Logo
আজঃ মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম
নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা পদে ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা পদে ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ঈদ পর ফের বাড়লো হিলিতে আলু,পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম পানি নিষ্কাশনের মুখে নন্দন পার্কের বাঁধ, উৎসবেও জলবদ্ধতায় দুর্ভোগ বাড়তি ফি টেস্ট পরীক্ষার নামে নেওয়া যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কারিকুলাম যুগোপযোগী করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল, আজ থেকেই কার্যকর ফরিদপুরে নিহতদের পরিবার পাচ্ছে ৫ লাখ টাকা, আহতরা ৩ জামিন পেলেন ড. ইউনূস ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস

গীতিকবি আশেক মাহমুদ আর নেই

প্রকাশিত:শনিবার ২১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ২৭৫জন দেখেছেন

Image

বিনোদন প্রতিবেদক : তপন চৌধুরীর গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘আমি সবকিছু ছাড়তে পারি তোমাকে ছাড়তে পারব না’র গীতিকবি সৈয়দ আশেক মাহমুদ আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। আজ শনিবার ভোরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুর সংবাদটি নিশ্চিত করেছেন নন্দিত গীতিকবি কবির বকুল।

তিনি বলেন, ‘প্রণব ঘোষের সুরে প্রিয় শিল্পী তপন চৌধুরীর গাওয়া “আমি সবকিছু ছাড়তে পারি তোমাকে ছাড়তে পারব না” গানের গীতিকবি সৈয়দ আশেক মাহমুদ আজ ভোরবেলা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।’

কবির বকুল জানান, আজ বাদ আসর রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে প্রয়াত সৈয়দ আশেক মাহমুদের নামাজে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে ‘গীতিকবি সংঘ বাংলাদেশ’। এছাড়া শোক জানিয়েছে গীতিকবিদের অনেকেই।

উল্লেখ্য, গীতিকবি সৈয়দ আশেক মাহমুদের লেখা জনপ্রিয় কিছু গান রবি চৌধুরীর গাওয়া ‘পৃথিবীকে চিনি আর তোমাকে চিনি’, শুভ্র দেবের গাওয়া ‘ও বেহুলা বাঁচাও’, কুমার বিশ্বজিতের গাওয়া ‘মুক্তিযুদ্ধ করেছি আমরা দূরন্ত’। গানগুলোর সুরকার প্রণব ঘোষ।

এছাড়া রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমীনসহ দেশের আরও অনেক গুণী ও জনপ্রিয় শিল্পীর জন্য গান লিখেছেন তিনি।


আরও খবর



আল জাজিরা নিষিদ্ধে ইসরায়েলে আইন পাস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১০৮জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে আইন পাস করেছে। সোমবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আইনটি ৭০-১০ ভোটে পাস হয় এবং তেল আবিব সরকারকে ইসরায়েলে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের কার্যালয় বন্ধ করার মতো ক্ষমতা দেয়।

বিলটি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে ইসরায়েলে বহুল প্রচারিত সংবাদমাধ্যমটির সম্প্রচার বন্ধ করার ক্ষমতা দিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা এএফপি এবং টাইমস অফ ইসরায়েল-এর বরাতে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বিলটি পাস করার জন্য নেসেটে আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং 'অবিলম্বে আল জাজিরা বন্ধ করার জন্য কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

মূলত ইসরায়েলি বাহিনী ও গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাসের চলমান যুদ্ধে হামাসের পক্ষে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগেই এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে আল জাজিরার বিরুদ্ধে। গত ১৫ অক্টোবর ইসরায়েলের তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী শালোমা খারহি অভিযোগ করেছিলেন, চলমান এই যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের এই প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমটি নিয়মিত হামাসঘেঁষা সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে, যা ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে। ইসরায়েলের বেতার সংবাদমাধ্যম আর্মি রেডিওকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানিয়েছিলেন, শিগগিরই এ ব্যাপারে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে ইসরায়েলের সরকার।

এর আগে, গত বছর ২০ অক্টোবর ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে আল জাজিরার সম্প্রচার এবং সেটির স্থানীয় কার্যালয় ৩০ দিনের জন্য বন্ধ করতে বিল পাস হয়।


আরও খবর



মেহেরপুরে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌ চাষিরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ এপ্রিল 2০২4 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, গাংনী(মেহেরপুর:মেহেরপুরে লিচু বাগানগুলোতে মুকুলের সমারোহ। চারদিকে মুকুলের মিষ্টি মৌ মৌ গন্ধ। গাছে গাছে দোল খাচ্ছে লিচুর মুকুল। গাছের প্রতিটি ডাল থেকে মুকুলের সুবাস ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে। মুকুলের সুগন্ধে পাখা মেলে গুণ গুনিয়ে এক ফুল থেকে অন্য ফুলে ছুটছে মৌমাছিরা। লিচু চাষিরা যেমন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে গাছের পরিচর্যায়। অন্যদিকে মৌচাষিরা মধু সংগ্রহে শ্রম ব্যয় করছে দিনরাত। মধু সংগ্রহে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন মৌচাষিরা। গাছের ফাঁকে ফাঁকে বাক্স বসিয়ে সংগ্রহ করছেন সুস্বাদু মধু।

মেহেরপুর মুজিবনগর উপজেলার রশিকপুরে লিচুবাগানগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে, চলতি মৌসুমে গাছের মুকুল ভালো হওয়ার মধু সংগ্রহে খুশি মৌচাষিরাও। মার্চ মাসের শুরু থেকে মধু সংগ্রহ করার ধুম পড়ে। দূর থেকে আসা মৌচাষিরা বিভিন্ন স্থানীয় বাগান মালিকদের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে মৌ চাষ শুরু করে। একটি বাগানে মধু সংগ্রহ করার কাজে ২-৩ জন শ্রমিক কাজ করে। দেখা যায়, লিচুর উৎপাদন বাড়াতে বাগানে বাগানে চাষিরা মৌমাছির ’মৌ বাক্স’ বসিয়েছে। পাশেই নিজেদের তৈরি ছোট কুঁড়েঘর থাকে বাক্সের তদারকি করছে মৌ চাষিরা।

লিচু গাছের নিচে সারি সারি করে সাজিয়ে রেখেছেন কাঠের তৈরি বাক্সগুলো। সেখান থেকে দলে দলে মৌমাছির ঝাঁক বসছে লিচুর মুকুলে। মুকুল থেকে মধু সংগ্রহ করে মৌমাছির দল নিজ নিজ বক্সে মৌচাকে মধু এনে জমা করছে। ৭-৮ দিন পর পর প্রতিটি বাক্স থেকে চাষিরা মধু সংগ্রহ করছেন। লিচুর বাগান থেকে সংগ্রহ করা মধু যেমন খাঁটি তেমনই সুস্বাদু। মানের দিক থেকে ভাল হওয়ায় এর চাহিদা অনেক বেশি। প্রতি বছর দেশের নানান প্রান্ত থেকে মৌচাষিরা মধু সংগ্রহ করতে মেহেরপুরের বিভিন্ন বাগানে আসে। এদিকে বাগান থেকেই সুস্বাদু মধু ক্রয় করছেন স্থানীয় ও দূর-দূরান্তের ব্যবসায়ীরা।

মধু কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন, মধু চাষিরা এখানে মধু সংগ্রহের পাশাপাশি বিক্রিও করছেন। আমরা বাজারে যে মধু কিনি, সেগুলোয় কেমিক্যাল বা ভেজাল থাকে। তবে এখানকার মধু খাঁটি। এক মাস সময় নিয়ে দিনাজপুর থেকে এখানে এসেছেন মৌ চাষি রনি হাসান ও তার দল। রনি হাসান দীর্ঘ ১৪ বছর এই পেশায় যুক্ত রয়েছেন। তিনি বলেন, বছরে ৬ মাস আমাদের কাজ হয়। আমরা মাসে ৩-৪ বার মধু সংগ্রহ করতে পারি।

মৌ চাষি রনি হাসান আরো বলেন, আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে আরো বেশিও সংগ্রহ করা যায়। এখানে ১৫০টি বক্স রয়েছে। প্রতিটি বক্সে ৪টি-১৬টি ফ্রেম আছে। প্রতিটি ফ্রেম থেকে ২৫০ গ্রাম থেকে ২ কেজি পর্যন্ত মধু আমরা সংগ্রহ করে থাকি। ইতোমধ্যে আমরা ২’শ ৯০ কেজি মধু সংগ্রহ করেছি। আরও ২শ কেজি মধু সংগ্রহের সম্ভবনা রয়েছে। এখানে সংগ্রহের কাজ শেষ হলে আবার অন্যত্র মধু সংগ্রহের কাজ শুরু হবে।

স্থানীয় পর্যায়ে প্রতি কেজি মধু ৬শ টাকা কেজি ধরে বিক্রি করা হচ্ছে। মধু সংগ্রহ করা শেষ হয়ে গেলে তারা সাথে করে মৌমাছিদের নিয়ে যায় বলে জানান মৌ চাষিরা। প্রতিটি বাক্সে একটি রানী মৌমাছি, একটি পুরুষ মৌমাছিসহ অসংখ্য এপিচ জাতের কর্মী মৌমাছি রয়েছে। কর্মী মৌমাছিরা ঝাঁকে ঝাঁকে লিচুর মুকুলে ছুটে গিয়ে মধু সংগ্রহ করে।কৃষিবিদ শফিউল ইসলাম বলেন, মৌমাছির মাধ্যমে মুকুলের পরাগায়ণ ঘটানোর মাধ্যমে লিচুর ফলন ভাল হয়।

ফলে যে গাছে মৌমাছির বেশি আগমন ঘটে সে গাছে লিচুর যেমন বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকে, তেমনই মৌ চাষিরা বেশি মধু সংগ্রহ করে বাণিজ্যিকভাবে বিপুল পরিমান অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হয়।


আরও খবর



মান্দায় এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা: মামলা দায়ের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ২৩জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা; নওগাঁ:নওগাঁর মান্দায় তুচ্ছ ঘটনায় এক সন্তানের জনক সাদেকুল ইসলাম ওরফে ছোটন (২৬) নামে এক যুবকের পিটিয়ে  হত্যার ঘটনায় অবশেষে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের বাবা আবদুর রাজ্জাক সোমবার (১৫ এপ্রিল) অভিযুক্ত সাগর হোসেনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত কয়েক জনের বিরুদ্ধে এ হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি উপজেলার মান্দা সদর ইউনিয়নের বাদলঘাটা গ্রামে ঘটেছে।

নিহত সাদেকুল ইসলাম ছোটন বাদলঘাটা গ্রামের চা বিক্রেতা আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। রোববার রাত আড়াইটার দিকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন তিনি । হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত সাগর হোসেন (৩০) একই গ্রামের হযরতুল্যাহ মন্ডলের ছেলে। ঘটনার পর থেকে সাগরের পরিবারের  সদস্যরা গা ঢাকা দিয়েছেন।স্থানীয়রা জানান,নিহতের বাবা একজন চা বিক্রেতা।তিনি চা বিক্রি করেই জীবন-যাপন করেন। তিনি গ্রামের একজন অসহায় মানুষ। এ কারণে প্রতিবেশি আশরাফ আলী’র ছেলে জামাল উদ্দিন নামে এক আ’লীগ নেতা তাকে দোকানঘর করার জন্য কিছু জমি দেয়। তার দেওয়া জমিতে দোকানঘর তৈরি করে চা- ব্যবসা করে আসছিলেন। আশরাফ আলীর ছেলে জামাল উদ্দিন গংদের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে অভিযুক্ত সাগর গত (১১ এপ্রিল) শুক্রবার সন্ধ্যায় নিহতের বাবা আবদুর রাজ্জাকের দোকান উচ্ছেদের জন্য ভাংচুর শুরু করেন। ওইসময় দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন নিহত ছোটন। এরই এক পর্যায়ে নিহত ছোটনের শরীরে একটি বাঁশের কাবাড়ি’র সজোরে আঘাত লাগে।  ওইসময় তিরি প্রতিবাদ করলে তার মাথায় কাঠের বাটাম (লাঠি) দিয়ে সজোরে আঘাত করে অভিযুক্ত সাগর । এতে ঘটনা স্থলেই মাটিতে লুটে পড়েন নিহত সাদেকুল ইসলাম ছোটন। পরবর্তীতে তাকে আরো একাধিক আঘাত করা হয় বলেও জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

এরপর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাৎক্ষণিকভাবে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে স্থানান্তর করার জন্য পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে রামেকে নেওয়ার পর তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মর্ডান ক্লিনিকে ভর্তি করিয়ে দেন। ঘটনার ৩ দিনপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী বলেন,এঘটনায় নিহতের বাবা আবদুর রাজ্জাক বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত সাগরকে গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



দড়িচর ছাত্র ও সমাজকল্যাণ সংগঠনের ঈদ পুনর্মিলনী

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৪১জন দেখেছেন

Image

হোমনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:কুমিল্লার হোমনায় দড়িচর ছাত্র ও সমাজ কল্যাণ সংগঠনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে সংগঠনের সকল সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের অংশগ্রহণে এক আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষে সংগঠনের কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-মহা পরিদর্শক (ডিআইজি) মো. মাহবুব আলম (বিপিএম বার, পিপিএম)। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব এসএম নজরুল ইসলাম ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের অর্থ ও প্রশাসন শাখার উপ-পরিচালক উপ-সচিব মো. মোজাম্মেল হক, রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান সরকার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ক্ষোমালিকা চাকমা, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জয়নাল আবেদীন, ভারটেক্স বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সৈয়দ মো. জুনাইদ আনোয়ার, বিসিআইসি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মীর মো. মাসুদুজ্জামান, সাংবাদিক মোর্শেদুল ইসলাম শাজু, মো. মোরশিদ আলম ও মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ। আরও ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. হাবিবুর রহমান মুকুল ও মো. আবু হানিফ। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজেস’র ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ সেন্টারের অধ্যক্ষ মুনসুর হাসান খন্দকার। প্রধান অতিথি ডিআইজি মাহবুব আলম দড়িচর ছাত্র ও সমাজ কল্যাণ সংগঠনের উন্নয়নের লক্ষ্যে পঞ্চাশ হাজার টাকা অনুদান দেন। সঙ্গে সঙ্গে প্রধান অতিথিকে সংগঠনের সম্মানসূচক আজীবন সদস্য পদে মনোনীত করা হয়।

শেষে অতিথিরা হোমনা পৌরসভা কার্যালয়ে পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলামের আমন্ত্রণে সংক্ষিপ্ত চা-চক্রে মিলিত হয়ে পৌর ভবনের সামনে এক ফটো সেশনে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত রেজিস্টার্ড এ সংগঠনটি ইতোমধ্যে দড়িচর ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল পরিচালনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন বাবদ এক বছর প্রতি মাসে ১৫ হাজার টকা করে দান, প্রতি বছর ঈদুল ফিতর উদযাপন উপলক্ষে এলাকার ৩ শ থেকে সাড়ে ৩ শ’ দুঃস্থ ও দরিদ্র পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ প্রদান, ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে গ্রন্থাগার পরিচালনা, ২০২০ সালে করোনাকালীন সময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উপস্থিতিতে ২৫০ গরীব ও অসহায় পরিবারকে খাদ্য সহায়তা, বিধবা ও দরিদ্র মেয়েদের বিয়ে আয়োজনে নগদ অর্থ প্রদান, অসহায় পরিবারের মৃত ব্যক্তিদের দাফন কাফনের ব্যবস্থা করে এলাকায় বিশেষ সুনাম অর্জন করেছে। এছাড়াও এ সংগঠনটি এলাকার যুবকদের খেলাধূলায় মনোযোগী করে শরীর ও সুস্বাস্থ্য গঠনে ভূমিকা রেখে চলেছে। একটি নিজস্ব ফুটবল টিম গঠন করে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে অনেক পুরস্কার লাভ করেছে।


আরও খবর



নওগাঁয় স্বামী পরিত্যক্তা এক নারীকে দলবেঁধে ধর্ষণ, এক ধর্ষক গ্রেফতার

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ১১৩জন দেখেছেন

Image

এম এম হারুন আল রশীদ হীরা প্রতিনিধি:নওগাঁর মান্দায় দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন স্বামী পরিত্যক্তা এক নারী (৩২)। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার একটি কলাবাগানে এ ঘটনা ঘটে।এদিকে ভিকটিমের দেওয়া তথ্যমতে আজ শনিবার(২৪ মার্চ) বেলা ১১টায় দ্রুত এক অভিযান চালিয়ে হারুন অর রশিদ (২৩) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।অভিযুক্ত হারুন অর রশিদ সাহাপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।ধর্ষণের শিকার ওই নারী জানান, ‘আমি নওগাঁ শহরের একটি ক্লিনিকে আয়ার কাজ করি। কাজের সুবাদে স্বামীকে নিয়ে শহরের দয়ালের মোড়ে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতাম। পারিবারিক বিষয় নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় কয়েক মাস আগে স্বামীর সাথে তার ছড়াছাড়ি হয়েছে।’ভুক্তভোগী ওই নারী আরও বলেন, মোবাইলফোনের সূত্র ধরে লুদু নামে মান্দা ফেরিঘাট এলাকার এক ব্যক্তির সাথে তার পরিচয় ঘটে। তিনি বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যার পর আমাকে ফেরিঘাট এলাকায় নিয়ে আসেন। রাত ৮টার দিকে চার্জারভ্যানে আশপাশে ঘুরে একটি কলাবাগানে নিয়ে যান। এরপর হত্যার ভয় দেখিয়ে একে একে আটজন আমাকে ধর্ষণ করেন।’   তিনি আরও বলেন, ‘সুযোগ পেয়ে চিৎকার দিলে রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী পথচারীরা এগিয়ে আসলে বখাটেরা পালিয়ে যায়। পরে ওইসব লোকজন আমাকে উদ্ধার করে পুলিশের জিম্মায় দেয়।’মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক কাজী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় হারুন নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভিকটিমের শারীরিক পরীক্ষাসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


আরও খবর