Logo
আজঃ শনিবার ১০ জুন ২০২৩
শিরোনাম

গণসমাবেশ অনুমতি দিলেও করব , না দিলেও করব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | ১৫০জন দেখেছেন

Image

সংঘাত এড়িয়ে আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনেই বিএনপি গণসমাবেশ করবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, ‘অনুমতি দিলেও করব, না দিলেও করব। অনুমতির অপেক্ষা করব না। মনে রাখতে হবে, এ দেশটা আমাদের সবার।’

ঢাকা জেলা বিএনপির নতুন কমিটির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে আজ বৃহস্পতিবার শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপকি ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু, নতুন কমিটির সহসভাপতি খন্দকার মাঈনুল ইসলাম বিল্টু, যুগ্ম মহাসচিব শামছুল ইসলাম, কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোজাদ্দেদ আলী বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

১০ ডিসেম্বর ঢাকার গণসমাবেশ কোথায় হবে-এমন প্রশ্নে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‌‘আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সমানে আমরা অনুমতি চেয়েছি। সেখানেই আমরা সমাবেশ করব। তারা (সরকার) যদি অপারগ হয় তাহলেও করব। অনুমতি দিলেও করব, না দিলেও করব। অনুমতির অপেক্ষা করব না। মনে রাখতে হবে এ দেশটা আমাদের সবার।’

আওয়ামী লীগ বলছে, প্রতি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে তারা পাহারা দেবে। সে ক্ষেত্রে কোনো সংঘাতের আশঙ্কা করছেন কিনা-এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে সাতটি গণসমাবেশ করেছি। আওয়ামী লীগ বলবে কেন, সব জায়গায় তারা সংঘাত সৃষ্টি করার পাঁয়তারা করেছে। প্রশাসন দিয়ে চেষ্টা করেছে, গাড়ি-ঘোড়া বন্ধ করে দিয়ে চেষ্টা করেছে তারা তো কোনো পথই বাকি রাখেনি। নতুন কোনো পথ খোলাও রাখেনি। সুতরাং ঢাকার গণসমাবেশে এটা করবে- আমরা স্বাভাবিক মনে করছি, অস্বাভাবিক মনে করছি না। রাতারাতি এরা ভালো হয়ে যাবে তা আমরা আশাও করি না। কিন্তু আমরা সরকারের ফাঁদে পা দেব না। আমরা সংঘাত এড়িয়েই গণসমাবেশে আসব।’

ঢাকার গণসমাবেশ থেকে সরকারের পতনের কোনো ঘোষণা দিতে চায় কিনা জানতে চাইলে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘এখনো ১০ ডিসেম্বর অনেক দূর। আপনারা ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশে আসবেন। ১০ ডিসেম্বরের কথা, ১০ ডিসেম্বরই বলব। আগাম কোনো কথা কেউ বলবে না, আমিও বলব না। আমরা ১০ ডিসেম্বর অবশ্যই পরবর্তী কর্মসূচি দেব। সেদিনই তো বলব না আমাদের আন্দোলন এখানেই শেষ। আর সরকার ১০ ডিসেম্বরের আগে যদি সরকার জনগণের দাবি মেনে নেয়- সেটা তো অন্যরকম। কিন্তু তা তো আমরা প্রত্যাশা করতে পারছি না। আমরা গণসমাবেশ থেকে কী বলব, ১০ ডিসেম্বর শোনার অপেক্ষায় থাকেন।’

দলটির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘শহীদ জিয়াউর রহমান এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতেন, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করতেন, ভোটাধিকার ও আইনের শাসনের বিশ্বাস করতেন। আমরা দেখছি , দেশে এসব কিছুই নেই। বিচারের নামে আমরা অবিচারের মুখোমুখী হচ্ছি। এ অবস্থা থেকে আমরা মুক্তি চাই।’

‘চলমান আন্দোলনকে আরও গতিশীল করতে যেভাবে সাধারণ জনগণ সম্পৃক্ত হয়েছে, জনগণের আরও অংশগ্রহণে ভোটাধিকার অর্থাৎ জনগণই দেশের মালিক- এটা প্রতিষ্ঠাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য’, যোগ করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।


আরও খবর



ট্রেন দুর্ঘটনায় দায়ীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে: মোদি

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | ৬৪জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:ভারতের ওডিশার বালেশ্বরে তিন ট্রেনের দুর্ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্রেন দুর্ঘটনার পর গতকাল শনিবার ঘটনাস্থল বাহাঙ্গা বাজার স্টেশন পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি, ভারতের সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিসহ একাধিক গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ওডিশার বাহাঙ্গা বাজার এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে চেন্নাইগামী করমন্ডল এক্সপ্রেস ও বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। একই সঙ্গে দুর্ঘটনাগ্রস্ত হয় একটি মালগাড়িও। এই তিন ট্রেনের দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৮৫০ জনের বেশি।

দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে নরেন্দ্র মোদি

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মোদি বলেন, ‘এটি বেদনাদায়ক ঘটনা। আহতদের চিকিৎসার জন্য সম্ভাব্য সবকিছু করবে সরকার।

তিনি আরও বলেন, ‘সব দিক থেকে তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।

এর আগে ওড়িশার রাজধানী ভুবনেশ্বর থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার উত্তরে বালেশ্বরের বাহাঙ্গা বাজারে বিমানবাহিনীর উড়োজাহাজে করে যান মোদি। এরপর তিনি বালেশ্বর জেলা হাসপাতালে আহত যাত্রীদের দেখতে যান। এ সময় ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণু ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান তার সঙ্গে ছিলেন। 


আরও খবর



গাজীপুরে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে: ওবায়দুর কাদের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | ১৪৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গাজীপুর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিজয়ী হলে দেশের মানুষ যতটা খুশি হতো, তার চেয়ে বেশি খুশি হয়েছে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়াতে।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনাকে প্রাণনাশের হুমকিদাতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গাজীপুরের নির্বাচনে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ জোর করে নিজেদের প্রার্থীকে জয়ী করতে যায়নি। নির্বাচন নিয়ে বিএনপির মিথ্যাচার প্রমাণিত হয়েছে। গাজীপুরের মতো আরও চার সিটিসহ আগামী জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।

তিনি বলেন,  ‘শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি কোনো এটা স্লিপ অব টাং নয়। শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আওয়ামী লীগের  লক্ষ লক্ষ ভোট বেড়ে গেছে। আর বিএনপির ভোট কমতে কমতে তলানিতে গিয়ে ঠেকবে। শেখ হাসিনার উন্নয়ন, আর আমাদের ভালো আচরণ - এই দুই নিয়ে আমাদের আগামী নির্বাচন।

মার্কিন ভিসানীতি সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচনে আমরা বাধা দেব কেন? আমাদের দেখা দরকার কারা নির্বাচনে বাধা দিচ্ছে। যারা নির্বাচন চায় না, তত্ত্বাবধায়ক চায় তারা নির্বাচনে বাধা দিচ্ছে। এদেশে আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসবে না। কোনো বিদেশি বন্ধু একবারও তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে কথা  বলেননি। যারা নির্বাচনে বাধা দেয় তাদের বিরুদ্ধে এ ভিসানীতি কার্যকর হয় কী না সেটা দেখার বিষয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি চেয়েছিল নিষেধাজ্ঞা, এসেছে ভিসাপলিসি। এ ভিসাপলিসি দেখে বিএনপির ঘুম হারাম। ফখরুলের মুখ শুকিয়ে গেছে।

দণ্ডিত তারেক রহমান প্রতিনিয়ত অনলাইনে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দণ্ডিত ব্যক্তি কি করে প্রতিদিন রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে? আদালতের আদেশ কেন মানছে না তারেক? মনের মত না হলে তারা আদালত-আইন মানে না।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবিরসহ মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা।


আরও খবর



নবীনগরে সংঘাত রুখতে দেশীয় অস্ত্র টেটা-বল্লম উদ্ধার

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | ২৩৬জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মাদ হেদায়েতুল্লাহ্ ,নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের ধরাভাঙ্গা, নুরজাহানপুর, গ্রাম থেকে দেশীয় অস্ত্র টেটা- বল্লম উদ্ধার করেছে নবীনগর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

গতকাল রোববার (২৮ মে) দুপুর ১টায় দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার ও নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সিরাজুল ইসলাম, নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইফুদ্দিন আনোয়ারের দিকনির্দেশনায় এসআই ইহসানুল হাসান সংগীয় এসআই আল আমিন, এসআই  মহিউদ্দিন পাটোয়ীরী, এসআই বাছির, এএসআই  জহিরুল ইসলাম, এএসআই মকবুল এবং সংগীয় ফোর্স সহ উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের ধরাভাঙ্গা, নুরজাহানপুর, গ্রামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া ২১টি তিন কাইট্টা, ২০ টি চল,৩০টি লাঠি উদ্ধার করা হয়। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা লক্ষ্যে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন নবীনগর থানা পুলিশ ।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



আইপিএল ফাইনাল দেখতে ভারত যাচ্ছেন পাপন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ জুন ২০২৩ | ৯০জন দেখেছেন

Image

স্পোর্টস ডেস্ক:এবারের আইপিএলে ডাক পেয়েছিলেন তিন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। তার মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান ও লিটন দাস খেললেও কোনো ম্যাচ না খেলে যৌথ সম্মতিতে নাম প্রত্যাহার করে নেন সাকিব আল হাসান। যদিও পারফরম্যান্সে হতাশ করেছেন এই দুই তারকা।

দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে মাত্র ২ ম্যাচ খেলেছেন মোস্তাফিজ, উইকেট নিয়েছেন একটি। আর কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে মাত্র ১ ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন লিটন। ৪ রানেই শেষ হয় উইকেটকিপার এই ব্যাটসম্যানের যাত্রা।

আগামী ২৮ মে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে হতে যাচ্ছে আইপিএলের চলতি আসরের ফাইনাল। সেই ম্যাচে কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটার না থাকলেও যাচ্ছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ভারতীয় ক্রিকেট সংস্থা (বিসিসিআই) ও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) সভাপতি জয় শাহর আমন্ত্রণেই ভারত যাচ্ছেন পাপন।

মূলত, পাপন যাচ্ছেন আসন্ন এশিয়া কাপে ভেন্যু নির্ধারণ সংক্রান্ত আলোচনায়। জয় শাহ সেই বৈঠকে আরও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, শ্রীলংকা এবং আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতিকেও।

পিটিআইকে জয় শাহ বলেছেন, ‘এশিয়া কাপ আয়োজনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি। আমরা আইপিএল নিয়ে ব্যস্ত। আইপিএলের ফাইনাল দেখতে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি), বাংলাদেশ (বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন) ও আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতিরা আসছেন। সেখানে আমরা একটি আলোচনা করব এবং যথাসময়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।


আরও খবর



প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে ‘মোখা’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ জুন ২০২৩ | ৮০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ‘মোখা’ প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এতে করে বাতাসের গতিবেগ ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে (ক্রমিক নম্বর ৭) এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ আরও উত্তর দিকে অগসর ও ঘণীভূত হয়ে একই এলাকায় (১২০ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৭৯০ দ্রাঘিমাংশ) প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। এটি আজ সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১২০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৯৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আগামীকাল শুক্রবার সকাল পর্যন্ত উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হযে পরবর্তীতে দিক পরিবর্তন করে ক্রমান্বয়ে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১১০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুদ্ধ রয়েছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে।


আরও খবর