Logo
আজঃ Friday ১৯ August ২০২২
শিরোনাম
রূপগঞ্জে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ডেমরায় প্যাকেজিং কারখানায় ভয়বহ অগ্নিকান্ড রূপগঞ্জে পুলিশের ভুয়া সাব-ইন্সপেক্টর গ্রেফতার রূপগঞ্জে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ॥ সভা সরাইলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত। নারায়ণগঞ্জে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে পুতা দিয়ে আঘাত করে হত্যা,,স্বামী গ্রেপ্তার রূপগঞ্জ ইউএনও’র বিদায় সংবর্ধনা নাসিরনগরে স্বামীর পরকিয়ার,বলি ননদ ভাবীর বুলেটপানে আত্মহত্যা নাসিরনগরে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত ডেমরায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসুচি পালিত

হাঁস তাড়িয়ে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার কিশোরী

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ১৩১জন দেখেছেন
Image

যশোরে হাঁস তাড়িয়ে বাড়ি ফেরার পথে ধর্ষণের শিকার হয়েছে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। রোববার (১২ জুন) যশোর সদর উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের ভবানিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী কিশোরীকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত যুবকের নাম মো. মাহিম (২৭)। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক।

ধর্ষণের শিকার কিশোরী জানায়, রোববার বিকেলে সে বাড়ির পেছনে পুলের কাছ থেকে হাঁস তাড়িয়ে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় একই গ্রামের পান্নার ছেলে মাহিম মুখ চেপে ধরে তাকে পাশের পাটক্ষেতে নিয়ে যান। এরপর কোমল পানীয়র বোতলে থাকা কিছু একটা খাইয়ে দেন। মেয়েটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যান মাহিম। পরে জ্ঞান ফিরলে বাড়িতে ফিরে সে তার মাকে ঘটনাটি জানায়।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আব্দুস সামাদ বলেন, ‘মেয়েটিকে সেক্সুয়াল অ্যাসাল্ট হিসেবে ভর্তি করে গাইনি ওয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে। আলামত (নমুনা) সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিবেদন এলে বিস্তারিত জানা যাবে।’

এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীকে মামলা করতে বলা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



বাসাবাড়িতে এডিসের লার্ভা পেলে মামলা করবে ডিএনসিসি

প্রকাশিত:Wednesday ২০ July ২০22 | হালনাগাদ:Monday ১৫ August ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

পরিবারের সদস্যদের এডিস মশা থেকে রক্ষায় নিজ বাড়ির আঙ্গিনা এবং বাসাবাড়িতে অপ্রয়োজনীয় পাত্র অপসারণের আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এডিস মশা বাড়ির আঙ্গিনায় জন্মায়। ঘরের ভেতর, বাড়ির ছাদে অব্যবহৃত পাত্রে পানি থাকলে জন্মায়। তাই ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে আগে নাগরিকদের সচেতন হতে হবে। এখন থেকে যার বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে।

বুধবার (২০ জুলাই) বেলা ১১টায় বাড্ডার খিলবাড়িরটেকের মধ্যপাড়ায় এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে এক জনসচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

খিলবাড়িরটেক এলাকায় গতকাল (মঙ্গলবার) ডেঙ্গুরোগী পাওয়া গেছে জানিয়ে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, রোগী শনাক্তের এমন খবর পেয়ে আজ (বুধবার) এই এলাকায় আমরা অভিযান চালাচ্ছি।

আতিকুল ইসলাম বলেন, মশা নিধনে আমরা সারা বছর বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকি। এর মধ্যে বর্ষা মৌসুমে এডিশ মশার উপদ্রব বাড়ে। এই মশা নিধনে সিটি করপোরেশন তার সাধ্যমতো কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু দেখা গেছে, এডিশ মশা বাসা-বাড়িতে অব্যবহৃত পাত্র, ফুলের টব, বাড়ির ছাদে জমে থাকা পানিতে বেশি জন্মাচ্ছে। তাই এডিশ নিধনে নাগরিকদের সচেতন হতে হবে।

যেখানেই লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই অভিযানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করা হচ্ছে জানিয়ে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, এখন থেকে যার বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে। তাই যেকোনো স্থানে জমা পানি নিয়মিতভাবে ফেলে দিতে হবে। সবাই সচেতন না হলে এডিস নিধন কষ্টসাধ্য।

সম্প্রতি বাসাবাড়ির ছাদে এডিশ মশার লার্ভা শনাক্তে ড্রোন ব্যবহার করছে সিটি করপোরেশন। এই বিষয়ে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, আমাদের ড্রোন ব্যবহার শুধুমাত্র এডিসের লার্ভার উৎস খুঁজতে, মশা মারতে নয়। এই ড্রোন দিয়ে মশার লার্ভা খুঁজতে এখন পর্যন্ত ১৯ হাজার বাড়িতে সার্ভে করা হয়েছে। যে বাড়ির ছাদে লার্ভা পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেই অভিযান চলছে।

ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীদের পরিচয় গোপন না রেখে সিটি করপোরেশনকে জানানোর অনুরোধ জানিয়ে মেয়র আতিক বলেন, যে বাড়িতে ডেঙ্গুরোগী থাকে, তার আশপাশে এডিসের লার্ভা রয়েছে। তাই রোগীর পরিচয় গোপন না রেখে সিটি করপোরেশনকে জানান। তাহলে ওই এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম আরও গতিশীল করবে। এডিস মশার উৎস নির্মূল করতে পারবো।


আরও খবর



ডিজেল পেট্রল কেন এতো দরকারি?

প্রকাশিত:Friday ২২ July 20২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

আধুনিক যন্ত্রসভ্যতা টিকিয়ে রাখতে ডিজেল পেট্রল আজ এতই দরকারি যে, এই সভ্যতাকে পেট্রলিয়ামের সভ্যতা বললেও কারোই হয়তো আপত্তি থাকবে না। রাস্তা দিয়ে হু-হু করে ছুটে যাচ্ছে ট্রাক, প্রাইভেট কার, বাস, পিকআপ, মোটরসাইকেল। এসব চালাতে যে পেট্রল বা ডিজেল প্রয়োজন হয় তা আমরা পেয়ে থাকি পেট্রলিয়াম থেকে। শুধু কি তাই? প্লেনের তরল জ্বালানিও আসে পেট্রলিয়ামের পাতন থেকে। গ্রামে বাতি জ্বালানোর কেরোসিন, পাকা রাস্তা বানানোর পিচ এসবও আমাদের যোগান দেয় পেট্রলিয়াম। তাছাড়া কলকারখানায় হরেকরকম যন্ত্রপাতি চালাতেও পেট্রলের জুড়ি মেলা ভার।

এখানেই শেষ নয়। আমাদের জামা-প্যান্ট কিংবা শাড়ি তৈরি হয় যে টেলিরিন থেকে অথবা আধুনিক কায়দায় চেয়ার সাজাতে যে ফরমাইকা লাগে কিংবা কৃত্রিম রাবারের কথাই ধরা যাক। এসব কিছুই মেলে পেট্রলিয়াম থেকে। এসব কথা শুনলে হয়তো অনেকেরই অবাক লাগবে। চোখ কপালে উঠবে। নানান ওষুধপত্র, বিস্ফোরকপদার্থ, অ্যালকোহল, অ্যামোনিয়া, রাসায়নিক পদার্থ এমনকি মেয়েদের ঠোঁটে ব্যবহারের লিপিস্টিক তৈরির জন্যও পেট্রলিয়াম একটি অপরিহার্য উপাদান। এক কথায় এসব জিনিসের যোগানদার হল পেট্রক্যামিক্যালস।

jagonews24

খনি থেকে যে কাঁচা অর্থাৎ ক্রড পেট্রলিয়াম পাওয়া যায় তা কিন্তু সেই অবস্থায় কোনো কাজেই লাগে না। তাই সেটাকে শোধন অর্থাৎ পরিষ্কার করতে হয়। পেট্রলিয়াম শোধন করার সময় আমরা যে রকমারি জিনিস পাই তাকেই বলা হয় পেট্রক্যামিকেলস। এই পেট্রক্যামিক্যালসও নানান কাজে লাগে। মোমবাতির মোম কিংবা পোকামাকড় মারার ওষুধপত্রও পেট্রকেমিক্যালস দিয়ে তৈরি হয়। পাথরের ভেতরে পেট্রলিয়ামের সঙ্গী হয় যে প্রাকৃতিক গ্যাস তা যোগান দেয় আমাদের রান্নার গ্যাস।

কিন্তু অবাক হলেও সত্যি, গবেষকরা বলেন- গোটা পৃথিবীতে এখন যতটা পেট্রলিয়াম মজুত আছে, বর্তমান হারে খরচ করে গেলে তা ফুরাতে সময় লাগবে আর মাত্র ৭৫ বছর। বড় জোর ১৫০ বছর। আর কয়লা হয়তো ১৫০ বছর পাওয়া যাবে। তারপর? তখন কলকারখানা চালানো কিংবা বিদ্যুৎ তৈরির জ্বালানি পাওয়া যাবে কোত্থেকে? এসব সমস্যা সমাধানের জন্য বিজ্ঞানীরা বহুদিন থেকেই গবেষণা চালিয়ে আসছেন। রসায়নবিদরা দেখেছেন হিভিয়াব্রাজিলিয়েনসিস নামে এক ধরনের রাবার গাছ ব্রাজিলে জন্মায়। সেই গাছের রস থেকে পেট্রলিয়ামের মতো জ্বালানি তৈরি করা মোটেই শক্ত কাজ নয়। তাছাড়া আখের রস থেকেই প্রায় সব জাতের পেট্রকেমিক্যালস পাওয়া যেতে পারে। এসবই হচ্ছে নতুন প্রচেষ্টা।

পৃথিবীর বুক থেকে পেট্রলিয়াম ও কয়লা ফুরিয়ে গেলে মানুষ আর তা তৈরি করতে পারবে না। কিন্তু পৃথিবীতে যতদিন মানুষ, মাটি আর পানি থাকবে, আখ বা রাবার গাছও ততদিন ফলবে। পেট্রলিয়ামের বিকল্প তৈরি করা হয়তো তেমন শক্ত হবে না। একটু ঘুরিয়ে বলা যায়, পেট্রলিয়াম তখন গাছে ফলবে। আজগুবি হলেও কথাটা বোধ হয় মিথ্যে হবে না।

jagonews24

সাধারণভাবে পেট্রলিয়াম বলতে বোঝায় খনিজ তেল। তবে বিজ্ঞানীরা একে ভাগ করেছেন তিন ভাগের তরল বাদামি রঙের খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, কঠিন কালো চটচটে বিটুমিন ও পিচ। খনিজ তেল হরেক রঙের হতে পারে। হালকা সবুজ, হলুদ, গাঢ় বাদামি, এমনকি কালো হলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। তেলের ভেতরে প্যারাফিন থাকলে রং হয় হালকা, কিন্তু অ্যাসফ্যাল্ট মেশানো তেলের রঙ গাঢ়। খনিজ তেলের আর একটি গুণ এর নিজস্ব প্রভা। যার ফলে ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যেও পেট্রলিয়াম ঝকমক করে ওঠে।

পাতন প্রক্রিয়ায় এক ধরনের খনিজ তেলে তলানি হিসেবে পড়ে থাকে প্যারাফিন। হালকা রঙের মোম জাতীয় জিনিস এই প্যারাফিন। এইরকম তেলের কদর খুব। কারণ এই তেল পরিশোধন করা বেশ সহজ। পেট্রলিয়ামের উৎপত্তি নিয়ে বিভিন্ন মতবাদ রয়েছে। সবচেয়ে আধুনিক মতবাদটি হচ্ছে সমুদ্রের নিচে পাললিক শিলার ভেতরে আদিম সামুদ্রিক প্রাণি ও উদ্ভিদ থেকে নানা ধরনের রাসায়নিক কান্ডকারখানার ফলে সৃষ্টি হয়েছে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস।

বিজ্ঞানীদের ধারণা প্রাগৈতিহাসিক যুগে পৃথিবীর মহাদেশগুলোর বহু অংশই সমুদ্রের জলের নিচে ডুবে ছিল। বড়-বড় গাছের বিশাল অরণ্য আর অনেক নাম না জানা খুব ছোট-ছোট ডায়াটম, অ্যালগি জাতীয় সামুদ্রিক জীব সমুদ্রের কিনারায় সবার অলক্ষ্যে বেড়ে উঠেছিল। বিশ লাখ থেকে সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে টারশিয়ারি যুগে সমুদ্রের নিচে মাটি আর বালি জমে সৃষ্টি হচ্ছিল যে পাললিক শিলা তারই স্তরে-স্তরে সামুদ্রিক প্রাণি বা গাছপালাও ক্রমে জমা পড়তে শুরু করে।

jagonews24

পেট্রলিয়ামের স্বভাব ও গঠনপ্রকৃতি নিয়ে বিজ্ঞানীরা এখন অনেক কিছু জানলেও এখনো পর্যন্ত কারো পক্ষেই ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয় ঠিক কোথায় পেট্রলিয়াম পাওয়া যাবে। কারণ মাটির উপরে দাঁড়িয়ে পাতালের গভীরে লুকানো পেট্রলিয়ামের খবর জানা যাবে কী করে? অতীতে মানুষ খনিজ তেলের খোঁজ করত ভূমিতে। যেখানে নিজের চোখে দেখা যেত পাথরের ফাটল চুইয়ে পেট্রলিয়াম রেরিয়ে আসছে, কিংবা খোঁজ করা হতো ঘন বাদামি কালো রঙের বিটুমিন। যা হয়তো পেট্রলিয়ামের তলানি হিসেবে ভূ-পৃষ্ঠের ওপরে পড়ে রয়েছে।

তবে বর্তমানে পেট্রলিয়ামের খনির সন্ধান পাওয়াটা খুবই কষ্টসাধ্য একটা ব্যাপার। পর্বতের কোনো শৃঙ্গ জয়ের মতো পেট্রলিয়াম-অভিযানও একটি রুদ্ধশ্বাস অভিযান। কোথাও তেল অনুসন্ধানকালে সেখানে তেলের অনুসন্ধান মিলবে কী মিলবে না তা নির্ভুলভাবে বলা প্রায় কখনোই সম্ভব নয়। কারণ সেখানে ভাগ্যের হাতও কিছুটা থেকেই যায়।

কোনো অঞ্চলে পেট্রলিয়ামের অনুসন্ধান করতেই প্রায় ২-৩ বছর সময় লেগে যায়। ভূপদার্থ বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন জটিল যন্ত্রপাতির সাহায্যে সমীক্ষা চালিয়ে বুঝতে চেষ্টা করেন ভূ-পৃষ্ঠের নিচে পাথরের স্তরটিতে পেট্রলিয়াম থাকার সম্ভাবনা ঠিক কতটুকু। এই ধরনের সমীক্ষা শেষ হলে সেই অঞ্চলটির ভূ-তাত্ত্বিক মানচিত্র এঁকে ফেলা হয়। তারপর শুরু হয় ড্রিলিংয়ের কাজ।

আধুনিক প্রযুক্তিবিদ্যায় তেলকূপ খননের জন্য লম্বা ইস্পাতের পাইপের সঙ্গে খাঁজকাটা ড্রিলিং বিট লাগানো থাকে। শক্তিশালী মোটরের সাহায্যে ড্রিলিং পাইপকে ঘোরানো হয়। ড্রিলিং পাইপের সঙ্গে ড্রিলিং বিট ঘুরতে-ঘুরতে মাটি ও পাথর কেটে নামতে থাকে পাতালের দিকে। এভাবে কত দূর ড্রিলিং করতে হবে তার নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই। তবে পৃথিবীর দীর্ঘতম ড্রিলিংয়ের দূরত্ব ১০ কিলোমিটারকেও ছাড়িয়ে গেছে। ড্রিলিং শেষ হলে ড্রিলিং পাইপের পরিবর্তে সরু পাইপ প্রবেশ করানো হয়। এই সরু পাইপের সাহায্যেই তেল উত্তোলন করা হয় এবং পাইপের সঙ্গে সংযুক্ত বিভিন্ন ভালবের সাহায্যে তেল উত্তোলনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

সমুদ্রের নিচে পেট্রলিয়াম খোঁজার পদ্ধতি অনেকটা স্থলভাগের অনুসন্ধানের মতো হলেও কাজের পদ্ধতিতে কিছুটা অমিল আছে। সমুদ্রের তলায় পেট্রলিয়াম অনুসন্ধানের দায়িত্বটা প্রথমে ডুবুরি ভূ-তাত্ত্বিকদের দেওয়া হয়। ডুবুরিরা পানির নিচের পাথরের নমুনা নিয়ে আসেন এবং দরকারমতো ছবিও তুলে আনেন। এরপর পেট্রলিয়াম পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে অনুসন্ধান শুরু হয়।

jagonews24

সমুদ্রে তেলকূপ খননের কাজ করা হয় ভাসমান প্ল্যাটফর্ম বা পাটাতন থেকে। কোথায় কূপ খনন করতে হবে তা ঠিক হয়ে গেলে, স্থাপন করা হয় ভাসমান পাটাতন এবং এরপরই শুরু হয় ড্রিলিংয়ের কাজ। তবে সমুদ্রের নিচে তেল-অনুসন্ধানের কাজ প্রচুর ব্যয়বহুল। যে পেট্রলিয়াম বা খনিজ তেল তেলকূপ থেকে তোলা হয় তা পরিষ্কার না করে ব্যবহার করা যায় না। কারণ এই কাঁচা খনিজ তেলের সঙ্গে মিশে থাকে হাজাররকমের জিনিস, আলকাতরা, পাথরের টুকরা, গ্যাস ইত্যাদি। পেট্রলিয়ামের মধ্যে যে নানারকম জিনিস আছে তার প্রত্যেকটি আলাদা-আলাদা ব্যবহার আছে। তাই নানা কাজে ব্যবহারের আগে পেট্রলিয়াম শোধন করে নিতে হয়। এই শোধনের কাজ যেখানে করা হয় তার নাম পেট্রলিয়াম রিফাইনারি বা তেলশোধনাগার।

শোধনাগারে খনিজ তেলের বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনগুলো আলাদা করা হয় ধাতুর তৈরি লম্বা পাত্রে। এই ধাতুর পাত্র লম্বায় প্রায় ৩০-৪০ মিটার। কাঁচা অপরিশুদ্ধ খনিজ তেল ফুটিয়ে প্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় পাইপের সাহায্যে। এই ধাতব পাত্রের মধ্যে চালনা করা হয়। এই পাত্রের মধ্যে তাকের মতো পরপর অনেকগুলো ধাতুর পাত্র সাজানো থাকে। প্রত্যেকটি পাত্রের নিচে কিছু-কিছু ছিদ্র থাকে যাতে নিচের অংশ থেকে খনিজ তেলের গ্যাস বিনা বাধায় স্বচ্ছন্দে ওপরের তাকে চলে যেতে পারে।

এই ধাতুর পাত্রের নিচের স্তরের তাপমাত্রা বেশি (৩০০০ সে.) এবং উপরের স্তরের তাপমাত্রা কম (২০০০ সে.) থাকে। তাপমাত্রার এই পার্থক্যের জন্য নিচের ধাতব পাত্রগুলো জমা হয়। তেলের ভারি অংশ আর ওপরের পাত্রগুলোতে জমা হয় তেলের হালকা অংশগুলো। এভাবে ওপর থেকে নিচের পাত্রগুলোতে পরপর পাওয়া যায় পেট্রল, কেরোসিন, ডিজেল আর বিটুমিন। আলাদা-আলাদা উচ্চতায় রাখা বিভিন্ন পাত্রে পাতনপ্রক্রিয়ায় ঠান্ডা হয়ে জমা পড়লে এসব উপাদান সংগ্রহ করা হয় পাইপের সাহায্যে। এসব উপাদানের মধ্যে পেট্রল, কেরোসিন কিংবা ডিজেল যে রকমারি কাজে লাগে তা তো সবারই জানা।


আরও খবর



প্রাণ গ্রুপে অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Friday ১৯ August ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রাণ গ্রুপে ‘ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৬ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: প্রাণ গ্রুপ
বিভাগের নাম: এসসিএম

পদের নাম: ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি/বিবিএ/এমবিএ
অভিজ্ঞতা: প্রযোজ্য নয়
বেতন: ২৫,০০০ টাকা

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: ২১-৩০ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা https://jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২৬ আগস্ট ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



বগুড়ায় ব্রিজের পাটাতন ভেঙে পাঁচ রুটে যান চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:Saturday ১৩ August ২০২২ | হালনাগাদ:Thursday ১৮ August ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

বগুড়ার শেরপুর-ধুনট আঞ্চলিক সড়কের ভস্তার বিল খালের ওপর নির্মিত বেইলি ব্রিজের পাটাতন ভেঙে ভোগান্তিতে পড়েছেন ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ। শনিবার (১৩ আগস্ট) সকাল থেকে ওই ব্রিজ দিয়ে চলা পাঁচ রুটের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ব্রিজের পাটাতন ভেঙে শেরপুর, ধুনট, কাজীপুর, সোনামুখি ও মথুরাপুর রুটের সব ধরনের যানবাহন বন্ধ রয়েছে। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, ব্রিজের সংস্কার কাচ চলছে। আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে ব্রিজটি খুলে দেওয়া হবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজটির ভেঙে যাওয়া পাটাতন ও ট্যাঙ্ক জাম (লোহার পাতি) খুলে ফেলা হচ্ছে। বেশকয়েকজন শ্রমিক এ কাজে ব্যস্ত ব্রিজের ওপর যেন কোনো যানবাহন উঠতে না পারে সে জন্য ব্রিজের মুখে বাঁশ দিয়ে বেরিকেড দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজে যান চলাচল বন্ধ থাকায় নৌকায় চড়ে খাল হচ্ছেন অনেকে।

এসময় কথা হয় গোলাম রব্বানী নামের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে। তিনি বলেন, মোটরসাইকেল নিয়ে ধুনট যাচ্ছিলেন। কিন্তু বেইলি ব্রিজটি বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছি। একপর্যায়ে সাত-আট কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক ঘুরে সেখানে যেতে হয়।

jagonews24

সালমা বেগম নামের একজন বলেন, মেয়ের চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহরে যাচ্ছি। কিন্তু পথিমধ্যে বোয়ালকান্দি ব্রিজের পূর্বপাশে বাস থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে বিকল্প যানবাহনে যেতে বলা হয়। কারণ হিসেবে মেরামতের জন্য ব্রিজ বন্ধ রয়েছে।

জাহিদুল ইসলাম নামের এক বাসচালক বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে ভয়ে যাতায়াত করতে হয়। মাঝেমধ্যে কোনো না কোনো ব্রিজের পাটাতন ভেঙে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

খানপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পিয়ার হোসেন বলেন, পুরোনো হওয়ায় ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যে কোনো সময় ব্রিজ ভেঙে পড়ে বড় ধরণের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ব্রিজটি মেরামত না করে স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজন।

বগুড়ার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান বলেন, ব্রিজের পাটাতন ও ট্যাঙ্ক জাম ভেঙে গেছে। ব্রিজের মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। তিনদিনের জন্য এ সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।


আরও খবর



সাকিনাহ বা প্রশান্তি পাওয়ার উপায় ও দোয়া

প্রকাশিত:Friday ০৫ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১৭ August ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

বহু কাঙ্খিত একটি শব্দ সাকিনাহ বা প্রশান্তি। এটি কি? প্রথমেই জানা দরকার যে, ‘সাকিনাহ’ কি? এটি কার ওপর নাজিল হয়? আর সাকিনাহ পেতে মুমিনের কোনো করণীয় বা দোয়া আছে কি?

সাকিনাহ কি?

‘সাকিনাহ’ হচ্ছে শান্তি, প্রশান্তি, স্বস্তি ও সান্ত্বনা। মহান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে মুমিনের জন্য প্রশান্তিই হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ঠ সাকিনাহ। কুরআন সুন্নাহর একাধিক স্থানে সাকিনাহ শব্দের ব্যবহার ও প্রয়োগ দেখা যায়।

এ ‘সাকিনাহ’ হচ্ছে এক প্রকার মানসিক প্রশান্তি, স্বস্তি, সান্ত্বনা, স্থিরতা ও সহনশীলতা। যা আল্লাহ তাআলা বান্দার অন্তের ঢেলে দেন। ফলে যত ভয়-ভীতি ও বিপদাপদ আসুক না কেন সে হতাশ হবেন না, অস্থির হবেন না, ভেঙ্গে পড়বেন না বরং মানসিকভাবে শক্তি ও সাহস খুঁজে পাবেন।

এ সাকিনাহ নাজিল করার মাধ্যমেই মহান আল্লাহ তাআলা মুমিনের ঈমান আরও বাড়িয়ে দেন। সেই সঙ্গে আল্লাহর প্রতি বান্দার আস্থা ও নির্ভরতা আরও বেশি সুদৃঢ় হয়।

সাকিনাহ বা প্রশান্তি মহান আল্লাহর তাআলা বিশেষ অনুগ্রহ। তিনি মুমিন বান্দার প্রতি তা নাজিল করেন। এ সাকিনাহ বা প্রশান্তি অবতীর্ণ হওয়ার ফলে মুমিন বান্দার অন্তরে যেমন প্রশান্তি বেড়ে যায়, তেমনি ওইসব ঈমানদারদের সঙ্গে চলাফেরাকারী সঙ্গীদের ঈমানও বেড়ে যায়। আল্লাহ তাআলা বলেন-

هُوَ الَّذِي أَنزَلَ السَّكِينَةَ فِي قُلُوبِ الْمُؤْمِنِينَ لِيَزْدَادُوا إِيمَانًا مَّعَ إِيمَانِهِمْ

‘তিনি মুমিনদের অন্তরে সাকিনাহ (প্রশান্তি) অবতীর্ণ (দান) করেন; যাতে তাদের ঈমানের সঙ্গে আরও ঈমান বেড়ে যায়।’ (সুরা আল-ফাতহ : আয়াত ৪)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘কুরআন তেলাওয়াতকারীর প্রতি এ সাকিনাহ নাজিল হয়।’ হাদিসের বর্ণনায় তা প্রমাণিত-

হজরত বারা ইবনে আজেব রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘একবার এক ব্যক্তি সুরা কাহফ তেলাওয়াত করছিল। তার পাশেই দুটি রশি দিয়ে একটি ঘোড়া বাঁধা ছিল। ওই সময় এক খণ্ড মেঘ তাকে ঢেকে নিল। মেঘের খণ্ডটি যতই লোকটির কাছাকাছি হতে লাগলো; তা দেখে ঘোড়াটি চমকাতে আরম্ভ করল। অতপর যখন সকাল হল তখন লোকটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে উপস্থিত হলেন এবং ঘটনাটি বর্ণনা করলেন। ঘটনাটি (শুনে) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘সেটি ছিল ‘সাকিনাহ বা প্রশান্তি’; যা তোমার কুরআন তেলাওয়াতের কারণে নাজিল হচ্ছিল।’ (বুখারি ও মুসলিম)

সাকিনাহ লাভের উপায় ও দোয়া

আল্লাহর রহমত ছাড়া সাকিনাহ বা প্রশান্তি পাওয়ার কোনো উপায় নাই। সে কারণেই মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা, কুরআন তেলাওয়াত করা কিংবা আল্লাহর বিধানগুলো মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই। তাই মুমিন মুসলমানের উচিত-

- বেশি বেশি জিকির ও দোয়া করা।–

اَللَّهُمَّ أَنْزِل عَلَى قَلْبِىْ السَّكِيْنَة

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা আংযিল আলা ক্বালবি সাকিনাহ

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনি আমার অন্তরে সাকিনাহ বা প্রশান্তি দান করুন।’

- কুরআন তেলাওয়াত করা।

- বেশি বেশি তওবা-ইসতেগফার করা।

- নিজের কাজের আত্মসমালোচনা করে সংশোধন হওয়ার প্রচেষ্টা করা।

- ভালো-মন্দ সব বিষয়ে আল্লাহর ফয়সালার ওপর বিশ্বাস রাখা।

- কল্যাণ লাভে আল্লাহর প্রতি সুধারণা পোষণ করা।

- গোনাহের কাজ থেকে বিরত থাকা।

- আল্লাহর দেয়া ফরজ বিধান ঈমানি মজবুতির সঙ্গে আদায়, ফরজ নামাজে যত্নশীল হওয়ার পাশাপাশি বেশি বেশি নফল ইবাদত করা।

- সৎ লোকদের সংস্পর্শে থাকা।

- সব সময় অল্প প্রাপ্তিতেই সন্তুষ্ট থাকা এবং দুনিয়ার দিকে উচ্চভিলাষী দৃষ্টিতে তাকানো থেকে বিরত থাকা।

তবেই আল্লাহ তাআলা মুমিন বান্দার প্রতি নাজিল করবেন সাকিনাহ বা প্রশান্তি। দান করবেন ঈমানের মিষ্টতা, অনাবিল সুখ, শান্তি ও পরিতৃপ্তি। আল্লাহ তাআলা কবুল করুন। আমিন।

মনে রাখা জরুরি

সাকিনাহ যেহেতু বান্দার প্রতি মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত বা অনুগ্রহ। তাই আল্লাহর অনুগ্রহ লাভে কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবনযাপনের বিকল্প নেই।

যখনই বান্দা মহান আল্লাহর রঙে নিজের জীবন রাঙিয়ে তুলবে তখনই তার ওপর নাজিল হতে থাকবে সাকিনাহ বা প্রশান্তি। আর আল্লাহর পক্ষ থেকে আসবে বিজয় ও ক্ষমা এবং জীবন নেয়ামতে পরিপূর্ণ হবে। আল্লাহ তাআলা প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে উদ্দেশ্য করে বলেন-

‘(হে রাসুল!) নিশ্চয় আপনার জন্য রয়েছে সুস্পষ্ট বিজয় যাতে আল্লাহ তাআলা আপনার অতিত ও ভবিষ্যৎ ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং আপনার প্রতি তার নেয়ামত পূর্ন করে দিয়েছেন আর আপনাকে সঠিক পথে পরিচালিত করেছেন আর আপনাকে দান করেছেন বলিষ্ট সাহায্য তিনিই সেই মহান সত্তা; যিনি মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি নাজিল করেন যাতে তাদের ঈমানের সঙ্গে আরও ঈমান বেড়ে যায় আসমান ও জমিনের সব বাহিনী মহান আল্লাহর জন্য আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়’ (সুরা ফাতহ : আয়াত ১-৪)

আল্লাহ তাআলা মুমিন মুসলমানকে দান করুন তার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ নেয়ামত সাকিনাহ। যে সাকিনাহ লাভে মুমিন হবে ধন্য। পাবে গোনাহমুক্ত নেয়ামতে পরিপূর্ণ জীবন। আমিন।


আরও খবর