Logo
আজঃ Tuesday ২৬ October ২০২১
শিরোনাম
শিশু সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এক নারী

গাজীপুরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা

প্রকাশিত:Wednesday ১৩ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ২২৪জন দেখেছেন
Image



মাসুদ পারভেজ, গাজীপুর :

 

গাজীপুরে শিশু সন্তানকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে এক নারী। দুই বছর বয়সী শিশুটিকে আহত অবস্থায় এলাকাবাসী উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। শিশুটির হাত ও মাথা থেঁতলে গেছে।

 

স্থানীয়রা জানায়, আজ বুধবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে, শ্রীপুর পৌরসভা কাটাপুল এলাকায় ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী বলাকা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে নিজের মেয়েকে নিয়ে ঝাঁপ দেয় ওই নারী। এতে ঘটনাস্থলেই মা মারা যায়। আহত অবস্থায় মেয়েটিকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই নারীর পরিচয় জানা যায়নি। 


 

শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার হারুনুর রশিদ জানান, খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

 

খবর প্রতিদিন / সি.বা 


আরও খবর



শীত তার আগমনী বার্তা পাঠিয়েছে প্রকৃতিতে

আসি আসি করছে শীত, কমছে তাপমাত্রা

প্রকাশিত:Monday ২৫ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


 

হেমন্তের এ সময়ে আসি আসি করছে শীত। ফলে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমছে।  এরই মধ্যে গ্রামাঞ্চলে পড়তে শুরু করেছে কুয়াশা। শীতের কাপড় নিয়ে অনেককেই বিকেলে বের হতে দেখা যাচ্ছে। এমনকি রাজধানীতে সন্ধ্যায় অনেকের গায়ে শাল চোখে পড়ছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, গত কয়েকদিন ধরেই দিনের তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। আর রাতের তাপমাত্রা নেমে আসছে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। 

দেশে রোববার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সীতাকুণ্ডে, ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায়, ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এদিকে সারাদিন কোথাও বৃষ্টি না হলেও আকাশ ছিল হালকা মেঘময়। আগামী দুদিনে এ অবস্থার কোনো পরিবর্তন দেখছে না আবহাওয়া অফিস। তবে বর্ধিত পাঁচদিনে হালকা পরিবর্তন হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। লঘুচাপটির বর্ধিতাংশটি উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

এ অবস্থায় সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের দু এক জায়গায় অবস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।

সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকবে। তবে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

 

খবর প্রতিদিন / সি.বা 


আরও খবর



সচল হয়েছে মোবাইল ফোনে থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট

ফের সচল হলো থ্রিজি-ফোরজি ইন্টারনেট

প্রকাশিত:Friday ১৫ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ১৪৯জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


ডেস্ক এডিটর :

 

সচল হয়েছে মোবাইল ফোনে থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট। শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) বিকেল ৪টার পর ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার অনেক ব্যবহারকারী তাদের মোবাইল ফোনে থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট সেবা পেতে শুরু করেন।

 

এর আগে ভোর ৫টার দিক থেকে ইন্টারনেটের এ সেবা বন্ধ হয়ে যায়। তবে কোথাও কোথাও ধীরগতির টুজি ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাচ্ছিল। ব্রডব্যান্ডে ইন্টারনেট সেবাও থেকেছে নির্বিঘ্ন।

 

এত দীর্ঘ সময় উচ্চগতির থ্রিজি ও ফোরজি সেবা বন্ধ থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, সকালে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছিল, যেজন্য আমরা সারাদেশে থ্রিজি-ফোরজি সচল রাখতে পারিনি। তবে ত্রুটি চিহ্নিত করে সেটা দূর করে বিকেলে ঢাকায় থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট সেবা চালু করা হয়েছে।

 

কারিগরি বিষয় বিধায় সারাদেশে এই সেবা চালু হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘টেকনিক্যাল বিষয় যেহেতু, সেজন্য আমরা একসঙ্গে হয়তো চালু করতে পারছি না। তবে ক্রমান্বয়ে এই সেবা চালু হয়ে যাবে। আশা করছি, ৭টা-৮টার মধ্যে পুরো দেশে থ্রিজি-ফোরজি সেবা সচল হয়ে যাবে।

 

বিভিন্ন অপারেটর সূত্র জানিয়েছে, বুধবার (১৩ অক্টোবর) প্রথমে কুমিল্লা এবং পরে আরও পাঁচ জেলায় দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা হয়। শুক্রবার ভোর থেকে ঢাকাসহ সারাদেশে অচল হয়ে পড়ে থ্রিজি-ফোরজি ইন্টারনেট সেবা। বিকেল ৪টার পর আবার বেশিরভাগ জেলায় এই ইন্টারনেট সেবা পেতে শুরু করেছেন গ্রাহকরা।

  

খবর প্রতিদিন/ সি.বা 


আরও খবর



কয়েকদিনের তীব্র গরমের পর রাজধানীতে নেমেছে ঝুম বৃষ্টি

স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজলো ঢাকা

প্রকাশিত:Saturday ১৬ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ১৩৫জন দেখেছেন
Image

 

 চৌধুরী বাগদাদ, ঢাকা :

কয়েকদিনের তীব্র গরমের পর রাজধানীতে নেমেছে ঝুম বৃষ্টি। শনিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকায় হঠাৎ বৃষ্টি নামে। এর আগে সন্ধ্যার পর থেকেই আকাশে মেঘের ডাক শোনা যাচ্ছিল।


সন্ধ্যার হঠাৎ বৃষ্টিতে অফিস শেষে ঘরমুখী মানুষ কিছুটা বিপাকেও পড়েন। এ সময় পথচারীদের হুড়োহুড়ি করে আশপাশের ভবনে আশ্রয় নিতে দেখা যায়।


এর আগে শনিবার সকালে আবহওয়া অফিস জানায়, বৃষ্টি বেড়ে কিছুটা কমতে পারে গরম। একই সঙ্গে সারাদেশের ১৮টি জেলায় চলমান তাপপ্রবাহ কোথাও কোথাও থেকে দূর হতে পারে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নেওয়ার সময় আশ্বিনের শেষদিনে গরমে পুড়ছিল প্রায় সারাদেশ।

‘মূলত বৃষ্টি না হওয়ার কারণেই এবার এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে দেশে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বিদায় নিতে শুরু হবে। দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি বিদায় নেয়। কোনো কোনো বছর এটা একটু দেরিতে হয়। এবার দেরি হচ্ছে, এবার মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশ থেকে পুরোপুরি বিদায় নিতে ২২-২৩ অক্টোবর পর্যন্ত লেগে যাবে।

 

খবর প্রতিদিন /সি.বা 


আরও খবর



২০২২-২৩ অর্থবছরেই জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে এশিয়ার বেশিরভাগ দেশকে আবারও পেছনে ফেলবে বাংলাদেশ

দ. এশিয়ায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে ধারাবাহিক বাংলাদেশ

প্রকাশিত:Sunday ১০ October ২০২১ | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ৭১জন দেখেছেন
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

Image



আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

 

করোনাভাইরাস মহামারির ভয়াল থাবা থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে দক্ষিণ এশিয়া। স্থবিরতা কাটিয়ে ফের গতিশীল হচ্ছে এ অঞ্চলের অর্থনীতি। কিন্তু বছরখানেক আগে অর্থনীতিতে যে আঘাত দিয়েছিল করোনা, তার ক্ষত পুরোপুরি মেটানো বেশ কঠিন। অথচ এমন কঠিন সময়েও দারুণ কৃতিত্ব দেখিয়ে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। বলা বাহুল্য, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দক্ষিণ এশিয়ায় একমাত্র ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হওয়া দেশের নাম বাংলাদেশ। উন্নয়নের সেই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে আগামী বছরগুলোতেও। আর তা হলে ২০২২-২৩ অর্থবছরেই জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার বেশিরভাগ দেশকে আবারও পেছনে ফেলবে বাংলাদেশ।

 

গত বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত দক্ষিণ এশীয় অর্থনীতি বিষয়ক সবশেষ প্রতিবেদনে (সাউথ এশিয়া ইকোনমিক ফোকাস) এসব তথ্য উঠে এসেছে।

 

বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত হিসাবে দেখা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শুধু বাংলাদেশের (জুলাই-জুন) জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ইতিবাচক ধারায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। একই সময় এ অঞ্চলের বাকি সব দেশের প্রবৃদ্ধিই ছিল নেতিবাচক। ওই অর্থবছরে ভারতের (এপ্রিল-মার্চ) প্রবৃদ্ধি মাইনাস ৭ দশমিক ৩ শতাংশ, মালদ্বীপের (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) মাইনাস ৩৩ দশমিক ৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার (জানুয়ারি-ডিসেম্বর) মাইনাস ৩ দশমিক ৬ শতাংশ, ভুটানের (জুলাই-জুন) মাইনাস ০ দশমিক ৬ শতাংশ, নেপালের (জুলাই-জুন) মাইনাস ২ দশমিক ১ শতাংশ ও পাকিস্তানের (জুলাই-জুন) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল মাইনাস ০ দশমিক ৫ শতাংশ।

 

এরপর ধীরে ধীরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় ফের ইতিবাচক ধারায় ফেরে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি। ২০২০-২১ অর্থবছরে এ অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ শতাংশ, ভারতের ৮ দশমিক ৩ শতাংশ, নেপালের ১ দশমিক ৮ শতাংশ, পাকিস্তানের ৩ দশমিক ৫ শতাংশ, মালদ্বীপের ২২ দশমিক ৩ শতাংশ ও শ্রীলঙ্কার ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। এই বছরটিতে কেবল ভুটানই নেতিবাচক ধারা থেকে বের হতে পারেনি। তাদের প্রবৃদ্ধি ছিল মাইনাস ১ দশমিক ২ শতাংশ।

 

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুসারে, ২০২১-২২ অর্থবছরেও বাংলাদেশ আশাব্যঞ্জক গতিতে প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। এসময় বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। এছাড়া নেপালের প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ ও ভুটানের প্রবৃদ্ধি বেড়ে হতে পারে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। ওই বছর এ অঞ্চলের বাকি দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি কমতে পারে। সেসময় ভারতের প্রবৃদ্ধি কমে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ, পাকিস্তানের ৩ দশমিক ৪ শতাংশ, মালদ্বীপের ১১ শতাংশ ও শ্রীলঙ্কার প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়াতে পারে মাত্র ২ দশমিক ১ শতাংশে।

 

ভারতের অবনতি অব্যাহত থাকবে এর পরের বছরও। অর্থাৎ ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশটির প্রবৃদ্ধি আরও কমে হবে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্য দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি কিছুটা বাড়বে। ওই বছর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ভারতকে আবারও ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি বেড়ে দাঁড়াবে ৬ দশমিক ৯ শতাংশ। সে সময় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে কেবল মালদ্বীপের চেয়েই পিছিয়ে থাকবে বাংলাদেশ।

 

সুতরাং বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস বলছে, আগামী বছরগুলোতে দক্ষিণ এশিয়ার বাকি দেশগুলো অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে উত্থান-পতন দেখলেও সুষমগতিতেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

খবর প্রতিদিন /সি.বা 


আরও খবর



দেড় বছর পর করোনায় মৃত্যুশূন্য দিন কাটালো ঢাকা

১৮ মাস পর করোনায় মৃত্যুশূন্য ঢাকা

প্রকাশিত:Wednesday ২০ October ২০21 | হালনাগাদ:Tuesday ২৬ October ২০২১ | ১৩০জন দেখেছেন
ডেস্ক এডিটর

Image


বাংলাদেশে ২০২০ সালের ৮ মার্চ প্রথম তিনজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম একজনের মৃত্যুর খবর আসে। এরপর সর্বশেষ ওই বছরের ৩ এপ্রিল মৃত্যুহীন দিন দেখেছিল বাংলাদেশ। এরপর দীর্ঘ দেড় বছর পর মৃত্যুশূন্য দিন পেল ঢাকা। দীর্ঘ এ ১৮ মাস দেশের অন্যান্য বিভাগে মৃত্যুশূন্য দিন গেলেও ঢাকায় যায়নি।

 

বুধবার (২০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।

এতে বলা হয়, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা কমেছে। সবশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের তিন বিভাগে ছয়জনের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে পুরুষ চারজন ও নারী দুজন। সরকারি হাসপাতালে পাঁচজন ও বেসরকারি হাসপাতালে একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৭৯১ জনে।

 

এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ছয়জনের মধ্যে চট্টগ্রামে তিনজন, রাজশাহীতে দুইজন ও খুলনা বিভাগে একজন রয়েছেন। এ সময়ে ঢাকা বিভাগসহ পাঁচ বিভাগে করোনায় কোনো মৃত্যু নেই। অন্য চারটি বিভাগ হলো- বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ।

 

গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ৮৩১টি ল্যাবরেটরিতে ২০ হাজার ৩৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৮০ শতাংশ। আজ পর্যন্ত সর্বমোট নমুনা পরীক্ষার ভিত্তিতে শনাক্তকৃত রোগীর হার ১৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

 

২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৮১ জন। এ নিয়ে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৫৪৯ জন। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

 

করোনাভাইরাস মহামারি শুরুর পর থেকে ২০ অক্টোবর পর্য়ন্ত মারা যাওয়া ২৭ হাজার ৭৯১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১২ হাজার ১১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ হাজার ৬৪০ জন, রাজশাহী বিভাগে ২ হাজার ৩৮ জন, খুলনা বিভাগে ৩ হাজার ৫৮৭ জন, বরিশাল বিভাগে ৯৪৩ জন, সিলেট বিভাগে ১ হাজার ২৬১ জন, রংপুর বিভাগে ১ হাজার ৩৬২ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৪১ জনের মৃত্যু হয়।

 

  -খবর প্রতিদিন / সি.বা 


আরও খবর