Logo
আজঃ শনিবার ২৫ মে ২০২৪
শিরোনাম

ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘মোখা’ কেন, কীভাবে হলো

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১৯২জন দেখেছেন

Image

অনলাইন ডেস্ক: দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় থাকা গভীর নিম্নচাপটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’য় পরিণত হয়েছে। এজন্য দেশের চার সমুদ্রবন্দরকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের বিশেষ বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

জানা গেছে, আগামী রোববার বাংলাদেশের কক্সবাজার ও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের চকপিউ শহরের মধ্যবর্তী এলাকা দিয়ে স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে ‘মোখা’। এই ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় এরই মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো, ঘূর্ণিঝড়ের নাম মোখা কেন এবং এটি কীভাবে এল? 

‘মোখা’ নামের উৎস

ওয়ার্ল্ড মেটেরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন/ইউনাইটেড নেশনস ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিকের (ডাব্লিউএমও/ইএসসিএপি) তথ্য অনুযায়ী, এই ঘূর্ণিঝড়টির নাম দিয়েছে ইয়েমেন। দেশটির বিখ্যাত শহর মোখার নাম থেকেই রাখা হয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম।

মোখা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলে একটি বন্দর শহর। ঊনবিংশ শতাব্দীতে এটাই ছিল ইয়েমেনের প্রধান বন্দর শহর। কফি বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত ছিল এই বন্দর। এখান থেকেই কফির উৎপাদন এবং সারা বিশ্বে সরবরাহের কাজ করা হয়। তাই এটির নামেই ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণে কমিটি

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার অধীনে আরব মহাসাগর ও ভারত মহাসাগরের উত্তরাঞ্চলে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের জন্য একটি কমিটি রয়েছে। এই কমিটিতে রয়েছে- বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, সৌদি আরব ও ইয়েমেন।

ছবি: সংগৃহীত

ঝড়ের নাম ঠিক করার জন্যে প্রত্যেক দেশ কিছু নাম প্রস্তাব করে। প্যানেল অন ট্রপিকল সাইক্লোন-এর কাছে সেই নামগুলো পেশ করা হয় ও একটি তালিকা তৈরি হয়।

এই ১৩ দেশের সংস্থা এস্কেপ ২০২০ সালেই ১৬৯টি ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করে একটি তালিকা তৈরি করে রেখেছে। সেই তালিকা থেকে এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয় ‘মোখা’।

ঘূর্ণিঝড়ের নামের ওই তালিকা থেকেই এর আগের ঘূর্ণিঝড়ের নাম ছিল থাইল্যান্ডের দেওয়া ‘সিত্রাং’। এরপরের ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে ‘বিপর্যয়’। এই নামটি বাংলাদেশের দেওয়া।

এর পরবর্তী পাঁচটি ঘূর্ণিঝড়ের নাম হবে যথাক্রমে তেজ (ভারত), হামুন (ইরান), মিধিলি (মালদ্বীপ), মিগজাউম (মিয়ানমার), রিমাল (ওমান)।

ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের প্রচলন হয় ২০০০ সালে। ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের কারণ সম্পর্কে ওয়ার্ল্ড মেটেরলজিক্যাল অর্গানাইজেশনের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, একটি ঘূর্ণিঝড় এক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। এই সময়ের মধ্যেই একই অঞ্চলে আরও ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়া অসম্ভব কোনো ব্যাপার নয়। এ কারণে ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হলে সম্ভাব্য বিভ্রান্তি এড়ানো সহজ হয়।


আরও খবর



রসুল নগর যুব সংসদের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন বিতরণ

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ মে 20২৪ | ১৭২জন দেখেছেন

Image

মুশফিকুর রহমানঃরাজধানীর ডেমরা থানাধীন সারুলিয়া হাজী নগর এলাকার নব মল্লিকাএকাডেমী'তে রসুল নগর যুব সংসদের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ করা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এডভোকেট মলি আক্তার রিতা । সভাপতিত্ব করেন রসূল নগর যুব সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পেয়ার আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন তুষার। এতে অন্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন রসূল নগর যুব সংসদের অর্থ সম্পাদক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নেয়ামত উল্লাহ, ডেমরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ ইমরান হোসেন, হাজী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মোঃ মজিবুর রহমান মন্টু, সুলাইমান মৃধা, নবমল্লিকা মডেল একাডেমির প্রধান শিক্ষিকা রীমা হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ৬৬নং ওয়ার্ড ডগাইড় উত্তর ইউনিট আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহবুর রহমান ফয়সাল সহ স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এ সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছাত্রী দের মাঝে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার স্যালাইন বিতরন করা হয়।ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) ৬৭,৬৮,৬৯ নম্বর ওয়ার্ডকে ডিজিটাল হিসাবে গড়তে চান এডভোকেট মলি আক্তার রিতা।নাগরিকের অধিকার সর্বোচ্চ বজায় রাখতে চান তিনি।নারীদের আত্মকর্মসংস্থান তৈরির জন্য নিরলস ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বহু নারীকে কর্মসংস্থান ব্যবস্হা করেছেন মলি আক্তার রিতা।তিনি অসহায় গরীব মেয়েদের নিজের অর্থ সহোযোগিতায় বিয়ে দিয়েছেন। নির্যাতিত নারীদের পক্ষ নিয়ে আইনজীবী হিসেবে বিনা অর্থে আইনি সেবা দিয়েছেন।এলাকাবাসীর অত্যন্ত পছন্দের একজন মানুষ হিসেবে করো বোন,কারো ভাবি,কারো মেয়ে হয়ে সামাজিক বহু সংগঠনের মাধ্যমে গরীব অসহায় মেহনতী মানুষের মাঝে এান খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেছেন।

নারী কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হতে পারলে কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ, ফুটপাত দখলমুক্ত করতে চান মলি আক্তার রিতা। নারী ও বৃদ্ধদের জন্য ব্যায়ামাগার নির্মাণ করতে চান সংরক্ষিত নারী আসনের এ প্রার্থী। এলাকার যানজট সমস্যা নিরসন করার অঙ্গীকার করেন তিনি।

মলি আক্তার রিতা বলেন, ওয়ার্ডের মাঠগুলোকে শুধু খেলাধুলা করার জন্য উপযোগী করে দেব। মেয়েদের খেলার সুযোগ তৈরি করব। একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মেয়েদের মাঠে খেলার ব্যবস্থা করে দেব। এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে নিরাপত্তা বাড়াব। মাদক নির্মূল করার চেষ্টা করব,আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে সুখে দুঃখে সার্বক্ষণিক মানুষের পাশে থাকব। এলাকার অবহেলিত নারীদের উন্নয়নে সব সময় নিজেকে নিয়োজিত রাখার চেষ্টা করেছি।আমি যেন আরও বেশি করে জনগণের সেবা করতে পারি এজন্যই জনগণের অনুরোধে এবার সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।


আরও খবর



ইতিহাস সৃষ্টি করে সর্বকনিষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন তানভীর রেজা

প্রকাশিত:শনিবার ১১ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image

আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ইতিহাস সৃষ্টি করে সর্বকনিষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তানভীর রেজা। গত ৮ মে বুধবার সকাল ৮ টা থেকে বিকেল চার টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গ্রহণ শেষে নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন অফিসার চশম প্রতীকের প্রার্থী তানভীর রেজা কে বে সরকারী ভাবে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন। তানভীর ৩৮ হাজার ৫৩৭ ভোট পান এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তালা প্রতীক নিয়ে সোহেল রানা ভোট পান ২৪ হাজার ৬০১ টি। তালা প্রতীকের চেয়ে ১০ হাজার ৯৩৬ ভোট বেশি পান চশমা প্রতীক। যে কজন প্রার্থী ছিলেন তানভীর রেজা সবার চেয়ে কম বয়সী। তিনি এত পরিমান ভোট পেয়ে বিজয় লাভ করবেন কেউ ভাবতেই পারেন নি। তানভীর উপজেলার কলমা ইউনিয়ন ইউপির সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এবং আজিজুর গ্রামে বাড়ি। অপর প্রার্থী সোহেল রানা সাবেক ছাত্র লীগ নেতা ও তানোর পৌর মেয়র ইমরুল হকের ছোট ভাই। রানা বিগত ২০১৯ সালে ভাইস চেয়ারম্যান পদে চশমা প্রতীক নিয়ে ভোট করে হাতুড়ি প্রতীকের প্রার্থী আবু বাক্কার সিদ্দিকের কাছে পরাজিত হন। 

জানা গেছে, প্রয়াত এরশাদ সরকারের সময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন হত। এরপর ১৯৯১ সালে বিএনপি ও  ১৯৯৬ সালে আওয়ামী এবং ২০০১ সালে বিএনপি জামাত জোট সরকার উপজেলা পরিষদের নির্বাচন বাতিল করেন। ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্থানীয় সরকারের সেবা গ্রামগঞ্জে পৌছে দিতে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। সে মোতাবেক ২০০৯ সালে তানোর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন চশমা প্রতীকের প্রার্থী জামায়াত নেতা আব্দুর রহিম। ২০১৪ সালেও আব্দুর রহিম পুনরায় নির্বাচিত হন। এর পরে ২০১৯ সালে দলীয় প্রতীকে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এনির্বাচনে ওয়ার্কার্স পার্টি থেকে হাতুড়ি প্রতীকের প্রার্থী আবু বাক্কার সিদ্দিক ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। এনির্বাচন দলীয় প্রতীক ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়। ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে সর্বকনিষ্ঠ তানভীর রেজা চশমা প্রতীকে নির্বাচিত হন।

ডলার নামের চশমা প্রতীকের এক কর্মী জানান, তানভীরের বয়স কম, তার সাথে সবাই কথা বলতে পারবে। কোন কাজ না করলেও তাকে অনেক কিছু বলা যাবে। কারন সে আমাদের বয়সের। তানভীর একেবারে কম বয়সে ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছেন যা ইতিহাস হয়ে থাকবে।
মোসারফ নামের আরেক কর্মী জানান, তানভীর বয়সে ছোট তাকে ভোট দিবে কিনা সন্দেহ ছিল। কিন্তু তাকে মানুষ এত পরিমান ভালোবাসা দিয়েছে কল্পনাতীত। আমার জানা মতে তার মত কম বয়সে ভাইস চেয়ারম্যান কেউ হতে পারেনি।

বিজয়ী প্রার্থী তানভীর রেজা এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আমার এবিজয় উপজেলা বাসীকে উৎসর্গ করেছি। আমি যে পরিমান ভালোবাসা পেয়েছি তার প্রতিদান অক্ষরে অক্ষরে পালন করার চেষ্টা করব। আমার দপ্তর সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আরও খবর



তানোরে কাপ পিরিচ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:আগামী ৮ মে বুধবার রাজশাহীর তানোর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন কে সামনে রেখে প্রচারের শেষ দিনে কাপ পিরিচ প্রতীকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার নির্বাচনী জনসভায় আপামর জনতার ঢল নামে। সোমবার বিকেলের দিকে তানোর পৌর সদর গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠেে অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচনী জনসভা। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম স্বপনের সভাপতিত্বে এবং সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শরিফ, জেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সালেহ, তানোর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও কাপ পিরিচ প্রতীকের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, বাধাইড় ইউপির চেয়ারম্যান ইউপি সভাপতি আতাউর রহমান, পাচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান ইউপি দক্ষিণের সভাপতি আব্দুল মতিন, চান্দুড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইউপি সভাপতি মজিবর রহমান, তালন্দ ইউপি চেয়ারম্যান ইউপির সাবেক সভাপতি নাজিমুদ্দিন বাবু, সাবেক চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম, উপজেলা কৃষক লীগ সভাপতি পারিশো দূর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহা, সরনজাই ইউপির সভাপতি সরনজাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হান্নান,   যুগ্ন সম্পাদক চাপড় স্কুলের প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হোসেন মোহাম্মাদ মুন্টু, কামারগাঁ ইউপির সাবেক সম্পাদক সুফি কামাল মিন্টু, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শামসুল ইসলাম প্রমুখ। এসময় উপজেলার সাত ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভার আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যাক নেতাকর্মী ছাড়াও আপামর জনতারা উপস্থিত ছিলেন।    

আরও খবর



মহেরপুরে কলাক্ষেত কেটে তছরুপ করেছে দুর্বৃত্তরা

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ১১৯জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃমেহেরপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর মাঠে ইকবাল হোসেন নামের এক বর্গা চাষির এক বিঘা কলা ক্ষেত কেটে তছরুপ করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ রোব্বার দুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে এ ঘটনাটি ঘটে। এতে লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী করেছেন কলাচাষি ইকবাল।

ইকবাল হোসেন জানান, তিনি গ্রামের জোবাইর হোসেনের কাছ থেকে ৬ বছরের জন্য বর্গা নিয়েছিলেন জমি। জমিতে কলা পুষ্ট হয়ে উঠেছে। সকালে তিনি জমিতে সেচ দিয়ে চলে যান। দুপুরে জোবাইর ও তার লোকজন এসে কলাক্ষেত কেটে বিনষ্ট করেন। কি কারনে কলাগাছ কেটেছেন সে ব্যাপারে কিছুই জানেন না ইকবাল হোসেন। কলাগাছ কাটার ব্যাপারে ইকবাল হোসেন থানায় অভিযোগ করবেন বলেও জানান। 


আরও খবর



মাগুরায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রকৌশলী তাপস নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ২০ মে ২০24 | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | ৫৩জন দেখেছেন

Image
স্টাফ রিপোর্টার মাগুরা থেকে:মাগুরা -নড়াইল সড়কের বালিয়াডাঙ্গা মান্দারতলা নামক স্থানে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাগুরা পিডিবির উপ সরকারি প্রকৌশলী তাপস কুমার নিহত হয়েছে। মাগুরা পিডিবির সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মামুন হোসেন জানান, রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে একা মোটরসাইকেল চালিয়ে মাগুরা ফেরার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে  মান্দার গাছে ধাক্কা লেগে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু  হয়।

নিহতের মরাদেহ উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল মর্গে রেখেছে পুলিশ। 
নিহতের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার দৌলোদিয়া এলাকায়।

আরও খবর