Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ০৮ জুন ২০২৩
শিরোনাম

গবেষণার কারণেই দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ মার্চ 2০২3 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ জুন ২০২৩ | ৯৭জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘গবেষণার কারণেই দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। দেশকে এগিয়ে নিতে আমরা শুধু পরিকল্পনাই করছি না, সেটা বাস্তবায়নও করছি।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ও গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আরও দক্ষ বিজ্ঞানী তৈরিতে গবেষণায় জোর দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নতুন প্রজন্মকে প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছি যার ভিত্তি বঙ্গবন্ধুই স্থাপন করে যান। ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন রাঙামাটির বেতবুনিয়াতে তিনি দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করেন।

তিনি আরও বলেন, ‘জাতির পিতা এদেশের মানুষের উন্নয়ন ও মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সেটা করে যেতে পারেননি। পঁচাত্তরে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সে সময়ে প্রাণ হারান আমার পরিবারের ১৮ জন সদস্য।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে সমুদ্রসীমায় আমাদের যে অধিকার সে বিষয়ে কাজ শুরু করি। মাত্র ৫ বছরে আমরা সে কাজ সম্পন্ন করতে পারিনি। কিন্তু পরেরবার ক্ষমতায় এসে আমরা সে অধিকার বুঝে নিয়েছি। জাতির পিতা শুধু করেই দিয়ে যাননি, আমাদের জন্য সবকিছুর ভিত্তিপ্রস্তর করে গেছেন তিনি।

সরকার প্রধান বলেন, ‘একটা সময়ে বিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কম ছিল। কিন্তু একটা দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে বিজ্ঞান ও গবেষণা কতটা জরুরি তা আমরা উপলব্ধি করি। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে দেশে ১২টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। শুধু নিজের দেশে নয়, বিদেশ থেকে জ্ঞান আহরণ করে দেশের উন্নয়নেও যেন ভূমিকা রাখতে পারে সে ব্যবস্থাও করেছে আওয়ামী লীগ সরকার।

শেখ হাসিনা এসময় বলেন, ‘নভোথিয়েটার করতে গিয়ে খালেদা জিয়া আমার নামে দুইটা মামলা দিয়েছিলেন। সেগুলো কেন এবং কী কারণে আমি জানি না। যে কাজই করতে গিয়েছি সে কাজেই আমাকে মামলা দেওয়া হতো। আমি মনে করি দেশে যত বেশি গবেষণা হবে তত বেশি উন্নয়ন হবে আমাদের। আমরা বলেছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশ করব আমরা সেটা করেছি।


আরও খবর



ইসির ক্ষমতা খর্ব হয়নি: রাশেদা সুলতানা

প্রকাশিত:রবিবার ২১ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ জুন ২০২৩ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:নির্বাচন কমিশনার বেগম রাশেদা সুলতানা বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ক্ষমতা খর্ব হয়নি। প্রচলিত আইনে ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত গাইবান্ধার মতো একটি আসনের পুরো ভোট বন্ধ করতে পারবে ইসি।

আজ রোববার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদা সুলতানা বলেন, নতুন আইনে ফলাফল ঘোষণার পরও নির্বাচন বাতিলের ক্ষমতা চেয়েছিল ইসি। সেটা সম্ভবত সরকার দিচ্ছে না। তবে কেন্দ্রের ফল প্রকাশের পরও ভোট বাতিল করতে পারবে কমিশন। সুতরাং ইসির ক্ষমতা খর্ব হয়নি বরং কিছুটা বেড়েছে।  

ইসি রাশেদা বলেন, নির্বাচনের ফলাফলের তিনটা পর্যায় আছে। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা কেন্দ্রে কেন্দ্রে একটা রেজাল্ট দেন, এই রেজাল্ট চারটা কপি করা হয়। একটা প্রার্থীদের জন্য, একটা সাঁটানোর জন্য, একটা রিটার্নিং কর্মকর্তার জন্য, আরেকটা কপি করতে হয়। এগুলো করার পর সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফলাফল ঘোষণা করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠান। সেই রেজাল্ট হলো প্রাইমারি রেজাল্ট, চূড়ান্ত নয়। ওটার ওপর কে জিতল তার কার্যক্রম শুরু হবে না। শুরু হবে তখন, যখন কমিশন থেকে গেজেট হবে।

তিনি বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তারা কমিশনে ফলাফল পাঠানোর সময় কিছু অভিযোগ আসে। কিন্তু এই অভিযোগের বিষয়ে কমিশনের হাতে কোনো ক্ষমতা নেই। সেই অভিযোগের বিষয়ে কমিশন কিছু করতে পারে না। তাকে গেজেটটা করে দিতে হয়। তখন কমিশনের প্রতি অভিযোগকারীদের একটা অনাস্থা থেকে যায়।  একটা ক্ষোভ কিন্তু তৈরি হয়। এই জায়গা আমরা নতুন প্রস্তাবনা পাঠালাম সংশোধনীতে, যেটা মন্ত্রিপরিষদে গেছে। আমরা চেয়েছিলাম কোনো অভিযোগ আসলে কমিশন সেই গেজেট নোটিফিকেশনটা স্থগিত রাখবে। এরপর তদন্ত করে যদি অভিযোগটার সত্যতা প্রমাণিত হয় তাহলে  আসনটার ভোট বাতিল করার। মন্ত্রিপরিষদ পুরো আসনের কথাটা বাদ দিয়ে অনুমোদন দিয়েছে। আমরা পুরোটা কপি এখনো দেখিনি।

গাইবান্ধার ভোট প্রসঙ্গে এই কমিশনার বলেন, ‘গাইবান্ধায় আমরা যখন সিসি ক্যামেরায় নানা ধরনের অনিয়ম দেখছিলাম, গোপন কক্ষের মধ্যে ভোটার ভোট দেওয়ার আগেই অন্য কেউ দিয়ে দিচ্ছেন। তখন আমরা ৯১ (ক) অনুচ্ছেদের ক্ষমতা বলে নির্বাচন বন্ধ করেছি। এখন আমরা চাচ্ছি, এক বা একাধিক কেন্দ্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার ফলাফল ঘোষণার পর এবং গেজেট হওয়ার আগ পর্যন্ত, এই মধ্যবর্তী সময়ে অভিযোগ এলে যেন তদন্ত করে বন্ধ করতে পারি। তখন সেখানে নতুন করে ভোট হবে। 

সম্প্রতি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২ সংশোধনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ। তারপরই বিতর্ক ওঠে নির্বাচন কমিশন  পুরো আসনে ভোট বাতিলের ক্ষমতা হারাতে যাচ্ছে।


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে বছরে ১০০ কোটি টাকার সবজি উৎপাদন হয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ জুন ২০২৩ | ১১০জন দেখেছেন

Image

জসীমউদ্দীন ইতি ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: নানা জাত ও স্বাদের সবজি চাষে নীরব বিপ্লব ঘটেছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের পাঁচটি গ্রাম। বছরে ১০০ কোটি টাকার সবজির উৎপাদন হয় এ গ্রামগুলোতে। গ্রামগুলোতে বেশিরভাগ পরিবার এখন সবজি চাষের সঙ্গে যুক্ত। এতে হতদরিদ্র গ্রামবাসীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে। অনেক যুবকের বেকারত্ব ঘুচেছে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে গ্রামগুলোর সবজি যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, এই ইউনিয়নের মধ্যে বাগেরহাট, চন্ডীপুর, নীলারহাট, গুঞ্জরগড় ও চকহলদি গ্রামে বছরে উৎপাদন হচ্ছে দেড় হাজার মেট্রিক টন সবজি। তিনি বলেন, গ্রামগুলোর উৎপাদিত শাকসবজি জেলার চাহিদা পূরণ করে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাট-বাজারে। এখান থেকেই বছরে বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১০০ কোটি টাকার সবজি।
গ্রামগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, এ সময়ে মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া, বেগুন, ঢেড়স, কাকরোল, করলা, পটোলসহ বিভিন্ন সবজি চাষ হয়েছে।গ্রামগুলোতে সকাল হলে ছুটে যান ব্যবসায়ীরা।

চকহলদি গ্রামের কৃষক আলিম উদ্দিন জানান, কয়েক বছর আগেও তিন বিঘা জমিতে ধানের আবাদ করতেন। তবে এখন রবি মৌসুমে পুরো জমিতেই সবজি আবাদ করছেন। আলিম উদ্দিন বলেন, ধান চাষের চেয়ে সবজি চাষ লাভজনক। এক বছরে মৌসুমভিত্তিক নানা সবজি চাষ করা যায়। এতে প্রতি বিঘা জমি থেকে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা লাভ করতে পারছি। পাশের নীলারহাট গ্রামের প্রান্তিক কৃষক মোবাশ্বির আলম এক সময় শুধু বোরো, আমন ধান চাষাবাদ করতেন। কয়েক বছর ধরে অন্য ফসলের চাষাবাদ কমিয়ে সবজি চাষে ঝুঁকছেন। শুক্রবার সকালে চন্ডীরহাট আড়তে কুমড়া ও কাকরোল বিক্রি করতে আসেন মোবাশ্বির। মোবাশ্বির আলম বলেন, এবার সবজির ফলন ভালো হয়েছে। তবে শুরুতে কিছুটা বাড়তি দাম পেলেও এখন বাজার দর পড়ে গেছে। একই এলাকার সবজিচাষি রব্বানী মিয়া বলেন, সব খরচ বাদ দিয়ে বছরে আমার আয় হয় চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা। এতে আমাদের ধানের চেয়ে সবজিতে বেশি লাভ হচ্ছে।পাশের বাগেরহাট আড়তের স্থানীয় ব্যাপারী আব্দুল জলিল বলেন, প্রতিদিন এই ইউনিয়নের বাগেরহাট, চন্ডীপুর মোড় ও গড়েয়া আড়তে পাইকারিভাবে সবজি বেচাকেনা হয়। বিকালের পর থেকে ট্রাকে সবজি লোড করা হচ্ছে। রাতে এসব সবজি ট্রাকে করে সরাসরি রাজধানী ঢাকার আড়তে পৌঁছে যাচ্ছে। ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, সদর উপজেলার মধ্যে গড়েয়া ইউনিয়ন কৃষিতে সমৃদ্ধ একটি এলাকা। কয়েক বছর ধরে সবজির ভালো দাম পেয়ে খুশি কৃষকরা। এ কারণে সবজি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। ভবিষ্যতে সবজির গ্রামগুলোকে রোল মডেল করে আদর্শ কৃষিগ্রাম করার পরিকল্পনা


আরও খবর



সোনারগাঁয়ে ৫ হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ জুন ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ জুন ২০২৩ | ১২২জন দেখেছেন

Image

আবু কাওছার মিঠু রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃনারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের দুই ইউনিয়নে ৫ হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।সাদিপুর  ইউনিয়নের নয়াপুর,কাঠালিয়া পাড়া,পশ্চিম পাড়া,আন্ধারমানিক,বেইলর,দেওভোগ ও জামপুর ইউনিয়নের মীরের টেক,আথুরাপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দুই ইউনিয়নের ৬ কিলোমিটারের মধ্যে ৬শ ফুট অবৈধ পাইপ ও রাইজার, রেগুলেটর জব্দ করা হয়।

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশনের সোনারগাঁ আঞ্চলিক বিপণন বিভাগের ম্যানেজার এরশাদ মাহমুদের নেতৃত্বে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রাসকের সিনিয়র সহকারী কমিশনার আর্নিকা আক্তার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে। এসময় তিতাস গ্যাসের সোনারগাঁ জোনাল অফিসের ডিজিএম সুরুজ আলম, ম্যানেজার আতিকুল ইসলাম, ডেপুটি ম্যানেজার রিফাত আব্দুল্লাহ, রিয়াজ মহিউদ্দিন, সোনারগাঁ থানা ও নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনের বিপুল সংখ্যক পুলিশ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় সহযোগিতা করেন।

-খবর প্রতিদিন/ সি.ব


আরও খবর



সামান্য বৃষ্টিতেই সংযোগ সড়কে ভাঙ্গন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৬ জুন ২০২৩ | ৯১জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর প্রতিনিধি: রাজশাহীর তানোরে গত বুধবার দিবাগত রাতে সামান্য বৃষ্টিতেই শীবনদীর উপর নির্মিত সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে গেছে। এতে করে ঝুকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তানোর ও মোহনপুরের জনসাধারনকে। ফলে ভাঙ্গনের স্থান দ্রুত মেরামত করার দাবি তুলেছেন পথচারীরা। জানা গেছে, গত বুধবার দিবাগত রাত্রি ২ টার দিকে বৃষ্টি ও ঝড় বাতাস হয়। বৃষ্টি এবং ঝড়ের তেমন গতিবেগ ছিল না। অল্প সময় হয় বৃষ্টি। এতেই বিল কুমারী বিলের ব্রীজ সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে যায়।বৃহস্পতিবার সকালের দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, পৌর সদর শীবনদী বা বিল কুমারী বিলের উপর ব্রীজ সংযোগ সড়কের কাজ চলমান। 

গোল্লাপাড়া ফুটবল মাঠ হয়ে মোহনপুর তুলসী ক্ষেত পর্যন্ত ব্রীজের সংযোগ সড়ক নির্মান করা হয়েছে। তবে পুরো সড়ক এইচবিবি। ব্রীজের পশ্চিম মুখের ও সড়কের দক্ষিণে ভেঙ্গে গেছে। ব্রীজের মুখ থেকে ৫-৭ হাত সড়কে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে। সকালের দিকে সামান্য পরিমান ভাঙ্গলেও ধীরে ধীরে বাড়তেই আছে। পথচারী মোটা চাকার চার্জার ভ্যান চালক কুদ্দুস,  আলিম, এখলাস জানান, সকালের দিকে অল্প গর্ত দেখেছি। দুপুরের পরে ভাঙ্গন বাড়তেই আছে। ভেঙ্গে ভয়াবহ গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তের কাছে ভ্যান নিয়ে গেলেই আরো গর্ত হয়ে পড়ছে। গর্তের আশপাশে পা দিলেও ইট ধসে আরো গর্ত হচ্ছে। মনে হচ্ছে এইচ বিবি করার সময় বালু ব্যবহার হয়নি। বালু ব্যবহার হলে এভাবে ভাঙ্গার কথা না। কিছুদিন আগে অল্প গর্ত হয়ে ছিল। সেখানে ভিজে মাটি ও পুরাতন ভাঙ্গা ব্লক দেওয়া হয়েছিল। তার দুদিন পর রাতে বৃষ্টি হওয়া মাত্রই ভেঙ্গে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়ে আছে। যে কোন মুহুর্ত্বে ভয়াবহ দূর্ঘটনার স্বীকার হতে পারে যান চালকরা।এদিকে বৃষ্টির কারনে মাটি নরম ও ভিজে হয়ে আছে। তার উপরেই দেওয়া হচ্ছে ব্লক। ভারি বা মাঝারি বৃষ্টি হলেই ধসে পড়বে।ঠিকাদার আব্দুর রশিদ জানান, সংযোগ সড়ক যত ভাঙ্গবে ততই ভালো। তাহলে দূর্বল জায়গা চিহ্নিত হবে। সেখানে পুনরায় বরাদ্দ আসবে, তখন মজবুত ভাবে কাজ করলে টিকসই হবে।উপজেলা প্রকৌশলী সাইদুর রহমান জানান, প্রথম অবস্থায় সংযোগ সড়ক নির্মানের সময় একেবারে নিচ থেকে মাটি কাটার কারনে ভাঙ্গনের সৃষ্টি। সবকিছুই নতুন ভাবে করা হবে এবং যেটা করলে টিকসই হবে সেভাবেই কাজ করা হবে।


আরও খবর



বরখাস্ত ডিআইজি মিজান নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ মে ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ জুন ২০২৩ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

আদালত প্রতিবেদক: অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচার আইনের মামলায় বরখাস্ত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানসহ তিনজন নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন।

নির্দোষ দাবি করা অপর দুই জন হলেন, ডিআইজি মিজানের ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান।

আজ রোববার ঢাকার ছয় নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল ইমামের আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। এরপর ডিআইজি মিজান এ বিষয়ে লিখিত বক্তব্য দেবেন বলে জানান।

আদালত আগামি ২৪ মে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ ধার্য করেছেন। এ মামলায় ডিআইজি মিজানের স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না পলাতক থাকায় আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানিতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করতে পারেননি মিজান। এরআগে মামলাটিতে চার্জশিটভুক্ত ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।


আরও খবর