Logo
আজঃ মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম
নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা পদে ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল নাসিরনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান,ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা পদে ১৭ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ঈদ পর ফের বাড়লো হিলিতে আলু,পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম পানি নিষ্কাশনের মুখে নন্দন পার্কের বাঁধ, উৎসবেও জলবদ্ধতায় দুর্ভোগ বাড়তি ফি টেস্ট পরীক্ষার নামে নেওয়া যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কারিকুলাম যুগোপযোগী করার তাগিদ রাষ্ট্রপতির সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল, আজ থেকেই কার্যকর ফরিদপুরে নিহতদের পরিবার পাচ্ছে ৫ লাখ টাকা, আহতরা ৩ জামিন পেলেন ড. ইউনূস ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস

ফুসফুস ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৪২৪জন দেখেছেন

Image

ফুসফুস ক্যান্সার পুরুষ-মহিলা সবার জন্য এক আতঙ্কের নাম, কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এতে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা বেড়ে যায়। খোদ যুক্তরাষ্ট্রে বছর লাখ ৩৬ হাজার মানুষের ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে লাখ ৩০ হাজার জনের বেশি মারা গেছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বাংলাদেশে ২০২০ সালে ১২ হাজারের বেশি মানুষ ফুসফুস ক্যান্সারে মারা গেছেন। যদিও দেশে ক্যান্সার রেজিস্ট্রি না থাকায় আক্রান্ত মৃতের প্রকৃত সংখ্যা জানা যায় না। দেশে শনাক্ত রোগীদের অধিকাংশই অ্যাডভান্সড স্টেজে পৌঁছার পরই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন, যখন রোগের জটিলতা বেড়ে যায়। ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে ক্যান্সার ফুসফুস থেকে দেহের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে।

ফুসফুস ক্যান্সারের রোগী বেশি কেন?

সুনির্দিষ্টভাবে মূল কারণ চিহ্নিত না হলেও এটা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত যে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় তামাক গ্রহণই ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্তের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ দায়ী। বিশেষ করে ধূমপান, নিজে করলে তো বটেই এমনকি পরোক্ষ ধূমপায়ীও সমানভাবে ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন।

অ্যাসবেস্টস জাতীয় পদার্থের সংস্পর্শে থাকলেবিভিন্ন ধাতব পদার্থের মাত্রা বাতাসে বেশি থাকলেবাতাসে রেডন গ্যাসের উপস্থিতি থাকলে;

বংশানুক্রমিকভাবেও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

লক্ষ্মণগুলো কী হতে পারে

প্রথম দিকে হালকা কাশি, আস্তে আস্তে তা বেড়ে যাবে কাশির সঙ্গে রক্ত আসতে পারে। বুকে ব্যথা করা। শ্বাসকষ্ট হওয়া যা বেড়ে গিয়ে দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হতে পারে। খাওয়ায় অরুচি, শরীর ভেঙে পড়া, ওজন কমে যাওয়া এগুলোও প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

প্রথমে দিকে মাথাব্যথা, খিঁচুনিও দেখা দিতে পারে। অনেক সময় রোগী হাড়ের ব্যথা কিংবা জন্ডিস নিয়ে আসতে পারে এগুলো যথাক্রমে হাড়ে বা লিভারে ছড়িয়ে যাওয়ার লক্ষণ।

ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্তের প্রক্রিয়া

কফ পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার কোষ আছে কিনা দেখা যায়। সাধারণ বুকের এক্স-রে থেকে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়। এছাড়া সিটি স্ক্যান কিংবা পেট সিটি স্ক্যানের মতো বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে শরীরে ক্যান্সারের অবস্থান নির্ণয় করা যায়। প্রয়োজনে বিশেষ পরীক্ষা ব্রঙ্কোস্কোপি করার বিধান আছে।

চূড়ান্ত পর্যায়ে রোগটি কী ধরনের তা বোঝার জন্য ফুসফুসের আক্রান্ত স্থানে সুই ঢুকিয়ে কোষ সংগ্রহ করা হয়। এরপর প্রাথমিকভাবে তা অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে দেখা হয়। সূক্ষ্মভাবে কোষ শনাক্তের জন্য সেটির ইমিউনোহিসটোকেমিস্ট্রি করা হয়ে থাকে।

রোগ শনাক্তকরণের পরবর্তী পদক্ষেপগুলো কী?

অন্য সব ক্যান্সারের মতো ফুসফুস ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য শনাক্তের পর রোগটি কোন স্তরে আছে তা নির্ণয় করতে হয়। এর ভিত্তিতেই পুরো চিকিৎসার পরিকল্পনা করা হয়। মূলত প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে, বিশেষ ধরনের কোষ ছাড়া, প্রায় সব ক্ষেত্রে সার্জারি বা অপারেশনের মাধ্যমে রোগ থেকে সমাধান পাওয়া সহজ। অন্যথায় অন্যান্য চিকিৎসার আশ্রয় নিতে হয়। যেভাবে আমরা চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় রোগীকে নিয়ে চিন্তা করি তা হলোসার্জারির মাধ্যমে রোগাক্রান্ত অংশ কেটে ফেলা বা প্রয়োজনে আরো একটু বেশি অংশও ফেলে দেয়া হয়। এছাড়া রোগ ছড়িয়ে পড়লে কিংবা সার্জারি করার পরও কেমোথেরাপি বা বিভিন্ন ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়া হয়। টার্গেটেড থেরাপি, ইমিউনোথেরাপির মতো আধুনিক চিকিৎসা এখন বাংলাদেশেও করা হচ্ছে। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি অ্যাবলেশন (আরএফএ) করা যায়। উন্নত বিশ্বে এরই মধ্যে অত্যন্ত ব্যয়বহুল প্রোটন থেরাপি চিকিৎসা চর্চা শুরু হয়েছে। যখন রোগী অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় চলে যায় তখন জীবনমান ধরে রাখার জন্য মেট্রোনমিক থেরাপি  বা প্যালিয়েটিভ ট্রিটমেন্ট দেয়া হয়।

দেশে ফুসফুসের ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতা

রোগীরা প্রাথমিক অবস্থায় এলে সার্জারির মাধ্যমে নিরাময়ের জন্য আমাদের চিকিৎসক আছেন, যারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজটি করতে পারেন। এছাড়া বিভিন্ন ধাপ ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতাও আছে। এসব ওষুধের ৯০ শতাংশই দেশে প্রস্তুত হয়। কিন্তু মূল সংকট দেখা দেয় যখন রেডিওথেরাপির প্রয়োজন হয় তখন। অপ্রতুল যন্ত্রের জন্য সময়মতো চিকিৎসা দেয়া যায় না। তাছাড়া প্যালিয়েটিভ সেবার কেন্দ্র প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই নগণ্য।

দেশের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞরা যথেষ্ট দক্ষতার সঙ্গে ফুসফুস ক্যান্সারের চিকিৎসা দিতে সক্ষম। তবে মূল শত্রু তামাক নিয়ন্ত্রণ পরিবেশ দূষণের সঠিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন না হওয়ার পাশাপাশি রোগীদের দেরিতে চিকিৎসা নিতে আসা, অপ্রতুল রোগ শনাক্তকরণ কেন্দ্র রেডিওথেরাপি মেশিনের ভয়াবহ স্বল্পতার কারণে ফুসফুসের ক্যান্সারে মৃত্যুহার বেশি। সার্বিকভাবে পরিস্থিতি হতাশাজনকই।

 

অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক

ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ 

প্রকল্প পরিচালক, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি


আরও খবর



মেট্রোরেলের ওপরে থাকা ইন্টারনেট-ডিসের ক্যাবল অপসারণের নির্দেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:এমআরটি লাইন-৬ এর ওপর দিয়ে ৫১টি ভবনে টানা হয়েছে ইন্টারনেট ও ডিসের তার (ক্যাবল) ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল)।

মেট্রোরেলের রুটের অ্যালাইনমেন্টের ভায়াডাক্ট ও ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমের ওপর দিয়ে অতিক্রম করা বিভিন্ন ভবনের এসব ক্যাবল আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় ডিএমটিসিএল আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এবং সম্পাদক বরাবর ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৬) প্রকল্প পরিচালক মো. আফতাবউদ্দিন তালুকদারের সই করা এক চিঠিতে এবিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ডিএমটিসিএলের আওতায় পরিচালিত এমআরটি লাইন ৬ এখন শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৭.১০ মিনিট থেকে রাত ১০.১৪ মিনিট পর্যন্ত বাণিজ্যিকভাবে চলাচল করছে।

ঢাকা মহানগরীর জনসাধারণ নিরাপদে, স্বাচ্ছন্দ্যে ও স্বল্প সময়ে মেট্রোরেলে যাতায়াতের সুফল ভোগ করছেন। এখন প্রতিদিন গড়ে ২ লাখ ৯০ হাজার যাত্রী মেট্রো ট্রেনে যাতায়াত করছেন।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এই রুটের অ্যালাইনমেন্টের ভায়াডাক্ট ও ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমের ওপর দিয়ে বিভিন্ন ভবনে ক্যাবল টিভি লাইন (ডিস লাইন), ইন্টারনেটের ক্যাবল লাইন ইত্যাদির সংযোগ প্রদান করা হয়েছে। প্রাথমিক সার্ভেতে দেখা গিয়েছে, প্রায় ৫১টি ভবনে বর্তমানে এই ধরনের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে যে কোনো মুহূর্তে ক্যাবেল ছিঁড়ে গিয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মেট্রোরেলের ভায়াডাক্ট ও ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমের ওপরে পড়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। চলমান বর্ষা মৌসুমে এই ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেশি।

চিঠিতে ভায়াডাক্ট ও ওভারহেড ক্যাটেনারি সিস্টেমের ওপর দিয়ে অতিক্রম করা বিভিন্ন ভবনের ক্যাবল টিভি লাইন (ডিস লাইন), ইন্টারনেটের ক্যাবল ইত্যাদি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়। অন্যথায় ডিএমটিসিএল আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও জানানো হয়েছে।

ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এ. বি. এম.সাইফুল হোসেন এবং সম্পাদক মো. ইমদাদুল হককে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



দ্বীন ইসলাম ও আম্মানের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১৪১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় আটক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম ও সহপাঠী আম্মান সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে পুলিশ।

রোববার (১৭ মার্চ) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন। তিনি জানান, নানা ঘটনাপ্রবাহে অবন্তিকা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল।

খন্দকার মহিদ উদ্দিন বলেন, ঘটনার পর থেকেই আসামিদের নজরদারিতে রেখেছিল পুলিশ। আটক দুজনকে কুমিল্লা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনার পেছনে কে বা কারা জড়িত তা কুমিল্লার কোতোয়ালি থানা পুলিশ তদন্ত করে বের করবে।

এর আগে, শনিবার (১৬ মার্চ) রাতে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে অবন্তিকার মা তাহমিনা শবনম একটি মামলা দায়ের করেন।

এজাহারে অবন্তিকার মা উল্লেখ করেছেন, ‘ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা (২৪) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত ছিল। আমার মেয়ে মেধা তালিকা অনুসারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে সিট পায়। অবন্তিকা আমাকে জানায়, তার ক্লাসমেট রায়হান সিদ্দিক আম্মান বিভিন্ন মাধ্যমে তাকে যৌন হয়রানিমূলক নিপীড়ন দেয় ও বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে জানানোর পরও তিনি আম্মানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে উল্টো আম্মানের পক্ষ নিয়ে আমার মেয়েকে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করেন। এজন্য আমার মেয়ে হোস্টেলে থাকাটা নিরাপদ মনে না করে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে ছাত্রীদের মেসে থাকা শুরু করে।’

‘কিন্তু তাতেও অভিযুক্ত দুজন ক্ষান্ত হননি। তারা অবন্তিকার কয়েকজন ক্লাসমেটের মাধ্যমে তার চলা ফেরার প্রতি নজর রাখতে শুরু করে। তাদের মাধ্যমেও আমার মেয়েকে বিভিন্ন মাধ্যমে মানসিক নিপীড়ন দিতে থাকে। এরই মধ্যে গত ১৪ মার্চ অবন্তিকা কুমিল্লার বাসায় চলে আসে। অন্যমনস্ক অবন্তিকা আমাকে জানায়, যে কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল ছেড়ে মেসে উঠেছিল সে সমস্যা আরও প্রকট হয়েছে। অর্থাৎ বিবাদী রায়হান সিদ্দিক আম্মান আগের চেয়ে আরও বেশি পরিমাণে আমার মেয়ের সঙ্গে যৌন হয়রানিমূলক কুরুচিপূর্ণ আচরণ করছে।’

তাহমিনা বেগম দাবি করেন, ‘সাবেক সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম আম্মানের পক্ষ নিয়ে আমার মেয়েকে ৬ থেকে ৭ বার অফিসে ডেকে অপদস্থ করেন। মেয়ে কুমিল্লা চলে আসলেও তাকে খারাপ মেয়ে হিসেবে প্রচার করবে, যেন আমার মেয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়। এসব কারণে আমার মেয়ে কুমিল্লা নগরীর বাঁগিচাগাও বাসায় গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করে।’

শুক্রবার রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা শহরের বাগিচাগাঁও ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন এলাকায় নিজ বাসায় আত্মহত্যা করেন অবন্তিকা। এর আগে নিজের ফেসবুক আইডিতে মৃত্যুর জন্য সহপাঠী রায়হান সিদ্দিকী আম্মান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামে দায়ি করেন অবন্তিকা।


আরও খবর



দেশসেরা ইন্সটিটিউট গুলোর মধ্যে নিটার ১৬তম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image

মিঠুন দাস মিঠু, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, নিটার:বিশ্বব্যাপী সমগ্র  ইন্সটিটিউট সমূহে পরিচালিত মানসম্মত  গবেষণা কার্যক্রমের উপর নির্ভর করে সম্প্রতি আলফার-ডগার সাইন্টিফিক ইনডেক্স  "এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স ২০২৪" শিরোনামে একটি র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী, দেশের ২০৭টি ইন্সটিটিউটের মধ্যে সাভারে অবস্থিত ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ (নিটার) এর অবস্থান ১৬তম এবং  সমগ্র বিশ্বের ২০৬টি দেশের ২৯৮৬টি ইন্সটিটিউটের মধ্যে নিটারের অবস্থান ২২৯২তম।

এডি সাইন্টিফিক ইনডেক্স মূলত বিগত ৫ বছরের নয়টি প্যারামিটারের উপর ভিত্তি করে এই র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করে থাকে এবং মোট ১২টি বিষয় এই র‌্যাঙ্কিং এর অন্তর্ভুক্ত। সেগুলো হলো- এগ্রিকালচার এন্ড ফরেস্টি, আর্টস, ডিজাইন এন্ড আর্কিটেকচার, বিজনেস এন্ড ম্যানেজমেন্ট, ইকোনোমিকস এন্ড ইকোনোমেট্রিক্স, এডুকেশন, ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি, হিস্ট্রি, ফিলোসোফি, থ্রিওলোজি, ল এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ, মেডিক্যাল এন্ড হেলথ সায়েন্স, ন্যাচারাল সায়েন্স, সোশ্যাল সায়েন্স। বিশ্বব্যাপী ২০৬ টি দেশের ২৯৮৬টি ইন্সটিটিউটের মধ্যে এই র‌্যাঙ্কিং করা হয়েছে।

র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের ইন্সটিটিউট গুলোর মধ্যে প্রথম স্থানে আছে বাংলাদেশ উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র (বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ৩০৮), দ্বিতীয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ১২১৩), তৃতীয় বাংলাদেশ এটমিক এনার্জি কমিশন (বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৩৮২), চতুর্থ পথিকৃৎ ইন্সটিটিউট অফ হেলথ স্টাডিজ (বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৫৪৪), পঞ্চম বাংলাদেশ কাউন্সিল অফ সাইন্টিফিক এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিয়াল রিসার্চ (বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৭৩০), ষষ্ঠ মিলিটারি ইন্সটিটিউট অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি (বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৭৯৩), সপ্তম বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ নিউক্লিয়ার এগ্রিকালচার (বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৮৩৯), অষ্টম বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ ইন্সটিটিউট (বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৮৬২), নবম ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ বায়োটেকনোলজি (বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৯৪৩), দশম স্থানে বাংলাদেশ ফিসারিজ রিসার্চ ইন্সটিটিউট (বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৯৬২)।

র‌্যাঙ্কিং পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড রিসার্চ-নিটার এর ৩০ জন গবেষকদের মধ্যে দেশের সেরা ৩০% এর মধ্যে আছে একজন গবেষক, দেশ-সেরা ৪০% এর মধ্যেও আছে একজন গবেষক, দেশ-সেরা ৫০% এর মধ্যেও আছে একজন গবেষক, দেশ-সেরা ৬০% এর মধ্যে আছে তিনজন গবেষক,  দেশ-সেরা ৭০% এর মধ্যে আছে নয়জন গবেষক, দেশ-সেরা ৮০% এর মধ্যে আছে ১২ জন গবেষক, দেশ-সেরা ৯০% এর মধ্যে আছে ১৯ জন গবেষক। এছাড়াও, ইন্সটিটিউট টির সেরা গবেষক হিসেবে নাম উঠে এসেছে ইন্সটিটিউটটির কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর জনাব: আনিসুর রহমান এর।


আরও খবর



দুঃস্থদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ও একসঙ্গে ইফতার করলেন পুলিশ সুপার মুক্তা ধর

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ এপ্রিল ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image
জসীম উদ্দিন জয়নাল,পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি:খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়িতে  জেলা পুলিশের আয়োজনে অসহায়  ও দুঃস্থদের  মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ  ও একসঙ্গে ইফতার করলেন খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার মুক্তা ধর পিপিএম (বার)।

শুত্রুবার (৫এপ্রিল) বিকাল ৫টার দিকে খাগড়াছড়ি জেলার  সুপার  মুক্তাধর পিপিএম (বার) এর  সামাজিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে নিয়মিত অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় পানছড়ি থানায় অসহায় ও দুঃস্থদের  মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের সাথে একই সঙ্গে ইফতার করেন। 

অসহায়  এবং দুঃস্থ ব্যক্তিরা পুলিশ সুপারের সাথে একসাথে ইফতার করতে পেরে এবং তার থেকে ঈদ উপলক্ষে উপহার সামগ্রী পেয়ে খুবই খুশি হয়েছেন।  এ সময় প্রায় ৩০ জনের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয় এবং একসাথে ইফতার করেন।

খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার  মুক্তাধর পিপিএম (বার)  বলেন,  আমরা চাই সব সময় আমাদের আনন্দ  গুলোকে ভাগাভাগি করে নিতে। এখন সিয়াম সাধনার মাস চলতেছে এবং কিছুদিন পরেই ঈদুল ফিতর, মুসলমানদের অন্যতম  আনন্দের দিন। সমাজের অসহায় ও দুঃস্থ মানুষজন এই সিয়াম সাধনার সময় একটু ভালো করে সেহরি করবে, ইফতারি করবে, এ সুযোগগুলো খুব কমই হয়। আবার সামনে ঈদুল ফিতরে প্রত্যেকে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী ঈদ আনন্দের জন্য কেনাকাটা করবে। আনন্দগুলোকে উদযাপন করবে। এক্ষেত্র সমাজের অসহায় এবং দুস্থ মানুষ গুলো অনেক পিছিয়ে। সমাজের এ শ্রেণীর মানুষ গুলোর দিকে যদি আমরা একটু তাকাই, তাদেরকে একটু সুযোগ করে দেই আনন্দ করার জন্য, একটু ভালো করে ইফতার করার জন্য, তাহলে তাদের আর আনন্দের কোন সীমা থাকেনা। এভাবেই আমরা আমাদের আনন্দগুলি তাদের সাথে ভাগাভাগি করে নিতে পারি। 

একজন দুঃস্থ পুরুষ  ঈদ উপহার  সামগ্রী পেয়ে  ও একই সাথে  ইফতার করার পর তার অনুভূতি ব্যক্ত করতে যেয়ে বলেন,  আজ আমি খুবই খুশি খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার মত একজন বড় অফিসারের সাথে ইফতার করতে পেরেছি তিনি আমাদেরকে ঈদ উপহার দিয়েছেন। আমাদেরকে একটু আনন্দ করার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমরা এ রমজান মাসে একটু ভালো খাবার মাধ্যমে  ইফতার করতে পারি না। ঈদের সময় পুরাতন জামা কাপড় পড়তে হয়। কিন্তু স্যারের কল্যাণে এতটুকু দুঃখ মুছে গেল। স্যারের আল্লাহ ভালো করুন। 

এ সময় খাগড়াছড়ি জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) জনাব মোঃ জসীম উদ্দিন পিপিএম, পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরও খবর



৫টি চোরাই মোটরসাইকেল সহ চোর চক্রের ৫ সদস্য গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ১১৫জন দেখেছেন

Image

ইয়ানূর রহমান শার্শা,যশোর প্রতিনিধি:যশোর জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের ৫ সদস্যকে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ আটক করা হয়েছে। (২৫শে মার্চ) রোববার দিবাগত গভীর রাতে, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদ ও তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে, মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর নেপালের মোড় এলাকায়, সেলিম মোল্যা (২৮) এর বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে ৩টি মোটরসাইকেলসহ তাকে গ্রেফতার করেন। সে ওই এলাকার মাইজপাড়া গ্রামের মৃত হাবিল মোল্লার ছেলে। পরে তার স্বীকারোক্তিতে আরো চারজনকে দু’টি মোটরসাইকেল সহ আটক করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মাগুরা যশপুর গ্রামের আজিজার রহমান সর্দারের ছেলের আঃ রহমান সরদার(২৫), মাগুরা মোহাম্মদপুর উপজেলার আউনাড়া মধ্যপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে আল -আমিন(২৩), মাগুরা শ্রীপুর উপজেলার মৃত চাঁদ আলী মোল্লার ছেলে শিবলু মোল্যা (৪২), কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার গড়দাহ খালপাড়া এলাকা অভিযান চালিয়ে মৃত মইনুদ্দিন ফকিরের ছেলে হাসান ফকির(৪২) কে গ্রেপ্তার করেন।

যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ রুপণ কুমার বলেন, গ্রেফতারকৃতরা আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জেলায় মোটরসাইকেল চুরি করে আসছিলো। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গত দুই দিনে মাগুরা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর