Logo
আজঃ বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪
শিরোনাম
নিলয় কোটা আন্দোলনকারীদের পক্ষ নিয়ে কী বললেন স্থগিত ১৮ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা তিতাসের অভিযানে নারায়ণগঞ্জের ২ শিল্প কারখানার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হিলি দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বাড়ায় বন্দরের পাইকারী বাজারে কেজিতে দাম কমেছে ৩০ টাকা জয়পুরহাটে ডাকাতির পর প্রতুল হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন রিয়েলমি সার্ভিস ডে: ফোন রিপেয়ারে খরচ বাঁচান ৬০% পর্যন্ত, উপভোগ করুন ফ্রি সার্ভিস সুনামগঞ্জে ইয়াবাসহ ২জন গ্রেফতার: কোটিপতি সোর্স ও গডফাদার অধরা কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৩ দিনে ৩ খুন, আইনশৃংখলার অবনতি জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ফিটনেসবিহীন বাসের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের

প্রকাশিত:বুধবার ১০ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | ২৭৪জন দেখেছেন

Image

নাজমুল হাসানঃমহাসড়কে এবং মহানগরীর প্রধান সড়কে গাড়ির চাপ কমিয়ে আনার জন্য কাজ করছে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ। যানজটকে সহনীয় মাত্রায় রেখে ঢাকা মহানগরবাসির  চলাচল আরো বেশি নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ। বিশেষ করে ফিটনেসবিহীন যে বাস রাস্তায় ট্রাফিক প্রেসার সৃষ্টি করে সে সকল বাসের বিরুদ্ধে।

ডিসি (ট্রাফিক-ওয়ারী) বিভাগ মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম জানান, ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগের মধ্য দিয়ে প্রায় ২৫০টি ব্যানারের বাস যাতায়াত করে। অনেক বাসের ফিটনেস নেই। অনেক বাসে রোড পারমিট নেই। আবার এক রুটের বাস অন্যরুটে যাতায়াত করে। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে সার্বিক অপারেশন চালানো হচ্ছে। 

তথ্যমতে, গত এক সপ্তাহে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ কর্তৃক মামলা, রেকার এবং আটকসহ মোট ২৯১টি বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে ৩১টি বাস ডাম্পিং গ্রাউন্ডে আটক আছে। ডিসি (ট্রাফিক-ওয়ারী) বিভাগ আরো জানান, ডাম্পিং গ্রাউন্ডের জায়গা সীমিত হওয়ায় আপাতত কোন ফিটনেসবিহীন বাস আটক করা সম্ভব হচ্ছে না। এখন আবার মামলায় যেতে হবে। অনেক বড় পরিসরের ডাম্পিং গ্রাউন্ড থাকলে ফিটনেসবিহীন বাসের বিরুদ্ধে ড্রাস্টিক অ্যাকশান নেয়া সম্ভব। কারণ, রাস্তায় যানবাহনের প্রেসার থাকাকালীন রাস্তার সাইডে বাস থামিয়ে কাগজপত্র চেক করার ক্ষেত্রে যানজট আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই রাস্তায় যখন প্রেসার থাকেনা, তখনই বাস এর কাগজপত্র চেক করা যায়। 

ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় এবং রাস্তায় ট্রাফিকের চাপ থাকা অবস্থায় গাড়ির কাগজপত্র চেক করার সুযোগ কম থাকায় বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ট্রাফিক ওয়ারী বিভাগ। 

সায়দাবাদ, যাত্রাবাড়ী ও ধোলাইপাড় এর সকল বাস কাউন্টার ম্যানেজারদেরকে ফিটনেস আছে এরকম সকল বাসের তালিকা দেওয়ার জন্য নোটিশ করা হয়েছে। 

ফিটনেস ব্যতীত অন্যান্য বাসগুলোর বিরুদ্ধে স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ফিটনেসবিহীন বাসের বিরুদ্ধে চলমান এই অভিযান ডিসি ট্রাফিক ওয়ারী মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম এর নেতৃত্বে এডিসি ট্রাফিক ওয়ারী সুলতানা ইশরাত জাহানের টিম পরিচালনা করছে ।


আরও খবর



রৌমারীতে রাস্তা না থাকায় চরম দুর্ভোগে গ্রামবাসি

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১৮জন দেখেছেন

Image

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামে রাস্তা না থাকায় বিপাকে গ্রামবাসি, বর্ষাকালে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। গ্রামবাসি,শিক্ষার্থী,ব্যবসায়ী,চাকুরিজীবি,কৃষক,শ্রমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধার পরিবারসহ দৈনিক প্রায় ১০ হাজার মানুষ চলাচল করে এই রাস্তা দিয়ে। মঙ্গলবার ২৫ জুন উপজেলার রতনপুর, চর বামনেরচর পূর্বপাড়া ও খাটিয়ামারী এই তিন গ্রামবাসীসহ সাধারন মানুষের চলাচলের চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে বলে সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে। 

জানা গেছে, মাত্র দেও থেকে দুই কিলোমিটার সড়ক না থাকায় ফসলি জমির আইল সরু রাস্তা দিয়ে দীর্ঘদিন থেকে যাতায়াত করছেন এলাকাবাসি। ফসল উৎপাদনে ধান রোপনের সময় কাদা মাখা জমির সুরু রাস্তা দিয়ে চরম দুর্ভোগে উপায় না পেয়ে উপজেলা শহরের যাতায়াত করতে হয়। অপর দিকে বর্ষাকালে দুর্ভোগের আর শেষ থাকে না, কৃষি নির্ভর এই গ্রামের মানুষের উৎপাদিত কৃষিপণ্য উপজেলা সদর ও বিভিন্ন হাট বাজারে পৌঁছাতে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে এবং রোগীদের হাসপাতালে দ্রুত পৌঁছাতে, বাড়িতে আগুন লাগলে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস ঘটনা স্থালে পৌঁছাতে পারে না এমন দুর্ভোগ নিত্য দিনের সঙ্গী। 

গুছ গ্রাম তুরা রোড থেকে সোজাপূর্ব দিকে রোডের রতনপুর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলীর বাড়ীর পাশদিয়ে ঈদগাঁহ মাঠ হয়ে রতনপুর কবরস্থান বাইতুল হামদ নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার পরে পাকা রাস্তা পর্যন্ত প্রায় ১.৫ কিলোমিটার রাস্তার চরম দুর্ভোগ। এই রাস্তা দিয়ে ভ্যান গাড়ী অটো চলাচলের জন্য প্রশস্ত ১০ ফুট চওড়া ও ৫ ফুট উঁচু) করে রাস্তাটি নির্মাণ করা বিশেষ প্রয়োজন বলে দাবি করেন এলাকাবাসি। বর্তমানে গ্রামবাসী পায়ে হেঁটে কোন রকম সরু রাস্তা দিয়ে ফসলি জমির আইল ঘেষে কষ্ট করে যাতায়াত করছে। এছাড়া অত্র এলাকার অনেক শিক্ষার্থীকে স্কুল-কলেজে যাতায়াত করতে হয় পায়ে হেঁটে। এদিকে মুমূর্ষ রোগীদের জন্য এই রাস্তা যেন মরণফাঁদ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এসব দুর্ভোগ প্রতিনিয়ত পোহাতে হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন রৌমারী সদর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য শফিকুল ইসলাম। স্থানীয় এলাকাবাসি ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার রাস্তাটি চলাচলের সু-ব্যবস্থা করার জন্য কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাড.বিপ্লব হাসান পলাশ এমপিসহ বিভিন্ন দপ্তরে দুর্ভোগ লাঘবে রাস্তাটি নির্মাণ করার জন্য জোর দাবি জানান। 

স্থানীয় বাসিন্দা ভুক্তভোগী মোহাম্মদ তইনুদ্দিন দেওয়ানী জানান, রাস্তা না থাকায় অনেক কষ্ট করে বাজারে যেতে হয়। ফসলি জমির আইল দিয়ে সারা বছর কষ্ট করে এভাবে চলাচল করতে হয়। এতে সাইকেল, ভ্যান, রিক্সা, এম্বুলেন্স সহ কোন প্রকার যানবাহন চলাচলের সুযোগ নেই।

কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, আমরা ফসল উৎপাদন করি দের কিলোমিটার রাস্তা না থাকায় ভ্যান, রিক্সা ও সাইকেল চলে না। এতে ফসল হাটে পৌঁছাতে অনেক কষ্ট হয়। বর্ষা মৌসুমে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। এই রাস্তাটি নির্মাণের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। 

বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মেহেদী হাসান মাসুদ বলেন, রাস্তা না থাকায় দুর্ভোগের বিষয়টি ইতিমধ্যেই সংসদ সদস্য ও জনপ্রতিনিধিদের অবগত করাসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানিয়েছি। আশা করি জনভোগান্তি রোধে সকলের প্রচেষ্টায় রাস্তাটির নির্মাণে আন্তরিক হবেন।  

এব্যাপারে রৌমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে  জানান, ওই এলাকায় একটা রাস্তা না থাকায় সাধারন মানুষ খুব কষ্টে চলাচল করে। আমি বিভিন্ন ভাবে যোগযোগ করছি যাতে ওই খানে একটা রাস্তা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান খান জানান, জনদুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



সিলেটের বিয়ানি বাজারে বি এন পির খাদ্য সামগ্রী বিতরন

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১২৪জন দেখেছেন

Image

সিলেট  প্রতিনিধি:- আজকে সিলেট  বি এন পি র আয়োজনে বিয়ানি বাজারে  বন্যার্তের জন্য খাদ্য  সামগ্রী  বিতরন করে।

এতে  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের বলিষ্ঠ হাতিয়ার  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয়  নির্বাহী  সদস্য , জাসাস কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক  চিত্রনায়ক হেলাল খান। 

সভাপতি আসন অলংকৃত করেছেন জনাব এ্যাড. এমরান আহমেদ  চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক  জেলা  বি এন পি সহ সকল অংগ সংগঠনের নেতা-কর্মী।

   -খবর প্রতিদিন/ সি.ব

আরও খবর



কুড়িগ্রামের রৌমারী বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণের চাউল বিতরণ করা হয়

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১০১জন দেখেছেন

Image

মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃকয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলের পানিতে প্লাবিত হয় রৌমারীর নিন্ম অঞ্চল। এতে পানি বন্দি হয়ে পড়েছে ৫০টি গ্রামের প্রায় ৭০ জাহার মানুষ। অপরদিকে মাঠে থাকা সকল প্রকারের ফসলাদি ডুবে যায়। কৃষকের পাকা ধান-তিল-চিনা-কাউন-পাট- আউশ-শাকসবজীসহ বিভিন্ন জাতের উঠতি ফসল ডুবে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে এঅঞ্চলের কৃষকরা। এদিকে নদের কুলঘেষা বসতবাড়ী গুলোও ঢলের পানির তীব্র স্রোতে ধসে গেছে অনেকের বসতবাড়ী। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে খোলা আকাশের নিচে অনেকেই পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। খবর পেয়ে রৌমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালু-উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আকতার স্মৃতি, রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খান, প্রকল্পবাস্থবায়ন কর্মকর্তা শামসুদ্দীন, রৌমারী থানা ইনর্চাজ আব্দুল্লাহেল জামান, রৌমারী সদর ইউপি চেয়ারম্যান আঃ রাজ্জাক, যাদুরচর ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলী, বাংলা টিভির প্রতিনিধিঃ মাজহারুল ইসলাম, মানবজমিন পত্রিকার প্রতিনিধিঃ রফিকুল ইসলাম সাজুসহ আরও অনেকেই। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত

এলাকা গুলো সরেজমিনে পরির্দশন করার পাশাপাশি ৩ মেট্রিক টন ত্রাণের চাউল বিতরন করা হয়। এতে চাহিদার তুলনায় তিন মেট্রিক টন চাউল অপ্রতুল। ভারত থেকে নেমে আশা পাহাড়ী ঢলের পানিতে প্রতিবছরই এমন ক্ষতি হয়ে থাকে রৌমারী উপজেলার সীমান্তঘেষা অঞ্চল গুলোর। এলাকাবাসিরা ভারতীয় ঢলের পানি যাতে না আসতে পারে সেজন্য সরকারের কাছে সুদৃষ্ঠি কামনা করছেন।

এবিষয় রৌমারী উপজেলা প্রকল্পবাস্থবায়ন কর্মকর্তা শামসুদ্দীন বলেন খবর পেয়ে বন্যার্তদের দেখতে এলাম এবং বন্যার্তদের বরাদ্দকৃত ৩ টুন ত্রাণের চাল বিতরন করলাম তারপরও আমি আমার উর্ধ্বতন ককৃপক্ষকে জানাবো। 

এবিষয় রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খান বাংলা টিভিকে জানায় ভারতীয় ঢলের পানি এসে রৌমারী উপজেলাটি প্লাবিত হয়েছে সরেজমিন দেখলাম এবং ত্রামের চালও বিতরন করলাম যাদের ঘরবাড়ী নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে এবিষয় তালিকা করে তাদের জন্য ব্যবস্থা করা হবে। 

রৌমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালু বলেন রৌমারী উপজেলা সদর ইউনিয়ন,এবং যাদুরচর ইউনিয়নসহ দুটি ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এই বন্যায়। যারফলে উপজেলার সকল কর্মকর্তাকে সাথে নিয়ে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা গুলো পরিদর্শন করলাম চেষ্টা করবো তাদের পাশে থাকার।


আরও খবর



তানোরে কৃষকলীগের সভাপতির বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন!

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১৬৪জন দেখেছেন

Image
আব্দুস সবুর তানোর থেকে:রাজশাহীর তানোর উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ও পাড়িশো দূর্গাপুর  উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রামকমল সাহার পুত্র জয়ন্ত কুমার সাহার সঙ্গে বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অনশনে বসেছেন অনার্স পড়ুয়া এক ছাত্রী। গত ১৬ জুন রোববার উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) পাড়িশো গ্রামে প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটেছে। এদিকে এখবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সেই সাথে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিয়ে না হলে আত্মহননের হুমকি দিয়েছেন ওই ছাত্রী। এছাড়াও ঘটনা জানার পরও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন সন্ধ্যায় অনার্স পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থী প্রেমিক জয়ন্ত কুমার সাহার খোঁজে তার বাড়িতে আসে।কিন্ত্ত তার আশার খবরে কৌশলে জয়ন্ত পালিয়ে যায়। এসময় ওই শিক্ষার্থী জয়ন্তের সঙ্গে তার বিয়ে না দিলে আত্মহননের হুমকি দিয়ে অনশনে বসেছে। অনশনে বসা ওই শিক্ষার্থীর ওপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করায় তার জীবন অনেকটা সংকটাপন্ন বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। এদিকে ওই ছাত্রী কে একের পর এক নানা ধরনের হুমকি দিচ্ছেন কৃষকলীগের সভাপতি প্রধান শিক্ষক রাম কমল সাহা বলেও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি ক্ষমতা সীন দলের নেতা হওয়ার কারনে প্রশাসনও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না বলে দাবি গ্রামবাসীর।

জানা গেছে, রামকমল সাহার পুত্র জয়ন্ত কুমার সাহা একটি বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন। ভিকটিমের ভাষ্য, মুঠোফোনের সুত্রে পরিচয় এবং প্রায় দু’বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। কিন্ত্ত তিনি তাকে বিয়ের কথা বলায  জয়ন্ত বিয়ে করতে অস্বীকার ও তার সঙ্গে  সম্পর্ক ছেদ করেছে। ফলে বাধ্য হয়ে ওই শিক্ষার্থী জয়ন্তের সঙ্গে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে জয়ন্ত কুমার সাহা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই মেয়ে তাকে ফাঁসাতে চাইছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে রাম কমল সাহা বলেন, ওই মেয়ে যদি তার ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কোনো প্রমাণ দিতে পারেন তাহলে বিয়ে দিতে তাদের কোনো আপত্তি নাই। তিনি বলেন, আগামিকাল মেয়ের পরিবারের লোকজন আসবে আসার পর দেখা যাক কি হয়। এবিষয়ে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসির দায়িত্বে থাকা এসআই আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনা জানার পর মেয়ের পরিবার কে খবর দেয়া হয়েছে। তার পরিবারের লোকজন আসলে বসে মিমাংসা করা হবে। গত ১৬ জুন থেকে মেয়ে অনশনে আছেন কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন জানতে চাইলে তিনি জানান বুধবার পরিবারের লোকজন আসলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  তবে এঘটনায়  কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

আরও খবর



পত্নীতলায় কৃষি প্রণোদনা বিতরণ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | ১১২জন দেখেছেন

Image

দিলিপ চৌহান, পত্নীতলা (নওগাঁ ) প্রতিনিধি:পত্নীতলায় উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের আয়োজনে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে, খরিপ-২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় রোপা আমন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বুধবার বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণের আনুষ্ঠানিক ভাব উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি অফিসার সোহরাব হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ পপি খাতুন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত কৃষি অফিসার মোহাইমিনুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার পারভেজ মোশারফ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসাঃ সাবিনা বেগম, উপজেলা মৎস্য অফিসার আবু সাঈদ, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা প্রোল্লাদ কুমার কুন্ডু, পত্নীতলা প্রেসক্লাব ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরো©ধ কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব বুলবুল চৌধুরী প্রমুখ।

এসময় অত্র উপজেলায় মোট ২৪০০ জন কৃৃষকের মাঝে রোপা আমন ধান বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। প্রতি কৃৃষককে ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়।


আরও খবর