Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গোপন নথির মামলায় অভিযুক্ত ট্রাম্প

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৩৭জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:হোয়াইট হাউস ছাড়ার পরও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নথি ব্যবহারের মামলায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত অভিযোগের বিস্তারিত জানা যায়নি। তবে একাধিক ধারায় অভিযুক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ। তবে সিএনএন ও এবিসি নিউজ বলছে, অন্তত সাতটি অভিযোগ আনা হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। অভিযোগ গঠনের ফলে আদালতে ট্রাম্পের বিচার শুরু হবে।

২০২৪ সালে আবারও রিপাবলিকান পার্টির হয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে প্রচারণার কাজ শুরু করেছেন ট্রাম্প। এরই মধ্যে তার বিরুদ্ধে দ্বিতীয়বারের মতো অভিযোগ গঠন করা হলো। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এমন ঘটনা বিরল।

নিজের তৈরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের একজন সাবেক প্রেসিডেন্টের বেলায় এমনটি হতে পারে আমি কখনো ভাবিনি। এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কলঙ্কজনক দিন। আমাদের দেশ দ্রুততার সঙ্গে নিচুতার দিকে যাচ্ছে। কিন্তু একসঙ্গে সবাই মিলে আমরা আবার আমেরিকাকে মহান হিসেবে গড়ে তুলব।

গত এপ্রিলে প্রথম সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিযুক্ত হন ট্রাম্প। একজন পর্নতারকাকে অর্থ দেওয়ার তথ্য লুকিয়েছিলেন বলে সে যাত্রায় অভিযোগ আনা হয়। ওই সময় গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান। ওই মামলায় আগামী বছর ফের বিচার কাজ শুরু হবে। খবর: বিবিসি


আরও খবর



তিস্তায় বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে সম্মান জানাবে চীন: রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:তিস্তা নদীতে প্রকল্প নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের। চীন বাংলাদেশের সিদ্ধান্তে সম্মান জানাবে,বলেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন রাষ্ট্রদূত।

ইয়াও ওয়েন বলেন, তিস্তা সম্পর্কে আপনারা অবগত আছেন। আমি এটা নিয়ে কি বলতে পা‌রি। তিস্তা নদী বাংলাদেশের সীমানায়, এটা বাংলাদেশের নদী। তিস্তা নদীতে প্রকল্প নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ নেবে। চীন সেই সিদ্ধান্তে সম্মান জানাবে। এই মুহূর্তে আমি এটাই বলতে পা‌রি।

রাষ্ট্রদূত বলেন, তিস্তা বাংলাদেশের নদী, সে তার অংশে যেকোনো প্রকল্প নিতে পারে। তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করতে চীন প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশ ফি‌জিবল স্টা‌ডি করার কথা বলেছে। এখন প্রস্তাব গ্রহণ করার বিষয় বাংলাদেশের।

ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা প্রস্তুত এবং ওপেন। সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ৮ জুলাই (সোমবার) সকালে ঢাকা থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। ৯ জুলাই (মঙ্গলবার) তিনি বেইজিংয়ে বিজনেস ফোরামে যোগ দিয়ে বক্তব্য দেবেন। পরদিন ১০ জুলাই (বুধবার) বঙ্গবন্ধুকন্যা চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসবেন। বৈঠকে আর্থিক সহায়তা এবং নতুন প্রকল্পে অর্থায়নের মতো বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। পরে প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করবেন। প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং সফরের সময় দেশটির সঙ্গে বেশ কয়েকটি দলিল সইয়ের কথা রয়েছে। এছাড়া সরকারপ্রধান বঙ্গবন্ধুর বই ‘আমার দেখা নয়াচীন’র চাইনিজ ভাষায় অনুবাদের মোড়ক উন্মোচন করবেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডিক্যাব প্রেসিডেন্ট নূরুল ইসলাম হাসিব ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান অপু।


আরও খবর

রিজার্ভ কমল ১৩২ কোটি ডলার

বৃহস্পতিবার ১১ জুলাই ২০২৪

বাড়ল স্বর্ণের দাম

রবিবার ০৭ জুলাই ২০২৪




রৌমারীতে কলেজের বিলসিট ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:যাদুরচর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষকদের বেতনের বিলসিটের কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুরাদুল ইসলাম মুরাদ নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। রবিবার দপুরের দিকে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুর চর ডিগ্রি কলেজে এ ঘটনাটি ঘটে। 

কলেজ সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যাদুর চর ডিগ্রি কলেজের সকল শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ জুন মাস ২০২৪ ইং বিলসিটে স্বাক্ষর করে চলে যান। কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম অনুপস্থিত থাকায় ওই কলেজের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হাসেন আলী (এমএল্সএস) কম্পিউটার ল্যাবষ্টার আতিকুর রহমান ও আয়া মাসুদা খাতুন অফিসিয়ালি সকল কাগজপত্র কোর্ট ফাইলে রাখতে ছিলেন। এসময় ওই কলেজের দাতা ও প্রতিষ্ঠাতা মজিবুর রহমান বঙ্গবাসির ছেলে মুরাদুল ইসলাম মুরাদ কলেজের অফিসকক্ষে প্রবেশ করেন এবং উপস্থিত কর্মচারীরা কিছু বুঝে উঠার আগেই শিক্ষকদের বিলসিটের কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে বাহিরে চলে যান। এ ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে চ্যাঞ্চলের সৃষ্টি হয়। যাদুর চর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রতিষ্ঠাতার সাথে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল। এনিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে উভয় পক্ষের একাধীক অভিযোগও রয়েছে।   

অভিযুক্ত মুরাদুল ইসলাম মুরাদ শিক্ষকদের বিলসিটের কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমার বাবা যাদুর চর কলেজের দাতা ও প্রতিষ্ঠাতা হওয়া সত্বেও তাকে কলেজ থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে কয়েকবার বৈঠকে বসার চেষ্টা করেও কোন সমাধান হয়নি। ফলে আমি রেগে ক্ষোভে এ কাজ করেছি 

যাদুর চর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম জানান, আমার অনুপস্থিতে সুযোগবুঝে মুরাদুল ইসলাম কলেজের অফিসকক্ষে প্রবেশ করে জোরপূর্বক বিভিন্ন কাগজগত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এটা দুঃথজনক ঘটনা। আমি বাহিরে থাকায় আইনের আশ্রয় নিতে বিলম্ব হচ্ছে। তবে রৌমারী এসেই আইনের আশ্রয় নিবো। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান খান বলেন, এবিষয়ে এখনও কোন অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.

আরও খবর



আত্রাই ও গুড় নদীর ঝুঁকিপূর্ন এলাকা পরিদর্শন করলেন এমপি সুমন

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি:নওগাঁর আত্রাইয়ে গত কয়েক দিনের একটানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে হু হু করে বাড়ছে আত্রাই ও গুড় নদীর পানি। বর্তমানে এ দুটি নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে।

এরই মধ্যে বেশকিছু এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের বন্যায় ভেঙে যাওয়া স্থান গুলো মেরামত করা হয়। নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলে ভাঙা এসব স্থান পুনরায় ভেঙ্গে গিয়ে পানি অনায়াসে লোকালয়ে প্রবেশ করবে। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়বে অন্তত কয়েক হাজার পরিবার।  এদিকে আত্রাই, যমুনা ও গুড় নদীর পানি বাড়তে থাকায় শুক্রবার নদী  তিনটির ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. ওমর ফারুক সুমন ।

এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ এবাদুর রহমান প্রামানিক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম, ভোঁপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন মন্ডল, সাবেক উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সেন্টুসহ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাড. ওমর ফারুক সুমন বলেন, বন্যা মোকাবেলায় সবধরণের আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে কাজ করার জন্য নওগাঁ পানি উন্নয়নবোর্ডকে নির্দেশ নেওয়া হয়েছে। এমপি সুমন আরও বলেন, বন্যা মোকাবেলায় পাউবোর পাশাপাশি কাজ করছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন দপ্তর। এছাড়া সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্য ও নেতা কর্মী তাদের সাথে রয়েছেন।


আরও খবর



হুমকিতে পরিবারের কাছে যেতে বাধ্য করেছেন সেই অনশনে বসা শিক্ষার্থীকে

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোরে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসা সেই ছাত্রীর উপর লাগাতার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর কারনে পরিবারের কাছে যেতে বাধ্য করেছেন ক্ষমতাসীন দলের চেয়ারম্যান ও নেতারা বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। উপজেলার কৃষক লীগ সভাপতি ও পরিশো দূর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহার পুত্র জয়ন্ত সাহার সাথে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন অনার্স পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী। উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন ইউপির পারিশো দূর্গাপুর গ্রামে রাম কমল সাহার বাড়িতে ঘটে এমন ঘটনা। গত ১৬ জুন রোববার অনশনে বসেন ওই শিক্ষার্থী। কিন্তু ক্ষমতা সীন দলের  চেয়ারম্যান ও উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের অমানবিক চাপে পরিবারের কাছে যেতে বাধ্য করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে যাবার সময় ওই শিক্ষার্থী জয়ন্ত সাহাকে বিয়ে করতে না পারলে আত্মহননের হুমকিও দিয়ে গেছেন। 
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ দিন ধরে রাম কমল সাহার পুত্র জয়ন্ত সাহার সাথে মোবাইল ও ফেসবুকের মাধ্যমে অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্ক হলেও বিয়ের কথা বললেই জয়ন্ত সাহা তালবাহানা করে। এক প্রকার বাধ্য হয়ে ওই শিক্ষার্থী চলতি মাসের ১৬ জুন রোববার জয়ন্ত সাহার বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন। এখবর জানতে পেরে জয়ন্ত সাহা পালিয়ে যায়। 

এদিকে কৃষক লীগের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহার বাড়িতে ওই শিক্ষার্থী অনশনে থাকা অবস্থায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি,   সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতারা বেপরোয়া হুমকি দেয়া শুরু করেন এবং সাবেক মেম্বার বকুল হোসেনের বাড়িতে জোরপূর্বক গত মঙ্গলবারে  নিয়ে আসেন। সেখানেই ওই শিক্ষার্থীর পরিবারকে ডেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামের বেশকিছু ব্যক্তিরা জানান, প্রায় দিন ওই শিক্ষার্থীকে নেতারা এসে নানা ভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে সাবেক মেম্বার বকুলের বাড়িতে নিয়ে যায়। ওই শিক্ষার্থী বকুলের বাড়িতে যেতে চায়নি। কিন্তু বিয়ে দেয়ার কথা বলে জোরপূর্বক বকুল মেম্বারের বাড়িতে নিয়ে যায়। এই ঘটনা যদি কোন সাধারণ ব্যক্তির বাড়িতে হত তাহলে সবাই মিলে বিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করতেন। কিন্তু রাম কমল ক্ষমতা সীন দলের নেতা হওয়ার কারনে সবাই মিলে এক প্রকার মানুষিক নির্যাতন করে এমন ঘটনার জন্ম দিলেন। তবে ওই শিক্ষার্থী টানা পাঁচদিন অনশনে ছিলেন, সে যাওয়ার সময় বলে গেছে জয়ন্ত সাহাকে বিয়ে করতে না পারলে আত্মহনন করব। কোন বিচার পায়নি। যারা বিচার করবে তারা সবাই রাম কমল সাহার পক্ষ নিয়েছেন। বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন রাম কমল সাহার বাড়িতে, কিন্তু তার বাড়ি থেকে জোরপূর্বক সাবেক মেম্বার বকুলের বাড়িয়ে দুদিন রাখে ওই শিক্ষার্থীকে। গ্রামের লোকজন বকুলের বাড়িতে কেন ওই শিক্ষার্থী, কেনই বা বকুল দুদিন ধরে ওই শিক্ষার্থীকে রাখল এমন নানা প্রশ্ন তুলেন। বকুলের বাড়ির খৈলানে বসে সালিশ বিচার। সালিশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থেকে এমন কাল্পনিক বিচার করে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছেন। এমন এক তরফা সালিশ বিচারে হতবাক স্থানীয়রা। রাম কমলের ছেলেকে বিয়ে না করা পর্যন্ত বাড়ি থেকে যাবেনা এমন কথা বলে অনশনে ছিলেন ওই শিক্ষার্থী। যদি প্রেমের সম্পর্ক না থাকত তাহলে পঞ্চগড়ের মেয়ে রাম কমলের বাড়িতে আসবে কেন।

সাবেক মেম্বার বকুল হোসেনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার বাড়িতে দুদিন ছিল। গত বৃহস্পতিবার সালিশ বিচার হয়েছে আর শুক্রবার  শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজনের সাথে চলে যান।   আপনার বাড়িতে কেন ওই শিক্ষার্থী জানতে চাইলে কোন সদ উত্তর না দিয়ে আপোষে ওই মেয়ে চলে গেছেন বলে দায় সারেন তিনি।বকুলের বাড়িতে বসেছিল সালিশ বিচার। বিচারে উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ  শীর্ষ নেতারা ছিলেন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন। 

তবে জয়ন্ত সাহার সাথে কোনভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। খোঁজ করেও তার কোন সন্ধান দেয় নি পরিবারের লোকজন।  জয়ন্ত সাহার পিতা কৃষক লীগের সভাপতি রাম কমল সাহা জানান, সবার প্রচেষ্টায় ওই শিক্ষার্থীকে পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক বকুলের বাড়িতে দুদিন রেখে ভয়ভীতি ও হুমকি দেখিয়ে পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি জানান, কোন হুমকি বা ভয়ভীতি দেখানো হয়নি। আমার ছেলের সাথে প্রেম আছে এমন কোন প্রমানও দিতে পারে নি। আমার সম্মান নষ্ট করার জন্য এধরণের ঘটনার সুত্রপাত করা হয়েছে।তিনি আরো জানান, বৃহস্পতিবার আপোষ মিমাংসা করা হয়েছিল, আর শুক্রবার ওই মেয়ে নিজের ভূল বুঝতে পেরে পরিবারের লোকজনের সাথে  সেচ্ছায় চলে গেছে। থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুর রহিম বলেন, এঘটনায় কোন অভিযোগ পাওয়া যায় নি। পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হত।

আরও খবর



নিষেধাজ্ঞা দিয়েও থামানো যায়নি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালের ব্যবহার

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ৪২জন দেখেছেন

Image

লুৎফর অরেঞ্জ মির্জাপুর (টাঙ্গাইল):টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় বর্ষার পানি ঢোকার সাথে সাথে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালে ছেয়ে গেছে। নিষেধাজ্ঞা দিয়েও থামানো যায়নি এর ব্যবহার। মির্জাপুরে নিম্নাঞ্চলের সর্বত্র যেখানে বর্ষায় পানি উঠে, সেখানে এখন চায়না দুয়ারী জালের ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে।

সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, উয়ার্শী, বহুরিয়া, ভাতগ্রাম, আনাইতারা, মহেড়া, ফতেপুর এবং গোড়াই ইউনিয়নের নিচু অঞ্চলসহ সর্বত্রই চায়না দুয়ারী জাল পাতা হচ্ছে। গত ৪ জুলাই মির্জাপুরের বাইমাইল চকে পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ লক্ষ টাকা মূল্যের চায়না দুয়ারী জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তারপরও থামেনি এর ব্যবহার। বানাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন বর্ষার শুরুতেই এলাকায় মাইকিং করে দিলেও এখনো সেখানে দুয়ারী জাল পাতা হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ভাতগ্রামের সুশীল চাঁন আক্ষেপ করে বলেন, মুসলমান জেলেদের কারণে এখন হিন্দু জেলেরা জাল পাতার চান্সই পায়না। আমরা পাততে গেলে, হয় জাল ছিঁড়ে ফেলে না হয় চুরি করে নিয়ে যায়।

সচেতন মহল মনে করেন, মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে শুধু নিষেধাজ্ঞা জারি করে এবং দু-একটা অভিযান পরিচালনা করেই এর ব্যবহার বন্ধ করা যাবে না। চায়না দুয়ারী জাল ব্যবহার বন্ধ করতে হলে সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান- মেম্বারদের সমন্বয়ে এলাকায় মাইকিং করে, সভা করে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং গণমাধ্যমগুলোতে ব্যাপকভাবে প্রচার করতে হবে। 


আরও খবর