প্রদানের কাজ পরিচালিত হচ্ছে এ কেন্দ্র থেকে। মনে রাখতে হবে নিজ দেশে স্বাধীনভাবে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের সুদূরপ্রসারী চিন্তা-ভাবনা থেকেই ৪৭ বছর আগে এ দেশে বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি চালু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তাঁর হাত ধরেই আজকের প্রযুক্তি প্রসারের বাংলাদেশ গৌরবান্বিত।

লেখক: বঙ্গবন্ধু গবেষক এবং লেখক, কবি, কলামিস্ট। সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য, সম্প্রীতি বাংলাদেশ এবং অধ্যাপক, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]


আরও খবর



নতুন ইআরডি সচিব শরিফা খান

প্রকাশিত:Thursday ১৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য (সচিব) শরিফা খানকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অপর এক আদেশে ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিনকে অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। শরিফা খান তারই স্থলাভিষিক্ত হলেন।

শরিফা খান জাগো নিউজকে বলেন, এখানে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞ। আমি দিন-রাত পরিশ্রম করতে পারি। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে নির্দেশনা দেবেন সেই মোতাবেক নিজেকে নিয়োজিত রাখবো। দেশের সম্মান ও প্রয়োজনের নিরিখে যেন কাজ করতে পারি, এই কামনা করছি।

বিসিএস ৯ম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা শরিফা খান। ১৯৯১ সালের ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন তিনি। এরপর কেন্দ্রীয় প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়, বিপিএটিসি, ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা সেল এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।


আরও খবর



এক ইনিংসে নয় ব্যাটারের পঞ্চাশের বেশি রান, ক্রিকেটে বিশ্বরেকর্ড

প্রকাশিত:Wednesday ০৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

ভারতের ঘরোয়া রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে হলো ইতিহাস। এক ইনিংসে নয় ব্যাটার করলেন কমপক্ষে হাফসেঞ্চুরি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এমন ঘটনা এবারই প্রথম।

ঝাড়খন্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার-ফাইনালে ৭ উইকেটে ৭৭৩ রানের পাহাড় গড়ে ইনিংস ঘোষণা করেছে বেঙ্গল। বেঙ্গলের ব্যাটাররা এক থেকে নয় পর্যন্ত সবাই পঞ্চাশের ঘর পেরিয়েছেন।

এর মধ্যে আবার দুজন সেঞ্চুরিও করেছেন। তিন নম্বরে নেমে সুদিপ কুমার ১৮৪ এবং চারে অনুসতাপ মজুমদার করেছেন খেলেছেন ১১৭ রানের ইনিংস।

নয় ব্যাটারের পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ইতিহাস

ব্যাঙ্গালুরুর জাস্ট ক্রিকেট একাডেমিতে গত ৬ জুন শুরু হয়েছে ম্যাচটি। পাঁচদিনের লড়াই শেষ হওয়ার কথা ১০ জুন।

এছাড়া বাকি তিন কোয়ার্টার ফাইনালে খেলছে মুম্বাই-উত্তরাখণ্ড, কর্ণাটক-উত্তর প্রদেশ, পাঞ্জাব ও মধ্যপ্রদেশ।


আরও খবর