Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম
সংবাদ সম্মেলনে হারুন অর রশীদ

গুদামে ব্যবহারের পেস্টিসাইড স্প্রে করায় ২ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ২৬৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রাজধানীর বসুন্ধরা এলাকার একটি বাসায় তেলাপোকা মারার স্প্রে করার পর দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেছেন, ওই বাসাটিতে অ্যালুমিনিয়াম ফসফেট সমৃদ্ধ পেস্টিসাইড স্প্রে করা হয়েছিল। বড় গার্মেন্টস, গুদাম বা অনাবাসিক জায়গাতে এই পেস্টিসাইড স্প্রে করা যায়। কিন্তু ঘরে এটা ব্যবহার করা যায় না। করলেও আবাসস্থল ৭২ থেকে ৯৬ ঘণ্টা ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হয়।

আজ বৃস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে  তিনি এ সব কথা বলেন।

হারুন অর-রশীদ বলেন,  এই পেস্টিসাইডে রাসায়নিক আইটেম সঠিক অনুপাতে ছিল না বলেই ধারণা করা হচ্ছে। কীটনাশক মানব জীবনের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বিশেষত তীব্র দাবদাহের এই সময়ে বিষয়টি উপলব্ধি করা দরকার ছিল পেস্টিসাইড কোম্পানির কর্মকর্তাদের। কিন্তু অর্থের লোভে কোম্পানির মালিক-কর্মচারীরা স্বাস্থ্য ঝুঁকির এই বিষয়টি উপলব্ধি করেনি। তারা পরিবারের সদস্যদেরকে যথাযথ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার উপদেশ না দিয়েই আনাড়ি, কর্মচারীদের দিয়ে এই কীটনাশক স্প্রে করিয়েছেন। যার ফলশ্রুতিতে দুইটি শিশুর জীবন ঝরে যায় অকালে। অসুস্থ হন পরিবারের অন্য সদস্যরা। এ ঘটনায় গত ৫ জুন ভাটারা থানায় একটি মামলাও হয়েছে।

ডিসিএস অর্গানাইজেশন লি. কোম্পানির চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর ফরহাদুল আমিন

তিনি বলেন, ঘটনার পরই মূল আসামি ডিসিএস অর্গানাইজেশন লি. কোম্পানির চেয়ারম্যান আশরাফুজ্জামান এবং কোম্পানিটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ফরহাদুল আমিন গা ঢাকা দেন। আজ সকাল পৌনে ৮টার দিকে নরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে এই বিষাক্ত পণ্য কোথা থেকে কিভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে, এর অনুমোদন ছিল কি না, এর রাসায়নিক অনুপাত সঠিক ছিল কি না, মানবদেহের জন্য এগুলো কতটা ক্ষতিকর তা যাচাই-বাছাই করা হবে।

পুলিশ ও নিহত দুই শিশুর পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুন বসুন্ধরার আই ব্লকের একটি নতুন বাসায় পেস্ট কন্ট্রোল সার্ভিসের কর্মীরা তেলাপোকা মারার বিষ স্প্রে করেন। এর দুদিন পর ভুক্তভোগী পরিবারটি ওই বাসায় ওঠে। বাসায় প্রবেশ করেই অসুস্থ হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। পরে তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ৪ জুন ভোরে প্রথমে শাহিল মোবারত জায়ানের মৃত্যু হয়। পরে রাত ১০টায় মারা যায় শায়ান মোবারত জাহিন (১৫)। দুই শিশুর মা শারমিন জাহান লিমা ও বাবা মোবারক হোসেনও বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। 


আরও খবর



গোদাগাড়ীতে ২টি ওয়ান শুটারগান ও১৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | ১২২জন দেখেছেন

Image

মুক্তার হোসেন,গোদাগাড়ী(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃরাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ২টি ওয়ান শুটারগান ও ১৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ রাশিকুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫। শনিবার ভোর সাড়ে ৪টায় উপজেলা মাটিকাটা ইউনিয়নের বিদিরপুর এলাকায় এলাকায় অপারেশন পরিচালনা করে র‌্যাব-৫। 

সে বিদিরপুর এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিপিএসসি, র‌্যাব-৫, রাজশাহীর একটি অপারেশন দল উপজেলার বিদিরপুর গ্রামস্থ ধৃত আসামীর নিজ বসতবাড়ীতে একটি অপারেশন পরিচালনা করা হলে,ওয়ান শুটারগান ২ টি,ফেন্সিডিল ১৪২ বোতল, মোবাইল ১টি, সীম - ০১ টি ও ধারালো হাসুয়া - ০২টি উদ্ধার উদ্ধার করে।

র‌্যাব জানায়,ধৃত আসামী একজন এলাকার চিহ্নিত মাদক ও অস্ত্র ব্যবসায়ী। সে পেশায় একজন রাজমিস্ত্র। সে নিজ পেশার আাড়ালে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক সীমান্তবর্তী অজ্ঞাত স্থান হতে নদী পার করে রাজশাহীর বিভিন্ন মদ ও অস্ত্র ব্যবসায়ীর নিকট বিক্রয় করে আসছিল। এরই প্রেক্ষিতে র‌্যাবের গোয়েন্দা দল ধৃত আসামীর গতিবিধির নজরদারী শুরু করে। গোয়েন্দাদল এটাও সনাক্ত করতে সক্ষম হয় যে, পাচারের পূর্বে ধৃত আসামী পার্শ্ববর্তী দেশ হতে অস্ত্র ও মাদক সংগ্রহ করে রাতে কিছু সময়ের জন্য তা মজুদ করে এবং দ্রুত সময়েরর মধ্যে অন্যান্য অস্ত্র ও মাদক কারবারীর মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়। 

অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও ০২টি ওয়ান শুটারগানসহ উক্ত আসামীকে হাতে-নাতে আটক করে। এ ব্যাপারে গোদাগাড়ী মডেল থানায় র‌্যাব-০৫এর পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আরও খবর



উলিপুরে ‘দৈনিক যায়যায়দিন’র ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image
বাবুল, কুড়িগ্রাম ব্যুরো চিফ:কুড়িগ্রামের উলিপুরে ‘দৈনিক যায়যায়দিন’র ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ০৬ জুন, বিকেলে উপজেলা যায়যায়দিন ফ্রেন্ডস ফোরাম’র আয়োজনে উলিপুর প্রেসক্লাবের হলরুমে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।এতে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক যায়যায়দিনের উপজেলা প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম বিটু।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সদ্য শপথ নেয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুর রহমান তালুকদার সাজু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবু সাঈদ সরকার ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মতি শিউলী।
দৈনিক করতোয়ার উপজেলা প্রতিনিধি সাজাদুল ইসলাম সাজু'র সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, জিনিউজবিডি২৪ এর কুড়িগ্রাম ব্যুরোচিফ ও উলিপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহিদুল আলম বাবুল, দৈনিক ভোরের ডাকের উপজেলা প্রতিনিধি নূরবক্ত মিয়া, দৈনিক কালের কণ্ঠের আঞ্চলিক প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান মানু, সাপ্তাহিক জুলফিকারের সম্পাদক মমতাজুল হাসান করিমী, দৈনিক পরিবেশের উপজেলা প্রতিনিধি নুরুজ্জামান সরকার, দৈনিক দাবানলের উপজেলা প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান শাহীন, দৈনিক আমার সংবাদের উপজেলা প্রতিনিধি কামরুজ্জামান স্বাধীন, সহকারি শিক্ষক হারুন অর রশীদ প্রমুখ।
  
এ ছাড়াও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে উলিপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিক, যায়যায়দিন উপজেলা ফ্রেন্ডস ফোরাম’র সদস্যগণসহ সূধিজন উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



সৈয়দপুরে ভ্যাপসা গরমে কদর বেড়েছে তাল শাসের

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১৪জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি:ভ্যাপসা গরমে সৈয়দপুরের জনজীবন অতিষ্ট হয়ে পড়েছে। একারনে গ্রীষ্মের গরমে অতিষ্ঠ মানুষের কাছে তাল শাঁসের কদর ক্রমেই বাড়ছে। এ তাল শাসের কদর শুধু শহরেই নয়, গ্রামগন্জের হাটবাজারেও ব্যাপক কদর বাড়ার চিত্র চোখে পড়ে।

উপজেলা শহরের জিআরপি মোড়,রেলওয়ে স্টেশন, পোষ্ট অফিসের সামনে ১ নং রেলগেট,সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে এ তালের শাঁস বিক্রি হতে দেখা যায় । এছাড়া উপজেলার গ্রামগন্জে সহ বিভিন্ন স্থানে এ তালের শাঁস বিক্রি হচ্ছে।

সৈয়দপুর শহরে তালের শাঁস বিক্রি করতে আশা পার্বতীপুরের আলী হোসেন জানান, ৩/৪ দিন ধরে আবারো প্রচন্ড গরমের প্রভাব পড়েছে। শহর ও গ্রামগন্জের সব শ্রেনীর মানুষ  গরমে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে।তারা ভ্যাপসা গরম নিবারণে তালের শাঁস ও বিভিন্ন রকমের শরবতসহ ঠান্ডা জাতীয় খাদ্য সামগ্রীর খাচ্ছেন ।  ক্লান্ত শরীরে তালের শাঁসসহ ঠান্ডা জাতীয় খাদ্য সামগ্রী পান করছে পথচারীরাও। বিশেষ করে তালের শাঁসের কদর বাড়ছে অনেক বেশি।

তিনি বলেন জয়পুরহাট ও যশোর সহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকারি দরে কচি তাল কিনে আনছি এবং সেগুলি শহর ও গ্রামঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছি। গাছিদের কাছ থেকে নিয়ে আসা প্রতিটি তালের দাম পড়ে ১৬ টাকা। একেকটি তালের  শাস হয় ৪ টি। ৪ টি শাস বিক্রি করছি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় ।তাল শাঁস বিক্রয়ের লাভ বেশি হলেও ২ মাসের বেশি এ ব্যবসা চলে না। তাছাড়া গরম না পড়লে এ তাল শাঁস কেউই খেতে চায় না। 

এ বিষয়ে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ওয়াসিম বারি জয় বলেন তালের শাঁস শুধু সুস্বাদুই নয়, তাল শাসে অবিশ্বাস্য পুষ্টিগুণ রয়েছে। উপকারীতাও রয়েছে পর্যাপ্ত । তালশাঁস মানবদেহকে শিথিল রাখে। একই সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বলে জানান তিনি। 


আরও খবর



শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে সব খাতকে: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২১ জুন ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:শিশুর যথাযথ বিকাশ নিশ্চিত করতে সব প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতকে শিশুশ্রমমুক্ত করতে হবে, বলেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে এবং শিশুশ্রম নিরসনে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাসহ সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিশুদের জন্য একটি সুন্দর, নিরাপদ এবং সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

বুধবার (১২ জুন) ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে গতকাল দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপ্রধান।

রাষ্ট্রপতি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে ‘বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে শিশুর সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করে তাদের সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার বিকল্প নেই।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘শিশুশ্রম একটি বৈশ্বিক সমস্যা। শিশুশ্রম শিশুর স্বাভাবিক শৈশব ও পারিবারিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত করার পাশাপাশি তাদের সঠিক মানসিক ও শারীরিক বিকাশ এবং শিক্ষা প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার টার্গেট ৮ দশমিক ৭ এর অধীনে ২০২৫ সালের মধ্যে সব ধরনের শিশুশ্রম বন্ধের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রথাগত শিশুশ্রম নির্মূলের পাশাপাশি জোরপূর্বক শ্রম, আধুনিক দাসপ্রথা ও মানবপাচার, শিশুদেরকে সৈনিক হিসেবে ব্যবহারসহ নিকৃষ্ট শিশুশ্রমগুলো নিষিদ্ধ ও নির্মূলে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য‘শিশুশ্রম বন্ধ করি, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করি’ যথার্থ ও সময়োপযোগী হয়েছে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সরকার দেশ থেকে সব ধরনের শিশুশ্রম নির্মূল করতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্য অর্জনে ইতোমধ্যে ‘জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি, ২০১০’ ও জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২১-২০২৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। শিশুশ্রম নির্মূলে জাতীয় থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত চার স্তরবিশিষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রস্তুত করা হয়।

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আরও বলেন, শিশুদের শ্রমসাধ্য কাজে ব্যবহার থেকে বিরত রাখতে দারিদ্র্য বিমোচন, বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক মানসম্পন্ন শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বৃদ্ধিসহ জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নে বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস- ২০২৪’ উপলক্ষে গৃহীত সব কার্যক্রমের সাফল্য কামনা করেন রাষ্ট্রপতি।


আরও খবর



বাংলাদেশে ওয়াই-ফাই ৭ নিয়ে এলো হুয়াওয়ে

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৩৯জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন ধরনের ওয়াই-ফাই ৭ অ্যাকসেস পয়েন্ট পণ্য নিয়ে এসেছে হুয়াওয়ে। দেশে এই প্রথমবারের মতো ওয়াই-ফাই ৭ ব্যবহার উপযোগী অ্যাকসেস পয়েন্ট পণ্য উন্মোচন করা হয়েছে। সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য সর্বাধুনিক ফিচারের এই ওয়াই-ফাই পণ্যগুলো নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক সরবরাহের মাধ্যমে সর্বোচ্চমানের সংযোগ দিতে সক্ষম। 

বাংলাদেশে নানা ব্যবসায়িক প্রয়োজনীয়তার কথা বিবেচনা করে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ছয়টি ভিন্ন ধরনের ওয়াই-ফাই পণ্য উন্মোচন করে হুয়াওয়ে। কক্সবাজারে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার এন্টারপ্রাইজ বিজনেস গ্রুপের ভাইস প্রসিডেন্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যালেন লিউ, হুয়াওয়ে এশিয়া প্যাসিফিকের নেটওয়ার্ক সিটিও ও প্রিন্সিপাল অ্যার্কিটেক্ট ভিক্টর লাপিয়ান, হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার এন্টারপ্রাইজ নেটওয়ার্ক সলিউশন সেলসের ডিরেক্টর ম্যানফ্রেড কাই এবং হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার ডাটা কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক সলিউশন্ বিভাগের নেটওয়ার্ক সলিউশন ডিরেক্টর মির্জা মো. আনজামুল বাশেদ (মারুফ) উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা, উৎপাদন লাইন এবং মেটাভার্স সম্পর্কিত শিল্পগুলোর পাশাপাশি এআর/ভিআর এডুকেশন, অটোমেটিক অপটিক্যাল ইন্সপেকশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে পণ্যগুলো ব্যবহারের সুফল পাওয়া যাবে। এসব পণ্য বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরকেও ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য মাল্টি-আরইউ ও মাল্টি-লিংক অপারেশন্সের (এমএলও) মতো উন্নতমানের ফিচার সমৃদ্ধ এসব ওয়াই-ফাই পণ্যগুলো আগের প্রজন্মের ওয়াই-ফাইয়ের তুলনায় ল্যাটেন্সি কমিয়ে নির্ভরযোগ্যতা আরও বাড়িয়ে দেবে। এগুলো ওয়াই-ফাই ৬ পণ্যের তুলনায় তিনগুণ বেশি ব্যান্ডউইথ দেওয়ার পাশাপাশি চারগুণ বেশি সংখ্যক ব্যবহারকারীকে সংযোগ দিতে সক্ষম। এছাড়া ওয়াই-ফাই ৬ পণ্যের তুলনায় এগুলি দশগুণ বেশি নির্ভরশীল। পণ্যগুলোর মাধ্যমে ওয়াই-ফাই ডেটা চুরি হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে না।

অ্যালেন লিউ বলেন, “সর্বাধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের আইসিটি খাত এগিয়ে যাচ্ছে। হুয়াওয়ে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী আধুনিক ও উদ্ভাবনী পণ্য সরবরাহ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই জন্যই বাংলাদেশে আমরা ওয়াই-ফাই ৭ নিয়ে এসেছি। এটি শুধু একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নয়; এটি নিরবচ্ছিন্ন, নির্ভরযোগ্য এবং দ্রুত সংযোগের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পথে যাত্রা।”

বাজারে আসা ছয়টি ডিভাইসগুলো হলো এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৩-২১, এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৩-২২পি, এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৩-২৩এইচ, এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৩-২৩এইচডাব্লিউ, এয়ারইঞ্জিন ৫৭৭৬-২৬, এবং এয়ারইঞ্জিন ৬৭৭৬-৫৬টিপি। ব্যান্ডউইডথ ক্যাপাসিটি এবং স্মার্ট অ্যান্টেনার বিবেচনায় এই ভ্যারিয়েন্টগুলো আনা হয়েছে। ঘনবসতিপূর্ণ স্থানে যেমন অফিস, স্কুল এবং স্টেডিয়ামে এয়ারইঞ্জিন ৬৭৭৬-৫৬টিপি  কার্যকর। এয়ার-ইঞ্চিন ৫৭৭৬-২৬, এয়ার-ইঞ্চিন ৫৭৭৩-২৩এইচ, ৫৭৭৩-২৩ এইচডব্লিউ, এয়ার ইঞ্চিন ৫৭৭৩-২২পি এবং এয়ার-ইঞ্চিন ৫৭৭৩-২১ ডিভাইসগুলো ছোট ও মাঝারি আকারের ব্যবসায়িক কর্মক্ষেত্র, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের ভিতরে নেটওয়ার্ক কাভারেজের জন্য উপযুক্ত। 


আরও খবর