Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

হাই কোলেস্টেরল যে ৫ প্রাণঘাতী রোগের কারণ

প্রকাশিত:Saturday ১৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
Image

শরীরে ভালো-খারাপ দুটো কোলেস্টেরলই থাকে। তবে জীবনযাত্রায় অনিয়ম ও ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে শরীরে খারাপ বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। বর্তমানে এটি একটি গুরুতর রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কোলেস্টেরল আসলে এক ধরনের চর্বিজাতীয়, তৈলাক্ত স্টেরয়েড যা কোষের ঝিল্লি বা (সেল মেমব্রেনে)-এ পাওয়া যায়। এটি সব প্রাণীর রক্তে পরিবাহিত হয়। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের সেল মেমব্রেনের এটি একটি অত্যাবশ্যক উপাদান।

এলডিএল, এইচডিএল, ট্রাইগ্লিসারাইডসহ বিভিন্ন ধরনের কোলেস্টেরল থাকে শরীরে। তার মোট পরিমাণই টোটাল কোলেস্টেরল। এই টোটাল কোলেস্টেরলের মান থেকে শরীরে কোলেস্টেরলের আসল অবস্থা অনুমান করা যায় না। এইচডিএলের পরিমাণ বেশি থাকলে তা শরীরের জন্যে উপকারী। অন্যদিকে এলডিএলের পরিমাণ বেশি হলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

এ বিষয়ে ভারতের রুবি হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আশিস মিত্র জানান, এলডিএল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে রক্তনালির ভেতরে জমে এই কোলেস্টেরল হৃদরোগ, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ইত্যাদি ঘাতক রোগের কারণ হতে পারে।

হার্টের সমস্যা

চিকিৎসকের মতে, অনেক সময় কোলেস্টেরল হার্টের রক্তনালির ভেতরে জমে। সারা দেহের যেমন কাজ করতে রক্তের প্রয়োজন হয়, ঠিক তেমনই হার্টেরও প্রয়োজন হয় রক্তের।

এক্ষেত্রে হার্টের ধমনিতে কোলেস্টেরল জমলে রক্ত চলাচল করতে পারে না। তখন বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফড় ইত্যাদি সমস্যা দেখা যায়। আর ব্যবস্থা না নিলে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক। তাই সবাইকে অবশ্যই এই লক্ষণে সতর্ক হতে হবে।

ফ্যাটি লিভার

বর্তমানে অনেক মানুষই ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে লিভারে ফ্যাট থাকলে অনেক সমস্যাই দেখা দিতে পারে। লিভারে ফ্যাটের মূলত দুটি ভাগ থাকে- ট্রাইগ্লিসারাইডস ও কোলেস্টেরল। অর্থাৎ এই রোগের সঙ্গে সরাসরিভাবে জড়িত আছে কোলেস্টেরল।

পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ

ডা. মিত্রের মতে, কোলেস্টেরল শরীরের যে কোনো রক্তনালির ভেতরে জমতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, কোলেস্টেরল জমছে পায়ের ধমনিতে। সেক্ষেত্রে পায়ে ঠিকমতো রক্ত চলাচল করতে পারে না। এ কারণে পায়ে খুব ব্যথা হয়। এমনককি হাঁটতেও কষ্ট হয় অনেকের।

ব্লাডপ্রেশার ও ডায়াবেটিস

কোলেস্টেরল হলো মেটাবোলিক ডিজঅর্ডার। কোলেস্টেরল বেশি থাকলে অনেক সমস্যাই দেখা দেওয়া সম্ভব। এমনই একটি সমস্যা হলো ব্লাডপ্রেশার ও ডায়াবেটিস। এই দুটি সমস্যা দেখা গিয়েছে কোলেস্টেরল রোগীদের বেশিরভাগ সময়ই থাকে।

স্ট্রোক

আমাদের মাথায় বিভিন্ন রক্তনালি আছে। রক্তনালির ভিতরেও কোলেস্টেরল জমতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাথার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রক্তনালিতে কোলেস্টেরলম জমে মিনি স্ট্রোক হয়।

এছাড়া কোলেস্টেরলের সঙ্গে প্রেশার বা ডায়াবেটিস থাকলে সাধারণ স্ট্রোকের ঝুঁকিও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই সতর্ক হয়ে যেতে হবে বলে জানালেন ভারতের এই চিকিৎসক।


আরও খবর



নিবিড় পর্যবেক্ষণে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল

প্রকাশিত:Monday ১৩ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের সদস্য এজেডএম জাহিদ হোসেনের বরাত দিয়ে তার প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান জাগো নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

শায়রুল বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা আজ বিকেলেও বৈঠক করেছেন। গতকাল রোববারও তারা বৈঠকে বসেছিলেন।

তিনি বলেন, ম্যাডাম হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে তিনি চিকিৎসকদের ৭২ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন, আগামীকাল দুপুরে এই ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে, তিনি চিকিৎসকদের আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকবেন।


আরও খবর



কোন আগুন কীভাবে নেভাতে হয়?

প্রকাশিত:Sunday ০৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

অগ্নিকাণ্ডে ভয়াবহ দুর্ঘটনার খবর নতুন নয়। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে ১২ বছর আগের নিমতলীর ঘটনার ক্ষত এখনো ভুলতে পারেনি দেশ। তবে এসব অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে বেশ কিছু কারণে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের কাছে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকা, আগুন কোন ধরনের বা কিসের থেকে সূত্রপাত তা দ্রুত শনাক্ত করতে না পারা।

আগুন বিভিন্ন কারণে লাগতে পারে। ফায়ার সার্ভিস থেকে বলছে আগুনের পাঁচটি ধরন রয়েছে। যেমন-

১. সাধারণ পদার্থের আগুন
২. তেলের আগুন
৩. গ্যাসের আগুন
৪. ধাতব পদার্থের আগুন
৫. ইলেকট্রিক আগুন

> সাধারণ পদার্থ বলতে বাঁশ, কাঠ, কাগজ, কাপড়ে অসাবধানতাবশত আগুন লেগে যেতে পারে। থেকে আগুনের সূত্রপাত হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। এ ছাড়া শুকনো বালি ও ভেজা কাঁথা বা ভারী কাপড় দিয়েও এ ধরনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

> যে কোনো ধরনের তেল, মবিল, পেট্রল বা অন্যান্য তরল পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত ভেজা কম্বল, বস্তা, কাঁথা, ভারী কাপড় দিয়ে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করুন। ভুল করেও এ ধরনের আগুনে পানি দেওয়া যাবে না। এতে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কাই বেশি। যদি কোনো কিছুই পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে শুকনো বালি ছিটিয়েও তরল পদার্থ থেকে সৃষ্ট আগুন বশে আনা যায়। আগুনের মাত্রা অনেক বেশি হলে অ্যাকুয়েস ফিল্ম ফর্মিং ফোম (এএফএফ) ছড়িয়ে দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে হবে।

> যে কোনো ধরনের গ্যাস থেকে ছড়িয়ে পড়া আগুনের ক্ষেত্রে গ্যাসের সরবরাহ লাইন বন্ধ করে দিতে বা রাইজারের নব ঘুরিয়ে দিতে হবে। গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুন লাগলে ভেজা কাঁথা, কম্বল, বস্তা বা ভারী কাপড় সিলিন্ডারের গায়ে জড়িয়ে চাপ দিয়ে বা নব ঘুরিয়ে কিংবা পানির জোর ঝাপটা দিয়ে গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ করুন। সব সময় খেয়াল রাখতে হবে, যদি গ্যাস লিক করছে বোঝা যায়, তাহলে কোনোভাবেই সেই স্থানের কাছাকাছি দেশলাই, সিগারেট, জ্বলন্ত মোমবাতি, কুপি ধরনের কোনো কিছু জ্বালানো অবস্থায় নিয়ে যাওয়া যাবে না।

> ধাতব পদার্থের আগুন বা সোডিয়াম, পটাশিয়াম ইত্যাদি থেকে উৎপত্তি হয় এমন আগুন সব থেকে তীব্র হয়। সরাসরি পানির প্রয়োগে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এক্ষেত্রে অবশ্যই পানি ব্যবহার করা যবে না। যত দ্রুত সম্ভব প্রশিক্ষিত অগ্নিনির্বাপণ কর্মীদের সহযোগিতা নিতে হবে।

> বৈদ্যুতিক মাধ্যম থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটলে কোনোভাবেই পানি দেওয়া যাবে না। পানি বিদ্যুৎ সুপরিবাহী। এর ফলে পানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ ছড়িয়ে যেতে পারে। প্রথমেই বৈদ্যুতিক লাইনের মেইন সুইচ বন্ধ করার চেষ্টা করতে হবে। তবে মেইন সুইচে আগুন লেগে গেলে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করুন। যাতে লাইনের বিদ্যুৎ সরবরাহ দ্রুততার সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায়। লাইন বন্ধ হয়ে গেলে নিরাপদ দূরত্বে থেকে পানি ছড়িয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তবে সবচেয়ে ভালো হয় যদি ফায়ার এক্সটিংগুইশার বা অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের সাহায্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড ছড়িয়ে দেওয়া যায়। এতে আগুন সহজেই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

আগুন লাগলে তৎক্ষণাত যে কাজগুলো করবেন-

> বাসা বা অফিস যেখানেই অগ্নিকাণ্ডের সম্মুখীন হোন না কেন, প্রথমেই বিদ্যুতের মূল সুইচ ও গ্যাসের সংযোগ বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে নিকটস্থ ফায়ার সার্ভিস অফিসে খবর দিন।

> যেখানেই আগুন লাগুক, ভুলেও লিফট ব্যবহার করে বের হওয়ার চেষ্টা করবেন না। সিঁড়ি দিয়ে নিচে যাওয়া সম্ভব না হলে ছাদে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

> আগেই পানি দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। আগে নিজে বা অন্যদের বের করার চেষ্টা করুন।

> আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে নিজে নিরাপদ স্থানে চলে যান এবং অন্যদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে সাহায্য করুন।

> যদি শরীরে বা পোশাকে আগুন লেগেই যায়, তাহলে দৌড়াদৌড়ি করবেন না। শুয়ে পড়ুন ও গড়াগড়ি দিতে থাকুন যতক্ষণ না আগুন নিভে যায়। সম্ভব হলে আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে ভেজা কাঁথা বা কম্বল দিয়ে জড়িয়ে ধরুন। এতে আগুন দ্রুত নিভে যাবে।

সূত্র: বিবিসি


আরও খবর



বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১০২জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দোস মোহাম্মদ (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুন) বিকেলে উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দোস মোহাম্মদ ওই এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. হাসান চৌধুরী বলেন, বিকেলে ঘরের চালার ওপর উঠে ছাউনি ঠিক করতে গিয়ে দোস মোহাম্মদ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এসময় পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।


আরও খবর



নাটোরে ঘাট দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৮

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

নাটোরের লালপুরে নদীর ঘাট দখলকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (২৬ জুন) দুপুরে উপজেলা সদরের কলোনি ঘাট এলাকায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মতিউর রহমান ও আওয়ামী লীগ কর্মী আমিনুল ইসলামের লোকজনের মধ্য এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার দক্ষিণ লালপুর গ্রামের বিপ্লব (৩৫), সেন্টু (৩৭), বকুল (৪০), খাইরুল (৪৫), রিফাত হোসেন (১৭), আমিরুল ইসলাম (৩৫), শামীম (৩৮) এবং ঝন্টু (৩৩)। তাদের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, দুপুরে লালপুর উপজেলার কলোনি নৌকা ঘাটের আধিপত্য বিস্তার বিরোধ নিরসনে লালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিকের কাছে যায় উভয়পক্ষ। সেখানে এ বিষয়ে কোনো মীমাংসা না হওয়ায় চেয়ারম্যানের কাছে দুদিন সময় চেয়ে তারা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বের হয়ে যান। এ সময় কলোনিতে প্রবেশের সময় দুই পক্ষের লোকজনের মধ্য কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষই লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এ সময় অন্তত আটজন আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। আহত আমিরুল ইসলাম ও বকুলের অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুরুজ্জামান শামীম বলেন, দুজনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর বলেন, বিবদমান দুপক্ষের বিরোধ নিরসনে তিনি চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ঐক্যমতে না আসায় তারা সময় চেয়ে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চলে যান। এরপরেই সংঘর্ষের কথা জানতে পারি।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনোয়ারুজ্জামান জানান, নৌকা পারাপারের ঘাট দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের লোকজনের সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।


আরও খবর



ঊর্ধ্বমুখী করোনা সংক্রমণ, আরও ১৬২ জনের শনাক্ত

প্রকাশিত:Tuesday ১৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ২৫ June ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
Image

দেশে বাড়তে শুরু করেছে করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৬২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর আগে সোমবার ১২৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

সংক্রমণ বাড়লেও এসময় করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। ফলে দেশে মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ১৩১ জনই রয়েছে। আর করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫৪ হাজার ৪০৫ জনে। শনাক্তের হার ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


আরও খবর