Logo
আজঃ মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

গাংনীতে বালাইনাশক ব্যবহারে উদাসিন কৃষকরা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১১৭জন দেখেছেন

Image

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃমেহেরপুরের গাংনীর কৃষকেরা বছরে তিনটি মৌসুমে সবজি উৎপাদন করেন। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে সবজির একটি বড় অংশ পাঠানো হয় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে। কৃষি বিভাগ থেকে বিষমুক্ত সবজি চাষের কথা ও পরামর্শ দেয়া হলেও সেটি মানা হচ্ছে না। উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তার খাবার টেবিলে পৌঁছানো পর্যন্ত সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি সার ও বালাইনাশকসহ ব্যবহার করা হয়। তবে কৃষি অফিস বলছে চাষিদেরকে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বালাই নাশক ব্যবহারে সহনীয় মাত্রায় নিয়ে আসার।

কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, গাংনী উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৫০০ হেক্টর বাঁধাকপি, ৫৫৫ হেক্টর ফুলকপি, ১১৫ হেক্টর পালং শাক, ১১০ হেক্টর সীম, ১৬০ হেক্টর বেগুনসহ ২ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের সবজি রয়েছে। সাধারণত রোগবালাইয়ের ধরন বুঝে শাকসবজিতে বিভিন্ন ধরনের বালাইনাশক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। মোড়কের গায়ে জমি ও ফসল অনুযায়ী পরিমাপ লেখা থাকে। সে অনুযায়ি তা ব্যবহার করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বালাইনাশক প্রয়োগের পর খাওয়ার জন্য অন্ততঃ এক সপ্তাহ থেকে ১৫ দিন পর ক্ষেত থেকে সবজি তুলতে হয়।

কৃষি বিভাগের এই পরামর্শ মানছেন না কৃষকরা। তারা বিকেলে ক্ষেতে বালাইনাশক ছিটিয়ে পরদিন সকালেই সবজি বাজারে নিয়ে আসেন। অপেক্ষমাণকাল না মানায় শাকসবজির সঙ্গে সরাসরি বিষ শরীরে প্রবেশ করছে, যা আমাদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে। শুধু ভোক্তা বা ক্রেতা নয়, উৎপাদন কাজে নিয়জিত কৃষকরাও আক্রান্ত হচ্ছেন নানা ধরনের রোগে। তবুও দেখা দেখি ছাড়াও বিভিন্ন বিষ কোম্পানী ও কীটনাশক বিক্রেতাদের পরামর্শে কৃষকরা বালাইনাশক ব্যবহার করছেন মাত্রাতিরিক্ত।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক এমকে রেজা জানান, এমন কতগুলো বালাইনাশক বা রাসায়নিক পদার্থ আছে যা শাক সবজিতে স্প্রে করার পর ভালো করে ধুলেও সবজি শতভাগ পরিষ্কার ও নিরাপদ হয় না। ওই সবজি খেলে কিডনি, লিভার, স্তন, ফুসফুস, পাকস্থলী, প্রস্টেট, অগ্নাশয় ও ব্লাড ক্যানসারের ঝুঁকিও বেড়ে যায়। খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে যাঁরা যুক্ত, তাঁদের রাসায়নিক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক নিয়ে সচেতন করতে হবে। অর্গানিক উপায়ে খাবার উৎপাদনে গুরুত্ব দিতে হবে। ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে।

গাংনীর সহড়াবাড়িয়া মাঠে শনিবার সন্ধ্যায় কথা হয় বেগুন চাষি আব্দুর রশিদের সাথে। তিনি দেড় বিঘা জমিতে বেগুন চাষ করেছেন। বেগুন ক্ষেতে বালাই নাশক স্প্রে করছিলেন তিনি। পরদিন সকালে বেগুন তুলে বাজারে আনবেন বলে জানান। দুই ধরনের বালাই নাশক ছিটিয়েছেন বেগুন ক্ষেতে। এগুলো ব্যবহারে তেমন ক্ষতি নেই এবং সকলেই বালাইনাশক ব্যবহার করছেন বলেও জানান তিনি।

কৃষক রফিকুল ইসলাম জানান, তিনি ২৫ কাঠা জমিতে শিম চাষ করেছেন। পাঁচ দিন আগে চার ধরনের বালাইনাশক মিশিয়ে ক্ষেতে দিয়েছেনতার দাবী, বালাইনাশক ক্ষেতে দিলে কোন ক্ষতি হয় না।রাতে শিশির পড়ে তা ধুয়ে যায়। একই কথা জানালেন যুগিরগোফা গ্রামের সবজি চাষি আবু বকর ও আলম। দুজনই কফি চাষ করছেন।

গাংনী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, বীজ থেকে শুরু করে বীজতলা এবং পরবর্তী অন্য সব পরিচর্যায় বালাইনাশক ব্যবহারের যে ক্ষতিকর দিকগুলো আছে সে বিষয়ে সচেতন করতে কর্মকা- পরিচালনা করা হচ্ছে। বালাইনাশকের প্যাকেটে একটি ওয়েটিং পিরিয়ড (ব্যবহারের সময়সীমা) লেখা থাকে। অনেক ক্ষেত্রে কৃষক তা যথাযথভাবে মানেন না। তাই উৎপাদন থেকে ভোক্তাপর্যায়ে সবাই যদি সচেতন না হলে নিরাপদ সবজি পাওয়া যাবে না। তাই কৃষক ভাইদের পরামর্শ অনুসরণ করে ফসল ফলানোর অনুরোধ জানান তিনি।


আরও খবর



তাইওয়ানে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প,সুনামি সতর্কতা

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলে। ভূমিকম্পের পরই প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ তাইওয়ানে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একইভাবে সুনামির সতর্কতা রয়েছে দক্ষিণ জাপানের ওকিনাওয়া দ্বীপ এবং ফিলিপিন্সেও।

তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তর জানায়, বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৭ টা ৫৮ মিনিটে তাইওয়ানের বিস্তীর্ণ অংশ কেঁপে ওঠে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল তাইওয়ানের হুয়ালিয়েন শহরের ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণে। ভূপৃষ্ঠের ৩৪.৮ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তি হয়েছে। খবর বিবিসি

চিনের সাংহাই থেকেও কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর মিলেছে। তাইওয়ান, দক্ষিণ জাপান, ফিলিপিন্সের মতো জায়গায় সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের কম্পনে একাধিক বাড়ি ভেঙে পড়ার খবর মিলেছে। পূর্ব তাইওয়ানের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র হুয়ালিয়েনের একাধিক বাড়ির ভিত্তিপ্রস্তর নড়ে গেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মধ্যে বেশ কয়েকজনের আটকে থাকতে পারে ।

অন্যদিকে, জাপানের আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ১০ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। ইতিমধ্যেই উপকূলের বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়তে বলা হয়েছে। বিশেষ করে জাপানের ওকিনাওয়া উপকূল থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, তাইওয়ানে ২৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে। এর আগে ১৯৯৯ সালের সেপ্টেম্বরে তাইওয়ানে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত আনে। যেখানে ২ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়।


আরও খবর



গম চাষে দিন দিন আগ্রহ হারাচ্ছে আত্রাইয়ের কৃষক

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১৩৮জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: দেশের উত্তর জনপদের কৃষিপ্রধান জেলা নওগাঁ। খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ বলে উত্তরের শস্যভান্ডার নামেও পরিচিত এ জেলা। এ জেলায় সব ধরনের ফসল ও শস্য উৎপাদন হলেও দেশের মোট উৎপাদিত ধানের সিংহভাগই হয় এ জেলায়। তবে এ জেলার আত্রাই উপজেলায় ধান, ভূট্টাসহ অন্যান্য ফসলের আবাদ অধিক হলেও বর্তমানে দিন দিন গম চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষক। ফলে কয়েক বছরে ধীরে ধীরে এ উপজেলায় কমেছে গম চাষ।

যদিও এটা লাভজনক ফসল। তবে কৃষকেরা বলছে উৎপাদন খরচের তুলনায় মুনাফা না পাওয়া এর অন্যতম কারণ। এদিকে কৃষি অধিদপ্তর বলছে, অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে ভূট্টার অধিক ফলন ও মুনাফা হওয়ায় গম চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষক এমনটিই মনে করছেন তারা।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানা যায়, গত বছর উপজেলায় ৪০০ হেক্টর জমিতে গম চাষ হলেও সেটা এবার বেড়ে ৪৫০ হেক্টরে। জানা গেছে, আত্রাই উপজেলায় দিন দিন গমের চাষ ক্রমাগতভাবে কমে যাচ্ছে।

মাটি ও আবহাওয়া উপযোগী থাকলেও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, এমনকি ফলন কম হওয়ার কারণে গম চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন কৃষকরা। নানাবিধ কারনে এ উপজেলার গম চাষ হুমকির মুখে পড়েছে। বিগত দিনে এ উপজেলায় গম চাষে কৃষকদের ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও বর্তমান সময়ে গম চাষে কৃষকরা অনাগ্রহী। এ উপজেলার কৃষকরা মনে করেন গম চাষের চেয়ে অন্য ফসল চাষ করে তুলনামূলক ভাবে অনেক লাভবান হওয়া যায়। সে জন্য গমের পরিবর্তে অন্য ফসল চাষ করছেন।

উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক নাইম হোসেন বলেন, আমি বিগতদিন ভ’ট্টা চাষ করতাম এবার কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী গম চাষ করেছি বর্তমানে আমার ফসলের অবস্থা খুব ভালো। আশাকরছি ফলনও ভালো পাবো।

উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের কৃষক ওয়াজেদ আলী বলেন, আমি সাধারণত ধান ও ভূট্টার আবাদ বেশি পরিমানে করে থাকি। কিন্ত এবার গমের আবাদও করেছি। জমিতে এসে ফসল দেখলে মনটা জুড়িয়ে যায়। আগামী বছরে আমি সরকারি সহযোগিতা পেলে আরো বেশী জমিতে গমের চাষ করবো।

এছাড়া অন্যান্য উপজেলার একাধিক কৃষক বলেন, সরকারী ভাবে আমার সহযোগিতা পেলে ধান চাষের পাশাপাশি গম চাষ করতে পারবো। ধান চাষের উপর কৃষকদের আগ্রহ ও ফলন বৃদ্ধি করতে যেমন বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে একই ভাবে কৃষকদের গম চাষের উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করলে গম চাষের প্রতি আগ্রহী হবেন কৃষকরা।

উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়নের তারাটিয়া ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হাসান জনান, এবার গত বছরের তুলনায় আমাদের এলাকায় গমের আবাদ অনেকটা বেশি হয়েছে। আশা করছি গমের বাম্পার ফলন হবে। কৃষকদের যেন কোন প্রকার সমস্যা না হয় তাই কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে আমরা নিয়োমিত কৃষকদের পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে আসছি।

এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তাপশ কুমার রায় জানান, সকল প্রকার ফসল উৎপাদনে আমরা কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করছি। যাতে করে কৃষকরা সহজভাবে কৃষি উপকরণ পায়। বিশেষকরে বীজ, সার ও তেল এর জন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি।

তিনি আরো বলেন, উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে গম চাষ কমে গেছে, প্রদর্শনী পাট করে কিছু কিছু চাষিদের সার ও গমের বীজ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে। তাছাড়া এ বছরে গম চাষের উপর কৃষকের প্রশিক্ষণ প্রদান করেছি। সরকারি সকল সুযোগ- সুবিধা, কৃষকদের মাঝে প্রদান করা হয়েছে। গম চাষের উপযোগী জমিতে উচ্চ মূল্যের সবজি চাষ ও ভূট্টা হওয়ায় গম চাষ কমে যাওয়ার একটি কারণ।


আরও খবর



বজ্রসহ বৃষ্টি দেশের ৭ বিভাগেই হবে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের সাত বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ।বৃহস্পতিবর (২৮ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

এর ফলে রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

তাপমাত্রার বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়, সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে চাঁদপুরে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে রাঙ্গামাটিতে ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় ঢাকার সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে যথাক্রমে ২২ দশমিক ৬ ডিগ্রি ও ৩৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বর্ধিত ৫ (পাঁচ) দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় জানানো হয়েছে, তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে।


আরও খবর



সিরাজগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে সিএনজিসহ ৮ চোর আটক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image
রাকিবুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ থেকে:সিরাজগঞ্জ ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে চোর চক্রের আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ জুলহাজ উদ্দীন বিপিএম বার, পিপিএম বার, বলেন, সোমবার মধ্যে রাতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের চন্ডিদাসগাঁতী বাজারে অভিযান চালিয়ে ২ টি পানির মটর ও ০১টি সিএনজিসহ আট চোরকে আটক করা হয়েছে। 

আটককৃতরা হলো সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের তারুটিয়া ও বাসুদেবকোল গ্রামের
সবুজ আলী (২৮), আসিফ / রিফাত (১৯) জিহাদ হাসান আসলাম (১৯), জিহাদ ইসলাম (১৯), সিয়াম মন্ডল (১৯), আশরাফুল সরকার (১৯), সেলিম খান / নয়ন ইসলাম (১৯), রবিউল হাসান (১৯),
গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিবি পুলিশ।

আরও খবর



ঈদযাত্রা ট্রেনে নির্বিঘ্ন করতে সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: মন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১১০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিম জানিয়েছেন ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো মানুষের ট্রেনযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে । বুধবার (৩ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

জিল্লুল হাকিম বলেন, বিনা টিকিটে যাতে কেউ রেল ভ্রমণ করতে না পারে তা তদারকি করতে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চত করতেও রেলের আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সতর্ক ও তৎপর থাকতে বলা হয়েছে। বিভিন্ন গন্তব্য যাতে সময় মতো ট্রেন চলাচল করে সেজন্যও আগে থেকেই নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। ফিরতি যাত্রাও যাতে নিরাপদ ও আরামদায়ক হয় সে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, রেলের যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী এক বছরের মধ্যে পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হবে আশা করছি।

প্রসঙ্গত, বুধবার থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে রেল যাত্রীদের ঈদযাত্রা শুরু হয়ছে। সকালের দিকে যাত্রীদের ভিড় স্বাভাবিক সময়ের মতো হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরমুখো যাত্রীর চাপ বাড়তে থাকে। তবে ঈদ যতই ঘনিয়ে আসবে ততই যাত্রীর ভিড় বাড়বে বলে জানিয়েছেন রেলওেয়ের কর্মকর্তারা।


আরও খবর