Logo
আজঃ Wednesday ১০ August ২০২২
শিরোনাম
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ২৪৩৫ লিটার চোরাই জ্বালানি তেলসহ আটক-২ নাসিরনগরে বঙ্গ মাতার জন্ম বার্ষিকি পালিত রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ডিজিটাল সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কাউন্সিলর সামসুদ্দিন ভুইয়া সেন্টু ৬৫ নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করেন চান্দিনা থানায় আট কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নাসিরনগরে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ নাসিরনগর বাজারে থানা সংলগ্ন আব্দুল্লাহ মার্কেটে দুই কাপড় দোকানে দুর্ধষ চুরি। ই প্রেস ক্লাব চট্রগ্রাম বিভাগীয় কমিটির মতবিনিময় সম্পন্ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬ কেজি গাঁজাসহ হাইওয়ে পুলিশের হাতে আটক এক। সোনারগাঁয়ে পুলিশ সোর্স নাম করে ডাকাত শাহ আলমের কান্ড

ফেসবুকে মাদরাসাছাত্রীর আপত্তিকর ছবি পোস্ট, বখাটের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:Saturday ০৪ June ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৮৫জন দেখেছেন
Image

বগুড়ার ধুনটে ফেসবুকে মাদরাসাছাত্রীর আপত্তিকর ছবি পোস্ট করায় জুয়েল রানা (২৪) নামের এক বখাটেকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইলটি জব্দ করা হয়।

শনিবার (৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত জুয়েল রানা উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম গুয়াডহরি গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই মাদরাসাছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছেন বখাটে জুয়েল রানা। বিষয়টি নিয়ে তার বাবার কাছে বিচার দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন জুয়েল রানা। পরে নিজের মোবাইলে এডিট করে ওই স্কুলছাত্রীর একটি আপত্তিকর ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে জুয়েল রানাকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে দোষ স্বীকার করায় তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন বিচারক।

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, রোববার সকালে জুয়েল রানাকে কারাগারে পাঠানো হবে।


আরও খবর



দেশে বাসগৃহের সংখ্যা সাড়ে ৩ কোটির বেশি

প্রকাশিত:Wednesday ২৭ July ২০২২ | হালনাগাদ:Saturday ০৬ August ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

দেশে সাড়ে তিন কোটির বেশি বাসগৃহ রয়েছে। এর মধ্যে পল্লি এলাকায় ২ কোটি ৭৮ লাখ ১১ হাজার ৬৬৭ ও শহর এলাকায় ৮১ লাখ ৭৯ হাজার ২৮৪টি। সর্বাধিক বাসগৃহের সংখ্যা ঢাকা বিভাগে, ৮১ লাখ ১৯ হাজার ২০৫টি। সর্বনিম্ন সিলেট বিভাগে ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ১৭টি।

বুধবার (২৭ জুলাই) নগরীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় বিবিএস-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। প্রাথমিক প্রতিবেদন বিষয়ক উপস্থাপনা করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিভাগওয়ারি দেশে পল্লি ও শহরভিত্তিক মোট বাসগৃহের সংখ্যা উপস্থাপন করা হয়েছে। সে হিসাবে দেশে মোট বাসগৃহের সংখ্যা ৩ কোটি ৫৯ লাখ ৯০ হাজার ৯৫১টি। এর মধ্যে পল্লি এলাকায় ২ কোটি ৭৮ লাখ ১১ হাজার ৬৬৭টি এবং শহর এলাকায় ৮১ লাখ ৭৯ হাজার ২৮৪টি। এসবের মধ্যে সর্বাধিক বাসগৃহ ঢাকায়। এর সংখ্যা ৮১ লাখ ১৯ হাজার ২০৫টি। আর সর্বনিম্ন সিলেট বিভাগে ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ১৭টি।

এছাড়া বরিশাল বিভাগে ২০ লাখ ৩৪ হাজার ৬৩৮টি। এর মধ্যে পল্লি এলাকায় ১৫ লাখ ৮৫ হাজার ৪৫১টি আর শহরে ৪ লাখ ৪৯ হাজার ১৮৭টি। চট্টগ্রামে ৬৪ লাখ ৫০ হাজার ১৩৩টির মধ্যে পল্লিতে ৪৭ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫৫টি, শহরে ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৩৭৮টি। ঢাকা বিভাগে ৮১ লাখ ১৯ হাজার ২০৫টির মধ্যে পল্লিতে ৫৭ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯৮টি আর শহরে ২৩ লাখ ১৯ হাজার ২০৭টি। খুলনায় ৪৩ লাখ ৩ হাজার ৫৬৩টির মধ্যে পল্লিতে ৩৪ লাখ ৭ হাজার ৫৯টি আর শহরে ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৫০৪টি।

এদিকে ময়মনসিংহে ৩০ লাখ ৬২ হাজার ৩৭৮টির মধ্যে পল্লিতে ২৪ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮৬টি আর শহরে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫৯২টি। রাজশাহীতে ৫১ লাখ ২৮ হাজার ৮৬১টির মধ্যে পল্লিতে ৪১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪টি, শহরে ১০ লাখ ২০ হাজার ৮৯৭টি। রংপুরে ৫০ লাখ ৭ হাজার ১৫৬টির মধ্যে পল্লিতে ৪০ লাখ ৪৯ হাজার ৮৮৭টি, শহরে ৯ লাখ ৫৭ হাজার ২৬৯টি এবং সিলেট বিভাগে ১৮ লাখ ৮৫ হাজার ১৭টির মধ্যে পল্লিতে ১৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭৬৭টি আর শহরে ২ লাখ ৯৬ হাজার ২৫০টি বাসগৃহ রয়েছে।

খানার (যারা একই পাতিলে খাবার খায়) সংখ্যা বাড়ছে। ১৯৮১ সালে মোট খানার সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৫০ লাখ ৭৫ হাজার ৮৮৫টি। যা ২ দশমিক ৭২ গুণ বেড়ে ২০২২ সালে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ১০ লাখ ১০ হাজার ৫১টি।


আরও খবর



জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে নারী ও পুরুষ কি ভিন্ন চিন্তা করেন?

প্রকাশিত:Sunday ২৪ July ২০২২ | হালনাগাদ:Tuesday ০৯ August ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয়কর প্রভাবগুলো সহজেই চোখে পড়ছে। সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহ ধরে ভয়াবহ দাবানল ইউরোপের একটি বড় অংশে ছড়িয়ে পড়েছে। তাপপ্রবাহে পর্তুগাল ও স্পেনে এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন অনেকে। কিন্তু আশ্চর্যজনক যে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, দুটি কারণ উষ্ণায়ন বিশ্ব সম্পর্কে উদ্বেগের পূর্বাভাস দিতে পারে। একটি হচ্ছে জিডিপি, অপরটি লিঙ্গ।

নতুন একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ধনী দেশগুলোর পুরুষরা উষ্ণতা বৃদ্ধির বিষয়ে উদাসীন।

সারাহ বুশ ও আমান্ডা ক্লেটন, এই দুই রাষ্ট্রবিজ্ঞানী নয়টি জাতীয় জরিপ ও ফোকাস গ্রুপের মাধ্যমে গবেষণা চালিয়েছেন। এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে ২০১০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে একশটির বেশি দেশের তথ্য-উপাত্ত।

প্রথমত, তারা গবেষণা করে খুঁজে পান যে, দরিদ্র দেশগুলোর লোকেরা ধনী দেশগুলোর তুলনায় জলবায়ু পরিবর্তনকে আরও গুরুতর সমস্যা হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। তাদের প্রতিক্রিয়া জানানোর সম্ভাবনাও বেশি ছিল যে তারা পরিবর্তনশীল জলবায়ু দ্বারা ব্যক্তিগতভাবে প্রভাবিত হবে বলে শঙ্কা রয়েছে। এটা আশ্চর্যজনক নয় যে, দরিদ্র দেশগুলোর কম প্রস্তুতি থাকে এবং তাপপ্রবাহ ও বন্যার মতো চরম আবহাওয়ার জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ সেসব দেশ।

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে নারী ও পুরুষ কি ভিন্ন চিন্তা করেন?

আরও অদ্ভুত ব্যাপার যে অনুসন্ধানে জানা যাচ্ছে, কীভাবে লিঙ্গভেদ তাদের জলবায়ু পরিবর্তনের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। নারী বা পুরুষ যে কোনো লিঙ্গের অধিকাংশ মানুষ স্বীকার করে যে জলবায়ু পরিবর্তন একটি বড় হুমকি। কিন্তু ধনী দেশগুলোর পুরুষদের অনেকের উত্তর ছিল, তারা এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়।

আমেরিকার কথাই ধরা যাক। থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক পিউ রিসার্চ সেন্টারের একটি জরিপ বলছে, ২০ শতাংশ পুরুষ মনে করেন জলবায়ু পরিবর্তন ‘সমস্যা নয়’, যেখানে মাত্র ৮ শতাংশ নারী একমত এতে।

কিন্তু জনপ্রতি জিডিপি কমে যাওয়ায় নারী ও পুরুষের মধ্যে মতামতের ব্যবধানও সংকুচিত হয়। ব্রিটেন, যেটি বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। সেখানকার ১১ শতাংশ পুরুষ উত্তর দিয়েছেন তারা জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে চিন্তিত নন, যেখানে ৪ শতাংশ নারী সহমত পোষণ করেন।

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে নারী ও পুরুষ কি ভিন্ন চিন্তা করেন?

তবে এই ব্যবধান আরও সংকুচিত হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায়, মাত্র দুই শতাংশ। উগান্ডা বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি। সেখানে ভিন্ন পার্থক্য দেখা গেছে, সমীক্ষায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ নারী বলেছেন, তারা জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে উদ্বিগ্ন নন, সেখানে সহমত পোষণ করেন ১ দশমিক ৭ শতাংশ পুরুষ।

এই ব্যবধানের কারণগুলো জটিল এবং ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর অনেক নিয়ামকের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। ধনী দেশগুলোতে পুরুষ ও নারীদের মধ্যে তাদের শিক্ষার স্তর, পারিবারিক আয় বা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভর করে এমন মতামত শুধু একক কোনো কারণে পার্থক্য করা যায় না এতে।

ধনী দেশগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ বিশেষ করে পুরুষদের মধ্যে নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ধনী দেশগুলোতে পুরুষদের মধ্যে নারীদের তুলনায় বেশি কার্বন ফুটপ্রিন্ট (কোনো একক ব্যক্তি, কোনো ঘটনা, সংস্থা, সেবা, স্থান বা পণ্য উৎপাদনের কারণে সৃষ্ট মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকে বোঝায়) রয়েছে। তাই তারা মনে করতে পারে, নিঃসরণ সীমিত করে এমন নীতিগুলো থেকে তাদের আরও বেশি ক্ষতি হবে।

প্রকৃতপক্ষে লেখক ও গবেষকরা দেখেছেন, ধনী দেশগুলোতে পুরুষরা নারীদের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি যারা সবুজ নীতির কারণে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি উড়িয়ে দেওয়া বিপজ্জনকভাবে অদূরদর্শিতার লক্ষণ। একটি উষ্ণায়ন বিশ্বের প্রত্যেকের জন্য পরিণতি অনেক বেশি ভয়াবহ করে তুলতে পারে।

সূত্র: দ্য ইকোনমিস্ট


আরও খবর



শ্রীলঙ্কায় বিদ্যুতের দাম বাড়লো ২৬৪ শতাংশ

প্রকাশিত:Wednesday ১০ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত দেশ শ্রীলঙ্কায় এবার রেকর্ড পরিমাণে বাড়লো বিদ্যুতের দাম। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) দেশটির জনসেবা কমিশন (পিইউসিএসএল) বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে। বুধবার (১০ আগস্ট) থেকে কার্যকর হচ্ছে এ সিদ্ধান্ত।

দেশটির সরকারের এ সিদ্ধান্তে যারা ৩০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রে দাম বাড়লো ১৯৮ শ্রীলঙ্কান রুপি। যারা ৬০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তাদের বাড়লো দু’শো রুপি।

গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ২ দশমিক ৫০ শ্রীলঙ্কান রুপি। দাম বাড়িয়ে তা হলো ইউনিটপ্রতি ৮ রুপি।

শ্রীলঙ্কায় বিদ্যুতের দাম বাড়লো ২৬৪ শতাংশ

সিলন বিদ্যুৎ বোর্ড (সিইবি) দেখিয়েছে যে, যারা ৯০ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন তাদের ক্ষেত্রে দাম বাড়ানো হয়েছে ২৭৬ শতাংশ।

এত বেশি পরিমাণে দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কথাই জানিয়েছেন পিইউসিএসএলের চেয়ারম্যান জানাকা রথনায়েক। তিনি বলেন, গত ৯ বছরে ডলারের মূল্য বেড়েছে ১৯০ শতাংশ। তাই এই বিদ্যুতের শুল্ক সংশোধনের ফলে রপ্তানি খাতের শিল্পগুলো খুব একটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

শ্রীলঙ্কায় বিদ্যুতের দাম বাড়লো ২৬৪ শতাংশ

আগামীতে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আর্থিক সম্ভাবনার অন্যতম দেশ হতে পারতো দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা। কিন্তু তেমনটি না ঘটে বরং ফল হয়েছে উল্টো। দিন দিন বেড়েছে ঋণের বোঝা। ভেঙে পড়েছে দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজার ব্যবস্থা। খাদ্য সংকট, বেকার সমস্যা, জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সংকট তীব্র আকার ধারণ করে গত কয়েক মাস ধরে।

jagonews24

এই সংকটের পেছনে রাজাপাকসে পরিবারকে দায়ী করে আন্দোলনে নামে শ্রীলঙ্কার হাজারো মানুষ। জনরোষে অবশেষে দেশত্যাগে বাধ্য হন সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। তার ভাই মাহিন্দা রাজাপাকসে এর আগেই পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে। এরপর দেশের হাল ধরেন কয়েকবারের প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে। তবে পাঁচ হাজার একশ কোটি বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ শ্রীলঙ্কার সরকার গত এপ্রিলেই নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করেছিল। সম্ভাব্য ঋণছাড়ের জন্য এখন রনিল বিক্রমাসিংহের সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সামনে দিকে এতো দ্রুত সংকটের সমাধান দেখছেন না অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: দ্য আইল্যান্ড ডট কে, এএফপি


আরও খবর



সপ্তাহে ১৩ ঘণ্টা ক্লাস ২৭ ঘণ্টা গবেষণা করবেন শিক্ষকরা

প্রকাশিত:Monday ০১ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ সংক্রান্ত এক খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে সপ্তাহে (বন্ধের দুদিন বাদে) ৪০ ঘণ্টা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে। এর মধ্যে সপ্তাহে ১৩ ঘণ্টা ক্লাস ও একাডেমিক কাজ এবং বাকি ২৭ ঘণ্টা যুক্ত থাকতে হবে গবেষণা ও প্রশাসনিকসহ অন্যান্য কাজে। ইউজিসির এ নীতিমালা চলতি সপ্তাহে জারি করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

ইউজিসি সূত্র বলছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক থাকা অপরিহার্য। শিক্ষকের প্রয়োজনীয় সংখ্যা নির্ধারণে ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে টিচিং লোড ক্যালকুলেশন নীতিমালা-২০২২’ প্রণয়ন করা হয়েছে। সোমবার (১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সভায় এ সংক্রান্ত খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে।

নীতিমালা চূড়ান্তকরণ সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগমের সভাপত্বিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর, বিশ্বজিৎ চন্দ্র, আবু তাহের, অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফর হাসান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক, বুয়েট শিক্ষক অধ্যাপক ম. তামিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল প্রমুখ।

ইউজিসির নীতিমালায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাপ্তাহিক মোট ৪০ কর্মঘণ্টাকে কন্টাক্ট আওয়ার ও নন-কন্টাক্ট আওয়ার এ দুভাগে ভাগ করা হয়েছে।

কন্টাক্ট আওয়ার:
শিক্ষকের সাপ্তাহিক কন্টাক্ট আওয়ার নির্ধারণ করা হবে ১৩ ঘণ্টা। এসময়ে একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশক্রমে যথাযথ পর্ষদের অনুমোদিত কোর্সসমূহের জন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে শিক্ষাদান সংক্রান্ত কার্যক্রম যেমন- ক্লাস নেওয়া, টিউটোরিয়াল/সেশনাল/সেমিনার, ল্যাবরেটরি পরিচালনা, প্রজেক্ট/ইন্টার্নশিপ/থিসিস সুপারভিশন এবং শিক্ষার্থী কাউন্সিলিং ইত্যাদি কাজে যুক্ত থাকতে হবে।

নন-কন্টাক্ট আওয়ার:
শিক্ষকের সাপ্তাহিক নন-কন্টাক্ট আওয়ার নির্ধারণ করা হবে ২৭ ঘণ্টা। এ সময়ে কোর্স মেটিরিয়াল প্রস্তুতকরণ, গবেষণা, ল্যাবরেটরি ও অন্যান্য ডেভেলপমেন্ট কাজে অংশগ্রহণ, বই/প্রবন্ধ লিখা, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, মৌখিক পরীক্ষা/থিসিস উপস্থাপনে অংশগ্রহণ, একাডেমিক/প্রশাসনিক কাজে সহায়তা করা, একাডেমিক/প্রশাসনিক সভায় অংশগ্রহণ ইত্যাদি কাজে যুক্ত থাকতে হবে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ বা ইনস্টিটিউট প্রধানের সাপ্তাহিক কন্টাক্ট আওয়ার ছয় ঘণ্টা নির্ধারণ করা হবে। সাপ্তাহিক লোডের ওপর টিচিং লোড হবে। বিজোড় এবং জোড় সেমিস্টারের লোডের মধ্যে যে সেমিস্টারের লোড বেশি হবে তা লোড ক্যালকুলেশনে বিবেচনা করতে হবে। স্টুডেন্ট কাউন্সিলিংয়ের জন্য প্রতি কোর্সে শিক্ষককে সপ্তাহে এক ঘণ্টা সময় দিতে হবে।

সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাকসুদ কামাল বলেন, নীতিমালায় শিক্ষকদের কর্মঘণ্টার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হলেও ক্লাসে ছাত্র-শিক্ষকের অনুপাত উল্লেখ করা হয়নি। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ক্লাসে ৩০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকেন। সেখানে শিক্ষক সংখ্যা বাড়ানো না হলে নীতিমালা বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে।

ইউজিসির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা থাকায় খসড়া নীতিমালায় ছাত্র-শিক্ষকের অনুপাত উল্লেখ করা হয়নি। সেটি করা হলে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিক পরিমাণে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয় বেড়ে যাবে।

খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, এটি বাস্তবায়নের আগে কোনো বিভাগে কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা লোড ক্যালকুলেশনের ভিত্তিতে প্রাপ্ত শিক্ষক সংখ্যার চেয়ে বেশি হলে তারা অবসরে যাওয়া পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবেন। সেমিস্টার পদ্ধতির সঙ্গে বার্ষিক পদ্ধতির সামঞ্জস্য করার ভিত্তিতে বিভাগের পুরো বছরের গড় সাপ্তাহিক টিচিং লোড ধরে শিক্ষক সংখ্যা নির্ধারণ করার পর যে সংখ্যা পাওয়া যাবে তাকে শূন্য দশমিক ৬৫ দিয়ে গুণ করে শিক্ষক সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, ইউজিসির অনুমোদনক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো বিভাগ বা ইনস্টিটিউটে মোট আসনের অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে থাকা শিক্ষকদের দায়িত্ব দিতে হবে শূন্য পদে নেওয়া অতিরিক্ত শিক্ষকদের। উচ্চশিক্ষার জন্য যে শিক্ষকরা বিদেশ যাবেন তাদের অব্যাহতিপত্র জমা দিয়ে যেতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদান না করলে সেটি কার্যকর করা হবে।

আন্ডারগ্রাজুয়েট টিচিং কর্মঘণ্টা ক্যালকুলেশন:
ল্যাবরেটরি ক্লাসে প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক থাকবেন। তবে শিক্ষার্থী সংখ্যা বেশি হলেও শিক্ষক সংখ্যা তিনজনের বেশি হবে না। মেডিকেল কলেজের ক্ষেত্রেও সপ্তাহে ৪০ কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করেছে ইউজিসি। বিভাগ বা ইনস্টিটিউট প্রধানের ক্ষেত্রে হবে সাপ্তাহিক ৩০ কর্মঘণ্টা। রোগী দেখার আগে, রোগী দেখার সময় এবং পরে শিক্ষার্থীদের যে লেকচার দেবেন শিক্ষকরা সেটি কর্মঘণ্টার মধ্যে গণনা করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক বিশ্বজিৎ চন্দ্র জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষকদের কর্মঘণ্টা নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করতে সভা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে যারা আছেন তাদের নিয়ে বসা হয়েছে। এটি চূড়ান্ত করতে আরও একটি সভা হবে। এরপর তা জারি হতে পারে।

তিনি বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব কোর্সে শিক্ষক নেই সেখানে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। আর যেখানে শিক্ষক আছে কোর্স নেই তারা অবসরে যাওয়া পর্যন্ত চাকরিতে বহাল থাকবেন।

ঢাবি উপ-উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল জাগো নিউজকে বলেন, প্রস্তাবিত নীতিমালা বাস্তবায়ন করা গেলে তা যুগান্তকারী ঘটনা হবে। কেননা, এতে গুণগত শিক্ষা ও গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকের কর্মঘণ্টা যৌক্তিকতা পাবে। জুনিয়র শিক্ষকদের ওপর কাজেরও চাপ কমবে।

‘অন্যদিকে সিনিয়র শিক্ষকরা গবেষণা বিশেষত এমফিল-পিএইচডি গবেষকদের উপযুক্ত সময় দিতে পারবেন। এ উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই’- বলেন তিনি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এমপিও এবং নন-এমপিও অনার্স, মাস্টার্স ও ডিগ্রি পাস কোর্স কলেজগুলোতে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষকে সপ্তাহে দুদিন পাঠদানের নির্দেশনা থাকলেও বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকদের এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানে এ নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে অন্তর্দন্দ্ব তৈরির অভিযোগ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (কারিকুলাম) সদস্য অধ্যাপক মশিউজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের পাঠদানের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। যে কারণে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগও পাওয়া যায়। এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা প্রয়োজন।


আরও খবর



বঙ্গবন্ধু রেল সেতুতে সুপার গতিতে চলবে ৬৮ ট্রেন

প্রকাশিত:Sunday ০৭ August ২০২২ | হালনাগাদ:Wednesday ১০ August ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

উত্তরবঙ্গের ছয় লেনের মহাসড়ক নির্মাণকাজ বেশ আগেই শুরু হয়েছে। এবারে বড় আকারে রেলপথ সংযোগের আওতায় আসতে যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ। যার শুরুটা হচ্ছে যমুনা নদীর ওপরে বঙ্গবন্ধু রেল সেতু দিয়ে। রেল বিভাগ বলছে, পুরো দেশকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে মহাপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। সেই উদ্যোগের একটি অংশ উত্তরের জনপদের রেলসংযোগ সংস্কার ও নতুন রেলপথ সংযোজন। বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে যেখানে ৩৮টি রেল চলাচল করতে পারে সেখানে বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু নির্মিত হলে প্রতিদিন ৬৮টি রেল চলাচল করতে পারবে।

একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক রুট হিসেবে ভারতের সঙ্গে রেল সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে নীলফামারীর চিলাহাটি এবং চিলাহাটি বর্ডারের মধ্যে ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের কাজও চলছে। অন্যপাশে ভারতের ফুলবাড়ি অংশে শিলিগুড়ি পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ করছে দেশটির রেলবিভাগ।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে জুলাই ২০২২ পর্যন্ত রেলের মোট ৩৬টি প্রকল্পের কাজ চলছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে খরচ হচ্ছে সোয়া এক লাখ কোটি টাকারও বেশি। আর এসব প্রকল্পের মধ্যে ১৫নং মেগা প্রকল্পটি হচ্ছে যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু। শুরুতে প্রাথমিকভাবে সেতুর অনুমোদিত নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা। পরে উদ্বোধনের আগেই নির্মাণ ব্যয় বেড়ে ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা করা হয়। এরমধ্যে জাপানি আন্তর্জাতিক সংস্থা (জাইকা) ১২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা সহায়তা প্রদান করছে। বাকি অর্থ বাংলাদেশের।

ইতোমধ্যে এই সেতুর ৩৮টি পিলারের পাইলিংয়ের কাজ শেষ। আরো বেশ কয়েকটি পিলারের পাইলিংয়ের কাজ শেষের দিকে। জুন পর্যন্ত এই সেতুর অগ্রগতি ৪২ শতাংশ। দিন যতই যাচ্ছে ততই দৃশ্যমান হচ্ছে বঙ্গবন্ধু রেল সেতু। সেতুটি নির্মাণ হলে একদিকে যেমন উত্তরের যোগাযোগ খাতে নবদিগন্তের সূচনা হবে তেমনি খুলবে অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দুয়ার। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর (এডিডিআই) অতিরিক্ত চিফ প্রকৌশলী মো. আহসান জাবির।

jagonews24

বর্তমানে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-কালিহাতী ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা এই দুই প্রান্তে রেল সেতু নির্মাণে ৫০টি পিলারের মধ্যে অর্ধেকের বেশি পিলারের পাইলিংয়ের কাজ শেষ হয়েছে। সেতু এলাকায় সরেজমিন ঘুরে ও প্রকৌশলীদের সঙ্গে কথা বলে মিলেছে এসব তথ্য।

রেল সেতুর পিলার সম্পন্ন

বঙ্গবন্ধু সেতুর পাশেই ৪.৮ কিলোমিটার দুই লাইনের রেল সেতুর ৫০টি পিলারের মধ্যে ৩৮টির পাইলিংয়ের কাজ শেষ। বাকিগুলোর কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। সেখানে রাত-দিন কাজ চলছে। ২০২১ সালের মার্চে পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে শেষ হওয়া পিলারগুলো দৃশ্যমান হয়েছে। তবে মাঝামাঝি পর্যায়ে সিরাজগঞ্জ অংশে বাদ রয়েছে ৮টি পিলারের পাইলিং কাজ।

কাজের অগ্রগতি বেশ ভালো জানিয়ে এই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের ১০ আগস্টে নির্ধারিত সময়ে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে আমরা আশা করছি। টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ সীমান্তে ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হলে রাজধানীর সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ শুরু হয়। তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় ট্রেনের গতি কমিয়ে দেওয়া হয়। এতে সময়ক্ষেপণসহ শিডিউল বিপর্যয়ে যাত্রীরা প্রায়ই ভোগান্তিতে পড়েন। এরপরই বঙ্গবন্ধু রেল সেতু নির্মাণের চিন্তা সামনে আসে। ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাপান ও বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে জাইকা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। যমুনা নদীর দুই প্রান্তে দুটি ভাগে চলছে নির্মাণকাজ। ইতোমধ্যে সেতুর পূর্বপাশে টাঙ্গাইল অংশে ৪৭ ও ৪৮ নম্বর পিলারের মাঝে সুপার স্ট্রাকচার গার্ডারের কাজ শুরু করা হয়েছে।

jagonews24

প্রকল্প পরিচালক বলেন, আগে কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে নদীর দুই প্রান্তে সমানতালে কাজ চলানো সম্ভব হয়নি। তবে এখন বেশ জোরেসোরে কাজ চলছে।

নদী ওপর মহাকর্মযজ্ঞ

যমুনা নদীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু নির্মাণকে কেন্দ্র করে প্রকল্প এলাকায় চলছে মহাকর্মযজ্ঞ। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে পাইলিংসহ সেতু নির্মাণ সংশ্লিষ্ট নানা কাজ। কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘিরে রাখা হয়েছে প্রকল্পের এলাকা। বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুর ৩০০ মিটার উজানে সেতুপূর্ব-উত্তর পাশের গাইড বাঁধের কাছ থেকে পাইল বসানোর কাজ শুরু হয়। এখন ভারি ক্রেনের সাহায্যে হ্যামার দিয়ে বসানো হচ্ছে পাইলিং পাইপ। হ্যামারের শব্দে প্রকম্পিত হচ্ছে পুরো প্রকল্প এলাকা। প্রকল্পে দেশি ও বিদেশি কোম্পানির কয়েক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ৪.৮ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেল সেতু নির্মাণ। এই প্রকল্পের মধ্যে আরো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উভয় প্রান্তে ০.০৫ কিলোমিটার ভায়াডাস্ট, প্রায় ৭.৬৬৭ কিলোমিটার রেলওয়ে অ্যাপ্রোচ এমব্যাংকমেন্ট এবং লুপ ও সাইডিংসহ মোট প্রায় ৩০ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ। এছাড়া সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ে থাকবে নতুন স্টেশন ভবন, ইয়ার্ড রিমডেলিং ও রেলওয়ে সেতু মিউজিয়াম। একই প্রকল্পের আওতায় কিছু নদী শাসন ও সংস্কার কাজও করা হচ্ছে।

jagonews24

রেল বিভাগ বলছে, ৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবল লাইন ডুয়েল গেজের এই রেল সেতু হবে দেশের বৃহত্তম ডেডিকেটেড রেল সেতু। সেতুটিতে ৫০টি পিলার ও ৩৭টি স্প্যান থাকবে। এই স্প্যানের মধ্যে ৩৬টি নির্মাণ করা হবে ভিয়েতনাম ও মিয়ানমারে। বাকি ১টি নির্মাণ করা হবে বাংলাদেশে। সেতুটি জাপানি প্রযুক্তিতে, এন্টিওয়েদারিং স্টিল দিয়ে তৈরি হবে। যাতে কখনোই রং করতে না হয়। এতে সেতু রক্ষণাবেক্ষণ খরচও তেমন লাগবে না। নতুন এ সেতুর উপর দিয়ে ব্রডগেজ লাইনে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার এবং মিটার গেজ লাইনে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার বেগে রেল চলতে পারবে।

বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে যেখানে ৩৮টি রেল চলাচল করতে পারে সেখানে বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু নির্মিত হলে প্রতিদিন ৬৮টি রেল চলাচল করতে পারবে।

রেল সেতুটির বৈশিষ্ট্য

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, নতুন রেল সেতু হলে নতুন রুট চালু করা হবে। বর্তমানে যে রেল সেতুগুলো রয়েছে তাতে একটি করে লাইন রয়েছে। এই সেতুটিতে দুটি রেললাইন বসবে। যার ফলে কোনো ট্রেনকে সেতু পার হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। একসঙ্গে দুটো ট্রেন দুদিকে চলে যেতে পারবে।

এখন বঙ্গবন্ধু সেতুতে ঘণ্টায় সর্বচ্চো ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারে। এই সেতুটিতে ঘণ্টায় সর্বচ্চো ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলতে পারবে। এটির ওপর দিয়ে যেকোনো ওজনের মালবাহী ও যাত্রীবাহী ট্রেন চলতে পারবে। এই ব্রিজটির ওপর দিয়ে একাধিক লোকোমোটিভ বা ইঞ্জিন দিয়ে ট্রেন চালানো যাবে।

তিনি বলেন, সাধারণত মালবাহী ট্রেনগুলোকে প্রায়ই দুটি ইঞ্জিন দিয়ে টানতে হয়। বর্তমান ব্রিজের ওপর দিয়ে সেটি সম্ভব হয় না। ইঞ্জিন মেরামত করার জন্য সেটিকে অন্য আরেকটি ইঞ্জিন দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থাও বঙ্গবন্ধু সেতুতে নেই। যে কারণে পার্বতীপুরের কারখানায় মেরামতের জন্য ইঞ্জিন নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না। এই সেতু হলে সেটি সম্ভব হবে।

যেভাবে তৈরি হচ্ছে রেল সেতু

সেতুটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে প্রকল্প পরিচালক ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমার বলেন, এই সেতুটি তৈরিতে যেসব উপকরণ ও প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে সেটি এখনকার রেল সেতুগুলো থেকে আলাদা। এটি ওয়েদারিং স্টিল দিয়ে তৈরি করার কারনে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ প্রায় শূন্য। এই সেতুটির ফাউন্ডেশনে জাপানের একটি প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। যে প্রযুক্তি জাপানের বাইরে খুব কম ব্যবহৃত হয়। রেল লাইনগুলো চাকার ঘর্ষণে ক্ষয়ে যাওয়া কমাতে বিশেষ উপকরণ ব্যবহার করা হবে। তাই লাইনগুলো কম পরিবর্তন হবে। এক লাইন দীর্ঘসময় ধরে কার্যক্ষম থাকবে। ব্রিজের সংযোগস্থলে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে তাতে ব্রিজটির নিজের ওজন কম হবে। এতো উচ্চ প্রযুক্তি দেশের কোনো রেল সেতুতে নেই।

jagonews24

আন্তর্জাতিক সংযোগের পরিকল্পনা

রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. হুমায়ুন কবীর জানান, একটা আলাদা (রেল) সেতু দেশের আভ্যন্তরীণ আর্থ সামাজিক উন্নতির পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে দেশকে সংযুক্ত করবে। বাংলাদেশ ট্র্যান্স এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হতে চায়। এই সেতুটি ভবিষ্যতে সেই সংযোগ তৈরি করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই লক্ষ্য নিয়ে উত্তরের সীমান্ত এলাকায় রেললাইন সম্প্রসারণের কাজ চলছে।

সিগনাল ও টেলিকমিউনিকেশন কাজের চুক্তি

যমুনা নদীর ওপর দ্বিতীয় প্যারালাল রেল সেতুর সিগনাল ও টেলিকমিউনিকেশন কাজের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ বলছে ২০২২ সালের মে মাসে রেল ভবনে বাংলাদেশ রেলওয়ের সঙ্গে জাপানি কোম্পানি ইয়াসিমা জেএসইর (জয়েন্টে ভেনচার) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে বাংলদেশ রেলওয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রকল্প পরিচালক ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমার এবং জাপানি কোম্পানি ইয়াসিমার অথোরাইজড পার্সন নরিয়ো ইকোজিমা। জাইকার অর্থায়নে প্রকল্পটির চুক্তি মূল্য ৪৭ কোটি ৭১ লাখ ২৫ হাজার ৬৬৫ টাকা। ২৮ মাসের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী কাজ শেষ করা হবে।

যুক্ত হচ্ছে বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ

২০২২ সালের মধ্যেই বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে। পুরো প্রকল্পে সাড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। ভারতের লাইন অব ক্রেডিটের আওতায় এ প্রকল্পটিতে অর্থ ব্যয় করা হবে। ইতোমধ্যেই রেলপথের কোথায় কোথায় ব্রিজ, ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাস নির্মাণ হবে তা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

রেল সূত্র জানায়, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ বাস্তবায়নে ৭টি রেলওয়ে স্টেশন থাকছে। এগুলো হলো বগুড়ার রানীর হাট, শাজাহানপুর, আড়িয়া বাজার, শেরপুর, সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ, চান্দাইকোনা ও সিরাজগঞ্জের কৃষাণদিয়া। রেলওয়ে জংশন নির্মাণ করা হবে সিরাজগঞ্জে। এই প্রকল্পের কারণে উত্তরের বিভিন্ন জেলার সঙ্গে রাজধানীর প্রায় ৭২ কিলোমিটার পথ কমে আসবে।

বর্তমানে বগুড়ার সান্তাহার জংশন হয়ে নাটোর, পাবনা, ঈশ্বরদী, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ঘুরে যমুনা নদীর উপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতুতে পৌঁছাতে হয়। শুধুমাত্র বগুড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিনটি জেলার পথ ঘুরে বঙ্গবন্ধু সেতুতে পৌঁছাতে সময় লেগে যায় প্রায় ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা। আর প্রায় ৪০৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকায় পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ৯ ঘণ্টা। অপরদিকে সড়ক পথে ২০০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে বাসে করে ঢাকা যেতে সময় লাগে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা। অথচ বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুতে সরাসরি ট্রেনযোগে পৌঁছাতে সময়ে লাগবে মাত্র ১ থেকে সোয়া ১ ঘণ্টা।

রেলে চলমান প্রকল্পসমূহ

বঙ্গবন্ধু রেল সেতুকে ঘিরে এই অঞ্চলে চলছে রেল বিপ্লব। রেলের মেগা প্রকল্পের বেশিরভাগই এই অঞ্চলে। এখানে উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারতের সঙ্গে রেল সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে চিলাহাটি এবং চিলাহাটি বর্ডারের মধ্যে ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ। বগুড়া থেকে শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন, সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ। জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত ডুয়েল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণ। রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের লেভেল ক্রসিং গেইটসমূহের পুনর্বাসন ও মান উন্নয়ন। মিটারগেজ ও ব্রডগেজ প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ সংগ্রহ। লোকোমোটিভ, রিলিফ ক্রেন এবং লোকোমোটিভ সিমুলেটর সংগ্রহ। ২০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ এবং ১৫০টি মিটারগেজ যাত্রীবাহী ক্যারেজ সংগ্রহ।

পার্বতীপুর থেকে কাউনিয়া পর্যন্ত মিটারগেজ রেলওয়ে লাইনকে ডুয়েলগেজে রূপান্তর। পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পসমূহের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা। খুলনা-দর্শনা জংশন সেকসনে ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণ। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য সিগন্যালিংসহ রেল লাইন সংস্কার ও নির্মাণ। দর্শনা থেকে দামুড়হুদা এবং মুজিবনগর হয়ে মেহেরপুর পর্যন্ত নতুন ব্রডগেজ রেল লাইন নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই ও বিশদ ডিজাইন।

২১টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেক্ট্রিক লোকোমোটিভ নবরূপায়ন, ১০০টি মিটারগেজ যাত্রীবাহী ক্যারেজ পুনর্বাসন, ২০০টি মিটার গেজ প্যাসেঞ্জার ক্যারেজ সংগ্রহ ও আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেল সংযোগ নির্মাণ (বাংলাদেশ অংশ)।

রেলমন্ত্রী যা বলছেন

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে আমরা যমুনা রেল সেতু উদ্বোধন করতে পারবো এবং এ বছরের মধ্যেই পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত রেল চলাচল করবে।

বঙ্গবন্ধু রেল সেতু সম্পর্কে মন্ত্রী আরো বলেন, আশা করছি শুরু থেকেই পঞ্চগড় থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেল চলাচল করবে। এ বছরের মধ্যেই খুলনা থেকে মোংলা পর্যন্ত রেল চালু হবে। এছাড়া ডিসেম্বরের মধ্যেই টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন ডাবল এবং কমলাপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত থার্ড লাইন ফোর লাইনে বর্ধিত করার কাজ সম্পন্ন হবে। সবমিলিয়ে রেল চলাচলে একটা বড় পরিবর্তন আসছে।


আরও খবর