Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

ফ্রিজ কেনার আগে যে ৮ বিষয় জানা জরুরি

প্রকাশিত:Tuesday ২৮ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৮৪জন দেখেছেন
Image

কোরবানি ঈদের আগে ফ্রিজ কেনার ধুম পড়ে যায়। ঈদ উপলক্ষ্যে এ সময় বিভিন্ন ছাড় ও মূল্যহ্রাস দেওয়া হয়। কম দামে ভালো মানের ফ্রিজ কিনতে চান সবাই।

তবে ফ্রিজের বিষয়ে বিশেষ কিছু তথ্য না জেনেই অনেক ঝোঁকের বশে মূলবান এই পণ্য কিনে ফেলেন ও পরে আফসোস করেন।

তাই সাধ্যের মধ্যে ভালো ফ্রিজ কেনার জন্য কিছু বিষয় জানা জরুরি। ফ্রিজের গুণগত মান এর বিভিন্ন প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে।

এসব বিষয়ে জ্ঞান থাকলে আপনি সাশ্রয়ী মূল্যে ভালো মানের ফ্রিজ কিনতে পারবেন। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ফ্রিজ কেনার আগে কী কী জানা জরুরি-

>> প্রথমেই জানতে হবে, যে ফ্রিজটি কিনতে চাচ্ছেন সেটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী কি না। এ ধরনের ফ্রিজ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল অনেকটাই কম আসে।

আবার এমন ফ্রিজ পরিবেশবান্ধবও বটে। ফ্রিজের গায়ে কোথা স্টার মার্ক দেওয়া আছে কি না তা লক্ষ্য করুন। এই চিহ্ন থাকলেই বুঝতে হবে সেটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।

>> ফ্রিজটির কনডেন্সার কিসের তৈরি তা অবশ্যই জেনে নেবেন। কপার কনডেন্সারযুক্ত ফ্রিজ পেলে সেটি কিনুন। এ ধরনের ফ্রিজের কম্প্রেসারের সঙ্গে তামার তৈরি কুলিং সিস্টেম পাইপ থাকে।

যেগুলো ফ্রিজের পেছনে ও বডির ভেতরে থাকে। কপার কনডেন্সরযুক্ত ফ্রিজ বেশি টেকশই ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হয়। ফলে ফ্রিজের গ্যাস লিকেজ হয় না, মরিচা পড়ে না, ক্যাপেলরি জ্যাম হয় না। আবার তাড়াতাড়ি ঠান্ডাও হয়।

>> ফ্রিজের কম্প্রোসারই হলো প্রধান ইঞ্জিন। এর উপরই নির্ভর করে সেটি কতদিন টিকবে। মনে রাখবেন, ফ্রিজের কম্প্রোসার খারাপ হলে বিদ্যুৎ খরচ বাড়বে। তাই কেনার আগে ফ্রিজের কমপ্রেসার কতটা উন্নত তা যাচাই করে নিন।

>> ফ্রিজ বড় হলেই যে ভালো, তা কিন্তু নয়। আপনার ঠিক কোন মাপের ফ্রিজ প্রয়োজন সে অনুযায়ী কিনুন। বড় আকারের ফ্রিজ কিনলে তা মোটেও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হয় না।

>> বর্তমানে বাজারে স্মার্ট ফ্রিজের চাহিদা বেশি। এতে বিভিন্ন ইনভার্টার প্রযুক্তি থাকে। এতে পাঁচটি মোড কাজ করে। একটিতে ওপরে ডিপ আর নিচে সাধারণ ফ্রিজ থাকে। নতুন এই প্রযুক্তির যন্ত্রে ডিপ ফ্রিজকে রূপান্তর করে পুরোটাই সাধারণ ফ্রিজ করে ফেলা যায়।

ফ্রিজ কেনার আগে যে ৮ বিষয় জানা জরুরি

স্মার্ট ফ্রিজ ব্যবহারের অনেক সুবিধা আছে। যেমন- কেউ ঘরের বাইরে গেলে দীর্ঘ সময়ের জন্য এনার্জি সেভিং মোড চালু করে রাখতে পারেন।

>> ফ্রিজ কেনার আগে সেটি ফ্রস্ট নাকি নন ফ্রস্ট তা জেনে বুঝে তবেই কিনুন। যেসব ফ্রিজের ভেতরে রাখা সংরক্ষিত খাবারে বরফ জমে যায় তাকে ফ্রস্ট ফ্রিজ বলে। অন্যদিকে যে ফ্রিজের ভিতরে ও সংরক্ষিত খাবারে বরফ জমে না তাকে নন ফ্রস্ট ফ্রিজ বলে।

নন ফ্রস্ট ফ্রিজে অনেক বিদ্যুৎ খরচ হয় ও কারেন্ট চলে গেলে খাবার ২-৩ ঘণ্টার বেশি থাকে না। অন্যদিকে বিদ্যুৎ না থাকলেও খাবার কয়েক ঘণ্টা ভালো রাখে ফ্রস্ট ফ্রিজ। এই ধরনের ফ্রিজগুলো অনেকটাই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।

>> ন্যানা হেলথক্যোর টেকনোলজির ফ্রিজ কিনবেন অবশ্যই। এ ধরনের ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণ করলে তা স্বাস্থ্যসম্মত ধাকে। এই তথ্য ফ্রিজের গায়ে যুক্ত স্টিকার লেখা দেখে কিনতে পারবেন।

>> রেফ্রিজারেটর কেনার আগে বিক্রয়োত্তর সেবা সম্পর্কেও জেনে নিন। ওয়ারেন্টি ও গ্যারান্টির বিষয়টা বুঝে নিন। বর্তমানে অনেকেই কিস্তিতে বা ইনস্টলমেন্টে ফ্রিজ কেনেন। সেক্ষেত্রে সব তথ্য ভালোভাবে জেনে বুঝে তবেই ফ্রিজ কিনুন।


আরও খবর



জাসদ-গণবাহিনী বঙ্গবন্ধু হত্যার ক্ষেত্র তৈরি করেছে: কামরুল

প্রকাশিত:Saturday ০৬ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম বলেছেন, জাসদ যদিও আমাদের সাথে, আমি পরিস্কার বলতে চাই, স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি, জাসদ ও গণবাহিনী সবাই একীভূত হয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার ক্ষেত্র তৈরি করেছে।

শনিবার (৬ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু একাডেমি আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

কামরুল ইসলাম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পরে ৭৫ পর্যন্ত মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তিকে আমাদের মোকাবিলা করতে হয়েছে। সাথে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে আমাদের কিছু বিপথগামী মুক্তিযোদ্ধা ছিলো যারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। তাদেরও মোকাবিলা করতে হয়েছে।

এমন কোনো কাজ নেই, তারা করেনি। গণবাহিনী ও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী শক্তি একীভূতভাবে বঙ্গবন্ধু হত্যার ক্ষেত্র তৈরি করেছে। জিয়াউর রহমান ও খন্দকার মোশতাক বঙ্গবন্ধু হত্যার ক্ষেত্র তৈরি করেছে। আমরা সাক্ষী তখনকার দিনের, আমরা দেখেছি।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, বিএনপি একটি পাঁচমিশালি দল। রাজধানী থেকে তাদের বিদায় করতে হবে। দেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে অপশক্তিকে বিতারিত করতে হবে।

শেখ কামালের সঙ্গে নানা ঘটনার স্মৃতিচারণ করে আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, শেখ কামাল একজন নিরহঙ্কারী লোক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর পুত্র হিসেবে তার কোনো অহমিকা ছিলো না। আবাহনী ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ক্লাবটি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ফুটবল জগতে একটি বিস্ময় দেখিয়েছেন তিনি। আবার সাংস্কৃতিক জগতেও নানা কাজ করেছেন। অথচ তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেছেন অনেকেই।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু একাডেমির সভাপতি শেখ ইকবাল খোকন। এতে বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য জহিরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কামাল চৌধুরী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের খান প্রমুখ।


আরও খবর



সারের দাম বাড়ানো নিয়ে সংকট তৈরি করলে কঠোর শাস্তি: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:Thursday ০৪ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

ইউরিয়া সারের দাম কেজিপ্রতি ছয় টাকা বাড়নোকে কেন্দ্র করে কেউ সংকট তৈরি করলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। সারের দাম বাড়ানো নিয়ে বিএনপিসহ বাম দলগুলোর উদ্বেগ নির্লজ্জতার প্রমাণ বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সারের দাম বৃদ্ধি, মজুতসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সারের দাম বাড়ার পরও কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়বে না দাবি করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ইউরিয়ার দাম বৃদ্ধি ফসল উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাবে পড়বে না।

তিনি বলেন, ইউরিয়া সারের ব্যবহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে এবং চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২২ টাকা পূর্ননির্ধারণ করেছে সরকার।

‘আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি ইউরিয়ার সারের বর্তমান দাম ৮১ টাকা। এর ফলে ৬ টাকা দাম বৃদ্ধির পরও সরকারকে প্রতি কেজিতে ৫৯ টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের ভর্তুকি ছিল মাত্র ১৫ টাকা।’

বর্তমানে দেশে সব ধরণের সারের পর্যাপ্ত মজুত আছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সারের দাম বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে দেশের কোথাও যাতে কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে- সেই ব্যাপারে আমরা নিবিড়ভাবে মনিটর করছি। কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে দাম বেশি নিলে সংশ্লিষ্টদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।’

ফসলের জমিতে সুষম সার প্রয়োগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইউরিয়া সারের বর্তমান ব্যবহার কমপক্ষে ২০ শতাংশ কমিয়ে ইউরিয়ার ব্যবহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে পারি। এতে ফসল উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না, বরং উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে কৃষকের খরচও কমবে। এটি করতে হলে আমাদের কৃষক ভাইসহ সবার সচেতনতা প্রয়োজন।’

ইউরিয়া সারের সুষম ব্যবহার করলে কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়বে না বলেও মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা লক্ষ্য করছি, সারের দাম বাড়ায় বিএনপিসহ কিছু বাম দল উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিএনপির সার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ তাদের চরম নির্লজ্জতার প্রমাণ বলে আমি মনে করি। তারা বাস্তব অবস্থা বিবেচনা না করে সমালোচনা করছে। তারা সরকারের সমালোচনা করছে।’

‘বিএনপির শাসন আমলে সারসহ কৃষি উপকরণের চরম সংকট ছিল। বিএনপি তাদের সময়ে কৃষককে সার দিতে না পেরে পালিয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছে। সারের জন্য বিএনপি সরকার ১৯৯৫ সালে ১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করেছিলো।’

ইউরিয়া সারের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কমানোও দাম বাড়ানোর অন্যতম উদ্দেশ্য জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইউরিয়া সারের ব্যবহার হ্রাস ও ডিএপি সারের ব্যবহার বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ করে যাচ্ছি। ডিএপি সার মাটির স্বাস্থ্য রক্ষায় ও মানসম্পন্ন ফসল উৎপাদনে কার্যকর এবং পরিবেশবান্ধব। ডিএপি সারে শতকরা ১৮ ভাগ নাইট্রোজেন বা ইউরিয়া সারের উপাদান রয়েছে। সেজন্য ডিএপির ব্যবহার বাড়িয়ে ইউরিয়া সারের অপ্রয়োজনীয় ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কমিয়ে আনার জন্য সরকার ডিএপি সারের মূল্য প্রতি কেজি ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে প্রথমে ২৫ টাকা (২০০৯ সালে), এবং পরে ২০১৯ সালে ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করে কৃষকদের দিয়ে যাচ্ছে। এ উদ্যোগের ফলে বিগত কয়েক বছরে ডিএপি সারের ব্যবহার দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে ডিএপি ব্যবহার হতো আট লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ১৬ লাখ টন।’

‘ডিএপি সারের ব্যবহার বাড়ার ফলে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমার কথা। কিন্তু বাস্তবে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমেনি, বরং বেড়েছে। ২০১৯ সালে ইউরিয়া ব্যবহার হতো ২৫ লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ২৬ লাখ ৫০ হাজার টন।’

কোভিড পরিস্থিতি এবং ইউক্রেন-রাশিয়ার মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী সারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এখন ২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় সারের দাম তিন থেকে চার গুণ বেশি। সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে ভর্তুকি দাঁড়িয়েছে প্রতি কেজি ইউরিয়া ৫৯ টাকা, টিএসপি ৮৬ টাকা, এমওপি ৯১ টাকা এবং ডিএপিতে ১০৭ টাকা।


আরও খবর



সাংবাদিক অমিত হাবিব আর নেই

প্রকাশিত:Thursday ২৮ July ২০২২ | হালনাগাদ:Monday ০৮ August ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
Image

দৈনিক ‘দেশ রূপান্তর’এর সম্পাদক অমিত হাবিব মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) রাত ১১টা ১৫ মিনিটে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

দেশ রূপান্তরের চিফ রিপোর্টার উন্মুল ওয়ারা সুইটি জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



দুই গ্রামপুলিশকে পেটালেন যুবলীগ নেতা

প্রকাশিত:Tuesday ০৯ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ১২জন দেখেছেন
Image

জামালপুরের মেলান্দহে দুই গ্রামপুলিশকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে সোহানুর রহমান শাহীন নামে এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) সকালে আহত ওই দুই গ্রামপুলিশকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এর আগে সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুরে মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে মারধরের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদের গ্রামপুলিশ ও চিমুর ছেলে বুলেট (৩০) এবং সুরেনের ছেলে গ্রামপুলিশ বিমল চন্দ্র (৪০)। অভিযুক্ত সোহানুর রহমান শাহীন মাহমুদপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে মাহমুদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে শাহীনের ছোট ভাই শাকিলের সঙ্গে গ্রামপুলিশ বুলেটের কথা কাটাকাটি হয়। খবর পেয়ে শাহীন ঘটনাস্থলে এসে বুলেটকে কাঠ দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এ সময় আরেক গ্রামপুলিশ বিমল এগিয়ে এলেও তাকেও মারধর করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে যুবলীগ নেতা সোহানুর রহমান শাহীন জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ভুল বোঝাবুঝিও বলা চলে। বুলেটের বাড়ি আমার বাড়ির পাশেই। তাই অধিকার নিয়েই একটা চড় দিয়েছি। এছাড়া কিছুই না। তাকে হাসপাতালে আনতে লোকও পাঠিয়েছি।’

মেলান্দহ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিষয়টি সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী। তদন্ত করে দোষীর বিরুদ্ধে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেলিম মিঞা জাগো নিউজকে বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। তারা এখন চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে দোষীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়অ হবে।’

মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। ভুক্তভোগীরা চিকিৎসাধীন রয়েছে। এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


আরও খবর



জমিতে ইউরিয়ার ব্যবহার কমাতে বললো কৃষি মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত:Monday ০৮ August ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
Image

কীভাবে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমিয়ে ফসলের ভালো উৎপাদন বজায় রাখা যায় সে বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছে কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

সংস্থাগুলো বলছে, সারাবছর একই জমিতে অধিক ফলনশীল শস্যের চাষাবাদের কারণে মাটির উর্বরতা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। তাই মাটির উর্বরতা শক্তি সংরক্ষণ করে অধিক ফসল ফলানোর জন্য জমিতে সুষম সার ব্যবহার করা প্রয়োজন।

সেজন্য মাটি এবং ফসলের চাহিদামতো ইউরিয়া সারের পাশাপাশি অ-ইউরিয়া সার (ডিএপি, এমওপি এবং জৈবসার/সবুজসার) ব্যবহার করা প্রয়োজন।

সংস্থাগুলোর মতে, ডিএপি ব্যবহারে ইউরিয়া সাশ্রয় হবে। ডিএপি একটি বিশেষ গুণগতমান সম্পন্ন সার। এ সারে অ্যামোনিয়া ও ফসফেট থাকায় ইউরিয়া ও টিএসপি দুটি সারের গুণ বিদ্যমান। এটি ব্যবহার করলে টিএসপি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না। ইউরিয়া কম ব্যবহার করলেই চলে।

প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) ডিএপি সারে ২০ কেজি ইউরিয়া এবং ৫০ কেজি টিএসপি সারের সমপরিমাণ পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান। ডিএপি ও এমওপি সার ব্যবহার করলে ফসলের দানা পুষ্ট হয়, ফসলের রোগবালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, খরা ও শীত সহনশীলতা বাড়ে, ফসলের গুণগতমান ও সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়ে এবং ফলন বেশি পাওয়া যায়।

বিভিন্ন ফসল উৎপাদনে জৈবসার/সবুজসার এবং ডিএপিসহ অন্যান্য রাসায়নিক সার সুষম মাত্রায় প্রয়োগ করলে অধিক ফসল উৎপাদন হবে এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন।


আরও খবর