Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে রেস্টুরেন্টে আগুন

প্রকাশিত:Thursday ০২ June 2০২2 | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের মানিকদি বাজারে একটি রেস্টুরেন্টে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনে আগুন। বৃহস্পতিবার (২ জুন) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

কুর্মিটোলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে খবর আসে মানিকদি বাজারের আল-মদিনা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে আগুন লাগে। খবর পেয়ে দ্রুত কুর্মিটোলা ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়।

তিনি বলেন, আগুনে কেউ হতাহত হয়নি। ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় মানিকদি বাজারের অনেক দোকান আগুন থেকে রক্ষা পেয়েছে।


আরও খবর



যুদ্ধের মধ্যে ইউক্রেনের রাজধানীতে বিয়ে বেড়েছে ৮ গুণ

প্রকাশিত:Thursday ২৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলছে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। এরই মধ্যে লাখ লাখ ইউক্রেনীয় দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। প্রতিনিয়তই হতাহতের ঘটনা ঘটছে। রাশিয়ার ধারাবাহিক হামলায় বিধ্বস্ত হচ্ছে ইউক্রেনীয়দের বাড়ি-ঘর। এমন পরিস্থিতিতেই এল এল ভিন্ন খবর। যুদ্ধ চলার মধ্যেই ইউক্রেনজুড়ে বিয়ের সংখ্যা বেড়েছে। কেবল রাজধানীতেই বিয়ে বেড়েছে আট গুণ বেশি। খবর এনডিটিভির।

জানা গেছে, গত পাঁচ মাসে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির রাজধানীতে নয় হাজার ১২০টি বিয়ের নিবন্ধন হয়েছে। ২০২১ সালের একই সময়ে এ সংখ্যা ছিল এক হাজার একশ ১০টি। সে হিসেবে বিয়ের সংখ্যা আট গুণ বেড়েছে।

যুদ্ধে যাওয়ার আগমুহূর্তে পুরোপুরি সেনা পোশাকে ২২ বছর বয়সী আনাস্তাসিয়ার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছিলেন ২৫ বছর বয়সী ভিতালি চার্নিখ। তিনি বলেন, যুদ্ধের সময় বিয়ে করা একটি সাহসী ও কঠিন সিদ্ধান্ত। কারণ কেউ জানে না পরবর্তীতে কী হতে যাচ্ছে। যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।

ইউক্রেনে বিয়ে করতে আইনি জটিলতায় পড়তে হচ্ছে না। প্রথমে নিবন্ধন না করে যেকেউ তাৎক্ষণিক বিয়ে করতে পারে। আর এ সুবিধাই নিচ্ছেন দম্পতিরা।

১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন চূড়ায় গিয়ে ঠেকেছে, তখন যুক্তরাষ্ট্রে ১২ মাসে ১৮ লাখ বিয়ে হয়। এই সংখ্যা এক দশক আগের চেয়ে ৮৩ শতাংশ বেশি।


আরও খবর



রাশিয়া-ইউক্রেন চুক্তির পরেও শস্য রপ্তানিতে বাধা অনেক

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

ইউক্রেনের লাখ লাখ টন শস্য বহির্বিশ্বে পাঠাতে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি হয়তো হয়েছে, তবে কৃষ্ণসাগর দিয়ে রপ্তানিতে সব বাধা এখনো দূর হয়নি। বরং বলা যায়, চ্যালেঞ্জের সবে মাত্র শুরু। বৈশ্বিক খাদ্য সংকটের আশঙ্কার জেরে গত শুক্রবার (২২ জুলাই) জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় ইউক্রেনের গম, ভুট্টা ও তেলবীজ রপ্তানির জন্য কৃষ্ণসাগরের অবরোধ তোলার বিষয়ে একটি চুক্তিতে সই করেছে রাশিয়া। তবে এসব শস্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় জাহাজ ও নাবিক জোগাড় রাতারাতি হওয়ার মতো কোনো কাজ নয়।

শিপিং কোম্পানিগুলোর পাশাপাশি শস্য ব্যবসায়ীরা রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যকার এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে এখনো জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা এবং শস্য পরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত বিমা নিশ্চিত করার মতো বেশ কিছু বাধা রয়েছে বলে সতর্ক করেছেন তারা।

প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ইউক্রেনের উপকূলীয় জলসীমা মাইন-মুক্ত করতে হবে অথবা অন্ততপক্ষে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ একটি করিডোর তৈরি করতে হবে। এই কাজে কতটা সময় লাগতে পারে সে বিষয়ে কিয়েভ থেকে ভিন্ন ভিন্ন কথা শোনা গেছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, এতে ন্যূনতম ১০ দিন থেকে কয়েক মাসও লেগে যেতে পারে।

যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনে জমা হওয়া প্রায় দুই কোটি টন শস্য পরিবহনের জন্য অন্তত ৪০০টি কার্গো জাহাজের দরকার পড়বে, যার প্রতিটিতে ৫০ হাজার টন শস্য তোলা যাবে। শিপিং বিশ্লেষকদের ধারণা, অন্য রুটের জাহাজগুলো ঘুরিয়ে কৃষ্ণসাগরে আনতে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে। এটি নির্ভর করছে মূলত পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে জাহাজের প্রাপ্যতার ওপর।

যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনের বন্দরগুলোতে আটকা পড়ে ১০০টির বেশি জাহাজ, যার বেশিরভাগই পণ্যবাহী বলে ধারণা করা হয়। তবে এসব জাহাজও তাৎক্ষণিকভাবে সাগরে যাত্রা শুরু করতে পারবে না। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব শিপিংয়ের মহাসচিব গাই প্লাটেনের কথায়, জাহাজগুলো ২৪ ফেব্রুয়ারি (যুদ্ধ শুরুর দিন) থেকে থেমে রয়েছে। সুতরাং আমাদের আগে নিশ্চিত হতে হবে, সেগুলো ব্যবহারযোগ্য। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, জাহাজগুলোতে সঠিক নাবিক রয়েছে। কারণ অনেক নাবিককেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর সময় ইউক্রেনের বন্দরগুলোতে দাঁড়িয়ে থাকা জাহাজগুলোতে সবমিলিয়ে প্রায় দুই হাজার নাবিক ছিলেন। কয়েক মাস ধরে সরিয়ে নিতে নিতে তাদের মাত্র ৪৫০ জন অবশিষ্ট রয়েছেন।

এ অবস্থায় ইউক্রেন শস্য রপ্তানির জন্য জাহাজগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক নাবিক দিতে পারবে কি না, তা অনিশ্চিত। যুদ্ধের আগে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ নাবিক ছিল রাশিয়া-ইউক্রেনের।

একবার জাহাজ ও নাবিক জোগাড় হয়ে গেলে এরপর তাদের জন্য পর্যাপ্ত ‘যুদ্ধ বিমা’ নিশ্চিত করতে হবে জাহাজমালিককে। নিশ্চিতভাবেই এর প্রিমিয়াম হবে অনেক চড়া। এমনকি তারপরেও অনেক মালিক তাদের জাহাজ ও নাবিকদের এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে পাঠাতে চাইবেন না।

এত সব চ্যালেঞ্জ সামলানো যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। কিন্তু ঘড়ি থেমে নেই। ইউক্রেনীয় কৃষকরা শিগগির বসন্ত মৌসুমের ফসল রোপণ শুরু করবেন। সেগুলোর জন্য দেশটির শস্য গুদামগুলো খালি করা দরকার।

কৃষ্ণসাগরে অবরোধের কারণে ইউক্রেনীয় সরকার ও কৃষি উৎপাদকরা রেল, সড়ক ও নদীপথে রপ্তানির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। আন্তর্জাতিক শস্য কাউন্সিলের (আইজিসি) তথ্যমতে, গত জুনে ইউক্রেনের এ ধরনের রপ্তানি রেকর্ড ২৩ লাখ টনে পৌঁছেছে। তারপরও, যুদ্ধ শুরুর আগে দেশটি সমুদ্রবন্দর দিয়ে যে পরিমাণ শস্য রপ্তানি করতো, এটি তার তিন ভাগের একভাগ মাত্র।

আইজিসির হিসাবে, নতুন শস্য রাখার জায়গা করার জন্য ইউক্রেনকে আগামী তিন মাস প্রতি মাসে অন্তত ৭০ লাখ টন শস্য রপ্তানি করতে হবে। আইজিসি’র জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ আলেকজান্ডার কারাভায়েতসেভ বলেন, ফের চালু হওয়ার পর প্রথম মাসে ৫০ লাখ টন শস্য পরিবহনও খুব চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। আমাদের হিসাবে, ইউক্রেনের বন্দরগুলো আবার খুলে দেওয়া হলেও অতিরিক্ত গুদামের প্রয়োজন পড়তে পারে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


আরও খবর



গলছে এশিয়ার হিমবাহ, বিপন্ন কোটি কোটি জীবন

প্রকাশিত:Thursday ২১ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

হিমালয়ের বরফ ও হিমবাহের ওপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষাভাবে নির্ভরশীল এ অঞ্চলের কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন ও তীব্র দাবদাহে ক্রমাগত গলছে সেই বরফ। বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, বিশ্বের অন্য অঞ্চলগুলোর চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উত্তপ্ত হচ্ছে হিমালয়। এতে বিপন্ন হয়ে পড়েছে অসংখ্য প্রাণ।

গত মে মাসে উত্তর পাকিস্তানের হাসানাবাদের হিমবাহী হ্রদের পানি উপচে বন্যা দেখা দেয়। ভেসে যায় বহু বাড়িঘর। ধ্বংস হয় দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ও একটি সেতু। এতে মারা যান ৭৫ জনের বেশি মানুষ।

ওই সময় পাকিস্তান সরকার জানায়, দেশটির ৩৩টি হিমবাহী হ্রদ অস্বাভাবিক গরমের কারণে বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। সেখানকার ৭০ শতাংশ মানুষ সুপেয় পানির জন্য এসব হ্রদের ওপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ, হিমবাহ চিরতরে গলে গেলে পানীয় জলের অভাবে পড়বেন তারা।

গলছে এশিয়ার হিমবাহ, বিপন্ন কোটি কোটি জীবন

হিমালয়, কারাকোরাম ও হিন্দুকুশ পর্বতমালা নিয়ে গঠিত এশীয় পার্বত্য অঞ্চল। চীন থেকে আফগানিস্তান পর্যন্ত বিস্তৃত এই এলাকায় অন্তত ৫৫ হাজার হিমবাহ রয়েছে। উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর বাইরে পৃথিবীতে স্বাদুপানির সবচেয়ে বড় উৎস এটি। এই পানি এশিয়ার ১০টি নদ-নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়, যার ওপর নির্ভরশীল প্রায় ২০০ কোটি মানুষ। এর মধ্যে গঙ্গা, সিন্ধু ও ব্রহ্মপুত্রের পানির ওপর নির্ভরশীল ৭৫ কোটি মানুষের জীবন।

গলতে থাকা হিমবাহের কারণে শুধু পানীয় জলের সংকটই নয়, বাধাগ্রস্ত হবে বিদ্যুৎ উৎপাদনও। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমালয় অঞ্চলে ২৫০টির বেশি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র হুমকিতে রয়েছে। বরফ গলে গেলে পানির অভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো।

jagonews24

জাতিসংঘের ইউএনডিপির তথ্য অনুসারে, হিমালয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে বাড়ছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন দেড় ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখতে না পারলে মধ্য এশিয়ার দুই-তৃতীয়াংশ বরফ হারিয়ে যেতে পারে চলতি শতকের শেষের দিকে।

ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্সে জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কায় যেসব দেশ বেশি বিপদে, তার শীর্ষ দশে রয়েছে পাকিস্তান ও নেপাল এবং ভারত ও আফগানিস্তান রয়েছে শীর্ষ বিশে।

গলছে এশিয়ার হিমবাহ, বিপন্ন কোটি কোটি জীবন

দায় কার
হিমালয়ের বরফ গলার পেছনে ভূমিকা রাখছে মূলত বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি। কিন্তু এজন্য ভুক্তভোগী দেশগুলোর দায় খুবই সামান্য। যেমন- জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী গ্যাস নিঃসরণে পাকিস্তানের ভূমিকা মাত্র এক শতাংশ। আফগানিস্তান-নেপালের দায় আরও কম। কিন্তু এই দেশগুলোতেই বন্যা, ভূমিধস কিংবা পানির সংকট ক্রমশ বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমবাহ বাঁচাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বায়ুদূষণ রোধ। এ অঞ্চলে কার্বন নিঃসরণের পেছনে ইটের ভাটা ও জীবাষ্ম জ্বালানি দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেত্রে দায়ী। দ্বিতীয় বৃহৎ দূষণকারী হলো ডিজেলচালিত গাড়ি, যার কারণে সাত থেকে ১৮ শতাংশ বায়ুদূষণ হয়।

সূত্র: ডয়েচে ভেলে


আরও খবর



তাইওয়ানের আশেপাশে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে চীন

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

তাইওয়ানের আশেপাশে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে চীন। মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। খবর রয়টার্সের।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার এসব ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। চীনের রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাইওয়ান প্রণালীতে চীনের সবচেয়ে বড় মহড়ার মধ্যে তাইওয়ানের আশেপাশের জলসীমা এবং আকাশসীমায় সরাসরি ফাঁকা গুলিও ছোড়া হবে।

এর আগে ১৯৯৬ সালে শেষবার তাইওয়ানের আশেপাশে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল বেইজিং। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উত্তরপূর্ব ও দক্ষিণপূর্ব সাগরে বেশ কয়েকটি ডংফেং ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।

তাইওয়ানের মাতসু দ্বীপের কাছেও দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে চীন। তাইওয়ানের কর্মকর্তারা বলছেন, চীনের এ ধরনের মহড়া জাতিসংঘের নিয়ম লঙ্ঘন করে। একে নিজেদের আঞ্চলিক সীমায় আক্রমণ এবং আকাশসীমা ও
জলসীমায় নৌ চলাচলের ক্ষেত্রে সরাসরি চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখছে তাইওয়ান।

তাইওয়ানের চীন যে সামরিক মহড়া শুরু করেছে তা নজিরবিহীন। নৌ ও আকাশ পথে দেশটি মহড়া চালানো হচ্ছে। মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর শেষেই চীন এমন পদক্ষেপ নেয়। মূলত চীনের চরম আপত্তি থাকা স্বত্ত্বেও মার্কিন এই শীর্ষ রাজনীতিবিদ মঙ্গলবার (২ আগস্ট) তাইওয়ান সফরে যাওয়ায় ক্ষেপে গেছে বেইজিং।

সিসিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তাইওয়ানের চারপাশে ছয়টি জায়গায় সামরিক মহড়া শুরু হয়েছে। মূলত পেলোসির তাইওয়ান সফরের শুরু থেকেই সামরিক প্রস্তুতি নিতে শুরু করে চীন। এরপর তাইওয়ানকে শাস্তি দিতে বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছে দেশটি। এদিকে তাইওয়ান জানিয়েছে, চীনের চলমান সামরিক মহড়া আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তাইওয়ানের উত্তর, দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তরপূর্বাঞ্চলে যৌথভাবে আকাশ ও সমুদ্রে চীনের মহড়া চলবে। তাইওয়ান প্রণালীতে দীর্ঘ পাল্লার ‘লাইভ ফায়ারিং’ করা হবে।

অপরদিকে নিজেদের আকাশসীমায় একাধিক চীনা যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে তাইওয়ান। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা (চীন) বার বার আমাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করছে।তারা আমাদের হয়রানি করছে।


আরও খবর



অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে বঁটির কোপ, অস্ত্রোপচারে মৃত সন্তান প্রসব

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ১০৫জন দেখেছেন
Image

স্বামীর বঁটির কোপে গুরুতর আহত ভৈরবের মিতু আক্তারের পেট থেকে অস্ত্রোপচার করে মৃত প্রসব করানো হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার নিউ টাউন এলাকায় স্বামীর বঁটির কোপে গুরুতর আহত হন মিতু আক্তার (১৮)। পরে তাকে ঢামেকে নিয়ে এলে ওইদিন রাতেই তার অস্ত্রোপচার করেন চিকিৎসকরা।

শনিবার (২৩ জুলাই) রাতে মিতুর বোন ঝুমুর বেগম বলেন, আমার বোন আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। দুই বছর আগে মো. জাহেদ মিয়ার (৩২) সঙ্গে তার বিয়ে হয়। জাহিদ আগেও একটি বিয়ে করেন। সেই ঘরে আড়াই বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। সে তার আমার মায়ের কাছে থাকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আমার বোনের সঙ্গে তার কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে রান্নাঘর থেকে বঁটি এনে জাহেদ মিতুকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে জাহেদকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় মিতুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়। দিবাগত রাত দেড়টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার মৃত প্রসব করানো হয়।

তিনি বলেন, জাহেদ বিভিন্ন জায়গা থেকে ভাঙারির মালামাল কুড়িয়ে দোকানে বিক্রি করেন।তিনি মাদকাসক্ত। এ নিয়ে আমার বোনের সঙ্গে প্রায়ই তার ঝগড়া হতো।

ঝুমুর বলেন, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন এক সপ্তাহ পর মিতুর আবার অপারেশন লাগবে। এই সময় তাকে আইসিইউতেও রাখতে হতে পারে বলেও জানান চিকিৎসকরা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানায়। মিতু স্বামীর সঙ্গে নিউ টাউন এলাকায় থাকতেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


আরও খবর