Logo
আজঃ মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম
নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা পদে ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা পদে ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ঈদ পর ফের বাড়লো হিলিতে আলু,পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম পানি নিষ্কাশনের মুখে নন্দন পার্কের বাঁধ, উৎসবেও জলবদ্ধতায় দুর্ভোগ বাড়তি ফি টেস্ট পরীক্ষার নামে নেওয়া যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কারিকুলাম যুগোপযোগী করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল, আজ থেকেই কার্যকর ফরিদপুরে নিহতদের পরিবার পাচ্ছে ৫ লাখ টাকা, আহতরা ৩ জামিন পেলেন ড. ইউনূস ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস

গুলিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ,নিহত ১৪, আহত অর্ধশতাধিক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মার্চ ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ২৪৩জন দেখেছেন

Image

বহুতল ভবনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি । তবে, বিস্ফোরণের কারণ ও হতাহতের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। 

ফায়ার সার্ভিসের দায়িত্বরত কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের পাঁচটি টিম সেখানে কাজ করছে। হতাহতের সংখ্যা ও বিস্ফোরণের কারণ এখনও নিশ্চিত নয়।’ স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ভবনটির এসি থেকে এই বিস্ফোরণ থাকতে পারে।

নর্থ সাউথ রোডের সুরিটোলা স্কুলের কাছাকাছি ওই ভবনটির আশপাশ এখন ধোঁয়ায় পরিপূর্ণ। ঘটনাস্থলে রয়েছেন আমাদের প্রতিনিধি। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে—এসি থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। বংশাল থানার পক্ষ থেকেও স্থানীয়দের বরাতে একই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বিকট আওয়াজের বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে ধোঁয়ায় ছেঁয়ে যায়। বিস্ফোরণে ইট-পলেস্তারা, কাঠের টুকরা বহু দূর ছিটকে পড়ে। এতে অনেকে আহত হন। গুরুতর আহতও আছেন।

বংশাল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জয়নাল আবেদিন বলেন, ‘আমরা গুলিস্তানের একটি ভবনে বিস্ফোরণের খবর পেয়েছি। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের টিম  ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে। স্থানীয়রা জানিয়েছে—এসি থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। আমাদের টিম গেলে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। তবে, হতাহতের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।




আরও খবর



রেলপথে ৩ মাস ৫ দিনে ১৫৮ দুর্ঘটনায় ঝরেছে ৮৫ প্রাণ

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image
খবর প্রতিদিন ২৪ডেস্ক:রেলক্রসিংয়ে গেট কিপার না থাকায় ফেনীর ফাজিলপুর রেলক্রসিংয়ে বালুভর্তি ট্রাকে ট্রেনের ধাক্কার ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে গত ৩ মাস ৫ দিনে ছোট-বড় ১৫৮ টি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৪৪ জন এবং নিহত ৮৫ জন। এরমধ্যে অধিকাংশ দুর্ঘটনাই ঘটেছে গেট কিপারদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে বলে জানিয়েছেন সেভ দ্য রোড-এর মহাসচিব শান্তা ফারজানা। সেভ দ্য রোড-এর চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনাম, প্রতিষ্ঠাতা ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, ভাইস চেয়ারম্যান বিকাশ রায় ও জিয়াউর রহমান জিয়ার তত্ত্বাবধায়নে ২৪ টি জাতীয় দৈনিক, ১৮ টি ইলেকট্রনিক্স গণমাধ্যম, ২২ টি নিউজ পোর্টাল এবং সারাদেশে সেভ দ্য রোড-এর বিভিন্ন শাখার স্বেচ্ছাসেবিদের তথ্যর ভিত্তিতে তৈরি করা এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়- চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত রেলক্রসিংয়ে গেট কিপার না থাকা, দায়িত্বে অবহেলা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশিল না হওয়ায় ১২২ টি রেলক্রসিং দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ১১৭ জন, নিহত হয়েছেন ৬১ জন; ছাদ থেকে/ট্রেনে কাটা পরে বা ধাক্কার ৩৬ টি দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ২৭ জন এবং নিহত হয়েছেন ২৪ জন। প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়- সারা দেশে তিন হাজার কিলোমিটার রেলপথে থাকা তিন হাজার ৩৯৮টি ক্রসিংয়ের মধ্যে দুর্নীতি-দায়িত্বে অবহেলার দুযোগে অবৈধ ১ হাজার ৩৬১টিতেই প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, নির্মিত হচ্ছে মৃত্যু ফাঁদ। রেলক্রসিংয়ের মধ্যে প্রায় ৪৮ শতাংশ অবৈধ আর তাঁর সাথে উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে-৩৩টি ক্রসিং কে বা কারা ব্যবহার করছে, তা কেউ জানে না। এছাড়া বৈধ লেভেল ক্রসিংগুলোর মধ্যে ৬৩২টিতে গেটকিপার নেই। অবৈধ লেভেল ক্রসিংগুলোয় যেমন গেটকিপার নেই, নেই কোনো সুরক্ষা সরঞ্জামও। আকাশ-সড়ক-রেল ও নৌপথ দুর্ঘটনামুক্ত করার লক্ষে ২০০৭ সাল থেকে সচেতনতা- গবেষণা ও স্বেচ্ছাসেবা করে আসা সংগঠন সেভ দ্য রোড-এর রেলক্রসিং বিষয়ক এই প্রতিবেদনে ১ জানুয়ারি থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত এই দুর্ঘটনাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রতিকারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য রেল মন্ত্রী, রেলওয়ের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানানো হয়।  

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি নিহতদের পরিবারকে কমপক্ষে ১০ লক্ষ এবং আহতদের সরকারি অর্থায়নে চিকিৎসার দাবি জানানোর পাশাপাশি সেভ দ্য রোড ৭ টি প্রস্তাব দিয়েছে ১. অবৈধ ক্রসিংগুলোর সমস্যা অনতিবিলম্বে সমাধান করা ২. দুর্নীতিবাজ রেল কর্মকর্তা কর্মচারিদেরকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয় ৩. সরকারি লেজুড়ভিত্তিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে শ্রমিক লীগের নামে নেতাকর্মীদের দৌরাত্ম বন্ধ করে রেলকে গণমূখি বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠায় আত্ম নিয়োগ করা ৪. যত দ্রুত সম্ভব বাংলাদেশ রেলওয়েকে বেসরকারি খাত থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্রিয় তত্বাবধায়নে পরিচালনার সুপরিকল্পিত উদ্যেগ গ্রহণ করা ৫. সচিব-কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সকল রকম আরাম-আয়েশী সুযোগ-সুবিধা বাতিল করে সারাদেশে রেলওয়ের উন্নয়নে নিবেদিত রাখা ৬. সেবার মান উন্নয়নে রেলওয়ে পুলিশ-সকল কর্মকর্তা-কর্মচারিদের উপর নজরদারি বাড়ানো এবং সারাদেশের সকল স্থানে কার্যকর সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা ৭. প্রতি ৩ কিলোমিটারে পর্যবেক্ষণ করার জন্য রেলওয়ে পুলিশ-এর বিশেষ বুথ স্থাপন করা।

আরও খবর



মধুপুরে দিন ব্যাপী খাদ্য ও বৈচিত্র্য মেলা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১৬৪জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ-

টাঙ্গাইলের মধুপুরে সারাদিন ব্যাপী খাদ্য ও বৈচিত্র্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। করিতাস ময়মনসিংহ অঞ্চল আলোক-৩ প্রকল্পের আয়োজনে রবিবার( ১৭ মার্চ) খাদ্য ও বৈচিত্র্য মেলা ২০২৪ ও শিশু মেলা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর  জন্মদিন উপলক্ষে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলাধীন জলছত্র সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।এ মেলায় কারিতাস আলোক-৩ প্রকল্প এঁর কৃষক দলের সদস্যদের জৈব পদ্ধতিতে চাষাবাদের শাকসব্জী ফলমূল প্রদর্শন করা হয়।


মেলার স্টল প্রদর্শনী, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর মধ্য দিয়ে সারা দিন ব্যাপী মেলা চলমান ছিল। মেলায প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জুবায়ের হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, মধুপুর উপজেলা সিবিএএনসি কমিটি কারিতাস আলোক-৩ প্রকল্পের সভাপতি মিঃ ইউজিন নকরেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইউসিজিএম এর সভাপতি মিঃ অজয় এ মৃ, উপজেলা পরিষদের মহিলা  ভাইস চেয়ারম্যান যষ্ঠিনা নকরেক।


জলছত্র সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রমিলা কর্মকার,ফোকাল পার্সন আলোক-৩ প্রকল্পের মিঃ বাধন চিরান, আলোক -৩ প্রকল্পের কৃষি অফিসার মিস এনা নকরেক,কারিতাস আলোক-৩ প্রকল্পের ফিল্ড অফিসার মিসেস সূচনা রুরাম, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মিসেস পিউ ফিলোমিনা ম্রং সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক গন।অনুষ্ঠান শেষে  ৩ জন কৃষক এর জন্য জৈব পদ্ধতিতে প্রদর্শনী প্লট করার জন্য  আলোক -৩ প্রকল্পের সহায়তায় পাঁচ হাজার করে মোট পনের হাজার টাকা নগদ প্রদান করা  হয়।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



দৌলতপুরে মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে মানববন্ধন করে অবশেষে সাংবাদিক সম্মেলনে সংশোধন

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৩জন দেখেছেন

Image

খন্দকার জালাল উদ্দীন, দৌলতপুর,কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার আল্লারদর্গায় মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে আপন চাচাতো ভায়ের বিরুধ্যে মানববন্ধন করে অবশেষে সাংবাদিক সম্মেলনে সংশোধন করেন বাদী পক্ষ। ২৪ মার্চ রবিবার সকাল ১১টায় আল্লারদর্গা প্রেস ক্লাবে এসে লিখিত বক্তব্যে জানান, আমি মঞ্জুরুল হক মানিক, স্বপন,রনজিত আলি,তনজিত আলি সহএলাকাবাসী এই মর্মে সংবাদ সম্মেলন করছি যে, গত ১৯ ফেব্র“য়ারি ২০২৪, আমরা একটি মানববন্ধন করেছিলাম, যার শিরোনাম ছিল “অন্যের জমি দখল করে লিজ দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন” মানব বন্ধনের খবরটি ২০ ও ২১ ফেব্র“য়ারী বিভিন্ন পত্র প্রত্রিকায় প্রকাশ হয়। বুঝতে না পেরে আমারা ধারণা করে ছিলাম, চাচাতো ভাই এ্যাডভোকেট আলতাব হোসেন শিল্পপতির কাছে চার/পাঁচ জনের জমি একাই লিজ দিয়ে টাকা নিয়ে ঢাকা চলে গেছেন। এই ভুল বোঝার কারণেই আমরা এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছিলাম। পরে জানতে পারলাম যে তিনি তার নিজের জমি সাত শতক লিজ দিয়ে চলে গেছেন। এ কারণে আমার চাচাতো ভাই আলতাব হোসেন মান-সম্মানের ক্ষতি করেছি ভেবে আমাদের উপর খুবই অসন্তুষ্ট হন। আমরা এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাকে এবং এলাকাবাসীদের জানাতে চাই, আমরা ভুল বুঝে একটা মানববন্ধন করেছিলাম। আমার বড় ভাই আলতাফ হোসেন তিনি যেন আমাদের উপর অসন্তুষ্ট না হয়ে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন,আমরা ক্ষমা প্রার্থী। এই প্রত্যাশা রেখে সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন এখানেই সমাপ্ত করছি। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



জয়পুরহাটে নানা আয়োজনে একুশে টেলিভিশনের ২৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১০০জন দেখেছেন

Image

এস এম শফিকুল ইসলাম,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃজয়পুরহাটে নানা আয়োজনে বাংলাদেশের সর্ব প্রথম বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের ২৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী, কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সামনে একটি র‌্যালী বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাব চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এরপরে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে একুশে টেলিভিশনের জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি এস এম শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট সামসুল আলম দুদু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জয়পুরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক মায়ের আঁচলের সম্পাদক এ্যাডভোকেট নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল পিপি, সহ- সভাপতি শাহাদুল ইসলাম সাজু, যুগ্ম সম্পাদক মাসুদ রানা, কোষাধ্যক্ষ মাশরেকুল আলম, সাবেক সভাপতি মোস্তাকিম ফাররোখ, এনটিভির জেলা প্রতিনিধি শাহজাহান সিরাজ মিঠু, কালের কন্ঠের নিউজ টুয়েন্টিফোরের জেলা প্রতিনিধি আলমগীর চৌধুরী, যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল আলিম, বাংলাভিশনের জেলা প্রতিনিধি আবু বক্কর সিদ্দিক, জিটিভির জেলা প্রতিনিধি খ ম আব্দুর রহমান রনি, চ্যালেন টুয়েন্টিফোরের জেলা প্রতিনিধি হারুনুর রশিদ, একাত্তর টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম হোসেন, ডিবিসি নিউজ ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি শামীম কাদির, আরটিভির জেলা প্রতিনিধি রাশেদুজ্জামান, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি রবিঊল ইসলাম রুবেল, ভোরের কাগজের ক্ষেতলাল উপজেলা প্রতিনিধি আক্তারুজামান রিপন সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

একুশে টেলিভিশনের সমৃদ্ধি ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন অতিথিরা বলেন,স্বাধীনতার পরে দেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি টেলিভিশন হচ্ছে একুশে টেলিভিশন।দেশের ক্রান্তিলগ্নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে এই টেলিভিশন। একুশে টেলিভিশন দেশে সাংবাদিকতার পথ প্রদর্শক, গণমাধ্যমে সৃষ্টি করেছে নতুনধারা।আলোচনা সভা শেষে প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পদার্পণে একুশে টিভির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামানা করে কেক কাটেন অথিতিরা।


আরও খবর



নববর্ষের উল্লাসে পালিত হলোনা মধুপুরের পাক হানাদার প্রতিরোধ দিবস

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৫৯জন দেখেছেন

Image

বাবুল রানা বিশেষ প্রতিনিধি মধুপুর টাঙ্গাইলঃসময় চলে যায়। মহাকালের স্রোতে গা ভাসিয়ে আমরাও এগিয়ে চলি সামনের দিকে। পিছনে পড়ে থাকে শুধু স্মৃতি৷ আজ থেকে ৫৪ বছর আগে এমনি একটি পহেলা বৈশাখে মধুপুরের ছাত্র-যুবক সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ ১৯৭১ সালের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ভাষনে উজ্জীবিত হয়ে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। ১৯৭১ সালে মধুপুরের সেই উত্তাল দিনগুলোর প্রত্যক্ষ সাক্ষী মোহন লাল দাস । মধুপুরের ভবিষৎ প্রজন্মদের জন্য তার স্মৃতিচারণ মুলক লেখাটি হুবুহ তুলে ধরা হলো-“তথ্যের অন্তরালে তত্ত্ব।

স্মৃতির পাতার ধারাবারিকতায় ছন্দপতন ঘটিয়ে ১৯৭১ এর ১৪ই এপ্রিল সম্বন্ধে কিছু লেখার লোভ সামলাতে পারলাম না।তাই কিছুটা কাল্পনিক মোড়কে বাস্তব চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করছি। বর্ণনায় অনেক ভুল সেই কথা সাজানোর অক্ষমতার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছিএবং আমার বর্ণনা যদি মধুপুরবাসী কোন পাঠকের হৃদয়ে স্থান পায় নিজেকে ধন্য মনে করবো৷এখানে জানিয়ে রাখি কারো নাম উল্ল্যেখ করে ব্যাক্তি আক্রমন আমার স্বভাব বিরোদ্ধ।তাই কিছুটা কল্পনার আশ্রয় নিয়েছি।

১৪ই এপ্রিল মধুপুর পাক হানাদার প্রতিরোধ দিবস।প্রশ্ন জাগে আজও কি পাক-বাহিনী বাংলার মাটিতে চষে বেড়ায়,আজও কি নরঘাতক পিচাস মা বোনদের ইজ্জত লুন্ঠনকারী স্বৈরাচারী নৱাধম গোষ্টী বর্তমান ? ওরা না কবে তল্পী টোপলা গুটিয়ে চলে গেছে! না _ ওরা চলে গেছে ঠিকই ওধু এক দল সাপুড়িকে সাপ খেলানোর মন্ত্ৰ শিখিয়ে গেছে | ঐ সময় একটা গোষ্ঠি পাক বাহিনীর আগমনের প্রত্যাশায় প্রহর গুনতো।তারা কারা ? তারা তো তারাই যারা বঙ্গবন্ধুর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে অন্তর থেকে মেনে নিতে পারে নাই৷

মধুপুর যখন আকাশ পথে বোমা বর্ষন হচ্ছে আতঙ্কিত সবাই শুধু প্ৰানটা হাতে নিয়ে উর্দ্ধশ্বাসে ছুটে চলছে ঐ মূহুর্ত্তে জনৈক একজন তিনি দৌড়াচ্ছিলেন বয়সের ভারে দৌঁড়াতে না পেরে পা পিছলে পড়ে যায়। ঐ সময় তার মুখ নিসৃত বাণীটি ছিল এরূপ। “হালারা স্বাধীন মারায়„ পাঠক মহোদয় শেষের শব্দটা আমি হুবুহু তুলে ধরি নাই কারণ অশ্লীলতার একটা সীমা আছে।শুধু এইটুকু জেনে রাখুন তার সংযোজিত শব্দ ছিল ওর চেয়ে আরও ৩ মাত্রা পঞ্চমে। এখানে লক্ষ্যনীয় বিষয় তিনি ছিলেন সকল মুক্তিকামী মানুষের থেকে আলাদা দৃষ্টিভংগী সম্পন্ন।পাক বাহিনী এসে সিও অফিসে তাদের প্রধান কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করলো।

এবার তিনারা ও বিশেষ একটি দলীয় পরিচয় ও মর্যাদা নিয়ে করমর্দন ও স্বাগতম জানালো।পাঠক বুকে বুক মিলাতে পারে নাই কারন তারাও জানতো পাক বাহীনীর মর্জির উপর তাদের জীবন নির্ভর করে। বিষ্টায় যার জন্ম বিষ্টাইতো তার প্রিয়। শুরু হলো পাক বাহিনীর নির্দেশে এই দলের মাধ্যমে রাজাকার আলবদর ভিন্ন ভিন্ন পাক সহায়ক বাহিনী গঠন।এখানে উল্ল্যেখ্য মনপ্রানে এরা সবাই পাক সহায়ক নয় এদেরকে ভয় আর লোভ দেখিয়ে এই নির্দেশক গোষ্ঠি ভরিয়ে দেয়।

বোয়ালী এবং মধুপুরের আশে পাশের গ্রামে আতঙ্কিত মানুষ পূর্বদিকে কুড়ালিয়া চাপড়ি ছাড়াও পূর্ব দিকে বংশ নদীরপাড় এবং পাহাড় অঞ্চলে আশ্রয় নেয়। কতো বৃদ্ধ বৃদ্ধা গর্ভবতী মা ছোট শিশু কোলে নিয়ে মা ছুটছে ক্লান্তি যেন আজ পরাজিত।শতবর্ষের পঙ্কিলতা ধুয়ে মুছে বাংলার মানুষ আজ মানব মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে তাড়িত পিড়িত মানুষকে আশ্রয় দানের জন্য দুহাত সম্প্রসারিত করে বুকে টেনে নিল। অভয় দিল কিন্তু এই গোষ্টিরা সেখানেও হানা দিতে বাকী রাখলো না।হে মধুপুরবাসী আপনারা কয়েক দিন আগে ঈদ উদযাপন করলেন।

হাদিসের নির্দেশ অনুসারে জানমালের নিরাপত্তার জন্য ছাদগা-ফেতরা দান করেছেন, একবার ভাবুন সেই দিনের কথা যারা এই নিরাশ্রয় মানুষকে আশ্রয় দান করেছে ক্ষুধার্ত কে আহার দিয়েছে মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষা করেছে তাদের জন্য কি করুনাময় আল্লাহ দরবারে দোয়া চেয়েছেন? ঐ সময়ে চাপড়ির শুধাংশু ডাক্তার আশুরা গ্রামের সতীশ চন্দ্রের মৃত্যুর মূলে খোজ যারা দিয়েছে তারা এরাই। মধুপুরের বধ্য ভূমিতে টাংগাইল, মির্জাপুর, নাগরপুরসহ  ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে গাড়ী ভরে লোক এনে বংশ নদীর তীরে দাড়া করিয়ে কি নৃশংস হত্যা।

মানুষের দোষ গুন থাকে কিন্তু এমনি করে কারো মৃত্যু দেখে যার আনন্দ হয় সে কে ? পাক প্রভুদের খুশি করার জন্য অনেক নিস্পাপ মেয়ে নিয়ে উপহার দিয়েছে। সুপ্রিয় পাঠক পাপের একটা ভান্ডার আছে যেটা পূর্ণ হলে সবই বিকল হয় বাংলার আকাশে দূর্যোগের ঘনঘটা কেটে গিয়ে কাল রাতের অবসান ঘটিয়ে পুব আকাশে রক্তিম সূর্যের আবাস। এবার পাক বাহিনীর সাথে এই গোষ্ঠিও প্ৰমোদ গুনলো। মধুপুরের বাড়ী ঘর সব কিছু থেকে মুসলমানও বাদ পড়ে নাই কিন্তু এরা সম্পূর্ণ অক্ষত কারণ একটু মাথা ঘামালে পরিষ্কার।

পাক বাহিনীর বিদায় প্রাক্কালে ভেংগে পড়লো এ গোষ্ঠি। অশ্ৰু সজল চোখে এক দৃষ্টিতে জানতে চাইলো হুজুর আমরা কিভাবে অন্তরের মনিকোঠায় ধরে রাখবো চারিদিক তো ক্রমান্বয়ে সংকোচিত।পাক পন্ডিত জী বললেন ‘মত যাব রাও’ এতোদিন তোরা সাপ নিয়ে খেলেছিস কিন্তু পাক বিষাক্ত কেউটে গোমাকে নিঃশেষ করবি তোদের অজানা ছিল তাই ছোবল খেয়েছিস।

কিন্তু সাপ ধরবি সাপ নিয়ে খেলবি কিন্তু তোরা অক্ষত থাকবি? বাঃ কী চমৎকার জলে নামবো সাতার খেলবো কিন্তু কাপড় ভিজবে না বাঃ কী মজা। পাক হুজুর প্রথমে ঐ সাপের বিষাক্ত থলেটা কেটে ফেলে দিবি তারপর যত খুশী খেলাবি খেলা দেখাবি তোরা অক্ষত থাকবি৷ সাবধান সেই গুপ্ত ছদ্মবেশী পাক হানাদারের উত্তরসূরি আজও সমাজে পীর সেজে উদীয়মান তরুনদের মগজ ধোলাই করে মাথা মুন্ডন করে মুরীদ বানাচ্ছে।আজ এদের প্রতিরোধে সজাগ সতর্ক থাকতে হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর