Logo
আজঃ Tuesday ২৮ June ২০২২
শিরোনাম
নাসিরনগরে বন্যার্তদের মাঝে ইসলামী ফ্রন্টের ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ রাজধানীর মাতুয়াইলে পদ্মাসেতু উদ্ধোধন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ভূমি অফিসে চোর রূপগঞ্জে গৃহবধূর বাড়িতে হামলা ভাংচুর লুটপাট ॥ শ্লীলতাহানী নাসিরনগরে পুকুরের মালিকানা নিয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৪ পদ্মা সেতু উদ্ভোধন উপলক্ষে শশী আক্তার শাহীনার নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল করোনা শনাক্ত বেড়েছে, মৃত্যু ২ জনের র‍্যাব-১১ অভিমান চালিয়ে ৯৬ কেজি গাঁজা,১৩৪৬০ পিস ইয়াবাসহ ৬ মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে বন্যাকবলিত ভাটি অঞ্চল পরিদর্শন করেন এমপি সংগ্রাম পদ্মা সেতু উদ্বোধনে রূপগঞ্জে আনন্দ উৎসব সভা ॥ শোভাযাত্রা

গাড়ি চালক হুমায়ুন কবিরের গানের প্রতিভা

প্রকাশিত:Friday ২০ May ২০22 | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ২৯৮জন দেখেছেন
Image

নাজমুল হাসানঃ

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই নানা ভিডিও ভাইরাল হয়। কখনও নাচ, গান, কখনও বা পশু পাখির ভিডিও ভাইরাল হতে দেখা যায়। বহু মানুষের সুপ্ত প্রতিভাও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রতিভার যোগ্য সম্মানও পেয়েছেন অনেকেই। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতেই রাতারাতি ভাইরাল হয়ে গেছেন অনেকেই।



ফের এক প্রতিভা প্রকাশ পেয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তিনি পেশায় একজন গাড়ি চালক।পেশায় একজন গাড়ি চালক হয়েও গান লিখেছেন ৫০ টির মতো।তার নাম হুমায়ুন কবির একাধারে কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার, সুরকার। দিন নেই রাত নেই, ডাক আসলেই ছুটতে হয় তাঁকে। মানুষকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়াই তাঁর কাজ। এর জন্য দিন রাত এক করে খাটতে হয় তাঁকে। তবেই জোটে পেটের ভাত। 



কিন্তু এসব খাটনি দমাতে পারেনি তাঁর গানের সত্ত্বাকে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া ইউটিউবে এইচ কে মিউজিক নামক চ্যানেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে তার গাওয়া গান মুক্তি পেয়েছে।


তার শৈশব কেটেছে বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালীতে।তিনি পেশায় একজন গাড়ি চালক হলেও তার প্রতিভা অসাধারন।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে  নিয়ে গান লিখেছেন।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কে নিয়ে গান লিখেছেন।সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা কে নিয়েও তিনি গান লিখেছেন।সরকারের উন্নয়ন,শেখহাসিনাকে নিয়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান বানিয়ে নিজেই তাতে কন্ঠ দেন।তার গাওয়া গান সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যানে ইউটিউবে প্রচারিত হচ্ছে।অনেকেই তাকে নিয়ে প্রশংসা করেছে।



গন মানুষের কাছে তিনি আজ সমাদৃত একজন শিল্পী।গীতিকার হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা চান।তিনি বলেন নিজের ব্যাক্তিগত তাগিদেই তিনি গান লিখেন নিজের গানে নিজেই সুর করেন নিজেইতাতে কন্ঠ দেন।পেশা যাই হোক না কেন, তার গানে জাদু আছে যা সহজেই শ্রোতাদের মনকে আকৃষ্ট করতেপারে।



তিনিজানান,"আমাদের বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করতে গিয়ে বঙ্গবন্ধুকে প্রান দিতে হয়েছে, তার কন্যা বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য কাজ করছেন,দেশে আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমুল উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এসব কিছু আমাকে ভাবায়,আমি সরকারের উন্নয়ন নিয়ে গানের মাধ্যমে তা মানুষ কে জানান দেই,বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান করি"। গানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে মানুষের অন্তরে চিরদিন জাগ্রত করে রাখতে আমি গান করি।



হুমায়ুন কবির এর গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার পোনাপুরা গ্রামে।বর্তমানে স্ব-স্ত্রীক বসবাস করেন রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ি থানা মাতুয়াইল আদর্শবাগ এলাকায়।ব্যাক্তি জীবনে তিনি চার কন্যা সন্তানের জনক।



গানটির লিংক দেয়া হলো https://www.youtube.com/watch?v=t2Qy3p7I-ko&ab_channel=HKMusic শুনে কমেন্ট ও শেয়ার করুন


আরও খবর



শেনচৌ-১৪: চীনা মহাকাশকেন্দ্র পূর্ণাঙ্গ করার মিশন

প্রকাশিত:Saturday ১১ June ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ২৮ June ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

চীনের নির্মাণাধীন মহাকাশকেন্দ্রের চীনা নাম ‘থিয়ানকং’, বাংলায় যার অর্থ ‘স্বর্গীয় প্রাসাদ’। আর এর মূল অংশের নাম ‘থিয়ানহ্য’, যার অর্থ ‘স্বর্গের ঐকতান’। চীন থিয়ানহ্য-কে মহাশূন্যে পাঠায় ২০২১ সালের ২৯শে এপ্রিল। সেটি তখন থেকেই পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার উপরে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরছে। থিয়ানহ্য লম্বায় ১৬.৬ মিটার এবং এর ব্যাস ৪.২ মিটার। এর ওজন ১৫টি প্রমাণ আকৃতির মোটরগাড়ির সমান।

থিয়েনহ্য-কে তৈরি করা হয়েছে এমনভাবে, যাতে নভোচারীরা তুলনামূলকভাবে আরামে দীর্ঘকাল সেখানে অবস্থান করতে ও বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে পারেন। তাদের জন্য সেখানে আছে প্রায় ৫০ ঘনমিটার বিচরণস্থল। মহাকাশকেন্দ্রের সকল অংশ সংযুক্ত হয়ে গেলে বিচরণস্থল আরও বেড়ে দাঁড়াবে ১১০ ঘনমিটারে। এর মানে, তখন নভোচারীরা ১১০ ঘনমিটার জায়গা নিজেদের কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।

মহাকাশকেন্দ্রটি পূর্ণাঙ্গ করার কাজ শেষ হবে চলতি বছরেই। পরিকল্পনা অনুসারে, আগামী জুলাই মাসে ‘ওয়েনথিয়ান’ এবং অক্টোবর মাসে ‘ম্যংথিয়ান’ নামক দুটি মহাকাশ-গবেষণাগার মহাকাশে পাঠানো হবে। এই দুটি মহাকাশ-গবেষণাগার ‘থিয়ানহ্য’-র সঙ্গে সংযুক্ত হলেই শেষ হবে চীনের নিজস্ব মহাকাশকেন্দ্র নির্মাণের কাজ। গোটা কেন্দ্রটি তখন নেবে ল্যাটিন বর্ণ ‘T’-এর আকৃতি।

থিয়ানহ্য মহাকাশের নির্দিষ্ট কক্ষপথে স্থাপিত হবার পর এখন পর্যন্ত চীনের ৬টি মহাকাশযান বিভিন্ন সময়ে এর সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে। ২০২১ সালের ৩০শে মে সংযুক্ত হয় মালবাহী মহাকাশযান ‘থিয়ানচৌ ২’। এটি নভোচারীদের জন্য পৃথিবী থেকে প্রয়োজনীয় রসদ নিয়ে গিয়েছিল। এরপর একই বছরের ১৭ই জুন মানববাহী মহাকাশযান ‘শেনচৌ ১২’-এ চড়ে মহাকাশকেন্দ্রের মূল অংশে যান তিন জন চীনা নভোচারী। সেখানে তাঁরা তিন মাস অবস্থান করেন। ২০২১ সালের ২০শে সেপ্টেম্বর থিয়ানহ্য-তে সংযুক্ত হয় মালবাহী মহাকাশযান ‘থিয়ানচৌ ৩’। এরপর একই বছরের ১৬ই অক্টোবর নতুন তিন নভোচারী নিয়ে থিয়ানহ্য-র সঙ্গে যুক্ত হয় ‘শেনচৌ ১৩’।

এবার তিন নভোচারী (একজন নারীসহ) সেখানে অবস্থান করেন ৬ মাস। ২০২২ সালের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে নিজেদের দায়িত্বপালনশেষে তাঁরাও পৃথিবীতে ফিরে আসেন। তাঁদের ফেরার পর ২০২২ সালের ১০ই মে মহাকাশের মূল অংশের সঙ্গে সংযুক্ত হয় ‘থিয়ানচৌ ৪’ নামক আরেকটি মালবাহী মহাকাশযান। আর চলতি বছরের অর্থাৎ ২০২২ সালের ৫ই জুন নতুন তিন নভোচারী নিয়ে থিয়ানহ্য-র সঙ্গে যুক্ত হয় মানববাহী মহাকাশযান ‘শেনচৌ ১৪’।

jagonews24

এই মুহূর্তে চীনের মহাকাশকেন্দ্রের মূল অংশের সঙ্গে সংযুক্ত আছে শেনচৌ-১৪ মানববাহী মহাকাশযান এবং থিয়ানচৌ-৩ ও থিয়ানচৌ-৪ মালবাহী মহাকাশযানদ্বয়। কিন্তু যখন চলতি বছরের শেষ দিকে মহাকাশকেন্দ্রের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হবে, তখন থিয়ানহ্য-র সঙ্গে যুক্ত থাকবে দুটি মহাকাশ-গবেষণাগার, শেনচৌ-১৪ মানববাহী মহাকাশযান, শেনচৌ-১৫ মানববাহী মহাকাশযান (যেটি নতুন তিন জন নভোচারী নিয়ে চলতি বছরের শেষ দিকে মহাকাশকেন্দ্রে যাবে), এবং থিয়ানচৌ-৫ মালবাহী মহাকাশযান (যেটিও চলতি বছরের শেষ দিকে মহাকাশে পাঠানো হবে)।

চীনের নির্মাণাধীন মহাকাশকেন্দ্রকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় শেনচৌ-১২ ও শেনচৌ-১৩ নভোচারীরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ শেষ করার দায়িত্ব বর্তেছে শেনচৌ-১৪ নভোচারীদের ওপর। তাদের কাজ আগের নভোচারীদের চেয়ে কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং হবে, তা বলাই বাহুল্য। তাদেরকে থিয়ানহ্য-র সাথে দুটি বিশাল আকৃতির মহাকাশ-গবেষণাগারের সংযুক্তি যেমন তদারকি করতে হবে, তেমনি এসব গবেষণাগারের মধ্যে বেশকিছু জটিল যন্ত্রপাতি ইন্সটল করতে হবে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহাকাশকেন্দ্রের এই তিন নভোচারীকে একাধিক ‘টেকনিক্যাল’ অনিশ্চয়তাও মোকাবিলা করতে হতে পারে।

নিজের মহাকাশকেন্দ্রের চূড়ান্ত পর্যায়ের জটিল ও কঠিন কাজ আঞ্জাম দেওয়ার জন্য চীন যে তিন নভোচারীর ওপর আস্থা রেখেছে, তাদের সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু না-বললেই নয়। তিন জনই চীনের দ্বিতীয় প্রজন্মের নভোচারী। এর মধ্যে শেনচৌ-১৪ মিশনের কমান্ডার হচ্ছেন ৪৩ বছর বয়সী সিনিয়র কর্নেল ছেন তুং। তিনি চীনা গণমুক্তি ফৌজের বিমানবাহিনীতে বৈমানিক হিসেবে যোগ দেন ১৯৯৭ সালের অগাস্টে। ২০১০ সালের মে মাসে তাঁকে গণমুক্তি ফৌজের নভোচারী ডিভিশনের জন্য বাছাই করা হয়। ২০১৬ সালের অক্টোবরে শেনচৌ-১১ মিশনের অন্যতম নভোচারী হিসেবে ৩৩ দিন মহাকাশে কাটান তিনি। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তাকে শেনচৌ-১৪ মিশনের জন্য বাছাই করা হয়।

শেনচৌ-১৪ মিশনের একমাত্র নারী নভোচারী সিনিয়র কর্নেল লিউ ইয়াং। তাঁর বয়সও ৪৩। তিনিও ১৯৯৭ সালে গণমুক্তি ফৌজের বিমানবাহিনীতে যোগ দেন এবং ২০১০ সালের মে মাসে ফৌজের নভোচারী ডিভিশনে নিয়োগ পান। তিনি ২০১২ সালের জুনে শেনচৌ-৯ মিশনের অন্যতম নভোচারী হিসেবে মহাকাশে ১৩ দিন কাটান। তিনিই চীনের প্রথম নারী নভোচারী। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তাকে শেনচৌ-১৪ মিশনের জন্য মনোনীত করা হয়।

শেনচৌ-১৪ মিশনে তুলনামূলকভাবে বেশি বয়সের নভোচারী হলেন সিনিয়র কর্নেল ছাই সুচ্য। তার বয়স ৪৬। তিনি ১৯৯৫ সালের সেপ্টেম্বরে গণমুক্তি ফৌজের বিমানবাহিনীতে যোগ দেন এবং ২০১০ সালের মে মাসে ফৌজের নভোচারী ইউনিটের সদস্য হন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তাকে শেনচৌ-১৪ মিশনের সদস্য নির্বাচন করা হয়। ছাই এবারই প্রথম মহাকাশে গেলেন। ঘটনাচক্রে তিনি হলেন মহাকাশ সফরকারী ১৪তম চীনা নভোচারী।

jagonews24

যা বলছিলাম, দ্বিতীয় প্রজন্মের এই তিন তরুণ নভোচারীর ওপর বর্তেছে চীনের নিজস্ব মহাকাশকেন্দ্র গড়ে তোলার চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ আঞ্জাম দেওয়ার দায়িত্ব। আগামী ৬ মাস তাঁরা মহাকাশে অবস্থান করবেন এবং তাদের ওপর অর্পিত এই গুরুদায়িত্ব পালন করবেন। আর দায়িত্বের অংশ হিসেবেই তাঁরা পৃথিবীর নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে মহাকাশকেন্দ্রের মূল অংশের সাথে দুটি মহাকাশ-গবেষণাগারের সংযুক্তির কাজ তদারকি করবেন; একটি রোবট বাহু ব্যবহার করে গবেষণাগার দুটিকে তাদের জন্য নির্ধারিত স্থায়ী অবস্থানে নিয়ে আসবেন; অনেকগুলো জটিল যন্ত্রপাতি ইনস্টল ও কনফিগার করবেন; বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালাবেন; থিয়ানকং মহাকাশকেন্দ্রকে সচল রাখতে সব ধরনের রুটিন কাজ করবেন; দুই থেকে তিন বার মহাকাশে পদচারণা করবেন; এবং পৃথিবীর শিক্ষার্থীদের জন্য মহাকাশ থেকে সরাসরি লেকচার সেশান পরিচালনা করবেন।

মহাকাশকেন্দ্রের মূল অংশে শেনচৌ-১২ ও শেনচৌ-১৩ মিশনের নভোচারীদের দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি। কারণ, প্রথম গ্রুপের নভোচারীরা পৃথিবীতে ফিরে আসার পর দ্বিতীয় গ্রুপের নভোচারীরা মহাকাশকেন্দ্রে গেছেন। শেনচৌ-১৩ ও শেনচৌ-১৪ মিশনের নভোচারীদের মধ্যেও মহাকাশকেন্দ্রের মূল অংশে দেখা হয়নি। কারণ একই। কিন্তু শেনচৌ-১৪ মিশনের তিন নভোচারীর সঙ্গে শেনচৌ-১৫ মিশনের তিন নভোচারীর দেখা হবে সম্পূর্ণভাবে তৈরি হয়ে যাওয়া মহাকাশকেন্দ্রে। শেনচৌ-১৪ মিশনের নভোচারীরা শেনচৌ-১৫ মিশনের নভোচারীদের হাতে বুঝিয়ে দেবেন পূর্ণাঙ্গ মহাকাশকেন্দ্র। এর মানে, কয়েকদিনের জন্য হলেও, চীনের মহাকাশকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে অবস্থান করবেন ৬ জন নভোচারী। এরপর চলতি বছরের ডিসেম্বরে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন ছেন তুং, লিউ ইয়াং, ও ছাই সুচ্য।

এই তিন নভোচারী পৃথিবীতে ফিরে আসার পর চীনের মহাকাশ-গবেষণা খাতে শুরু হবে এক নতুন দশকের। পরিকল্পনা অনুসারে, আগামী দশ বছরের মধ্যে এমন একদিনও যাবে না, যখন চীনের কোনো নভোচারী মহাকাশে অবস্থান করবেন না। প্রতি ৬ মাস অন্তর মহাকাশকেন্দ্রে নভোচারীর পরিবর্তন ঘটবে। তিন নভোচারীর নতুন গ্রুপ সেখানে গিয়ে তিন নভোচারীর পুরাতন গ্রুপের কাছ থেকে দায়িত্ব বুঝে নেবে। এভাবে চলবে আগামী ১০ বছর। অবশ্য, বিশেষ পরিস্থিতিতে এর ব্যতিক্রম ঘটতে পারে, যদিও তেমন আশঙ্কা খুবই কম।

এখানে আমি ১০ বছরের হিসাব দিলাম বটে, তবে চীনা মহাকাশকেন্দ্র থিয়ানকং-এর আয়ু কিন্তু কমপক্ষে ১৫ বছর। এই ১৫ বছরে মহাকাশকেন্দ্রে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক নিয়ে অনেক উঁচু দরের গবেষণা হবে। মহাকাশকেন্দ্রে থাকছে ২৫টি বৈজ্ঞানিক ইকুইপমেন্ট ক্যাবিনেট। প্রতিটি ক্যাবিনেট একেকটি মিনি ল্যাবের মতো। ওয়েনথিয়ান মহাকাশ-গবেষণাগারে যেসব ক্যাবিনেট থাকবে, সেগুলোতে মূলত জীববিজ্ঞানমূলক গবেষণা হবে। মহাকাশের ভিন্ন পরিবেশে বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর বেড়ে ওঠা, বার্ধক্যে উপনীত হওয়া, এবং তাদের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে এসব মিনি ল্যাবে কাজ করবেন নভোচারীরা।

jagonews24

আর মেংথিয়ান মহাকাশ-গবেষণাগারের বিভিন্ন ক্যাবিনেট মূলত ব্যবহৃত হবে মাইক্রোগ্র্যাভিটি নিয়ে গবেষণার কাজে। এই গবেষণাগারে তরল পদার্থবিদ্যা (fluid physics), উপকরণ বিজ্ঞান (metarials science), দহন বিজ্ঞান (combustion science), ও মৌলিক পদার্থবিদ্যাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হবে। চীনের মহাকাশকেন্দ্রে একটি অত্যাধুনিক পারমাণবিক ঘড়িও থাকবে, যা কোয়ান্টাম বলবিদ্যা নিয়ে গবেষণা করতে বিজ্ঞানীদের সাহায্য করবে। বলা হচ্ছে, এটি হবে মানুষের তৈরি সময় মাপার সবচেয়ে নিখুঁত যন্ত্র।

অ্যারোস্পেস নলেজ (Aerospace Knowledge) ম্যাগাজিনের এডিটর-ইন-চিফ ওয়াং ইয়া’নান বলেছেন, মহাকাশকেন্দ্র গড়ে তোলা ও তা সঠিকভাবে পরিচালনা করার সামর্থ্য একটি দেশের মহাকাশ-গবেষণায় অনেকদূর এগিয়ে যাওয়ার প্রতীক। মঙ্গলের বুকে রোভার নামানো থেকে শুরু করে মহাকাশে নিজস্ব মহাকাশকেন্দ্র গড়ে তোলার মাধ্যমে চীন আন্তর্জাতিক মহাকাশ-গবেষণায় নিজেকে শীর্ষ পর্যায়ে নিয়ে গেছে।

ওয়াং ইয়া’নান যথার্থই বলেছেন। এই অর্জনের জন্য অবশ্য চীন ওয়াশিংটনকে খানিকটা ধন্যবাদ দিতে পারে। আন্তর্জাতিক মহাকাশকেন্দ্র প্রকল্পে চীন যোগ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু ওয়াশিংটনের আপত্তির কারণেই সেটা সম্ভব হয়নি। তখন বাধ্য হয়েই চীন একা একা একটি মহাকাশকেন্দ্র গড়ে তোলার বিশাল পরিকল্পনা হাতে নেয়। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ এখন শেষ হবার পথে।

চীনের দ্বিতীয় প্রজন্মের তিন নভোচারী ইতোমধ্যেই মহাকাশকেন্দ্র নির্মাণের শেষ পর্যায়ের কাজ শুরু করে দিয়েছেন। মহাকাশ-গবেষণায় এখন পর্যন্ত চীনের যে-সাফল্য আমরা দেখেছি, তাতে কোনো দ্বিধা ছাড়াই বলা চলে যে, ডিসেম্বরের মধ্যেই থিয়ানকং তার পূর্ণাঙ্গ চেহারা নিয়ে মহাকাশে ভাসতে থাকবে। তখন সেখানে শুধু চীনা নভোচারীরা নন, বিদেশি নভোচারী ও বিজ্ঞানীরাও কাজ করার সুযোগ পাবেন। চীনের পক্ষ থেকে এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে অনেক আগেই।

লেখক: বার্তাসম্পাদক, চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি), বেইজিং।
[email protected]


আরও খবর



ইতিহাসের সাক্ষী হতে চট্টগ্রামে পদ্মা সেতুর রেপ্লিকা

প্রকাশিত:Saturday ২৫ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

লাল-সবুজের ইতিহাসের নতুন পরিচয়, নতুন গর্ব, নতুন অহংকারের নাম পদ্মা সেতু। শনিবার (২৫ জুন) সকালে এই সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে চট্টগ্রামের জামালখানে বসানো হয়েছে পদ্মা সেতুর রেপ্লিকাও।

এছাড়া বিভিন্ন কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন। এর মধ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও রয়েছে। কাজীর দেউড়ির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান চলবে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিকেল ৪টায় এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের পাশে জিমনেশিয়াম মাঠে আয়োজন করা হয়েছে কনসার্টের। এতে অংশ নেবে ব্যান্ড তিরন্দাজ, নাটাই ও সাসটেইন। রাতে আতশবাজির প্রদর্শনীর আয়োজন রেখেছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া নগরের পুরোনো রেলস্টেশনে আলোচনা সভার আয়োজন করে মহানগর আওয়ামী লীগ।

jagonews24

এদিকে জামালখানে পদ্মা সেতুর রেপ্লিকা দেখতে সকাল থেকেই ভিড় করছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা দেখতে আসছেন রেপ্লিকাটি। এতে দূর থেকে নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে পদ্মা সেতুর অবয়ব। জামালখান ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শৈবাল দাশের উদ্যোগে এটি তৈরি করা হয়।

রেপ্লিকা দেখতে আসা যুবক আবির হোসাইনের সঙ্গে কথা হলে বলেন, জামালখান মোড়ে পদ্মা সেতু বসানো হচ্ছে, ফেসবুকে এমন একটি খবর দেখে হালিশহর থেকে এসেছি। দেখতে প্রায় পদ্মা সেতুর মতো।

স্থানীয় আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থী ইরফান বলেন, সকালে স্কুলে আসার সময় পদ্মা সেতুর আদলে তৈরি করা স্থাপনাটি চোখে পড়ে। স্কুল ছুটির পর দেখতে এসেছি। মনে হচ্ছে পদ্মা সেতুর কাছেই দাঁড়িয়ে আছি।

এ বিষয়ে কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের একটি স্লোগান ছিল ‘বাংলাদেশ দেখবে জামালখান’। রেপ্লিকা দিয়ে চট্টগ্রামে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উৎসবের আয়োজন করাও সেই স্লোগানের বহিঃপ্রকাশ। কারণ সারাদেশে বিভিন্নভাবে পদ্মা সেতু নিয়ে উৎসব হচ্ছে। চট্টগ্রামেও অনেক উৎসবের আয়োজন হয়েছে। আমরা চেয়েছি একটু ভিন্ন রকমের আয়োজন করতে।

jagonews24

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের অনেক মানুষ আছে যারা পদ্মা সেতু দেখতে যেতে পারবেন না। অনেকে আছেন জীবনেও পদ্মা সেতু দেখতে পারবেন না। তাদের কথা চিন্তা করেই গত ১৫ দিন আগেই জামালখান চত্বরে পদ্মা সেতুর আদলে একটি রেপ্লিকা বসানোর পরিকল্পনা নিই। সন্ধ্যার পর অবিকল পদ্মা সেতুর ইমেজ ভেসে উঠবে রেপ্লিকাটিতে।

কাউন্সিলর জানান, সন্ধ্যার পর লোকজনের উপস্থিতি আরও বেড়ে যাবে। মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অদম্য সাহসের কথা জানতে পারবে এই পদ্মা সেতুর মাধ্যমে।

শনিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে টোলপ্লাজার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তিনি। সেখানে টোল দিয়ে মাওয়া প্রান্তে উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচন করে মোনাজাতে অংশ নেন। এর মাধ্যমেই খুলে যায় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগের সড়ক পথের দ্বার।


আরও খবর



৩৬ ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন, কনটেইনার থেকে বেরোচ্ছে ধোঁয়া

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগার ৩৬ ঘণ্টা পার হলেও তা নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এখনো বেশ কয়েকটি কনটেইনার দাও দাও করে জ্বলছে। ধোঁয়া বোরোচ্ছে অর্ধশতাধিক কনটেইনার থেকে।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, জ্বলন্ত কনটেইনারগুলোর পাশে একটি কনটেইনারে কেমিক্যাল থাকতে পারে। এ কারণে সতর্কতার সঙ্গে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন তারা। তাদের মূল লক্ষ্য এখন কেমিক্যাল কনটেইনারটি নিয়ন্ত্রণে আনা।

সোমবার (৬ জুন) বেলা ১১টা পর্যন্ত ডিপোর ভেতরে আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মো. ফখরুদ্দিন।

তিনি বলেন, দীর্ঘক্ষণ পার হওয়ার পরেও আগুন নিয়ন্ত্রণে না আসার কারণ হলো কেমিক্যাল। এখনো একটি কেমিক্যালযুক্ত কনটেইনার জ্বলছে। আগুন কখন নাগাদ নেভে তা সময় ধরে বলা কঠিন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ডিপোর পশ্চিম পাশে কয়েকটি কনটেইনারে আগুন জ্বলছে। দাও দাও করে জ্বলতে থাকা আগুনের ওপর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পানি ছেটাচ্ছেন। এছাড়া অর্ধশতাধিক কনটেইনার থেকে এখনো ধোঁয়া উড়ছে। এছাড়া পুরো এলাকা আগুনে পুড়ে ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে।

সীতুকুণ্ডের ওই ডিপোর আগুন নেভাতে সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা একযোগে কাজ করছেন। ঘটনাস্থলে যৌথভাবে কাজ করছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, সীতাকুণ্ড উপজেলা প্রশাসন, র্যাব, সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস, রেড ক্রিসেন্ট, সিপিপি ও স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠনের কর্মীরা।

শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কন্টেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন লাগার পর রাসায়নিকের কন্টেইনারে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণ ঘটতে থাকলে বহু দূর পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। অগ্নিকাণ্ড ও ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ জন হয়েছে। তবে জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে মৃতের সংখ্যা ৪৬ জন। দগ্ধ ও আহত ১৬৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাতেই শনাক্ত হওয়া নিহতদের পরিবারে জেলা প্রশাসনের সহায়তার টাকা হস্তান্তর হয়েছে।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মো. ইলিয়াস হোসেন চৌধুরী জানান, নিহতদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিকদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের ৯ সদস্যও রয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।


আরও খবর



সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ০৬ জুন ২০২২

প্রকাশিত:Monday ০৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ৭৬জন দেখেছেন
Image

আমাদের চারপাশে অসংখ্য ঘটনা ঘটছে প্রতিদিনই। এর মধ্যে হয়তো আলোচনায় আসে হাতেগোনা কিছু। তবে সময় ও পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে বেশকিছু বিষয়। এগুলো জানা না থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে পড়তে হয়। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য-

বাংলাদেশে রাসায়নিক মজুতে সুরক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান আইএলও’র
সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অর্ধশত মানুষের প্রাণহানিতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)। সোমবার (৬ জুন) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশে রাসায়নিকের মজুত ও পরিচালনায় পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিতেরও আহ্বান জানিয়েছে তারা।

ভারত থেকে চাল আমদানির হিড়িক
ভারত সরকার আচমকা গম রপ্তানি নিষিদ্ধ করার বাজে অভিজ্ঞতায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে আমদানিকারকদের মধ্যে। দেশটি চাল রপ্তানিতেও নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে, এমন আশঙ্কায় এর কেনা বাড়িয়ে দিয়েছেন বিদেশি ক্রেতারা। গত দুই সপ্তাহে ভারতীয় রপ্তানিকারকরা ১০ লাখ টন চাল রপ্তানির চুক্তি করেছেন। এসব চাল পাঠানো হবে চলতি (জুন) মাস থেকে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে। পাশাপাশি ভারত যদি চাল রপ্তানি নিষিদ্ধও করে, তবু যেন এসব চালান না আটকায়, তার জন্য অল্প সময়ের মধ্যে ঋণপত্র (এলসি) খোলার হারও বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে তিন শহরে বন্দুক হামলা, নিহত ৯
যুক্তরাষ্ট্রের তিন শহরে বন্দুক হামলায় কমপক্ষে ৯ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও দুই ডজন মানুষ। স্থানীয় সময় শনিবার রাতে এবং রোববার সকালের এসব বন্দুক হামলায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটিতে কোনভাবেই বন্দুক হামলার ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সাম্প্রতিক সময়ে এসব হামলার সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে।

জ্বালানি সংকটে ধুঁকছে ইউরোপের অর্থনীতি
ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রিস, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, সাইপ্রাস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া এবং স্পেন এই ১৯টি দেশ নিয়ে গঠিত ইউরো জোন। এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন সুদের হার এবং নিম্ন মুদ্রাস্ফীতির কারণে ভালো অর্থনৈতিক অবস্থানে ছিলেন ইউরো জোনের মানুষরা। কিন্তু বর্তমানে ভোক্তা মূল্য সূচক বার্ষিক ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাচ্ছে, যেখানে ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংকের (ইসিবি) লক্ষ্যমাত্রা ২ শতাংশ।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে সৌদি, প্রভাব বিশ্ববাজারে
সৌদি আরব জুলাইতে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এর পরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। যদিও আগামী দুই মাসের মধ্যে তেলের উৎপাদন বাড়াতে রাজি হয়েছে ওপেক। জানা গেছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ৯১ সেন্টস বা শূন্য দশমিক আট শতাংশ বেড়ে ১২০ দশমিক ৬৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুড তেলের দাম ৯৩ সেন্টস বা শূন্য দশমিক আট শতাংশ বেড়ে ১১৯ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি বরিস জনসন
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ। ক্ষামতাসীন দলের এমপিরা এতে ভোট দেবেন। যদি তিনি হেরে যান তাহলে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। এর আগে নিজ দলের ৫০ এমপি তার বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের আবেদন করে চিঠি দিয়েছেন।

ইমরান খান গ্রেফতার হলে তীব্র আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গ্রেফতার হবেন, দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহর এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তার দল। শুধু তাই নয় তীব্র আন্দোলনে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পিটিআই নেতারা।

ভারতে বাস উল্টে খাদে, নিহত ২৫
ভারতের উত্তরাখণ্ডে একটি বাস উল্টে খাদে পড়ে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬ জন। রোববার (৫ জুন) মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলা থেকে যমুনাত্রীর দিকে যাচ্ছিল বাসটি। ছিলেন অন্তত ২৮ জন তীর্থযাত্রী।

নাইজেরিয়ায় গির্জায় বন্দুকধারীদের হামলা, নিহত ৫০
নাইজেরিয়ার একটি ক্যাথলিক গির্জায় বন্দুকধারীরা হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় হাসপাতাল ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির ওন্দো রাজ্য পুলিশের মুখপাত্র ফানমিলায়ো ইবুকুন ওদুনলামি বলেন, বন্দুকধারীরা গির্জার ভবনের বাইরে ও ভেতরে গুলি চালিয়ে প্রার্থনাকারীদের হত্যা ও আহত করেছে।

কিমকে জবাব দিতে যুক্তরাষ্ট্র-দ. কোরিয়ার ৮ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনকে জবাব দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া আটটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। মূলত পিয়ংইয়ংয়ের যে কোনো উসকানি মোকাবিলায় দেশ দুইটি প্রস্তুত রয়েছে এমন বার্তাই দেওয়া হয়েছে। এর আগের দিন উত্তর কোরিয়াও আটটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।


আরও খবর



গাইবান্ধায় বাসের ধাক্কায় যুবক নিহত

প্রকাশিত:Sunday ২৬ June ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ২৭ June ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বাসের ধাক্কায় আতিকুর রহমান (২২) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

রোববার (২৬জুন) দুপুরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের গোবিন্দগঞ্জ পুরাতন আলু হিমাগারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত যুবক আতিকুর রহমান একই উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের রহলা গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে।

গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরনবী প্রধান জানান, নিহত আতিকুর রহমান মোটরসাইকেল যোগে ফাঁসিতলা থেকে গোবিন্দগঞ্জ শহরের আসছিলেন। পথে পুরাতন আলু হিমাগারের সামনে পৌঁছালে বগুড়াগামী একটি বাস সামন থেকে ধাক্কা দেয়। এসময় তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়লে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ওই বাসসহ চালককে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবার মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।


আরও খবর