Logo
আজঃ সোমবার ২৪ জুন 20২৪
শিরোনাম
মতিউর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা তরুণরাই বদলে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে: প্রধানমন্ত্রী নতুন সেনাপ্রধানের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ভূয়া সৈনিক পরিচয়ে বিয়ে করে শশুড় বাড়ী শিকলবন্দী জামাই! খাগড়াছড়িতে পুনাক কমপ্লেক্স এর উদ্বোধন করলেন: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল এিপুরা হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ বাধলে ইসরায়েলকে সমর্থন দেবে যুক্তরাষ্ট্র হজ চলাকালীন ১৩০১ জন হজযাত্রীর মৃত্যু: সৌদি আরব সেতু ভেঙ্গে নয়জন নিহতের ঘটনায় দুইটি তদন্ত কমিটি গঠন, মাইক্রোবাস উদ্ধার বর ও কনের বাড়ীতে শোকের মাতম রাশিয়ায় বন্দুকধারীদের ভয়াবহ হামলায় ১৫ পুলিশ সদস্য নিহত

ঘূর্ণিঝড় রিমাল: পায়রা ও মোংলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে।

শনিবার (২৫ মে) সন্ধ্যা ৬টার দিকে এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয় বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির।

তিনি বলেন, সন্ধ্যা ৬টার দিকেই ঘূর্ণিঝড় রিমাল সৃষ্টি হয়। পায়রা ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তৌফিক নেওয়াজ কবীর বলেন, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার পর সন্ধ্যা থেকেই ভোলা, পিরোজপুরসহ উপকূলীয় বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি সন্ধ্যা ৬টায় পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩৬৫ কিলোমিটার, মোংলা থেকে ৪০৫ কিলোমিটার, কক্সবাজার থেকে ৪০০ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৪৫৫ কিলোমিটার দূরে ছিল।


আরও খবর



মীরপুর ১০ ব্যাস্ততম এলাকায় রাস্তা দখল করে হকার বসিয়ে চাঁদাবাজী

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৫৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিনিধী:- রাজধানীর ব্যস্ততম মিরপুর১০ নম্বর গোলচত্বরসহ এলাকার  ফুটপাতসহ সড়কের অর্ধেকটা দখল করে চলছে পাচ হাজার হকারদের রমরমা ব্যবসা। এই ব্যবসার দোকান গুলোতে আলো জ্বালাতে অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে মাসে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। এদিকে সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার জন্য লোডসিটিং চালু করেছে। অন্য অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে মোটা অস্কের টাকার হাতিয়ে নিচ্ছে।


এর পাশাপাশি কোটি টাকার চাঁদাবাজিও হচ্ছে ফুটপাত থেকে। মিরপুর মডেল থানার কর্মরত কনস্টেবল মোহাম্মদ হেলাল প্রায় এক যুগ ধরে পুলিশের নামে ফুটপাত ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন জায়গা থেকে টাকা তোলেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ পুলিশের পিআই মোহাম্মদ জিয়া সহ পুলিশের বড় কর্মকর্তাদের নামে এই সব টাকাগুলো ওঠানো হয়। প্রায় চার লেনের চওড়া রাস্তার দুই লেনই দখল করে ব্যবসা করছেন হকারা।এখান থেকে মাসে কোটি টাকার লেনদেন করছেন হকার নেতারা।


 ফুটপাতের একাধিক ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, প্রসাশনসহ সরকার দলীয় নেতা -কর্মীরা এসব টাকা ভাগ করে খাচ্ছেন। ফুটপাতের পজিশন নিতে প্রথমে দিতে ৪০-৫০ হাজার টাকা। আবার প্রতিদিন দিতে হয় ৩-৪ শ টাকা। এ ছাড়া, আরও অনেককে ম্যানেজ করতে হয়।তারা শীর্ষ সন্ত্রাসী শাহাদাতের নামে টাকা উঠায়। এতে করে শুধু পথচারীই নয়, চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যানবাহনগুলোকেও। বিশেষ করে মিরপুর-২ নম্বর থেকে১০  গোলচত্বরসহ আশ পাশের পুরো এলাকা জুড়ে ও শাহ আলী মার্কেটের রাস্তার অর্ধেকের বেশি দখলে থাকে হকারদের। ক্রেতা-বিক্রেতা একাকার হয়ে যায় প্রধান সড়কে। 


এসব এলাকার রাস্তা দখল এবং ফুটপাতের অবস্থা বেগতিক। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাাসনকে ম্যানেজ করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে রাস্তাকে পজিশন বিক্রি করা হয়েছে। ফলে যেখানে বসে নিশ্চিন্তে ব্যবসা করছেন হকাররা। এসব হকারদের কারণে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মার্কেটের ব্যবসায়ীরাও।ব্যবসায়ীদের অভিযোগ ফুটপাত, রাস্তা দখল করে হকার বসিয়ে স্থানীয় নেতারা প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা চাঁদাবাজি করছে। এমন কি সরকারকে ফাকি দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে মাসে অর্ধকোটি টাকা হর্কারদের কাছ থেকে আদায় করছে চক্রটি। যার ভাগ প্রশাসনের বিভিন্ন মহলেও পৌঁছে যাচ্ছে। এমনকি সরকার দলীয় নেতা-কর্মীরাও বাদ নেই। কিন্তু এ কারণে মূল মার্কেটের ব্যবসা কমে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা আরও অভিযোগ করে বলেন, শাহ আলী মার্কেটের আশপাশের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ করছে রুবেল, জাহাঙ্গীর, হিরু মিয়া, রাড্ডার সামনে টিংকুর নিয়ন্ত্রণে সাদ্দাম,  আকবর, হাবিব ও নুরু মিয়াসহ কয়েকজন। এবং ১০ নম্বর গোলচত্বরসহ তার আশপাশের ফুটপাতে থেকে মো. আখের মিয়া, রুবেল, নেতা জাকির, সাদ্দাম, ফেলান ও মোরসালিন। তারা নিজেরাও দোকান বসিয়েছে। ব্যবসায়ীদের আরো অভিযোগ মোরসালিন এমপি এসএম জাহিদের নাম ভাঙ্গিয়ে ফুটপাত দখল করে ও বিভিন্ন জায়গা থেকে চাঁদাবাজি করে আসছে। নিয়ন্ত্রণকারীরা  বলেন, সবাই এসে আমাদেরকে ধরেন হকারেরা।


 আমরা বাধ্য হয়ে মোটা অংকের  টাকা নিয়ে হকারদেরকে বসতে দেই। তাদের নিয়ন্ত্রিত বাহিনীর সদস্যরা শুধু ফুটপাতই নয়, রাস্তা দখল করে পজিশন বিক্রি করছে হকারদের কাছে। সকাল থেকেই রাস্তা ও ফুটপাত দখল হয়ে যায়। রাস্তায় দেখা দেয় তীব্র যানজট। বাস চালক আবুল কালাম বলেন, ঢাকায় এত চওড়া রাস্তা খুবই কম এলাকাতেই আছে। কিন্তু চওড়া হলে কী হবে। হকারদের কারণে আমরা তার সুফল ভোগ করতে পারি না। সব যায়গায় ফুটপাত দখল করলেও এখানে রাস্তাই দখল করে বসে আছে। থানা পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ সব দেখছে। 


কিন্তু কেউ কিছুই বলছে না। মার্কেটের কয়েক জন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করে বলেন, হকারদের এ উৎপাতে আশপাশের মার্কেটগুলোর ব্যবসায়ীরা সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। রাস্তা, ফুটপাথ বন্ধ থাকার কারণে ক্রেতারা মার্কেটে আসতে পারেন না। যার কারণে তাদের বিক্রিও তেমন হয় না। এসব বিষয়ে কোনো কথা বলতে গেলে দখলদার সন্ত্রাসীরা নানা ধরনের হুমকি দিতে শুরু করে।


শুধু তাই নয়, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে থাকে।রাস্তায় পজিশন নেওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আলমগীর  হোসেন ও শামসুল আলম বলেন, মোটা অঙ্কের টাকা চাঁদা দিয়ে বসার জায়গাটুকু পেয়েছি। তার পরও প্রতিদিন তাকে ৩০০ টাকা করে চাঁদা দিতে হয়। এর পর আবার বিদ্যুৎ জ্বালানোর জন্য প্রতি লাইটে ৩০ টাকা করে দিতে হয়। বিক্রি হোক বা না হোক এই চাঁদা তাদেরকে দিতেই হবে।


এটা এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। কিন্তু এর বাইরে যখন চাঁদা দিতে হয় তখন ব্যবসায়ীদের পুঁজি ভেঙে খাওয়া ছাড়া কোনো পথ থাকে না।তিনি বলেন, ফুটপাতে খুবই কম লাভে পণ্য বিক্রি করতে হয়। এখন প্রচুর দোকান থাকায় খুব বেশি লাভও হয় না। তার মধ্যে থানা পুলিশ, লাইনম্যান, ঝাড়ুদার, পুলিশ সোর্স এবং এলাকার বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের আলাদা আলাদা করে টাকা দিতে হয়। কেউ দিন হিসেবে আবার কেউ সপ্তাহ হিসেবে এসব টাকা নিয়ে থাকে।


আর যাদের কাছ থেকে জায়গা বা পজিশন নিয়েছি তাদের তো আলাদাভাবে চাঁদা দিয়ে জায়গা রক্ষা করতে হয়।এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম না প্রকাশে শর্তে তিনি বলেন, মাঝে মধ্যেই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। কিন্তু তাতে লাভ হয় না।তিনি আক্ষেপ করে বলেন, আমাদের কিছু অসাধু কর্মচারী ও কর্মকর্তারা এবং  প্রসাশনের লোকজন এসব অনৈতিক কাজে জড়িত থাকেন।তা হলে তো আর উচ্ছেদ করেও কোনো লাভ হচ্ছে না।


একদিকে উচ্ছেদ হচ্ছে আবার কিছুক্ষণ পরে হকাররা আবার দোকান বসাচ্ছে। তাই পুলিশের পক্ষ থেকে কার্যকরি পদক্ষেপ নেওয়া হলে উচ্ছেদের পর নতুন করে হকার বসতে পারবে না। ডেসকোর একজন প্রকৌশলী এ ব্যাপারে বলেন, এই সব অভিযোগ শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। আমরা ওই সব এলাকায় বারবার অভিযান চালিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন করা হয়। কিন্তু আমাদের অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারী ও কর্মকর্তারা অর্থের বিনিময়ে ওই সব অবৈধ চক্রের সাথে হাত মিলিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎতের লাইন সংযোগ দিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।


তিনি দুঃখকরে আরও বলেন, যেখানে সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার জন্য লোডসিটিংয়ে পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর মধ্যে তারা গ্রাহকে ঠকিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগদিয়ে টাকা নিচ্ছেন। মিরপুর জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন মোল্লাহ জানান, অতি তাড়াতাড়ি সবার সহযোগিতায় মিরপুর এলাকার ফুটপাথ ও রাস্তা দখল থেকে হকারদের উচ্ছেদ করে দখলমুক্ত করা হবে।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর



ডোমার উপজেলার নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান সরকার ফারহানা আখতার সুমিকে সংবর্ধনা

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি;নীলফামারীর ডোমারে উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত চোয়াম্যান সরকার ফারহানা আখতার সুমিকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

রোববার (০২জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের বসুনিয়ার হাট মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন এলাকাবাসী। পরে এক আলোচনা সভায় ছামিউল ইসলাম বাপ্পি’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমাজ সেবক মঈন উদ্দিন। এ সময় এলাকার সাধারণ মানুষ নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যানকে ফুলের তোরা ও ফুলের মালা দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করেন নেয়।

অতিথি হিসাবে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীন, বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাবেক ছাত্রনেতা এসএম ইমরান, সমাজসেবক রেজওয়ানুল সানি, জুয়েল রানা, ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলাম, আব্দুল কাইয়ুম, ফজলুল হক প্রমূখ বক্তব্য রাখেন। 

এক পর্যায়ে নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান নিজের ফুলের মালা খুলে এলাকার রবিজন সম্প্রদায়, কুলি মুজুর, বয়স্ক নারী পুরুষ, নতুন ভোটার ও সাধারণ মানুষের মাঝে বিলিয়ে দিয়ে এলাকায় দুষ্টান্ত স্থাপন করেন। তিনি বলেন আগামী ৫ বছর সাধার মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাবে। উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন নব-নির্বচিত চেয়ারম্যান সরকার ফারহানা আখতার সুমি।


আরও খবর



জয়পুরহাটে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস পালিত

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image
এস এম শফিকুল ইসলাম জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃতামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ প্রতিহত করি,শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করি এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসন ও জেলা টাস্ক ফোর্স কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক সালেহীন তানভীর গাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায়  অতিরিক্ত জেলা জেলা ম্যাজিষ্টেড মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ তুলসী চন্দ্র রায়,সহকারী কমিশনার উজ্জ্বল বাইন, সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা চৈতী রায়, সাংবাদিক খ, ম আবদুর রহমান রনি, এনজিও ব্যাক্তিত্ব সুজন কুমার মন্ডল প্রমূখ।আলোচনা সভা শেষে একটি শোভাযাত্রা কালেক্টরেট চত্বর প্রদক্ষিণ করে।



আরও খবর



বিরামপুরে জমি দখলের চেষ্টা: থানায় জিডি

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২৩ জুন ২০২৪ | ৬৩জন দেখেছেন

Image

মিজান, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃদিনাজপুর জেলার বিরামপুরে পৌর এলাকার দেবীপুর গ্রামে রেল বিভাগ থেকে লীজ নেওয়া জমি একটি সংঘবদ্ধ চক্র জবর দখলের চেষ্ঠা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় লীজ গ্রহীতা আবু সাঈদ থানায় সাধারণ ডাইরী করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিরামপুর উপজেলার দেবীপুর গ্রামের বৃদ্ধ আবু সাঈদ জানান, ঐ মৌজায় রেল বিভাগের অনেক পতিত জমি রয়েছে। অন্যনা সে সকল জমি লীজ নিয়ে ভোগ দখল করছে। আবু সাঈদ তার বাড়ির সামনে ১৪ শতক জায়গা রেল বিভাগ থেকে লীজ নিয়ে র্দীদিন ধরে ভোগ দখল করে আসছেন। তিনি চলতি বছরও খাজনার টাকা দিয়ে লাইসেন্স নবায়ন করেছেন। কিন্তু ঐ গ্রামের একটি সংঘবদ্ধ চক্র বৃদ্ধ আবু সাইদের বাড়ির সামনের জমিটি জোর পূর্বক দখলে নেওয়ার চেষ্টা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।

এঘটনায় তিনি গত ৮ জুন বিরামপুর থানায় সাইম, ইদ্রিস, আর্জিনা ও হাছেন মিয়ার নামে একটি সাধারণ ডাইরী করেছেন। এতেও ক্ষান্ত না হয়ে ঐ চক্রটি ১২জুন সকালে আবারো জমিটি জবর দখলের চেষ্টা করেছে। বাড়ির সামনের জমি জবর দখলের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বৃদ্ধ আবু সাঈদ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আরও খবর



নবীনগরে নিজ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী ফারুক আহামেদকে লাঞ্ছিত

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জুন 2০২4 | হালনাগাদ:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | ১৬৭জন দেখেছেন

Image

মোহাম্মদ হেদায়েতুল্লাহ  নবীনগর(ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি:- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ ফারুক আহামেদ এর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দুপুরে উপজেলার আহাম্মদপুর গ্রামের রনাইয়া পাড়াতে এঘটনা ঘটে। 


সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ ফারুক আহামেদ তার কর্মীসমর্থকদের সাথে নিয়ে আহাম্মদপুর রনাইয়া পাড়ার মসজিদ সংলগ্ন একটি দোকানে গণসংযোগ করছিলেন। এমন সময় একই গ্রামের আব্দুস সামাদ সরকারের ছেলে মোঃ সালাউদ্দিন ঐ দোকানের একটি টেবিলে বসা থাকা অবস্থায় ফারুক আহামেদ এর এক সমর্থকের টেবিলে বসা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ের হাতাহাতির সৃষ্ঠি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাতাহাতির এক পর্যায়ে ফারুক আহামেদ এর গায়ে হাত সহ তাকে লাঞ্ছিত করা হয়।


এব্যাপারী লাউর ফতেহপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না তবে শুনেছি প্রার্থী ফারুক ভাইয়ের উপর অতর্কিত হামলা করা হয়েছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক ও নেক্কারজনক। 


এব্যাপারে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ ফারুক আহামেদ বলেন, বাদল ভাইয়ের চাচাতো ভাই আজাদ ভাইকে বসার ব্যবস্থা করতে গিয়েই ঘটনাটা ঘটেছে। এরপর বিস্তারিত পরে কল দিয়ে বলবেন বলে তিনি কলটি কেটে দেন।


এব্যাপারে জানতে নবীনগর থানার ওসি মাহাবুব আলমকে একাদিকবার কল দিলেও তিনি রিসিপ করেননি।

   -খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর